আজঃ মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

গাঁজাসহ দুই নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ সেপ্টেম্বর 20২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৩ সেপ্টেম্বর 20২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর মুগদা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা (ডিবি) মতিঝিল বিভাগ।

গ্রেফতার দুজন হল মোছা. রেনুয়ারা আক্তার ও মোছা. শাহানাজ বেগম ওরফে শাহনুর। শুক্রবার রাতে মুগদা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে ডিবি মতিঝিল বিভাগের অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও মাদক নিয়ন্ত্রণ দল। 

আরও পড়ুন>> আওয়ামী লীগের ৭ দিনের কর্মসূচি শুরু হচ্ছে আজ

ডিবির সহকারী কমিশনার (এসি) মো. এরশাদুর রহমান জানান, গাঁজাসহ মাদককারবারিরা মুগদা থানার মান্ডা খালপাড় এলাকায় অবস্থান করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ১০ কেজি গাঁজাসহ দুই নারীকে গ্রেফতার করা হয়।


আরও খবর



কুবিতে উপাচার্য হিসেবে দুই বছর পূর্ণ করেছেন অধ্যাপক ড. আবদুল মঈন

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দুই বছর পূর্ণ করেছেন অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন।  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষে কমনওয়েলথ বৃত্তি নিয়ে যুক্তরাজ্যের র্স্টার্লিং বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি এবং অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে পোষ্ট ডক্টরাল ডিগ্রি লাভ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়টি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনেক সফলতা অর্জন করেছে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার ইমেজ বৃদ্ধি করতে সমর্থ হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এবং অর্জনগুলো:

এক. গবেষণা ও আন্তর্জাতিক জার্নাল এ মানসম্পন্ন প্রবন্ধ প্রকাশনায় উদ্বুদ্ধ করার জন্য মর্যাদাসম্পন্ন ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড ও স্বীকৃতি চালু করা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার আয় থেকে অর্জিত তহবিলের অর্থ দিয়ে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। ২০২২-২৩ অর্থবছরে এই অ্যাওয়ার্ড ১৭ জন শিক্ষককে প্রদানের মাধ্যমে শুরু হয়। এর ফলে শিক্ষকদের মধ্যে, বিশেষ করে প্রারম্ভিক ও মধ্যম পর্যায়ের শিক্ষকদের মধ্যে মানসম্পন্ন গবেষণা ও প্রকাশনার প্রতি উৎসাহ ও অর্জন বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বছর ৫২ জন শিক্ষক ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড এর জন্য আবেদন করেন। এখানে উল্লেখ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ২৬২ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন।

দুই. মানসম্পন্ন গবেষণা ও প্রকাশনায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির জন্য দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মানের বিদেশি প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

তিন. প্রথমবারের মত মর্যাদাপূর্ণ ভাইস চ্যান্সেলর বৃত্তি চালু করা হয়। বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে আমরাই প্রথম এই ধরনের বৃত্তির উদ্যোগ গ্রহণ। দুই বছরে ৭০৩ শিক্ষার্থীকে এই বৃত্তি প্রদান করা হয়।

চার. শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ২০২৩ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার আয় থেকে স্পোর্টস বৃত্তি প্রচলন করা হয়। ষোল জন খেলোয়াড়কে বৃত্তি প্রদান করে এই বৃত্তি প্রদান কার্যক্রম শুরু করা হয়।

পাঁচ. কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতোপূর্বের দীর্ঘ সেশনজট হ্রাস করতে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। কেন্দ্রীয়ভাবে একটি একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রবর্তন করা হয়।

ছয়. যে সকল শিক্ষক উচ্চতর ডিগ্রি করার পরেও দেশে ফিরে আসেননি, কিন্তু বিদেশে থেকে পদ ধরে রাখার কারণে এখানে শিক্ষক সঙ্কট তৈরি হয়েছে তাদের ৮ জনের কাছ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা বাবদ ১.৫৮ কোটি টাকা ফিরিয়ে এনে পদগুলো শূন্য করা হয়েছে।

সাত. স্বাস্থ্যকর ক্যাম্পাস নিশ্চিত করার জন্য তিন ধরনের বর্জ্যের জন্য তিন রঙের (লাল সাধারণ বর্জ্যরে জন্য, হলুদ রিসাইকেল বর্জ্যরে জন্য, এবং সবুজ কম্পোস্ট এর জন্য) অপসারণযোগ্য বিন স্থাপন করা হয়। শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নে নিয়মিতভাবে কাউন্সেলিং প্রদানসহ র‌্যাগিং এর বিরুদ্ধে সচেতনতা ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

আট. সর্বক্ষেত্রে অটোমেশন (ডি-নথি, ওয়েবসাইট, অ্যাপ, ইআরপি, ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক, পেমেন্ট গেটওয়ে) সেবার ব্যবস্থা শুরু করেছি।

নয়. কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্নীতিমুক্ত প্রকিউরমেন্ট ও অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ ও টেন্ডার বাণিজ্যের সংস্কৃতি বন্ধ করা হয়। ৯০-৯৫% প্রকিউরমেন্ট টেন্ডার প্রক্রিয়া ইজিপি-এর মাধ্যমে সম্পাদনের ব্যবস্থা করা হয়।

দশ. দায়িত্ব গ্রহণের পরে ৬ মাসের মধ্যে দুর্নীতির কারণে ২০১৪ সাল থেকে চলমান স্থবির একটি উন্নয়ন প্রকল্প কঠোর পরিশ্রম করে সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করা।

এগারো. এপিএতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৪৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৪২তম থেকে ১০ম স্থানে উন্নীত করা।

বারো. স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য বিজয় দিবস ও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে এলাকার দরিদ্র জনগণের জন্য বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসকদের সহায়তায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প গঠন করে  ১,০০০  প্রান্তিক লোককে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান।

এ বিষয়ে উপাচার্য ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, যোগদানের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি লিডিং ও মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করছি। বিশ্ববিদ্যালয়টি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনেক সফলতা অর্জন করেছে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার ইমেজ বৃদ্ধি করতে সমর্থ হয়েছি।

নিউজ ট্যাগ: ড. আবদুল মঈন

আরও খবর



সোনার নিলামেও সিন্ডিকেটের থাবা

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

স্থায়ী খাতের প্রায় ২৫ কেজি সোনা বিক্রি করতে চায় বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে নিলাম ডেকেও কাঙ্ক্ষিত দাম মেলেনি। এই সোনা বিক্রি করতে গত বছরের অক্টোবরে দ্বিতীয় দফায় নিলাম ডাকা হয়। সন্তোষজনক দাম না পাওয়ায় বিক্রির সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের এক সভায় বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়, সর্বশেষ নিলামের সর্বোচ্চ দরদাতা প্রতিষ্ঠানকে দাম আরও বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত সপ্তাহে ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বৈঠক করে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানটি প্রাথমিক সম্মতি দিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে চূড়ান্তভাবে প্রতিষ্ঠানটি রাজি না হলে পুনরায় নিলাম ডাকার সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

জানা গেছে, বিভিন্ন সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়া সোনা বাংলাদেশ ব্যাংকের অস্থায়ী খাতে জমা করা হয়। এর পর মামলা নিষ্পত্তি হলে তা স্থায়ী খাতে নেওয়া হয়। স্থায়ী খাতে নেওয়া স্বর্ণ আন্তর্জাতিক মানের হলে তা কেন্দ্রীয় ব্যাংক কিনে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে যোগ করে। আর আন্তর্জাতিক মানের না হলে সেটি নিলাম করে বিক্রি করে দেওয়া হয়।

