আজঃ মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

গেমিংয়ের দুনিয়ায় নতুন সংযোজন ইনফিনিক্স হট ৩০!

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ এপ্রিল ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৬ এপ্রিল ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

Image

সম্প্রতি বাজারে এসেছে ইনফিনিক্সের শক্তিশালী গেমিং ফোন হট ৩০। তরুণ গেমারদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে উদ্ভাবনী প্রযুক্তিতে ডিজাইন করা হয়েছে এই ফোন। এর ফিচারগুলোর মধ্যে আছে শক্তিশালী প্রসেসর, হাই-ডেফিনিশন স্ক্রিন এবং উন্নত গেমিং প্রযুক্তি। এর ফলে গেমিংয়ে আরও উন্নত অভিজ্ঞতা পাবেন ব্যবহারকারীরা।

প্রসেসর: হট ৩০ ফোনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ফিচারগুলোর একটি হলো এর শক্তিশালী হেলিও জি৮৮ প্রসেসর। গেমিংয়ের অভিজ্ঞতা স্বচ্ছন্দ ও দ্রুত করতে এই প্রসেসরের সুনাম আছে। এর ৮-কোর আর্কিটেকচার ডিজাইনে আছে সর্বোচ্চ ২.০ গিগাহার্জ-এর দুটি শক্তিশালী এআরএম কর্টেক্স-এ৭৫ কোর। এর ফলে এই ফোনে দ্রুত লোডিং টাইম, পাওয়ার অপটিমাইজেশন এবং ১৮টি পর্যন্ত অ্যাপ একইসাথে চালানোর সুবিধা পাওয়া যাবে। আর বেশিরভাগ তরুণদের জন্যই বর্তমানে মাল্টিটাস্কিং একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আর শক্তিশালী প্রসেসর নিয়ে হট ৩০ হতে পারে মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্য একটি আদর্শ ফোন।

ব্যাটারি: হট ৩০ ফোনের ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারি চলতে পারে সারাদিন। ৫% চার্জেও এই ফোন ২ ঘণ্টা পর্যন্ত পারফর্ম করতে পারে। গেমারদের জন্য এটি অনেক বড় একটি ব্যাপার। এখন ব্যাটারি ফুরিয়ে যাওয়ার চিন্তা ছাড়াই তারা প্রিয় গেম খেলে যেতে পারবেন। এছাড়াও, এর ৩৩ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তির সাহায্যে ফোনটি মাত্র ৩০ মিনিটেই ৫৫% পর্যন্ত চার্জ হতে পারে। এর ফলে ফোনকে খুব বেশিক্ষণ দূরে রাখতে হবে না।

ডিসপ্লে: হট ৩০ ফোনে আছে ১০৮০পি হাই রেজোলিউশনের ৬.৭৮ ইঞ্চি পারফোরেটেড স্ক্রিন, ৯০ হার্জ হাই রিফ্রেশ রেট এবং ২৭০ হার্জ টাচ স্যাম্পলিং রেট। ফলে মাইক্রো-অপারেশনের জন্য সময়মতো টাচ রেসপন্স পাবেন গেমাররা। এছাড়াও সিনেমা অথবা টিভি শো স্ট্রিম করার জন্যও এই স্ক্রিন আদর্শ।

ক্যামেরা: ফটোগ্রাফিপ্রেমীদের জন্যও হট ৩০ একটি ভালো ফোন হতে পারে। এতে আছে এফ১.৬ অ্যাপারচার সম্পন্ন ৫০-মেগাপিক্সেল মেইন ক্যামেরা লেন্স, এর ফলে লাইট ইনটেক বৃদ্ধি পায়। আরও আছে একটি মাল্টি-ফ্রেম ওভারলে অ্যালগরিদম, যা রাতের ছবির মান উন্নত করে এবং বিভিন্ন ধরনের নাইট ফিল্টার ব্যবহারের সুবিধা প্রদান করে। এর ৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা সেলফি তোলার জন্য যথেষ্ট।

হট ৩০ ফোনটি বেশ কয়েকদিন ব্যবহার করে নিজেদের মতামত জানিয়েছেন দেশের শীর্ষ টেক রিভিউয়াররা। এই ফোনের রিয়েল লাইফ পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে এএফআর টেকনোলজিস জানিয়েছে, দাম বিবেচনায় এই ফোনটির ডিসপ্লে, প্রসেসর ও ব্যাটারি অনেক উন্নত মানের। ফোনটির বক্স ডিজাইনও তাদের পছন্দ হয়েছে, তবে ফোনের ক্যামেরা আরও ভালো হতে পারতো বলে মনে করেন তারা।

