আজঃ শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪
শিরোনাম

‘এম ভি আবদুল্লাহ’ উদ্ধার অভিযানে যেতে পারে ভারতের নৌবাহিনী: মার্কিন বিশ্লেষক

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৩ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

২৩ বাংলাদেশি নাবিকসহ বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ ভারত মহাসাগরে সোমালি জলদস্যুদের কবলে পড়েছে। জাহাজটি গত রোববার মোজাম্বিক থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছিল। সোমবার জলদস্যুদের কবলে পড়ে এটি। পণ্যবাহী জাহাজটির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান কবির গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ।

মঙ্গলবার (মার্চ ১২) দুপুর ১টার দিকে জাহাজটি জলদস্যুদের কবলে পড়ার খবর জানতে পারে বাংলাদেশের অন্যতম শিল্পগোষ্ঠীটির কর্তৃপক্ষ। এসআর শিপিংয়ের সিইও মোহাম্মদ মেহেরুল করিম জানান, গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টার দিকে জাহাজ থেকে তাদের বার্তা পাঠানো হয়। বার্তায় বলা হয়, জলদস্যুরা জাহাজ দখল করে নিয়েছে। আমাদের নাবিকেরা আটকা পড়েছেন।

এদিকে জাহাজে থাকা নাবিকদের পরিবার-পরিজন বেশ উদ্বেগ নিয়ে দিন কাটাচ্ছে। এই অবস্থায় বাংলাদেশি এই কার্গো ক্যারিয়ারটি উদ্ধারে যেতে পারে ভারতীয় নৌবাহিনী। এমনটাই পরামর্শ দিয়েছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষক মার্টিন কেলি।

ভারতীয় মহাসাগরের যে অঞ্চলে বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজটিকে জিম্মি করা হয়েছে সেখানকার আশপাশে ভারতীয় নৌবাহিনীর শক্তিশালী উপস্থিতি আছে। আর এ কারণে, দেশটির নৌবাহিনী এমভি আবদুল্লাহ উদ্ধারে হস্তক্ষেপ করতে পারে বলে পরামর্শ দিয়েছেন যুক্তরাজ্যভিত্তিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা বিষয়ক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইওএস রিস্ক গ্রুপের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক মার্টিন কেলি।

কেলি বলেছেন, তার জানা মতে, গত ৩ মার্চ সোমালিয়া উপকূল থেকে একটি জলদস্যু বিরোধী গোষ্ঠী গভীর সমুদ্রের উদ্দেশ্য রওনা হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, ভারত মহাসাগরের যে অঞ্চলে এই হামলা সংঘটিত হয়েছে সেই এলাকায় ভারতীয় নৌবাহিনীর শক্তিশালী উপস্থিতি আছে।

সূত্র: ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস


আরও খবর



বিএনপি একটা জালিয়ত রাজনৈতিক দল: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

বিএনপি একটা জালিয়ত রাজনৈতিক দল উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আপনাদের মনে আছে গতবছর ২৮ অক্টোবর জো বাইডেনের ভুয়া উপদেষ্ঠাকে বিএনপি হাজির করেছিল। ভুয়া উপদেষ্ঠা যখন বিএনপি কার্যালয়ে, তখন দেখি শুধু ইংরেজি বলে। পুলিশ যখন ধরে নিয়ে গেল তখন দেখি গড়গড়াইয়া বাংলা বলে।

তিনি বলেন, তার আগে বিএনপি কংগ্রেসম্যানদের সই জাল করেছিল। সেই সময়ে বলেছিল ভারতের অমিত শাহ ফোন করেছিল। অমিত শাহর অফিস থেকে বলা হলো তিনি কাউকে ফোন করেননি, যে আওয়াজ ছাড়া হয়েছিল সেটা অমিত শাহর নয়। দেশের উন্নয়ন অগ্রগতি দেখে বিএনপি ও তাদের দোসরদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। মাঝেমধ্যে দেখি জিএম কাদেরেরও মাথা খারাপ হয়ে যায়।

শনিবার (১৮ মে) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর কাজীর দেউড়িস্থ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন হলে প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ৪৪তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, নির্বাচনের আগে আমরা দেখেছি বিএনপি প্রতিদিন বিভিন্ন এম্বেসিতে ঘুরে বেড়াত। আর দেন দরবার করত, নির্বাচনটা যাতে বন্ধ করা যায়, কোন লাভ হয় নাই। নির্বাচন হয়েছে, ৪২ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছে। যদি নির্বাচনের দিন কুয়াশা এবং প্রচন্ড ঠান্ডা না থাকত তাহলে আরো বেশি মানুষ ভোট দিত। আর বিএনপি যদি নির্বাচন প্রতিহতের ঘোষণা, মানুষের উপর হামলা, ট্রেনের মধ্যে শিশুসন্তানসহ পুরো পরিবারকে জ্বালিয়ে হত্যা না করত তাহলে ভোটের হার ৬০ শতাংশের বেশি হত। গত দুতিন বছরে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত অনেক দেশে নির্বাচন হয়েছে, সেখানে অনেক দেশে ৪০ শতাংশের কম ভোট পড়েছে। যদিওবা সেখানে নির্বাচনে বর্জন ও প্রতিহতের কোন হুমকি ছিলনা।   

তিনি বলেন, বাংলাদেশে অত্যন্ত চমৎকার নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচন যদি চমৎকার না হত তাহলে পৃথিবীর ৮০টা দেশের সরকার কিংবা রাষ্ট্র প্রধান আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাতেন না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট চিঠি লিখে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, আমরা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই। সর্বশেষ দুদিন আগে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীও আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছে। এজন্য বিএনপির মাথা খারাপ। সম্ভবত সেজন্য বিএনপি নেতা ড. মঈন খান ইদানিং জ্যোতিষীর মতো কথা বলছেন।

বয়সে সিনিয়র বিএনপি নেতা ড. মঈন খানের প্রতি সম্মান রেখে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান বলেন, তিনি রাজনীতির বাইরে এখন জ্যোতিষীর দায়িত্বও পালন করা শুরু করেছেন। বঙ্গবন্ধু যখন দেশ পরিচালনা করছিলেন তখন মঈন খানের বাবা আবদুল মোমেন খান খাদ্য সচিব ছিলেন। খাদ্যবাহী জাহাজ ভারত মহাসাগর থেকে ফেরত যাবার পেছনে তার বাবার কারসাজি ছিল, যাতে দেশে খাদ্য সঙ্কট তৈরী হয়। খাদ্য সঙ্কট তৈরী করে বঙ্গবন্ধুকে অজনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে আবদুল মোমেন খানের ভুমিকা ছিল। সেটির পুরস্কার স্বরূপ জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করার পর আবদুল মোমেন খানকে মন্ত্রীর মর্যাদায় খাদ্য উপদেষ্ঠা বানিয়েছিলেন। ৭৯ সালের নির্বাচনের পর আবদুল মোমেন খান সংসদে খাদ্য মন্ত্রী হিসেবে বক্তব্যে বলেছিল খাদ্যের জন্য দরকার হলে দেশ বিক্রি করে দিব। ওনারই সন্তান মঈন খান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহকারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসেছিলেন, তারা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্যই এই সফরে এসেছিলেন। এবং আমার সাথে দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে কিভাবে সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাব, সেটি নিয়ে তিনি কথা বলেছেন। এমনকি আমরা যদি কোন কোন ক্ষেত্রে কিছু রিফর্ম করি তাহলে আমাদেরকে জিএসপি সুবিধাও ফিরিয়ে দেয়ার অভিপ্রায়ও তারা ব্যক্ত করেছেন। একইসাথে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা থেকে কাটিয়ে উঠার লক্ষ্যে তাদের একটি বিশেষ তহবিল আছে। সেখান থেকে তারা সাহার্য্য করার কথাও বলেছেন। সুতরাং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। আমরা সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই কাজ করছি। এজন্যই বিএনপির মাথাটা বেশি খারাপ।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আজকে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে, বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটাতে হলে, জননেত্রী শেখ হাসিনার বিকল্প একমাত্র শেখ হাসিনা, এইদেশে আর কোন বিকল্প নাই। তিনি জাতিকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন ডিজিটাল বাংলাদেশের। এবং সেই স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটেছে। ২০১৮ সালে আমাদের স্লোগান ছিল আমার গ্রাম আমার শহর। আজকে গ্রামগুলো শহরেরমত হয়ে গেছে, গ্রাম আর শহরের মধ্যে কোন পার্থক্য নাই।

তিনি বলেন, এবার আমরা স্লোগান দিয়েছি স্মার্ট বাংলাদেশ। স্মার্ট বাংলাদেশ বলতে, স্মার্ট সোসাইটি, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট গভর্নেন্স এবং স্মার্ট পিপলস। এই চারটি অনুসঙ্গকে আমরা সাথে নিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ রচনা করতে চাই। ইনশাল্লাহ জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা এই অভিযাত্রায়ও বিজয়ী হব। কিন্তু আমাদের অভিযাত্রাকে আটকে দিতে চান বিএনপি এবং তাদের দোসররা। সেই কারণেই নানা ষড়যন্ত্র।

মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এডভোকেট ইব্রাহীম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু , সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য শফিক আদনান, শফিকুল ইসলাম ফারুক, এডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, চন্দন ধর, মশিউর রহমান প্রমুখ।

এরপর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চট্টগ্রাম নগরীর কদম মোবারক এতিমখানায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ উপ কমিটির উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে সুষম খাবার বিতরণ করেন। আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিনের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগর সহ সভাপতি শাহজাদা মহিউদ্দিন প্রমুখ।


আরও খবর
গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




সুন্দরবনে কুমিরের আক্রমণে মৌয়ালের মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বাগেরহাট প্রতিনিধি

Image

সুন্দরবনে কুমিরের আক্রমণে মোশাররফ গাজী (৫৫) নামে এক মৌয়াল মারা গেছেন। শনিবার (৮ জুন) দুপুরে পূর্ব সুন্দরবনের করমজল এলাকার গজালমারী খালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পরে মৃত মৌয়ালের লাশ একই এলাকার কেওড়ার মাঠের ভারানি খাল থেকে স্থানীয়রা উদ্ধার করেন।

এসময় কুমিরের আক্রমণ থেকে নদী সাঁতরে পালিয়ে অপর তিন জেলে প্রাণে বাঁচেন। তারা হলেন- সেকান্দর মল্লিক (২৫), জাকারিয়া শেখ (৪৫) ও গৌরপদ মন্ডল (৪৪)। মৃত মৌয়ালসহ এই তিনজনের বাড়ি খুলনার দাকোপ উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন পূর্ব ঢাংমারী গ্রামে।

পূর্ব সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন ও পর্যটন কেন্দ্রের ওসি হাওলাদার আজাদ কবির স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, নিষিদ্ধ সময় মধু আহরণ করতে এই চার মৌয়াল বনে ঢুকে শনিবার (৮ জুন) ফিরে আসার সময় কুমিরের মুখে পড়েন। এদিন দুপুর ১টার সময় মোশাররফ গাজী (৫৫) কে হিংস্র কুমিরটি করমজলের গজালমারী খালে টেনে নিয়ে যায়।

ঘটনার সময় বাকি তিন মৌয়াল নদী সাঁতরে পালিয়ে যায়। পরে তিন ঘন্টা পর দুপুর ৩টায় করমজলের কেওড়ার মাঠে ভারানি খাল থেকে স্থানীয়রা তার ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার করেন।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মৃত মোশাররফ গাজীর লাশ দাকোপ থানা পুলিশ প্রাথমিক সুরতহাল শেষে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে।

নিউজ ট্যাগ: সুন্দরবন কুমির

আরও খবর
গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




ইসরায়েলে ৭৫ রকেট ছুড়ল হিজবুল্লাহ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ৭৫টি রকেট ছুড়েছে লেবাননের শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। শুক্রবার (১৭ মে) দখলদার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এই তথ্য জানিয়েছে।

টাইমস অব ইসরায়েলের খবরে বলা হয়, লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় তিনজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়ার পর শুক্রবার বিকালে উত্তর ইসরায়েলের দিকে ৭৫টি রকেটের একটি বড় ব্যারেজ নিক্ষেপ করা হয়।

টাইমস অব ইসরায়েলের খবরে বলা হয়েছে, হিজবুল্লার ছোড়া কয়েক ডজন রকেট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আয়রন ডোম ব্যবহার করে ভূপাতিত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এ হামলায় আপার গ্যালিলিতে দুজন সামান্য আহত হয়েছেন। তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

চলমান যুদ্ধের মধ্যে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চল লক্ষ্য করে হিজবুল্লাহ যেসব হামলা চালিয়েছে সেগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম বড় ছিল বলে জানিয়েছে স্থানীয় অ্যাম্বুলেন্স সংস্থা।

গত বছরের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। পরের দিন ৮ অক্টোবর থেকে যুদ্ধে যোগ দেয় লেবাননের হিজবুল্লাহ।


আরও খবর



রাফসান দ্য ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

রাফসান দ্য ছোট ভাইখ্যাত জনপ্রিয় ইউটিউবার ইফতেখার রাফসানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের বিচারক আলাউল আকবর।

রাফসান দ্য ছোট ভাই-এর বিরুদ্ধে অনুমোদনহীন এনার্জি ড্রিংকস ব্লু বাজারজাত করার অভিযোগ উঠেছে।

এর আগে ব্লু পানীয়টি অনুমোদনহীন হওয়ায় বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতে আবেদন করেন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের খাদ্য পরিদর্শক মো. কামরুল হোসেন। আবেদনে তিনি বলেন, ব্লু-এর কোনো অনুমোদন নেই। এমনকি ওষুধ প্রশাসনও জানে না এসব ওষুধ না পানীয়।

তার আগে গত ২৪ এপ্রিল ব্লু ড্রিংকসের অননুমোদিত একটি কারখানায় অভিযান চালান ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভিত্তিতে কুমিল্লা বিসিক এলাকায় অবস্থিত কারখানাটিতে অভিযান চালান জেলা প্রশাসন ও বিএসটিআইয়ের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় প্রতিষ্ঠানটিকে নিবন্ধন ব্যতীত ইলেক্ট্রোলাইট ড্রিংক পণ্য প্রস্তুত, মোড়কজাত ও বাজারজাত করায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

গত বছরের ৭ ডিসেম্বর ব্লু নামে ইলেক্ট্রোলাইট ড্রিংক ব্লু বাজারজাত করার ঘোষণা দেন রাফসান দ্য ছোট ভাই। তখন লিচু ও তরমুজের ফ্লেভার নিয়ে দুই ক্যাটাগরিতে দেশের বিভিন্ন পয়েন্টে বাজারজাত শুরু করেন জনিপ্রয় এ ইউটিউবার।


আরও খবর



আনোয়ারুল আজিম ইস্যুতে এখনই মন্তব্য করবে না ভারত

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
কূটনৈতিক প্রতিবেদক

Image

বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী দেশের পার্লামেন্টারিয়ান আনোয়ারুল আজিম ভারতে চিকিৎসা করাতে এসে যেরকম দুর্ভাগ্যজনকভাবে মারা গেছেন, তাতে দিল্লিতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বেশ অস্বস্তিতে পড়েছেন। তবে এ ব্যাপারে তদন্ত শেষ না হলে এবং পুলিশ সব বিস্তারিত না জানালে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখনই কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিতে চাইছে না।     

দিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র অবশ্য নিশ্চিত করেছেন, এমপি আজিম যে কলকাতায় আসার পর হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে গেছেন বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ সেটা তাদের জানানোর পর থেকেই তাকে খুঁজে বের করার সব ধরনের চেষ্টা চালানো হচ্ছিল। ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গোয়েন্দারাও এ ব্যাপারে কলকাতা তথা পশ্চিমবঙ্গের পুলিশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছিলেন।

বস্তুত, আনোয়ারুল আজিম কলকাতায় এসে যে ভারতীয় সিমকার্ডটি ব্যবহার করছিলেন, সেটি যে ১৭ মে (শুক্রবার) খুব অল্প সময়ের জন্য বিহারের মুজাফফরপুরের কাছে চালু করা হয়েছিল সেই তথ্যও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা ট্র্যাক করে বের করেছিলেন। পরে কলকাতায় বাংলাদেশের উপদূতাবাসের মারফত সেই খবর ঢাকায় তদন্তকারীদের কাছেও পৌঁছে দেওয়া হয়।

আনোয়ারুল আজিমকে ঠিক কী পরিস্থিতিতে, কীভাবে, আর কেন হত্যা করা হয়েছে (যদি এটা হত্যাই হয়ে থাকে) তা নিয়ে যেহেতু এখনও অনেক অস্পষ্টতা আছে, তাই সরকারিভাবে ভারত এটা নিয়ে এখনই কোনও মন্তব্য করতে চাইছে না। দিল্লির নর্থ ব্লকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন সিনিয়র কর্মকর্তাকে এটা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি শুধু জানিয়েছেন, এই বিষয়ে যা বলার পশ্চিমবঙ্গের (বিধাননগর) পুলিশই বলবে।

এর আগে বুধবার (২২ মে) সকালে কলকাতার উপকণ্ঠে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার মানব শ্রিংলা সাংবাদিকদের জানান, আনোয়ারুল আজিম শেষ যে ভাড়া গাড়িটি কলকাতায় ব্যবহার করেছিলেন, সেই ক্যাবটির চালক জেরার মুখে স্বীকার করেছে যে ওই যাত্রীকে খুন করে তার দেহ টুকরো টুকরো করে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।

কিন্তু সত্যিই যদি তা হয়ে থাকে, তাহলে সেই খুনের মোটিভ কী ছিল, খুনিরা কয়জন ছিল বা তারা কারা, স্থানীয় ক্যাবচালককে এই কাজের জন্য তারা ভাড়া করেছিল কিনা, লাশের টুকরো কোথায় কোথায় ফেলা হয়েছিল পুলিশ কর্তৃপক্ষ এসব প্রশ্নের কোনও জবাব দেয়নি।

তবে তদন্তকারী দলের পক্ষ থেকে এটুকু আভাস দেওয়া হয়েছে, এমপি আনোয়ারুল আজিমকে যারাই হত্যা করে থাকুক, এই হত্যার মূল ষড়যন্ত্রকারীরা বাংলাদেশেরই বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।

একজন বিদেশি এমপি কলকাতায় এসেছেন, আর তার সঙ্গে পয়সাকড়ি আছে এটা আঁচ করে স্থানীয় কোনও অপরাধী চক্র বা দুষ্কৃতকারী গ্যাং তাকে মেরে ফেলে টাকাপয়সা লুট করতে চেয়েছিল ব্যাপারটা অত সহজ নয় বলেই আমরা ধারণা করছি, জানিয়েছে একটি সূত্র। সোজা কথায় তারা অনুমান করছেন, এই হত্যারহস্য আসলেই খুব জটিল এবং এর পুরো কিনারা করতে বেশ সময় লাগতে পারে।

বিদেশের কোনও এমপি যখন ভারতে সফর করেন, তারা সাধারণত নিজেদের ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্টই ব্যবহার করে থাকেন। আনোয়ারুল আজিমও ঠিক তাই করেছিলেন। এখন এমন একজন ভিআইপি বিদেশি অতিথিকে যখন ভারতের মাটিতেই প্রাণ হারাতে হয়, বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর চেহারা নিয়েছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। তাই তদন্তে সব দিক আগে পরিষ্কার না হলে এবং বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কথা না বলে ভারত আগ বাড়িয়ে এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাইছে না।  


আরও খবর