আজঃ শুক্রবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটে ৯০ শতাংশই ফেল

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৯০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন।  এ পরীক্ষায় পাসের হার ৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

বুধবার ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রশাসনিক ভবনের অধ্যাপক আবদুল মতিন ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে আনুষ্ঠানিকভাবে ভর্তি পরীক্ষার এ ফল ঘোষণা করেন।

ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২৩ অক্টোবর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের  ইউনিটে আসন সংখ্যা ১৫৭০ (বিজ্ঞান: ১১১৭, ব্যবসায় শিক্ষা: ৪০০, মানবিক: ৫৩)।  আবেদন করেছিলেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৮১ জন।  এরমধ্যে ৮১,০০৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন।

ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ৭৯৯৪ জন।  এর মধ্যে বিজ্ঞানে ৬০৭১, ব্যবসায় শিক্ষায় ১৪৮৯ এবং মানবিক বিভাগে ৪৩৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। উত্তীর্ণের হার ৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ শিক্ষার্থী। আর ফেল করেছেন ৯০ দশমিক ১৩ শতাংশ শিক্ষার্থী।


আরও খবর
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু আজ

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1




দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের

এক লাখ মামলার জালে সরকার

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | ৪০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সরকারের মাথার ওপর বছরের পর বছর ঝুলছে প্রায় এক লাখ (৯৪ হাজার ১৫০) মামলা। এসব মামলায় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী বিষয়ের সঙ্গে রাষ্ট্রের কয়েক হাজার কোটি টাকার স্বার্থ জড়িত। রাষ্ট্রপক্ষের সক্রিয় উদ্যোগের অভাবে মামলাগুলো সহজেই নিষ্পত্তি হচ্ছে না। এতে সুযোগ নিচ্ছে অনেক স্বার্থান্বেষী মহল। শুধু তাই নয়, অর্থসংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষের আইন কর্মকর্তারাও বিরোধী পক্ষকে সহযোগিতা করছেন-এমন অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

এসব চক্র ভেঙে মামলা পরিচালনার যাবতীয় কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসাবে ইতোমধ্যেই মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের আন্তঃমন্ত্রণালয়ের কমিটি কাজ শুরু করেছে। কমিটির প্রথম বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব সব মামলার তথ্য একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবস্থাপনার নির্দেশ দিয়েছেন। এটি তৈরির প্রাথমিক কাজ চলছে। এতে প্রত্যেকটি মামলার প্রথমে থেকে সর্বশেষ সব তথ্য-উপাত্ত সংযোজন করা হবে। সংশ্লিষ্ট মামলা নিয়ে আইন কর্মকর্তারা আপডেট থাকবেন। ফলে কেউ তথ্য গোপন করে আদালতকে বিভ্রান্ত করতে পারবে না।

সূত্র জানায়, সরকারের সব মন্ত্রণালয়-বিভাগ এবং ৬৪টি জেলার মামলা সম্পর্কিত সব তথ্য এখন মন্ত্রিপরিষদের হাতে। এর আগে সরকারি মামলা নিয়ে এত বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। গত বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে ৮ সচিবের উচ্চ পর্যায়ের একটি বৈঠক সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ৯৪ হাজার ১৫০টি অনিষ্পন্ন মামলার তথ্য উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে প্রায় দুই হাজার মামলাকে অতি গুরুত্বপূর্ণ মামলা হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ মামলা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কয়েকটি মানদণ্ড ঠিক করা হয়েছে। এর মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ মামলার তালিকায় রয়েছে-আইন, অধ্যাদেশ, রাষ্ট্রপতির আদেশ, বিধি, প্রবিধি এবং সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পরিপত্র ও নীতিমালাকে চ্যালেঞ্জ। আরও আছে-ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক অবস্থানগত গুরুত্ব বিবেচনার সরকারি সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা। জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প, সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্প, কেপিআই সংক্রান্ত মামলা। গণমাধ্যমে বহুল আলোচিত মামলাগুলোকেও অতি গুরুত্বপূর্ণ তালিকার মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

অন্যদিকে ক্রয়, ইজারা, লিজ, নিলাম, ক্ষতিপূরণ, বকেয়া ও আর্থিক দাবি সংক্রান্ত মামলাগুলো সাধারণ তালিকায় থাকছে। তবে এগুলোর মধ্যে বিপুল আর্থিক মূল্য আছে-এমন মামলাকে গুরুত্বপূর্ণ তালিকায় রাখা হচ্ছে। এছাড়া চাকরি সংক্রান্ত ব্যক্তিগত প্রতিকার, উন্নয়ন প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তর বিষয়ক মামলাগুলোকেও সাধারণ তালিকায় রাখা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ১৬ হাজার ৭৩টি মামলার বেড়াজালে আছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ। অন্যদিকে মাত্র ২টি মামলা নিয়ে সর্বনিম্নে রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ। আর এক হাজারের বেশি মামলা আছে এমন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সংখ্যা ১৬টি। এর মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের মামলা ১১ হাজার ৪০৫টি, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ১১ হাজার ৩৮৬টি, জননিরাপত্তা বিভাগের ৫ হাজার ৩৮টি, অর্থ বিভাগের পাঁচ হাজার ১০টি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৪ হাজার ৬০৩টি। এর বাইরেও হাজারের বেশি মামলা থাকা দপ্তরগুলোর মধ্যে রয়েছে, রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার, দুর্নীতি দমন কমিশন, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, খাদ্য মন্ত্রণালয় ও কৃষি মন্ত্রণালয়।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, এতদিন সরকার সংশ্লিষ্ট মামলা ব্যবস্থাপনায় কেন্দ্রীয় কোনো উদ্যোগ ছিল না। মন্ত্রণালয়গুলো নিজস্ব উদ্যোগে মামলা পরিচালনা করে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মামলা সংক্রান্ত জ্ঞানের অভাব, অবহেলা এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে মামলার বিপক্ষ পার্টির কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে কেউ কেউ সরকারকে মামলায় হারিয়ে দেওয়ার মতো কাজ করছেন বলে অভিযোগ আছে। তাই মামলা সংক্রান্ত অব্যবস্থাপনা দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ এই উদ্যোগ নিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আইন অনুবিভাগ। অন্যদিকে আইন মন্ত্রণালয় থেকে প্রত্যেক মন্ত্রণালয় ও বিভাগে মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে ফোকাল পয়েন্ট অফিসার ঠিক করে দেওয়া হবে। যিনি ওই মন্ত্রণালয়ের মামলা সংক্রান্ত সব কাজে সহযোগিতা করবেন। অন্যদিকে সলিসিটর উইংয়ে একেকজন অফিসারকে কয়েকটি করে জেলার দায়িত্ব দেওয়া হবে। যাতে মাঠ প্রশাসন থেকে আসা মামলার বিষয়গুলো দ্রুত নিষ্পত্তি হয়। অভিযোগ আছে সরকারি স্বার্থসংশ্লিষ্ট অনেক গুরুত্বপূর্ণ মামলার তথ্য সলিসিটর উইং থেকে উধাও হয়ে যায়।

আরও জানা গেছে, মামলার তথ্য পাওয়ার প্রক্রিয়াটিও অনেক কঠিন ছিল। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে আইন অনুবিভাগকে অগুরুত্বপূর্ণ করে রাখা হয়েছে। এই জায়গায় কাজ করা বেশির ভাগ অফিসারই ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করেন না। অনেকে মামলা সংক্রান্ত কাজের প্রক্রিয়াও বোঝেন না। এ কারণে তথ্য পেতে সমস্যা হয়েছে। অবশেষে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আইন অনুবিভাগ তালিকা তৈরি করেছে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এক হাজার ৯৯৭টি মামলাকে চিহ্নিত করে বিশেষ উদ্যোগের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। গত বছর আগস্টে এ সংক্রান্ত উদ্যোগ প্রথম নেওয়া হয়েছিল। করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে তখন আর এগোয়নি।

জানা গেছে, পুরোনো অনেক মামলায় নতুন দায়িত্ব নেওয়া অফিসারদের বিব্রত হতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে সরকারি পক্ষের সঠিক উদ্যোগের অভাবে মন্ত্রণালয়ের সচিবদের আদালত অবমাননার মুখে পড়তে হয়। এগুলোর মূল কারণ মামলা সংক্রান্ত তথ্য ঠিকভাবে আদালতে না যাওয়া। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এই উদ্যোগটিতে সফটওয়্যারের মাধ্যমে মামলার হালনাগাদ তথ্য জানা থাকলে এসব ঘটনা ঘটবে না বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত সরকারের উচ্চ পর্যায়ের ওই বৈঠকে কমিটির বেশির ভাগ সদস্য উপস্থিত থাকলেও অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন না। অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস থেকে কোনো প্রতিনিধি পাঠানো হয়নি। সরকারের স্বার্থসংশ্লিষ্ট মামলা নিষ্পত্তির জন্য অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। বৈঠকে এই অফিসের প্রতিনিধি না থাকায় বৈঠকে সংশ্লিষ্টরা হতাশা প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, অ্যাটর্নি জেনারেল সরকারের প্রতিনিধি। তিনি বা তার অফিসের কোনো প্রতিনিধি বৈঠকে উপস্থিত থাকলে মামলা সংক্রান্ত কার্যক্রম নিষ্পত্তি বেগবান হতো।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি স্বার্থসংশ্লিষ্ট মামলায় সরকার পক্ষে যারা আইনজীবী থাকেন তারা সামান্য সম্মানী পান। অন্যদিকে সরকারের বিপক্ষ পার্টি বিপুল টাকা বিনিয়োগ করেন। ফলে অনেক মামলায় সরকার পক্ষের আইনজীবী, অনেক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অফিসের কেউ কেউ ম্যানেজ হয়ে যান। ফলে জনস্বার্থ রক্ষা পায় না। তাই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এ উদ্যোগটি সফল হলে এ ধরনের চাতুরতা ধরা পড়বে। অন্যদিকে সরকার পক্ষের আইনজীবীদের সম্মানী বাড়ানোর বিষয়েও মত দেন বৈঠকে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা।

