আজঃ বুধবার ২৫ মে ২০২২
শিরোনাম

এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | ৩৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

এ বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফরম পূরণের সময়সীমা ৯ মে থেকে ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। রোববার রাতে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফরম পূরণের বর্ধিত সময়কাল সোমবার (৯ মে) থেকে ১৬ মে এবং অনলাইনে ফি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৭ মে।

এবার বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য রেজিস্ট্রেশন ফি ১ হাজার ৬১৫ টাকা, ব্যবসায় শিক্ষায় ১ হাজার ৪৯৫ টাকা ও মানবিকে ১ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের বেতন ও সেশনচার্জ ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিশোধ করতে হবে।

কোনো শিক্ষার্থীর নবম ও দশম শ্রেণির সর্বমোট ২৪ মাসের বেশি বেতন নেওয়া যাবে না। রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকা সাপেক্ষে জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থীসহ আবশ্যিক ও নৈর্বাচনিক এক থেকে চার বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। এ জন্য ব্যবহারিক ছাড়া ৩৫০ টাকা আর ব্যবহারিকসহ ৪০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাস (পাঠ্যসূচি) অনুযায়ী প্রণীত প্রশ্নপত্রে শিক্ষার্থীরা (নিয়মিত ও অনিয়মিত) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। সব শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান, খেলাধুলা ও ক্যারিয়ার এডুকেশন বিষয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নির্দেশনা অনুসারে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় নৈর্বাচনিক সব বিষয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে এবং জিপিএ-৫ এর কম পেয়েছে এমন পরীক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকলে ২০২২ সালের পরীক্ষায় জিপিএ উন্নয়নের জন্য অংশ নিতে পারবে। তাদেরকে সব বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এ পরীক্ষায় জিপিএ উন্নয়ন হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে। অন্যথায় আগের ফলাফল বহাল থাকবে।

এছাড়া আগের বছরের বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীদের শাস্তির মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে ও রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকলে তারা ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে অংশ নিতে পারবে। তাদেরকে সব বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।

গত ২৭ এপ্রিল এসএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয়ক কমিটি। আগামী ১৯ জুন সকাল ১০টায় বাংলা প্রথমপত্রদিয়ে শুরু হবে পরীক্ষা। চলবে ১৩ জুলাই পর্যন্ত। এছাড়াও এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের ১৪টি নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছে।


আরও খবর



চলতি বাজেট: পালটে গেছে খরচের হিসাব-নিকাশ

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ৩০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ এবং করোনাভাইরাসের শেষ ধাক্কায় পালটে গেছে চলতি বাজেটের খরচের হিসাবনিকাশ। স্বাভাবিক পরিবেশে বছরের শুরুতে অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করলেও শেষদিকে চতুর্মুখী চাপে পড়েছে বাজেট। ফলে ব্যয় বেড়েছে অপ্রত্যাশিতভাবে কয়েকটি খাতে। আবার প্রত্যাশিত অনেক খাতে পুরোপুরি ব্যয় করা সম্ভব হয়নি।  আকস্মিক চাপ সৃষ্টি করেছে মূল্যস্ফীতি ও ভর্তুকিতে। ব্যয় বেড়েছে সুদ পরিশোধ ও ও সরকারি চাকরিজীবীদের বেতনভাতায়। মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৪ শতাংশের মধ্যে রাখার যে ঘোষণা দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী, সেটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়নি। একই কারণে বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় খরচ-ভর্তুকিতেও খরচ বেড়েছে।

