আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

ডেঙ্গুতে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৪২৯ জন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৬ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
স্বাস্থ্য ডেস্ক

Image

বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত (একদিনে) সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। একইসঙ্গে এই সময়ে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ১৪২৯ জন রোগী।

আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩০২ জন আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১১২৭ জন।

বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ৫ হাজার ৫৫৮ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। ঢাকার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ১ হাজার ৪৫৭ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৪ হাজার ১০১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ২ লাখ ৯৮ হাজার ৯৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ১ লাখ ৪ হাজার ৮৭৮ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন ১ লাখ ৯৩ হাজার ২১৬ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ লাখ ৯১ হাজার ৮ জন। ঢাকায় ১ লাখ ২ হাজার ৫৩১ এবং ঢাকার বাইরে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৪৭৭ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ১৫২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।


আরও খবর
করোনার কিছু টিকায় সমস্যা বেড়েছে: গবেষণা

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মানুষের মস্তিষ্কে প্রথমবারের মতো চিপ স্থাপন করল মাস্কের নিউরালিংক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

Image

মানুষের মস্তিষ্কে প্রথমবারের মতো চিপ স্থাপন করেছে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান নিউরালিংক। স্থানীয় সময় গতকাল রোববার এই চিপ স্থাপনের কাজটি করা হয়। ইলন মাস্কে নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করলেও তাঁর প্রতিষ্ঠান নিউরালিংক এ বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কোনো তথ্য দেয়নি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ইলন মাস্ক আজ সোমবার তাঁর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এক্সে শেয়ার করা এক পোস্টে মানুষের মস্তিষ্কে চিপ স্থাপনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, চিপ স্থাপনের পর প্রাথমিক ফলাফল অনুসারে, চিপটি নিউরনের স্পাইক শনাক্তকরণে বেশ ভালো সক্ষমতা দেখিয়েছে।

সাধারণত নিউরনের কর্মকাণ্ডকে স্পাইক বলে আখ্যা দেওয়া হয়। তবে একে সেল বা কোষও বলা হয়। মূলত, মানুষের মস্তিষ্ক যে বৈদ্যুতিক ও রাসায়নিক সংকেতের মাধ্যমে সারা দেহে তথ্য আদানপ্রদান করে সেই প্রক্রিয়াকে স্পাইক বলা হয়।

 যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) গত বছর নিউরালিংকে মানুষের মস্তিষ্কে চিপ বসানোর বিষয়টি পরীক্ষা করার জন্য ছাড়পত্র দিয়েছিল। মূলত পক্ষাঘাতগ্রস্ত ও স্নায়বিক সমস্যায় ভোগা রোগীদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে এটি একটি মাইলফলক। এর পর, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে মানুষের মস্তিষ্কে চিপ বসানোর আনুষ্ঠানিক অনুমতি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে নিউরালিংক।

মাস্কের প্রতিষ্ঠান কিছুদিন আগে এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, এই চিপ বসানোর কাজে রোবটের সাহায্য নেওয়া হবে। রোবটের সাহায্যে মানুষের মস্তিষ্কের এমন একটা অংশে এই চিপ বা ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেস (বিসিআই) স্থাপন করা হবে যেটি মানুষের চলাফেরার বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করে।

নিউরালিংক জানিয়েছিল, তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হলোকোনো যন্ত্রের সহায়তা না নিয়ে কেবল মস্তিষ্কের চিন্তার মাধ্যমে কম্পিউটার কারসর বা বা কিবোর্ড নিয়ন্ত্রণে সক্ষম করে তোলা। প্রতিষ্ঠানটির দেওয়া তথ্য বলছে, চিপটির আলট্রা-ফাইন থ্রেড যাদের মস্তিষ্কে স্থাপন করা হবে তাদের মস্তিষ্কে সংকেত প্রেরণে সহায়তা করবে।

নিউরালিংকের প্রথম চিপটিকে টেলিপ্যাথি নামে আখ্যা দেওয়া হবে জানিয়েছিলেন ইলন মাস্ক। তিনি গত ১০ সেপ্টেম্বর জানিয়েছিলেন, তাঁর প্রতিষ্ঠান বানরের ওপর এই চিপ স্থাপনের পরীক্ষা চালিয়েছে। কিন্তু এই পরীক্ষায় কোনো বানর মারা যায়নি।