২৫ কেজি সোনা বিক্রির সবশেষ নিলামে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড, ভেনাস জুয়েলার্সসহ মাত্র তিনটি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। তবে কোনো প্রতিষ্ঠানই বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি হারের কাছাকাছি দাম প্রস্তাব করেনি। অর্থাৎ বৈধ সোনাও কাক্সিক্ষত দামে কিনতে নারাজ ব্যবসায়ীরা। সূত্রগুলো বলছে, ব্যবসায়ীদের মধ্যে সিন্ডিকেটের কারণে নিলামে প্রত্যাশিত দামের দেখা পাচ্ছে না বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে বিক্রিরও সিদ্ধান্ত নেওয়া যাচ্ছে না।

তবে ব্যবসায়ীদের কোনো সিন্ডিকেট থাকার কথা জানা নেই বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির (বাজুস) নির্বাহী সদস্য ও মুখপাত্র ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম। তিনি আমাদের সময়কে বলেন, ব্যাংক বেশি দামে বিক্রি করতে চাইবে, আর ক্রেতা যতটা কমে সম্ভব কিনতে চাইবে। ফলে আমরা নিজেদের প্রফিটের দিক খেয়াল করেই সেটা কিনব।

নিলাম প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার পরামর্শ দিয়ে এই ব্যবসায়ী বলেন, বিশ্ববাজারে প্রতিনিয়ত সোনার দাম ওঠানামা করছে। ফলে স্বল্প সময়ের মধ্যে নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা না গেলে ব্যবসায়ীদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মেজবাউল হক বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সোনা বিক্রির নির্ধারিত একটা প্রক্রিয়া আছে। সেই প্রক্রিয়ায় একটা প্রজেকশন প্রাইস থাকে। সেই প্রাইস যদি আমরা না পাই, তাহলে সেক্ষেত্রে রি-অকশন করা হয়। এ ধরনের অকশন আগেও একবার হয়েছিল।

জানা গেছে, স্থায়ী খাতে নেওয়া সোনার প্রায় ২ হাজার ৪২৯ কেজি ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কিনে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে যোগ করেছে। এ ছাড়া এখন পর্যন্ত মালিককে ফেরত বা নিলামে বিক্রি করা হয়েছে ১ হাজার ৮৭ কেজি ৪০০ গ্রাম। সর্বশেষ ২০০৮ সালের জুলাই মাসে প্রায় ২২ কেজি সোনা নিলামে বিক্রি করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এর পর ২০২২ সালের নভেম্বরে স্থায়ী খাতের আরও ২৫ কেজি ৩১২ গ্রাম সোনা বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে ওই বছরের নভেম্বরে নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এ নিলামে অংশ নিলেও অপেক্ষাকৃত কম দর প্রস্তাব করে। যে কারণে সে সময় বিক্রি না করে আবার নিলামের উদ্যোগ নেওয়া হয় গত বছরের মে মাসে। এর পর বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে গত অক্টোবরে নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এতে মাত্র ৩টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। প্রতিষ্ঠাগুলোর প্রস্তাবিত দর গত মাসে মূল্যায়ন করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে সর্বোচ্চ দরদাতা প্রতিষ্ঠান যে দামের প্রস্তাব করেছে, তাতে ২৫ কেজি সোনার মূল্য দাঁড়িয়েছে ১৭ কোটি টাকার কিছু বেশি। কিন্তু এই দাম কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রজেকশন রেটের চেয়ে কম হওয়ায় বিক্রির সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি নিলাম কমিটি। এর পর বিষয়টি নিয়ে গত মাসে সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সভায় বিস্তারিত আলোচনা হলেও বিক্রির সিদ্ধান্ত হয়নি।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) প্রদত্ত রেটের (বাজার রেট) চেয়ে অন্তত ১০ থেকে ২০ শতাংশ কম ধরে সোনা বিক্রির প্রজেকশন রেট ঠিক করে বাংলাদেশ ব্যাংক। যদি নিলামে ওই রেটের সমান বা বেশি পাওয়া যায়, তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ সংক্রান্ত কমিটি সোনা বিক্রি করে দেয়।

চলতি বছরও বাংলাদেশে সোনার দামে আরও রেকর্ড হয়েছে। বাজুসের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে বর্তমানে ভালো মানের প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ১০ হাজার ৬৯১ টাকা।


