আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

এলপিজির দাম আবারও বাড়লো

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ভোক্তাপর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি গ্যাসের দাম ১ হাজার ৩৮১ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৪০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকেই কার্যকর হবে।

বিকেলে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান মো. নরুল আমিন এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করেন। এসময় বিইআরসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত মাসে ভোক্তাপর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩৬৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৮১ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়াও ভোক্তাপর্যায়ে বোতলজাতকৃত ৫.৫ কেজি এলপিজির দাম ৬৪৪ টাকা, ১২.৫ কেজি ১ হাজার ৪৬৩ টাকা, ১৫ কেজি ১ হাজার ৭৫৫ টাকা, ১৬ কেজি ১ হাজার ৮৭২ টাকা, ১৮ কেজি ২ হাজার ১০৭ টাকা, ২০ কেজি ২ হাজার ৩৪০ টাকা, ২২ কেজি ২ হাজার ৫৭৫ টাকা, ২৫ কেজি ২ হাজার ৯২৬ টাকা, ৩০ কেজি ৩ হাজার ৫৫১ টাকা, ৩৩ কেজি ৩ হাজার ৮৬২ টাকা, ৩৫ কেজি ৪ হাজার ৯৬ টাকা এবং ৪৫ কেজির বেতলজাতকৃত এলপিজির দাম ৫ হাজার ২৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বেসরকারি এলপিজির রিটেইলার পয়েন্টে ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজিতে ১১৭ টাকা ২ পয়সা সমন্বয় করা হয়েছে। এছাড়া রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহকৃত বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজিতে ১১৩ টাকা ২০ পয়সা সমন্বয় করা হয়েছে। আর ভোক্তাপর্যায়ে অটোগ্যাসের দাম মূসকসহ প্রতি লিটারে ৬৪ টাকা ৪৩ পয়সা সমন্বয় করা হয়েছে।


আরও খবর
২৪ দিনে প্রবাসী আয় ১৮ হাজার কোটি টাকা

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




স্বর্ণের দাম সর্বকালের সর্বোচ্চ ছাড়িয়ে যাওয়ার আভাস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

আগামী ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে স্বর্ণের দাম সর্বকালের সর্বোচ্চ ছাড়িয়ে যেতে পারে। এসময়ে প্রতি আউন্সের দর উঠতে পারে ৩০০০ ডলারে। যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিখ্যাত আর্থিক প্রতিষ্ঠান সিটি গ্রুপের বিশ্লেষকরা এ পূর্বাভাস দিয়েছেন। দেশটির প্রভাবশালী বাণিজ্যিক সংবাদমাধ্যম সিএনবিসির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়, এখন আন্তর্জাতিক বাজারে আউন্সপ্রতি স্বর্ণ বেচাকেনা হচ্ছে ২০১৬ ডলারে। চলতি বছর নিরাপদ আশ্রয় ধাতুটির মূল্য আরও বৃদ্ধি পাবে। ২০২৫ সাল নাগাদ সর্বকালের সর্বোচ্চ দামের রেকর্ড ভেঙে যেতে পারে।

২০২৩ সালের ডিসেম্বরের শুরুতে বিশ্ববাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল স্বর্ণের দাম। গত ৩ ডিসেম্বর লেনদেনের এক পর্যায়ে প্রতি আউন্সের দর দাঁড়ায় ২১৫২ ডলারে। সর্বকালে যা ছিল সর্বোচ্চ। মানে এর আগে কখনও মূল্যবান ধাতুটির এত মূল্য দেখেননি বিশ্ববাসী। 

আসছে ১ থেকে দেড় বছরের মধ্যে সেই নজিরও চুরমার হয়ে যেতে পারে। সিটির উত্তর আমেরিকাভিত্তিক পণ্য গবেষণার প্রধান আকাশ দোশি বলেন, এসময়ে স্বর্ণের দাম বাড়বে ৫০ শতাংশ। এক্ষেত্রে সম্ভাব্য তিনটি অনুঘটকের যেকোনো একটি বিদ্যমান থাকলেই হবে।

তিনি বলেন, প্রথমত; বিশ্বজুড়ে বৃহৎ কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো ব্যাপক হারে স্বর্ণ কেনা বাড়াতে পারে। দ্বিতীয়ত, বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি চড়া থাকতে পারে। তৃতীয়ত, বৈশ্বিক মন্দা গভীর হতে পারে। পরবর্তী ১২ থেকে ১৮ মাসে এর মধ্যে যেকোনো একটি বিরাজ করলেই স্বর্ণের দাম সর্বকালের সর্বোচ্চ ছাড়িয়ে যাবে।


