আজঃ মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

ফেনী ছাত্রলীগে সাঈদী প্রীতির অভিযোগে বিশ নেতাকে অব্যাহতি

প্রকাশিত:রবিবার ২০ আগস্ট ২০23 | হালনাগাদ:রবিবার ২০ আগস্ট ২০23 | অনলাইন সংস্করণ
রাজিব মাসুদ, ফেনী

Image

মানবতাবিরোধী অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস ও মন্তব্য করায় ফেনীর ২০ নেতাকে অব্যাহতি দিয়েছে ছাত্রলীগ। শনিবার সন্ধ্যায় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তোফায়েল আহম্মদ তপু ও সাধারণ সম্পাদক নুর করিম জাবেদ স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়, সংগঠনটির ফেনী জেলা শাখার এক জরুরী সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে, সংগঠনের শৃঙ্খলা ও নীতি আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকায় ফেনী জেলা ছাত্রলীগের ছাত্রবৃত্তি সম্পাদক নজরুল ইসলাম জাবেদ, সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন ও রাকিব উদ্দিন, ফেনী কলেজ ইউনিটের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিবলু ও মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান রিয়াদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ওসমান গণি শুভ, উপ দপ্তর সম্পাদক মোঃ আল মামুন, সমাজসেবা সম্পাদক আবদুল্লাহ আল আরাফাত, উপ-বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আবু সাঈদ, ফেনী সদর উপজেলা ইউনিটের সহ-সম্পাদক হাসান আহাম্মদ, ছনুয়া ইউনিয়ন সভাপতি জামাল উদ্দিন রাজু, ফেনী পৌর ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ শরিফ উদ্দিন ফরহাদ ও শিক্ষা সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম মুন্না, দাগনভূঞা উপজেলা প্রচার সম্পাদক ফজলুর রহমান ও তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক জোবায়েদ হোসেন বাদল, দাগনভুইয়া পৌর সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হক পরান, ইকবাল মেমোরিয়াল সভাপতি জাহিদ হাসান শুভ, সোনাগাজী উপজেলা উপ-বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক শেখ রাসেল, মতিগঞ্জ ইউনিয়ন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন রনি ও ফুলগাজী উপজেলা উপ-গণ শিক্ষা সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেনকে স্ব স্ব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো।

দলীয় সূত্র জানান, সাঈদীকে নিয়ে পোস্ট দেওয়ার পর নেতাকর্মীদের ফেসবুক আইডি নজরদারি করা হয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এই সংগঠনের নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গ করার সুযোগ নেই। নীতি আদর্শ পরিপন্থী কাজের জন্য তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

আরও খবর



সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে ১৫ শতাংশ ট্যাক্স দিতেই হবে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

দেশের সকল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে ১৫ শতাংশ হারে ট্যাক্স দিতে হবে বলে আজ মঙ্গলবার রায় দিয়েছে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে আপিল বিভাগ।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। তিনি বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ শতাংশ আয়কর দেবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। শিক্ষার্থীরা নয়। শিক্ষার্থীদের ওপর এর কোন প্রভাব পড়বে না। যাবতীয় খরচের পর যা উদ্বৃত্ত থাকবে তার ওপর ট্যাক্স দেবে বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালের ২৮ জুন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন অনুমোদিত প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এবং অপরাপর বিশ্ববিদ্যালয় যারা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নয়, তাদের উদ্ভূত আয়ের ওপর ১৫ শতাংশ হারে আয়কর পুনঃনির্ধারণ করা হলো। ১ জুলাই থেকে এটা কার্যকর হবে।

২০১০ সালের ১ জুলাই এনবিআরের আরেক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি মেডিকেল কলেজ, বেসরকারি ডেন্টাল কলেজ, বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বা শুধু তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে শিক্ষাদানে নিয়োজিত বেসরকারি কলেজ ও উদ্ভূত আয়ের ওপর প্রদেয় আয়করের হার হ্রাস করে ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হলো।

পরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো রিট আবেদন করলে ২০১৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর কর ধার্য করাকে অবৈধ ঘোষণা করেন উচ্চ আদালত। এর বিরুদ্ধে সরকারের আপিলের পর আপিল বিভাগ ২০২১ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি এক আদেশের মাধ্যমে সরকারের আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর কর আরোপ না করার আদেশ দিয়েছিলেন।


আরও খবর



লিটনের ঝোড়ো ব্যাটিং হার এড়াতে পারেনি কুমিল্লার

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের শক্তি বাড়াতে যোগ দিয়েছিলেন আন্দ্রে রাসেল ও সুনীল নারাইন। বলে-ব্যাটে মন্দ করেননি তারা। ব্যাট হাতে সেঞ্চুরি ছুঁইছুঁই ইনিংস খেলেছেন লিটন দাসও। তবে কিছুতেই কাজ হলো না। নিজেদের জন্য গুরুত্বহীন ম্যাচে কুমিল্লাকে ১২ রানে হারিয়েছে বেনি হাওয়েলের সিলেট স্ট্রাইকার্স।

প্রথমে ব্যাট করে বেনি হাওয়েলের ঝোড়ো ৬২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭৭ রান করে সিলেট। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রানে থামে কুমিল্লা। সুযোগ ছিল, এই ম্যাচে জয় তুলে শীর্ষস্থানে থাকা রংপুর রাইডার্সকে পেছনে ফেলার। তবে সেটি আর হলো না।

১৭৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নামা কুমিল্লার শুরুটা ভালো হয়নি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৩৯ রান তুলে দলটি হারায় ইমরুল কায়েস ও তাওহীদ হৃদয়ের উইকেট। তবে তৃতীয় উইকেটে জনসন চার্লসকে নিয়ে বড় জুটি গড়েন ওপেনার লিটন। ৭৯ রানের জুটিতে লুইসের অবদান ছিল মাত্র ১২ রান। ২১টি বল খেলে এই রান করে দলকে তিনি বেশ পিছিয়েই দিয়েছেন। চূড়ান্ত ব্যর্থ পাঁচে নামা ব্যাটার মঈন আলীও। ৫টি বল খেলে কোনো রান না করেই আউট হয়ে যান তিনি।

তবে ব্যাট হাতে আরেক পাশে রানের চাকা সচল রাখছিলেন লিটন। ষষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে আন্দ্রে রাসেল যখন ব্যাটিংয়ে নামেন, তখন ২০ বলে দরকার ছিল ৫১ রান। এই দুজন ছিলেন বলে কুমিল্লা সমর্থকদের মনেও আশা ছিল। শেষ ওভারে দরকার ছিল ২৫ রান। তবে প্রথম বলেই লিটনকে বোল্ড করে কুমিল্লার আশায় জল ঢালেন তানজিম হাসান সাকিব। ৫৮ বলে ৮৫ রান আসে লিটনের ব্যাটে। ৭টি চার ও ৩ ছক্কায় নিজের ইনিংস সাজান তিনি।

শেষ পর্যন্ত ওই ওভার থেকে ১২ রানের বেশি করতে পারেনি কুমিল্লা। হার দেখতে হয় ১২ রানের। রাসেল ১৪ বলে ২৩ রান করে তানজিমের শেষ বলে আউট হন।

সিলেটের হয়ে বল হাতে আগুন ঝড়ান পেসার শফিকুল ইসলাম ও সামিত প্যাটেল। দুজনে ১টি করে উইকেট নিলেও ৪ ওভারে তারা রান দেন যথাক্রমে ১৮ ও ১৫। ৩ উইকেট নেওয়া তানজিম ৩ ওভারে দেন ৩ উইকেট।

এর আগে, চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী জুটিতেই বড় সংগ্রহের ইঙ্গিত দেয় সিলেট। ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে দলীয় ৪০ রানের মাথায় বিদায় নেন জাকির হাসান (১৮)। তবে আরেক ওপেনার কেন্নার লুইস ভালোই আগাচ্ছিলেন নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে। ৬৭ রানের মাথায় শুরু হয় মড়ক। এই রানে লুইসের ফেরার পর ৭৪ রান তুলতেই ফেরেন শান্ত ও ইয়াসির আলী।

এরপরই ঘুরে দাঁড়ায় সিলেট। ৪২ বলে ৭৭ রানের জুটি গড়েন মোহাম্মদ মিথুন ও বেনি হাওয়েল। দলীয় ১৮তম ওভারের শেষ বলে দলীয় ১৫১ রানের মাথায় ২৮ রান করে ফেরেন অধিনায়ক মিথুন। মিথুন রয়েসয়ে খেললেও ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন হাওয়েল। ইনিংসের শেষ পর্যন্ত এই ঝড় অব্যাহত রাখেন তিনি। তাতে দল গিয়ে থামে ১৭৭ রানে। ব্যক্তিগত ৬২ রানে অপরাজিত থাকেন হাওয়েল। ৩১ বলের এই ইনিংস তিনি সাজান ৬টি চার ও ৪ ছক্কায়।

কুমিল্লার হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল নারাইন। ৪ ওভারে একটি মেডেনসহ মাত্র ১৬ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নেন তিনি। ২ উইকেট নিলেও ৩ ওভারে ৩৭ রান দেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসাইন। একটি উইকেট মুশফিক হাসানের।


আরও খবর



যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের হামলায় ১৭ ইয়েমেনি যোদ্ধা নিহত

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফিলিস্তিন ইসরায়েল যুদ্ধের পর থেকে অস্থিতিশীল লোহিত সাগর। গাজায় ইসরায়েলি হামলার জবাবে এ নৌপথে হামলা চালিয়ে আসছে ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতিরা। গোষ্ঠীটিকে মোকাবিলায় একের পর এক হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য।

হুতিরা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের যৌথ হামলায় তাদের ১৭ যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। নিহত এসব যোদ্ধার রাজধানী সানায় জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শনিবার হুতিদের সরকারি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের বোমা হামলায় নিহত সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনীর যোদ্ধাদের মরদেহ রাজধানী আজ সানায় নেওয়া হয়েছে। সেখানে জাঁকজমকপূর্ণভাবে তাদের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। সংবাদমাধ্যমটি নিহতদের তালিকাও প্রকাশ করেছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র জানায়, তাদের সামরিক বাহিনী হুতিদের লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি হামলা চালিয়েছে। লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরীসহ বাণিজ্যিক জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রস্তুতিকালে এ হামলা চালানো হয় বলে দাবি মার্কিনিদের।

উল্লেখ্য, জানুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য হুতিদের লক্ষ্য করে হামলা শুরু করেছে। লোহিত সাগরে জাহাজে হামলার জবাবে এ জোট গোষ্ঠীটির ওপর হামলা চালিয়ে আসছে।

হুতিদের দাবি, তারা লোহিত সাগরে ইসরায়েলের সাথে সম্পর্কিত জাহাজে হামলা চালিয়ে আসছে। গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে তারা ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছে। দেশটিতে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তারাও হামলা চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে।


আরও খবর
আইনি লড়াইয়ে বড় জয় পেলেন ট্রাম্প

মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪




বিপিএল দেখতে বসে টিভি বন্ধ করে দেই: হাথুরুসিংহে

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশ জাতীয় দলের হেড কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) নিয়ে রীতিমতো বোমাই ফাটালেন। তার মতে, এই টুর্নামেন্ট বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট উন্নয়নে কোনো অবদান রাখতে পারেনি!

হাথুরু ক্রিকেটভিত্তিক পোর্টাল ক্রিকইনফোর সঙ্গে আলাপকালে বিপিএলের মান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি জানান, গুরুত্বপূর্ণ সময়ে স্থানীয় ক্রিকেটারদের ব্যবহার করে বিদেশি খেলোয়াড়দের ওপরই নির্ভর করে থাকেন বেশি।

লংকান কোচ বলেন, বাংলাদেশে উপযুক্ত কোনো টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট নেই। শুনতে খুবই অস্বাভাবিক লাগবে। কিন্তু আমি যখন বিপিএল দেখি, অনেক সময় টিভি বন্ধ করে দেই। কিছু খেলোয়াড় তো ওই মানের মধ্যেই পড়ে না।

তিনি আরও বলেন, যে পদ্ধতি মেনে চলছে সেটা নিয়ে আমার আপত্তি আছে। আইসিসির এসব ক্ষেত্রে এগিয়ে আসা উচিত। কিছু নিয়ম তো অবশ্যই থাকা উচিত। বিশেষ করে একই সময়ে একজন খেলোয়াড় একটি টুর্নামেন্ট খেলছে, পরে দেখা গেলো আরেকটিতেও অংশ নিচ্ছে। বিষয়টা পুরোপুরি সার্কাসের মতোন। খেলোয়াড়রা সুযোগের কথা বলবে; কিন্তু এটা সঠিক নয়। এমনটা হলে দর্শকরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। আমি নিজেও সেটা হারিয়ে ফেলেছি।

