আজঃ রবিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩
শিরোনাম

দিনে কতটুকু পানি পান করবেন?

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

কখনও কি ভেবে দেখেছেন যে কেন আমাদের নিয়মিত হাইড্রেটেড থাকার কথা মনে করিয়ে দেওয়া হয়, এমনকি যখন আমরা তেমন তৃষ্ণার্ত থাকি না তখনও? আমাদের শরীর ঘাম এবং প্রস্রাবের মতো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্রমাগত পানি হারায়। এছাড়াও পানি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক ক্রিয়াকলাপে ভূমিকা পালন করে। যেমন ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর করা, হজমে সহায়তা করা, আমাদের কোষে পুষ্টি পরিবহন করা, কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করা এবং ইলেক্ট্রোলাইটের সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখা। সুতরাং, এটি স্পষ্ট যে আমাদের প্রচুর পরিমাণে পানি পান করে পানির ঘাটতি পূরণ করতে হবে, কিন্তু কতটা?

আট-গ্লাস পানির নিয়ম

প্রতিদিন আট গ্লাস পানি পান করার পরামর্শ আপনিও নিশ্চয়ই শুনেছেন? কিন্তু সবার জন্যই কি এক নিয়ম হতে পারে? আপনার প্রয়োজনীয় পানির আদর্শ পরিমাণ আপনার জীবনধারা, লিঙ্গ, বয়স, কার্যকলাপের স্তর এবং অন্যান্য বিষয়ের ওপর নির্ভর করতে পারে। আপনার দিনে কতটুকু পানি পান করা প্রয়োজন তা নির্ধারণ করার জন্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিলে সবচেয়ে ভালো হয়। আপনি যদি দিনের বেশিরভাগ সময়ই বসে থাকেন, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে কাজ করেন এবং বেশি না ঘামেন, তাহলে প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই লিটার পানি পান করাই যথেষ্ট। এর চেয়ে বেশি পান করলে অতিরিক্ত হাইড্রেশন হতে পারে। 

আরও পড়ুন>> ইতিহাসে আজকের এই দিনে

পুষ্টিবিদরা পানির ঘাটতি পূরণের জন্য প্রতিদিন ২.৫ লিটার পান করার পরামর্শ দেন। ডিহাইড্রেশন গুরুতর মাথাব্যথা এবং মেজাজ পরিবর্তনের মতো সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। পর্যাপ্ত পানি পান না করার কারণে এমনটা ঘটতে পারে। যারা বেশি পরিশ্রম করেন যেমন ক্রীড়াবিদ বা রিকশাচালক, তাদের ঘামের মাধ্যমে পানি বেরিয়ে যাওয়ার কারণে আরও বেশি পানির প্রয়োজন হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আট গ্লাস পানি পানের নিয়ম বা সকালে চার গ্লাস পান করার শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। এর পরিবর্তে প্রতি কিলোগ্রাম শরীরের ওজনের জন্য ৩৫ মিলি পানি পান করার পরামর্শ দেন তারা।

কখন পানি পান করবেন

মর্নিং হাইড্রেশন: ঘুম থেকে ওঠার পর সকালে পানি পান করলে তা অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোকে সক্রিয় করতে এবং শরীরকে পুরো দিনের জন্য প্রস্তুত করতে সহায়তা করে।

পোস্ট-ওয়ার্কআউট: ব্যায়াম করার পরে হাইড্রেটিং হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং পুনরুদ্ধারে সহায়তা করে।

খাবারের আগে: খাবারের আধা ঘণ্টা আগে পানি পান করলে হজমশক্তি ভালো হয় এবং অতিরিক্ত খাওয়া রোধ হয়।

খাওয়ার পরে: একই নিয়ম প্রযোজ্য। খাবার হজম করার জন্য আপনার শরীরকে আধা ঘণ্টা সময় দেওয়া উচিত এবং তারপরে পানি পান করা উচিত।