এই ফোনে বিশেষভাবে ব্যবহার করা হয়েছে লিংক বুমিং প্রযুক্তি। এর ফলে ওয়াই-ফাই এবং ফোনের ডেটা একসাথে কাজ করে। তাই গেমিং হতে পারে নির্ঝঞ্ঝাট। হট ৩০ এর ৪+১২৮ জিবি এবং ৮+১২৮ জিবি-র দুটি ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যাচ্ছে রেসিং ব্ল্যাক, সনিক হোয়াইট ও সার্ফিং গ্রিন- এই তিনটি রঙয়ে।

সব মিলিয়ে, হট ৩০ তরুণদের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা চমৎকার একটি গেমিং ফোন। এর দাম শুরু হয়েছে ১৪,৯৯৯ টাকা থেকে। ফোনটির শক্তিশালী প্রসেসর, দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি এবং উন্নত গেমিং প্রযুক্তির ফলে ব্যবহারকারীদের গেমিং অভিজ্ঞতা আরও ভালো হওয়ার আশা করা যায়। মাল্টিটাস্কিং, স্ট্রিমিং ও ছবি তোলার জন্যও এই ফোনটি দারুণ কাজ করে। ফলে ব্যস্ত জীবন কাটানো তরুণদের জন্য এটি একটি অসাধারণ অল-রাউন্ডার ফোন। এছাড়াও মূল্য বিবেচনায় হট ৩০ ফোনটি সাশ্রয়ী। ফলে সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নত মোবাইল ফোন যারা খুঁজছেন, তাদের জন্য হট ৩০ হতে পারে প্রথম পছন্দ।

ইনফিনিক্স: ইনফিনিক্স মোবিলিটি একটি উদীয়মান প্রযুক্তি ব্র্যান্ড। ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ইনফিনিক্স ব্র্যান্ডের আওতায় বিশ্বজুড়ে অনেক ধরনের ডিভাইস ডিজাইন, প্রস্তুত ও বাজারজাত করে থাকে কোম্পানিটি। আজকের তরুণদের জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল ডিভাইস প্রস্তুত করা তাদের মূল লক্ষ্য। এই ফোনগুলোর মূল বৈশিষ্ট্য চমৎকার স্টাইল, পাওয়ার ও পারফরম্যান্স। ইনফিনিক্সের ট্রেন্ডি ডিভাইসগুলো ব্যবহারকারীর প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়।

ভবিষ্যৎ আমাদের হাতের মুঠোয় (দ্য ফিউচার ইজ নাও) মূলমন্ত্র নিয়ে ইনফিনিক্স আজকের তরুণদের স্বকীয়তা তুলে ধরার জন্য অনুপ্রাণিত করতে চায়। আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার ৪০টির বেশি দেশে এই কোম্পানির পণ্য বিক্রি করা হয়। বিস্ময়কর গতিতে বিস্তার ঘটছে ইনফিনিক্সের। ২০১৯-২০২১ সালে কোম্পানিটির অভূতপূর্ব ১৫৭% প্রবৃদ্ধি ঘটেছে। চমকপ্রদ ডিজাইন ও দারুণ মানের ফ্ল্যাগশিপ-লেভেল ডিভাইস প্রস্তুত করা চালিয়ে যাওয়ার বড় পরিকল্পনাও তাদের রয়েছে।


আরও খবর



খুলনাকে পাঁচ উইকেটে হারাল সিলেট

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

বিপিএলে দিনের প্রথম ম্যাচে খুলনা টাইগার্সকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে সিলেট স্ট্রাইকার্স। শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় খুলনা।

আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে অধিনায়ক আনামুল হক বিজয়ের ৫৮ বলে ৬৭ ও হাবিবুর রহমান সোহানের ৩০ বলে ৪৩ রানে ভর করে ১৫৩ রানের লড়াকু সংগ্রহ পায় খুলনা। এই জুটি থেকে আসে ৯৯ রান । দলকে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি এনে দিতে শেষ ৫ ওভারকেই বেছে নেন বিজয় ও সোহান। সানজামুল ইসলাম ১৬ রানে পান ১ উইকেট।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই সাজঘরে ফেরেন ১৩ রান করা সামিত প্যাটেল। এদিনও হাসেনি নাজমুল শান্তর ব্যাট। মাত্র ১৮ রানে মার্ক দয়ালের শিকার তিনি। অনুশীলনে ব্যাট হাতে ঝড় তুললেও মাঠে নিষ্প্রাণ জাকির। এরপর মিথুনের ব্যাটে ম্যাচে ফেরার পথে বাধা হয়ে দাড়ান দয়াল।

আইরিশ ব্যাটার হ্যারি টেকটরের ৬১, অধিনায়ক মোহাম্মদ মিথুনের ২৪ ও রায়ান বুর্ল এর অপরাজিত ৩২ রানের সুবাদে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় তারা। ১৯ তম ওভারে বল করতে আসেন রুবেল। এই ওভারেই ২৪ রান তুলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সিলেট। খুলনার পক্ষে মার্ক দয়াল ১৯ রানের বিনিময়ে তুলে নেন ৩ উইকেট।

সিলেট ও খুলনার লড়াই ছাপিয়ে সবার নজর ছিল দুই ওপেনার এনামুল হক বিজয় ও হ্যারি টেকটরের লড়াইয়ের দিকে। সবার প্রশ্ন ছিল কে হাসবেন শেষ হাসি। শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সিলেট স্ট্রাইকার্স।

এ নিয়ে চলতি আসরে তৃতীয় জয়ের দেখা পেলো সিলেট। এই জয়ে সিলেটের পয়েন্ট ৬, আর ২ ম্যাচ কম খেলে খুলনার পয়েন্ট ৮। দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে সন্ধ্যায় দুর্দান্ত ঢাকার মুখোমুখি হবে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।


আরও খবর



দেশের মানুষ ভালো আছে: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেছেন, দেশের মানুষ ভালো আছে। দেশের অর্থনীতি ভালোর দিকে যাচ্ছে। রোববার (৩ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থনীতি কি ভালো অবস্থায় আছে, মানুষ কি ভালো আছে? এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষকে জিজ্ঞেস করেন। আমি তো মনে করি ভালো আছে।

তিনি বলেন, নতুন একজন প্রতিমন্ত্রী পেয়ে ভালো হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাজের গতি আরও বাড়বে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বাজারে জিনিসপত্রের দাম কমে আসছে, এটা আরও কমবে। ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আসছে ভারত থেকে। এগুলো আসলে দাম আরও কমে যাবে।


আরও খবর



আরভিএন্ডএফ কোরের বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আরভিএন্ডএফ কোরের বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সাভারে অবস্থিত রিমাউন্ট ভেটেরিনারি এন্ড ফার্ম (আরভিএন্ডএফ) ডিপোতে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, এসবিপি (বার), ৩এসপি, এনডিইউ, পিএসসি, পিএইচডি।

সেনাবাহিনী প্রধান বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে উপস্থিত আরভিএন্ডএফ কোরের অধিনায়ক ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন এবং সেনাবাহিনীর পুষ্টি ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষাসহ এ কোরের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

বক্তব্যের শুরুতেই তিনি স্বাধীনতার মহান স্থপতি এবং সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়া সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রীর সার্বক্ষণিক দিক নির্দেশনা ও সকল প্রকার সহায়তার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। একই সাথে তিনি স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী আরভিএন্ডএফ কোরের বীর সেনানীসহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের।

সেনাবাহিনী প্রধান আরভিএন্ডএফ কোরের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং দেশমাতৃকার সেবায় এই কোরের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। এছাড়াও, তিনি আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সদা প্রস্তুত থাকতে এই কোরের সকল সদস্যের প্রতি আহ্বান জানান।

