আজঃ শনিবার ১৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

ফরেনসিক টেস্ট ছাড়া বলা যাবে না উদ্ধার দেহাংশ এমপি আনারের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
কূটনৈতিক প্রতিবেদক

Image

কলকাতার সঞ্জীবা গার্ডেনসের সেপটিক ট্যাংক থেকে কারও মরদেহের খণ্ডাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে ওই মরদেহের খণ্ডাংশ ঝিনাইদহের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের।

তবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দাপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেছেন, ফরেনসিক টেস্ট ছাড়া এটা বলা যাবে না যে উদ্ধার মরদেহের খণ্ডাংশ এমপি আনারের। মঙ্গলবার (২৮ মে) সন্ধ্যায় এ কথা বলেন ডিবিপ্রধান।

মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, ডিবির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সেপটিক ট্যাংক ভাঙা হয়। কলকাতার সিআইডিকে আমাদের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছিল সেপটিক ট্যাংক ভেঙে তল্লাশি চালানোর জন্য। তবে ফরেনসিক টেস্ট ছাড়া এমপির মরদেহ এটা তা বলা যাবে না।

সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে সঞ্জীবা গার্ডেনসের এক ফ্ল্যাটে হত্যা করা হয় বলে স্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা। আজ মঙ্গলবার বিকেলে কলকাতা পুলিশ ওই ভবনের স্যুয়ারেজ লাইনের পাইপ ও সেপটিক ট্যাংকে মরদেহের খণ্ডাংশের খোঁজে অভিযান চালায়।

ভারতে বাংলাদেশের গোয়েন্দা দলের প্রতিনিধি ডিসি মো. আ. আহাদ বলেন, আমানুল্লাহ আমান ওরফে শিমুল ভূঁইয়াকে জিজ্ঞাসাবাদে ওই ফ্ল্যাটে বাথরুমে ফ্ল্যাশের কথা জানায়। এরপর ভারতে এসে আমরা ওই ফ্ল্যাটটি পরিদর্শন করি এবং ভারতীয় পুলিশকে পরামর্শ দেই বাথরুমের পাইপ ভেঙে ট্যাংকি দেখতে। এরপর কিছুক্ষণ আগে শুনেছি পাইপ থেকে কিছু মরদেহের খণ্ডাংশ পাওয়া গেছে।

এর আগে কলকাতার গোয়েন্দা সূত্র জানায়, সঞ্জীবা গার্ডেনসের যে ফ্ল্যাটে এমপি আনারকে হত্যা করা হয়, তার কমোড দিয়ে মরদেহের টুকরো ফ্ল্যাশ করে দেওয়া হতে পারে। আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করতে বর্তমানে কলকাতায় অবস্থান করছে ডিবিপ্রধানের নেতৃত্বে চার সদস্যের গোয়েন্দা প্রতিনিধি দল।


আরও খবর



অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ বাণিজ্যর তথ্য ফাঁস হওয়ায় পরীক্ষা স্থগিত

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জুয়েল বসুনীয়া, নীলফামারী

Image

নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার কেতকীবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ৩টি পদে একাধিক প্রার্থীর কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে নিয়োগ কমিটি নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করে। শুক্রবার সকাল ১০টায় কেতকিবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়ার সময় এ ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় শরিফুল ইসলাম, জামিল রহমান ও আনারুল ইসলাম বলেন, কেতকীবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় ৩টি পদে নিয়োগ দেওয়ার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর  অফিস সহায়ক পদে ৮ জন, পরিছন্নতা কর্মী পদে ৫ জন এবং আয়া পদে ২ জন আবেদন করে। এতে উক্ত প্রতিষ্ঠানটি প্রধান শিক্ষক আসাদুল্লাহ চৌধুরী লাবু এবং সভাপতি দেলোয়ার হোসেন ওই ৩টি পদের জন্য একাধিক ব্যক্তির কাছে ৫ থেকে ৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। নিয়োগ পরীক্ষার পূর্বে টাকা প্রদানকারী ৮ জন প্রার্থী নিয়োগ কমিটির কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে নিয়োগ কমিটি উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার উক্ত নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করে। আয়া পদে পরীক্ষা দিতে  আসা লিপা বেগম জানায়- আমার কাছে নিয়োগের জন্য প্রধান শিক্ষক ৫ লক্ষ টাকা নেয়, পরে একই পদে আমার শশুরের সঙ্গে গোপন আলোচনা করে আমার ননদের কাছে ৮ লাখ টাকা নিয়ে তাকে আয়া পদে নিয়োগ দেওয়ার জন্য চূড়ান্ত করে। আমার শ্বশুর আমাকে নিয়োগ পরীক্ষা না দেওয়ার জন্য ব্যাপক মারপিট করে আমার স্বামী এবং আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।

