আজঃ বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪
শিরোনাম

দোহারের রাইপাড়ায় টিসিবি পণ্য বিতরণ

প্রকাশিত:বুধবার ১১ অক্টোবর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ অক্টোবর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নাজনীন শিকদার (দোহার-নবাবগঞ্জ)

Image

নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (১১ অক্টোবর) ঢাকার দোহার উপজেলার রাইপাড়া এলাকায় এ টিসিবি পণ্য বিতরণ করা হয়।

দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে  টিসিবির পণ্য বিতরণ করেন।

এ ইউনিয়নের মোট  ১ হাজার ৪শত ৬০ জন নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে টিসিবির পণ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে- চাল, মশুরের ডাল, সয়াবিন তেল। এসময় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্যবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


অনুষ্ঠানে মো. আলমগীর হোসেন বলেন, টিসিবির পণ্য পেয়ে নিম্ন আয়ের মানুষ অনেক উপকৃত হচ্ছে। বর্তমান সরকার জন বান্ধব সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গরীব এবং মেহনতী মানুষের জন্য ভর্তুকি দিয়ে অত্যন্ত কম মূল্যে এ পণ্য মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করছেন। তিনি গরীব ও মেহনতী মানুষের সাথে সুখে দুঃখে আছেন এবং থাকবেন।

এ দিকে ন্যায্যমূল্যে পণ্য পেয়ে সরকারের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে খুশি মনে কৃতজ্ঞতার সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।