বিপিএলে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের মূল ভূমিকায় রাখা উচিত বলে মনে করেন হাথুরু, আমাদের এমন টুর্নামেন্ট হওয়া উচিত যেখানে স্থানীয় খেলোয়াড়রা টপ তিন নম্বরে ব্যাট করতে পারে... বাংলাদেশের বোলাররা বল করবে ডেথে। তাহলে আমরা আর কোন জায়গা থেকে শিখবো? আমাদের তো এই একটাই টুর্নামেন্ট।

এই মৌসুমে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স, সিলেট স্ট্রাইকার্স ও দুর্দান্ত ঢাকা টপ তিনের জন্য বিদেশির ওপর নির্ভর করেছে। বিপরীতে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স, খুলনা টাইগার্স ও রংপুর রাইডার্স স্থানীয়দের ব্যবহার করেছে। বোলিংয়ের কথা এলে কুমিল্লার স্কোয়াডে আছেন ১২জন। সেখানে ডেথে তারা আটজন বিদেশি ব্যবহার করেছে। খুলনা, ঢাকাও বিদেশিদের ওপর নির্ভর করেছে আরও বেশি। শুধু চট্টগ্রাম, রংপুর, বরিশাল ও সিলেট স্থানীয়দের ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। এই অবস্থায় হাথুরুসিংয়ের পরামর্শ হলো বিসিবির উচিত বিপিএলের আগে আলাদা একটি টুর্নামেন্ট আয়োজন। যাতে স্থানীয় খেলোয়াড়রা আরও বেশি টি-টোয়েন্টি অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে।

হাথুরু আরও বলেন, আমার পরামর্শ হচ্ছে বিপিএলের আগে আরেকটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করা উচিত। ফ্র্যাঞ্চাইজিরা যা খুশি করতে পারে। সেরাদের মধ্যে অনেকে খেলছে না, তাহলে আপনি কীভাবে আশা করেন বাংলাদেশ অন্য দলের চেয়ে ভালো করবে? এখানে আমি এক কঠিন যুদ্ধে আছি।


আরও খবর



নোয়াখালীতে খৎনার সময় শিশুর লিঙ্গ কেটে ফেললেন হাজাম

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নোয়াখালী প্রতিনিধি

Image

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে সাত বছর বয়সী এক শিশুর সুন্নতে খৎনা করার সময় লিঙ্গের সামনের অংশ কেটে মাটিতে ফেলে দিয়েছে হাজাম (খৎনাকারী)। এ ঘটনায় গুরুতর আহত শিশু সাহাদাত হোসেনকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল থেকে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলের দিকে উপজেলার নদনা ইউনিয়নের বুরপিট গ্রামের বুরপিট দক্ষিণ সরকার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

তাৎক্ষণিক স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত হাজাম (খৎনাকারীকে) মামুনকে (৩৫) আটক করে। সে জেলার সুবর্ণচর উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

আহত শাহাদাত হোসেন উপজেলার নদনা ইউনিয়নের বুরপিট গ্রামের বুরপিট দক্ষিণ সরকার বাড়ির নিজাম উদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলের দিকে শাহাদাতের খৎনা করতে হাজাম মামুন উপজেলার নদনা ইউনিয়নের বুরপিট গ্রামের বুরপিট দক্ষিণ সরকার বাড়িতে আসেন। এরপর খৎনা করতে গিয়ে খুর চালিয়ে শিশু শাহাদাতের লিঙ্গের মাথা থেকে কেটে মাটিতে ফেলে দেন। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে থাকে। পরে স্থানীয় লোকজন গুরুত্বর আহত অবস্থায় লিঙ্গের মাথার কাটা অংশসহ শাহাদাতকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার তানভীর হায়দার ইমন বলেন, হাজাম দ্বারা খৎনা করতে গিয়ে ওই শিশুর লিঙ্গের সামনের অংশ কেটে ফেলে দেয়। পরে রোগীর স্বজনেরা লিঙ্গের কাটা অংশসহ তাকে ২৫০শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে। এখানে লিঙ্গের কাটা অংশ ফ্রিজআপ করে রোগীর স্বজনদের বুঝিয়ে দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু সার্জারি বিভাগে রেফার্ড করে দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর