আজঃ বুধবার ২৫ মে ২০২২
শিরোনাম

ঘুম থেকে ডেকে তুলে মাদরাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকার

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ এপ্রিল ২০২২ | ৮২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সাভারে এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদরাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। রোববার (০৩ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে সাভার মডেল থানায় মামলাটি করা হয়।

এর আগে শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে সাভারের রাজাশন বিরুলিয়া রোডের নূরানী তালিমুল কোরআন মাদরাসার আবাসাকি ভবনের দ্বিতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শিক্ষক আলামিন হাসান সাইম ময়মনসিংহ জেলার ধুবাউড়া থানার সাতানিপাড়া গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে। তিনি সাভারের রাজাশন বিরুলিয়া রোডের নূরানী তালিমুল কোরআন মাদরাসায় শিক্ষকতা করতেন।

মামরার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মাদরাসার আবাসিকে থেকে আরবি বিভাগের নাজেরা শ্রেণিতে লেখাপড়া করে। ওই মাদরাসায় শিক্ষকতার পাশাপাশি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে দেখাশুনা করে আসছিলেন মাওলানা আল-আমিন হাসান। শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে আবাসিকের দ্বিতীয় তলায় ওই শিক্ষার্থীকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে বলাৎকার করেন। পরের দিন বাসায় ফিরে কান্নাকাটি করে পরিবারের কাছে বিষয়টি খুলে বলে ওই শিক্ষার্থী। রোববার রাতে সাভার মডেল থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগীর পরিবার।

সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক সৈকত বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। একইসঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আরও খবর



প্রয়োজনে টিআইবির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | ৪৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনার টিকা নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদনের বিষয়ে সংস্থাটির বিরুদ্ধে প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার যেখানে ২০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করেছে, তারা এখানে উল্টোটা বলছে। এদের বিরুদ্ধে তো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি, প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। লিগ্যাল নোটিশ  দেওয়া হবে।

এ ধরনের মিথ্যাচার, গবেষণার নামে দেশকে দোষী সাব্যস্ত করা, সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করা যেখানে সরকার আজকে সমগ্র বিশ্ব কর্তৃক প্রশংসিত। ১৩০টি দেশে যখন শুরুই হয়নি, তখন বাংলাদেশ টিকা কার্যক্রম শুরু করেছিল। বাংলাদেশে ২৫ কোটি ডোজের বেশি টিকা দেওয়া হয়েছে, পুরোটাই বিনামূল্যে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, টিআইবির কথার সূত্র ধরে কালকে রুহুল কবির রিজভী বক্তব্য দিয়েছেন। টিআইবি তো পারপাসফুলি করেছে, আর রিজভী সাহেব মুর্খের মতো বলেছেন। সরকার বরং ২০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করেছে।


আরও খবর



ডিমলায় গরু ও খাসির মাংসে আগুন

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | ৬২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ডিমলা-নীলফামারী, প্রতিনিধি:

মধ্যম আয়ের মানুষও এখন আর গরুর মাংস কেনার সাহস করছে না। অনেক পরিবার শুধু বাড়িতে অতিথি এলে নিরুপায় হয়ে গরুর মাংস কেনার সাহস দেখায়। এ অবস্থা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে এই মানুষগুলোর সাধ্যের মধ্যে আর থাকবে না গরুর মাংস।

অথচ দেশে প্রতিবছর বাড়ছে গরু-মহিষ, ছাগল-ভেড়ার উৎপাদন। তার পরও গরুর মাংসের দাম বাড়ছে। মাংস কিনতে নাভিশ্বাস ভোক্তাদের।

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে বেড়েছে গরু ও খাসির মাংসের দাম। কেজি প্রতি গরু ১৫০ ও খাসি ১০০ টাকা বেড়ে গরুর মাংসের দাম হয়েছে ৬৫০ টাকা ও খাসির মাংসের দাম ৮৫০ টাকা। এছাড়াও দেশি মুগরি ৪৫০ টাকা, সোনালী মুরগি ৩০০ টাকা কেজি ও বয়লার মুগরির দাম ১৮০ টাকা কেজি। দিন দিন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়ায় সাধারণ ক্রেতাদের নাভিস্বাস অবস্থা। অন্যদিকে বেড়েছে শাক-সবজি, মাছ, তেল, কাঁচা তরু তরকারীসহ সকল নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম এছাড়া সয়াবিন তেলের দাম এক লাফে ৩৮ টাকা বেড়ে ২১০টাকায় গিয়ে ঠেকেছে।

সোমবার (০৯ ই মে) ডিমলা উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা যায় এসব চিত্র। গরুর মাংস ৬৫০ টাকা কেজি ও খাসির মাংস ৮৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও খোলা সোয়াবিন তেল ১৯৫ টাকা ও বোতলের এক লিটার তেল বর্তমানে ২১০ টাকা এবং মশুর ডাল ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি দিনই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়ার করনে সাধারণ ক্রেতারা পড়েছে বিপাকে। বাড়ছে ক্রেতাদের মধ্যে ক্ষোভ।

ডিমলা উপজেলার বিভিন্ন সবজি বাজার ঘুরে জানা যায়, লাউ ৪০-৪৫ টাকা পিস, বেগুন ৪০-৪৫ টাকা কেজি, কাঁচা মরিচ ২৫-৩০ টাকা কেজি, করলা কেজি ৪০-৪৫ টাকা, পেঁয়াজ ৩৫-৪০ টাকা ও শসা ৩০-৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

মাংস ও মাছ বাজারে ঘুরে দেখা যায়,  গরুর মাংস ৬৫০ টাকা কেজি ও খাসির মাংস ৮৫০টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ছোট ইলিশ ৪৫০-৭৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে, রুই মাছ ২৪০-২৬০ টাকা কেজি, মিরকা মাছ ১৭০ টাকা কেজি, টেংরা মাছ ৫০০-৬০০ টাকা কেজি, তেলাপিয়া ১৫০ টাকা, জাপানী রুই মাছ ১৮০-২০০ টাকা, বাচা মাছ ১৫০ টাকা, পাংগাস মাছ ১৪০-১৫০টাকা কেজি, সিলভার কাপ ১২০-১৪০ টাকা, লাল ডিম হালিতে ৪ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩৬ টাকা হালি, সাদা ডিম ৪ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩২ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে।

গয়াবাড়ী ইউনিয়নের শুটিবাড়ী বাজারের মাংস বিক্রেতা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, হাটে প্রতিটি গরুর দাম ১০-১৫ হাজার টাকা বেশি দরে কিনতে হচ্ছে তাই মাংসের দাম একটু চড়া।


আরও খবর



ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ৩২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ফের সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। প্রতি ভরিতে দাম বাড়ানো হয়েছে এক হাজার ৭৫০ টাকা। ফ‌লে দে‌শের বাজা‌রে ভা‌লোমা‌নের (২২ ক্যারেট) সোনা প্রতি ভ‌রির দাম বেড়ে দাঁড়াবে ৭৮ হাজার ২৬৫ টাকায়, যা এতদিন ছিল ৭৬ হাজার ৫১৬ টাকা।

মঙ্গলবার (১৭ মে) বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বুধবার (১৮ মে) থেকে সারা দেশে নতুন দাম অনুযায়ী সোনা কেনাবেচা করা হবে।

বাজুস জানায়, যুদ্ধ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং মুদ্রাবাজারে মার্কিন ডলার ও অন্যান্য মুদ্রার দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় বলিয়ন মার্কেটেও সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনা ও রূপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বুধবার (১৮ মে) থেকে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনা কিনতে খরচ পড়বে ৭৮ হাজার ২৬৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির খরচ পড়বে ৭৪ হাজার ৭০৭ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম পড়বে ৬৪ হাজার ৩৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরির দাম পড়বে ৫৩ হাজার ৩৬২ টাকা।

তবে রূপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ক্যাটাগরি অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম আগের মতোই নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রূপার দাম ১৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রূপার দাম পড়বে ১২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম ৯৩৩ টাকায় কেনাবেচা হবে।


আরও খবর



ভারতে তিন দিনের রিমান্ডে পি কে হালদার

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ৩১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা পাচারের মামলার মূল অভিযুক্ত প্রশান্ত কুমার হালদারকে (পি কে হালদার) ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেফতারের পর তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। প্রদেশের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা থেকে পি কে হালদারকে শনিবার দুপুরের দিকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে তুলে রিমান্ডের আবেদন করা হলে তা মঞ্জুর করা হয়।

শনিবার ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের তদন্তকারী সংস্থা ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার অশোক নগরের একটি বাড়ি থেকে পি কে হালদার ও তার পাঁচ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে আদালতে তোলে ইডি। এক বিবৃতিতে ইডি বলেছে, হাজার কোটি টাকা পাচারকারী পি কে হালদার নাম পাল্টে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে বসবাস করতেন। প্রদেশের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার অশোক নগরের একটি বাড়িতে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি।

শনিবার সেখান থেকে পি কে হালদারসহ মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। এর আগে, শুক্রবার দিনভর কলকাতা ও উত্তর চব্বিশ পরগনার অন্তত ৯টি স্থানে অভিযান চালায় ইডি। সেসময় উত্তর চব্বিশ পরগনার অশোকনগর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার পোলেরহাটে দুটি বাড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় পি কে হালদারের ব্যক্তিগত আইনজীবী সুকুমার মৃধার অবৈধ সম্পত্তির খোঁজে অভিযান শুরু করে ভারতের এই সংস্থা। কর্মকর্তারা বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে এই তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় তাদের সঙ্গে প্রচুর নিরাপত্তাকর্মী ছিলেন।

পি কে হালদারের সন্ধানে শুক্রবারও দিনভর কলকাতা ও উত্তর চব্বিশ পরগনার অন্তত ৯টি স্থানে অভিযান চালায় ইডি পরে শনিবার পি কে হালদারের সম্পত্তির খোঁজে দ্বিতীয় দফায় আবারও অভিযান শুরু করে দেশটির আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানীখ্যাত মুম্বাই এবং রাজধানী দিল্লিতেও অভিযান চালায় ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের তদন্তকারী এই সংস্থা।

