আজঃ রবিবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

ফেনীতে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | ৪৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
পরিবারিক কলহের জের ধরে ২০১৯ সালের ৫ মার্চ রাতে শিরীনকে হত্যা করা হয়। ঘটনার দুইদিন পর খুনের অভিযোগ এনে শিরিনের মা রেজিয়া বেগম বাদী হয়ে

স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী ইয়াছিনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছে ফেনীর জেলা ও দায়রা জজ আদালত।  জেলা ও দায়রা জজ ড. বেগম জেবুননেছা আজ এ রায় দেন।

এ মামলার রায়ে বলা হয়, ফাজিলপুরে আলোচিত গৃহবধূ শিরিন আক্তারকে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।

এর আগে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।

আদালত সূত্র জানায়, পরিবারিক কলহের জের ধরে ২০১৯ সালের ৫ মার্চ রাতে শিরীনকে হত্যা করা হয়। ঘটনার দুইদিন পর খুনের অভিযোগ এনে শিরিনের মা রেজিয়া বেগম বাদী হয়ে ইয়াছিনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারের পর একই বছরের ৮ মার্চ অভিযুক্ত ইয়াছিন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আবু তাহের চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি ইয়াছিনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। পরে ১০ নভেম্বর মামলার চার্জ গঠন হয়। এ মামলায় মোট ২১ জন সাক্ষী এবং ৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি হাফেজ আহম্মদ বলেন, এ রায়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

বাদী পক্ষে আইনজীবী আবদুর সাত্তার বলেন, রায়ে খুশি বাদী পক্ষ। তবে আসামী পক্ষের আইনজীবী বলেন, রায়ে ন্যায় বিচার পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ২৬ নভেম্বর সদর উপজেলার ফাজিলপুর এলাকার মো. ইয়াছিনের সঙ্গে শিরীন আক্তারের বিয়ে হয়।

নিউজ ট্যাগ: ফেনী

আরও খবর
ফেনীতে ৫০ কেজি গাঁজাসহ আটক ৪

বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21




চিকিৎসা সেবায় বদলে গেছে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | ৫১০জন দেখেছেন

Image

সিলেট (দক্ষিণ সুরমা) প্রতিনিধি:

গ্রামীণ জনপদে উন্নত সেবার এক অনন্য দৃষ্টান্ত সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। দক্ষিণ সুরমার বেশির ভাগ মানুষের চিকিৎসা সেবার একমাত্র কেন্দ্র উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির সার্বিক অবকাঠামোর সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি, নিয়ম শৃঙ্খলার উন্নতি ও সেবার মান ব্যপক পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে হাসাপাতালের সেবা নিয়েও এলাকার মানুষ বেশ সন্তোষ্ট। জানা যায় একত্রিশ (৩১) শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ চিকিৎসক মোট ১৩ জন,  সেবিকা ৭ জন নিয়ে রোগীদের নিয়মিত সেবা দিচ্ছেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর বহির্বিভাগে। উপজেলায় দূর-দূরান্ত থেকে আসা প্রতিদিন কমবেশী প্রায় ৩০০ জন রোগীর সেবা নিয়ে থাকে।

প্রতিদিন জরুরী বিভাগে প্রায় চল্লিশ থেকে পঁয়তাল্লিশ (৪০-৪৫) জন রোগী সেবা নিয়ে থাকে। প্রতিমাসে কমবেশী ত্রিশ থেকে পঁয়ত্রিশ জন গর্ভবতী মায়ের নরমাল ডেলিভারী করা হয়। তাছাড়াও জ্ঞাত যে জরুরী প্রয়োজনের দিক বিবেচনায় ২৪ ঘন্টা হাসপাতালে ডেলিভারীর ব্যবস্থা চালু রয়েছে। তাছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিশেষ সেবা দেওয়া হয়।

নিরাপত্তার দিক বিবেচনা করে সিসি ক্যামেরা দ্বারা পর্যবেক্ষণ করা হয়। এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর দৃশ্যপট একেবারে পাল্টে দিয়েছেন বর্তমান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা। তিনি এখানে যোগদানের পর থেকে হাসপাতালের রোগীর খাবার পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, সুবিধা-অসুবিধা, ফুল-ফলাদির বাগানসহ সার্বিক বিষয়ে নানামুখী সৃজনশীল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তাছাড়াও রাত অবধি এই কর্মকর্তাকে হাসপাতালের কর্মব্যস্থ সময় পার করতে দেখা যায়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একাধিক স্বাস্থ্যকর্মী জানান কিভাবে আরো সহজে প্রতিটি ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও গ্রাম পর্যায়ে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা যায় এ ব্যাপারে প্রতিনিয়ত সভা-সমাবেশের মাধ্যমে তাদের সঠিক দিক নির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদান করেন। এখানের স্বাস্থ্যকর্মীরা তাদের কর্মকর্তার সৃজনশীল ভাবনা, শৃঙ্খলা ও যুগান্তকারী উদ্যোগের জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মঈনুল আহসান কে কৃতজ্ঞতা জানান।

দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর এক পরিসংখ্যানে জানা গেছে করোনাকালে এখানে মোট ২,৩৪৪ (দুই হাজার তিনশত চুয়াল্লিশ) জনের করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তার মধ্যে করোনা আক্রান্ত ৬৩১জন রোগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। তার মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১১ জন রোগী মারা যায়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সূত্রে জানা যায় নিয়মিত করোনা টিকা দান কার্যক্রমের পাশাপাশি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় গণটিকা এবং প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে ১৭৫৮জনকে বিশেষ টিকা প্রধান করা হয়েছে। এখানে করোনা টিকা প্রধানের লক্ষ্য মাত্রায় রেজিষ্ট্রেশন করেছেন ৭৮৯৪৮জন তার মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ লক্ষমাত্রা অর্জন হয়েছে ৯১,২৫২ জন। তন্মধ্যে ৫৫,৯৩৫ জন কে প্রথম ডোজ এবং ৩৫,৩১৭ জনকে দ্বিতীয় ডোজ টিকা প্রধান করা হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মোঃ মঈনুল আহসান বলেন, সকল চিকিৎসক ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় উপজেলা প্রশাসন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সার্বিক সহযোগিতায় অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরো বলেন সিলেটের ১২টি উপজেলায় আউটসোর্সিং জনবল আছে শুধু আমার দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেই এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১ জন ওয়ার্ড বয় পরিচ্ছনতা ২ জন ও আয়া ১ জন আছে। এম্বেুালেন্স আছে কিন্তু ড্রাইভার নেই, খাবার দেওয়ার জন্য কোন বার্বুচী নেই বিভিন্ন হাসপাতালে, মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ৫ জন কিন্তু আমার হাসপাতালে ১ জন কোভিড হাসপাতাল করা হয়েছে কিন্তু সেন্টাল অক্সিজেন নেই। এই বিষয় গুলো যদি আমার উর্দতন কর্মকর্তা সহযোগিতা করেন তাহলে আরো ভাল জায়গায় এই দক্ষিণ সুরমা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে নিয়ে যেতে পারব।


আরও খবর



খালেদাকে বাসায় রেখেছি, এটাই কি বেশি নয়?

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | ৫৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
আমরা অমানুষ নই। অমানুষ নই দেখেই আমার এক্সিকিউটিভ অথরিটি দিয়ে তাকে বাসায় থাকার, চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। বাকিটা আইনগত ব্যপার

খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে নিয়ে বাসায় থাকতে দিয়েছি, এটাই কি বেশি নয়? আপনাকে যদি কেউ হত্যার চেষ্টা করত, আপনি কি তাকে গলায় ফুলের মালা দিয়ে নিয়ে আসতেন?

বুধবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক বিদেশে নিয়ে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে এসব কথা বলেন।

তিনি প্রশ্ন রাখেন, আপনার পরিবারকে যদি কেউ হত্যা করত, আর সেই হত্যাকারীকে যদি কেউ বিচার না করে পুরস্কৃত করে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিত, তার জন্য আপনি কী করতেন?

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রেনেড হামলার পর খালেদা জিয়া বলল, আমি নাকি ভ্যানিটি ব্যাগে করে গ্রেনেড নিয়ে আত্মহত্যা করতে গিয়েছিলাম। কোটালিপাড়ায় বোমা যখন পুঁতে রাখে, এর আগে তার বক্তব্য কী ছিল- শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী তো দূরের কথা, বিরোধীদলীয় নেতাও হতে পারবে না। ভেবেছিল মরেই তো যাব। রাখে আল্লাহ, মারে কে; মারে আল্লাহ, রাখে কে? আমার বেলায় হচ্ছে, রাখে আল্লাহ, মারে কে। তারপরও আবার খালেদা জিয়ার জন্য এত দয়া দেখাতে বলেন? কেউ এই প্রশ্ন করলে আমার মনে হয় অন্তত একটু লজ্জা হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, আমরা অমানুষ নই। অমানুষ নই দেখেই আমার এক্সিকিউটিভ অথরিটি দিয়ে তাকে বাসায় থাকার, চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। বাকিটা আইনগত ব্যপার। তারপরও দুর্নীতি করে দেশটাকে একেবারে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। গ্রেনেড হামলায় আমাদের এতজন আহত হন, ২২ জন মারা যান, সংসদে বিষয়টি নিয়ে একদিনও আলোচনা করতে দেয়নি।

শেখ হাসিনা বলেন, এত বড় অমানবিক যে তাকেও আমি মানবতা দেখিয়েছি। আমার হাতে যেটুকু পাওয়ার, সেটুকু আমি দেখিয়েছি। আর কত চান, এখন সে অসুস্থ, এই আমি বললাম না, রাখে আল্লাহ মারে কে; মারে আল্লাহ রাখে কে। সেটিই মনে করে বসে থাকুন। এখানে আমার কিছু করার নেই। আমার যতটুকু করার আমি করেছি। বাকিটা আইনের ব্যাপার।’

প্রধানমন্ত্রী ৩১ অক্টোবর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত গ্লাসগো, লন্ডন ও প্যারিস সফর করেন। সফরকালে তিনি কপ২৬ সম্মেলন, বাংলাদেশ বিনিয়োগ শীর্ষ সম্মেলন ২০২১, ইউনেস্কো সদর দফতরে সৃজনশীল অর্থনীতির জন্য ইউনেস্কো-বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান, ইউনেস্কোর ৪১তম সাধারণ সম্মেলন, প্যারিস শান্তি ফোরাম, ইউনেস্কোর ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

প্রায় দুই সপ্তাহের সফর শেষে গত ১৪ নভেম্বর দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী। ওই সফরের বিভিন্ন দিক নিয়ে সাংবাদিকদের মাধ্যমে দেশবাসীকে জানাতে আজ সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।


আরও খবর



সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার ১১ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ নভেম্বর ২০২১ | ৬৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহাকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এর মধ্যে মানি লন্ডারিংয়ে সাত আর অর্থ আত্মসাতের মামলায় চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন।তবে দুই ধারার সাজা এক সঙ্গে চলবে বলে ১৮২ পাতার রায়ে উল্লেখ করেন বিচারক। এছাড়া এস কে সিনহার ৭৮ লাখ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

এর আগে এই মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল ২১ অক্টোবর। বিচারক সেদিন রায় ঘোষণা না করে ৯ নভেম্বর পরবর্তী রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে দুই দফায় এসকে সিনহার রায় ঘোষণার তারিখ পেছায়।

দুদক সূত্রে জানা যায়, আসামি মো. শাহজাহান ও নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বর ফারমার্স ব্যাংকের গুলশান শাখায় দুটি চলতি হিসাব খোলেন। ৭ নভেম্বর তারা দুই কোটি করে চার কোটি টাকা ঋণের আবেদন করেন। ব্যাংক হিসাব খোলা ও ঋণ আবেদনপত্রে দুজনই বাড়ির নম্বর ৫১, সড়ক নম্বর ১২, সেক্টর ১০, উত্তরা আবাসিক এলাকা- এ ঠিকানা উল্লেখ করেন।

ওই বাড়ি সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার ব্যক্তিগত সম্পত্তি। ঋণ আবেদনে জামানত হিসেবে রণজিৎ চন্দ্র সাহার স্ত্রী সান্ত্রী রায় সিমির সাভারের ৩২ শতাংশ জমি দেখানো হয়। এ দুজনই এস কে সিনহার পূর্বপরিচিত। ঋণ আবেদন দুটি কোনো রকম যাচাই-বাছাই করা হয়নি। রেকর্ডপত্র বিশ্লেষণ ও ব্যাংকের নিয়মনীতিও মানা হয়নি।

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় ও কিছু পর্যবেক্ষণের কারণে তোপের মুখে ২০১৭ সালের অক্টোবরের শুরুতে ছুটিতে যান তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। পরে বিদেশ থেকেই তিনি পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন।

নিউজ ট্যাগ: এসকে সিনহা

আরও খবর



আজ থেকে শুধু ঢাকায় শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

প্রকাশিত:বুধবার ০১ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০১ ডিসেম্বর ২০২১ | ২৩১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শুধু ঢাকায় শিক্ষার্থীদের জন্য শর্ত সাপেক্ষে বাসে হাফ ভাড়া কার্যকর হচ্ছে আজ থেকে। বুধবার (১ ডিসেম্বর) থেকে সারাদেশে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) বাসে এ ভাড়া কার্যকর হচ্ছে। পাশাপাশি ঢাকা মহানগরীতে বেসরকারি মালিকানাধীন বাসে কার্যকর হচ্ছে।

বিআরটিসি চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম বলেন, আমরা বিআরটিসির সব বাসের চালক ও কন্ডাক্টরসহ সবাইকে এটি কার্যকর করতে নির্দেশনা দিয়েছি। বিআরটিসির বাসে যাতে এ নিয়ে কোনো ধরনের বাকবিতণ্ডা না হয় সে ব্যাপারে তাদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।

সরকারি বাসে হাফ ভাড়ার বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সংস্থা (বিআরটিএ)। কিন্তু বেসরকারি বাস মালিকদের হাফ ভাড়া ঘোষণার বিষয়ে কোনো প্রজ্ঞাপন জারি হবে না। ফলে এতে আশ্বস্ত হতে পারছে না আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, প্রজ্ঞাপনে অর্ধেক ভাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। প্রজ্ঞাপনের দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার বিআরটিএ কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা।

গতকাল সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে শর্ত সাপেক্ষে ঢাকায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্ধেক ভাড়া নেওয়ার ঘোষণা দেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েতে উল্যাহ। আজ বুধবার থেকে বাসে শিক্ষার্থীদের পরিচয়পত্র প্রদর্শনসহ কিছু শর্ত মেনে হাফ ভাড়া কার্যকর হচ্ছ।

২০১৮ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাজধানীতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে। তাদের আন্দোলনের ৯টি দাবি ছিল। সেগুলোর একটি ছিল বাসে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া নেওয়ার দাবি। এ দাবি বাস্তবায়নে বাধা ছিলেন বেসরকারি বাস মালিক নেতারা। এছাড়া আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে বিআরটিসিও কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। তবে শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় আন্দোলনের চাপে এখন হাফ ভাড়া কার্যকর হচ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: বিআরটিসি

আরও খবর



কৃষি আইন প্রত্যাহার করে মোদীর আক্ষেপ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ নভেম্বর ২০২১ | ৪৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শেষ পর্যন্ত বিতর্কিত তিন কৃষি আইন প্রত্যাহার করছে কেন্দ্র। গত প্রায় এক বছর ধরে ওই আইন নিয়ে আন্দোলন করছিলেন কৃষকরা। শুক্রবার জাতীর উদ্দেশে ভাষণে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যার অর্থ, কেন্দ্রীয় সরকার তথা মোদী পিছু হঠলেন।

যে কৃষি আইন বলবৎ করা নিয়ে অনড় ছিল কেন্দ্র, সেই অবস্থান থেকে সরে এল তারা। আইন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করে মোদীর আক্ষেপ, আমাদের উদ্দেশ্য সৎ ছিল। কিন্তু কৃষি আইনের সুফলের কথা কিছু কৃষককে আমরা বোঝাতে পারিনি।

আন্দোলনের পথ ছেড়ে কৃষকদের আবার চাষের ক্ষেতে ফিরতেও আবেদন জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আসুন, সব আবার নতুন করে শুরু করা যাক। পাশাপাশি তাঁর মন্তব্য, এখন কাউকে দোষারোপের সময় নয়।

গুরু নানকের জন্মদিবসে মোদীর এই ঘোষণা তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনীতির কারবারিদের একাংশ। কারণ কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে দিল্লির উপকণ্ঠে অবস্থানকারী কৃষকদের বড় অংশই পঞ্জাব এবং পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। তাঁদের শিখ এবং জাঠ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা অনেক। আগামী বছরের গোড়াতেই ওই পঞ্জাব এবং উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা ভোট।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে তিনটি কৃষি বিলে সংশোধন করে আইনে পরিণত হওয়ার পর থেকেই দিল্লি, পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্তানে বিরুদ্ধে তুমুল প্রতিবাদ-বিক্ষোভ শুরু হয়। বিশেষত, পঞ্জাবে সেই বিক্ষোভের আগুন তীব্র হতে থাকে। রাস্তা অবরোধ, রেল রোকো-আন্দোলনের মাধ্যমে কৃষি আইনের বিরুদ্ধে নিজেদের প্রতিবাদ জানায় কৃষক সংগঠনগুলি। তাদের অভিযোগ, নতুন আইনের ফলে লোকসানের মুখে পড়বেন কৃষকেরা।

ফসল নিয়ে তাঁদের দরাদরির ক্ষমতা কমে যাবে, প্রচলিত ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (এমএসপি) পাওয়া থেকেও বঞ্চিত হবেন তাঁরা। পাশাপাশি, বেসরকারি এবং বড় সংস্থাগুলির কাছে কৃষিপণ্য মজুত রাখার রাস্তাও খুলে যাবে। যদিও মোদী সরকারের পাল্টা দাবি, নতুন কৃষি আইনে কোনও ভাবে কৃষকেরা বঞ্চনার শিকার হবেন না। এমএসপি ব্যবস্থাও থাকবে।


আরও খবর
করোনায় আরও ৭ হাজারের বেশি মৃত্যু

শনিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২১