আজঃ বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

দেশে ৬৫ জনের করোনা শনাক্ত, সুস্থ ১৮

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ জুন ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
স্বাস্থ্য ডেস্ক

Image

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬৫ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৩৯ হাজার ৫৭১ জনে। এ সময়ে করোনায় কারো মৃত্যু হয়নি। শনিবার (৩ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: রেল দুর্ঘটনাস্থলে আসছেন মোদি

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৮ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ২০ লাখ ৬ হাজার ৩৩১ জন।

আরও পড়ুন: ৩০০ সংসদীয় আসনের সীমানা চূড়ান্ত করে গেজেট প্রকাশ

২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৬১টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১ হাজার ৬৪টি। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৬ দশমিক ১১ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ২২ শতাংশ।

আরও পড়ুন: যারা থাকছেন এরদোগানের শপথ অনুষ্ঠানে

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। ২০২১ সালের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।


আরও খবর
বাড়ছে ডেঙ্গু, শতাধিক নতুন রোগী শনাক্ত

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪




নারায়ণগঞ্জের জঙ্গি আস্তানা থেকে তিনটি বোমা উদ্ধার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাব পৌরসভার বরপা এলাকায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ঘিরে রাখা চারতলা ভবনে অভিযান চালিয়ে তিনটি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) বিকেলে পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) পুলিশ সুপার সানোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে ফ্ল্যাটটি থেকে শক্তিশালী তিনটি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। বোমাগুলো নিষ্ক্রিয় করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে আজ মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ঘিরে রাখা চারতলা বাড়িটিতে অভিযান শুরু করে পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট ও পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট সোয়াট।

এটিইউ বলছে, কক্সবাজার থেকে সোমবার (১ জুলাই) এক নারী জঙ্গিকে আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জের এই বাড়ির সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর মঙ্গলবার সকালে চারতলা সৌদি প্রবাসী জাকির হোসেনের মালিকানাধীন বাড়িটি ঘিরে ফেলা হয়। অভিযানের নেতৃত্বে দিচ্ছেন এটিইউর পুলিশ সুপার (অপারেশনস) সানোয়ার হোসেন।

অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার (মিডিয়া অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস) মাহফুজুল আলম রাসেল জানান, গত মাসের ৯ জুন নেত্রকোণা সদর উপজেলার কাইলাটি ইউনিয়নের ভাসাপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালায় এটিইউ। নেত্রকোণার ওই ঘটনায় তথ্যের ভিত্তিতে ওই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উল্লেখ্য, নেত্রকোণায় দিনভর অভিযানে সেখান থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ১৭ রাউন্ড গুলি, জঙ্গি প্রশিক্ষণের বই, প্রশিক্ষণের জন্য খেলনা পিস্তল, হাতকড়া, ওয়াকি-টকি, একটি ল্যাপটপ, দুটি দুরবিন, পাঁচটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন, শরীরচর্চার সরঞ্জাম, বেশকিছু জঙ্গি প্রশিক্ষণের ডিভাইসসহ ৮০ ধরনের মালপত্র জব্দ করে পুলিশ। এ ছাড়া ছয়টি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়।


আরও খবর



বাঁশখালীতে শাশুড়ির মামলায় ২৯ বছর পর সাজাপ্রাপ্ত জামাই গ্রেফতার

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
Image

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

বাঁশখালীতে শ্বাশুড়ির মামলায় ২৯ বছর ধরে পলাতক ১০ বছর সাজাপ্রাপ্ত জামাতা কামরুল ইসলাম (৫২) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত কামরুলের ভাই মো. সেলিম (৪৮) কেও গ্রেপ্তার করা হয়।

শনিবার (২৯ জুন) রাতে বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মজনু মিয়ার নেতৃত্বে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ধামাইরহাট থেকে দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার কামরুল ইসলাম ও মো. সেলিম বাঁশখালীর বাহারছড়া ইউনিয়নের চাঁপাছড়ি গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে।

জানা গেছে, ১৯৯৫ সালে কিশোরী শওকত আরা বেগম রুমিকে অপহরণ করে কামরুল ইসলাম ও তার ভাই সেলিম। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরী রুমির মা বুলবুল আক্তার বাঁশখালী থানায় মামলা দায়ের করেন। ১৯৯৯ সালে আদালত ওই মামলায় দুই আসামিকে ১০ বছর সাজা দেন। একই সাথে অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও তিন মাস করে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়। এরপর থেকে পলাতক ছিলেন সাজাপ্রাপ্ত দুই ভাই।

বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তোফায়েল আহমদ বলেন, গ্রেপ্তার দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে একটি করে মোট দুইটি জিআর সাজা পরোয়ানা আছে। দুই মামলায় উভয়ের ১০ বছর করে সাজা পরোয়ানা রয়েছে। একই সাথে অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো তিন মাস করে সাজা আছে। কামরুলের বর্তমানে ছেলে-মেয়ে এবং নাতি পর্যন্ত হয়ে গেছে।


আরও খবর



ফ্রান্সের নির্বাচনে বামপন্থিদের জয়, হচ্ছে ঝুলন্ত পার্লামেন্ট

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফ্রান্সের পার্লামেন্ট নির্বাচনে দ্বিতীয় দফার ভোটে কোনো দল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। তবে আনুষ্ঠানিক ফলাফলে দেখা গেছে বামপন্থি জোট নিউ ফ্রন্ট পপুলার (এনএফপি) সবচেয়ে বেশি আসনে জয় পেয়েছে।

সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ফ্রান্সের পার্লামেন্ট নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটে উগ্র ডানপন্থিরা এগিয়ে থাকলেও দ্বিতীয় দফায় তারা তা ধরে রাখতে পারেনি। এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও বামপন্থি এনএফপি এগিয়ে রয়েছে।

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটির ৫৭৭ আসনের পার্লামেন্টে বামপন্থি এনএফপি জোট ১৮২ আসন পেয়েছে। প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর মধ্যপন্থি জোট এনসেম্বল পেয়েছে ১৬৮টি। আর উগ্র ডানপন্থি দল ন্যাশনাল র‌্যালির (আরএন) পেয়েছে ১৪৩টি আসন। এছাড়া কনজারভেটিভ রিপাবলিক পেয়েছে ৬০টি আসন।

ফ্রান্সে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন হয় ২৮৯টি আসন। নির্বাচনের প্রাথমিক ফল অনুযায়ী তিন পক্ষের কেউই প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। সেক্ষেত্রে বাম জোটকে সরকার গঠন করতে হলে অন্যদের সমর্থন নিতে হবে। যদিও তিন পক্ষের একসঙ্গে কাজ করারও নজির নেই। এ অবস্থায় ফ্রান্সে এখন ঝুলন্ত পার্লামেন্ট গঠনের সম্ভাবনাই বেশি।

এদিকে রোববারের (৭ জুলাই) প্রাথমকি ফলাফল ঘোষণার পর দেশটির নিউ পপুলার ফ্রন্টের সমর্থকেরা রাজধানী প্যারিসসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে আনন্দ উচ্ছ্বাস আর মিছিল করেছে।

নিউ পপুলার ফ্রন্টের নেতারা বলছেন, জনগণের কাছে দেয়া অঙ্গীকার তারা বাস্তবায়নের চেষ্টা করবেন। প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ দ্রুত বাম জোটকে সরকার গঠনের আহ্বান জানাবেন বলে আশাবাদী সমর্থকরা।

গত রোববার (৩০ জুন) ফ্রান্সে প্রথম ধাপের পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে প্রায় ৩৪ শতাংশ ভোট পেয়ে জয় লাভ করে মেরিন লে পেনের কট্টর ডানপন্থি দল ন্যাশনাল র‍্যালি (আরএন)। অন্যদিকে প্রায় ২৯ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থান পায় বামপন্থি দলগুলোর জোট নিউ পপুলার ফ্রন্ট। ম্যাক্রোঁর দল ২০.৭ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে নেমে যায়।


আরও খবর



মিছিল নিয়ে শাহবাগ থানায় শিক্ষকরা, ছাড়িয়ে নিলেন দুই শিক্ষার্থীকে

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঢাবি প্রতিনিধি

Image

মিছিল নিয়ে রাজধানীর শাহবাগ থানায় গিয়ে আটক দুই শিক্ষার্থীকে ছাড়িয়ে নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। আজ বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কোটা সংস্কার দাবিতে আন্দোলনরত দুই শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামিনা লুৎফা বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীদের আটকে রাখার খবর পেয়ে আমরা মিছিল নিয়ে শাহবাগ থানায় গেছি। পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছি। পরে পুলিশ দুই শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দিয়েছে।

এর আগে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে নিপীড়নবিরোধী শিক্ষক ব্যানারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা থেকে মিছিল বের করেন শিক্ষকরা। তারা মিছিল নিয়ে শাহবাগ থানায় যান।

মিছিলের আগে সামিনা লুৎফা বলেন, একটা আন্দোলন হচ্ছে। এটার সমাধান আছে। এটার জন্য কেন গুলি করবে? মানুষ মারা যাবে কেন? ছাত্রদের নির্যাতন করা হচ্ছে কেন? এগুলোর সমাধান চাই।

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে পুলিশ, ছাত্রলীগ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে মঙ্গলবার ছয়জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে চট্টগ্রামে তিনজন, ঢাকায় দুজন ও রংপুরের একজন রয়েছেন।

এ অবস্থায় দেশের সব সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আবাসিক হল ত্যাগের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাত ১১টার দিকে সরকারের এ সিদ্ধান্ত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এতে সই করেছেন ইউজিসির সচিব ড. ফেরদৌস জামান।

এরও আগে গতকাল কোটা সংস্কার আন্দোলনে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দেশের সব স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ক্লাস বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। পাশাপাশি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত দেশের সব কলেজ বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।

এছাড়া চলমান এইচএসসি ও সমমানের বৃহস্পতিবারের (১৮ জুলাই) সব পরীক্ষা স্থগিত করেছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।


আরও খবর
যে কারণে চাকরি ছাড়লেন জাবি শিক্ষক

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




বাড়তি ভাড়া রিকশা-সিএনজিতে, ভরসা মেট্রোরেল-বিআরটিসি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনে হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সারাদেশে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এ কারণে সকাল থেকেই রাজধানীতে বিআরটিসি-মেট্রোরেল ছাড়া অন্য কোনো গণপরিবহন নেই বললেই চলে। দু-একটা বেসরকারি পরিবহন চলাচল করলেও সেগুলোতে যাত্রীরা হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন।

এ অবস্থায় ঢাকার সড়কে আজ রিকশা, মোটরসাইকেল আর সিএনজিচালিত অটোরিকশাই হয়ে উঠেছে যাতায়াতের প্রধান ভরসা। যদিও এই সযোগে এসব যানবাহনেও হাঁকানো হচ্ছে বাড়তি ভাড়া।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নগরীর শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পুরানা পল্টন, নয়াপল্টন, গুলিস্তান, মোহাম্মদপুর ও ধানমন্ডি এলাকার বিভিন্ন সড়ক ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, মোহাম্মদপুর থেকে জিগাতলা পর্যন্ত ৮০ থেকে ৯০ টাকা রিকশা ভাড়া চাওয়া হচ্ছে। স্বাভাবিক দিনে একই রুটে রিকশা ভাড়া ৫০ থেকে ৬০ টাকা। মোহাম্মদপুর থেকে পল্টন রুটে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা ভাড়া হাঁকছেন সিএনজি অটোরিকশা চালকেরা। অন্য সময়ে যাওয়া যায় ২৫০ টাকা।

এ অবস্থায় শাটডাউনের দিনেও নগরবাসীকে নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিচ্ছে বিআরটিসি বাস ও মেট্রোরেল। তবে এসব পরিবহনেও যাত্রীদের ভিড় অনেক বেশি দেখা গেছে।

অন্যদিকে, শাহবাগ-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়ও থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। শাহবাগ থানার সামনে পুলিশের ব্যারিকেট বসানো হয়েছে। সব ধরনের যানবাহন এমনকি রিকশা-মোটরসাইকেল চলাচলও বন্ধ রয়েছে। তবে শাহবাগ থেকে ঢাকা মেডিকেলগামী যাত্রীরা যাতায়াত করতে পারছেন চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখিয়ে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-টিএসসি এলাকায় কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচির পক্ষে আন্দোলনকারীদের দেখা যায়নি। বিজিবি-পুলিশ-আনসার সদস্যরা সব জায়গায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। পল্টন-কাকরাইল এলাকায় যানবাহন তেমন চোখে পড়েনি। রিকশা-সিএনজি চলাচল বেশি দেখা গেছে।

সকাল থেকে রাজধানীর সড়কগুলোতে গণপরিবহন ছিল একেবারেই কম। এতে ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী। বিশেষত সকালে অফিস-কর্মস্থলগামী মানুষদের সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে দেখা যায়।

সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস হিসেবে বৃহস্পতিবার সকালের দিকে ঢাকার সড়কগুলোতে এমনিতেই যানবাহনের চাপ বেশি থাকে। তবে আজ তেমনটি দেখা যায়নি। ঢাকার বেশিরভাগ সড়ক ছিল ফাঁকা।

সকাল থেকে পল্টন এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশের উপস্থিতি চোখে পড়েছে। সেখানে পুলিশের সাঁজোয়া যান প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মিরপুরের শেওড়াপাড়া থেকে ১০ নম্বরের গোলচক্কর পর্যন্ত অধিকাংশ মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। অন্যান্য দিনের তুলনায় যানবাহন ও যাত্রী চলাচল খুবই কম। নগরীর মোহাম্মদপুর-পল্টন এলাকার অধিকাংশ স্থানেও দোকানপাট বন্ধ দেখা গেছে।


আরও খবর