নিউজ ট্যাগ: মামলার রায়

আরও খবর



জবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | ৩৬৫জন দেখেছেন

Image

জবি প্রতিনিধি:

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৩০৮ ভোট পেয়ে সভাপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এরপর বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে আনুষাঙ্গিকভাবে নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি-২০২২ দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন।

নির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন জামালপুর জেলা সদরের ঐতিহ্যবাহী পাথালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে এমএসএস -এ প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান ও বি.এস.এস. (সম্মান) প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন। তিনি কানাডার কালর্টন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স অব সোশ্যাল ওয়ার্ক (এম.এস.ডব্লিউ) এবং উইলফ্রিড লরিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচ.ডি ডিগ্রী সম্পন্ন করেন। পিএইচডি গবেষণার জন্য তিনি IDRC (International Development Research Centre, Canada) থেকে মর্যাদাপূর্ণ Doctoral Research Award লাভ করেন।

এছাড়াও তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর সোশ্যাল সায়েন্স রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং এর পরিচালক হিসেবে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় থেকে গবেষণা মুঞ্জরিপ্রাপ্ত হয়ে 'জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ড পরবর্তী সশস্ত্র প্রতিবাদকারী যোদ্ধাগণের বর্তমান অবস্থা' শীর্ষক প্রকল্পের গবেষণা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে ১৯৯০ সালে কবি জসীম উদ্দিন হল সংসদে ছাত্রলীগ থেকে শফি-হায়দার প্যানেলে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করেন।

তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নীলদল থেকে মনোনীত হয়ে ২০১৪-১৫ সেশনে শিক্ষক সমিতির নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি নীলদলের কার্যনিবার্হী পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন এশিয়াটিক সোসাইটি, বাংলা একাডেমি ও বাংলাদেশ ইতিহাস সম্মিলনীর সদস্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্টার্ড গ্রাজুয়েট, ঢাকাস্থ জামালপুর সমিতির আজীবন সদস্য হিসেবে কাজ করছেন।


আরও খবর
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু আজ

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1




‘হাফ ভাড়া’র দাবিতে সায়েন্সল্যাবে সড়ক অবরোধ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | ১২৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সারাদেশের সব গণপরিবহনে ‌হাফ ভাড়া কার্যকর করার দাবিতে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করে রেখেছেন শিক্ষার্থীরা। এর ফলে এ এলাকায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় সড়ক অবরোধ করেন ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা বলছেন, বাসে ‌হাফ ভাড়া বাস্তবায়ন না হওয়ায় তারা রাস্তায় নেমেছেন।

আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী রাজিব বলেন, হাফ পাসের দাবি নিয়ে আমরা কয়েকদিন ধরে আন্দোলন করছি। কিন্তু আমাদের দাবি বাস্তবায়নে কোনো পদক্ষেপ নেই।

এর আগে মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর বকশিবাজার মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি থেকে সরকারিভাবে প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষার্থীদের জন্য সারাদেশের সব গণপরিবহনে হাফ ভাড়া কার্যকর করতে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন শিক্ষার্থীরা।

অর্ধেক ভাড়ার প্রজ্ঞাপন এবং ছাত্রী ও নারীদের জন্য অবাধ ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করার দাবিতে বেলা ১১টার দিকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।