স্বাস্থ্য সমস্যা: শরীরে পানির ঘাটতি হলে তা নানাভাবে প্রকাশ পায়। প্রস্রাবের গাঢ় হলুদ রং ডিহাইড্রেশন নির্দেশ করতে পারে। শুকনো ফাটা ঠোঁট ডিহাইড্রেটেড শরীরের অন্যতম লক্ষণ। এই পরিস্থিতিতে আরও পানি পান করার চেষ্টা করুন।

অসুস্থ বোধ করলে: শরীরের কার্যকারিতা বাড়াতে এবং দ্রুত সেরে ওঠার জন্য অসুস্থ হলে সঠিক হাইড্রেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ক্লান্ত বোধ করলে: ক্লান্ত হয়ে পড়লে পানি পান করুন। এটি আপনার সিস্টেমকে পুনরায় শক্তি জোগাতে সাহায্য করতে পারে এবং একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বুস্ট প্রদান করতে পারে।

যেভাবে পানি পান করবেন

* বসে পানি পান করুন। দাঁড়িয়ে পানি পান করলে শরীরের তরল পদার্থের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। আপনি যদি বসে পান করেন তবে আপনার পেশীগুলো আরও ভালো উপায়ে উপকার পায় এবং তা আরও শিথিল হয়।

* এক নিঃশ্বাসে অনেকটা পানি পান করবেন না। স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নেওয়ার সময় ধীরে ধীরে পানিতে চুমুক দেওয়া ভালো।

*ঠাণ্ডা পানির বদলে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি পান করুন। ঠাণ্ডা পানি হজমের জন্য ভালো নয়। গরমের দিনে স্বাভাবিক তাপমাত্রা বা মাঝারি ঠাণ্ডা পানি পান করুন। হালকা গরম পানি আরও ভালো কারণ এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

নিউজ ট্যাগ: পানি পান

আরও খবর



দলীয় কাজে সরকারি সুবিধা নিচ্ছেন না শেখ হাসিনা

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আওয়ামী লীগের বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ কার্যালয়ে শনিবার (১৮ নভেম্বর) সকাল ১০টায় ব্যক্তিগত গাড়িতে আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম বিক্রির দলীয় কর্মসূচি উদ্বোধন করে প্রথম ফরমটি তিনিই কিনলেন। ফরম বিক্রির কর্মীরা জানান, আপাতত তিনি ফরম নিয়েছেন, গোপালগঞ্জ-৩ আসনের জন্যে। প্রধানমন্ত্রীর এর পরের কর্মসূচি ছিল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত। এই কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে যান সরকারি গাড়িতে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় কাজ ছাড়া কোন সরকারি সুবিধা নিচ্ছেন না।

শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) বিকাল ৩টায় আওয়ামী লীগের তেজগাঁও কার্যালয়ে ছিল দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভা। তফসিল ঘোষণার পর দলের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ এই সভায় সভাপতিত্ব করেন শেখ হাসিনা। এখানেও প্রধানমন্ত্রী আসেন ব্যক্তিগত গাড়িতে। নির্বাচনের খুটিঁনাটি নানা বিষয় নিয়ে তিনি টানা বক্তৃতা করেন কিন্ত সরকারি টেলিভিশন বিটিভি কোন লাইভ সম্প্রচার করেনি। বিটিভির প্রতিবেদক জিহাদুর রহমান জিহাদ জানান, তফসিল ঘোষণার পর প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সংগ্রহ নিয়ে বিটিভির কিছু পরিবর্তন এসেছে। প্রধানমন্ত্রীর যেকোন কার্যক্রম অন্য গণমাধ্যম যেমন কাভার করে, তারাও সেভাবে করবে। এখানে সরকার প্রধান হিসাবে আলাদা কোন কাভারেজ তিনি পাবেন না। এটা আসলে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। 

আরও পড়ুন>> নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করলে পরিণতি ভালো হবে না: প্রধানমন্ত্রী

এর আগে গত ৩১ অক্টোবর গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, আরপিও অনুযায়ী নির্বাচনের তফসিল হবে। তারপর থেকে কোনো মন্ত্রী ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারবেন না। সুযোগ-সুবিধাও পাবে না। কিন্তু সরকারি ওয়ার্ক চলবে। তিনি জানান, প্রার্থী হওয়ার পর, গণভবনে কোন কনফারেন্স তিনি করবেন না। তখন কোন সংবাদ সম্মেলন করতে হলে, আওয়ামী লীগের আলাদা কোন অফিসে করা হবে। তিনি আরও বলেন, তফসিলের পর থেকে ভোটের ফলাফলের সরকারি গেজেটে প্রকাশ হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন-পূর্ব সময়। এই সময়ে যে সরকার থাকবে তাদের কার্যক্রমে বেশ কিছু পরিবর্তন আসবে এবং ক্ষমতাও অনেক কমে আসবে। নির্বাচন-পূর্ব সময়ে সরকার কোনো নীতি-নির্ধারণী সিদ্ধান্ত নেবে না। একই সঙ্গে নতুন কোনো উন্নয়ন প্রকল্পও গ্রহণ করবে না। সরকারের যেসব মন্ত্রী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হবেন, তাদের সুযোগ-সুবিধা কমে আসবে। বিশেষ করে নির্বাচনী প্রচারের তারা কোনো প্রোটোকল পাবেন না। তিনি আরও বলেন, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও কানাডার মতো সংসদীয় গণতন্ত্রের দেশে যেভাবে নির্বাচনকালীন সরকার থাকে, সেভাবে চলবে। অর্থাৎ নির্বাচনকালীন সরকার হিসেবে রুটিন ওয়ার্ক পালন করব, যেন সরকার অচল হয়ে না যায়।

এরই মধ্যে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, যেহেতু তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার এখন থেকে রুটিন কাজ করে যাবে। নির্বাচনকালীন যে সরকার থাকে তারা পলিসি ডিসিশন নেয় না, যেন একটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকে। তারা এমন কিছু করবে না, যা জনগণ সরকারকে ভোট দিতে আকৃষ্ট করে। তিনি সংবিধানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর ৫(২) অনুচ্ছেদে বলা আছে, নির্বাচন কমিশন যে কোনো ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় যে কোনো দায়িত্ব পালনে বা সহায়তা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবে। ৪৪(ঙ) অনুচ্ছেদ অনুসারে, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকে ফলাফল ঘোষণার পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি ছাড়া বিভাগীয় কমিশনার, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, ডেপুটি কমিশনার, পুলিশ সুপার এবং তাদের অধস্তন কর্মকর্তাকে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া বদলি করা যাবে না। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনবোধে যে কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বদলির ব্যবস্থা নিতে পারবে। নির্বাচন কমিশন এ সময় নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১ প্রয়োগ করতে পারবে।


আরও খবর



৩৩ ঘণ্টায় ১৮ যানবাহনে আগুন

প্রকাশিত:সোমবার ২০ নভেম্বর ২০23 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ নভেম্বর ২০23 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রোববার (১৯ নভেম্বর) থেকে সোমবার (২০ নভেম্বর) সকাল ৯টা পর্যন্ত ১৮টি যানবাহনে আগুন দেওয়ার সংবাদ পেয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

সোমবার (২০ নভেম্বর) সকালে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, রোববার থেকে সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ১৬টি আগুন লাগার সংবাদ পেয়েছে ফায়ার সার্ভিস। এ ঘটনায় ১৮টি যানবাহনে আগুনের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ঢাকা সিটিতে তিনটি, ঢাকা বিভাগ একটি, রাজশাহী বিভাগে (নাটোর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ) সাতটি, চট্টগ্রাম বিভাগে (ফেনী, মিরসরাই, সাতকানিয়া) চারটি, ময়মনসিংহ বিভাগে (জামালপুর) একটি ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় ৯টি বাস, একটি কাভার্ড ভ্যান, ৬টি ট্রাক, একটি সিএনজি, একটি ট্রেন (৩ বগি) পুড়ে যায়।


আরও খবর



আমন ধানের দামে স্বস্তিতে বগুড়ার চাষিরা

প্রকাশিত:বুধবার ২২ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
বগুড়া প্রতিনিধি

Image

বগুড়ায় চলতি রোপা আমন মৌসুমে ধানের ভালো ফলন উঠছে কৃষকের ঘরে। প্রত্যাশিত ফলনের সাথে ভালো দামে স্বস্তিতে বগুড়ার আমন চাষিরা। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যও বলছে, চলতি মৌসুমে আমনের ফলন প্রত্যাশিত ভাবেই পাওয়া যাচ্ছে। এ পর্যন্ত বগুড়ার মাঠে থাকা ৩৩ শতাংশ জমির ধান কাটা হয়েছে।

এখন পর্যন্ত হেক্টর প্রতি ৩.৩ মেট্রিকটন ফলন পাওয়া গেছে। সেই হিসেবে বগুড়ায় এবার আমন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভবনা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। বগুড়া সদর উপজেলার শ্যামবাড়িয়া এলাকার কৃষক এরশাদ হোসেন বলেন, জমি প্রস্তুত, চারা, সার-কীটনাশক, শ্রমিক খরচসহ একবিঘায় ধান উৎপাদনের খরচ হয়েছে ৬ হাজার টাকার কিছু বেশি।

এবার জমি থেকেই একবিঘা জমির খড় বিক্রি করেছি ৫ হাজার টাকা। প্রায় ১৫ মণের মতো ধান পাওয়ার আশা করছি। রঞ্জিত জাতের এই ধান ১১শ টাকা মণ ধরে বিক্রি করলেও ১৬ থেকে ১৭ হাজার টাকার মতো লাভ থাকবে।

কৃষক আব্দুর রহমান বলেন, শুরুর দিকে বৃষ্টির পানি নিয়ে শঙ্কা থাকলেও পরে যে পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে তাতে ফলন ভালো হয়েছে। এমনকি এবার কোন প্রাকৃতিল দুর্যোগ না থাকায় ভালো ভাবেই ধান ঘরে তোলা যাচ্ছে।

এই এলাকায় বিঘা প্রতি ১৩ থেকে ১৫ মণ পর্যন্ত ফলন পাওয়া যাচ্ছে। ধান উৎপাদনের খরচ বেড়েছে, তবে খড়ের বাড়তি দামের কারণে ভালোই লাভ হবে বলে মনে হচ্ছে।

আরেক কৃষক আব্দুল হক বলেন, ধান রোপণের শুরুতে প্রত্যাশিত বৃষ্টি নিয়ে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয়। তারপরে ধান চাষের জন্য প্রয়োজনীয় বৃষ্টি ও আবহাওয়া ছিল অনুকূলে ফলে ফলন ভালো হয়েছে, এখন বাজারে ধানের যে দাম তাতে ভালো ফলনে স্বস্তিতেই থাকা যাচ্ছে।

স্থানীয় হাট-বাজারে খবর নিয়ে জানা গেছে, মামুন জাতের নতুন ধান ১১৩০ থেকে ১১৪০ টাকা মণ, নতুন স্বর্ণা ১১৪০ থেকে ১১৭০, বিআর-৪৯ ধান ১১৮০ থেকে ১২শ টাকা, রঞ্জিত ১১শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও মোটা জাতের সর্বনিম্ন ধানের মণ ১০৫০ টাকা বলে জানা গেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বগুড়া সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ায় চলতি রোপা আমন মৌসুমে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫১০ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়, যা গত বছরের চেয়ে ৩৫ হেক্টর বেশি। গত বছর চাষ হয় ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪৭৫ হেক্টর। গত বছর চালের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ লাখ ৫১ হাজার ৮১৩ মেট্রিকটন, চলতি মৌসুমে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৪৭ হাজার ৩২১ মেট্রিকটন বেশি ধরে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৯৯ হাজার ১৩৪ মেট্রিকটন।

এখন পর্যন্ত ৬০ হাজার ৮শ হেক্টর অর্থাৎ ৩৩ শতাংশ জমির ধান কাটা হয়েছে। হেক্টর প্রতি ফলন পাওয়া গেছে ৩.৩ মেট্রিকটন। এই কার্যালয়ের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা ফরিদুর রহমান জানান, বগুড়ার চাষ হওয়া রোপাআমন ধানের বেশিরভাগই উচ্চ ফলনশীল এবং হাইব্রিড জাতের। এছাড়াও স্থানীয় ও সুগন্ধি জাতের ধানও রয়েছে। তিনি আরও বলেন, শুরুতে বৃষ্টির পানি নিয়ে শঙ্কা থাকলেও পরের আবহাওয়া ছিল আমন চাষের অনুকূলে, চলতি বছর কোন দুর্যোগ না থাকায় কৃষকরা স্বস্তিতে ঘরে ধান তুলতে পারছেন।

নিউজ ট্যাগ: বগুড়া আমন ধান

আরও খবর



বিয়ের পরদিনই পরমব্রতের স্ত্রীর অস্ত্রোপচার

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে গত সোমবার (২৭ নভেম্বর) রেজিস্ট্রি করে বিয়ে সেরেছেন সংগীতশিল্পী পিয়া চক্রবর্তী। বিয়ের রাত পার না হতেই কিডনিতে পাথর সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ছুটতে হয়েছে এ সংগীতশিল্পীকে।

দীর্ঘদিন ধরেই কিডনিতে পাথর সমস্যায় ভুগছিলেন পিয়া। মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) চিকিৎসকের পরামর্শ মতে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। সেখানেই তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে তার অস্ত্রোপচার শুরু হয়। ঘণ্টাখানেক ধরে চলা অস্ত্রোপচার শেষ হয় রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ। অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে এবং পিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল আছে বলে সূত্রের বরাতে এমন খবর জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার। 

আরও পড়ুন>> বলিউডের রাখির নায়ক হিরো আলম, প্রযোজক আরাভ খান

সংবাদমাধ্যটি জানিয়েছে, হঠাৎ করেই পিয়ার কোমর ও পিঠে যন্ত্রণা শুরু হয়। পরে মঙ্গলবার দুপুরেই পশ্চিমবঙ্গের ঢাকুরিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় তাকে। দেরি না করে বিয়ের পর দিনই তাই অস্ত্রোপচার করানোর সিদ্ধান্ত নেন তার পরিবার।

তবে এ সংগীতশিল্পীর পুরোপুরি সুস্থ হতে ঠিক কত দিন লাগবে, তা এখনও জানা যায়নি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমটি আরও জানিয়েছে, আজ বুধবার চিকিৎসক এসে তার শারীরিক পরিস্থিতি দেখে ঠিক করবেন কবে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরবেন পিয়া।


আরও খবর



নেত্রী সারাদিন, এমনকি রাতেরও বেশি সময় দেশ নিয়ে ভাবেন : কাদের

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০৬ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বিশ্বে যুদ্ধাবস্থা থাকায় দেশের মানুষ কিছুটা কষ্ট পাচ্ছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কীভাবে মানুষ দুর্দশা কাটিয়ে উঠতে পারে, সেটা নিয়ে ভাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সারাদিন, এমনকি রাতেও দেশের জনগণের কথা ভাবেন তিনি। সোমবার (৬ নভেম্বর) ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

দেশে একটা সংকট চলছে জানিয়ে কাদের বলেন, আমরা একটা চ্যালেঞ্জিং সময় অতিক্রম করছি। সারা বিশ্বে যুদ্ধাবস্থা থাকায় জিনিসপত্র, জ্বালানির দাম বেড়েছে। আমরা অপরাধ না করেও যুদ্ধাবস্থা থাকায় কষ্ট পাচ্ছি। আমরা একটু বিপদে আছি, গ্রামের মানুষ, খেটে খাওয়া মানুষ কষ্ট পাচ্ছে।

আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, আমাদের নেত্রী সারাদিন, এমনকি রাতেরও বেশি সময় দেশ নিয়ে ভাবেন। কীভাবে মানুষ দুর্দশা কাটিয়ে উঠতে পারে সেটাই তার চিন্তা। মাঝে মাঝে বিদেশে যাচ্ছেন, যাতে কিছু সহযোগিতা পাওয়া যায়।

সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এ দুঃসময়ে মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে এসেছে একটি রাজনৈতিক দল, যাদের ন্যূনতম দেশপ্রেম নেই। সাজাপ্রাপ্ত আসামি দল চালাচ্ছে। সে দেশে আসতে পারে না। কিন্তু রিমোট কন্ট্রোল দিয়ে দল চালাচ্ছে।

বিএনপি একটা প্রতারক দল। প্রতারণারও একটা সীমা আছে। কোথাকার কোন মিয়া আরেফি তার সঙ্গে সারওয়ার্দী! উল্লাপাড়ার এক পাগলকে ধরে এনে বাইডেনের দোস্ত বানিয়েছে বিএনপি, যোগ করেন কাদের। 

আরও পড়ুন>> এবারও সিলেট থেকে নির্বাচনি প্রচারে নামছেন শেখ হাসিনা

আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি আবার জ্বালাও-পোড়াও শুরু করেছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ২৮ অক্টোবর বিএনপি ব্যর্থ। ফখরুল দৌড়াতে দৌড়াতে মঞ্চ থেকে একবার নামে, একবার ওঠে। শেষ পর্যন্ত হ্যান্ডমাইক দিয়ে হরতাল ঘোষণা করতে হলো। ওই আন্দোলনে যে পরিমাণ সাংবাদিক আহত হয়েছেন, আমাদের দেশের ইতিহাসে কোনো আন্দোলনে এত সাংবাদিক আহত হননি। এটা কী আন্দোলনের মধ্যে পড়ে। তাদের হাতে মুক্তিযুদ্ধ নিরাপদ নয়, বাংলাদেশের মানুষ নিরাপদ নয়।

বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বক্তব্যে তথ্যের ঘাটতি আছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা তাদের নিন্দা করতে চাই না। তথ্য ঘাটতির কারণেই তারা যথাযথ বক্তব্য দিতে পারেননি। ইইউ খোঁজখবর নিয়ে তাদের বক্তব্য সংশোধন করবে বলে আশা করি।

প্রধানমন্ত্রী সিলেট থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন জানিয়ে ওবায়দুল কাদের সবাইকে সেখানে দলে দলে যোগ দেয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আমরা নির্বাচনে জিতব। দু-চারটা চোরাগুপ্ত হামলায় আমাদের ভয় পেলে চলবে না। জনগণকে বলব, দু-চারটা হামলা দিয়ে আন্দোলন হয় না।

পুলিশকে সতর্ক থাকতে হবে। অপরাধীদের শায়েস্তা করতে নিরীহ মানুষকে গ্রেফতার করা যাবে না। আন্দোলনের নামে সব অপতৎপরতা আমরা প্রতিহত করব, যোগ করেন ওবায়দুল কাদের। 

আরও পড়ুন>> অবরোধের দ্বিতীয় দিনে পরিস্থিতি স্বাভাবিক, সতর্ক পুলিশ

গাজায় যেই তাণ্ডব চলছে, তা নিয়ে একটা কথাও বলেছে না বিএনপি-জামায়াত। তাদেরতো রাজনৈতিক আদর্শই মনে করা হয় ধর্মীয়! কিন্তু গাজায় মুসলমানরা যখন নিপীড়িত হচ্ছে, তারা প্রতিবাদ করেননি। এ অন্যায়ের প্রতিবাদ একমাত্র শেখ হাসিনা করেছেন। বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতা চায়, কিন্তু তারা মানবতা চায় না।


আরও খবর