আজঃ শনিবার ২৯ জানুয়ারী ২০২২
শিরোনাম

একাদশে ঠাঁই হলো না আশরাফুলের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) ওয়ানডে ফরম্যাট ইন্ডিপেন্ডেনস কাপের শেষ ম্যাচে একাদশে ঠাঁই হলো না মোহাম্মদ আশরাফুলের । ব্যাট কথা না বলায় দল থেকে বাদ পড়লেন তিনি।

ইস্ট জোনের হয়ে প্রথম দুই ম্যাচে ৫ বলে ০ ও ৫৭ বলে ১৫ রান করেছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক।

তার বদলে একাদশে নেওয়া হয়েছে অভিজ্ঞ ব্যাটার নাদীফ চৌধুরীকে। এছাড়া উইকেটকিপার-ব্যাটার ইরফান শুক্কুরের বদলে একাদশে সুযোগ পেয়েছেন প্রীতম কুমার।

বৃহস্পতিবার লিগ পর্বের শেষ রাউন্ডের ম্যাচে নর্থ জোনের মুখোমুখি হয়েছে ইস্ট জোন। টস হেরে আগে ব্যাটিং করছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নর্থ জোন।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩৫ ওভার শেষে তাদের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৪৯ রান।  ৮৭ বলে ৬৬ রান করে রানআউট হয়ে গেছেন রিয়াদ।

 

 


আরও খবর
সাড়ে ৩ বছর নিষিদ্ধ ব্রেন্ডন টেলর

শুক্রবার ২৮ জানুয়ারী ২০২২




গিনেস বুকের স্বীকৃতি পেয়ে প্রকাশ্যে আসলো চারু

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৬ জানুয়ারী ২০২২ | ২৯৫জন দেখেছেন

Image

সাভার থেকে আসাদুজ্জামান খাইরুল

সাভারের  শিকড় অ্যাগ্রো ইন্ড্রাস্ট্রিজের আলোরন করা বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু হিসেবে রানীর মৃত্যুর পর ওয়ার্ল্ড বুক অফ গিনেস এর স্বীকৃতি নিয়ে এবার প্রকাশ্যে আসলো শিকড় এগ্রোর অন্য আরেকটি গরু চারু। বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু হিসেবে গিনেস বুকে জায়গা করে নিয়েছে চারু নামের এই খর্বাকৃতির গরুটি।

শেখর অ্যাগ্রো কর্তৃপক্ষ গিনেসের স্বীকৃতি পাওয়ার আগ পর্যন্ত গোপনীয়তায় রাখেন খর্বাকৃতি বামন জাতের এই গরুটির বিষয়ে।

গত মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) গিনেস কর্তৃপক্ষ চারুকে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট জীবিত গরুর স্বীকৃতি দিয়ে ইমেইল পাঠায়।

এর আগে,২০২১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বরে  ২০ ইঞ্চি, লম্বা ২৪ ইঞ্চি ও ২৬ কেজ ওজনের রানী গিনেস বুকে মৃত গরু হিসেবে রেকর্ড গড়ে। গত ১৯ আগস্ট দুই বছর বয়সে অসুস্থ হয়ে মারা যায় রানী।

এর পরপরই ২০২১ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর গিনেস বুকে শেকড়  অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ খর্বাকৃতি গরু চারুর জন্য  ইমেইলের মাধ্যমে আবেদন করে।

খামার কর্তৃপক্ষ জানায় উচ্চতায় ২৩.৫০ ইঞ্চি, লম্বা ২৭ ইঞ্চি ও ৩৯ কেজি ওজনের, চারুর জন্ম ২০১৯ সালের জুলাই মাসে। চার দাঁতের গরুটির এখন আড়াই বছর বয়স চলছে।

দেখভালের দায়িত্বে থাকা খামারের কর্মচারীরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছে চারুর সেবা যত্নে।

শিখর এগ্রো লিমিটেডের কর্মচারী মো. মামুন বলেন, আমাদের শিকড় অ্যাগ্রো ইন্ড্রাস্ট্রিজের অনেক রকমের পশু-পাখি পালন করি। রাণী মারা যাওয়ার পর প্রায় ছয় মাস আগে চারুকে আমরা সিলেট থেকে সংগ্রহ করেছিরাম। যেভাবে রাণীকে সংগ্রহ করা হয়েছে, সেভাবেই চারুকে আনা হয়। এরপর থেকে এই খামারে চারুকে প্রাকৃতিক খোলামেলা পরিবেশে পালন করছি।

তিনি বলেন, আগে যেহেতু রাণী মারা গেছে, তাই চারুর প্রতি একটু বেশি যত্ন নেই। কর্মকর্তারা এখানে আনার পর ওর নাম চারু দিয়েছে। গিনেস বুক কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী একাধিকবার চারুর মাপের ছবি এবং ভিডিও পাঠানো হয়েছে। শিকড় অ্যাগ্রোর পশু চিকিৎসক প্রতি দুসপ্তাহ পরপর চারুকে দেখতে আসেন এবং ওজন, শরীর চকচকে আছে কি না, গঠন বাড়ছে কি না এসব পরীক্ষা করেন।

খামারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও কাজী সুফিয়ান বলেন, রানীর জীবদ্দশায়ই আমাদের সংগ্রহশালায় নতুন চমক হিসেবে যোগ হয় ৪ দাঁতের প্রাপ্তবয়স্ক দেশীয় প্রজাতির বামন গরু চারু। যার উচ্চতা ২৩.৫‘’, লম্বা ২৭’’ এবং ওজন ৩৯ কেজি। যাকে বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে জীবিত ছোট গরু হিসেবে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ স্বীকৃতি দিয়েছে।

অল্প কয়েকদিনেই রাণীর উল্লেখযোগ্য ভক্ত তৈরি হয়েছিল। আর তাই বেশিরভাগ মানুষই রাণীর মৃত্যু মেনে নিতে পারেনি। আমরা অনেক টাকায় বিক্রির অফার পেয়েও কেন বিক্রি করিনি সেটা নিয়ে অনেকে বিদ্রূপ করেছে। কেউ কেউ গাফেলতির কথা বলে আমাদের বকাও দিয়েছেন। তখন ভীষণ খারাপ লাগলেও আমরা পরিস্থিতি মেনে নিয়েছিলাম। আসলে রাণীর প্রতি সবার ভালবাসাটা আমরা বুঝতাম। তাই চারুর ক্ষেত্রে আমরা প্রথম থেকেই গোপনীয়তা অবলম্বন করি।

তিনি আরও বলেন, রাণীর মৃত্যুর পর গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ শোক প্রকাশ করে আমাদের ইমেইল পাঠায়। তারা জানায়, এবং আমাদের কাছে প্রতিযোগিতা করার মত কিছু থাকলে ইচ্ছা করলে আবার অংশ নিতে পারব। আর তখনই রানীর মৃত্যুর পরপরই খর্বাকৃতি গরু চারুর বিষয়টি নিয়ে আমরা আবেদন করি। যারা শিকড় অ্যাগ্রো সম্পর্কে খোঁজ-খবর রাখেন, তারা নিশ্চয়ই জানেন, আমাদের সুদক্ষ এবং নির্ভরশীল কর্মীরা প্রতিদিনই দেশের আনাচে-কানাচে ঘুরে বেড়ায়।  মঙ্গলবার গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ মেইলের মাধ্যমে  চারুকে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট জীবিত গরু হিসেবে আমাদেরকে নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর



শীত উপেক্ষা করে নারী ভোটারদের দীর্ঘ সারি

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৬ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেড়শ বছরের ঐতিহ্যবাহী নোয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। রোববার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলবে টানা বিকেল ৪টা পর্যন্ত। তবে মাঘের হাড় কাঁপানো শীত উপেক্ষা করে নারী ভোটারের ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে।

জানা গেছে, পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ৩৪টি কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ চলবে। ৩ নং ওয়ার্ডের কয়েকটি কেন্দ্রে সকাল থেকেই ভোটারদের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। নারী-পুরুষ সবাই মিলে কাকডাকা ভোরে এসেই লাইনে দাঁড়িয়েছেন। তবে প্রতিকূল আবহাওয়া মাড়িয়ে সাত সকালে কেন্দ্রে হাজির নারী ভোটাররাও। পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন তারা।

জানা গেছে, নোয়াখালী পৌরসভার মোট ভোটার ৭৫ হাজার ৭২৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩৭ হাজার ৪০১ ও নারী ভোটার ৩৮ হাজার ৩২৫ জন। নির্বাচনে মেয়র পদে সাতজন, ৯টি ওয়ার্ডে সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১৪ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৬৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনে পর্যাপ্ত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিউল আলম বলেন, নোয়াখালী পৌরসভায় ইভিএম পদ্ধতিতে এবারই প্রথম ভোটগ্রহণ চলছে। এখন পর্যন্ত সহিংসতার কোনো আশঙ্কা দেখছি না।

জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রকে আমরা গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছি। তাই প্রতিটি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ধরা হয়েছে। ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তার জন্য ৭৫০ জন পুলিশ, ৪৫০ জন আনসার, ৩ প্লাটুন বিজিবি, ৩ প্লাটুন র‍্যাব, পুলিশের চারটি মোবাইল টিম, একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্বে রয়েছেন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু এবং সুন্দর পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে কোনো প্রকার অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। যে কেন্দ্রে গোলযোগ বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হবে তাৎক্ষণিক সেই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেওয়া হবে। কেন্দ্রের ভেতরে ও বাইরে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকবে।

প্রসঙ্গত, পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীক নিয়ে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান মেয়র সহিদ উল্যাহ্ খান সোহেল। এছাড়া বিএনপি জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম কিরন কম্পিউটার (স্বতন্ত্র), শহর বিএনপির সভাপতি আবু নাছের নারিকেল গাছসহ ৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।


নিউজ ট্যাগ: নোয়াখালী

আরও খবর
ভোটকেন্দ্রে গাঁজাসহ এজেন্ট আটক

রবিবার ১৬ জানুয়ারী ২০২২




কক্সবাজারে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের বিচারিক অনুসন্ধান চেয়ে রিট

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ জানুয়ারী ২০২২ | ৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কক্সবাজারে সন্তান ও স্বামীকে আটকে রেখে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় বিচারিক অনুসন্ধান চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। সোমবার (৩ জানুয়ারি) সকালে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া এ রিট করেন।

রিটে স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনসচিব, ট্যুরিস্ট পুলিশসহ সাতজনকে বিবাদী করা হয়েছে।

আবেদনে ওই ঘটনায় কক্সবাজার জেলা জজ বা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে বিচারিক অনুসন্ধান করার এবং দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ায় কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এই মর্মে রুল জারির আর্জি জানানো হয়েছে।

চলতি সপ্তাহে রিটের ওপর শুনানি হতে পারে উল্লেখ করে আবদুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনাটি পুলিশ তদন্ত করছে। তবে বিভিন্ন সংস্থা ঘটনা নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছে, তাতে গরমিল আছে। তাই প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে বিচারিক অনুসন্ধান চেয়ে রিটটি করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২২ ডিসেম্বর বিকেলে স্বামী ও আট মাসের সন্তানকে নিয়ে সৈকতের লাবনী পয়েন্টে নামেন ভ্রমণে আসা ঢাকার ওই নারী। বালুচর দিয়ে হেঁটে পানির দিকে নামার সময় তার স্বামীর সঙ্গে আশিক নামের এক ব্যক্তির ধাক্কা লাগে। এর জেরে সন্ধ্যায় ওই নারীকে তুলে নিয়ে প্রথমে ঝুপড়ি একটি চায়ের দোকানে এবং পরে কলাতলীর জিয়া গেস্ট ইন হোটেলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ করেন আশিকের নেতৃত্বে কয়েকজন।

ওই নারীর স্বামী পরদিন ২৩ ডিসেম্বর রাতে বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মো. আশিক (২৮), মো. বাবু (২৫), ইসরাফিল হুদা (২৮), রিয়াজ উদ্দিন (৩০), অজ্ঞাতনামা তিনজনসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।


আরও খবর



সংসদে নির্বাচন কমিশন গঠন বিল পাস

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২২ | ২৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সার্চ কমিটি গঠনের মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (ইসি) এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বিধান রেখে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল-২০২২ পাস হয়েছে। এর মাধ্যমে দীর্ঘ কাঙ্ক্ষিত নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠন আইন প্রণয়ন হলো। বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক আইনটি পাসের জন্য প্রস্তাব করলে তা কন্ঠ ভোটে পাস হয়। 

এর আগে, এই বিলের ওপর বিরোধী দলের সদস্যদের দেওয়া জনমত যাচাই-বাছাই ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি করা হয়।  এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন।

এর আগে, ২৩ জানুয়ারি আইনমন্ত্রী বিলটি উপস্থাপন করলে তা আইন, বিচার ও সংসদ সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানা হয়। সাত দিনের মধ্যে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য। বিলটি বৃহস্পতিবার পাসের জন্য উপস্থাপন করা হলে এর পক্ষে-বিপক্ষে বিস্তারিত আলোচনা ও বিতর্ক হয়।  এ সময় আইনমন্ত্রী কয়েকটি সংশোধনী প্রস্তাব গ্রহণ করেন। এরপর এটি পাস হয়।  

নিউজ ট্যাগ: নির্বাচন কমিশন

আরও খবর



সৈকতে ভেসে এলো মৃত ইরাবতী ডলফিন

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৩ জানুয়ারী ২০২২ | ২৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পটুয়াখালীর কলাপাড়ার কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে ভেসে এসেছে একটি মৃত ইরাবতী ডলফিন। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সমুদ্রের জোয়ারে ডলফিনটি ভেসে এসে পশ্চিমের সৈকতের কম্পিউটার পয়েন্ট এলাকার বালুচরে আটকা পড়ে।

জানা যায়, কুয়াকাটা সৈকতে বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ সুরক্ষায় নিয়োজিত ব্লুগার্ড সদস্যরা প্রথমে মৃত ডলফিনটি দেখতে পান। প্রায় সাড়ে চার ফুট লম্বা ইরাবতী প্রজাতির ডলফিনটির একটি পাখনা কাটা ছিল। শরীরে ও ঠোঁটে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল।

এ নিয়ে গত এক বছরে কুয়াকাটা সৈকতে ২২টি মৃত ডলফিন ভেসে এসেছে। এগুলোর মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ নেননি মৎস্য বিভাগ ও গবেষকরা।

পরিবেশকর্মী ও ব্লুগার্ড সদস্য হাবিব আকন বলেন, ডলফিনটিকে সদ্য মেরে ফেলা হয়েছে। কারণ তার শরীর গরম ছিল ও জাল পেঁচানো ছিল।

তারা ধারণা করছেন, সাগরে মাছ শিকাররত জেলেদের জালে এটি আটকা পড়ে।  এটিকে মেরে সাগরে ফেলে দেওয়া হয়। ভাসতে ভাসতে এটি সৈকতের বালুচরে আটকা পড়ে। এ সময় কুয়াকাটায় ভ্রমণে আসা পর্যটকরা ডলফিনটি দেখতে ভিড় করেন। পড়ে ব্লুগার্ড সদস্য ও পরিবেশ কর্মীরা মৃত ডলফিনটি উদ্ধার করে সৈকতে বালুচাপা দেয়।

পটুয়াখালী ইকোফিশ-২ প্রকল্পের সহযোগী গবেষক সাগরিকা স্মৃতি বলেন, এ সম্পদ রক্ষা করা না গেলে সামুদ্রিক পরিবেশে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে। তাই এ সম্পদ রক্ষায় আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।


আরও খবর