আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

ফোনের বাজারে চীনের আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ করতে চায় ভারত

প্রকাশিত:রবিবার ২২ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২২ জানুয়ারী ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

Image

২০১৪ সালের দিকে ভারতে বিক্রি হওয়া ফোনের বেশিরভাগই ছিল আমদানিকৃত। তবে কয়েক বছর ধরে দেশটিতে বেশ পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। ইন্ডিয়া সেলুলার অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক্স অ্যাসোসিয়েশনের (আইসিইএ) মতে, ২০২২ সালে ভারতে বিক্রি হওয়া প্রায় সব ফোনই স্থানীয়ভাবে তৈরি। এসব ফোনের বেশিরভাগই ভারতে অবস্থানরত তাইওয়ানের ফক্সকন বা দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাংয়ের মতো কোম্পানিগুলোর তৈরি। তবে ভারতে ফোন উৎপাদনকারী স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও দ্রুত বাড়ছে।

মাইক্রোম্যাক্স ইনফরমেটিক্স সেই প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। ২০০৮ সালে মোবাইল ফোনের বাজারে এই প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়। মাত্র দুই বছরের মধ্যে এটি ভারতের বৃহত্তর নির্মাতা কোম্পানির তালিকায় চলে আসে। পাশাপাশি তাদের ফোনগুলো দামেও সস্তা।

মাইক্রোম্যাক্সের সহ-প্রতিষ্ঠাতা রাজেশ আগারওয়াল বলেন, চীনা স্মার্টফোন নির্মাতাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা বেশ কঠিন। তার প্রতিষ্ঠান যদি নতুন কোনও ফোন নিয়ে আসে, ভারতে সেটি ১০ লাখ বিক্রি হবে বলে আশা করেন তিনি। কিন্তু চীনা কোনও ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান তা এক কোটি বা তার বেশিও বিক্রি করতে পারে। যা চীনা কোম্পানিগুলোর জন্য বড় সুবিধা।

তবে এটি ভারতের জন্য কেবল শুরু জানিয়ে তিনি বলেন, ব্যাটারি, ক্যাবল ছাড়াও স্ক্রিন ও কম্পিউটার চিপের মতো পার্টসগুলো নিজেদের তৈরী করতে হবে। ভারত সরকারও এই পদক্ষেপ ত্বরান্বিত করতে চায়। এটি সরকারের নীতিমালাগুলোর একটি, যার লক্ষ্য ভারতের সব ধরনের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো।

২০২১ সালে টেলিকম ও নেটওয়ার্কিং সরঞ্জামের জন্য প্রোডাকশন লিঙ্কড ইনসেন্টিভ (পিএলআই) স্কিম চালু করেছে ভারতের সরকার। পিএলআই স্কিমটি ভারতে তৈরি মোবাইল ফোনের উপকরণে ভর্তুকি দেয়। এতে প্রতিযোগিতা এবং উৎপাদন উভয় বাড়তে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

ইন্ডিয়া সেলুলার অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স অ্যাসোসিয়েশনের (আইসিইএ) তথ্য অনুযায়ী, এই মুহূর্তে ভারতীয় ফোনের ১৫ থেকে ২০ শতাংশ যন্ত্রাংশ স্থানীয়ভাবে তৈরি হয়। পিএলআই স্কিমের লক্ষ্য হল এটিকে ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা।

ভারতীয় ফোন নির্মাতা লাভা ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান হরি ওম রাই ভবিষ্যদ্বাণী করে বলেছেন, মোবাইল ফোন নির্মাতাদের জন্য ভারত পরবর্তী গ্লোবাল হাব হয়ে উঠবে। সারা বিশ্বের সংস্থাগুলো চীনা পণ্যের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন। হরি ওম রাই বলেন, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ১৮ শতাংশ ভারতে বাস করে। দেশের জিডিপি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এটি বিশ্বের বৃহত্তম বাজারগুলোর একটি হয়ে উঠবে।


আরও খবর
শনিবার ইন্টারনেট সেবায় বিঘ্ন ঘটার শঙ্কা

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




কোকেন উদ্ধার মামলায় পেরুর নাগরিকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

১১ বছর আগে রাজধানীর কারওয়ান বাজারস্থ বেস্ট ওয়েষ্টর্ন হোটেল লাভিঞ্চি থেকে তিন কেজি কোকেন উদ্ধারের মামলায় পেরুর নাগরিক গাজাসিটাল ভারাডো জুয়ান পাবলোররাফেল নামে এক পেরু নাগরিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া মোহাম্মদ মোস্তফা আশরাফ নামে এক পাকিস্তানী নাগরিককে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুল ইসলামের আদালত এ রায় দেন। মো. মোস্তফা, শামসুল হক, হালিমা খান সাদিয়া, সাবরিনা নাসরিন তানিয়া ও মো. আশরাফ নাসিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পেয়েছেন।

রায় ঘোষণা আগে গাজাসিটাল ভারাডো জুয়ানকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে আবার কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। আসামি তানিয়া জামিনে থেকে হাজিরা দেন। তবে অপর চার আসামি পলাতক রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর সালাউদ্দিন হাওলাদার সাজার বিষয় নিশ্চিত করেন।

জানা যায়, ২০১৩ সালের ১১ জুন রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওয়েস্টার্ন হোটেল লাভিঞ্চি হোটেলের সপ্তম তলায় উপস্থিত হন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। ওই হোটেলের ৭০৭ নং রুমে ভিতরে প্রবেশ করে আসামিদের তল্লাশি করেন। এসময় পেরুর নাগরিক গাজাসিটাল ভারাডো জুয়ানের কাছে থাকা একটি ট্রাভেল ব্যাগের ভেতর থেকে তিন কেজি কোকেন জব্দ করা হয়।

এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মোফাজ্জল হোসেন বাদী মামলাটি দায়ের করেন।

মামলাটি তদন্ত করে ২০১৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক ওবায়দুল করীম ছয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন।

২০১৫ সালের ১৮ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলাটির বিচার চলাকালে আদাল ২৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।


আরও খবর
জজ কোর্ট চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সেনেগালে নৌকাডুবিতে অন্তত ২০ অভিবাসীর মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

সেনেগাল উপকূলে অভিবাসী বোঝাই ইউরোপগামী একটি নৌকা ডুবে ২০ জনেরও বেশি অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ২০ জনের বেশি অভিবাসীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সেনেগালের উপকূলগুলি আফ্রিকান অভিবাসীদের স্প্যানিশ ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে ইউরোপে প্রবেশ পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটেছে। খবর এএফপির।

সেন্ট-লুইসের আঞ্চলিক গভর্নর আলিউন বাদারা সাম্ব বলেছেন, আরও ২০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা গেছে। স্থানীয় উদ্ধারকারী ও নৌবাহিনী এ উদ্ধার কাজ পরিচালনা করে। তবে নৌকাটিতে কতজন যাত্রী ছিল তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বেঁচে থাকা ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, সংখ্যা কয়েকশ হতে পারে। 

আরও পড়ুন>> ‘সুপার টুইসডে’র আগে আবারও ধাক্কা খেলেন ট্রাম্প

দেশটির সুদূর দক্ষিণের কাসামান্স থেকে বেঁচে যাওয়া মামাডি ডিয়ানফো বলেছেন, এক সপ্তাহ আগে যখন নৌকাটি সেনেগাল ছেড়েছিল তখন প্রায় ৩০৯ জন যাত্রী ছিল। আরেকজন জীবিত আলফা বাল্ডে ২০০ জন যাত্রীর কথা বলেছেন। ডিয়ানফো বলেন, আমরা নৌকার অধিনায়ককে আমাদেরকে সেনেগাল উপকূল দিয়ে নিয়ে যেতে বলেছিলাম। নৌকাটি মরক্কো পৌঁছালে অধিনায়ক বলেছিলেন, তিনি হারিয়ে গেছেন এবং আর যাত্রা চালিয়ে যেতে পারবেন না। নৌকাটি সেন্ট-লুইসের কুখ্যাত বিপজ্জনক স্থানে পৌঁছালে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

ইইউ সীমান্ত সংস্থা ফ্রন্টেক্স অনুসারে, আটলান্টিক দ্বীপপুঞ্জ থেকে ইউরোপে আগত অভিবাসীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সেনেগাল এবং মরক্কোর নাগরিক। ২০২৩ সালে ক্যানারিতে পৌঁছানো অভিবাসনপ্রত্যাশীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৪০ হাজার, যা তিনগুণ বেড়েছে।


আরও খবর



পুনমের মৃত্যু নাটকের জন্য ক্ষমা চাইলো জড়িত এজেন্সি

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

২ ফেব্রুয়ারি, সোশ্যাল মিডিয়ায় মডেল পুনম পাণ্ডের মৃত্যুর খবর ভাইরাল হয়ে যায়। একদিন পর তিনি জানান, মারা যাননি তিনি। জরায়ুর ক্যানসার নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে তিনি এমন কাজ করেছেন বলে সাফাই দেন। এবার পুরো ঘটনার দায় নিয়ে মৃত্যু নাটকের জন্য ক্ষমা চাইলো এজেন্সি।

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ক্ষমা চায় ডিজিটাল এজেন্সিটি। পোস্টে লেখা হয়, হটারফ্লাইয়ের সঙ্গে চুক্তি করে আমরা জরায়ুর ক্যানসার নিয়ে সতর্কতা বাড়াতে চেয়েছিলাম, সেখানে পুনম পাণ্ডেকে জড়ানো হয়। আমরা তাই প্রথমেই সবার থেকে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, বিশেষ করে তাদের থেকে যারা তাদের প্রিয়জনকে ক্যানসারের জন্য হারিয়েছেন বা এই রোগের সঙ্গে লড়াই করেছেন।

আরও লেখা হয়, আমাদের উদ্দেশ্য একটাই ছিল, জরায়ুর ক্যানসার নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো। ২০২২ সালে ১ লাখ ২৩ হাজার ৯০৭টি জরায়ুর ক্যানসারের কেস এসেছিল তার মধ্যে ৭৭ হাজার ৩৪৮ জন মারা গিয়েছেন। ব্রেস্ট ক্যানসারের পর জরায়ুর ক্যানসারেই সব থেকে বেশি আক্রান্ত হন ভারতের মধ্যবয়সী নারীরা।

পুনমের এ ধরনের আচরণে ক্ষুব্ধ সবাই। মানুষ তীব্র নিন্দা জানাচ্ছেন বিষয়টিতে। দাবি জানাচ্ছেন তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নেয়ার জন্য।


আরও খবর
টেইলর সুইফট ইফেক্টে আক্রান্ত সিঙ্গাপুর

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

শাকিব ‘রাজকুমার’ হলে আমি রাজা: জায়েদ খান

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




দোহারে নদী থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নাজনীন শিকদার (দোহার-নবাবগঞ্জ)

Image

ঢাকার দোহার উপজেলায় মুকসুদপুর ইউনিয়নের ডাকবাংলো এলাকায় জুবায়ের (৯) নামে এক শিশুর পানিতে ডুবে যাওয়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে দোহার মুকসুদপুর ডাকবাংলো এলাকার পদ্মা নদী থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেন দোহার ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ও ঢাকা হেডকোর্য়াটার ডুবুরি দলের ২ টি ইউনিট ।

শিশু জুবায়ের ডাকবাংলো এলাকার খলিল হাওলাদার ও ময়না বেগম দম্পতির সন্তান। এক মেয়ে ও একটি ছেলের মধ্যে জুবায়ের বড় সন্তান। সে পূর্বচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিলো সে।

জুবায়েরের বাবা জানান, আমার ছেলে গত রবিবার দুপুরে আমাদের না জানিয়ে গোসল করতে বের হয়। আমরা বাধা দিলে আমাদের কথা না শুনে পালিয়ে গোসল করতে যায়। জানতে পাই নদীর ঘাটে থাকা ব্লকে পা পিছলে পরে যায় আমার ছেলে। আমরা খোঁজাখুজি করে তাকে পাইনি। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা রাতে পানিতে খোঁজাখুজি করেও পাওয়া যায়নি। পরে সকাল ভোরে ঢাকা থেকে ডুবুরি দল এসে আমার ছেলের মরদেহ উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে ঢাকা হেডকোর্য়াটার ডুবুরি দলের প্রধান কর্মকর্তা মো. আবুল খায়ের বলেন, আমি অনেক রাতে খবর পাই দোহারে একটি ছেলে পানিতে ডুবে গেছে। তারা অনেক সন্ধান করে পাননি। পরে আমরা সকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ছেলেটির মরদেহ উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করি।

এদিকে শিশু জুবায়েরের মৃত্যুতে তার পরিবারে বইছে মাতম।


আরও খবর
৯ ছাত্রীর চুল কাটার ঘটনায় শিক্ষিকা বরখাস্ত

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




পেকুয়ায় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোহাম্মদ ফারুক, কক্সবাজার

Image

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের পূর্বদিক দিয়ে প্রবাহিত মাতামুহুরী নদীতে শ্যালো মেশিন বসিয়ে গত এক মাস ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার অভিযোগে উঠেছে উজানটিয়া ইউপির সদস্য সোনা মিয়া সিন্ডিকেট এর বিরুদ্ধে।

অবৈধ উপায়ে বালু উত্তোলনের কারণে মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে উজানটিয়ার রুপালী বাজার এলাকায় ৬৪/২বি পোল্ডারের পানি উন্নয়নের বেড়িবাঁধ ও মানুষের ঘরবাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা। অচিরেই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না করলে সামনের বর্ষা মৌসুমে ওই এলাকায় আবারো পাউবোর বেড়িবাঁধে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। 

জানা যায়, গত এক মাস ধরে উজানটিয়া ইউনিয়নের পুর্ব দিকে প্রবাহিত মাতামুহুরী নদীর উজানটিয়ার রুপালী বাজার পয়েন্টে নদীতে শ্যালো মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে একই ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার সোনা মিয়া ও ইউনিয়ন ছাত্রীগের সহ সভাপতি মো: কাফি চৌধুরী এবং যুবলীগ নেতা আয়াত।

খাল কিংবা নদী থেকে বালি উত্তোলনের নিয়ম না থাকলেও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বেচা-বিক্রিতে জড়িত রয়েছে এই সিন্ডিকেট। রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বেআইনীভাবে বালু উত্তোলন করলেও পেকুয়া উপজেলা প্রশাসন নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় স্থানীয় সচেতন মহলে ক্ষোভ বিরাজ করছে। 

এ বিষয়ে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চাই থোয়াইহলা চৌধুরী জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন কর্মকান্ডে অবশ্যই অভিযান হবে।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় একমাস ধরে চলছে এই বালু উত্তোলন। যার ফলে নদী ভাঙনের শংঙ্কায় রয়েছে নদীর পাড়ে অবস্থিত শতাধিক পরিবার। নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে রাজস্ব থেকে। স্থানীয়রা নদী থেকে অবৈধ উপায়ে বালু উত্তোলন বন্ধে জরুরী ভিত্তিতে পেকুয়া উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করেছেন।

নদী থেকে অবৈধ উপায়ে বালু উত্তোলন প্রসঙ্গে জানতে বালুখেখো সিন্ডিকেটের সদস্য সোনা মিয়া মেম্বারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, বালু উত্তোলনের কাজে আমি জড়িত নাই । বালু পরিবহনের জন্য আমার গাড়ি ভাড়া দিয়ে থাকি।  বালু উত্তোলন করে ছাত্রলীগ নেতা কাফি এবং  যুবলীগ নেতা আয়াত। তাদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করে বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তাদের মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উজানটিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল করিম  বলেন, আমার ইউনিয়ন খুব শান্ত ছিল, ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার সোনা মিয়া সিন্ডিকেট করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন এবং মাটি বিক্রি করে ইউনিয়নের অনেক ক্ষতি করে যাচ্ছে। এবিষয়ে প্রশাসনকে অবহিত করেছি আমি।


আরও খবর
৯ ছাত্রীর চুল কাটার ঘটনায় শিক্ষিকা বরখাস্ত

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