আরও খবর



পর্যায়ক্রমে সব উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম তৈরি করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, পর্যায়ক্রমে সব উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম তৈরি করা হবে। তিনি বলেন, এর মূল লক্ষ্য সব ধরনের খেলার পাশাপাশি দেশীয় খেলাগুলো যেন হারিয়ে না যায়, সেটির চর্চা বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে। আজকের শিশুরা যাতে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে সুস্থ নাগরিক হয়ে পরিবার, সমাজ এবং দেশের জন্য অবদান রাখতে পারে।

বুধবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) ৫২তম শীতকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৪ এর চূড়ান্তপর্বের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী দেশীয় খেলাগুলো যেন হারিয়ে না যায়, যেমন হাডুডু থেকে শুরু করে সব ধরনের দেশীয় খেলার চর্চা বাড়ানোর আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের ছেলে-মেয়েরা মেধাবী। সুযোগ করে দিলে তারা আরও ভালো করতে পারবে। সব ধরনের খেলাকে আমাদের হাতে আনতে হবে। আমাদের কিছু দেশীয় খেলা, সেই ডাংগুলি থেকে শুরু করে, বিভিন্ন খেলাধুলা আগে প্রচলিত ছিল। সেগুলো আমাদের আবার চালু করা উচিত। আমাদের নিজস্ব দেশীয় খেলাগুলো, হাডুডু থেকে শুরু করে সবগুলো খেলা সক্রিয় রাখতে উদ্যোগ নিতে হবে। আমাদের ছেলে-মেয়েরাসহ সবাই মিলে উদ্যোগ নেবে, যেন দেশীয় খেলাগুলো হারিয়ে না যায়।

তিনি আরও বলেন, খেলাধুলাকে আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আমি চাই, আমাদের ছেলেমেয়েরা আরও বেশি উন্নত প্রশিক্ষণ নিক। তাদের উন্নত প্রশিক্ষণ দরকার। কাজেই আগে প্রশিক্ষক তৈরি করা একান্তভাবে দরকার। প্রতিটি বিভাগে ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) গড়ে তোলা হবে। যেন আমাদের ছোট্ট শিশুরা খেলাধুলায় আরও বেশি পারদর্শী হতে পারে। ছোট বেলা থেকে যদি শিশুদের খেলাধুলায় প্রশিক্ষণ দেয়া যায়, তাহলে তারা আগামীতে দক্ষতার পরিচয় দিতে পারবে।

তিনি বলেন, উপজেলা পর্যায়ে কয়েকটি মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব উপজেলায় এটি তৈরি করা হবে। যাতে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে সুস্থ নাগরিক হয়ে পরিবার, সমাজ এবং দেশের জন্য অবদান রাখতে পারে আজকের শিশুরা। এটা (স্টেডিয়াম) তৈরি করার মূল লক্ষ্য হলো, তারা যেন কোনো নো কোনো খেলার সাথে সারা বছর যুক্ত থাকতে পারে। ক্রিকেট ও ফুটবল স্টেডিয়াম তো আছে সেগুলো আলাদা। কিন্তু উপজেলা পর্যায়ে কয়েকটি মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করার একটা লক্ষ্য হচ্ছে, সেখানে সব ধরনের খেলাধুলা হবে, প্রতিযোগিতা হবে। আন্তঃস্কুল, আন্তঃকলেজ ও আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় খেলার প্রতিযোগিতার আয়োজন করার জন্য।


আরও খবর
জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৬ মৃত্যু

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




আজীবন সম্মাননা পেলেন বসুন্ধরার এমডি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

আবাসন ও জুয়েলারি শিল্পে অসামান্য অবদান রাখায় গ্লোবাল ব্র্যান্ডস ট্রাব স্মার্ট পারফরম্যান্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৪ পেলেন বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীর। বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অব বাংলাদেশ (ট্রাব) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও স্মার্ট বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এই পুরস্কার দেয়।

অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডির পক্ষ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের পরিচালক ও কালের কণ্ঠর প্রধান সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন। প্রধান অতিথি ছিলেন ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ।

অনুষ্ঠানে সংগীতে অবদান রাখায় বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, সংস্কৃতিতে অবদান রাখায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসান উল্লাহ মনি, মানব কল্যাণে পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মহিউদ্দীন মহারাজ, রম্য রচনায় আবু হেনা মোরশেদ জামান, সফল উদ্যোক্তায় পান-সুপারির স্বত্বাধিকারী কণা রেজাসহ বিভিন্ন খাতে অবদান রাখায় গুণীজনদের সম্মাননা দেওয়া হয়।

ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেন, মাতৃভাষার লড়াই মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে জড়িত। মাতৃভাষার জন্য আন্দোলন শুরু করেছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। মাতৃভাষা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যাওয়ার কারণ হচ্ছে, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার। জাতির পিতা সংবিধানেও সেটি উল্লেখ করেন। সেই ভাষা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সব ভাষা এবং সংস্কৃতির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক থাকবে। তবে নিজের ভাষা-সংস্কৃতি ভোলা যাবে না।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ট্রাবের ইন্ডিয়া বাংলাদেশ গ্লোবাল ফ্রেন্ডশিপ ফোরামের সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা রেদুয়ান খন্দকার। উদ্বোধন করেন সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান এমপি। বিশেষ অতিথি  ছিলেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সংসদ সদস্য মহিউদ্দীন মহারাজ (পিরোজপুর-২), বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য দেন টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অব বাংলাদেশের সভাপতি সালাম মাহবুদ।


আরও খবর



বিশ্ব নেতাদের প্রতি অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ব নেতাদের সামনে ছয়টি প্রস্তাব পেশ করে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলির জন্য জলবায়ু অর্থায়ন ছাড় করার এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার জন্য তহবিলকে সরিয়ে আনার লক্ষ্যে অর্থহীন অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, অর্থহীন অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করতে হবে এবং এর পরিবর্তে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহের জন্য সম্পদের সংস্থান করা দরকার। আমাদের মনে রাখতে হবে যে, মানবতার অস্তিত্ব যখন হুমকির মুখে পড়বে, তখন সংকীর্ণ স্বার্থ রক্ষার পথ অনুসরণ করলে তা কোনো সুফল বয়ে আনবে না।

শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জার্মানিতে মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্স ২০২৪-এ ফ্রম পকেট টু প্ল্যানেট: স্কেলিং আপ ক্লাইমেট ফাইন্যান্স শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় তিনি তার প্রস্তাবিত পরামর্শে এই মন্তব্য করেন।

ছয়টি পরামর্শ তুলে ধরার সময় তার প্রথম পরামর্শ উপস্থাপন করে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সঠিক পথে রাখতে জলবায়ু অর্থায়নের বরাদ্দ ছাড় করার সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।

তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, উন্নত দেশগুলিকে পরিকল্পনার ভিত্তিতে ২০২৫ সাল পর্যন্ত দুই বছরে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের প্রতিশ্রুতি মেনে চলতে হবে।

তিনি বলেন, এই বছরের শেষ নাগাদ, আমাদের সকলকে অবশ্যই বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ভিত্তিতে বিশেষ করে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ওপরে ২০২৫-পরবর্তী একটি নতুন জলবায়ু অর্থায়ন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে একমত হতে হবে।

তার দ্বিতীয় প্রস্তাবে শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বকে যুদ্ধ ও সংঘাত, অবৈধ দখলদারিত্ব এবং নিরস্ত্র বেসামরিক নাগরিকদের বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নির্মম হত্যাকাণ্ড থেকে পরিত্রাণ পেতে হবে যা গাজা ও অন্যত্র বিশ্ববাসী প্রত্যক্ষ করছে।

তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞার প্রভাব সংঘাতের অনুভূতির বোধ থেকেও অনেক দূরে অনুভূত হয়।

তার তৃতীয় পরামর্শে, তিনি বলেন, জলাযায়ু প্রভাব প্রশমন ও অভিযোজনের জন্য অর্থায়নের তীব্র ভারসাম্যহীনতা দূর করার জন্য অভিযোজন অর্থায়নের বর্তমান পর্যায় অন্তত দ্বিগুণ করা প্রয়োজন।

এ লক্ষ্যে, অভিযোজনে সহায়তার জন্য বাংলাদেশকে ১ বিলিয়ন ইউরো প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেয়ার জন্য তিনি ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁকে ধন্যবাদ জানান।

চতুর্থ পরামর্শে তিনি বলেন, বিদ্যমান আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিল থেকে উন্নয়নশীল দেশগুলির অর্থ প্রাপ্তি সুগম করার জন্য দীর্ঘকালের অমীমাংসিত সমস্যাটি তাদের সক্ষমতায় বিনিয়োগ করার সুযোগসহ সমাধান করতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে, গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড থেকে অর্থায়ন পাওয়ার জন্য আমাদের শুধুমাত্র দুটি যোগ্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং আরও দুটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তার পঞ্চম পরামর্শে শেখ হাসিনা বলেন, বৈশ্বিক অর্থায়নের ব্যবস্থাপনায় সংস্কারের ক্ষেত্রে বিশেষ করে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর ঋণের বোঝা দূর করতে তাদের জন্য অনুদান ও সুবিধাজনক ঋণ লাভের সুযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে অর্থপূর্ণ ফলাফল দেখাতে হবে।

সর্বশেষ ও ষষ্ঠ পরামর্শে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু কর্মসূচি জন্য বেসরকারি পুঁজি প্রবাহের জন্য সরকারগুলোকে সঠিক পরিকল্পনা, নীতি ও ব্যবস্থার ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে হবে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে প্রকল্পগুলির জন্য বেসরকারি পুঁজি আকৃষ্ট করার জন্য উদ্ভাবনী, মিশ্র অর্থায়নের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, এটি সুস্পষ্ট যে, বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ ছাড়া জলবায়ু অর্থায়নের বিপুল পরিমাণ ঘাটতির কার্যকর সমাধান করা যাবে না।

শেখ হাসিনা বলেন, সকলেই জলবায়ু প্রভাব প্রশমন ও অভিযোজনে বিনিয়োগের জন্য আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নের বর্তমান মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে।

তিনি বলেন, দুঃখের বিষয়, প্রতিশ্রুত জলবায়ু অর্থায়ন এখনও গুরুতরভাবে অপর্যাপ্ত। 'জলবায়ু অর্থায়ন' এবং এর অ্যাকাউন্টিং পদ্ধতির বিষয়ে আন্তর্জাতিকভাবে সম্মত সংজ্ঞার অনুপস্থিতির কারণে এটি আরও জটিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি ২০০৯ সালে কোপেনহেগেনে কপ-১৫ চলাকালে শেষ মুহূর্তের সমাধান খুঁজে বের করার লক্ষ্যে নেতাদের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন এবং বুঝতে পেরেছিলেন যে, আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করা বেশ কঠিন হবে।


আরও খবর
জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৬ মৃত্যু

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




খালাতো বোনকে বিয়ে না করতে পেরে পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
শাকিল মোল্লা, রাজবাড়ী

Image

রাজবাড়ীতে খালাতো বোনকে বিয়ে না করতে পেরে অভিমানে নাঈম খান নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থী গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজবাড়ী সদর উপজেলার চন্দনী ইউনিয়নের চাঁদপুরে এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত নাঈম খান ওই এলাকার মান্নান খানের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, নাঈমের সঙ্গে তার খালাতো বোনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ছেলের পক্ষ থেকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হলে মেয়ের বাড়ি থেকে না করে দেয়। এ নিয়ে নাঈম তার মায়ের সঙ্গে সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ায়। একপর্যায়ে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সে তার নিজ রুমে গিয়ে কাপড় দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস নেয়। পরবর্তীতে নাঈমের মা রুমে গিয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাঈমকে মৃত ঘোষণা করে।

নাঈমের বাবা মান্নান খান বলেন, নাঈম শিশু থাকতে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে এবং সে সময় থেকেই তিনি ছেলেকে মানুষ করেছেন। ৭ম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় মোটরসাইকেলের লোভ দেখিয়ে ওর মা নাঈমকে নিয়ে যায়। এরপর দুইবার মোটরসাইকেল এক্সিডেন্ট করে নাঈম। তারপর অনেকে রাগারাগি করে মোটরসাইকেল বিক্রি করিয়েছেন এবং ছেলেকে নিজের কাছে রাখার চেষ্টা করেছেন। গতবছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে এক বিষয়ে ফেল করে নাঈম।

এ বিষয়ে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের নার্সিং সুপারভাইজার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

রাজবাড়ী সদর থানার এসআই আবুল হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সে আত্মহত্যা করেছে। গলায় ফাঁস নেওয়ার চিহ্ন রয়েছে। ময়নতদন্তের রিপোর্ট পাবার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এরপরই বিস্তারিত বলতে পারব। তবে এ বিষয়ে পুলিশের তদন্ত চলছে।


আরও খবর