আজঃ মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

ডেঙ্গুতে আরও ১০ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৮০০

প্রকাশিত:শনিবার ২৮ অক্টোবর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৮ অক্টোবর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
স্বাস্থ্য ডেস্ক

Image

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ১৮০০ জন। শনিবার (২৮ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৮০০ জন। এরমধ্যে ঢাকা সিটির ৪০৭ জন এবং ঢাকা সিটির বাইরে এক হাজার ৩৯৩ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৭ হাজার ৯১ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ লাখ ৬৫ হাজার ৮৬২ জন। সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৪৪ জন। মারা গেছেন ১ হাজার ৩২৭ জন।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান জানান, ডেঙ্গু এখন সিজনাল নেই, সারা বছরই হচ্ছে। বৃষ্টি শুরু হলে এটা বাড়ছে। গত বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ জুন মাস থেকে শুরু হয়েছিল। কিন্তু চলতি বছর মে মাস থেকেই আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে গেছে।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিরোধক ওষুধ ব্যবহারের পাশাপাশি সিটি করপোরেশনে পক্ষ থেকে সব জায়গায় প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে। একই সঙ্গে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন বছরব্যাপী নানা উদ্যোগ নিলেও কীটতত্ত্ববিদ ড. মনজুর চৌধুরী বলছেন, মশানিধনে শুধু জেল-জরিমানা আর জনসচেনতনা বাড়িয়ে কাজ হবে না। সঠিকভাবে জরিপ চালিয়ে দক্ষ জনবল দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।

উল্লেখ্য, গত বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৬২ হাজার ৩৮২ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ২৮১ জন।


আরও খবর



বিদ্রোহীদের গুলিতে জান্তার হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ৫

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

মিয়ানমারের কারেন রাজ্যে বিদ্রোহীদের গুলিতে সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ও বাকিরা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। সোমবার (২৯ জানুয়ারি) দেশটির থিনগান নাইনাং শহরে এ ঘটনা ঘটে।

থাইল্যান্ডভিত্তিক মিয়ানমারের ইংরেজি দৈনিক ইরাবতির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ নিয়ে এক মাসে জান্তার তিনটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত করেছে বিদ্রোহী গোষ্ঠীরা।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জান্তার হেলিকপ্টারটি বিকালে থিনগান নাইনাং শহরে কারেন ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (কেএনএলএ) ও তাদের সহযোগী পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের যোদ্ধাদের হামলার মুখে পড়ে।

হামলায় জড়িত কেএনএলএর মিত্র প্রতিরোধ শক্তি কোবরা কলামের একটি সূত্র বলেছে, তারা মেশিনগান, স্নাইপার রাইফেল এবং অন্য অস্ত্র থেকে জান্তার হেলিকপ্টারে গুলি ছোড়ে। এতে জান্তার একটি পদাতিক ডিভিশনের প্রধান, হেলিকপ্টারের পাইলট এবং নিরাপত্তা বাহিনীর অন্য সদস্যরা নিহত হয়েছে।

জান্তাপন্থী গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় দুই ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নিহত হয়েছে এবং আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছে। তবে আহত কর্মকর্তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।


আরও খবর
বিশ্ববাজারে আবারো কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে সারাদেশে পবিত্র শবে বরাত পালিত

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা এবং দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মার শান্তি-সমৃদ্ধি কামনার মধ্য দিয়ে পালন হলো মহিমান্বিত রাত পবিত্র শবেবরাত। মহান আল্লাহর রহমত লাভের আশায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা রাতভর ইবাদত-বন্দেগিতে মগ্ন ছিলেন।

প্রতি বছর হিজরি বর্ষের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটি শবে বরাত’ হিসেবে পালিত হয়। এবারও যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে সারাদেশে পবিত্র শবে বরাত’ পালিত হয়েছে। এদিন রাতে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ আদায়, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির, ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলসহ নানা ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে রাতটি অতিবাহিত করেছেন।

সৌভাগ্যের এ রজনীতে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে নারী-পুরুষ-শিশু-বৃদ্ধসহ সর্বস্তরের মুসলমানরা মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল ছিলেন। কেউ কেউ ইবাদতে মশগুল থেকেছেন ফজরের নামাজ পর্যন্ত। এ উপলক্ষে অনেকে নফল রোজাও রেখেছেন।

মহিমান্বিত এ রাতে মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের মুসলমানরাও বিশেষ মোনাজাত ও দোয়ায় শামিল ছিলেন। এদিন রাতে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে মিলাদ ও বিশেষ মোনাজাত হয়েছে।

এ ছাড়া রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিল-ওয়াজ মাহফিল, কোরআন তিলাওয়াত, মিলাদ মাহফিল, হামদ, নাত, নফল নামাজ, তাহাজ্জুদের নামাজ ও আখেরি মোনাজাত।

পবিত্র এ রাতে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের এবাদত বন্দেগির জন্য জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের সব মসজিদ সারা রাত খোলা রাখা হয়েছিল।

এদিকে পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

এ ছাড়া পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, শবে বরাত সম্পর্কে হাদিসে বলা হয়েছে- নবী করিম (সা.) বলেছেন, আল্লাহতায়ালা অর্ধশাবানের রাতে (শবে বরাত) মাখলুকাতের দিকে রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ছাড়া আর সবাইকে ক্ষমা করে দেন। যে রাতে বান্দাকে তার প্রতিপালক গোনাহ থেকে মুক্তি দিয়ে ক্ষমা করে দেন।


আরও খবর



টিসি দেওয়ার হুমকি দিয়ে বিয়ে করেছে মুশতাক: তিশার মা

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

খন্দকার মুশতাক আহমেদ ও সিনথিয়া ইসলাম তিশার অসম বিয়ে নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। ৬০ বছরের মুশতাককে নিজেদের ১৮ বছরের মেয়ে তিশার জামাই হিসেবে কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না তার পরিবার। তিশার বাবা সাইফুল ইসলাম প্রথম থেকেই মুশতাক আহমেদের বিরুদ্ধে নানা আভিযোগ তুলছিলেন। এবার এ বিষয়ে মুখ খুললেন তিশার মা। তিনি বলেন, টিসি দেওয়ার হুমকি দিয়ে বিয়ে করেছে মুশতাক।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুক লাইভে এসে তিশার মা বলেন, তিশাকে ব্লাকমেইল করেছেন খন্দকার মুশতাক আহমেদ। তাকে জিম্মি করে কাবিননামায় স্বাক্ষর নিয়েছেন তিনি। তাকে যে বিয়ে করেছে এর সাক্ষী কাজী ছাড়া আর কেউ নেই।

তিনি বলেন, তিশা এখন যা বলছে সব শেখানো কথা। এখন মুশতাক নিজে বাঁচতে তিশাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। মুশতাক ভালো করেই জানে যে, তিশা একবার মুখ খুললে তার (মুশতাক) খবর আছে। তিশা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে কিন্তু তাকে (তিশা) মুশতাক কোনোভাবেই যোগাযোগ করতে দিচ্ছে না। তিশা অনেক ভীতু মেয়ে এবং সহজ সরল। তাকে যেভাবে পরিচালনা করছে সেভাবে সে পরিচালিত হচ্ছে।

তিশার মা বলেন, তিশাকে জোর করে কাবিননামায় স্বাক্ষর নিয়েছে। খন্দকার মুশতাকের বিচার ও শাস্তি চাই। আমার মেয়েকে জিম্মি করে কাবিননামায় সই দিতে বলে মুশতাক। কিন্তু আমার মেয়ে সই দিবে না, তখন বলে যে তোমার ছবি ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেব। টিসি দিয়ে স্কুল থেকে বের করে দেব। আমি গভর্নিং বডির সদস্য; প্রিন্সিপাল আমার ক্লোজ, এটা তো জানোই। বাধ্য হয়ে তিশা সই করে। এটাকে আমি বিয়ে বলব না।


আরও খবর
ছুটির দিনেও ঢাকার বায়ু ‌‘অস্বাস্থ্যকর’

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রমজানে পুরো মাস বন্ধ থাকবে মাদরাসা

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আসন্ন রমজানে স্কুল-কলেজ ১৫ দিন ও প্রাথমিক স্কুল ১০ দিন খোলা থাকলেও পুরো মাস বন্ধ থাকবে মাদরাসা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাদরাসা ও কারিগরি বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশোধিত শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, পুরো রমজান মাস বন্ধ থাকবে সরকারি ও বেসরকারি (স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল) মাদরাসা। মন্ত্রণালয়ের মাদরাসা ও কারিগরি বিভাগের উপসচিব হাসিনা আক্তার স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের সংশোধিত ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি প্রকাশ করা হয়।

মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. শাহীনুর ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়নের তাগিদ দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, আসন্ন রমজানে সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সরকারি ও বেসরকারি কলেজগুলোতেও শ্রেণি কার্যক্রম সচল রাখার নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। তবে পুরো রমজান ছুটি পাচ্ছেন মাদরাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