এ সময় নিজেকে সাত কলেজ আন্দোলনের ‌প্রধান সমন্বয়ক দাবি করে ইসমাঈল সম্রাট নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা চাই অতিদ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষার্থীদের জন্য সারাদেশের সব গণপরিবহনে অর্ধেক ভাড়া কার্যকর করা হোক। গণপরিবহনে লাগামহীন ভাড়া একজন শিক্ষার্থীর জন্য বোঝা।


আরও খবর



প্রতিশোধ নেওয়া হলো না ব্রাজিলের

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | ৩২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্বকাপ নিশ্চিত হয়ে গেছে। তবু যেন এই ম্যাচে তিনটি পয়েন্ট পেতেই মরিয়া ছিল ব্রাজিল। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হচ্ছে দল, এমন ম্যাচে কি জয় ছাড়া অন্য কিছু ভাবা যায়? তার ওপর গেল জুলাইয়ে তাদেরই মাঠে তাদের হারিয়ে কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতেছিল আর্জেন্টিনা। সে প্রতিশোধ নেওয়া হয়নি ব্রাজিলের। লিওনেল মেসিদের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ে বাধ্য হতে হয়েছে নেইমারহীন ব্রাজিলকে।

দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর এই লড়াইকে লাতিন আমেরিকায় ডাকায় হয় সুপারক্লাসিকো নামে। তবে এবারের ক্লাসিকোর ক্লাসিক তকমা যেন কিছুটা মলিন হয়েছিল নেইমারের অনুপস্থিতিতে। আগের দিনই চোট পান তিনি। ফলে এই ম্যাচ খেলতে আর্জেন্টিনার মাটিতে পা-ই রাখেননি পিএসজি তারকা। ব্রাজিল থেকে সরাসরি চলে গেছেন প্যারিসে।

নেইমার ছিলেন না; মাঝমাঠে যার সঙ্গে গড়ে ওঠে তার রসায়ন, সেই লুকাস পাকেতাও ছিলেন এদিন তার ছায়া হয়েই। নিষেধাজ্ঞার কারণে ছিলেন না ক্যাসেমিরো, তার বদলে দলে আসা ফ্যাবিনিও ছাপ ফেলতে পারেননি দলের মাঝমাঠে। ব্রাজিলের বলের দখলেও ছাপ পড়েছে বেশ। শুরুর দশ মিনিটে সেলেসাওরা বলের দখলেই ছিল কেবল মিনিট তিনেকের মতো সময়। পরে সেটা কাটিয়ে উঠেছে দলটি, তবে পুরো ম্যাচে বলের দখলে আর্জেন্টিনার আধিপত্যই ছিল বেশি। খেলা শেষে ৫৭ শতাংশ বলের দখল সাক্ষ্য দেয় তারই।

ওদিকে আর্জেন্টিনা নিজেদের চিরচেনা ৪-৩-৩ ছকে বলের দখল উপভোগ করেছে বেশ। চোট মাঝমাঠে ফিরেছেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস, মেসিও ফিরেছিলেন শুরুর একাদশে। তবে সুযোগটা পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারেনি আলবিসেলেস্তেরা। ম্যাচের অর্ধেকেরও বেশি সময় বলের দখল নিয়েও যে গোলের দেখা পায়নি দলটি!

তবে ব্রাজিল দলে নেইমার না থাকলেও অন্তত আক্রমণে আর্জেন্টিনার চেয়ে পিছিয়ে ছিল না তিতের দল। আর্জেন্টিনার মতোই ৯টি শট নিয়েছে দলটি, যদিও মেসিদের চেয়ে একটি কম, দুটো শট ছিল লক্ষ্যে। ফাউলের দিক থেকে এ ম্যাচে দুই দলই লড়েছে সমানে সমানে। ২১টি করে ফাউল করেছে ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনা। তাতে একটা রেকর্ডও গড়া হয়ে গেছে দল দুটোর, কনমেবল অঞ্চলের চলতি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে এরচেয়ে বেশি ফাউল হয়নি আর কোনো ম্যাচেই।

এ তো গেল কেবল সংখ্যার খেলা, কিন্তু ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার এ দ্বৈরথ তো বিশ্বজোড়া খ্যাতি পেয়েছে ভিন্ন কারণে; দারুণ সুন্দর, আক্রমণাত্মক ফুটবলের কারণে। সে আক্রমণাত্মক ফুটবলটাই যেন দেখা গেল না ম্যাচে। দুই দলই ছিল নিজেদের ছায়া হয়ে।