গতানুগতিক অন্যান্য বছরের মতো এবারও বাজটে কাটছাঁট করা হয়েছে। অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছরের আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) ২ লাখ ২২ হাজার ৯১৫ কোটি টাকা ব্যয় করতে পেরেছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়। ফলে সংশোধিত বাজেটের সব টাকা ব্যয় করতে হলে আগামী জুন (বাকি চার মাসে) পর্যন্ত ৩ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৫ কোটি টাকা খরচ করতে হবে। ওই হিসাবে দৈনিক ব্যয় হবে ৩ হাজার ৮৮ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্টদের মতে, বিপুল অঙ্কের টাকা প্রতিদিন ব্যয় করা কঠিন। ফলে শেষ পর্যন্ত বাজেট পুরোপুরি বাস্তবায়ন নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে। যদিও প্রতিবছর শতভাগ বাজেট বাস্তবায়ন হয় না। তবে ধারণা করা হচ্ছে এ বছর আরও কম হবে।

গতানুগতিক অন্যান্য বছরের মতো এবারও বাজেট কাটছাঁট করা হয়েছে ১০ হাজার ১৮১ কোটি টাকা। বছরের শুরুতে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করলেও শেষদিকে সংশোধিত বাজেট দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৯৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকায়। বিশেষ করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের পণ্য ও সেবা কেনাকাটা, সম্পদ সংগ্রহ ও পূর্তকাজ, শেয়ার ও ইকুইটিতে বিনিয়োগ এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) থেকে বরাদ্দ কমানো হয়েছে। এডিপি কাটছাঁট করা হয়েছে ১৭ হাজার ৭৭৪ কোটি টাকা। সংশোধিত এডিপি হচ্ছে ২ লাখ ৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা।

এ বছর রাজস্ব খাত থেকে কোনো কাটছাঁট করা হচ্ছে না। অর্থ বিভাগের ধারণা, শুরুতে ৩ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা আদায়ের যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, সেটি অর্জন সম্ভব। তবে বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে জিনিসপত্রের মূল্য বেড়েছে। এতে মূল্যস্ফীতিতে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়। ফলে বছরের শুরুতে ৫ দশমিক ৪ শতাংশের ঘরে রাখার যে ঘোষণা, সেটি সংশোধিত বাজেটে বাড়িয়ে ৫ দশমিক ৭ শতাংশ করা হয়। কিন্তু সেখানেও রাখা সম্ভব হয়নি। বর্তমান মূল্যস্ফীতির হার ৬ দশমিক ২২ শতাংশ বিরাজ করছে। এছাড়া কৃষকের সার, জ্বালানি তেল ও খাদ্যের দাম বেড়েছে বিশ্ববাজারে। বেশি দামে আমদানি করে কম মূল্যে ভোক্তার দোরগোড়ায় পৌঁছাতে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে বেশি। চলতি বছরে খাদ্যে ভর্তুকি ৫ হাজার ৪২৭ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এ খাতে অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে ৭৩ কোটি টাকা। বেশি মূল্যে জ্বালানি ও এলএনজি গ্যাস কিনে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহারের কারণে এ খাতে ভর্তুকি বেড়েছে ৩ হাজার কোটি টাকা। বছরের শুরুতে বিদ্যুতে ৯ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি থাকলেও এখন গুনতে হচ্ছে ১২ হাজার কোটি টাকা।

এছাড়া অন্যান্য খাতে ভর্তুকি বেড়েছে ৫ হাজার কোটি টাকা। শুরুতে অন্যান্য খাতে ১০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ভর্তুকি বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু এখন দেওয়ার হচ্ছে ১৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। মূল্যবৃদ্ধির কারণে কৃষকের সারে অতিরিক্ত ভর্তুকি বেড়েছে ২৫০০ কোটি টাকা। শুরুতে ৯৫০০ কোটি টাকা দেওয়া হলেও এখন বরাদ্দ বাড়িয়ে ১২ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থ বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, এ বছর ভর্তুকি, প্রণোদনা খাতে মোট ৫৩ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা রাখা ছিল। এখন সেটি বৃদ্ধি পেয়ে ৬৬ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা করা হয়েছে। এ খাতে মোট বেড়েছে ১২ হাজার ৯৭৩ কোটি টাকা। এ বছর সরকারি বেতনভাতা খাতে বরাদ্দের চেয়ে আরও অতিরিক্ত ব্যয় হবে ১৫০০ কোটি টাকা। এটি বেড়েছে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় স্বাস্থ্য খাতে ডাক্তার, নার্সসহ নতুন জনবল নিয়োগের কারণে। করোনাভাইরাসের কারণে স্বাস্থ্য খাতের সংকট পুরোপুরি ফুটে উঠেছিল। সারা দেশে নার্স ও চিকিৎসকের সংকট প্রকট আকার ধারণ করে। রোগীদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে হিমশিম খায় হাসপাতালগুলো।