আরও খবর



পুরুষের চেয়ে ইমোজির ভাষা বেশি বোঝেন নারীরা

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ইমোজির ব্যবহার খুবই সাধারণ একটি বিষয়। তবে ইমোজির মানে বা ভাষা বোঝার ক্ষেত্রে অনেক সময়ই জটিলতা তৈরি হয়। দেখা গেছে, কোনো ব্যক্তি হয়তো কোনো একটি অনুভূতি বোঝাতে যে ইমোজি ব্যবহার করছেন তাঁর বিপরীত পাশে থাকা ব্যক্তিটি সেই ইমোজির মানে ধরে নিয়েছেন অন্য কিছু। এমন জটিলতার বেশির ভাগই তৈরি হয় পুরুষদের ক্ষেত্রে। বিপরীতে ইমোজির ভাষা বা মানে বোঝার ক্ষেত্রে পুরুষের চেয়ে নারীরা এগিয়ে।

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব নটিংহ্যামের একদল মনোবিজ্ঞানীর একটি গবেষণা থেকে এই তথ্য উঠে এসেছে। সেই গবেষণার বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, ৫২৩ জনের ওপর এক জরিপের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্তে এসেছেন গবেষকেরা। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৪৯ শতাংশ পুরুষ এবং ৫১ শতাংশ নারী।

মূলত, ইমোজিগুলো সাবজেক্টিভ অর্থাৎ, ইমোজির মানে বা ভাষা ব্যক্তিগত বোঝাপড়ার ওপর নির্ভর করে। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, অশ্রুসিক্ত একটি ইমোজির কথা। অনেকেই এটিকে দুঃখের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বিবেচনা করেন আবার অনেকে এটিকে মাত্রাতিরিক্ত সুখের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করেন। গবেষকেরা বলছেন, ইমোজির মানে ব্যক্তির বোঝাপড়ার ওপর নির্ভর করে ভিন্ন হয়। এ ছাড়া, লিঙ্গ, বয়স এবং অন্যান্য কারণেও ব্যক্তিভেদে ইমোজির মানে ভিন্ন হয়।

গবেষকেরা অ্যাপল, উইন্ডোজ, অ্যান্ড্রয়েড ও উইচ্যাট থেকে বিভিন্ন ইমোজি নিয়ে সেগুলোর মানে জানতে চান অংশগ্রহণকারীদের কাছে। মোটা দাগে ৬টি ক্যাটাগরির আবেগীয় অনুভূতির ইমোজির বিষয়ে জানতে চান। এই ছয়টি অনুভূতি হলোসুখ, বিরক্ত, ভয়, দুঃখ, বিস্ময় ও রাগ।

গবেষকেরা দেখতে পেয়েছেন এই ছয়টি অনুভূতির ইমোজি ভালোভাবে বোঝার ক্ষেত্রে নারীরা পুরুষের চেয়ে এগিয়ে। তবে বিরক্তি ও বিস্ময়ের ইমোজি বোঝার ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের মধ্যে কোনো তফাৎ খুঁজে পাননি গবেষকেরা।

এই গবেষণার বিষয়ে গবেষক ইউনিভার্সিটি অব নটিংহামের স্কুল অব সাইকোলজির সহযোগী অধ্যাপক ড. রুথ ফিলিক বলেন, আমরা সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও আশ্চর্যজনক যে বিষয়টি পেয়েছি তা হলো, সাধারণ মানুষ কীভাবে এই ইমোজিগুলোকে ব্যাখ্যা করে তার মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে।

ড. রুথ আরও বলেন, কেন একদল মানুষ অন্য একদল মানুষের চেয়ে ইমোজির মানে ভালোভাবে বোঝে তা নিয়ে আমাদের ভাবা উচিত। এবং একই সঙ্গে আমাদের বার্তা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে ইমোজির মানের এই পার্থক্যগুলো মনে রাখা উচিত।

গবেষকেরা বলছেন, লিঙ্গ, বয়স ও ব্যক্তির সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের ওপর ভিত্তি করে মূলত এই পার্থক্য তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে আরও বিশদ গবেষণা করা যেতে পারে।


আরও খবর
মজাদার ফুলকপির বিরিয়ানি

সোমবার ০৪ মার্চ ২০২৪




আড়ার সঙ্গে ঝুলছিল মা-বাবার মৃতদেহ, প্রতিবেশীদের ডাকল শিশুসন্তান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

পটুয়াখালী থেকে স্বামী-স্ত্রীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে জেলার মহিপুর থানার আসালতখাঁপাড়া গ্রাম থেকে তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আরিফ হোসেন ওই এলাকার আলী হোসেনের ছেলে। তার স্ত্রী রিয়া মনির বাবার বাড়ি আমতলী উপজেলার শাখারিয়া এলাকায়।

স্থানীয়রা জানান, বিকেলে আরিফ ও রিয়া মনির মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয়। সন্ধ্যায় তাদের ৪ বছরের মেয়ে সুমাইয়া ঘুমিয়ে পড়েছিল। রাত ১১টার দিকে ঘুম ভাঙলে সে তার বাবাকে ঘরের আড়ার সঙ্গে ও মাকে বারান্দার আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে। পরে সে প্রতিবেশীদের ডেকে আনে।

আরিফের ফুফাত ভাই মিরাজ বলেন, দুপুরে আমরা একসঙ্গে দাওয়াতে গিয়েছিলাম। আমি ও আরিফ এক টেবিলে বসে খেয়েছি। ওর মধ্যে কোনো চিন্তা লক্ষ্য করিনি। স্ত্রীর সঙ্গে ওর সম্পর্ক ভালো ছিল।

প্রতিবেশী জয়নাল বলেন, আমরা ঘরে ঘুমিয়ে ছিলাম। আরিফের মেয়ে সুমাইয়া আমাদের ডেকে আনে। আমরা গিয়ে দেখি দুজনেই ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছে। পরে আমরা পুলিশকে খবর দেই।

মহিপুর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন তালুকদার জানান, স্বামী ও স্ত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর



সংরক্ষিত ৫০ নারী আসনের ভোট ১৪ মার্চ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনে নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৪ মার্চ। মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সংরক্ষিত নারী আসনে ভোটের এ তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এদিন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে কমিশন বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে তফসিল ঘোষণা করেন ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম।

জানা গেছে, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ১৪ দলের শরিকদের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে সংসদে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। তাদের সঙ্গে স্বতন্ত্র এমপিদের সমর্থন থাকতে পারে।

বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, সরাসরি ভোটে জয়ী দলগুলোর আসন সংখ্যার অনুপাতে নারী আসন বণ্টন করা হয়। সংসদের সাধারণ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংরক্ষিত আসনের নির্বাচনের ভোটার হন।

আইন অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে। গত ৭ জানুয়ারি ভোটের পর ৯ জানুয়ারি গেজেট প্রকাশ হয়েছে। এ হিসাবে ইসির আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। যদিও তফসিল অনুযায়ী তার তিন সপ্তাহ আগেই ভোটগ্রহণের দিন ঠিক করেছে কমিশন।

গত ৭ জানুয়ারি ২৯৯টি আসনে অনুষ্ঠিত দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২২৩টি, জাতীয় পার্টি ১১টি, জাসদ ১টি, ওয়ার্কার্স পার্টি ১টি, কল্যাণ পার্টি ১টি এবং স্বতন্ত্র ৬২টি আসনে জয় পেয়েছে। নির্বাচনের আগে প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় নওগাঁ-২ আসনের ভোট স্থগিত করা হয়। ওই আসনে ভোট হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি।

আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে এবার জাসদ ও ওয়ার্কার্স পার্টির দুজনসহ আওয়ামী লীগ ৩৮টি, জাতীয় পার্টি দুটি, স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জোটভুক্ত হয়ে ১০টি সংরক্ষিত আসন পেতে পারে।


আরও খবর