ইডি বলেছে, ব্যক্তিগত আইনজীবী সুকুমার মৃধার সহায়তায় পি কে হালদার পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের একাধিক রাজ্যে বিপুল সম্পদ করেছেন। বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে অর্থপাচারের মাধ্যমে ভারতে একাধিক অভিজাত বাড়িসহ বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছেন বলে খোঁজ পেয়েছে ইডি। দেশটির কেন্দ্রীয় এই তদন্ত সংস্থা বলছে, তারা ইতোমধ্যে পি কে হালদারের কাছ থেকে বেশ কিছু নথি উদ্ধার করেছেন। এসব নথিতে প্রাথমিকভাবে ভারতে তার ২০ থেকে ২৫টির মতো বাড়ির মালিকানার তথ্য মিলেছে। এছাড়া অভিযানের সময় পি কে হালদারের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থও জব্দ করা হয়েছে।

এক বিবৃতিতে ইডি বলেছে, বাংলাদেশি নাগরিক প্রশান্ত কুমার হালদার, প্রীতিশ কুমার হালদার, প্রাণেশ কুমার হালদার এবং তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। প্রশান্ত কুমার হালদার নিজেকে শিব শঙ্কর হালদার নামে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিতেন। বাংলাদেশি এই অর্থপাচারকারী পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য থেকে ভারতীয় রেশন কার্ড, ভারতীয় ভোটার আইডি কার্ড, প্যান এবং আধার কার্ডও সংগ্রহ করেছিলেন। প্রশান্ত কুমার হালদারের অন্য সহযোগীরাও ভারতীয় এসব কার্ড জালিয়াতির মাধ্যমে সংগ্রহ করেন।

হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, বাংলাদেশি এই নাগরিকরা প্রতারণার মাধ্যমে ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গে ব্যবসায়িক কোম্পানি চালু করেন। কোম্পানি পরিচালনার পাশাপাশি কলকাতা মেট্রোপলিটন এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে স্থাবর সম্পত্তি কিনেছেন তারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইডির একজন কর্মকর্তা বলেছেন, পি কে হালদারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও ব্যক্তিগত আইনজীবী সুকুমার মৃধার অন্তত তিনটি বাড়ি রয়েছে অশোকনগরে। এই এলাকায় তিনি মাছ ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত।

দুর্নীতি দমন কমিশন ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি পি কে হালদারের বিরুদ্ধে ২৭৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়ের করে। মামলার অভিযোগে বলা হয়, পলাতক পি কে হালদার তার নামে অবৈধ উপায়ে এবং ভুয়া কোম্পানি ও ব্যক্তির নামে প্রায় ৪২৬ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়েছেন।

অবৈধ সম্পদের অবস্থান গোপন করতে ১৭৮টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করেন পি কে হালদার। তিনি এসব অ্যাকাউন্টে ৬ হাজার ৮০ কোটি টাকা জমা রাখেন। পাশাপাশি এসব অ্যাকাউন্ট থেকে তার নামে ও বেনামে আরও ৬ হাজার ৭৬ কোটি টাকা উত্তোলন করেন। দুদকের তথ্য বলছে, পি কে হালদার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অন্তত ১১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

নিউজ ট্যাগ: পি কে হালদার

আরও খবর



ঈদ উপলক্ষে সালমা ও জয়ের ‘প্রেমের বাঁশি’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | ৪৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঈদ উপলক্ষে নতুন গান নিয়ে আসছেন ক্লোজআপ ওয়ান খ্যাত গায়িকা মৌসুমী আক্তার সালমা ও জয়। গানের শিরোনাম প্রেমের বাঁশি। আহমেদ রিজভীর কথায় প্রেমের বাঁশি গানটির সুর করেছেন প্লাবন কোরেশী। সংগীত পরিচালনা করেছেন সুমন কল্যাণ।

জয় সরকার বলেন, গানের কথাগুলো আমাকে টেনেছে। প্লাবন কোরেশীর সুর ও সুমন কল্যানের সঙ্গীতে চমৎকার একটি গান হয়েছে। এছাড়া গানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করা হয়েছে ভিডিও। তাছাড়া সালমার সাথে কাজটি ঈদের ধামাকা বলতে পারেন। পুরো টিম চেষ্টা করেছি একটা ভালো গান উপহার দিতে। আশা রাখি গানটি প্রকাশের পর দর্শক-শ্রোতাদের ভাল লাগবে।

সালমা বলেন, রিজভী ভাইয়ের কথায় জয়ের সঙ্গে নতুন একটি গান করছি। এটি এবার ঈদে ধামাকা একটা কিছু হবে। তবে এখনই সব বলতে চাই না। প্রকাশ পাবার পর দর্শকরা বলবেন।

জানাগেলো, গানটি আজ ২৭ এপ্রিল জনপ্রিয় অডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সাউন্ডটেকের ব্যানারে প্রকাশ পাবে।


আরও খবর