প্রথমার্ধে বলার মতো আক্রমণ হয়েছে কেবল দুটো। প্রথমটা এলো ব্রাজিলের পক্ষে। মাঝমাঠ থেকে পাকেতার দারুণ এক পাস বক্সের একটু আগে খুঁজে পায় ভিনিসিয়াস জুনিয়রকে। যদিও আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে প্রায় একা পেয়ে যাওয়ার পরও বলটা লক্ষ্যেই রাখতে পারেননি রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড। বিরতির একটু আগে রদ্রিগো ডি পলের কাছে এসেছিল সুযোগ। তবে ব্রাজিল রক্ষণ সেটা সামলেছে ভালোভাবেই।

বিরতির পরও চিত্রটা বদলায়নি খুব একটা। ব্রাজিল দুটো সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি। প্রথমটা অবশ্য ভাগ্যের ফেরে, মিডফিল্ডার ফ্রেডের বক্সের বাইরে থেকে করা শট ফেরে ক্রসবারে লেগে। ৭০ মিনিটে ভিনিসিয়াস সুযোগ পেলেও তা তুলে দেন গোলরক্ষকের হাতে। আর্জেন্টিনার সুযোগটা এসেছিল ম্যাচের অন্তিম সময়ে। বক্সের একটু বাইরে ডি পলের পাস থেকে মেসির নিচু শটও রুখতে সমস্যা হয়নি ব্রাজিল গোলরক্ষক অ্যালিসনের। এর ফলে গোলহীন ড্রতেই শেষ হয় ম্যাচ।

এই ড্রয়ের ফলে সব মিলিয়ে ২৭ ম্যাচ ধরে অপরাজিত রইলো আর্জেন্টিনা। সবশেষ ২০১৯ সালের কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালে এই ব্রাজিলের কাছেই হারে স্ক্যালোনির শিষ্যরা। এরপর থেকেই হারের বিস্বাদ নেয়নি আলবিসেলেস্তেরা। ওদিকে ব্রাজিলও তাদের গোল না হজম করার পণ অক্ষত রাখল, ১৩ ম্যাচ খেলে ১০টিতেই ক্লিনশিট রেখেছে তিতের শিষ্যরা।

এই ড্রয়ের ফলে ১৩ ম্যাচ থেকে ২৯ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার দুইয়ে আছে আর্জেন্টিনা। নিজেদের পরবর্তী ম্যাচে আগামী ২৭ জানুয়ারি চিলির বিপক্ষে খেলবেন মেসিরা। আর ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপ নিশ্চিত করে ফেলা ব্রাজিল সেদিন খেলবে ইকুয়েডরের বিপক্ষে।

 


আরও খবর



শিগগিরই ঢাকা-শিলিগুড়ি ট্রেন চালু : শ্রিংলা

প্রকাশিত:সোমবার ২২ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ নভেম্বর ২০২১ | ৪৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শিগগিরই বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ির মধ্যে রেল পরিষেবা চালু হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা।

রবিবার দার্জিলিঙে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দুই শহরের মধ্যে রেল পরিষেবা চালু করার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। সে বিষয়ে শিগগিরই ঘোষণা দেওয়া হবে।

শ্রিংলা দার্জিলিঙে সমাজসেবা সংক্রান্ত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যান বলে জানায় হিন্দুস্তান টাইমস।

অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, যত দ্রুত সম্ভব রেল পরিষেবা শুরুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে হলদিবাড়ি-চিলাহাটি রেল পরিষেবা শুরু হয়ে যাওয়ায় আরও সুবিধা মিলবে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে উত্তরবঙ্গকে যুক্ত করতে এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে চলেছে। পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে প্রচুর সুবিধা হবে।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে শিলিগুড়ি এবং ঢাকার মধ্যে শুরু হবে পণ্যবাহী রেল পরিষেবা। তারপর প্যাসেঞ্জার ট্রেনের পরিষেবাও শুরু করা হবে।

শ্রিংলা বলেন, কলকাতা ও ঢাকা এবং কলকাতা ও খুলনার মধ্যে দুদেশের প্যাসেঞ্জার ট্রেনের পরিষেবা আছে। ঢাকা এবং শিলিগুড়ির মধ্যে যাত্রীবাহী ট্রেন চালু হলে প্রচুর পর্যটক আসবেন। চিকিৎসা সংক্রান্ত কারণেও অনেকে আসেন যা এই অঞ্চলের জন্য ভালো হবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১ আগস্ট থেকে চিলাহাটি থেকে হলদিবাড়ি পর্যন্ত পণ্যবাহী ট্রেনের পরিষেবা শুরু হয়। ১৯৬৫ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধের পর এই রেললাইনটি বন্ধ ছিল।


আরও খবর
দেশবাসীকে শপথ পড়াবেন প্রধানমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1

এএসপি হলেন ২২ পুলিশ কর্মকর্তা

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1