আজঃ বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

দেশে নতুন জঙ্গি সংগঠন, করছিল হামলার পরিকল্পনা

প্রকাশিত:শনিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

তাওহীদুল উলূহিয়্যাহ (আল-জিহাদী) নামে নতুন আরও একটি জঙ্গি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। গত ২-৩ মাস ধরে সংগঠনটি তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। আগামী বছর দেশে বড় হামলার পরিকল্পনা ছিল সংগঠনটির।

গোয়েন্দা সূত্রে এসব তথ্য জানার পর সংগঠনটির শীর্ষ নেতা মো.জুয়েল মোল্লাসহ (২৯) তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট (এটিইউ)। বাকি দুজন হলেন মো.রাহুল হোসেন (২১) ও মো. গাজিউল ইসলাম (৪০)।

আজ (শনিবার) দুপুর ১২টায় রাজধানীর বারিধারায় অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট হেড কোয়ার্টারের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান এটিইউয়ের ডিআইজি (অপারেশন্স) মোহা. আলীম মাহমুদ।

তিনি বলেন, গত ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে অভিযান পরিচালনা করে জুয়েলকে বাগেরহাট থেকে, জয়পুরহাট থেকে রাহুলকে ও রাজধানীর ভাসানটেক এলাকা থেকে গাজীউল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।  গ্রেপ্তারদের মধ্যে জুয়েল এই সংগঠনের প্রধান। বাকি দুই জন শীর্ষ পর্যায়ের নেতা। সংগঠনটি ২-৩ মাস  তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। তাদের পরিকল্পনা ছিল ২০২৪ সালে দেশে বড় ধরনের জঙ্গি হামলা করা।

এটিইউয়ের ডিআইজি (অপারেশন্স) মোহা.আলীম মাহমুদ বলেন, আমরা গত কয়েক মাস ধরে গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে খবর পাচ্ছিলাম কিছু উগ্রবাদী মানুষ একত্রিত হচ্ছে। যারা দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে বিশ্বাস করে না। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে বানচাল করে উগ্রবাদী ব্যবস্থা কায়েমের জন্য তারা একত্রিত হচ্ছিল। গ্রেপ্তাররা সবাই আগে কোনো না কোনো জঙ্গি সংগঠনের সদস্য ছিল। কিন্তু তারা নতুন লক্ষ্য নিয়ে এক ব্যানারে সবাই নতুন করে একত্রিত হচ্ছিল। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ভিডিও ও পোস্টের মাধ্যমে নতুন সদস্য সংগ্রহ করে আসছিল। এই দলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নেতা হলেন জুয়েল। আমরা প্রথমে জুয়েলকে বাগেরহাটের রামপাল থেকে গ্রেপ্তার করি। পরে তার দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বাকি দুই শীর্ষ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের গ্রেপ্তারের সময় নতুন সংগঠনের ৮টি ব্যানার জব্দ করা হয়।

আরও পড়ুন>> র‌্যাবের কাছে ৯ জঙ্গির আত্মসমর্পণ

তিনি বলেন, তারা প্রাথমিকভাবে সদস্য সংগ্রহের পাশাপাশি অর্থও সংগ্রহ করছিল। এই অর্থ দিয়ে অস্ত্র কেনা ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম সংগ্রহ করার পরিকল্পনা ছিল তাদের। এই অস্ত্র ও বোমা দিয়ে তাদের বড় ধরনের জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা ছিল।

তিনি আরও বলেন, আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য জসীম উদ্দিন রহমানি, যিনি বর্তমানে কারাগারে সাজা ভোগ করছেন, তারা বক্তব্যে মূলত উদ্বুদ্ধ হন জুয়েল। এর ফলে তিনি নতুন এ জঙ্গি সংগঠনটি সৃষ্টি করে। জুয়েল নিজেও আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য ছিলেন। জসীম উদ্দিন রহমানিকেও কারাগার থেকে মুক্ত করার পরিকল্পনা ছিল জুয়েলের।

সংগঠনটির অর্থের যোগানদাতা কারা এবং সংগঠনটির সদস্য সংখ্যা কতো জানতে চাইলে তিনি বলেন, সংগঠনটিতে এখন পর্যন্ত ৮০-৯০ জন সদস্য আছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। তাদের অর্থদাতা কে তা এখনো জানা যায়নি। তবে সংগঠনটির অর্থ সংগ্রহের কাজ করছিলেন রাহুল। এ ছাড়া রাহুল বোমা তৈরির দায়িত্বেও ছিল।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তাদের হামলার পরিকল্পনা ছিল কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তাদের আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করব। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হামলার পরিকল্পনা ছিল কি না সে সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ২০২৪ সালে বড় একটি জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা ছিল। সেই জন্য তারা অর্থ ও  অস্ত্র সংগ্রহসহ বোমা বানানোর চেষ্টা করছিল। তবে তাদের হামলার টার্গেট কি তা এখনও জানা যায়নি, সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে আমরা জানার চেষ্টা করব।

সংবাদ সম্মেলনে এটিইউয়ের পুলিশ সুপার (অপারেশনস্) ছানোয়ার হোসেন বলেন, নতুন জঙ্গি সংগঠনটির মূল পরিকল্পনাকারী জুয়েল মোল্লা নিষিদ্ধ ঘোষিত আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য ছিলেন। পরবর্তীতে র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়। ৯ মাস কারাগারে ছিলেন। এই সময়ে কারাগারে বসেই নিজের একটি সংগঠন করার পরিকল্পনা করে। মাত্র ক্লাস সেভেন পাস জুয়েল মোল্লা পেশায় একটি বেকারি কর্মী ছিলেন। আর বাকি গ্রেপ্তার দুই জন হিজবুত তাওহীদের সদস্য ছিলেন।

তিনি আরও বলেনম, রাহুল হোসেন পেশায় একটি আইটি প্রতিষ্ঠানের কর্মী ছিলেন। প্রযুক্তির বিষয়ে জ্ঞান থাকায় রাহুল বোমা তৈরির বিষয়ে খোঁজ-খবর নিচ্ছিলেন। এ ছাড়া বোমা হামলার অর্থ জোগাতে নিজের জমি বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছেলন রাহুল। রাহুল অনলাইনে সদস্য সংগ্রহের কাজও করছিলেন।


আরও খবর
দেশে ৩০ শতাংশ খাদ্য অপচয় হয়: কৃষিমন্ত্রী

বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




শীতের রাতে রাজধানীতে হঠাৎ বৃষ্টি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীতে হঠাৎ করেই মাঝরাতে নেমেছে বৃষ্টি। যদিও বৃষ্টির স্থায়িত্ব কম সময় ছিল, তবুও তীব্র শীতে চরম কষ্টে পড়েছে ছিন্নমূল মানুষরা। যাদের রাতযাপনের ঠিকানা ফুটপাত বা যাত্রী ছাউনি, সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১টার দিকে রাজধানীর হাইকোর্ট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ এলাকায় এসব মানুষের কষ্ট আর দুর্ভোগের চিত্র দেখা গেছে।

বৃষ্টিতে ফুটপাত ভিজে যাওয়ায় কষ্ট করে থাকতে হচ্ছে তাদের। অনেককেই পলিথিন টানিয়ে বৃষ্টির পানি থেকে নিজেকে রক্ষা করতে দেখা গেছে। যাদের পলিথিনও নেই তাদের কাপড়-চোপড়সহ যাত্রী ছাউনি, ভবনের দেয়ালের পাশে আশ্রয় নিতে দেখা গেছে। কাউকে আবার দেখা গেছে বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পর ভেজা কাপড় দিয়ে কোনো রকমে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিতে।

রাস্তার পাশে থাকা এসব ছিন্নমূল মানুষ বলছেন, শীত নিবারণের যথেষ্ট কাপড় না থাকা সত্ত্বেও তারা কোনো রকমে রাস্তার পাশে ঘুমিয়ে রাত কাটাতেন। এখন বৃষ্টি নামার কারণে ঘুমানোর জায়গাটুকুও ভিজে গেছে।

ঢাকা মেডিকেল এলাকায় থাকা কাকলী পারভিন বলেন, আমরা গরিব মানুষ। কী আর করমু? ঝড়-বৃষ্টি হলেও রাস্তায় রাত কাটে। আমাদের শীত-বৃষ্টি নাই। ঘুমায়ে গেছিলাম। বৃষ্টি আসার পর টের পাইছি। খ্যাতা-কম্বল গুটায়ে বসে আছি। রাইতটা কষ্টে যাইবো।

একই এলাকায় থাকা সুরাব নামের আরেকজন বলেন, সারাদিন কাম করি। রাত হলে এইহানে আইসা ঘুমাই। এতদিন আর বৃষ্টি হয় নাই। কষ্ট কইরা থাকছি। আইজ বৃষ্টি নামলো। এহন কষ্ট আরও বাড়বো।

ছিন্নমূল এসব মানুষের পাশাপাশি ভোগান্তিতে পড়েছেন অনেক রিকশাচালকও। কয়েকজন চালককে পলিথিন দিয়ে মুড়িয়ে রিকশায় ঘুমাতে দেখা গেছে ওই এলাকায়।


আরও খবর



এক খবরে শান্ত আলুর বাজার

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

বাজার নিয়ন্ত্রণে আবার আলু আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। ভারত থেকে আলুর চালান আসা শুরু হয়েছে। এই খবরের পরই দাম কমতে শুরু করেছে ভোগ্য পণ্যটির। খুচরা বাজারে কেজিতে অন্তত ১০-১৫ টাকা পর্যন্ত দাম কমে বিক্রি হচ্ছে আলু।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকাল পর্যন্ত কয়েকটি ট্রাকে ৩৯৮ মেট্রিকটন আলু দেশে এসেছে। ট্রাকগুলো স্থলবন্দরের ইয়ার্ডে খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে।

জেলার খুচরা বাজারগুলোতে খোঁজ নিয়ে দেখা যায় আলু আমদানির খবরের পরই দাম কমতে শুরু করেছে। গতকাল পর্যন্ত ৩০-৩৫ টাকায় প্রতিকেজি আলু বিক্রি হয়েছে। তা শনিবার বিক্রি হয়েছে ২০-২৫ টাকা।

সরবরাহ কমে যাওয়ার অজুহাতে আলুর দাম বেড়ে গেলে বাজার নিয়ন্ত্রণে গত বছরের ৩০ অক্টোবর আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। মেয়াদ ছিল গত ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। ব্যবসায়ীদের আবেদনে প্রেক্ষিতে সময় আরও পনেরো দিন বাড়িয়ে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়। ১৫ ডিসেম্বর থেকে বন্দর দিয়ে আলু আমদানি বন্ধ রয়েছে।

এর মধ্যে আবার বাজার অস্থিতিশীল হওয়ায় নতুন করে আলু আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। আমদানি শুরুর খবরে কর্মচাঞ্চল্য ফিরেছে সোনামসজিদ স্থলবন্দরে।

সোনামসজিদ স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী সমির ঘোষ জানান, সোনমসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে নতুন করে ৪৯ হাজার ৫০০ মেট্রিকটন আলু আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বন্দরের ৪৩ জন আমদানিকারক অনুমতি পেয়েছেন। শনিবার থেকে আলু আমদানি শুরু হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: চাঁপাইনবাবগঞ্জ

আরও খবর



মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করছে সরকার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সীমান্তে মিয়ানমারের অভ্যন্তর থেকে আসা মর্টার শেলের আঘাতে বাংলাদেশে দুজনের মৃত্যুর ঘটনাসহ চলমান প‌রি‌স্থি‌তিতে দেশটির রাষ্ট্রদূত অং কিউ মোয়েকে তলব কর‌ছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হ‌চ্ছে।

কূট‌নৈ‌তিক সূত্রগু‌লো বল‌ছে, মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে সীমা‌ন্তের ওপার থে‌কে আসা মর্টার শেলের আঘাতে দুজনের মৃত্যুর ঘটনাসহ সীমান্তের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ কড়া প্রতিবাদ জানাবে।

মিয়ানমারের বিদ্রোহী দল আরাকান আর্মির সঙ্গে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বর্ডার গার্ড পুলিশ-বিজিপি) সংঘা‌তের জে‌রে বাংলাদেশে আশ্রয় নি‌য়ে‌ছে বি‌জি‌পির ১১৩জন সদস্য।

বাংলাদেশ সীমান্তে আশ্রয় নেওয়া বিজিপি সদস্যদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার যোগাযোগ করেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

এদিকে, মিয়ানমার ইস্যুতে বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনী ও বিজিবিকে (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) ধৈর্য ধারণ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


আরও খবর
দেশে ৩০ শতাংশ খাদ্য অপচয় হয়: কৃষিমন্ত্রী

বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মানবতাবিরোধী অপরাধ: নকলার ৩ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেরপুরের নকলার আকরামসহ ৩ আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ রায় দেন।

কারাগারে থাকা তিন আসামি হলেন- আমিনুজ্জামান ফারুক, মোখলেসুর রহমান ও এ কে এম আকরাম হোসেন। আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগের চারটি অভিযোগের ওপর শুনানি হয়। তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষে ১৩ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন। এর আগে ২৪ জানুয়ারি উভয়পক্ষের শুনানি শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান (সিএভি) রেখেছিলেন ট্রাইব্যুনাল। পরে গতকাল রায়ের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেন আদালত। 

আরও পড়ুন>> ‘সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ-মাদকের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে চাই’

নকলার চার রাজাকারের বিরুদ্ধে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ তদন্ত করে ২০১৭ সালের ২৬ জুলাই প্রতিবেদন দাখিল করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। একই বছরের ৩১ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে ফরমাল চার্জ দাখিল করা হয়।

২০১৮ সালের ৩০ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে চারটি অভিযোগে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। চারজনের মধ্যে বিচার চলাকালে মারা যায় আসামি এমদাদুল হক খাজা।


আরও খবর



কতটি ফোন লাগে গুগল প্রধানের, দিলেন অবাক করা তথ্য

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

Image

গুগল ইনকপোরেশনের সিইও সুন্দর পিচাই। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই প্রযুক্তিবিদ জানিয়েছেন, তিনি ঠিক কীভাবে ব্যবহার করেন প্রযুক্তিকে। এ সময় মোবাইল ফোনের ব্যবহার নিয়ে অবাক করা এক তথ্যই দিয়েছেন তিনি।

একসঙ্গে দুইটি ফোন ব্যবহার করেন অনেকেই। কেউ আবার তিনটিও করেন। কিন্তু গুগল এবং অ্যালফাবেটের সিইও সুন্দর পিচাই একসঙ্গে ২০টিরও বেশি ফোন ব্যবহার করে। কেন এতগুলো ফোন একসঙ্গে ব্যবহার করেন, তারও কারণ জানিয়েছেন তিনি। তার মতে, তাকে কাজের জন্য বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস পরীক্ষা করতে হয়, প্রতিটি ডিভাইসে গুগলের সমস্ত ফিচার সঠিকভাবে কাজ করে কি না, তা জানতেই একসঙ্গে এত ফোন ব্যবহার করতে হয় তাকে।

সুন্দর পিচাই যে শুধুমাত্র প্রচুর ফোন ব্যবহার করার জন্যই পরিচিত, তা নয়। সাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে গুগল প্রধানকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তার সন্তানরা ফোনের উপর কতটা সময় ব্যয় করে? এর উত্তরে তিনি জানান, কঠোর নিয়ম দিয়ে কোনও কিছুকে আটকে রাখা যায় না। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। কঠোর নিয়মের পরিবর্তে আত্মনিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ।

যখন তাকে তার অ্যাকাউন্টগুলো সুরক্ষিত রাখার প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হয়, তখন সুন্দর পিচাই জানান যে, তিনি ঘন ঘন পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করেন না। বরং নিরাপত্তার জন্য তিনি 'টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন' ব্যবহার করেন।

এছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অর্থাৎ এআই-তেও অগাধ বিশ্বাস রাখেন সুন্দর পিচাই। এআইকে মানবজাতির তৈরি করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি বলেই মনে করেন তিনি।


আরও খবর
উইন্ডোজ ১০ বন্ধ করে দিচ্ছে মাইক্রোসফট!

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