একই দিন সকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রিমাউন্ট ভেটেরিনারি এন্ড ফার্ম কোরের ২য় 'কর্নেল কমান্ড্যান্ট' হিসেবে অভিষিক্ত হলেন জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও এরিয়া কমান্ডার সাভার এরিয়া মেজর জেনারেল মোঃ মঈন খান, এনডিসি, পিএসসি। সাভারে অবস্থিত রিমাউন্ট ভেটেরিনারি এন্ড ফার্ম ডিপোর প্যারেড গ্রাউন্ডে সামরিক রীতি ও ঐতিহ্য মেনে এ অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। অভিষেক অনুষ্ঠানে আরভিএন্ডএফ কোরের জ্যেষ্ঠতম অধিনায়ক এবং মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার কর্তৃক জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও এরিয়া কমান্ডার সাভার এরিয়াকে গৌরবমন্ডিত 'কর্নেল কমান্ড্যান্ট ব‍্যাংক-ব্যাজ' পরিয়ে দেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে নবনিযুক্ত কর্নেল কমান্ড্যান্ট উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে তাঁর দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, অন্যান্য অফিসার, জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার, অন্যান্য পদবির সেনাসদস্য এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। রিমাউন্ট ভেটেরিনারি এন্ড ফার্ম কোরের বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনী প্রধানের উপস্থিতির মধ্য দিয়ে এই কোরের সদস্যদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি ও কোরের প্রতিটি সদস্যের মাঝে আগামী দিনে দেশ সেবার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপনের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত হয়েছে।

উল্লেখ্য, সেনাবাহিনী প্রধান আরভিএন্ডএফ ডিপোতে পৌছালে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড, নবনিযুক্ত কর্নেল কমান্ড্যান্ট জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও এরিয়া কমান্ডার সাভার এরিয়াসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ।


আরও খবর



নাইকো দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

নাইকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে দুজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। সোমবার (৪ মার্চ) কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ঢাকা-৯ (অস্থায়ী) বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ হাফিজুর রহমানের আদালতে মিরাজ হোসেন ও আব্দুল বাকী সাক্ষ্য দেন।

খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবী হাজিরা দেন। এরপর তারা আদালতে সাক্ষ্য দেন। এর মধ্যে মিরাজের জবানবন্দি ও জেরা শেষ হয়েছে। আব্দুল বাকী আংশিক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৪ এপ্রিল দিন ধার্য করেন। খালেদা জিয়ার আইনজীবী জিয়া উদ্দিন জিয়া ও হান্নান ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তৎকালীন সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম বাদী হয়ে খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় এ মামলা করেন। কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলা করা হয়।

এরপর ২০১৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এতে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতিসাধনের অভিযোগ আনা হয়। ২০২৩ সালে ১৯ মার্চ কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকা-৯ (অস্থায়ী) বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল করপোরেশনের চেয়ারম্যান সেলিম ভূঁইয়া ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ। অন্যদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন ও বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান মারা যাওয়ায় মামলা থেকে তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়।

নিউজ ট্যাগ: খালেদা জিয়া

আরও খবর



ভিকারুননিসার যৌন নিপীড়ক মুরাদ রিমান্ড শেষে কারাগারে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগের মামলায় ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আজিমপুর শাখার শিক্ষক মুরাদ হোসেন সরকারকে দুই দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিমের আদালত শুনানি শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর কলাবাগানের বাসা থেকে মুরাদ হোসেন সরকারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরের দিন আসামির সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা লালবাগ থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ফাইয়াজ হোসেন। শুনানি শেষে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির এক ছাত্রীর মা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারায় মুরাদ হোসেনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগে রাজধানীর লালবাগ থানায় এ মামলা করেন। রাতেই ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির জরুরি সভায় শিক্ষক মুরাদ হোসেন সরকারকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মামলার পর মুরাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার আগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি মুরাদ হোসেন সরকারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আজিমপুর ক্যাম্পাসের ফটকে বিক্ষোভ করেন ছাত্রী ও অভিভাবকরা। অভিভাবক ও ছাত্রীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ, অভিযুক্ত ওই শিক্ষক কোচিংয়ে পড়ানোর সময় ছাত্রীদের যৌন হয়রানি করেন।

এর আগে একই প্রতিষ্ঠানের বসুন্ধরা শাখার এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২০১৫ সালের ২৫ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক পরিমল জয়ধরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছিলেন ঢাকার চার নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ওই ছাত্রীকে প্রলোভন দেখিয়ে ২০১১ সালের ২৮ মে ধর্ষণ করে শিক্ষক পরিমল জয়ধর। ওই সময় ওই ছাত্রীর নগ্ন ছবি মোবাইলে ভিডিও করা হয়। পরে ওই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার কথা বলে ওই বছরের ১৭ জুন ফের ধর্ষণ করে।


আরও খবর