প্রজ্ঞাপনে ৭ মার্চ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ৩০ দিন ছুটির কথা উল্লেখ রয়েছে। সে অনুযায়ী, পুরো রমজান মাস ছুটি পাচ্ছে মাদরাসা শিক্ষার্থীরা।

এর আগে বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় ছাড়াও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, আসন্ন রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আংশিক খোলা থাকবে। এরমধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল-কলেজ ও সরকারি-বেসরকারি উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ের কলেজগুলো রমজানের প্রথম ১৫ দিন এবং প্রাথমিক পর্যায়ের স্কুল রমজানের প্রথম ১০ দিন খোলা থাকবে।


আরও খবর



ঢাবির অধ্যাপক নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঢাবি প্রতিনিধি

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেছেন একই বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের নিকট অভিযোগপত্র দায়ের করেছেন তিনি।

প্রক্টরের নিকট অভিযোগপত্রে ওই নারী লিখেছেন, অধ্যাপক নাদির জুনাইদ কর্তৃক যৌন হয়রানির কারণে বিগত দেড় বছর প্রচণ্ড মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে গেছেন তিনি। একপর্যায়ে ঘুমের ওষুধ নিতে হয়েছে তার। গত বছরের শুরুতে কাউন্সিলিংও করেছেন তিনি। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, অধ্যাপক নাদির জুনাইদ বিভিন্ন সময়ে কথাবার্তায় তাকে যৌন ইঙ্গিত দিতেন এবং প্ররোচিত করতে চেষ্টা করতেন। যৌন প্ররোচনায় সাড়া না দিলে শিক্ষার্থীকে অনুভূতিহীন, নির্বোধ, ডাক্তার দেখানো উচিত প্রভৃতি মন্তব্য করতেন।

ওই শিক্ষার্থী বলেন, অধ্যাপক নাদির জুনাইদ বিয়ের প্রসঙ্গে কথা বলেন এবং স্পষ্টভাবে আমার দিকে ইঙ্গিত করেন। আমি খুব অবাক হই এবং খুব অস্বস্তিতে পড়ি। তবে, আমি কৌশলে তাকে নাকচ করে দিই।

তিনি আরও জানান, নাদির জুনাইদ ঘন ঘন দেখা করতে বলতেন এবং তার বাসায় আমন্ত্রণ জানাতেন। আমি প্রতিবারই বিভিন্ন অযুহাতে নাকচ করতাম। অধ্যাপক নাদির জুনাইদের ব্যক্তি-আক্রোশের শিকার হওয়ার ভয়ে গত দেড় বছর যাবৎ মুখ বুজে সব সহ্য করেছি।

অধ্যাপক নাদির জুনাইদ অনান্য নারী শিক্ষার্থীর শরীরের অবয়ব নিয়ে নোংরা মন্তব্য করতেন উল্লেখ করে ওই শিক্ষার্থী অভিযোগপত্রে লিখেছেন, নাদির জুনাইদ পরিচয়ের শুরুতে উনার সুন্দর আচরণ দিয়ে শিক্ষার্থীদের মুগ্ধ করেন।

আদর্শের ভেক ধরে থাকেন। এর মাধ্যমে ধীরে ধীরে নারী শিক্ষার্থীদের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। আমার সাথে কথোপকথনের সময়ও উনি বিভিন্ন নারী শিক্ষার্থীদের নাম উল্লেখ করতেন। এমনকি বিভিন্ন সময় তাদের শারীরিক অবয়ব নিয়েও নোংরা মন্তব্য করেছেন। আমার মত অনেক শিক্ষার্থীকেই বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন বিভিন্ন সময় জানতে পেরেছি।

সাংবাদিকতা বিভাগের এই অধ্যাপক বিভাগে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে উল্লেখ করে অভিযোগপত্রে ভুক্তভোগী উল্লেখ করেছেন, আমরা নিজ বিভাগে ভয়ের সংস্কৃতির মধ্যে বেড়ে উঠছি, নিজেদের মধ্যে সেলফ সেন্সরশিপ আরোপ করছি। একজন শিক্ষকের কাছে সবাই কোণঠাসা হয়ে পড়লাম। যেখানে উনি উনার মতো একটা ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছেন, আর সামনে করতে যাচ্ছেন।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাকসুদুর রহমান বলেন, অভিযোগপত্রটি হাতে এসেছে। এটি উপাচার্যের স্যারের অফিসে রাখা হয়েছে। উপাচার্য স্যার টুঙ্গিপাড়ায় গিয়েছেন। স্যার ঢাকায় ফেরার পর তার কাছে অভিযোগ পত্রটি জমা দেয়া হবে। উপাচার্য স্যারই এবিষয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।


আরও খবর