আজঃ শুক্রবার ১৯ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

গাজীপুরে কারখানায় বিস্ফোরণে নিহত ১, আহত ৬

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মো: আফসার খাঁন, কালিয়াকৈর (গাজীপুর)

Image

গাজীপুরে একটি কারখানায় লেনিনেশন মেশিন বিস্ফোরণ ও আগুনের ঘটনায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৬ জন। তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম-পরিচয় জানাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস।

এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, গাজীপুর মহানগরীর বাবারুল সুখীনগর ধীরাশ্রম এলাকায় ইন্টেলিজেন্ট কার্ড লিমিটেড নামের একটি কারখানায় বুধবার দুপুর পৌনে ১টার সময় লেনিনেশন মেশিন বিস্ফোরিত হয়। এতে কারখানার ভেতরে আগুন ধরে যায়।

আগুন ও বিস্ফোরণে লিখন মিয়া নামে একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৬ জন। লিখন মিয়ার বাড়ি গাইবান্ধা জেলায় বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠান। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ওই হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল আরেফিন জানান, তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। বিস্ফোরণের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তসাপেক্ষে বলা যাবে।


আরও খবর



নড়িয়ায় স্কুল ছাত্রী ধর্ষণে অভিযুক্তদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ এপ্রিল 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ এপ্রিল 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
Image

নড়িয়া(শরীয়তপুর) প্রতিনিধি:

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় ইউপি সদস্য ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষণের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে স্কুলের শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং এলাকার জনসাধারণ।

সোমবার (১ এপ্রিল) সকালে উপজেলার কেদারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে ধর্ষণে অভিযুক্ত বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও স্থানীয় ইউপি সদস্য লিটন লস্কর এবং বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক সঞ্জয় মজুমদারসহ তাদের সহযোগী অন্যান্য শিক্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।

উল্লেখ্য গত ২৪ মার্চ বিদ্যালয় ছুটির পরে অষ্টম শ্রেণির ভুক্তভোগী ঐ শিক্ষার্থীকে লাইব্রেরিতে ডেকে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দিয়ে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য লিটন লস্কর এবং বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক সঞ্জয় মজুমদার।

এই ঘটনার পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আ: গনি ও অন্যান্য শিক্ষকরা বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য ভুক্তভোগী ঐ শিক্ষার্থীর গলায় ছুড়ি ধরে তাকে হত্যার হুমকি দেয়।

পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার আশংকাজনক অবস্থায় তাকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরদিন ইউপি সদস্য লিটন লস্কর ও শিক্ষক সঞ্জয় মজুমদারকে প্রধান আসামী করে বিদ্যালয়ের আরও ৪জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে নড়িয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভুগি শিক্ষার্থীর মা। অভিযোগের পরপরই ইউপি সদস্য লিটন লস্করকে গ্রেফতার করে নড়িয়া থানা পুলিশ।


আরও খবর



চাকরি দিতে ইবি উপাচার্যকে ১০ লাখ টাকা ঘুষ প্রস্তাব

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

চাকরি দিলে ১০ লাখ টাকা দেবেনএমন মেসেজ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য শেখ আবদুস সালামের হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়েছেন এক নারী।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে মেসেজটি আসে উপাচার্যের ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে।

এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে আজ দুপুরে ইবি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ এম আলী হাসান। জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মামুন রহমান।

জিডিতে বলা হয়, আজ মঙ্গলবার সকালে উপাচার্যের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে অজ্ঞাত নম্বর থেকে ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে চাকরিপ্রদানের অনুরোধ জানিয়ে মেসেজ দেন এক নারী। উপাচার্যের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলতে অনুরোধও করেন ওই নারী। উপাচার্য কথা বলতে না চাইলে মেসেজ পাঠান। ওই মেসেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হলে উপাচার্যের মানহানি হবে। এমন অবস্থায় এ বিষয়টি ভবিষ্যতের জন্য সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করে রাখার অনুরোধ করা হয়।

উপাচার্যকে পাঠানো মেসেজের স্ক্রিনশটে লেখা ছিল, স্যার, ১০ লাখ মিষ্টি খেতে নেন। এটা আপনি আর আমি ছাড়া কেউ জানবে না। আমার সত্যিই ওখানে কেউ নেই। প্লিজ স্যার, চাকরিটা খুব দরকার।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত নারী বলেন, এরকম মেসেজ আমি দেইনি। আমার আইডিটা হয়তো হ্যাক হয়েছে। আমি গরিব মানুষ। আমাদের এত টাকা নেই।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, এটা কুচক্রী মহলের কাজ। এখানে একটা গ্রুপ আছে। এসব করে আমাদের ট্রাপে ফালাইতে চায়। আপাতত থানায় ডায়েরি করা হয়েছে। বিষয়গুলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী খতিয়ে দেখবে।


আরও খবর



পাহাড়ে সক্রিয় ভয়ংকর বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী কুকি-চিন

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ এপ্রিল ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রাণ প্রকৃতির নিসর্গ পার্বত্য জেলা বান্দরবানের বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) শান্তির পাহাড়ে নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। পরপর দুই দিনে তিনটি সরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখায় ঢুকে টাকা লুটে নেওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পাহাড়ে শান্তি আলোচনার অংশ হিসেবে অনেকগুলো ভার্চুয়াল বৈঠকের পর গত বছরের ৫ নভেম্বর শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিটি ও কেএনএফের প্রথম সরাসরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। গত ৬ মার্চ অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় সরাসরি বৈঠক। এর মধ্যে পাহাড়ে বড় ধরনের কোনো সশস্ত্র তৎপরতা দেখা যায়নি। হঠাৎ করে পরপর তিনটি ব্যাংকে ডাকাতির ঘটনায় কেএনএফ সম্পর্কে অনেক প্রশ্ন সামনে চলে এসেছে। এর আগে সর্বশেষ গত বছরের শুরুতে দুর্গম পাহাড়ে অস্ত্রের গর্জন শোনা যায়। গত বছরের ৭ এপ্রিল বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে কেএনএফ সন্ত্রাসীদের অতর্কিত গুলিবর্ষণের ঘটনায় আটজন নিহত হন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, কেএনএফের সশস্ত্র শাখা কুকি-চিন ন্যাশনাল আর্মির (কেএনএ) সদস্যরা সম্প্রতি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। স্থানীয়দের ওপর নির্বিচারে হামলা, লুটপাট ছাড়াও সরকারি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্তদের খুন, জখম ও অপহরণের ঘটনাও ঘটায় কুকি সন্ত্রাসীরা। স্থানীয় নিরীহ পাহাড়ি বাসিন্দাদেরও হুমকি-ধামকি ও নির্যাতন করে তারা। কেএনএফের এ তাণ্ডবের কারণে জীবন বাঁচাতে নিজ পাড়া বা বসতভিটা ছেড়ে উপজেলা সদরে আশ্রয় নিয়েছেন বহু পাহাড়ি বাসিন্দা। স্থানীয় পর্যায়ে আতঙ্ক ছড়াতে পাহাড়ের শান্তি-শৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি রক্ষায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর টহল দলের ওপরও তারা অতর্কিত সশস্ত্র হামলা চালায়। কিন্তু গত মঙ্গল ও বুধবার তিনটি সরকারি ব্যাংকের শাখায় ঢুকে নগদ টাকা লুটে নেওয়ার ঘটনায় নতুন বার্তা পাওয়া যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। টাকার অভাবে কেএনএফ লুটপাটে জড়িয়ে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, ব্যাংক লুটের আগে বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে থানচি বাজারে গুলি ছুড়তে ছুড়তে দোকানগুলো থেকে মোবাইল সেট ও নগদ টাকা কেড়ে নেয় অস্ত্রধারীরা। পরে সোনালী ব্যাংক এবং কৃষি ব্যাংকে ঢুকে ক্যাশ কাউন্টার থেকে টাকা লুটতরাজ করে চলে যায়। স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, পাহাড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর ক্রমাগত অভিযানের পর কথিত বিচ্ছিন্নতাবাদী কেএনএফের কুকিল্যান্ডের সেই স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে। কেএনএফের সশস্ত্র শাখা কুকি-চিন ন্যাশনাল আর্মি (কেএনএ) পার্বত্য এলাকায় যেসব আস্তানা গেড়েছিল সেগুলোর অধিকাংশই এখন সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। ফলে সশস্ত্র তৎপরতার শক্তি ও সুযোগ হারিয়ে কুকি সন্ত্রাসীরা এখন বিচ্ছিন্নভাবে চাঁদাবাজি ও মুক্তিপণের জন্য অপহরণের ঘটনা ঘটাচ্ছে। বাজারে হামলা ও ব্যাংক লুটের ঘটনা তারই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগেও বেশকিছু অপহরণ ও চাঁদাবাজির ঘটনার সঙ্গে কেএনএফ বা কেএনএর সম্পৃক্ততা পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কেএনএফ বা কেএনএ ছাড়াও পার্বত্য তিন জেলায় চাঁদাবাজির আধিপত্য নিয়ে জেএসএস, ইউপিডিএফসহ অন্য আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলোও বেপরোয়া সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে পাহাড়ে শান্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে একটি তৎপরতা গত এক বছর ধরে সক্রিয় ছিল। তারই অংশ হিসেবে গত ৫ নভেম্বর প্রথম সরাসরি বৈঠক করে শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিটি ও সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)। বৈঠকে শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিটির পক্ষে নেতৃত্ব দেন কমিটির আহ্বায়ক ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা। গত ৬ মার্চ দ্বিতীয় সরাসরি বৈঠক হয় তাদের সঙ্গে। দ্বিতীয় দফা সরাসরি আলোচনায় ৭টি বিষয় নিয়ে সমঝোতা হয়েছিল। এর মধ্যে কেএনএফের মামলা প্রত্যাহার, জেলে আটক বন্দিদের মুক্তি দেওয়া, মিজোরামে পালিয়ে যাওয়া নাগরিকদের ফিরিয়ে এনে পুনর্বাসন করা, চাঁদাবাজি বন্ধ, কেএনএফ সদস্যদের স্বাভাবিক জীবনে নিয়ে এসে চাকরি দেওয়ার বিষয়ে সমঝোতা হয়েছিল। কিন্তু ব্যাংকে সন্ত্রাসী হামলার পর গতকাল কেএনএফের সঙ্গে আলোচনা স্থগিত করেছে শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিটি। ১৯ সদস্যের শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্য সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মনু গতকাল বিকালে বলেন, আমরা অনেকগুলো বৈঠক করে শান্তি প্রতিষ্ঠার সংলাপ ভালোই এগিয়ে নিচ্ছিলাম। এই সময়ে কোনো বড় ঘটনাও ঘটেনি। তিনি বলেন, হঠাৎ তাদের এই কর্মকাণ্ডে মনে হচ্ছে, কমান্ড পর্যায়ে কোনো পরিবর্তন এসেছে। এ ছাড়া অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে সশস্ত্র এই সংগঠনটি। নগদ টাকার প্রয়োজন থেকেই তারা বাজার ও ব্যাংক ডাকাতির মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নেমেছে। এ ছাড়া নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতায় তাদের সাংগঠনিক শক্তি অনেকটা পর্যুদস্ত অবস্থায় রয়েছে। তারা হয়তো মনে করছে, পৃথক কুকিল্যান্ডের স্বপ্নপূরণ সম্ভব নয়। সেজন্যই তারা শক্তির জানান দিতে চাইছে। এদিকে বান্দরবানের রুমা উপজেলায় অপহৃত সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার নিজাম উদ্দিন রাসেলকে অপহরণের দুই দিন পর গতকাল সন্ধ্যায় উদ্ধার করা হয়েছে। সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের ধরতে নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে পার্বত্য গণপরিষদের উদ্যোগে বান্দরবান প্রেস ক্লাব চত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়েছে। সংগঠনের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান কাজী মুজিবুর রহমান অবিলম্বে পার্বত্য চট্টগ্রামে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং বিভিন্ন স্পর্শকাতর পয়েন্টে সেনাবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের সভাপতি কাজী মুজিবুর রহমান বলেন, পার্বত্য এলাকায় তারা (কেএনএ) এখনো তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের তাণ্ডবের কারণে রুমা, রোয়াংছড়ি ও থানচি উপজেলায় যাতায়াত ও পর্যটকদের চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সবখানেই একটা আতঙ্ক বিরাজ করছে। তবে এ পরিস্থিতির মধ্যেও নিরাপত্তা বাহিনীর মোটামুটি শক্ত অবস্থান রয়েছে।

তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের ভৌগোলিক পরিবেশ ও বর্তমান পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর কোনো বিকল্প নেই। পার্বত্য অঞ্চলের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে আরও অনেক সেনা ক্যাম্প চালু করা এখন সময়ের দাবি। যেসব স্থান থেকে একসময় সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার করা হয়েছিল সেগুলোও দ্রুত চালু করা প্রয়োজন। শুধু পুলিশ দিয়ে পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।


আরও খবর
ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিবের ঢাকা সফর স্থগিত

বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪




চট্টগ্রাম টেস্ট: বাংলাদেশকে হতাশ করে প্রথম দিনেই ৩০০ পেরিয়ে শ্রীলংকা

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ৩০ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

শেষ বিকেলে শ্রীলংকার দুই গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিল বাংলাদেশ। এই লাইনটুকু পড়ে অবশ্য খুশি হওয়ার কিছু নেই। কেননা দিনব্যাপী স্বাগতিক বোলাররা হতাশাতেই ছিল। ফলে চট্টগ্রামে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টর প্রথম দিন নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩০০ পেরিয়ে গেছে লংকানরা। নির্ধারিত ৯০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩১৪ রান করেছে তারা।

জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে গুরুত্বপূর্ণ এই লড়াইয়ে টস জিতে বাংলাদেশকে ফিল্ডিংয়ে পাঠান শ্রীলংকার অধিনায়ক ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা। বাংলাদেশ তাদের একাদশে দুইটি পরিবর্তন এনেছে। দলে ঢুকেছেন সাকিব আল হাসান ও হাসান মাহমুদ। এই ম্যাচই হাসান মাহমুদের অভিষেক টেস্ট। সিলেট টেস্ট থেকে বাদ পড়েছেন তরুণ নাহিদ রানা ও শরিফুল ইসলাম। শ্রীলংকা তাদের একাদশে একটি পরিবর্তনই এনেছে। সিলেট টেস্টে ৮ উইকেট পাওয়া কাসুন রাজিথা ইনজুরির কারণে আগেই ছিটকে গিয়েছিলেন। তার জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন আরেক পেসার কাসুন রাজিথা।

অভিষিক্ত হাসান দলীয় ষষ্ঠ ওভারেই উইকেট পেতে পারতেন তিনি। তবে তার বলে স্লিপে মাদুশকার সহজ ক্যাচ ফেলে দেন মাহমুদুল হাসান জয়। অভিষেক ম্যাচে আরও দুর্ভাগ্য তাড়া করে বেরিয়েছে হাসানের। ২২তম ওভারে হাসানের বাউন্সারে ফাইন লেগে ক্যাচ তোলেন করুনারত্নে। তবে বাউন্ডারি লাইন থেকে কিছুটা এগিয়ে থাকায় ক্যাচ মিস করেন সাকিব আল হাসান। তার হাতে লেগে হয় ছক্কা। উইকেটশূন্য অবস্থায়ই প্রথম সেশন শেষ করে বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় সেশনের প্রথমেই উইকেট পায় বাংলাদেশ। সেটি হাসান মাহমুদের কৃতিত্বে। তবে বলে নয়, ফিল্ডিংয়ে। ২৯তম ওভারের পঞ্চম বলে দলীয় ৯৬ রানের মাথায় তার দুর্দান্ত থ্রোয়ে ফেরেন মাদুশকা। তিনি ১০৫ বলে ৬টি চারে ৫৭ রান করেন।

এরপর দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন করুনারত্নে ও কুশল। বল হাতে প্রথম সাফল্য আসে সেই হাসানের হাত ধরেই। ৫৬তম ওভারের প্রথম বলে হাসান মাহমুদের বলে করুনারত্নে সরাসরি বোল্ড হলে ভাঙে লংকান ওয়াল’। করুনারত্নে ফিরেছেন ৮৬ রান করে। ১২৯ বলে ৮টি চার ও ১ ছক্কায় এই রান করেন করুনারত্নে।

তবে এই টেস্টও বাংলাদেশের বোলারদের সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে প্রথম দুই সেশনেই তুলে নিয়েছে রানের ডাবল সেঞ্চুরি। ওভারপ্রতি সাড়ে তিনের বেশি হারে রান তুলে করেছে ২১৪।

এরপর সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়ে সাকিব আল হাসানে কাঁটা পড়েন কুসল মেন্ডিস। ৭২তম ওভারের তৃতীয় বলে এই টেস্টে ফেরা সাকিবের বলে মেহেদী হাসান মিরাজকে ক্যাচ দেন মেন্ডিস। লংকান ব্যাটার ১৫০ বলে ১১টি চার ও একটি ছক্কায় ৯৩ রানে ফেরেন। ম্যাথিউস বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। হাসান মাহমুদের দ্বিতীয় শিকার হন তিনি। ৭১ বলে ২টি চার ও একটি ছক্কায় ২৩ রানে মিরাজকে ক্যাচ দেন তিনি।

দিনের বাকিটা সময় দীনেশ চান্দিমাল ও অধিনায়ক ধনাঞ্জয়া ডি সিলাভা দেখেশুনে খেলে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। চান্দিমাল ৩৪ ও ডি সিলভা ১৫ রানে প্যালিভিয়নে যান।

এর আগে সিলেটে প্রথম টেস্টে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে বাংলাদেশ। লংকানদের বিপক্ষে ৩২৮ রানে হারের ম্যাচে বাংলাদেশ দুই ইনিংসে অলআউট হয়েছে মাত্র ১৮৮ ও ১৮২ রানে।


আরও খবর



কেজরিওয়াল গ্রেপ্তার: যুক্তরাষ্ট্রের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ ভারত

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের গ্রেপ্তার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের একজন মুখপাত্র বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বলেন, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ এবং দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া চাই আমরা।

এরপর ভারত সরকার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্র মিশনের ভারপ্রাপ্ত উপপ্রধান গ্লোরিয়া বারবানাকে তলব করে। বুধবার (২৭ মার্চ) বিকেলে ৪০ মিনিটের বৈঠক করেন তার সঙ্গে।

বৈঠকের পর এক বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এমন আচরণের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি জানায়। তারা জানান, প্রত্যেক রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার ও সার্বভৌমত্বের ওপর শ্রদ্ধাশীল থাকা উচিত। গণতন্ত্রের সঠিক চর্চার জন্য এই শ্রদ্ধাবোধ সবার দায়িত্ব। নাহলে অসুস্থ পরিবেশ তৈরি হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ভারতের আইনি প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও স্বাধীন বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে ভারতে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করে ইডি। স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে প্রথম ক্ষমতাসীন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে গ্রেপ্তার হন তিনি। দিল্লির আবগারি নীতি সংক্রান্ত ওই মামলায় কেজরিওয়ালকে জেরা করার জন্য ৯ বার সমন পাঠিয়েছিল ইডি। কিন্তু তিনি আসেননি। এই অভিযোগে গ্রেপ্তার হতে হয় তাকে।


আরও খবর