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৪ হাজার চিকিৎসক, ১৪০০ মিডওয়াইফারি, ৮১২৮ জন সিনিয়র নার্স নিয়োগ দেওয়া হয়। এই মিডওয়াইফারি ও সিনিয়র নার্সদের বেতনভাতা আগামী জুন পর্যন্ত প্রয়োজন হবে ২১৬ কোটি টাকা। আর চিকিৎসকের বেতন বাবদ গুনতে হবে ২৯ কোটি ১১ লাখ টাকা, যা প্রতিমাসেই পরিশোধ করা হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য ব্যয়সহ মোট প্রয়োজন ৪১০ কোটি ১১ লাখ টাকা। এছাড়া প্রশাসনে নতুন জনবল নিয়োগের কারণে এ ব্যয় বেড়েছে। করোনার কারণে গত দুই বছর স্থগিত ছিল জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়া। এসব কারণে এ বছর সরকারের পরিচালনা খাতের ব্যয় বেড়েছে। শুরুতে পরিচালনা বাবদ ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৩৫৭ কোটি টাকা থাকলে সংশোধিত বাজেটে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়। অর্থাৎ নতুন বরাদ্দ বেড়েছে ৭ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা। এ বছর ঋণের সুদ পরিশোধ খাতে অতিরিক্ত ২ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকা গুনতে হচ্ছে। বছরের শুরুতে অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ বাবদ ৬ হাজার ৫৮৯ কোটি টাকা ধরা হয়। কিন্তু সেটি বৃদ্ধি পেয়ে ৯ হাজার ২৪৪ কোটি টাকায় উঠেছে।


আরও খবর



সাত বছরের সর্বোচ্চে মূল্যস্ফীতি পৌঁছতে পারে জাপানে

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | ৪৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাপানে খুচরা পর্যায়ে জিনিসপত্রের দাম বাড়তে শুরু করেছে। এপ্রিলে বিশ্বের তৃতীয় বৃহৎ অর্থনীতিটির মূল্যস্ফীতি ২ শতাংশে পৌঁছতে পারে। এতে সাত বছরের সর্বোচ্চে দাঁড়াবে দেশটির মূল্যস্ফীতি। মূলত তাজা খাবার ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিই এর কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে। মূল্যস্ফীতির কারণে বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। খবর নিক্কেই এশিয়া।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এ মূল্যস্ফীতির কারণ হলো ইয়েনের মান দুর্বল হয়ে যাওয়া ও ভোক্তা পর্যায়ে পণ্যমূল্য বেড়ে যাওয়া। যার পেছনে রয়েছে ইউক্রেন যুদ্ধ। এর আগে ২০১৫ সালে সর্বশেষ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি দেখা গিয়েছিল। সে সময় অবশ্য ভোক্তা কর বৃদ্ধির কারণে মূল্যস্ফীতি ২ শতাংশে পৌঁছে।

সময়ের সঙ্গে জাপানের দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি বেশ স্থিতিশীল ছিল। একটি পরিসংখ্যানের তথ্য বলছে, চলতি বছর দাম বেড়েছে ১ দশমিক ৬ শতাংশ। অর্থনীতিবিদদের একটি জরিপে দেখা গিয়েছে, অক্টোবরে দ্রব্যমূল্য বেশি বেড়েছে। অন্য দুটি জরিপে আগস্ট ও চলতি এপ্রিলে দাম বাড়ার কথা বলা হয়েছে। তবে সব জরিপই বলছে যে মূল্যস্ফীতি অন্তত ২ শতাংশ হবে। এরই মধ্যে ব্যাংক অব জাপান মুদ্রা লেনদেনের বিষয়টি সহজ করার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজার হয়তো ব্যাংকের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এর আগে গত জানুয়ারিতে ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এপ্রিলে শুরু হওয়া বছরের জন্য মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ১ দশমিক ১ শতাংশ করা হয়।

মিজুহো রিসার্চ অ্যান্ড টেকনোলজি মনে করছে, আগস্ট নাগাদ মূল্যস্ফীতি ২ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছতে পারে। এক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে জ্বালানির দাম। যেহেতু তেলের দাম বাড়তি তাই বিদ্যুৎ উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী গ্রীষ্ম নাগাদ দাম সমন্বয় করতে হবে। সেক্ষেত্রে বিদ্যুতের জন্যও বাড়তি দাম গুনতে হবে।

এনএলআই রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অর্থনীতিবিদ তারো সাইতো বলেন, ২০২২ সালজুড়ে মূল্যস্ফীতি ২ শতাংশই থাকতে পারে। যদি বাড়েও তবে তা ২ দশমিক ৩ শতাংশের বেশি হবে না। দুর্বল ইয়েনের উচ্চমূল্য ভোক্তাদের ব্যয়ের ওপর প্রভাব ফেলবে। এতে ভোক্তার নিত্যপণ্যের দাম ও পোশাকের দাম বাড়বে।

সব মিলিয়ে ২০২২ সালের জন্য মূল্যস্ফীতি গড়ে ২ শতাংশ হতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, ডলারের এক্সচেঞ্জ রেট হবে ১২৮ ইয়েন, যা বর্তমান সময়ের বেশ কাছাকাছি। মূল্যস্ফীতির কারণে ভোক্তা ব্যয় কমে যাবে বলে শঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। তবে ২০২৩ সাল নাগাদ দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির এ ধারা কমে আসবে বলেও পূর্বাভাসে জানানো হচ্ছে।

এসএমবিসি নিক্কো সিকিউরিটিজের অর্থনীতিবিদ ইয়োশিমা মারুইয়ামা বলেন, বেতন বাড়ছে না, তাই দ্রব্যমূল্য বাড়লে তার সঙ্গে পরিবারগুলোকে ব্যয় সমন্বয় করতে হবে। যদিও জাপানের দ্রব্যমূল্য ইউরোপ বা যুক্তরাষ্ট্রের মতো বাড়েনি, তবু তার রেশ ভোক্তাদের ওপর ঠিকই পড়েছে।


আরও খবর



তোমার রূপ অসাধারণ কিছু নয়: আনুশকাকে পরিচালক

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | ৩৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাব নে বানা দি জোড়ি ছবির মধ্য দিয়ে বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু আনুশকা শর্মার। প্রথম ছবিতেই শাহরুখ খানের নায়িকা হিসেবে ক্যামেরার সামনে এসে নজর কেড়েছিলেন। এরপর আমির খানের বিপরীতে পিকে ছবিতে অভিনয় করে রাতারাতি বাজিমাত। এক লাফে ওঠে আসেন বি-টাউনের শীর্ষ নায়িকাদের সারিতে।

তবে আনুশকার শুরুটা এতো মধুর ছিলো না। রাব নে বানা দি জোড়ি ছবিতে তানি চরিত্রে ধরা দিয়েছিলেন নায়িকা। এ ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার সময়ই নিজের চেহারা নিয়ে তাকে শুনতে হয়েছিল তিক্ত কথা।

ছবির পরিচালক আদিত্য চোপড়া মুখের ওপর আনুশকাকে বলে দিয়েছিলেন, তানির চরিত্রে তোমাকেই নিচ্ছি। কিন্তু তোমাকে মনে রাখতে হবে তোমার রূপ অসাধারণ কিছু নয়। তাই সে ঘাটতি পূরণের জন্য তোমায় খাটতে হবে।

