আজঃ শনিবার ১৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

ঈশ্বরদীতে সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসী হামলা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি

Image

ঈশ্বরদীতে উপজেলা নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহকালে সন্ত্রাসী হামলার শিকার ও গুরুতর আহত হয়েছেন দৈনিক উন্নয়নের কথা পত্রিকার বার্তা সম্পাদক ও শ্রমিকলীগ ঈশ্বরদী পৌর শাখার সভাপতি মো. মজিবর রহমান খান।

মঙ্গলবার (১৪ মে) দিবাগত রাতে উপজেলার অরোণকোলা রিফুজি কোলনী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত সাংবাদিক উপজেলার মধ্য অরোণকোলা (রিফুজী কোলনী) এলাকার মৃত আক্কাস আলী খান এর ছেলে।

আহত সাংবাদিক মজিবর রহমান জানান, নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহ শেষে বাড়ি ফেরার পথে ঈশ্বরদী পৌর এলাকার ০৯ নং ওয়ার্ড মধ্য অরনকোলা রিফুজি কলোনী গোরস্থানগলি মসজিদের সামনে পৌঁছালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পথ আটকিয়ে সন্ত্রাসীরা আমার উপর হামলা চালিয়ে লাঠিসোটা ও ইট দ্বারা আহত করে আমার কাছে থাকা সতেরো হাজার তিনশত টাকা ছিনিয়ে নেয়। মাথায় যখম দেখা দেওয়ায় ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেছি।

তিনি আরো জানান, এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানায় মোঃ রেনু মুন্সি (৫৮) সহ অজ্ঞাতনামা আরও দুইজনকে আসামী করে এজাহার দায়ের করেছি।

সাংবাদিকের উপর হামলার বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদ মিন্টু বলেন, এই নির্বাচনকে বিতর্কিত ও অংশগ্রহণ মূলক না করতে বিভিন্ন অপশক্তি বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকী, অপচেষ্টা ভয়-ভীতি দেখাচ্ছে। আমরা সকল প্রকার নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে বা আমরা একটি শান্তিপূর্ণ অংশগ্রহণ মূলক নির্বাচন করতে চাই। যে সকল দুষ্কৃতিরা এই নির্বাচনকে বানচাল করতে চায় তাদের বিরুদ্ধে প্রসাশন কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আমি আশাবাদি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঈশ্বরদী থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, এই ঘটনায় অভিযোগ পেলে আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।


আরও খবর



দাম কমলো এলপি গ্যাসের, ১২ কেজি ১৩৬৩ টাকা

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

জুন মাসের জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম এক হাজার ৩৯৩ টাকা থেকে ৩০ টাকা কমিয়ে এক হাজার ৩৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার (৩ জুন) বিকেল ৩টায় এলপিজির নতুন দর ঘোষণা করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এলপিজির নতুন এ দর আজ সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হবে।

ঘোষণায় জানানো হয়, বেসরকারি এলপিজির রিটেইলার পয়েন্টে ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজি ১১৩ টাকা ৫৫ পয়সায় সমন্বয় করা হয়েছে। এ ছাড়া রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহকৃত বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজি ১০৯ টাকা ৭২ পয়সায় সমন্বয় করা হয়েছে। পাশাপাশি ভোক্তাপর্যায়ে অটোগ্যাসের দাম মূসকসহ প্রতি লিটারের মূল্য ৬২ টাকা ৫৩ পয়সায় সমন্বয় করা হয়েছে।

এর আগে, গত মে মাসে ভোক্তাপর্যায়ে কমানো হয় এলপিজির দাম। সেবার ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৪৯ টাকা কমিয়ে এক হাজার ৩৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। একই সঙ্গে অটোগ্যাসের দামও কমায় বিইআরসি। ফেব্রুয়ারি মাসে ভোক্তা পর্যায়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার নির্ধারণ করা হয় ৬৩ টাকা ৯২ পয়সা।

২০২১ সালের এপ্রিল মাস থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত। এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে বিইআরসি।


আরও খবর



ভোগান্তি ছাড়াই ট্রেনে বাড়ির পথে ঈদ যাত্রীরা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে তৃতীয় দিনের মত শুরু হয়েছে ট্রেনে ঈদযাত্রা। এই যাত্রায় আজ শুক্রবার সকালে সাধারণ মানুষের কোনো ভোগান্তি নেই বললেই চলে। নির্দিষ্ট সময় মেনেই দূরপাল্লার উদ্দেশ্য ছেড়ে যাচ্ছে ট্রেন। রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।

এদিকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সকাল থেকে নীলসাগর এক্সপ্রেস, তূর্না এক্সপ্রেস, রংপুর এক্সপ্রেস, মহানগর এক্সপ্রেস দেওয়ানগঞ্জ ঈদ স্পেশাল, সুন্দরবন এক্সপ্রেসসহ বেশ কয়েকটি ট্রেন শিডিউল মতো ছেড়ে গেছে।

পূর্বের ঈদযাত্রার মতো এবারও প্ল্যাটফর্মে যেন টিকিটবিহীন ব্যক্তি প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্লাটফর্ম এলাকায় প্রবেশের মুখে ‍তিন স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনি পার হয়ে যাত্রীদের স্টেশনে প্রবেশ করতে হচ্ছে।

এদিকে সড়ক আর নৌপথের মতো ট্রেনেও উপচেপড়া ভিড়। গত ৪ জুন যারা অগ্রিম টিকিট ক্রয় করেছিলেন তারা আজ ভ্রমণ করতে পারছেন। এছাড়া ট্রেনের সাধারণ শ্রেণির মোট আসনের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট স্টেশন থেকে দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে গত বুধবার থেকে ট্রেনে ঈদযাত্রা শুরু হয়েছে। যারা গত ২ জুন টিকিট ক্রয় করেছিলেন তারা সেদিন ভ্রমণ করতে পেরেছিলেন। এবার টিকিটবিহীন যাত্রী ঠেকাতে কমলাপুর রেলস্টেশনে বেশ কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে কমলাপুর রেলস্টেশন পরিদর্শন করে রেলমন্ত্রী মো.জিল্লুল হাকিম বলেন, আমরা সফলতার সঙ্গে গতকাল বুধবার যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দিয়েছি। যা সম্ভব হয়েছে রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সহযোগিতায়। আমরা চেষ্টা করছি যে সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেই যাত্রীদের বাড়ি পৌঁছে দিতে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সব প্রস্তুতি আছে। ঢাকা থেকে প্রতিদিন ৬৪টি ট্রেন ছেড়ে যায়। আজ দু-একটা ট্রেন বাদে ৩০টা ট্রেন সময়মতো ছেড়ে গেছে। নিরাপদ ঈদযাত্রার লক্ষ্যে রেলওয়ে কাজ করে যাচ্ছে।


আরও খবর



গভীর রাতে যাত্রীবাহী বাসে আগুন, ৮ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভারতের হরিয়ানায় যাত্রীবাহী একটি বাসে আগুন লেগে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত ও দগ্ধ হয়েছেন অন্তত ২৪ জন। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে হরিয়ানার নুহ জেলায় মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটে।

কী কারণে চলন্ত বাসে আগুন ধরল তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। পুলিশ পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। বাসটিতে প্রায় ৬০ জন যাত্রী ছিলেন। তাদের অধিকাংশই তীর্থযাত্রী। বাসটি বৃন্দাবন এবং মথুরা থেকে তীর্থযাত্রীদের নিয়ে ফিরছিলেন। পাঞ্জাবের হোশিয়ারপুর, লুধিয়ানা এবং চণ্ডীগড়ের যাত্রীরা বাসটিতে ছিলেন।

জানা যায়, নুহ জেলার কাছে কুন্ডলি-মানেসার-পালওয়াল জাতীয় সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ বাসটিতে আগুন ধরে যায়। এতে ৮ জনের মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা আগুন দেখার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত ছুটে এসে যাত্রীদের উদ্ধার করার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে দ্রুত ছুটে আসে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ। দমকল বাহিনী দ্রুত আগুন নেভালেও তার আগেই মৃত্যু হয় ৮ জনের। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বাসটির এক নারী যাত্রী ইন্ডিয়া টুডে টিভিকে জানিয়েছেন, বাসে আগুন ধরে যাওয়ার পর তিনি লাফ দিয়ে প্রাণ বাঁচান।

তিনি আরও জানান, বাসে আগুন ধরেছে দেখে এক বাইক আরোহী চালককে সতর্ক করতে এগিয়ে যান। কিন্তু ততক্ষণে আগুন ছড়িয়ে যায়।

ওই যাত্রী বলেন, আমি বাসের নিচ থেকে একটি শব্দ শুনতে পেলাম। ভেবেছিলাম বাম্পারে ধাক্কা খাওয়ার কারণে এমন আওয়াজ হচ্ছে। পরে পোড়া গন্ধ পেয়ে বুঝতে পারি আগুন লেগেছে। একজন বাইক আরোহী তখন চালককে আগুন লাগার বিষয়ে সতর্ক করেন। আমি একদম সামনের সিটে বসেছিলাম। তাই প্রাণ বাঁচাতে লাফ দিয়েছিলাম।’

