আজঃ শনিবার ২২ জুন ২০২৪
শিরোনাম

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৩ জানুয়ারী ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
এস এ শফি, সিলেট

Image

মৌলভীবাজারে শীত জেঁকে বসেছে। তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার (০৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় শ্রীমঙ্গল উপজেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ বছর এখন পর্যন্ত শ্রীমঙ্গলে এটিই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

সকাল ও রাতে শীতের তীব্রতা বেশি থাকলেও দিনে রোদ থাকায় গরম অনুভূত হচ্ছে। তবে বিকাল ও সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশায় চারপাশ ঢেকে যাচ্ছে। বিপাকে পড়েছে ছিন্নমূল মানুষ। শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে শ্রীমঙ্গলে। তাপমাত্রা নিচে নামার কারণে বাড়ছে শীতের তীব্রতা। বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। আমাদের রেকর্ড মতে, আগামীতে এখানকার শীতের তীব্রতা আরও বাড়বে।

তিনি আরও জানান, সোমবার (২ জানুয়ারি) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৯ ডিগ্রি আর শ্রীমঙ্গলে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়। 


আরও খবর



ভূরুঙ্গামারীতে সিটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি কাজল ও সা. সম্পাদক রফিকুল

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
Image

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সিটি প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি হলেন মো: আব্দুর রাজ্জাক (কাজল) ও সাধারণ সম্পাদক মো: রফিকুল ইসলাম। সিটি প্রেস ক্লাব ভূরুঙ্গামারী শাখায় মোট ১৫ জন সাংবাদিক নিয়ে এ কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা হয়েছে। সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক (কাজল) দৈনিক প্রথম খবর, দৈনিক সূর্যোদয়, দৈনিক তালাশ টাইমস পত্রিকায় ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জাতীয় দৈনিক আজকের দর্পণ, স্বদেশ কন্ঠ প্রতিদিন, দৈনিক মনিং পোস্ট, নববাংলা, জাগ্রত জনতা, আর এম সি নিউজ পত্রিকায় কাজ করে আসছেন।

ক্লাবের অন্যান্য সাংবাদিকরা হলেন মো: সাঈদুর রহমান সহ সভাপতি, মো: শফিকুল ইসলাম সহ সভাপতি, মো: মেহেদী হাসান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মো: রাহিজুল ইসলাম কোষাধক্ষ্য, মো: বাবুল আক্তার সাংগঠনিক সম্পাদক,মোছা: শরিফা আক্তার মহিলা বিষয়ক সম্পাদক,মো: শাহীন আলম দপ্তর সম্পাদক, মো: কফিল উদ্দিন প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, মো: রাসেল ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক, মো: রমজানুল হক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক, মো: জাকির হোসেন কার্যকরী সদস্য, মো: নাসির উদ্দীন কার্যকরী সদস্য, মো:শাহীন আলম সদস্য।

নবনির্বাচিত সভাপতি সাংবাদিক মো: আব্দুর রাজ্জাক (কাজল) বলেন, নবনির্বাচিত কমিটির সকল সাংবাদিক বৃন্দকে অভিনন্দন ও জেলা সিটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো: নুর মোহাম্মদ চৌধুরী ভাই ও সাধারণ সম্পাদক মো: আ: হালিম মন্ডল গাজী ভাইসহ জেলা সিটি প্রেস ক্লাবের সকল সাংবাদিক বৃন্দকে ধন্যবাদ জানান।

নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মো: রফিকুল ইসলাম বলেন,ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় কেউ যেন কোনো প্রকার দুর্নীতি, মাদক ব্যবসা, চোরা চালন, অবৈধ ব্যবসা, নারী নির্যাতন, শিশু ধর্ষণ এ ধরণের কোনো অপরাধ করতে না পারে সেই লক্ষ্য নিয়ে ভূরুঙ্গামারী উপজেলাকে সত্য সুন্দর ন্যায় বিচার ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন শিক্ষা নগরী গড়ে তুলতে চাই। আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেটা যেন সম্মানের সহিত পালন করতে পারি।


আরও খবর



রেমালে উত্তাল সাগর, গোসল করছেন পর্যটকেরা

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে উত্তাল সাগর। জোয়ারের পানির উচ্চতা স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়ে কূলে আঘাত হানছে। সোমবার (২৭ মে) সকাল পর্যন্ত কক্সবাজার শহরে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

এমন বৈরী পরিবেশের মধ্যেও পর্যটকেরা ঝুঁকি নিয়ে উত্তাল সমুদ্রে গোসল করতে নামছেন। ট্যুরিস্ট পুলিশ, লাইফগার্ড কর্মীরা নানাভাবে চেষ্টা করেও পর্যটকদের সমুদ্র থেকে তুলে আনতে পারছে না বলে জানা গেছে।

লাবনী পয়েন্টে গিয়ে সরেজমিনে দেখা যায়, সুগন্ধা পয়েন্টে ৪০-৫০ জন পর্যটক উত্তাল সাগরে গোসল করছেন। তাদের সাগরে নামতে বাধা দিয়েও লাভ হয়নি।

জিয়াসমিন নামের এক পর্যটক বলেন, বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে এসেছি। তারা গোসল করছে তাই আমিও নামলাম।

সি সেফ লাইফগার্ডের কর্মকর্তা জয়নাল আবদিন ভুট্টু বলেন, এই মুহূর্তে সাগর খুবই উত্তাল। বাতাসের গতি বেড়েছে ও ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এ সময় সাগরে রিপ কারেন্ট সৃষ্টি হয়। তাই গোসল করা বিপদজনক। আমরা বিষয়টি ম্যাজিস্ট্রেট স্যারকে জানিয়েছি।

কক্সবাজার পর্যটক সেলের ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ রানা বলেন, যারা গোসল করছিল তাদের সাগর থেকে উঠানো হয়েছে। এরপর যারা মানবে না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজ ট্যাগ: ঘূর্ণিঝড় রেমাল

আরও খবর



সিলেটে বন্যায় মৎস্য খাতে প্রায় ২০ কোটি টাকার ক্ষতি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
এস এ শফি, সিলেট

Image

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় সিলেটের মৎস্যখাতে ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। এতে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন জেলার মৎস্য চাষী ও খামারিরা। টানা বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে জেলার জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, কানাইঘাট, জকিগঞ্জ উপজেলায় ঢলের পানিতে ভেসে গেছে ১ হাজার ৫৮৩ দশমিক ৪৮ হেক্টর মাছের ঘের। সৃষ্ট বন্যায় সব মিলিয়ে প্রায় ১৯ কোটি ৭৩ লাখ ৪০ হাজার টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে বলে জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে।

বিশেষ করে জৈন্তাপুর, জকিগঞ্জ, গোয়াইনঘাটসহ বিভিন্ন উপজেলায় শত-শত পুকুর বন্যার পানিতে ভেসে যায়। কোন কোন পুকুরের চিহ্ন ও দেখা যায়নি। আর বেশিরভাগ পুকুর বিশাল জলারাশির নিচে ঢাকা পড়ে যায়। খামারীরা শেষ চেষ্টা হিসেবে জাল ও নেট দিয়ে মাছগুলো আগলের রাখার শেষ চেষ্টা করলেও পানির তোড়ের কাছে তারা হার মানে না।

সিলেট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সীমা রাণী বিশ্বাস স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, বন্যার পানিতে ভেসে গেছে ৭ হাজার ৩৮২ জন মৎস্য চাষী ও খামারির ৮ হাজার ২৫৮টি পুকুর, দিঘি ও মৎস্য খামারের ৮ শত ৪৯ দশমিক ২৫ মেট্রিক টন মাছ ও ৫৬ দশমিক ৮৫ লাখ মাছের পোনা। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১৯ কোটি ৭৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এর মধ্যে মাছের মূল্য ১৬ কোটি ২৫ লাখ ৬০ হাজার, পোনার মূল্য ২ কোটি ৬৩ লাখ ৩০ হাজার ও অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে ৮৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার। ক্ষতিগ্রস্ত পুকুর, দিঘি ও খামারের আয়তন ১ হাজার ৫৮৩ দশমিক ৪৮ হেক্টর।

জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় ৯০০ জন মৎস্য চাষী ও খামারির ৭৫০টি পুকুর, দিঘি ও মৎস্য খামারের ২৬০ মেট্রিক টন মাছ ও ১৪ লাখ মাছের পোনা। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৬ কোটি ২০ লাখ টাকা। এর মধ্যে মাছের মূল্য ৫ কোটি ৭২ লাখ, পোনার মূল্য ৪২ লাখ ও অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে ৬ লাখ টাকার। ক্ষতিগ্রস্ত পুকুর, দিঘি ও খামারের আয়তন ৫১০ হেক্টর।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ২৯ জন মৎস্য চাষী ও খামারির ২৯টি পুকুর, দিঘি ও মৎস্য খামারের ১০৫ দশমিক ২৫ মেট্রিক টন মাছ ও ৭ লাখ ২৫ হাজার মাছের পোনা। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৭৩ লাখ ১০ হাজার টাকা। এর মধ্যে মাছের মূল্য ১ কোটি ২৯ লাখ ৬০ হাজার, পোনার মূল্য ৩৫ লাখ ও অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকার। ক্ষতিগ্রস্ত পুকুর, দিঘি ও খামারের আয়তন ২০ দশমিক ৪৫ হেক্টর।

গোয়াইনঘাট উপজেলার ১ হাজার ৭০০ মৎস্য চাষী ও খামারির ২ হাজার ১০০টি পুকুর, দিঘি ও মৎস্য খামারের ৩৫০ মেট্রিক টন মাছ ও ২২ লাখ মাছের পোনা। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৭ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে মাছের মূল্য ৬ কোটি ৯৮ লাখ, পোনার মূল্য ৬০ লাখ ও অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে ২৫ লাখ টাকার। ক্ষতিগ্রস্ত পুকুর, দিঘি ও খামারের আয়তন ৩১০ হেক্টর।

জৈন্তাপুর উপজেলার ১ হাজার ৯৫৩ জন মৎস্য চাষী ও খামারির ২ হাজার ৭৫টি পুকুর, দিঘি ও মৎস্য খামারের ২৪ মেট্রিক টন মাছ ও ২১ দশমিক ৬০ লাখ মাছের পোনা। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ২ কোটি ১৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এর মধ্যে মাছের মূল্য ৭২ লাখ, পোনার মূল্য ১ কোটি ৮ লাখ ৩০ হাজার ও অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে ৩৫ লাখ টাকার। ক্ষতিগ্রস্ত পুকুর, দিঘি ও খামারের আয়তন ৩৩৬ দশমিক ০৩ হেক্টর।

কানাইঘাট উপজেলার ২ হাজার ৮০০ জন মৎস্য চাষী ও খামারির ৩ হাজার ৩০০টি পুকুর, দিঘি ও মৎস্য খামারের ১১০ মেট্রিক টন মাছ ও ৬ লাখ মাছের পোনা। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এর মধ্যে মাছের মূল্য ১ কোটি ৫৪ লাখ, পোনার মূল্য ১৮ লাখ ও অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে ১০ লাখ টাকার। ক্ষতিগ্রস্ত পুকুর, দিঘি ও খামারের আয়তন ৪০৭ হেক্টর।

জৈন্তাপুর এলাকার এক মাছ চাষী বলেন, পুকুরে মাছ চাষের জন্য ঋণ নিয়েছি। বন্যার শুরুতে পুকুরের চারদিকে ঘের দিয়ে মাছ বাঁচানোর চেষ্টা করেও লাভ হয়নি। বন্যার তোড়ে সব মাছ ভেসে গেছে। একই উপজেলার আরেক মাছ চাষী বলেন, নির্ঘম রাত কাটিয়েও রক্ষা করতে পারিনি স্বপ্নের খামারটি। চোখের সামনেই ভেসে গেছে মাছ।

ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভেসে যাওয়া মাছের মধ্যে তেলাপিয়া, পাঙাশ, কাতল, রুই ও অন্যান্য জাতের মাছ ছিল। আকস্মিক সৃষ্ট বন্যায় তারা লোকসানের মুখে পড়েছেন। মাছের পাশাপাশি পোনা উৎপাদনের হ্যাচারি ভেসেও সকল পোনা চলে গেছে। এ অবস্থায় চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা। মৎস্য চাষীদের অনেকে বেশি সুদে ঋণ নিয়ে মাছ চাষ করেছিলেন। এখন মাছ ভেসে যাওয়ায় একদিকে সংসার চালানোর চিন্তা, অন্যদিকে ঋণ শোধের চিন্তা। সব মিলিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন তারা। ক্ষয়ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে মৎস্য ঋণ মওকুফ ও সরকারি সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করলে আগামী দিনে নতুনভাবে মৎস্য চাষে আগ্রহী হবেন বলে জানান মৎস্য চাষীরা।

সিলেট জেলা মৎস্য অফিসের সিনিয়র সহকারী পরিচালক সীমা রাণী বিশ্বাস আলাপকালে জানান, ভেসে যাওয়া মাছের মধ্যে দেশি মাছের সংখ্যা ছিল বেশি। এ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে খামারিদের ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে খামারিদের সহায়তা করা হবে।


আরও খবর



সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী: রিভিউ শুনানি ১১ জুলাই

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

বহুল আলোচিত সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে করা রিভিউ শুনানি জন্য আগামী ১১ জুলাই দিন ধার্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। বৃহস্পতিবার (২৩ মে) কার্যতালিকার ২৭ নম্বর ক্রমিকে থাকা এই আইটেমটি শুনানির জন্য সকালে আপিল বিভাগে মেনশন করেন রিটকারি পক্ষের আইনজীবী মনজিল মোরশেদ।

প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান আজ বেঞ্চে না থাকায় বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির বেঞ্চ বিষয়টি শুনানির জন্য আগামী ১১ জুলাই দিন ধার্য করেন। এ সময় আদালতে রাষ্ট্র পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিতে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পাস করা হয়। ওই বছরের ২২ সেপ্টেম্বর তা গেজেট আকারে প্রকাশ হয়। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের কাছে ন্যস্ত করে আনা সংবিধানের এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একই বছরের ৫ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের নয়জন আইনজীবী হাইকোর্টে একটি রিট করেন।

সে রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ৫ মে হাইকোর্টের তিন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন।

হাইকোর্টের দেয়া ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ২৮ নভেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে। সে আপিলের শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ৩ জুলাই তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বেঞ্চ রাষ্ট্রপক্ষের আপিল খারিজ করে রায় ঘোষণা করেন। বহুল আলোচিত ওই রায়ের পর্যবেক্ষণে, দেশের গণতন্ত্র, রাজনীতি, সামরিক শাসন, নির্বাচন কমিশন, সুশাসন, দুর্নীতি, বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপসহ বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে। তবে আপিল বিভাগের দেয়া রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।


আরও খবর



বয়ফ্রেন্ডের ক্যামেরায় জাহ্নবী কাপুরের ছবি

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

প্রেমিক শিখর পাহাড়িয়ার সঙ্গে অনেকদিন ধরেই প্রেমের সম্পর্কে আছেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। অবশ্য বিষয়টি নিয়ে বেশ ঢাকঢোলও পিটিয়েছেন এই অভিনেত্রী। কারণ, শিখর পাহাড়িয়াকেই যে তিনি ভালোবাসেন, এতে কোনো সন্দেহ নেই।

সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে নিজের কিছু খোলামেলা ছবি প্রকাশ করে উষ্ণতা ছড়িয়েছেন জাহ্নবী। সেসব ছবিতে প্রেমিককে কৃতজ্ঞতা জানান এই বলিউড অভিনেত্রী। বিষয়টি অন্তত পরিষ্কার, এখন জাহ্নবী যেখানেই যান না কেন, সঙ্গে বয়ফ্রেন্ডকে নিয়েই যান। এ সময় জাহ্নবীকে ক্যামেরাবন্দি করেছিলেন তার প্রেমিক; বয়ফ্রেন্ডের ক্যামেরার সামনে দিয়েছেন আদুরে পোজ। সরাসরি নাম না উল্লেখ করলেও যা পরোক্ষভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন এই অভিনেত্রী।

সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা ওই ছবিতে জাহ্নবী লিখেছেন, এটাই আমার সেরা ছুটি। এই মধুর স্মৃতিটা আমাকে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ প্রিয়।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, এই মুহূর্তে বয়ফ্রেন্ডকে নিয়ে সঙ্গে বিলেতে পাড়ি দিয়েছেন শ্রীদেবী কন্যা। সেখানেই খোলামেলা পোশাকে বয়ফ্রেন্ডের কাছে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি শিখরের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খোলেন জাহ্নবী। তিনি বলেন, আমি আমার প্রেমিকের ফোনে নিয়মিত নজর রাখি। কার সঙ্গে কথা বলছে, কী করছে, সব দেখি। জানি এগুলো করা ঠিক না, তাও করি।

তবে শিখর যদি তার ফোন দেখতে চায়, তাহলে এতে ঘোর আপত্তি থাকে শ্রীদেবী কন্যার।

শিখর পাহাড়িয়া মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সুশীল কুমার সিন্ধের নাতি। এর আগে কফি উইথ করণে মুখ ফসকে জাহ্নবী বলেই ফেলেন, শিখরকে আদর করে শিখু বলেই ডাকেন এই অভিনেত্রী। যদিও একসময় শিখরের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে গিয়েছিল জাহ্নবীর। এর কয়েক বছর পরে আবার তাদের সেই সম্পর্ক জোড়া লাগে। শিখরকে পারিবারিক বন্ধু বলেই পরিচয় দেন জাহ্নবী। জাহ্নবীর বাবা বনি কাপুরও শিখরকে খুব পছন্দ করেন।

বলিউডের নতুন সিনেমা মিস্টার অ্যান্ড মিসেস মাহি চলচ্চিত্রের মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন জাহ্নবী। গত ৩১ মে মুক্তি পায় চলচ্চিত্রটি। আর তা থেকেই নতুন করে আলোচনায় এই অভিনেত্রী।

নিউজ ট্যাগ: জাহ্নবী কাপুর

আরও খবর