আরও খবর
২৪ দিনে প্রবাসী আয় ১৮ হাজার কোটি টাকা

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সেনাবাহিনীতে যোগ দিলে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেবে মিয়ানমারের সরকার

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য সেনাবাহিনীতে যোগ দিলে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকার।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে থাইল্যান্ড থেকে পরিচালিত দেশটির ইংরেজি সংবাদমাধ্যম ইরাবতি।

রাখাইনের অধিকারকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, জান্তা বাহিনী জানিয়েছে, যেসব রোহিঙ্গা পুরুষ সেনাবাহিনীতে যোগ দেবেন তাদের এক বস্তা চাউল, নাগরিকত্বের একটি পরিচয়পত্র এবং মাসিক ১ লাখ ১৫ হাজার কিয়াট বেতন দেওয়া হবে। যা বাংলাদেশি অর্থে সাড়ে চার হাজার টাকার সমান।

তবে সাধারণ রোহিঙ্গাদের প্রলুব্ধ করতে না পেরে এখন জোরপূর্বক তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। যাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তাদের রাজধানী সিত্তেতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং সেখানে দুই সপ্তাহের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

রোহিঙ্গাদের ধরে নিয়ে যেতে বিভিন্ন গ্রাম এবং শরণার্থী ক্যাম্পে হানা দিচ্ছে জান্তা বাহিনী। গ্রামবাসী ও অন্যদের আশঙ্কা তাদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০০ রোহিঙ্গা পুরুষকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং তাদের দুই সপ্তাহের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে।

ফ্রি রোহিঙ্গা কোয়ালিশনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নে সান বলেছেন, প্রশিক্ষণের সময় মাত্র দুই সপ্তাহ। যাদের দুই সপ্তাহের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে তাদের জান্তা বাহিনী শুধুমাত্র মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে।

এরমধ্যে সিত্তের এবং বুচিডংয়ের বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে ৪০০ জনকে প্রশিক্ষণের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের সামরিক জান্তা ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী সব নারী-পুরুষের সামরিক বাহিনীতে যোগদান বাধ্যতামূলক করে। এরপরই রোহিঙ্গা পুরুষদের সামরিক বাহিনীতে যুক্ত করার কার্যক্রম শুরু করে জান্তা।

সংবাদমাধ্যম ইরাবতি জানিয়েছে, জান্তা বাহিনী ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী সকলের তালিকা তৈরির জন্য বুচিডং, মংডু এবং সিত্তের গ্রাম প্রশাসক ও নেতাদের চাপ দিয়েছে।

এরমধ্যে ছোট গ্রাম থেকে অন্তত ৫০ জন, বড় গ্রাম ও প্রতিটি শরণার্থী ক্যাম্প থেকে অন্তত ১০০ জনের তালিকা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে বুচিডং থেকে গত ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি শতাধিক মুসলিম রোহিঙ্গা পুরুষকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে তাদের সামরিক প্রশিক্ষণের জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

যদিও আইন অনুযায়ী, বাধ্যতামূলকভাবে সেনাবাহিনীতে যোগদানের বিষয়টি শুধুমাত্র মিয়ানমারের নাগরিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। কিন্তু রোহিঙ্গাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি না দিলেও এখন তাদের সেনাবাহিনীতে যুক্ত করা হচ্ছে।

রোহিঙ্গারা জানিয়েছেন, যাদের জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে; তাদের জন্য তারা সবাই চিন্তিত। তারা আরও চিন্তিত কারণ, যে কোনো সময় তাদেরকেও প্রশিক্ষণের জন্য নিয়ে যাওয়া হবে।

এদিকে গত বছরের অক্টোবর-নভেম্বরে রাখাইন রাজ্যে জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান শুরু করে আরাকান আর্মির যোদ্ধারা। তাদের হামলায় অনেক ঘাঁটি ও ক্যাম্প থেকে পালিয়ে গেছে জান্তা সেনারা। এখন আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য রোহিঙ্গাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে।