২০০৮ সালে রাব নে বানা দি জোড়ি ছবি দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করা আনুশকা বলিউডে নিজের জায়গাটা পোক্ত করেন ব্যান্ড বাজা বারাত চলচ্চিত্র দিয়ে। সেই ছবিতে আনুশকার নায়ক হিসেবে বলিউডে অভিষেক হয়েছিল রণবীর সিংয়ের।

১৯৮৮ সালের ১ মে অযোধ্যায় জন্ম আনুশকার। বাবা ছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা। পরিবারের কোনো সদস্যই বলিউড বা অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। ফলে অনেকটা নিজের পরিশ্রমকে সম্বল করেই চৌকাঠের বাইরে পা বাড়াতে হয়েছিল আনুশকাকে। এরপর একটি শ্যাম্পুর বিজ্ঞাপনে একসঙ্গে কাজের সূত্র ধরে বিরাট কোহলির সঙ্গে পরিচয়। পরিচয় থেকেই প্রেম ও পরিণয়। এ তারকা দম্পতির ঘরে এক কন্যা সন্তান রয়েছে। অভিনয় জগতে আসার আগে মডেলিং করতেন আনুশকা। ২০১৮ সালে শাহরুখ খানের বিপরীতে জিরো ছবিতে শেষবার দেখা যায় তাকে।

নিউজ ট্যাগ: আনুশকা শর্মা

আরও খবর



‘রাজনীতিতে গণতন্ত্রের পথে বাধাই হচ্ছে বিএনপি’

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | ৫১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন-অর্জনে ঈর্ষান্বিত হয়ে বিএনপিসহ অনেকেই তাকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকালে শহীদ শেখ জামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বনানী কবরস্থানে তার সমাধিতে প্রথমে প্রধানমন্ত্রী ও পরে আওয়ামী লীগের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি। এ সময় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে গণতন্ত্র এবং প্রগতির পথে বাধাই হচ্ছে বিএনপি উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডে জিয়াউর রহমানের সংশ্লিষ্টতা এবং পরবর্তীতে দেশের রাজনীতিতে কর্মসম্পর্কের যে অলংঘনীয় দেয়াল তা গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ওবায়দুল কাদের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সব গণতন্ত্র দেশপ্রেমিক শক্তিকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি বাংলার মাটি থেকে চিরতরে বন্ধ করে দিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

গত কয়েকদিনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সরকারবিরোধী বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন দেশকে ধ্বংস করে গেছে, তাই তারা এখন শুধু ধ্বংসই দেখে এবং এটাই তারা বুঝিয়ে  দিচ্ছে এখনো ধ্বংসই চায় বিএনপি।

বিএনপির জাতীয় সরকারের দাবি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, তাদের জাতীয় সরকারের নামে গতবার লেজেগোবরে অবস্থা ছিলো, এবারও বিএনপির জাতীয় সরকার কী হবে তা তাদের রাজনীতি থেকেই বোঝা যায়।


আরও খবর



নিষেধাজ্ঞা উঠলেও টুইটার ব্যবহার করবেন না ট্রাম্প

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | ৩৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

টুইটারের মালিকানা পরিবর্তন হচ্ছে। এই অবস্থায় যদি নতুন কার্য নির্বাহি পরিষদ ট্রাম্পের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন তবু আর টুইটার ব্যবহারের ইচ্ছে নেই বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে এমনটি জানিয়েছে ট্রাম্প।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী সাত দিনের মধ্যে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তার নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে যোগ দেবেন।  আমি টুইটারে যাচ্ছি না। আমি আশা করি ইলন টুইটার কিনেছেন কারণ তিনি এটির উন্নতি করবেন। তিনি একজন ভালো মানুষ।

সোমবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ৪ হাজার ৪০০ কোটি ডলারে টেক জায়ান্ট টেসলার প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্কের কাছে টুইটার বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ।

প্রসঙ্গত, ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিলে হামলা হয়। এ ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগে ট্রাম্পের টুইটার ও ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করা হয়। এরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম চালুর ঘোষণা দেন ট্রাম্প।


আরও খবর