তিনি আরও জানিয়েছেন, তিনি পঞ্জাবের বাসিন্দা এবং তীর্থযাত্রা করে বাড়ি ফিরছিলেন। বাসে তার আরও অনেক আত্মীয় ছিলেন।


আরও খবর



কোম্পানীগঞ্জে বাইরং নদীর বালু লুট, ভাঙ্গনের কবলে তীরবর্তী ফসলি জমি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
এস এ শফি, সিলেট

Image

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া বাইরং নদীতে ইজারা ছাড়াই চলছে বালু উত্তোলনের মহোৎসব। এতে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে তীরবর্তী অনেক ফসলি জমি। বালুখেকোরা প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে পারছেন না।

কোম্পানীগঞ্জের শিমুলতলা ও ছাতকের রাজেন্দ্রপুর এলাকাস্থ বাইরং নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে প্রতিদিন শত শত স্টিল বডি নৌকায় বালু তোলা হচ্ছে। আর এই বালু কোম্পানীগঞ্জের আমবাড়ি, ইছাকলস এবং ছাতকের বিভিন্ন স্পটে স্তুপ করে রাখা হয়। প্রভাবশালী ও একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট অবৈধ এ বালু ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে।

কোম্পানীগঞ্জের চাটিবহর গ্রামের রশিদ আহমদ, এনাম খান ও জুয়েল আহমদ জানান, কোনো প্রকার ইজারা ছাড়াই এ বছরের ২২ মে থেকে এ নদী হতে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।

অভিযোগে প্রকাশ ৪০-৫০ জনের একটি বালুখেকো সিন্ডিকেট বাইরং নদী থেকে নির্বিঘ্নে বালু লুট করতে নিয়োগ করেছেন কয়েকজন লাইনম্যান। এই লাইনম্যানদের মাধ্যমে দুই উপজেলা প্রশাসনকে তারা মেইনটেইন করে থাকেন।

সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়, এই এলাকায় বাইরং নদী থেকে হাইড্রলিক ড্রেজার দিয়ে প্রতিদিন শতাধিক স্টীলবডি নৌকায় বালু তোলা হয়ে থাকে। এতে ভয়াবহ ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়ে নদী তীর ও আশপাশের বহু কৃষি জমি নদীতে বিলীন হতে দেখা গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার কয়েকজন জানান, বালু সিন্ডিকেটের এই ধ্বংসাত্মক কাজে এলাকার পরিবেশ ও প্রতিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে। এতে করে একদিকে যেমন সরকার বিপুল অঙ্কের রাজস্ব প্রপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, অন্যদিকে নদীতে বিলীন হচ্ছে বিস্তীর্ণ ফসলি জমি। তবে বালু উত্তোলনকারীদের দাবি, জেলা প্রশাসন থেকে লিজ নিয়ে নিয়ম মেনেই তারা বালু তুলছেন।

এ বিষয়ে চাটিবহর গ্রামের সুজন মিয়ার দাবি, তিনি জেলা প্রশাসন থেকে উজানের পিয়াইন নদীর বালু মহাল লিজ নিয়েছেন। নিয়ম মেনে লীজকৃত জায়গা থেকেই তারা বালু তুলছেন। বাইরং নদী থেকে বালু তোলার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।

কোম্পানীগন্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুনজিত কুমার চন্দ বলেন, উপজেলার বাইরং নদী, বালুমহাল ইজারার বিষয়টি তার জানা নেই। জেলা প্রশাসন থেকে ইজারা দেওয়া হলে উপজেলা প্রশাসনসহ অধস্তন ভূ-প্রশাসনকে আদেশক্রমে অবহিত করার নিয়ম রয়েছে। বাইরং নদী নামে বালুমহাল ইজারা দেওয়ার বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়নি।

তিনি বলেন, ইজারা ছাড়া কোনোভাবেই নদী থেকে বালু তোলা যাবে না। এরকম হয়ে থাকলে সরেজমিন গিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



বিকেলের মধ্যে রাজধানী অতিক্রম করবে ঘূর্ণিঝড় রেমাল

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

উপকূলে ঝড়, বৃষ্টি, জোয়ার আর জলোচ্ছ্বাসের তাণ্ডব চালিয়ে ঘূর্ণিঝড় রেমালের কেন্দ্রভাগ দুপুরের পর ঢাকায় ঢুকবে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ থাকবে সর্বোচ্চ ৪০ কিলোমিটার আর বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আজিজুর রহমান আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় ঘূর্ণিঝড় নিয়ে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য দেন।