আরও খবর



জাবিতে পাঁচ দফা দাবিতে প্রশাসনিক ভবন অবরোধ

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এক দম্পতিকে কৌশলে ডেকে নিয়ে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করাসহ পাঁচ দফা দাবিতে দুই ঘন্টার জন্য প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করেছেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এ পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে সুষ্ঠু পরিবেশ ফেরানোর জন্য আচার্যের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল নয়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান নেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এরপর বেলা ১১টার দিকে অবরোধ কর্মসূচি শেষ করেন তারা।

শিক্ষার্থীদের অন্য দাবিগুলো হলো- অছাত্রদের বের করে গণরুম বিলুপ্ত করা; নিয়মিত শিক্ষার্থীদের আবাসন নিশ্চিত করা; যৌন নিপীড়ক শিক্ষক মাহমুদুর রহমান জনির বিচার নিষ্পত্তিসহ ক্যাম্পাসে নানাবিধ অপরাধে অভিযুক্তদের বিচারের আওতায় আনা; ধর্ষণের ঘটনায় প্রক্টর ও মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রাধ্যক্ষের অপরাধ তদন্ত করা এবং সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্ত চলাকালে তাদের প্রশাসনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া; মাদকের সিন্ডিকেট চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের গেটে তালা দিয়ে অবস্থান নিয়েছেন। সেখানে 'নিপীড়ন বিরোধী মঞ্চের' ব্যানারে অবরোধ লেখা সম্বলিত ব্যানার ও প্লাকার্ড ঝুলিয়ে দেন তারা। ফলে প্রশাসনিক ভবনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্টদের বাইরে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

অবরোধ চলাকালে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আলিফ মাহমুদ বলেন, 'সিন্ডিকেট সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের কোনো বাস্তবায়ন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন করতে পারেনি। তারা পাঁচ কর্মদিবস সময় চেয়েছেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় গতকাল শেষ হলেও অছাত্রদেরকে বের তো দূরে থাক বরং প্রশাসন তাদেরকে নিয়ে ভাগবাটোয়ারার মিটিং করছে প্রতিনিয়ত। তাই পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা অবরোধ করছি।'

নিপীড়ন বিরোধী মঞ্চের সংগঠক ও ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক আনিছা পারভীন জলি বলেন, উপাচার্য গতকাল বলেছেন আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি অছাত্রদের বের করার। তিনি যদি আপ্রাণ চেষ্টা করেই থাকবে তাহলে এই পাঁচ দিনে অন্তত পাঁচশত শিক্ষার্থী বের করার কথা। যদি সেটা না পারেন তাহলে তিনি কোন নৈতিকতার বলে তিনি তার পদে আছেন সেই প্রশ্নটি করতে চাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর গত কয়েক বছর ধরে ঘুরে ঘুরে পদে আসছেন। আমরা জানিনা তার মধ্যে বিশেষ কি গুণ রয়েছে, কোনো বিশেষ গুণতো দেখতে পাই না। তিনি নিজেও নিপীড়নের দায়ে অভিযুক্ত, অসংখ্য নিপীড়নের ঘটনাকে তিনি উস্কে দিচ্ছেন। তাকে বারবার ক্ষমতায় বসিয়ে কি বুঝাতে চান আমরা বুঝিনা।এ পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফেরানোর জন্য রাষ্ট্রপতি ও আচার্যের কাছে প্রয়োজনীয় নির্দেশনার জন্য অনুরোধ করছি আমরা।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক শামছুল আলম সেলিম, ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ মাফরুহি সাত্তার, প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সোহেল আহমেদ, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শামীমা সুলতানা, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জামাল উদ্দিন ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।

এর আগে, গতকাল রবিবার রাতে একই দাবিতে একটি মশাল মিছিল বের করেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ঘুরে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। আধা-ঘণ্টা পর বাসভবন থেকে বের হয়ে আসেন উপাচার্য। এসময় আন্দোলনকারীদের তোপের মুখে পড়েন তিনি। তখন নির্ধারিত পাঁচ কর্মদিবস পার হলে প্রতিশ্রুতির কথা রাখতে না পারায় আন্দোলনকারী প্রশাসনিক ভবন অবরোধের ঘোষণা দেন।


আরও খবর



অবশেষে নাভালনির মৃত্যুর কারণ জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পুতিনের সমালোচক রাশিয়ার বিরোধী দলীয় নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনির মৃত্যুর কারণ কারা কর্তৃপক্ষ। বিবিসির খবর অনুসারে, রাশিয়ার ইয়ামালো-নেনেতেস কারাগার কর্তৃপক্ষ কীভাবে নাভালনির মৃত্যু হয়েছে; সে বিষয়টি তার মাকে জানিয়েছে।

মৃত্যুর কারণ হিসেবে তারা সাডেন ডেথ সিন্ড্রোমকে উল্লেখ করেছে। যার অর্থ তার মৃত্যুটা আকস্মিকভাবে হয়েছে।

ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, সাডেন ডেথ সিন্ড্রোম হলো একটি বিশেষ অবস্থা। এই সময় আক্রান্ত ব্যক্তির হার্ট অ্যাটাক হয় এবং কোনো লক্ষণ ও কারণ ছাড়া মৃত্যু হয়। কিন্তু সাডেন ডেথ সিন্ড্রোম হলে হার্ট অ্যাটাকের কারণ জানা যায় না।

সাধারণত হার্ট অ্যাটাক হলে হার্টে ও শরীরে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় এবং ব্রেন সজাগ থাকার জন্য কোনো অক্সিজেন পায় না।

রাশিয়ার প্রধান বিরোধী নেতা অ্যালেক্সি নাভালনির জীবনের শেষ মুহূর্তের বিবরণ দিয়েছে ইয়ামালো-নেনেত্স কারা কর্তৃপক্ষ। এই কারাগারেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি।


আরও খবর



ভোট কারচুপির দায় স্বীকার করে পাকিস্তানে নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পাকিস্তানে গত ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের ফলাফলে কারচুপি করা হয়েছে দাবি করে পদত্যাগ করেছেন রাওয়ালপিন্ডির নির্বাচন কমিশনার লিয়াকত আলী চট্টা। খবর ডনের।

শনিবার রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আজ আমি আত্মহত্যার চিন্তা করেছিলাম। কিন্তু তারপর জনসাধারণের সামনে বিষয়গুলো উপস্থাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

কমিশনার লিয়াকত আলী চট্টা দাবি করেছেন, যেসব প্রার্থীরা নির্বাচনে হেরেছেন তাদের জেতানোর জন্য তার ওপর চাপ দেওয়া হয়েছিল।

কারচুপিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও প্রধান বিচারপতি জড়িত দাবি করে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি এই সমস্ত অন্যায়ের দায় নিচ্ছি। আপনাদের বলছি যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং প্রধান বিচারপতিও এতে সম্পূর্ণভাবে জড়িত

প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দেশটির সাধারণ নির্বাচনে ২৬৫ আসনের মধ্যে পিটিআই-সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৯৫টি আসন, পিএমএল-এন ৭৫টি এবং পিপিপি ৫৪টি আসন লাভ করে। তবে পিটিআইসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও পরাজিত প্রার্থীরা নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন।

ইতোমধ্যে সিন্ধু হাইকোর্টে করাচি এবং হায়দ্রাবাদের ৫৮টি নির্বাচনি এলাকার ফলাফলের বিরুদ্ধে পিটিশন দায়ের করা হয়েছে।

সিন্ধু হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছে যে, ইসিপি সমস্ত পক্ষের অভিযোগ শুনে এবং আইন অনুসারে ২২ ফেব্রুয়ারির আগে সিদ্ধান্ত নেবে এবং ফর্ম ৪৫ বা ৪৭-এ আবেদনকারীদের রেকর্ড পরীক্ষা করবে। রায়ে আরও বলা হয়, যেকোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে তা অপসারণ করা উচিত।

এদিকে কারচুপির বিরুদ্ধে বেলুচিস্তান, সিন্ধু এবং দেশের অন্যান্য অংশে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ন্যাশনাল পার্টি, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট, জমিয়ত-উলেমা-ই-ইসলাম-ফজল, আওয়ামী ন্যাশনাল পার্টি, জামায়াত-ই-ইসলামী, বেলুচিস্তান আওয়ামী পার্টি- বিএপি, বেলুচিস্তান ন্যাশনাল পার্টি- বিএনপি (মেঙ্গল), পাশতুনখাওয়া মিল্লি আওয়ামী পার্টি, পাশতুনখাওয়া ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল পুনঃগণনার দাবিতে এবং বেলুচিস্তানে ঘোষিত ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান সড়ক ও জেলা রিটার্নিং অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছে।


আরও খবর