আজঃ বুধবার ২৫ মে ২০২২
শিরোনাম

ডেসটিনির রফিকুলের ১২ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৩৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মানিলন্ডারিং মামলায় ডেসটিনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমডি রফিকুল আমিনের ১২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে গ্রুপের চেয়ারম্যান সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদের ৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে গত ২৭ মার্চ আদালত রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করেছিলেন।

২০১৪ সালের ৪ মে মামলার চার্জশিট দাখিল করে দুদক। এতে ডেসটিনির গ্রাহকদের চার হাজার ১১৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে পাচারের অভিযোগ আনা হয়। চার্জশিটে কো-অপারেটিভ সোসাইটির মামলায় ৪৬ জনকে আসামি করা হয়।

তাদের মধ্যে জামিনে রয়েছেন লে. কর্নেল (অব.) মো. দিদারুল আলম, লে. জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশিদ, মিসেস জেসমিন আক্তার (মিলন), জিয়াউল হক মোল্লা ও সাইফুল ইসলাম রুবেল। কারাগারে আছেন এমডি রফিকুল আমীন ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন। অন্য ৩৯ আসামি পলাতক।

পলাতক আসামিরা হলেন- ডেসটিনির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোফরানুল হক, পরিচালক মেজবাহ উদ্দিন, ফারাহ দীবা, সাঈদ-উর-রহমান, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, জমশেদ আরা চৌধুরী, ইরফান আহমেদ, শেখ তৈয়বুর রহমান, নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস, জাকির হোসেন, জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, এসএম আহসানুল কবির, জুবায়ের হোসেন, মোসাদ্দেক আলী খান, আবদুল মান্নান, আবুল কালাম আজাদ, আজাদ রহমান, মো. আকবর হোসেন সুমন, মো. সুমন আলী খান, শিরীন আকতার, রফিকুল ইসলাম সরকার। মো. মজিবুর রহমান, ড. এম হায়দারুজ্জামান, মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, কাজী মো. ফজলুল করিম, মোল্লা আল আমীন, মো. শফিউল ইসলাম, ওমর ফারুক, সিকদার কবিরুল ইসলাম, মো. ফিরোজ আলম, সুনীল বরণ কর্মকার ওরফে এসবি কর্মকার, ফরিদ আকতার, এস সহিদুজ্জামান চয়ন, আবদুর রহমান তপন, মেজর (অব.) সাকিবুজ্জামান খান, এসএম আহসানুল কবির (বিপ্লব), এএইচএম আতাউর রহমান রেজা, গোলাম কিবরিয়া মিল্টন, মো. আতিকুর রহমান, খন্দকার বেনজীর আহমেদ, একেএম সফিউল্লাহ, শাহ আলম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. শফিকুল হক।

মামলা সূত্রে জানা যায়, মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভের নামে ডেসটিনি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯০১ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। সেখান থেকে আত্মসাৎ করা হয় ১ হাজার ৮৬১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। যার কারণে ক্ষতির মুখে পড়েন সাড়ে ৮ লাখ বিনিয়োগকারী।


আরও খবর



শ্রীলঙ্কার জনগণের আস্থা অর্জন করতে চাইছে ভারত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ২৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চরম অর্থনৈতিক মন্দার কবলে শ্রীলঙ্কা। জ্বালানি তেল ও ভোগ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির মধ্যে দেশটির জনগণের আস্থা অর্জন করতে চাইছে ভারত। বিবিসি বলছে, শ্রীলঙ্কার সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা ভারতের পররাষ্ট্র নীতিকে নতুন জীবন দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়া রনিল বিক্রমাসিংহে বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক সমস্যা আরও খারাপ হবে। এমন পরিস্থিতিতে ভারতসহ বন্ধু দেশগুলোর কাছে আর্থিক সাহায্যের জন্য আবেদন করা হয়েছে।

শ্রীলঙ্কার প্রধান ঋণদাতা না হলেও ধীরে ধীরে দেশটির সবচেয়ে বড় সাহায্য প্রদানকারী দেশ হতে যাচ্ছে ভারত। এরইমধ্যে, ১ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দেশটি। এছাড়া, ৬৫ হাজার টন সার ও ৪ লাখ টন জ্বালানি পাঠিয়েছে দিল্লী। পাশপাশি আরও চিকিৎসা সামগ্রী পাঠানোরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

শ্রীলঙ্কার সাধারণ মানুষ গত কয়েকমাস ধরে বিদ্যুৎ, খাদ্য, জ্বালানি তেল এবং ঔষধের সংকটে ভুগছেন৷ এ অবস্থায় গত কয়েকসপ্তাহ ধরে অনেকটাই শান্তিপূর্ণ সরকারবিরোধী আন্দোলন চলছিল দেশটিতে এ অবস্থায় দেশটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন প্রেসিডেন্ট গোটাবায়া রাজাপাকসে৷ আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী মাতিন্দ্রা রাজাপাকসে।


আরও খবর



করোনায় আরও একটি মৃত্যুশূন্য দিন

প্রকাশিত:রবিবার ০১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০১ মে ২০২২ | ৪২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে টানা ১০ দিনের মত করোনা ভাইরাসে দেশে কারও মৃত্যু হয়নি। সর্বশেষ ২০ এপ্রিল একজনের মৃত্যু হয়েছিল।রবিবার (১ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৬৪৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৫ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৯৫ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় এই সুস্থ হয়েছেন ২৯৩ জন। দেশে এ পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ১৯ লাখ ৫২ হাজার ৭১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। আর মোট মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ১২৭ জনের। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৯৫ হাজার ৬৯৭ জন।

২০১৯ সালের শেষে চীনের উহানে প্রথম করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ে। এরপর কয়েক মাসের মধ্যে এ ভাইরাস সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। দেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ মার্চ। আর প্রথম মৃত্যু হয় একই বছরের ১৮ মার্চ।


আরও খবর



রাজধানীর ১৯ স্থানে বসবে পশুর হাট

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ৪০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঈদুল আজহার প্রস্তুতি মানেই পরিবারের সদস্যরা মিলে হাটে গিয়ে কোরবানির পশু কেনা আর পশু নিয়ে আয়োজন করে বাড়ি ফেরা। সব মিলিয়ে কোরবানির ঈদের আগে রাজধানীতে পশুর হাট কেন্দ্রিক একটি উৎসবের আমেজ বিরাজ করে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গরু ও ছাগলসহ নানা ধরনের পশু রাজধানীর হাটগুলোতে বিক্রির জন্য তোলা হয়। ক্রেতা-বিক্রেতাদের সরব উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে ওঠে পশুর হাট।

গত দুই বছর করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে রাজধানীর হাটকেন্দ্রিক উৎসবের আমেজে অনেকটা ভাটা পড়েছিল। রাজধানীর সব পশুর হাটে জনসমাগম ছিল নিয়ন্ত্রিত। নির্ধারিত হাটের সংখ্যাও কমিয়ে এনেছিল ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন।

এ বছর করোনা পরিস্থিতি গত দুই বছরের চেয়ে তুলনামূলক ভালো থাকায় রাজধানীতে কোরবানির পশুর হাট কেন্দ্রিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে কিছুটা আগে থেকে।

এ বছর রাজধানীতে মোট ১৯টি কোরবানির পশুর হাট বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।

এর মধ্যে দুটি হলো স্থায়ী হাট, যেগুলোতে বছরের অন্য সময়ও পশু বিক্রি হয়। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে রয়েছে গাবতলী স্থায়ী হাট আর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে রয়েছে সারুলিয়া স্থায়ী হাট। এই হাট দুটি ছাড়া ১৭টি অস্থায়ী হাট বসানো হবে।

অস্থায়ী হাটগুলোর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় বসবে ১০টি আর উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় বসবে ৭টি। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ডিজিটাল হাট চালু থাকবে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন জানিয়েছেন, হাটগুলো পরিচালনার জন্য যেসব নির্দেশনা আসবে সবগুলো বাস্তবায়ন করা হবে।

অন্যদিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক জানিয়েছেন, পরবর্তী সিদ্ধান্তের আলোকে হাটগুলোতে স্বাস্থ্যবিধির বিষয়গুলো ঠিক করা হবে।

দক্ষিণ সিটির ১০ হাট:

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের যে ১০ স্থানে কোরবানির পশুর অস্থায়ী হাট বসবে সেগুলো হলো- লালবাগের রহমতগঞ্জ ক্লাবসংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, আমুলিয়া মডেল টাউনের আশপাশের খালি জায়গা, পোস্তগোলা শ্মশানঘাট সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, ধোলাইখাল ট্রাক টার্মিনাল সংলগ্ন উন্মুক্ত জায়গা, শ্যামপুর-কদমতলী ট্রাকস্ট্যান্ডসংলগ্ন খালি জায়গা,উত্তর শাহজাহানপুর খিলগাঁও রেলগেট বাজার মৈত্রী সংঘের ক্লাবসংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, হাজারীবাগ এলাকায় ইনস্টিটিউট অব লেদার টেকনোলজি মাঠসংলগ্ন উন্মুক্ত এলাকা, মেরাদিয়া বাজারসংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, দনিয়া কলেজ মাঠসংলগ্ন খালি জায়গা এবং লিটল ফ্রেন্ডস ক্লাবসংলগ্ন খালি জায়গাসহ কমলাপুর স্টেডিয়ামসংলগ্ন বিশ্বরোডের আশপাশের এলাকায় অস্থায়ী হাট বসবে।

উত্তর সিটির ৭ হাট:

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের যে সাত স্থানে অস্থায়ী পশুর হাট বসবে- ভাটারা (সাইদনগর) পশুর হাট, কাওলা শিয়ালডাঙ্গাসংলগ্ন খালি জায়গা, মিরপুর সেকশন ৬ ইস্টার্ন হাউজিংয়ের খালি জায়গা, মোহাম্মদপুর বছিলায় ৪০ ফুট রাস্তাসংলগ্ন খালি জায়গা, উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টর এলাকায় অবস্থিত বৃন্দাবন থেকে উত্তর দিকে বিজিএমইএ পর্যন্ত খালি জায়গা, বাড্ডা ইস্টার্ন হাউজিং ব্লক-ই থেকে এইচ পর্যন্ত এলাকার খালি জায়গা এবং ৩০০ ফিট সড়কসংলগ্ন উত্তর পাশের সালাম স্টিল-যমুনা হাউজিং কোম্পানির খালি জায়গা ও এর পাশে ব্যক্তিগত মালিকানাধীন খালি জায়গা মিলিয়ে অস্থায়ী পশুর হাট বসবে।

১৭টি অস্থায়ী পশুর হাটের মধ্যে ১৪টির ইজারার কাজ প্রাথমিকভাবে শেষ হয়েছে। বাকিগুলো চূড়ান্ত করার কাজ চলমান রয়েছে। উত্তর সিটির স্থায়ী গাবতলী হাট ও দক্ষিণ সিটির স্থায়ী সারুলিয়া হাট বছর জুড়েই ইজারা দেওয়া থাকে।


আরও খবর



শিক্ষাক্ষেত্রে লক্ষ্য অর্জনে দরকার সমন্বিত উদ্যোগ: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ মে ২০২২ | ৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, শিক্ষাক্ষেত্রে লক্ষ্য অর্জনে সরকারি ও বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্যানেল আলোচনায় মন্ত্রী এ কথা বলেন। সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে চলমান ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের আয়োজনে একটি সভায়ও চারজন বক্তার একজন হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিক্ষামন্ত্রী।

সভায় বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে তৈরি ন্যাশনাল ব্লেন্ডেড এডুকেশন মাস্টারপ্ল্যান (২০২২-২০৩১) এবং ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সঙ্গে ক্লোজিং দ্য এডুকেশন গ্যাপ অ্যাক্সিলেরেটরে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বিষয়ে আলোচনা হয়। এই সেশনে শিক্ষাক্ষেত্রে লক্ষ্য অর্জনে সরকারি ও বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগের বিষয়ে তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

এ ছাড়া ডাভোসে চলমান ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে হয়্যার উইল দ্য জবস অব টুমোরো কাম ফ্রম শীর্ষক প্যানেল আলোচনায়ও অন্যতম আলোচক হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি অংশ নেন। তাঁর সঙ্গে প্যানেল আলোচক হিসেবে ছিলেন কানাডার উদ্ভাবন, বিজ্ঞান ও শিল্পমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া ফিলিপ শাম্পান, সুইডেনের অর্থমন্ত্রী মিকায়েল ড্যামবার্গ এবং নেদারল্যান্ডসের বুর্টজর্গ নামক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ইয়স ডি ব্লক। আলোচনায় মডারেটর ছিলেন নিউইয়র্ক টাইমসের ডেপুটি ম্যানেজিং এডিটর রেবেকা ব্লুমেনস্ট্যাইন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শিক্ষাব্যবস্থায় যে পরিবর্তন সূচিত হচ্ছে, প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার উপযোগী যে মানবসম্পদ তৈরির কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে, সমতা, সাম্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক যেসব নীতি অনুসৃত হচ্ছে, সেই সব বিষয়ে আলোকপাত করেন।

দেশের বিশাল জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করা, সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে নতুন কর্ম সুযোগ তৈরি করা, নতুন প্রজন্মের জন্য মানুষ ও পৃথিবীর কল্যাণকেন্দ্রিক কর্মসৃজন করা, নারীর কর্মজগতে প্রবেশকে অবাধ করাসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয়েও শিক্ষামন্ত্রী বক্তব্য রাখেন।


আরও খবর



দূষণে বছরে ৯০ লাখ মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন: গবেষণা

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ২৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বায়ু ও বিষাক্ত সিসার দূষণে পরিবেশ দূষিত হয়ে সারা বিশ্বে ২০১৫ সাল থেকে প্রতিবছর আনুমানিক ৯০ লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। এরপরও পরিবেশ দূষণ পরিস্থিতির খুব সামান্যই উন্নতি হয়েছে। একদল বিজ্ঞানী মঙ্গলবার প্রকাশিত এক গবেষণা নিবন্ধে এ তথ্য জানান। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

বিজ্ঞানীরা বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর তথ্য-উপাত্ত এবং দূষণের মাত্রা বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন। প্রতিবেদনে বিজ্ঞানীরা বলছেনশিল্পপণ্য উৎপাদন প্রক্রিয়াসহ নগরায়ণের ফলে ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে বায়ু দূষণ-সংক্রান্ত কারণে মৃত্যু বেড়েছে ৭ শতাংশ।

দূষণ বিষয়ে কাজ করা পিওর আর্থ নামের অলাভজনক সংগঠনের প্রধান এবং গবেষণার সহলেখক রিচার্ড ফুলার বলেন, আমরা একটি গরম পাত্রের মধ্যে বসে আছি এবং ধীরে ধীরে পুড়ছি। কিন্তু, জলবায়ু পরিবর্তন, ম্যালেরিয়া ও এইচআইভির মতো (পরিবেশ দূষণে) বেশি একটা গুরুত্ব দিচ্ছি না।

এর আগে ২০১৭ সালেও একই গবেষণার একটি প্রাথমিক সংস্করণ প্রকাশ করা হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিলপ্রতিবছর দূষণে প্রায় ৯০ লাখ মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে, যার অর্থ ছয় জনে এক জনের মৃত্যুর কারণ দূষণ। এতে করে প্রতি বছর বিশ্ব অর্থনীতির চার লাখ ৬০ হাজার কোটি ডলার ক্ষতি হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়প্রথাগত দূষণে আগের চেয়ে মৃত্যু কমলেও, দূষণ এখনও আফ্রিকাসহ অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য প্রধান সমস্যা। আফ্রিকার তিন দেশচাদ, মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র ও নাইজারে এখনও দূষ- সংক্রান্ত মৃত্যুর বড় কারণ দূষিত বায়ু, মাটি এবং ঘরের ভেতরের দূষিত বায়ু।

গবেষণাটি বলছেপরিবেশ দূষণে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হওয়া ১০টি দেশের বেশির ভাগই আফ্রিকা মহাদেশের। দূষণে সর্বাধিক মৃত্যু হওয়া দেশগুলো হলোচাদ, মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র, নাইজার, সোলোমন দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ আফ্রিকা, উত্তর কোরিয়া, লেসোথো, বুলগেরিয়া ও বুরকিনা ফাসো।


আরও খবর