আজিজুর রহমান বলেন, রেমালের কেন্দ্রভাগ দুপুর ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে ঢাকার দিকে আসবে। এটি এখন অনেকটা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হচ্ছে। এর ফলে ঢাকায় আরও বৃষ্টি হবে। সেই সাথে ঝোড়ো বাতাস বইবে। ঢাকার ওপর দিয়ে এটা পর্যায়ক্রমে সিলেট দিয়ে বাংলাদেশের বাইরে যাবে ৷ ঢাকায় আসলে বৃষ্টিপাত আর দমকা বাতাস বাড়বে একটু।

আজিজুর রহমান বলেন, রেমাল সারা রাত তান্ডব চালিয়েছে। এর অগ্রভাগ দুপুরে উপকূলে আসে। মধ্যরাতে কেন্দ্র ওপরে উঠে আসে। এরপর ৫ থেকে ৭ ঘণ্টা ধরে সে পুরোটা ওপরে উঠে আসে। ৬টার আগেই উপকূলে উঠে আসে। এখন সাইক্লোন থেকে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাব যশোরে আছে এরপর ঢাকায় আসবে। বাতাস ২০ থেকে ৪০ কিলোমিটারের মধ্যে থাকবে। এর চেয়ে আর বাড়ার সুযোগ নাই। এটি উপকূলের পুরোটা অংশ পেয়েছে। কক্সবাজারের কয়েকটা এলাকা পানিতে ডুবে গেছে।

রেমাল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে জানিয়ে আজিজুর রহমান বলেন, রেমাল এখন প্রবল ঘূর্ণিঝড় থেকে ঘূর্ণিঝড় ও সবশেষে উত্তর পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে স্থল গভীর নিম্নচাপ আকারে যশোর ও এর আশপাশের এলাকায় অবস্থান নিয়েছে। এটি আরও উত্তর পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে বৃষ্টিপাত ঝড়িয়ে নিম্নচাপে পরিণত হবে। এটি আগামীকালের মধ্যে আরও দুর্বল হয়ে বৃষ্টি দিয়ে একই দিক দিয়ে নিম্নচাপ আকারে আসামের দিকে চলে যাবে।

আজিজুর রহমান বলেন, রেমাল গতকাল সন্ধ্যার দিকে উপকূলের মোংলা ও ভারতীয় সাগর আইল্যান্ডে দিয়ে বাংলাদেশ অতিক্রম শুরু করে ৷ এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি ছিল পটুয়াখালীর খেপুপাড়াতে।

পরিচালক জানান, ঝড়ের সর্বোচ্চ বাতাসের গতিবেগ ছিল পটুয়াখালীর খেপুপাড়াতে ১১১ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়। রাত ১টা ৩০ মিনিটে এটা রেকর্ড করা হয়েছে। আর সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে চট্টগ্রামে ২০৩ মিলিমিটার।

আজিজুর রহমান আরও বলেন, বাতাসের গতিবেগ দেখে বোঝা যাচ্ছে রেমাল পটুয়াখালী ও খেপুপাড়া অঞ্চলে বেশি সময় স্থায়ী ছিল। এটির বড় অংশ এই অঞ্চল দিয়ে পার হয়েছে।

এছাড়া সাতক্ষীরাতে বাতাসের গতিবেগে রাতে রেকর্ড করা হয় সর্বোচ্চ ৭৮ কিলোমিটার রাত দুইটায়। মোংলাতে রাত সাড়ে বারোটায় ৮০ কিলোমিটার ও রাত ১১টায় ৮৩ কিলোমিটার। ঢাকায় সকাল ৬টা ২০ মিনিটে বাতাসের গতিবেগ সর্বোচ্চ রেকর্ড করা হয় ৬৯ কিলোমিটার। আর চট্টগ্রামের পতেঙ্গাতে ৭৪ কিলোমিটার।

রেমালের প্রভাবে খেপুপাড়া ও পটুয়াখালীতে বৃষ্টি হয়েছে ১১১ মিলিমিটার, ঢাকাই সকাল ৬টা পর্যন্ত ৫৯ মিলিমিটার, চট্টগ্রামে ২০৩ মিলিমিটার ও কুতুবদিয়াতে ১২৫ মিলিমিটার। এছাড়া সারা দেশেই বৃষ্টিপাত হচ্ছে। যা আজ সারা দিন অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর