আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির বিষয়ে বৈঠকে নিরাপত্তা পরিষদ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো নিয়ে ভোটের জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ বৈঠকে বসেছে। শুক্রবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে এ বৈঠক শুরু হয়েছে।

জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্টনিও গুতেরেস সংস্থাটির সনদের ৯৯ অনুচ্ছেদ আহ্বান করার অভূতপূর্ব পদক্ষেপ নেওয়ার দুই দিন পরে এ বৈঠক হচ্ছে। বিগত কয়েক দশক ধরে জাতিসংঘের কোনো মহাসচিব এ ধরনের পদক্ষেপ নেননি।

৯৯ অনুচ্ছেদে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার জন্য হুমকি হতে পারে এমন যেকোনো বিষয়ে কাউন্সিলের মনোযোগ আকর্ষণের জন্য মহাসচিবকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

যুদ্ধবিরতির ব্যাপারে সংযুক্ত আরব আমিরাত একটি খসড়া প্রস্তাব তৈরি করেছে। এই প্রস্তাবের পক্ষে কমপক্ষে নয়টি ভোট প্রয়োজন এবং পাস করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স বা ব্রিটেনের কোনও ভেটো লাগবে না।

বিবিসি জানিয়েছে, শুক্রবার নিরাপত্তা পরিষদের কূটনীতিকদের বৈঠকে ভাষণ দেবেন গুতেরেস। এর আগে তিনি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন, যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন এবং বেশ কয়েক জন আরব মন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন।


আরও খবর



টাকায় বিক্রি হচ্ছে ডলারে ক্রয়কৃত ডিজেল, পাচারের কারণে রিজার্ভে বাড়ছে চাপ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গে জ্বালানি তেলের মূল্যের বড় পার্থক্যের কারণে পাচার হচ্ছে জ্বালানি তেল। অতিরিক্ত মূল্যে ক্রয়কৃত ডলারে কেনা জ্বালানি তেল দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে অবাধে পাচার হচ্ছে। এতে করে দেশের রিজার্ভে চাপ বাড়ছে, সংশ্লিষ্ট মহলে সৃষ্টি হচ্ছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার।

তবে এ ঘটনায় প্রতিরোধমূলক উদ্যোগের তেমন নজির মিলছে না। দেশের বিশেষজ্ঞরা মতে, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য ব্যবধান থাকার সুযোগে পাচারকারীরা বেশ সক্রিয়। এ জন্য সীমান্তবর্তী দেশগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করার পক্ষে তারা মত দিয়েছেন।

এক অনুসন্ধানের তথ্য বলছে, বাংলাদেশে সীমান্তবর্তী দেশ ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের চেয়ে কম দামে ডিজেল বিক্রি হচ্ছে। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বাংলাদেশে দামের পার্থক্যের সুযোগে চড়া মূল্যের ডলারে কেনা জ্বালানি তেল দেশের বাইরে পাচার হয়ে যাচ্ছে।

জানা গেছে, সর্বশেষ সীমান্তবর্তী এলাকার মধ্যে ভারতের কলকাতার বিভিন্ন স্থানে প্রতি লিটার ডিজেল বিক্রি হচ্ছে ৯২ দশমিক ৭৬ রুপিতে, যার বাংলাদেশি টাকায় মূল্য প্রায় ১২৩ টাকা। আর দেশে এখন ডিজেল বিক্রি হচ্ছে ১০৯ টাকায়। এই হিসেবে কলকাতায় প্রতি লিটার ডিজেলের দাম বাংলাদেশ থেকে ১৪ টাকা বেশি। এছাড়া দেশের সীমান্তবর্তী ভারতের ত্রিপুরা ও আগরতলায়  প্রতি লিটার ডিজেল ৮৮ দশমিক ৫৮ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১১৭ টাকা। অর্থাৎ বাংলাদেশের চেয়ে এসব স্থানে ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ৮ টাকা বেশি। বাংলাদেশ থেকে পার্শ্ববর্তী দেশটির বিভিন্ন অংশে দামে এই বিশাল পার্থক্যের কারণে দেশ থেকে ডিজেল প্রতিবেশী দেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে। ফলে অপচয় হচ্ছে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা, এতে চাপ বাড়ছে রিজার্ভে। অপরদিকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বৈদেশিক মুদ্রা সংকটের কারণে জ্বালানি তেল আমদানি করতে খাবি খাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি (অটোমেটেড প্রাইসিং ফর্মুলা) চালু না থাকায় এবং জ্বালানি তেল ট্যারিফ ভ্যালুতে শুল্ক মূল্যপ্রণ করে প্রাইসিং করার কারণেই মূলত পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গে দামের এই পার্থক্য হয়ে যাচ্ছে। বিদ্যমান প্রাইসিং ফর্মুলা থাকলে কখনোই তেল পাচার রোধ করা যাবে না। তাই তেল পাচার রোধে ইনভয়েস ভ্যালুতে শুল্ক মূল্যায়ন করে দাম নির্ধারণের বিকল্প নেই।