আরও খবর



নিঃসন্তান দম্পতিরা অসহায়, সেবা নিতে নিঃস্ব হচ্ছেন অনেকে

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
স্বাস্থ্য ডেস্ক

Image

বন্ধ্যত্বের সমস্যার সম্মুখীন নিঃসন্তান দম্পতিদের জন্য সর্বাধুনিক চিকিৎসা হলো-ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন বা আইভিএফ পদ্ধতি। দেশে দুই যুগের বেশি আগে এই চিকিৎসা চালু হলেও সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিধি বাড়ানোর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এর দায়িত্বে থাকা স্বাস্থ্য বিভাগ একরকম হাতগুটিয়েই বসে আছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে এর উপযুক্ত চিকিৎসাব্যবস্থা না থাকায় সেবাবঞ্চিত হচ্ছেন দেশের অসংখ্য অসহায় নিঃসন্তান দম্পতি। কোনো উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে তারা বেসরকারি হাসপাতাল ও বিদেশের হাসপাতালের শরণাপন্ন হচ্ছেন। এভাবে ব্যয়বহুল এই সেবা নিতে গিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন অনেকে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সন্তান ধারণের চেষ্টার পর টানা এক বছর কেউ সফল হতে না পারলে তাকে ইনফার্টাইল বা সন্তান ধারণে অক্ষম হিসাবে গণ্য করা হয়। নিঃসন্তান দম্পতিদের মধ্যে ৪০ শতাংশ ক্ষেত্রে স্ত্রী ও একই সংখ্যক স্বামীদের শারীরিক নানা সমস্যা থাকে। ১০ শতাংশ ক্ষেত্রে দুজনেরই সমস্যা থাকে। বাকি ১০ শতাংশ ক্ষেত্রে সমস্যা অজানাই রয়ে যায়।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) আর্থসামাজিক ও জনমিতি জরিপ ২০২৩ অনুযায়ী দেশের ৬৫ শতাংশ জনগোষ্ঠী বিবাহিত। বিশেষজ্ঞদের অনুমিত হিসাব অনুযায়ী বিবাহিতদের মধ্যে বর্তমানে বন্ধ্যত্বের হার ২০ শতাংশের উপরে। যদিও নিঃসন্তান দম্পতিদের সঠিক পরিসংখ্যান নেই। দিন যত যাচ্ছে এই সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দেশে ৩৭টি সরকারি ও ৬৭টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রয়েছে। এছাড়াও প্রায় ছয় হাজার বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক রয়েছে। যেখানে প্রজনন স্বাস্থ্যসংক্রান্ত চিকিৎসাব্যবস্থা কমবেশি থাকলেও নিঃসন্তান দম্পতিদের জন্য আইভিএফ চিকিৎসাসেবা একেবারেই অপ্রতুল। শুধুমাত্র রাজধানীর কয়েকটি বড় বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে ইনফার্টিলিটি বিভাগ রয়েছে। সব মিলিয়ে দেশে ৪০ জনের মতো বিশেষজ্ঞ আছেন। এশিয়া ইনিশিয়েটিভ প্যাসিফিক অন রিপ্রোডাকশনের তথ্য বলছে, চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল চিকিৎসাব্যবস্থা, সীমাহীন ভোগান্তি আর আস্থার সংকটে ভুক্তভোগীরা বিদেশে ছুটছেন। সেখানে ৪ থেকে ৫ গুণ বেশি টাকা খরচ করছেন। এতে সহজেই চলে যাচ্ছে দেশের অর্থ। জানা গেছে, দেশে বেসরকারি সেন্টারভেদে আইভিএফ চিকিৎসা নিতে খরচ হয় গড়ে সাড়ে ছয় লাখ টাকা। কিন্তু এ পদ্ধতিতে যাওয়ার আগেই ভুল পথে হেঁটে নানাভাবে হয়রানির শিকার হয়ে একেক দম্পতির দুই লাখ থেকে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত ব্যয় হয়ে যায়। সরকারি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় জনবল ও আনুষঙ্গিক সুযোগ সুবিধা না থাকায় ব্যয় অপেক্ষাকৃত কম হলেও সফলতার হার কম। দেশে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা সাধারণত তিন ধাপে দেওয়া হয়। প্রথমত; মেডিকেশন বা প্রাইমারি, এ ধাপে হরমোনাল ইনজেকশন ও ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে গর্ভধারণের চেষ্টা করা হয়। দ্বিতীয় ধাপ হলো-ইন্ট্রা ইউটেরাইন ইনসেমিনেশন (আইইউআই), এ প্রক্রিয়ায় ল্যাপরোস্কোপিক সার্জারির মাধ্যমে ওভারিয়ান ব্রিডিং করানো হয়। আইইউআই পদ্ধতিতে স্বামীর বীর্যে শুক্রাণুর পরিমাণ কম বা নিষ্ক্রিয় থাকলে শুক্রাণু সংগ্রহ করে বিশেষ প্রক্রিয়ায় সক্রিয় করে স্ত্রীর গর্ভে স্থাপন করা হয়।

টারশিয়ারি বা তৃতীয় ধাপ হলো-বন্ধ্যাত্বের সর্বাধুনিক চিকিৎসা আইভিএফ। বন্ধ্যাত্ব নিয়েও নারীর মাতৃত্বের বাসনা পূর্ণ করার সুযোগ রয়েছে আইভিএফের মাধ্যমে। এটি অপেক্ষাকৃত নিরাপদ ও সহজ পদ্ধতি। অনেকে আইভিএফকে টেস্টটিউব পদ্ধতি বলে থাকেন। আইভিএফ মাধ্যমে স্বামী থেকে নেওয়া শুক্রাণুর সঙ্গে ল্যাবরেটরিতে ডিম্বাণুর ফার্টিলাইজেশন করা হয় ও উপযুক্ত সময়ে সেটি স্ত্রীর গর্ভে স্থাপন করা হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে ১৯৯৮ সাল থেকে আইভিএফ সেবা শুরু হয়েছে। কিন্তু সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগ এ সেবার কলেবর বাড়াতে পারছে না। আইভিএফ চিকিৎসায় ২০টি সেন্টার স্থাপিত হলেও সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সেন্টার মাত্র তিনটি। সরকারিভাবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল স্থাপিত আইভিএফ সেন্টারের মাধ্যমে মাত্র একটি শিশু আলোর মুখ দেখতে সক্ষম হয়েছে। এ বিষয়ে কথা বলতে ঢামেকের আইভিএফ সেন্টারের তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক ডা. ফাতেমা পারভিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ব্যস্ততার অজুহাতে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আইভিএফ সেন্টার চালু হলেও মাত্র একজন নারীর গর্ভধারণের খবর নিশ্চিত করেছে। তবে সফলতার ক্ষেত্রে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল এক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে। বন্ধ্যা দম্পতিদের চিকিৎসায় সরকারের পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অধীনে রাজধানীতে পাঁচটি বিশেষায়িত হাসপাতাল রয়েছে। এগুলো হলো-মোহাম্মদপুর ইনফার্টিলিটি সার্ভিসেস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার, আজিমপুর মাতৃসদন ও শিশু স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, মিরপুরে (লালকুঠি) মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, শিশু-মাতৃ স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট (মাতুয়াইল) এবং শামসুননেছা আরজু মনি মা ও শিশু স্বাস্থ্যকেন্দ্র (হাজারীবাগ)। তবে এগুলোর কোনোটিতেই আইভিএফ চিকিৎসাসেবা নেই। বিশেষজ্ঞরা যুগান্তরকে বলছেন, দেশে ২০২২ সালে ২০টি সেন্টারে প্রায় চার হাজার দম্পতি এ পদ্ধতি গ্রহণ করায় প্রায় এক হাজার ৩০০ জন বাবা-মা হয়েছেন। যাদের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সন্তান লাভের সুযোগ ছিল না।

ভ্রুণতত্ত্ববিদ ও বাংলাদেশ ফার্টিলিটি হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. এসএম খালিদুজ্জামান বলেন, দেশে অন্তত ১০ লাখ দম্পতি তথা ২০ লাখ নারী পুরুষের আইভিএফ পদ্ধতির প্রয়োজন। বর্তমানে দেশে ১০০ জনকে আইভিএফ চিকিৎসা দেওয়া হলে ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ সফল গর্ভধারণ হচ্ছে। গত দুই বছরে আমাদের হাসপাতালে আইভিএফ চিকিৎসা নিয়ে ৫০০ বেশি নারী গর্ভধারণ করেছেন, যেটা বাংলাদেশে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি আরও বলেন, সরকারি ল্যাবের সংখ্যা ও সেন্টার বাড়ানো গেলে সহজেই চিকিৎসা নিয়ে সন্তানের মুখ দেখার সুযোগ পেত। এজন্য স্বাস্থ্য বিভাগের আরও বেশি হস্তক্ষেপ দরকার।


আরও খবর
বাড়ছে ডেঙ্গু, শতাধিক নতুন রোগী শনাক্ত

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪




বাঁশখালীর বৈলছড়ীতে সড়ক সংস্কার কাজ বন্ধ, দুর্ভোগে মানুষ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বৈলছড়ী কে.বি বাজার তথা কাঁচা বাজার হয়ে পূর্বদিকে বর্তমান চেয়ারম্যান কপিল উদ্দিনের বাড়ী হয়ে যাওয়া শহীদ ফরহাদ সড়ক (ধলা সড়ক) সংস্কার কাজ দীর্ঘ ৪-৫ মাস যাবৎ বন্ধ করে রাখার ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছে বৈলছড়ী ইউপির ২,৩ ও ৪ নং ওয়ার্ডের অন্তত ১০/১২ হাজার পরিবারের মানুষ।

স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, সড়কটি নতুন ভাবে সংস্কার করার জন্যে পুরানো ইট গুলো খোলে নেওয়ার পর প্রায় ৪/৫ মাস পার হলেও আজ পর্যন্ত কোনো ধরনের সংস্কার কাজ শুরু না করায় পুরো সড়কটি এখন যেনো জলাশয়।

এতে গাড়ী চলাচল করাতো দূরের কথা, এমনকি মানুষ পায়ে হেঁটে চলাচল করতেও কষ্টসাধ্য হচ্ছে।এছাড়াও ওই এলাকার খাঁনবাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গ্রাসরুটস স্কুল, নুইন্না পুকুর পাড় মোহাম্মদীয়া রউফিয়া এবতেদায়ী মাদ্রাসা, পূর্ব বৈলছড়ী দারুল হুদা মহিলা মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় পড়ুয়া সহস্রাধিক শিক্ষার্থীসহ ওই এলাকার অন্তত ১০/১২ হাজার পরিবারের লোকজন চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, সড়কটি সংস্কারের নামে সড়কটির পুরানো ইট গুলো ৪/৫ মাস আগেই খোলে ফেলা হয়েছে, কিন্তু অদ্যবদি পর্যন্ত কোনো ধরনের সংস্কার কাজ শুরুও করা হয়নি। সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো সড়ক জলাশয়ে পরিণত হয়েছে, যার ফলে আমাদের ছেলে -মেয়েরা স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় পর্যন্ত যেতে পারছেনা। একমাত্র এই ব্যস্ততম সড়কটি ছাড়া যাতায়াতের বিকল্প কোনো সড়ক না থাকায় বাজারেও যেতে পারছেনা মানুষ।এই ব্যস্ততম জনপদের ভোগান্তি দর করতে সড়কটির সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্যে জনপ্রতিনিধি ও উর্ধতন কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় মোঃ মনসুর আলম বলেন, শহীদ ফরহাদ সড়কটি ছাড়া এই এলাকার মানুষের যাতায়াতের বিকল্প কোন সড়ক নেই, সরকারি বরাদ্দ আসার পর সড়কটির সংস্কারের জন্যে পুরানো ইট গুলো  খোলার প্রায় ৪ মাস অতিবাহিত হলেও আজ পর্যন্ত সড়কটিতে কোনো ধরনের সংস্কার কাজ করা হয়নি। ইঞ্জিনিয়ারসহ সংশ্লিষ্টদের অবহেলার কারণে সংস্কার কাজ বন্ধ রয়েছে, সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো সড়কটি এখন জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে এলাকার হাজার হাজার মানুষ। সড়কটির সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে মানুষকে ভোগান্তিমুক্ত করতে কতৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানান মনসুর আলম।

এ বিষয়ে সাব-ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুর রহমানের এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, এই সড়কে আমি দায়িত্বে নেই, তবে আমি যতোটুকু জানি সড়কটির জায়গা নিয়ে জটিলতা আছে, তাই উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার ও টিকাদারসহ বৈলছড়ী ইউপি চেয়ারম্যান কপিল উদ্দিনের সাথে বসছিলাম,জায়গা সংক্রান্ত বিষয়টি সমাধান করার কথা হয়েছিল, কিন্তু এরপর কি হয়েছে না হয়েছে সেটা আমি জানিনা।

উপজেলা সহকারী ইঞ্জিনিয়ার (এলজিইডি) কাজী ফাহাদ বিন মাহমুদ এর সাথে যোগাযোগের একাধিক বার চেষ্টা করলেও মোবাইল সংযোগ পাওয়া যায়নি। অপরদিকে বৈলছড়ী ইউপি চেয়ারম্যান কপিল উদ্দিন এর সাথে যোগাযোগের একাধিক বার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

নিউজ ট্যাগ: চট্টগ্রাম

আরও খবর



সিসিক কাউন্সিলরের বাসায় হামলার প্রতিবাদে কর্মবিরতি পালন

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
এস এ শফি, সিলেট

Image

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) ২০নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদের বাসায় হামলার প্রতিবাদে এক ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করেছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন।

রোববার (৩০ জুন) নগর ভবনসহ একই সঙ্গে নগরীর ৪২টি ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ে ১ ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালন করা হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে নগরীর ভাটাটিকর এলাকায় কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদের বাসভবনে হামলার ঘটনা ঘটে।

এদিকে কাউন্সিলর আজাদের বাসায় হামলার ঘটনায় শনিবার সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পরিষদ সভা করে তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করে। এর অংশ হিসেবে রোববার এক ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করা হয়। আগামীকাল ১ জুলাই সোমবার টিলাগড় পয়েন্টে অবস্থান কর্মসূচি ও ২ জুলাই মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাজলু লস্কর।

হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের করেছেন কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ। শুক্রবার রাতে ১৪ জন অভিযুক্তের নামসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০/২৫ জনকে আসামি করে এ মামলা দায়ের করেন তিনি।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, কাউন্সিলরের বাসায় হামলার ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।


আরও খবর



কোটা আন্দোলনে হামলা-সংঘর্ষ-হত্যা: যা বলছে জাতিসংঘ

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে জাতিসংঘ। সংস্থাটি বলছে, আন্দোলনকে ঘিরে বাংলাদেশে চলমান ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে জাতিসংঘ অবগত রয়েছে।

এছাড়া সহিংস হামলা থেকে বিক্ষোভকারীদের রক্ষা করতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বানও জানিয়েছে বৈশ্বিক এই সংস্থাটি। জাতিসংঘ আরও বলেছে, মানুষের শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করার অধিকার আছে এবং সরকারকে সেই অধিকার রক্ষা করতে হবে। একইসঙ্গে বাংলাদেশে চলমান ঘটনাপ্রবাহ জাতিসংঘ উদ্বেগের সাথে পর্যবেক্ষণ করছে বলেও জানানো হয়েছে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এসব মন্তব্য করেন।

এদিনের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, সংঘর্ষ ও হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে তথাকথিত কোটা পদ্ধতির পরিবর্তে মেধাভিত্তিক নিয়োগ ব্যবস্থার দাবিতে দেশব্যাপী বিক্ষোভ চলছে। সরকারের সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগ নিরাপত্তা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। বিক্ষোভে হামলায় ছয় শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘের মহাসচিব কি এই পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত আছেন?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, হ্যাঁ। আমরা (বাংলাদেশে চলমান) পরিস্থিতি সম্পর্কে খুব ভালো ভাবে অবগত আছি। আমরা ঘনিষ্ঠভাবে এবং উদ্বেগের সাথে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি।

তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি- বাংলাদেশে হোক বা বিশ্বের অন্য কোথাও, মানুষের শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করার অধিকার রয়েছে এবং যেকোনও ধরনের হুমকি বা সহিংসতা থেকে বিক্ষোভকারীদের রক্ষা করার জন্য আমরা বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই। বিশেষ করে যুবক বা শিশু বা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মতো যাদের যাদের অতিরিক্ত সুরক্ষার প্রয়োজন হতে পারে, যেন তারা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করতে পারে।

স্টিফেন ডুজারিক বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে প্রদর্শন করতে পারা একটি মৌলিক মানবাধিকার এবং সরকারের উচিত সেই অধিকারগুলোকে রক্ষা করা।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




চা বিক্রেতার মেয়ের কিডনি প্রতিস্থাপনে প্রয়োজন ১৭ লাখ টাকা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
উপজেলা প্রতিনিধি

Image

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতী বাজারের চা বিক্রেতা জামাল মোল্লা। ৫ বছর আগে একমাত্র মেয়ে সাদিয়াকে বিয়ে দিয়েছিলেন খুলনার তেরখাদা উপজেলার কৃষক রমজান খানের সাথে। বিয়ের ৫ বছরে দুটি সন্তানও হয়েছে সাদিয়ার। অভাব অনটনের মধ্যেও সুখেই স্বামীর ঘর করছিলো সাদিয়া। কিন্তু ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি কখন যে মরণ অসুখ বাসা বেধেছে তার কিডনিতে। যখন টের পেলো তখন তার একটি কিডনি অকেজ ও আরেকটার ৫০ শতাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু পথযাত্রী এ দুই সন্তানের জননী, জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে।

সন্তানদের জন্য তার বেঁচে থাকার তীব্র আকুতি। স্বামী কিংবা স্বজনদের সামর্থ্য নেই এত টাকা ব্যয় করে তাকে বাঁচিয়ে রাখার। তারপরও তার বাবা চা বিক্রেতা জামাল একমাত্র মেয়েকে বাঁচাতে সাহায্যের আশায় ধরনা দিচ্ছে বিভিন্ন মহলে।

সাদিয়ার বাবা জামাল মোল্লা বলেন, দ্বিতীয় সন্তান জন্মের পর হঠাৎ সাদিয়ার সারা শরীর ফুলে যায়। তখন তার স্বামী খুলনায় আড়াই শ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করে। তখন চিকিৎসকেরা জানায় সাদিয়ার কিডনিতে সমস্যা রয়েছে, উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিতে হবে। তখন ঢাকায় জাতীয় কিডনি ইনস্টিটিউটে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা জানায় সাদিয়ার একটি কিডনি পুরোপুরি নষ্ট ও আরেকটি ৫০ শতাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। পুনরায় কিডনি স্থাপন করতে ১৭ লাখ টাকার প্রয়োজন।

জামাল মোল্লা বলেন, এ কথা সাদিয়ার স্বামী রমজান জানার পর ১ বছর আগে ২ সন্তানসহ তাকে আমার বাড়িতে রেখে যায়। তারপর স্ত্রী সন্তানের আর কোন খোঁজ খবর নেয়নি রমজান। সঞ্চিত অর্থ ও ধার দেনা করে এতদিন মেয়ের চিকিৎসা চালিয়ে আসছি। এখন শুধুমাত্র ভিটে বাড়ি ছাড়া আর কিছুই নেই। আর টাকার অভাবে বর্তমানে সাদিয়ার চিকিৎসা বন্ধ রয়েছে ।

বাবা জামাল মোল্লা আরও বলেন, ইতিমধ্যে সাদিয়ার ডান পাশের কিডনি কেটে ফেলে দেয়া হয়েছে। আর বাম পাশের কিডনি ৫০ শতাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়াও প্রসাবের থলি ফুলে অনেক বড় হয়ে গেছে। সাদিয়ার অবস্থা ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে। এ অবস্থায় সাদিয়ার চিকিৎসা করানো আমার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আমার একমাত্র মেয়েটি বাড়িতেই মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। তাই বিত্তবান, প্রবাসীসহ স্বহৃদয়বান ব্যক্তিদের কাছে আমার আকুল আবেদন আমার মেয়েকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন।

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা ইসলামী ব্যাংকের হিসাব নং ২০৫০৪০০০২০০৪৯১২০৮ (সাদিয়ার মা খাদিজা বেগম) ও সাদিয়ার বাবা জামাল মোল্লার বিকাশ নাম্বারে ০১৯৭৯-১৪১৩০০ পাঠাতে পারেন।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জসিম উদ্দিন বলেন, চিকিৎসকরা তার কিডনি প্রতিস্থাপনের পরামর্শ দিয়েছে। কিডিনি প্রতিস্থাপন করা হলে সাদিয়ার জীবন রক্ষা পাবে।

এবিষয়ে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মঈনুল হক বলেন, আপনাদের (সাংবাদিক) মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারলাম। উপজেলা প্রশাসন থেকে তাদের যথাসম্ভব সাহায্য করা হবে।

ফারহান লাবিব, টুঙ্গিপাড়া (গোপালগঞ্জ)

নিউজ ট্যাগ: টুঙ্গিপাড়া

আরও খবর