নিয়োগ কমিটি ও ডোমার উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি জানান, একাধিক প্রার্থীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হলো।

নিউজ ট্যাগ: নীলফামারী

আরও খবর



শাহজালাল বিমানবন্দরে অগ্নিনির্বাপণ মহড়া অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

উড়োজাহাজে আগুন লাগলে তা কীভাবে নেভানো হয়, সেটির ভেতর থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করা, নিরাপদ জায়গায় নেওয়া এবং যারা আহত হন তাদের কীভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয় তা অনেকেই জানেন না। তাই এসব বিষয়ে ধারণা দিতেই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে আয়োজন করা হয়েছিল অগ্নিনির্বাপক মহড়া। এতে দেখানো হয় প্লেনে আগুন লাগার পর থেকে আদ্যোপান্ত।

রোববার (২ জুন) দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এমন একটি মহড়ার আয়োজন করে কর্তৃপক্ষ।

শাহজালাল বিমানবন্দরের সকল সংশ্লিষ্ট বিভাগ, বিমান বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এবং জাহানারা ক্লিনিকের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত দুর্ঘটনা কবলিত বিমানের অগ্নি নির্বাপণ মহড়া ছিল এটি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মুফিদুর রহমান বলেন, এ ধরনের প্রত্যেকটি মহড়ায় আমরা আমাদের ভুল ত্রুটিগুলো ধরার চেষ্টা করি। আমাদের সিস্টেমগুলোকে আমরা রিভিউ করি। এভাবে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের ইকোনমিতে এ ধরনের মহড়া ক্যাটালিস্ট ভূমিকা রাখতে পারে। আর সেই ভূমিকাটা পালন করার জন্য আমাদের দক্ষতার প্রয়োজন আছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা যারা গ্রাউন্ডে আছি, আমাদের এয়ারলাইন্স গুলো আকাশে, যারা সাপোর্ট সংগঠন আছে, প্রত্যেককেই কিন্তু তাদের ক্যাপাসিটির উন্নয়ন ঘটাতে হবে। আমরা যদি এসব না করি তাহলে আমরা ওই লক্ষ্যে পৌঁছতে পারব না।

মহড়ার শুরুতেই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. কামরুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। তিনি এয়ারপোর্ট ইমার্জেন্সী এক্সারসাইজ ফায়ার-২০২৪ এর সাজানো কাল্পনিক চিত্রটি বর্ণনা করেন।

তিনি বলেন, আজকের এ মহড়ার উদ্দেশ্য হলো, বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় করে বিমানবন্দরে দুর্ঘটনা কবলিত উড়োজাহাজের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা যাচাই করা। সেই সঙ্গে মহড়ার মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের কোনো ঘাটতি থাকলে সেটি ঠিক করা। প্রকৃতপক্ষে আসল দুর্ঘটনার দৃশ্যটি মঞ্চায়ন করা খুবই দূরুহ কাজ। তবে, আমরা একটি দৃশ্যপট সাজিয়েছি সকলকে অবহিত করার জন্য।