খাত সংশ্লিষ্টরা জানান, আমরা এলসি করার সময় বেসরকারি ব্যাংকগুলো ডলারের মূল্য ১১০ টাকা হারে ধরলেও পেমেন্ট করার সময় তাদের দিতে হচ্ছে ১২৩ টাকা। ফলে প্রতি ডলারে বাড়তি ১৩ টাকা গুণতে হচ্ছে বেসরকারি জ্বালানি তেল ও তেলের কাঁচামাল আমদানিকারকদের। বিপিসি জ্বালানি আমাদানিতে ট্যারিফ ভ্যালুতে শুল্ক মূল্যায়ন করে যে পরিমাণ শুল্ক (ব্যারেলপ্রতি ৪০ ডলার) দিচ্ছে, বেসরকারি পর্যায়ে তার চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি শুল্ক দিতে হচ্ছে। এতে বেসরকারি তেল আমদানিকারকদের ভ্যাট-ট্যাক্স বেড়ে যাচ্ছে। মুক্তবাজার অর্থনীতির সঙ্গে এটি সাংঘর্ষিক।

জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে এমনিতেই ডলার সংকট। এই অবস্থায় তেল পাচার হয়ে গেলে এ সংকট আরও তীব্রতর হবে। কারণ বিপিসিকে চাহিদা পূরণে বাড়তি জ্বালানি তেল আমদানি করতে হবে। তাই প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে ডিজেলের দামের ক্ষেত্রে ভারসাম্য আনা উচিত। এটি না করা হলে কোনোভাবেই ডিজেল পাচার ঠেকানো যাবে না।

পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, তেলের সঙ্গে ডলারের সম্পৃক্ততা রয়েছে। কারণ তেলের চাহিদা বাড়লে ডলারের ওপর চাপ বাড়ে। বাংলাদেশ থেকে তেল পাচারের অভিযোগ সবসময় ছিল। পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দাম নির্ধারণ না করলে এই অভিযোগ থেকে যাবে। ডলারের সংকটময় পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে জ্বালানি তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজার ও পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ করা জরুরি। সবচেয়ে ভালো হয় স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি চালু করা। এটি করা হলে আন্তর্জাতিক বাজারদর ব্যবস্থা কার্যকর হবে। সেই সঙ্গে পাচারের ঝুঁকিও থাকবে না।

এ বিষয়ে বিপিসি সূত্রে জানায়, বর্তমানে দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের চাহিদা প্রায় ৭৫ লাখ মেট্রিক টন। তার মধ্যে শুধু ডিজেলের চাহিদাই ৫০ লাখ মেট্রিক টন। গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে জ্বালানি তেল আমদানিতে সরকারকে পাঁচ বিলিয়ন বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করতে হয়েছে। জ্বালানি তেল আমদানিতেই বিপুল পরিমাণ ডলার চলে যাচ্ছে। এর ফলে রিজার্ভের ওপর অনবরত চাপ বাড়ছেই।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন জানান, জ্বালানি তেলের পাচার রোধে সরকার পণ্যবাহী ট্রাক যাওয়া এবং আসার সময় জ্বালানি পরীক্ষা করে দেখতে পারে। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারের জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় সরকারের মাধ্যমে হলে এসব সমস্যার সমাধান আসতে পারে।

