আজঃ রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

এমপির সামনে উপজেলা চেয়ারম্যানকে কুপিয়ে জখম

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মার্চ ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
Image

পটুয়াখালী প্রতিনিধি:

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন উপলক্ষে পটুয়াখালীর বাউফলে উপজেলা আওয়ামী লীগের দুটি পক্ষের সংঘর্ষে অর্ধশত ব্যক্তি আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ২০টি ফাঁকা গুলি ছুড়েছে।

আজ শুক্রবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজ এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব হাওলাদারের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। এ সময় আ স ম ফিরোজের সামনে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে আবদুল মোতালেব হাওলাদারকে। তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা এ এস এম সায়েম বলেন, আবদুল মোতালেবের ডান হাতের তৃতীয় আঙুল কেটে চামড়ার সঙ্গে ঝুলে আছে। তার বুকের ডান পাশে ও ডান হাতের কনুইয়ের ওপরের অংশে জখম রয়েছে। পা ও মাথায় আঘাত লেগেছে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বাউফলে উপজেলা আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র জানায়, তিনটি পক্ষই একই সময়ে কর্মসূচির ডাক দেয়। এর মধ্যে আ স ম ফিরোজ এবং আবদুল মোতালেব হাওলাদারের পক্ষের কর্মসূচি উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে (জনতা ভবন) এবং বাউফল পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়াউল হক ওরফে জুয়েলের পক্ষের কর্মসূচি বাউফল প্রেসক্লাব সড়কের পাশে উপজেলা আওয়ামী লীগ আরেকাংশের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

কর্মসূচির স্থলে গিয়ে দেখা যায়, তিনটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সকাল ৯টা থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে জড়ো হচ্ছিলেন সমর্থকেরা।

বাউফল পৌরসভার মেয়র জিয়াউল হকের পক্ষের সমর্থকেরা বাউফল সরকারি মাঠে, আ স ম ফিরোজের পক্ষের সমর্থকেরা উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে ও আবদুল মোতালেবের পক্ষের সমর্থকেরা বাউফল সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে জড়ো হন।

আবদুল মোতালেবের নেতৃত্বে বেলা ১১টার দিকে আনন্দ র‌্যালি নিয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের (জনতা ভবন) দিকে যাচ্ছিলেন নেতা-কর্মীরা। বেলা সোয়া ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদের সামনে পৌঁছালে সংঘর্ষ এড়াতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল আমিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এতে বাধা দেয়। তখন পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে আবদুল মোতালেবের কথা কাটাকাটি হয়। অপর পাশেই লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে অবস্থান করছিলেন আ স ম ফিরোজের সমর্থকেরা। তখন আ স ম ফিরোজ একটি গাড়িতে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

একপর্যায়ে দুই পক্ষের সমর্থকেরা দলীয় ও নিজ নিজ নেতার নামে স্লোগান দিতে থাকেন। এরপর আবদুল মোতালেবের সমর্থকেরা পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে দলীয় কার্যালয়ের দিকে যেতে চাইলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং কয়েকটি ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এ সময় আবদুল মোতালেবের ওপর হামলা চালান সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজের ধারালো অস্ত্রধারী সমর্থকেরা। তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করা হয়। থামাতে গিয়ে আহত হন আবদুল মোতালেবের কর্মী রাব্বি (৩০), মো. হাসান (২৬), মো. হাসিব (৩২), মো. খোকা মিয়াসহ (৫০) অন্তত ১০ জন।

এরপর আবদুল মোতালেবের সমর্থকেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন। এতে ওসি আল মামুন, উপ-পরিদর্শক (এসআই) এম এ হাসান, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. হুমায়ন কবির ও মো. শাহিন, কনস্টেবল মো. আবু রাহাত ও মো. রবিউলসহ কমপক্ষে ৪০ জন আহত হন।

আধা ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও পাল্টাপল্টি ধাওয়া। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো শহরে। যানবাহন চলাচল ও দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। এমনকি থানার মূল ফটকও আটকে দেয়া হয়। আহত আবদুল মোতালেবকে বরিশালে নিয়ে যাওয়ার পর তার নেতা-কর্মীরা চলে যান। তখনো সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজ তার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে উপজেলা পরিষদের মূল ফটকের পূর্ব পাশে অবস্থান করছিলেন। এরপর তারা র‌্যালি নিয়ে বাউফল সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দিকে যেত চাইলে বাধা দেয় পুলিশ।

পরে দুপুর ১২টার দিকে মেয়র জিয়াউল হকের নেতৃত্বে একটি বিশাল র‌্যালি নিয়ে উপজেলা চত্বরে ঢুকে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর আবার মিছিলসহকারে চলে যান জিয়াউল হক ও তার নেতা-কর্মীরা। এরপর দুপুর সোয়া ১২টার দিকে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজের নেতৃত্বে বের করা র‌্যালিটি বাউফল শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে গিয়ে শেষ হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ১৪৪ ধারা জারি করা উচিত ছিল। কিন্তু জাতির জনকের জন্মদিন হওয়ায় তা না করে তারা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়েছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ২০টি ফাঁকা গুলি ছোড়া হয় জানিয়ে ওসি আল মামুন বলেন, ইটপাটকেল নিক্ষেপে তিনিসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। উপজেলা চেয়ারম্যান নিজ দলের প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয়েছেন। বর্তমানে পরিবেশ শান্ত।


আরও খবর



বাংলাদেশ কোনোভাবেই শ্রীলংকা বা ভেনিজুয়েলা হবে না: ভোক্তার ডিজি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশ কোনোভাবেই শ্রীলংকা বা ভেনিজুয়েলা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।

আজ শুক্রবার রাজধানীর এফডিসিতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ বর্তমান সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ শীর্ষক এক ছায়া সংসদে এ কথা বলেন তিনি। প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি।

ভোক্তা অধিকারের ডিজি বলেন, সরকার দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি প্রতিরোধে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। রমজান মাসের চাহিদা বিবেচনায় ইতোমধ্যে কয়েকটি পণ্যের আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। তবে ভোক্তা পর্যায়ে এর সুফল পেতে কিছুটা সময় লাগবে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বাজার মনিটরিংয়ের বিরুদ্ধে কোনো প্রভাবশালী মহলের চাপ নেই। পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিস্ট মন্ত্রণালয়গুলো ও সংস্থাসমূহ সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, বাণিজ্য কূটনীতিকে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বাংলাদেশ কোনোভাবেই শ্রীলংকা বা ভেনিজুয়েলা হবে না। বর্তমানে বিশ্বে ৩৮তম বৃহত্তম অর্ধনীতির দেশ বাংলাদেশ। মানুষের কষ্ট লাগবে সরকার বাজার ব্যবস্থাপনায় সুশাসন নিশ্চিতে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। ইতোমধ্যে সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালু হয়েছে, যা পণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে পর্যবেক্ষণ করবে।

তিনি বলেন, কেউই রাষ্ট্রের চেয়ে শক্তিশালী নয়। অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আমাদের যুদ্ধ চলমান থাকবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি আমাদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলছে। বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষ কীভাবে যে জীবন ধারণ করছে সেটা কল্পনা করা যায় না। সাধারণ মানুষের সঞ্চয় তলানিতে নেমে দাঁড়িয়েছে। ধার-কর্জ করে, ঋণ নিয়ে চলছে। মানুষ কষ্টে আছে। মধ্যবিত্তরা দ্রব্যমূল্যের কষাঘাতে নীরব যন্ত্রণায় ভুগছে।

তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা এখন কম লাভে সন্তুষ্টি পাচ্ছে না। ব্যবসায়ীদের অতি মুনাফা ও অতি লোভ দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। অসাধু ব্যবসায়ীদের কঠোর হাতে রুখতে হবে। দ্রব্যমূল্য বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের আয় বাড়লে এবং কর্মসংস্থান তৈরি হলে ভোক্তাদের কষ্ট কম হয়। কিন্তু সবকিছুর দাম বাড়লেও মধ্যবিত্তের উপার্জন বাড়েনি। নতুন কর্মসংস্থান বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না।

হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, অন্যদিকে, বাজার সিন্ডিকেট দ্রব্যমূল্যকে উসকে দিচ্ছে। তবে বর্তমান সরকারের জন্য দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা ছাড়াও রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক, আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা রক্ষা, অর্থপাচার রোধ, দুর্নীতি প্রতিরোধ, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ, জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও রিজার্ভের ঘাটতি পূরণসহ আরও নানামুখী চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সেই সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সব রাজনৈতিক দলগুলোকে আস্থায় নিয়ে ঐক্যমত গড়ে তোলার পাশাপাশি কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা জরুরি। যাতে মানুষ বর্তমান সরকারের প্রতি আস্থাশীল হতে পারে।

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ বর্তমান সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ শীর্ষক ছায়া সংসদে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজের বিতার্কিকদের পরাজিত করে প্রাইম ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকরা বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী দলকে ট্রফি ও সনদপত্র দেওয়া হয়।


আরও খবর



বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরী লিমিটেডের সম্মাননা লাভ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরী লিমিটেড প্রথমবারের মতো ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০২৪ এ অংশগ্রহণ করে জেনারেল প্যাভিলিয়ন ক্যাটাগরীতে ২য় স্থান অর্জনসহ প্রশংসাপত্র অর্জন করে। এই সম্মাননা বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরী লিমিটেড এর ভবিষ্যৎ পথ চলাকে আরও বেগবান করবে।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০০ সালে বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরী (বিএমটিএফ) লিমিটেডকে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিকট হস্তান্তর করেন। বিএমটিএফ লিমিটেড এর পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, এসবিপি (বার), ওএসপি, এনডিইউ, পিএসসি, পিএইচডি এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলম, এনডিইউ, পিএসসি, পিএইচডি দায়িত্বরত রয়েছেন। 

বিএমটিএফ দেশের অন্যতম বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে শিল্পোন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রেখে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে বদ্ধ পরিকর। বিএমটিএফ কর্তৃক উৎপাদিত পণ্যসমূহ নিয়ে ক্রেতাগণের মাঝে অগ্রহ সৃষ্টি এবং পণ্যসমূহ ক্রেতাদের দোর গোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো ঢাকা আন্তজার্তিক বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে বিএমটিএফ লিমিটেড কর্তৃক উৎপাদিত পণ্যসমূহের প্রতি ক্রেতাগণের ব্যাপক আগ্রহ ও চাহিদা পরিলক্ষিত হয়েছে।


আরও খবর



বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেনের শ্রদ্ধা

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো: দেলোয়ার হোসেন মজুমদারকে দুই বছর মেয়াদে এ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

এ উপলক্ষ্যে শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় অবস্থিত হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এ সময় তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণ এবং প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা প্রতিশ্রুত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এছাড়াও মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত সকল শহিদের প্রতি এবং ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুসহ তাঁর পরিবারের শাহাদাতবরণকারী সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনপূর্বক তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেন। মহান আল্লাহর নিকট বাংলাদশের মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনাও করেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের পরিচালক, উপ-পরিচালক, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, নির্বাহী প্রকৌশলী, সহকারী প্রকৌশলী, উপ-সহকারী প্রকৌশলীগণসহ এ অধিদপ্তরের বিভিন্ন সার্ভিস এসোসিয়েশন এর নেতৃবৃন্দ ও অন্যান্য কর্মকর্তা/কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। 

পরবর্তীতে দেলোয়ার হোসেন মজুমদার তাঁকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদানপূর্বক দেশের সেবা করার সুযোগ দানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে জাতির পিতার সমাধি সৌধে সংরক্ষিত মন্তব্য বইতে স্বাক্ষর করেন।


আরও খবর



দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

তিন দিনের সফর শেষে জার্মানির মিউনিখ থেকে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১ টা ৫ মিনিটে তাকে বহনকারী ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এর আগে, রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে জার্মানির মুনচেন ফ্রাঞ্জ জোসেফ স্ট্রস বিমানবন্দর থেকে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। জার্মানিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া তাকে বিদায় জানান।

টানা চতুর্থ মেয়াদের সরকার গঠনের পর গত মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২৪-এ যোগ দিতে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় মিউনিখ পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকজন বিশ্ব নেতা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

সফরে প্রধানমন্ত্রী জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলৎজ, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, নেদারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটে, আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ, কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল-থানি এবং ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। এসময় তিনি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও গাজায় হামলা বন্ধের আহ্বান জানান। 

আরও পড়ুন>> মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী

পাশাপাশি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বর্তমান পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী লর্ড ক্যামেরন এবং জার্মান ফেডারেল অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন মন্ত্রী সভেনজা শুলজেও শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ ছাড়া উইমেন পলিটিক্যাল লিডারের (ডব্লিউপিএল) প্রেসিডেন্ট সিলভানা কোচ-মেহরিন, সিনিয়র ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ডেভেলপমেন্ট পলিসি অ্যান্ড পার্টনারশিপ অ্যাক্সেল ভ্যান টর্টসেনবার্গ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক পেড্রোস আধানম গেব্রিয়াসিস, মেটার গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের প্রেসিডেন্ট এবং যুক্তরাজ্যের সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী ড. স্যার নিক ক্লেগও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাদাভাবে সাক্ষাৎ করেন।

সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিউনিখের বার্গারহাউস গার্চিং হোটেলে জার্মানি ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংবর্ধনায়ও যোগ দেন।


আরও খবর



ফিলিপাইনে সোনার খনি ধসে নিহত ৫৪

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ দাভাও দে ওরোর মাকো শহরের কাছে একটি সোনার খনিতে ধসের পর এ পর্যন্ত সেখান থেকে ৫৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ৬৩ জন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গত ৬ ফেব্রুয়ারি সোনার খনিটিতে ধসে যাওয়া ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন দাভাও দে ওরো প্রদেশ প্রশাসনের কর্মকর্তা এডওয়ার্ড ম্যাকাপিলি।

রয়টার্সকে এডওয়ার্ড ম্যাকাপিলি জানান, সোনার খনিটি ধসের পর থেকে দুর্যোগ মোকাবিলা বিভাগের তিন শর মতো কর্মী উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। গত পাঁচ দিনে ৫৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

কাদা-ধসে পড়া স্তূপের নিচে এখনো ৬৩ জনের মতো আটকা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। তারপরের উদ্ধারকর্মীরা আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, ভারী বর্ষণের কারণে কাদায় পুরো খনি ঢেকে গেছে। আরও ভূমিধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। যার ফলে উদ্ধার তৎপরতা বিঘ্ন ঘটছে।

এদিকে, নিখোঁজ তালিকাভুক্ত প্রত্যেককে উদ্ধার না করা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।


আরও খবর