প্রতি দুই বছর পর পর এই মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। মহড়ার মুখ্য উদ্দেশ্য হলো, বিমানবন্দরে দুর্ঘটনা কবলিত উড়োজাহাজের দ্রুততার সাথে জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে অগ্নিনির্বাপণ এবং যাত্রীদের উদ্ধার কাজের সাথে সম্পৃক্ত অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি সংস্থার সাথে সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে কিভাবে দুর্ঘটনা কবলিত উড়োজাহাজের উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালিত হয় তা নির্ণয় এবং মূল্যায়ন করা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এয়ার কমোডর এ এফ এম আতিকুজ্জামান। এছাড়া সামরিক ও বেসামরিক বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, এয়ারলাইন্স এর প্রতিনিধিরা এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



বাউফলে রেমালের তাণ্ডবে ২০০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দূর্জয় দাস, বাউফল (পটুয়াখালী)

Image

পটুয়াখালীর বাউফলে ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে মৎস্য, কৃষি, সড়ক, বিদ্যুৎ, বনজ ও গ্রামীণ অবকাঠামোগুলো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেসরকারী হিসেব অনুযায়ী ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২শ কোটি টাকা।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মাহাবুব আলম তালুকদার জানান, রেমালের প্রভাবে উপজেলা ৪ হাজার পুকুর, ৫০টি মাছের ঘের প্লাবিত হয়েছে। ৭০ লাখ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা পানিতে ভেসে গেছে। অবকাঠামোসহ মোট ৪ কোটি ২০ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অনিরুদ্ধ দাস জানান, ২ হেক্টর আউশ বীজতলা ২.৫ হেক্টর তিল, কাচা মরিচ ৩ হেক্টর, শাকসবজি ৮০ হেক্টর,পান ২ হেক্টর, পেঁপে ২ হেক্টর, কলা ৩ হেক্টর ও ৩ হেক্টর জমির আমসহ মোট ৪ কোটি ২৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ বদিউজ্জামান খান জানান, একটি ম্যানগ্রাপ, নার্সারিসহ ৬ লাখ ১৩ হাজার ৩শ চারা, রাস্তায় বাগানের ৮১ হাজার চারা ও ৪১ হাজার নার্সারি চারাসহ মোট ৪৪ লাখ ৪৭ হাজার ৮শ ৬৪ টাকা ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও ১৫ ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ৮-১০ হাজার ব্যক্তি মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রজাতির গাছগাছালি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বাউফল জোনাল অফিসের ডিজিএম মজিবুর রহমান জানান, উপজেলার  বিভিন্ন এলাকায় তাদের ১৫টি খুটি ভেঙ্গে গেছে এবং ২শ পয়েন্টে তার ছিড়ে গেছে। এ ছাড়াও ২শর বেশি ইনসোলেটর বিনষ্ট হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রাজিব বিশ্বাস জানান, উপজেলায় ১৮ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আধাপাকা ও টিনসেট ভবন সম্পূর্ণ বিধস্ত হয়েছে। আংশিক বিধস্ত হয়েছে ১ হাজার ১শ ৩৪টি ভবন। গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের আওতায় ধুলিয়া, চন্দ্রদ্বিপ ও নাজিরপুর ইউনিয়নে ৮ কিলোমিটার কাঁচা সড়কসহ মোট ৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

চন্দ্রদ্বিপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলকাস মোল্লা জানান, তেঁতুলিয়ার মধ্যবর্তী তার ইউনিয়নের ১৪ কিলোমিটার বেড়ি বাধের খানকা বাজার থেকে দক্ষিণে ছালাম হাওলাদার বাড়ি পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার, দিয়ারা কচুয়া খেয়া ঘাট থেকে উত্তরে স্লুইজ গেট পর্যন্ত ১ কিলোমিটার চর নিমদি খেয়াঘাট থেকে দক্ষিণে ৩ কিলোমিটার বেড়ি বাধ সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়াও চরব্যারেট ফারুক খানের বাড়ি থেকে পশ্চিমে সেকান্দার দর্জির বাড়ি পর্যন্ত একটি কাঁচা রাস্তা সম্পূর্ণ ভেঙ্গে গেছে।

বাউফল প্রকৌশলী মানিক হোসেন জানান, উপজেলায় মোট পাকা ও কাঁচা মিলিয়ে ১শ ৬৬ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সড়কগুলো পুনঃনির্মাণ ও মেরামত করতে মোট ১শ ৭ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় রিমেলে তেঁতুালিয়া নদীর তীরবর্তী কালাইয়া টু মমিনপুর জিসিআর সড়ক কাম বেড়ি বাধটি ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ সড়কের ৮টি পয়েন্টে ভেঙ্গে গেছে।

এ ছাড়াও রেমালের প্রভাবে চন্দ্রদ্বিপ, কালাইয়া, নাজিরপুর, কেশবপুর, ধুলিয়া, কাছিপাড়া, আদাবাড়িয়া, দাশপাড়া, বাউফল পৌর এলাকায় প্রায় ২০ হাজার মানুষ এখনো পানিবন্দি হয়ে আছে। অধিকাংশ পানিবন্দি মানুষের কাছে এখনো পর্যাপ্ত পরিমাণ ত্রাণ পৌঁছায়নি। বেড়িবাধের বাইরে এলাকাগুলোর পানি নেমে গেলে ভিতরের এলাকগুলোর পানি বেড় হতে না পারায় মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বশির গাজী বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার তিন হাজার পরিবারের মধ্যে ইতিমধ্যে সরকারি ভাবে শুকনো খাবার, ১০ কেজি করে চাল, ডাল, তেল, আলু, পেঁয়াজসহ ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়েছে। সরকারের কাছে আরও চাহিদা দেয়া হয়েছে।

উপজেলা চেয়ারম্যান মোসারেফ হোসেন খান বলেন, ঝড়ের দিন সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয়কৃত মানুষের মাঝে স্থানীয় এমপি আসম ফিরোজের নির্দেশে সুকনো খাবার পৌঁছে দেয়া হয়।

জাতীয় সংসদের সাবেক চীফ হুইপ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি আসম ফিরোজ এমপি বলেন, বাউফল উপজেলা সাগর উপকূলীয় হওয়ায় এখানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সরকার অধিক ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলায় এলাকায় যে ধরণের সাহায্যে প্রদান করবেন আশা করি আমার উপজেলায়ও একই ধরণের সাহায্য প্রদান করবেন। যাদের ঘর বিধস্ত হয়েছে তাদের মাঝে টিন বিতরণের জন্য তালিকা তৈরির নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আমাদের কাছে প্রায় ৯শ ব্যান্ডেল ঢেউটিন মওজুদ রয়েছে। সেখান থেকে অধিক ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ করা হবে।


আরও খবর



জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশন শুরু ৫ জুন

প্রকাশিত:সোমবার ২০ মে ২০24 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ মে ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় ও বাজেট অধিবেশন শুরু হবে আগামী ৫ জুন। ওইদিন বিকেল ৫টায় এ অধিবেশন বসবে বলে জানিয়েছে সংসদ সচিবালয়। সোমবার (২০ মে) জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ৫ জুন বুধবার বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। পরদিন ৬ জুন বৃহস্পতিবার ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করা হবে। অর্থমন্ত্রী হিসেবে আবুল হাসান মাহমুদ আলী এবার প্রথম বাজেট পেশ করবেন।

সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেবেন অধিবেশনে। পরে ওই ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নেবেন সংসদ সদস্যরা।

অধিবেশন শুরুর আগে সংসদ ভবনে সংসদের কার্য-উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক হবে। বৈঠকে আসন্ন অধিবেশনের মেয়াদ নির্ধারণ ছাড়াও আলোচ্যসূচি ও কার্যবিবরণী নিয়ে আলোচনা হবে। অধিবেশনের শুরুতে সভাপতিমণ্ডলীর মনোনয়ন দেবেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।


আরও খবর



কঙ্গনাকে থাপ্পড় মারা সেই নারী জওয়ানের জন্য পুরস্কার ঘোষণা

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

ভারতের চণ্ডীগড় বিমানবন্দরে অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতকে থাপ্পড় মারা দেশটির কেন্দ্রীয় শিল্প নিরাপত্তা বাহিনীর (সিআইএসএফ)ওই নারী সদস্যের জন্য এক লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা করেছেন পাঞ্জাবের এক ব্যবসায়ী। তার নাম শিবরাজ সিং বেইনস।

এ ঘটনায় তিনি কুলবিন্দর কাউর নামে সাহসী ওই নারী নিরাপত্তারক্ষীকে অভিবাদন জানিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। তাতে তিনি পাঞ্জাবের জনগণ ও পাঞ্জাবের সংস্কৃতি রক্ষার জন্য কুলবিন্দরকে অভিবাদন জানানা।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ভারতের লোকসভা নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন কঙ্গনা। নির্বাচনে তিনি দেশটির ক্ষমতাসীন দল বিজেপির প্রার্থী হিসেবে হিমাচল প্রদেশের মান্ডি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। গত মঙ্গলবার লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার দুই দিন পর বৃহস্পতিবার বিকালে দিল্লি আসার পথে চণ্ডীগড় বিমানবন্দরে অনাকাঙ্ক্ষিত ওই ঘটনার মুখোমুখি হন কঙ্গনা।

কঙ্গনা বলেছেন, ওই কনস্টেবল আমার মুখে আঘাত করেন এবং আমাকে নিপীড়ন করতে শুরু করেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম তিনি কেন এটা করছেন। তখন তিনি (নারী নিরাপত্তারক্ষী) বললেন যে তিনি কৃষক আন্দোলন সমর্থন করেন।”

ভিডিও বার্তায় কঙ্গনা আরও বলেন, আমি নিরাপদ আছি। কিন্তু আমি উদ্বিগ্ন পাঞ্জাবে যেভাবে উগ্রপন্থা বাড়ছে...তা কীভাবে আমরা সামলাব?

কনস্টেবল কুলবিন্দর কী বললেন?

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরে বেড়ানো একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, ক্ষুব্ধ কুলবিন্দর কাউর উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে কথা বলছেন। ধারণা করা যায়, ঘটনাটির পর তিনি এ কথা বলেন। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, কঙ্গনা বলেছিলেন- কৃষকেরা দিল্লিতে বিক্ষোভ করছেন; কারণ, তাদের ১০০ বা ২০০ রুপি করে দেওয়া হয়েছিল। সেই বিক্ষোভকারীদের একজন ছিলেন আমার মা।”

কৃষক আন্দোলন নিয়ে কঙ্গনা রানাউতের অবস্থানের কারণে তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন কনস্টেবল কুলবিন্দর কাউর। ঘটনাটির পর তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একটি মামলাও দায়ের হয়েছে। বিমানবন্দরে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করা সিআইএসএফ এ ঘটনা তদন্তেরও পদক্ষেপ নিয়েছে।

কুলবিন্দরের বিরুদ্ধে এসব ব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে তার পক্ষে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন এই নিরাপত্তাকর্মীর ভাই শের সিং মহীভাল। যিনি নিজে কৃষক আন্দোলনের একজন সংগঠক। একটি ভিডিওতে তিনি বলেছেন, সংবাদমাধ্যমের খবরে আমি চণ্ডীগড় বিমানবন্দরের ঘটনা সম্পর্কে জানতে পেরেছি। আমি এখন বুঝতে পেরেছি যে ঘটনাটি ঘটেছে কঙ্গনার মুঠোফোন ও পার্স তল্লাশির সময়ে। কঙ্গনা বলেছিলেন যে কৃষক বিক্ষোভের সময় নারীরা সেখানে গেছেন ১০০ রুপির জন্য। এই তর্কাতর্কির মধ্যে আমার বোনের ক্ষুব্ধ হওয়াটাই স্বাভাবিক। সেটা থেকেই ঘটনাটি ঘটেছে।”

সেনা ও কৃষক—উভয়ই গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রতিদিন তারা তাঁদের দায়িত্ব পালন করছেন উল্লেখ করে শের সিং মহীভাল বলেন, এ ঘটনায় আমরা তাঁকে সর্বাত্মক সমর্থন করছি।”

জানা গেছে, শের সিং মহীভাল একজন কৃষকনেতা। তিনি পাঞ্জাবের কাপুরথালা শহরের কিষান মজদুর সংহর্ষ কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক।


আরও খবর