বিপিসির কর্মকর্তাদের মতে, বছরের বিভিন্ন সময় ডিজেলের চাহিদা গড় চাহিদার চেয়ে কম থাকলেও নির্দিষ্ট কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যায়। যা সংশ্লিষ্ট মহলে নানান প্রশ্নের জন্ম দেয়। ডিজেলের বর্তমান চাহিদা নিয়ে বিপিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উদ্বিগ্ন। এজন্য বিপিসিতে বৈঠকও হয়েছে। বৈঠকে নিয়মিত বাজার ফলোআপ ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলের চাহিদা ফলোআপ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ এনডিসি জানান, ডিজেল পাচারের আশঙ্কা আমরাও করছি। কারণ সীমান্তবর্তী প্রতিবেশী দেশে আমাদের চাইতে ডিজেলের দাম বেশি। আমাদের তিন পাশে সীমান্ত। এজন্য সীমান্তবর্তী দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের দামের ব্যবধান থাকলে পাচার ঠেকানো কঠিন হবে। প্রতিবেশী দেশের ট্রাক-লরিগুলো বাংলাদেশ থেকে যাওয়ার সময় ট্যাংকি ভরে তেল নিয়ে যায় বলে অভিযোগ আছে। এ প্রক্রিয়ায় ডিজেল পাচার ঠেকাতে আমরা সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর প্রশাসক, স্বরাষ্ট্র ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগ নিতে জানিয়েছি। বিজেবিকে নির্দেশ দেওয়া আছে যাতে খালি ট্যাংকি নিয়ে এসে ট্রাক-লরি টাংকি ভরে নিয়ে যেতে না পারে এবং তাদের গাড়ির তেল একেবারেই শেষ হয়ে গেলে চেক করে সর্বোচ্চ ২০ লিটার তেল দিতে বলা হয়েছে।

সীমান্তবর্তী জেলা ও বন্দর প্রতিনিধিরা জানান, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে পণ্যবাহী বিপুল সংখ্যক ট্রাক পণ্য নিয়ে বাংলাদেশে আসছে। এ সময় তারা স্বল্প তেল নিয়ে ঢুকলেও ফিরছে ট্যাংকি পূর্ণ করে। এছাড়া অরক্ষিত সীমান্ত ও সমুদ্রপথেও অবাধে তেল পাচার হচ্ছে।


আরও খবর
২৪ দিনে প্রবাসী আয় ১৮ হাজার কোটি টাকা

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




খালেদা জিয়ার নাইকো মামলায় সাক্ষ্য হয়নি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নাইকো দুর্নীতি মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ হয়নি। মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত অস্থায়ী ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমানের আদালতে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ছিল। এদিন খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকায় আদালতে হাজির হতে পারেননি। তারপক্ষে আইনজীবী জিয়া উদ্দিন জিয়া হাজিরা দেন।

এদিকে এদিন সাক্ষ্য দিতে একজন সাক্ষী আদালতে হাজির হন। তবে প্রস্তুতি না থাকায় দুদক সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানোর আবেদন করেন। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে সাক্ষ্য গ্রহণের নতুন তারিখ ৪ মার্চ ধার্য করেন। খালেদা জিয়ার আইনজীবী আব্দুল হান্নান ভূইয়া এসব তথ্য জানান।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলা তদন্তের পর ২০০৮ সালের ৫ মে খালেদা  জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। গত ১৯ মার্চ  একই আদালত খালেদা জিয়াসহ ৮ আসামির অব্যাহতির আদালত নাকচ করে চার্জগঠনের আদেশ দেন।

অপর আসামিরা হলেন- তৎকালীন মুখ্য সচিব কামাল উদ্দীন সিদ্দিকী, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সিএম ইউসুফ হোসাইন, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন ও বাগেরহাটের সাবেক সংসদ সদস্য এমএএইচ সেলিম । এদের মধ্য প্রথম তিনজন পলাতক রয়েছেন।


আরও খবর



টসের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার, ভারত মাঠে না ফিরলে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় আসরের ফাইনালে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ-ভারত। ম্যাচের শুরুতে ভারত এগিয়ে যাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত মিনিটের গোলে ম্যাচে সমতা ফেরায় বাংলাদেশ। তাতে খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। যেখানে ১১-১১ টাইব্রেকারে সমতা হলে টসের মাধ্যমে ফল নির্ধারিত হয়।

টসে বাংলাদেশকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতে ভারত। এরপরই টসের নিয়ম ঘিরে নাটকীয়তা শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত ফলাফল স্থগিত করে টুর্নামেন্ট কর্তৃপক্ষ। এতে আবারও মাঠে নামতে যাচ্ছে দুই দল। যদিও বাংলাদেশ ম্যাচের পর থেকেই মাঠে অবস্থান করছে। আর ভারত মেতেছিল শিরোপা উদযাপনে।

ম্যাচ স্থগিত করার পর রেফারি জানিয়েছে ৩০ মিনিটের মধ্যে ভারতকে মাঠে নামতে হবে। এই সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত মেনে মাঠে না নামলে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করবে ম্যাচ রেফারি।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) কমলাপুর স্টেডিয়ামে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশীপের ফাইনালে ভারত ১-০ গোলে এগিয়ে। ৯০ মিনিটের খেলা শেষ। ভারতের শিরোপা উদযাপনের অপেক্ষা। সেই মুহূর্তে সাগরিকা গোল করে বাংলাদেশকে ম্যাচ ফেরান।

রেফারি চার মিনিট ইনজুরি সময় দেন। ৩ মিনিটে আফিদা খন্দকারের থ্রো ইন থেকে বাংলাদেশের সাগরিকা বক্সের আগে জটলায় বলের নিয়ন্ত্রণ নেন। নিজ প্রচেষ্টায় বক্সে বল নিয়ে কোনাকুনি শটে গোল করেন সাগরিকা। যার গোলে বাংলাদেশ প্রথম পর্বের ম্যাচে ভারতকে হারিয়েছিল।

টুর্নামেন্টের বাইলজ অনুযায়ী নির্ধারিত সময় সমতা থাকলে খেলা সরাসরি টাইব্রেকারে গড়ায়। সেখানেও ১১-১১ এ সমতা হয়। এরফলে টসের মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়। টস ভাগ্যে জয় হয় ভারতের। হারের পর এই টস নিয়ে অসন্তোষ ছিল বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের মধ্যে।


আরও খবর
হাথুরুসিংহেকে ‘শোকজ’ করবেন পাপন!

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মাদকপাচারের রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দেশে প্রায় ৩০ ধরনের মাদকের সেবন চলে, যার মধ্যে কোকেনের বাজারমূল্য অনেক বেশি, তাই চাহিদা ও বেচাকেনা কম। সরকারের জিরো টলারেন্স ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর জোর তৎপরতা সত্ত্বেও এসব মাদক পাচারের রুট হিসেবে বাংলাদেশকে ব্যবহার করছে আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালান চক্র।

গত বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর উত্তরার একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে ২০০ গ্রাম কোকেনসহ তানজানিয়ার মোহাম্মদি আলী (৫৫) নামের এক নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) ও বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) একটি দল তাদের ডগ স্কোয়াডের সহায়তায় এ অভিযান চালায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশে যত মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়, এর চেয়ে অনেক বেশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে সেবনকারীদের হাতে পৌঁছে যায়। দেশে মাদকদ্রব্য আসা রোধে আকাশ ও নৌপথ এবং স্থল সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো জরুরি।

এ বিষয়ে বিমানবন্দর এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হক জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এপিবিএন ও ডিএনসির যৌথ দল উত্তরার হোটেল এফোর্ড ইনে অভিযান চালায়। হোটেলে অবস্থান করা মোহাম্মদি আলীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি মাদক থাকার কথা অস্বীকার করেন।

