আজঃ মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

দেশে ফিরেছেন ৩ হাজার ৯২০ হাজি

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পবিত্র হজ পালন শেষে নিজ নিজ দেশে ফিরতে শুরু করেছেন হাজিরা। গত দুইদিনে প্রায় চার হাজার হাজি দেশে ফিরে এসেছেন বলে জানিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। শনিবার (২২ জুন) হজ পোর্টালে আইটি হেল্পডেস্কের প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়, গত ১৫ জুলাই হজ হয়। হজ শেষে ২০ জুন থেকে দেশে ফেরার ফ্লাইট শুরু হয়। শনিবার সকাল পর্যন্ত ১০টি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন মোট তিন হাজার ৯২০ জন।

হেল্পডেস্কের তথ্যমতে, বাংলাদেশ বিমানের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ৪১৭ হাজি নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ফ্লাইটটি সৌদির কিং আবদুল আজিজ বিমানবন্দর ছেড়ে আসে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায়। পরদিন তিনটি বিমান সংস্থার আরও ১০টি ফ্লাইট হাজিদের নিয়ে দেশে ফিরেছে।‌ আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত হাজিদের ফিরতি ফ্লাইট অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

এবার বাংলাদেশ থেকে সর্বমোট ৮৫ হাজার ২২৫ জন (ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ) হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন। গত ৯ মে থেকে ১২ জুন পর্যন্ত সৌদি আরব যাওয়ার ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে ২১৮টি। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালিত ফ্লাইট সংখ্যা ১০৬টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনস পরিচালিত ফ্লাইট ৭৫টি ও ফ্লাইনাসের ফ্লাইট ৩৭টি।

অন্যদিকে সৌদি আরবের মোট ৩৫ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী মারা গেছেন। সর্বশেষ যশোরের অভয়নগরের মো. শহিদুল ইসলাম (৪৯) নামে একজন হজযাত্রী মারা গেছেন।

মারা যাওয়া হজযাত্রীদের মধ্যে পুরুষ ২৮ জন এবং নারী ৭ জন। মক্কায় ২৮ জন, মদিনায় ৪ জন ও জেদ্দায় একজন মারা গেছেন।


আরও খবর
দেশে ফিরলেন ৫৯ হাজার ৩৩০ হাজি

মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪




মুখোমুখি বিতর্কে অংশ নিলেন বাইডেন-ট্রাম্প

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে প্রথম মুখোমুখি বিতর্কে অংশ নিয়েছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাংলাদেশ সময় আজ শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে সিএনএনের আটলান্টা স্টুডিওতে এই বিতর্ক শুরু হয়। চার বছর পর প্রথমবারের মতো মুখোমুখি এ বিতর্কে অংশ নিলেন বাইডেন ও ট্রাম্প।

বিতর্কের শুরুতে আসে অর্থনীতি ইস্যু। এরপর একে একে গর্ভপাত অধিকার, কর, স্বাস্থ্যসেবা এবং আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার নিয়ে বিতর্কে জড়ান বাইডেন ও ট্রাম্প। প্রসঙ্গক্রমে আসে করোনাভাইরাসের সময় নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপও।

এবার বিতর্কটি অনুষ্ঠিত হয় টেলিভিশন স্টুডিওতে। আগের বিতর্কগুলোতে দর্শকদের উপস্থিতি থাকলেও এবার তেমনটা ছিল না। ফলে দর্শকদের প্রতিক্রিয়া সরাসরি পাওয়া যায়নি। বাইডেনের প্রচার দলের অনুরোধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এ ছাড়া এবারের বিতর্কে একজনের বক্তব্য দেওয়ার জন্য বরাদ্দ সময়ে অন্যজনের মাইক্রোফোন বন্ধ ছিল। সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা এড়াতেই এটি করা হয়েছে। ২০২০ সালে বাইডেন ও ট্রাম্পের প্রথম বিতর্কের সময় বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছিল।

এদিকে বিতর্ক মঞ্চে উঠলেও প্রথা অনুসারে করমর্দন করেননি বাইডেন ও ট্রাম্প। ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের বিতর্কেও কোভিড-১৯ বিধিনিষেধের কারণে করমর্দন করেননি দুজন।

এসময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন সতর্ক করে বলেন, তার বিশ্বাস ভ্লাদিমির পুতিন একজন যুদ্ধাপরাধী। পুতিন পুরোনো সোভিয়েত সাম্রাজ্য আবার প্রতিষ্ঠা করতে চান বলেও অভিযোগ তোলেন বাইডেন।

বিতর্কে ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থের চেয়ে বেশি অস্ত্র দেওয়ার কথাও জোরালোভাবে বলেন বাইডেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, এসব কারণেই আমরা শক্তিশালী।

এদিকে ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধে পুতিনের শর্ত নিয়ে ট্রাম্পকে প্রথমে একবার প্রশ্ন করেন সিএনএনের সঞ্চালক ডানা বাশ। প্রথমবার ট্রাম্প এর উত্তর এড়িয়ে যান। এরপর বাশ দ্বিতীয়বার ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন, পুতিনের শর্তগুলো আপনার কাছে গ্রহণযোগ্য কি না? এর উত্তরে ট্রাম্প বলেন, না, এগুলো গ্রহণযোগ্য নয়।

পুতিন বলেছেন, মস্কোর নিজেদের বলে দাবি করা চারটি অঞ্চল কিয়েভ ফিরিয়ে দিতে রাজি হলে ও ন্যাটোতে যোগ দেওয়া থেকে সরে আসলে ইউক্রেনে রাশিয়া যুদ্ধ থামাবে। এসব শর্ত নিয়েই ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন ডানা।

ট্রাম্প বলেন, তিনি নির্বাচনে জিতলে ইউক্রেনে যুদ্ধ থামাবেন। নির্বাচনী প্রচারেও ট্রাম্প এমনটা বলে থাকেন। তবে তিনি কীভাবে যুদ্ধ থামাবেন তা স্পষ্ট করেননি।


আরও খবর



ব্রাজিলের ৭ গোল হজমের এক দশক পূর্তি

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

হেক্সা জয়ের বড় স্বপ্ন নিয়ে ২০১৪ সালে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল ব্রাজিল। তবে সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ করে স্বাগতিকরা আটকে যায় সেমিতেই। সেবার বেলো হরিজেন্তের মিনেইরো স্টেডিয়াম সেমিফাইনালে জার্মানি গুণে গুণে ৭ বার বল ঢুকিয়েছিল ব্রাজিলের জালে। যা ফুটবল সমর্থকদের কাছে সেভেন আপ নামে পরিচিত। ৮ জুলাই ২০১৪, এই তারিখটা দগদগে ক্ষত হয়ে থাকবে ব্রাজিলের ফুটবলে। সেই ম্যাচের ১০ বছর পূর্তি হল আজ। প্রতি বছর এ দিনটা এলেই দগদগে হয়ে ভেসে ওঠে ভয়াবহ সে স্মৃতি। ৭ শব্দটাই একটা ট্রমাতে পরিণত হয় ব্রাজিলের জন্য।

সেদিনের সেই ম্যাচের আগে ব্রাজিলের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ট্রাজেডির নাম ছিল মারাকানাজো। ১৯৫০ সালের সেই বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচে শুধু ড্র হলেই চলত ব্রাজিলের। এমন উপলক্ষ্যে দুই লাখ দর্শক হাজির হয়েছিলেন মাঠে। কিন্তু উৎসবের সেই ম্যাচ বিষাদে পরিণত হয় উরুগুয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের ২-১ গোলের হারে। লাখো জনতার স্রোতে থেমে যায় সাম্বার উৎসব। ওই ট্রাজেডির ৬৪ বছর পর মিনেইরো স্টেডিয়ামের সেই বিপর্যয়ের পর থেকেই তুলনা চলে, মারাকানাজো নাকি মিনেইরাজো- বিপর্যয়ের মাত্রা বেশি কোনটিতে।

বিশ্ব ফুটবলে সবচেয়ে সফল দল ব্রাজিল, কিন্তু ব্রাজিলিয়ানরাও জানেন এই ইতিহাস আর পাল্টানো যাবে না। যতবার বিশ্বকাপ দরজায় কড়া নাড়বে ততোবার ঘুরে ফিরে আসবে ওই গল্প। সেই দিনের হারার যন্ত্রণাময় মুহূর্ত নিশ্চয়ই এখনও বেশ মনে লেগে আছে বহু সেলেসাও সমর্থকের হৃদয়ে। মিনেইরাজোর সেই ট্রমা ব্রাজিলের প্রাণভোমরা নেইমারও ভুলতে পারেননি। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের আগে এক সাক্ষাৎকারে নেইমার জানিয়েছিলেন, আমি বলবো না সেটা (ঘরের মাঠে জার্মানির বিপক্ষে ৭-১ গোলে হার) আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে মুহুর্ত। তবে এটি অবশ্যই সবচেয়ে কঠিন মুহুর্তগুলির মধ্যে একটি ছিল। আমার প্রথম বিশ্বকাপ, আমার নিজের দেশে, তাই আমি খুব জিততে চেয়েছিলাম।

ব্রাজিলিয়ান দৈনিক গ্লোবো ম্যাচটার স্মৃতি নিয়ে মুখোমুখি হয়েছিল তখনকার জার্মান কোচ জোয়াকিম লো। তাদের দেওয়া সাক্ষাৎকারে এখনও ম্যাচের স্মৃতি তরতাজা জোয়াকিমের, ঘরের মাঠে সেমিফাইনাল খেলাটা সবসময় চাপের। ব্রাজিলও সেই চাপে ছিল। আমি সেই বিশ্বকাপের কথা প্রতিদিনই স্মরণ করি, কারণ এটা বিশেষ অভিজ্ঞতা ছিল। ব্রাজিলের মতো ঐতিহ্যবাহী দেশে বিশ্বকাপ জেতাটা বিশেষ কিছু।

মারাকানায় ব্রাজিলকে ৭-১ গোলে হারানো নিয়ে জোয়াকিম বলেন, ব্রাজিলের জাতীয় সঙ্গীত বাজার পর থেকে দর্শকরা আবেগী হয়ে পড়েছিল। প্রথম কয়েক মিনিট ব্রাজিলই ভালো খেলেছে। কিন্তু প্রথম ১০ মিনিটে গোল পেয়ে গেলাম আমরা (১১ মিনিটে করেছিলেন মুলার)। এটা আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়।

সেই ম্যাচে দুর্দান্ত খেলেন জার্মানির ক্লোসা, মুলার, ক্রুস এবং ওজিল। সবাই মিলে গোল উৎসবে মেতে উঠেছিলেন। জার্মানির সেই বিজয়ী দলের খেলোয়াড় ম্যাটস হামেলস পরে জানিয়েছিলেন, তারা ইচ্ছা করেই বিরতির পর আর কোনো জাদুকরি খেলা খেলতে চাননি। তারা শুধু চেয়েছিলেন ম্যাচটি শেষ করতে। ম্যাটস হামেলস বলেন, আমরা শুধু চেয়েছি খেলায় মনোযোগী থাকতে। খেলার মধ্যে সেলেসাওদের কোনোভাবেই অপমান করতে চাইনি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, খেলার মধ্যে সিরিয়াস থাকতে হবে। তবে ব্রাজিলকে অপমান করা হয়, এমন কিছু থেকে বিরত থাকব। খেলার মধ্যে জয়-পরাজয় থাকবেই। তবে প্রতিপক্ষকে সম্মান দেখাতে হবে। আমরা সে কাজ করেছি। দ্বিতীয়ার্ধের পর আমরা কোনো জাদুকরি খেলা দেখাইনি।

যদিও পরবর্তীতে ম্যাটস হামেলসের এমন কথা উড়িয়ে দিয়েছেন জার্মান কোচ জোয়াকিম। তার কথায়, এটা বাজে কথা। বরং আমি মনে করিয়ে দিয়েছিলাম বাছাইপর্বে সুইডেনের কাছে শুরুতে ৪ গোল দিয়ে শেষ ৩০ মিনিট ৪ গোল হজম করার কথা। ফুটবলে যে কোনও কিছু ঘটতে পারে। তবে খারাপ লাগছিল ব্রাজিলের জন্য। কারণ এর আগে ঘরের মাঠে ২০০৬ বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে এভাবে বাদ পড়ার বাজে অভিজ্ঞতা হয়েছিল আমাদেরও। নিজেদের দলের জন্য গর্ব হলেও ব্রাজিলের জন্য খারাপ লাগছিল আমার।

সেই হারের ১০ বছর পরও বড় কোনো শিরোপা জিততে পারেনি ব্রাজিল। এবারের কোপা আমেরিকায়ও সেলেসাওরা ছিল পরিষ্কার ফেভারিট। তবু কোয়ার্টারেই থামতে হয়েছে তাদের। রোববার উরুগুয়ের বিপক্ষে নির্ধারিত সময়ে গোলশূন্য ড্র করার পর টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে হেরে আসর থেকেই বিদায় নেয় দরিভাল জুনিয়রের দল।


আরও খবর



সিএমপির ৩২তম কমিশনার হিসেবে যোগদান করলেন মো: সাইফুল ইসলাম

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ৩২তম কমিশনার হিসেবে যোগদান করলেন উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক মোঃ সাইফুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ করেন। এসময় সিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ নবনিযুক্ত সিএমপি কমিশনারকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন। পরে দামপাড়াস্থ সিএমপি সদরদপ্তরে পুলিশের একটি চৌকশ দল সশস্ত্র সালাম প্রদান করেন।

সিএমপির দামপাড়াস্থ পুলিশ লাইন্সের জনক চত্বরে স্থাপিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এসময় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) আ স ম মাহাতাব উদ্দিন; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) আবদুল মান্নান মিয়া; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ মাসুদ আহাম্মদ; উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ আব্দুল ওয়ারীশ এবং সিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বিদায়ী সিএমপির কমিশনার অতিরিক্ত আইজিপি কৃষ্ণ পদ রায়কে ২০২২ সালের ৩০ জুন সিএমপি কমিশনার হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ পুলিশ-১ শাখার এক প্রজ্ঞাপনে পদায়ন করা হয়েছিল। তবে পদোন্নতি হওয়ায় গত বুধবার (৩ জুলাই) সিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে বিদায়ী পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়কে আনুষ্ঠানিক বিদায় জানানো হয়।

উল্লেখ্য, নবনিযুক্ত সিএমপি কমিশনার মো: সাইফুল ইসলাম পাবনার একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। তিনি ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।  তিনি ২০০১ সালে ২০তম বিসিএস মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। সিএমপিতে যোগদানের পূর্বে তিনি এমআরটি পুলিশের ডিআইজি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ও চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এছাড়াও তিনি বরিশাল ও বরগুনা জেলার পুলিশ সুপার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশে ২০১২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।


আরও খবর



বাগেরহাটে গলায় ফাঁস দিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বাগেরহাট প্রতিনিধি

Image

বাগেরহাটে গলায় ফাঁস দিয়ে মিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে বাগেরহাট সদর উপজেলার চিতলী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, চিতলী মৃত আঃ আজিজ শেখের ছেলে আবু দাউদ শেখ (৪৯) ও তার স্ত্রী তোহেলি সুলতানা লাকি (৪৫)। তাদের দুটি সন্তান রয়েছে। নিহত আবু দাউদ শেখ স্থানীয় বাজারে ইট বালি ব্যবসা করতেন।

নিহতদের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস লামিয়া (১৭) জানান, তার পিতা মাতার মধ্যে কোন কলহ ছিলনা। গত রাত ৩ টা পর্যন্ত সে তার পিতা-মাতা ও ভাই একই রুমে গল্প করেছে। এরপর তার পিতা মাতা তাদের রুমে ঘুমাতে যা চলে যায়। সকালে তার ভাইয়ের পরীক্ষা থাকায় ঘুম থেকে উঠে পিতা-মাতার রুমের সামনে যায়।

নিহতদের ছেলে আল কাইয়ুম সিয়াম (১৩) জানায়, সকালে ঘুম থেকে উঠে তার বাবা-মায়ের রুমের সামনে গিয়ে তাদের দেখতে পান। এরপর তার বাবা-মা আবার ঘুমাতে যায়। কিছু সময় পর বাসার ছাদে কাজ করা মিস্ত্রিরা এসে কলিং বেল চাপতে থাকে। সে মনে করেছিল তার বাবা-মা উঠে মিস্ত্রিদের দরজা খুলে দেবে। কিন্তু দরজা না খোলায় সে তার বাবা মার দরজায় এসে ধাক্কা দেয়। অনেকক্ষণ ডাকাডাকির পর দরজা না খোলায় পাশের জানালার ফাঁক দিয়ে তার বাবাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে তার মায়ের গলায় ফাঁস লাগানো চিহ্নসহ মৃতদেহ এবং বাবাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে এলাকাবাসী এসে তার বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসরতায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বাগেরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুর রহমান জানান, স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: বাগেরহাট

আরও খবর



এস কে সিনহা ও তার ভাইয়ের মামলায় প্রতিবেদন ২ সেপ্টেম্বর

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

যুক্তরাষ্ট্রে তিন তলা বাড়ির সন্ধান পাওয়ায় সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা (এসকে সিনহা) ও তার ভাই অনন্ত কুমার সিনহার বিরুদ্ধে দুদকের মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়ে আগামী ২ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। বুধবার (২৬ জুন) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আসসামস জগলুল হোসেন প্রতিবেদন দাখিলের এদিন ধার্য করেন।

আজ এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্ত সংস্থা দুদক প্রতিবেদন দাখিল না করায় প্রতিবেদন দাখিলের নতুন এদিন ঠিক করেন আদালত।

২০২১ সালের ১০ অক্টোবর দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদী হয়ে কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) মামলাটি করেন। মামলায় ৭ কোটি ১৪ লাখ ৫ হাজার ৮৬৫ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ভাইয়ের নামে অবৈধভাবে বরাদ্দ নেওয়া পূর্বাচলের প্লটটি এসকে সিনহা ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে পূর্বাচল থেকে উত্তরার সেক্টর-৪ এ স্থানান্তর করেন। পরবর্তীতে রাজউক থেকে অনুমোদনও করান। আর প্লটের যাবতীয় অর্থ মোট ৭৫ লাখ টাকা নিজেই পরিশোধ করেন। পরে ওই প্লটে নয় তলা ভবন নির্মাণ করেন।

দুদকের অনুসন্ধানকালে প্রকৌশলীর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, উত্তরা আবাসিক এলাকায় ভবনের নির্মাণে ব্যয় হয় ৬ কোটি ৩১ লাখ ৫ হাজার ৮৬৫ টাকা। এছাড়া প্লটের মূল্য হিসেবে রাজউকে পরিশোধ করা হয় ৭৫ লাখ টাকা। 

মামলার এজাহারে বলা হয়, এসকে সিনহা ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভাই ও নিজের আত্মীয়ের নামে-বেনামে সম্পদ অর্জন করেছেন, যার কোনো বৈধ উৎস নেই বা তার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ৯ নভেম্বর চার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় পৃথক দুই ধারায় এসকে সিনহাকে ১১ বছর কারাদণ্ড দেন ঢাকার একটি আদালত।


আরও খবর
সেই মিল্টন সমাদ্দারের জামিন

সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