এর আগে গত বুধবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আট কেজি ৩০০ গ্রাম কোকেন জব্দসহ পূর্ব আফ্রিকার দেশ মালাবির নোমথেনডাজো তাওয়েরা সোকো (৩৫) নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিএনসি জানায়, নোমথেনডাজো তাওয়েরা সোকো মালাবির নাগরিক এবং সেখানের একটি হাসপাতালে সেবিকা হিসেবে চাকরি করেন। তিনি বাংলাদেশি কারো কাছে ওই কোকেন পৌঁছে দিতে এসেছিলেন। কোকেন চোরাচালানে আন্তর্জাতিক চক্র বাংলাদেশকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করতে সোকোর মাধ্যমে এই চালান এনেছিল।

পর পর দুদিনের অভিযানে শতকোটি টাকার বেশি কোকেনসহ দুই বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তারের পর এসব তথ্য জানান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তবে কার মাধ্যমে কোন দেশে এসব কোকেন পাচার করা হচ্ছিল, তা জানতে তদন্ত করছে সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী।


আরও খবর



বাসন্তী রঙে রঙিন জাহাঙ্গীরনগর ক্যাম্পাস

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

আহা আজি এ বসন্তে, কত ফুল ফোটে, বাতাসে বহিছে প্রেম নয়নে লাগিলো নেশা, বসন্ত এসে গেছেসহ বসন্ত বরণের গান বাজছে সর্বত্র। সব মিলিয়ে সারাদিন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে চারপাশে।

তীব্র শীতে ঝরে পড়ে গাছের পাতা। অঙ্কুরিত হয় নতুন কুঁড়ি। শীতের উত্তরীয় থেকে বেরিয়ে গাছের ডালে থাকা কৃষ্ণচূড়াগুলো আজ উঁকি দিচ্ছে, বইছে মৃদু বাতাস। প্রকৃতির এমন রূপ বদল দেখে মনে হচ্ছে নতুন ঋতুর আগমন ঘটছে। শুষ্কতা কাটিয়ে প্রকৃতি ফিরে পেয়েছে এক নতুন প্রাণ। চারপাশে কোকিলের কুহু-কুহু গানে জানিয়ে দিচ্ছে বসন্ত এসে গেছে

ঋতুরাজের এই আগমনে চিরচেনা প্রকৃতি পেয়েছে নতুন রূপ। ঋতুরাজকে স্বাগত জানাতে পিছিয়ে নেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ও। প্রকৃতির সঙ্গে নিজেদের রাঙাতে লাল-সাদা-হলুদ পোশাক আর খোপায় গোলাপ-জবা ফুলে সেজেছে উচ্ছ্বসিত তরুণ-তরুণীরাও। ক্যাম্পাস জুড়ে চলছে বসন্ত বরণের গান-বাজনা আর নাচ।

ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকেই লাল-সাদা-হলুদসহ রঙ-বেরংয়ের শাড়ি, পাঞ্জাবি পরিধান করে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন প্রাঙ্গণে ভিড় জমাতে শুরু করেন। মেয়েরা কেউ খোপায়, কেউ বা মাথায় গোলাপ-জবাসহ বাহারি সব ফুল দিয়ে সাজিয়েছেন নিজেদের। কেউ বসন্ত বরণের গানে নৃত্য করছেন, কেউ বা আবার গাইছেন। সবাই একে অপরের সঙ্গে বসন্তের শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। আবার সেলফি তোলা নিয়ে ব্যস্ত অনেকেই।

এদিকে এতো যে রঙ এতো যে আলো হাওয়ায় হাওয়ায়, বসন্ত তার আবির মেখে নাম লিখে যায় স্লোগানকে ধারণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের আয়োজনে মহুয়া মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় বস্তুত বরণ উৎসব ও আনন্দ শোভাযাত্রা।

এছাড়াও মাধবীবিতানে বায়ু গন্ধে বিভোল স্লোগানকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের সপ্তম ছায়ামঞ্চে নবীনবরণ ও বসন্তযাপন আয়োজন করে বঙ্গবন্ধু তূলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউট। 

বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে উৎসবে অন্যান্য আয়োজনের মধ্যে ছিল খেলাধুলা, সঙ্গীত পরিবেশন, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ইত্যাদি।এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ নানা আয়োজনে বসন্তবরণ উৎসব পালন করেছে।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