আজঃ বুধবার ২৯ মে ২০২৪
শিরোনাম

দাবতে থাকা শহরে প্রশ্নবিদ্ধ ভারতের উন্নয়ন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

হিমালয় সংলগ্ন ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের জোশীমঠ শহরের কাছাকাছি একটি গ্রাম সুনীল। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রী-কন্যা নিয়ে বসবাস করতেন ৫২ বছর বয়সী দুর্গা প্রসাদ সাকলানি। দুবছর আগে তাদের বাড়িতে প্রথম ফাটল দেখা দেয়। এরপর থেকে বহুবার কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন বাড়ি দেবে যাচ্ছে বলে। কিন্তু দীর্ঘসময় এ বিষয়ে কেউ পাত্তাই দেয়নি

ভারত সরকার দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোকেও উন্নয়নের আওতায় আনতে চায়। কিন্তু হিমালয় এলাকায় সেটি করার অসুবিধাগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে জোশীমঠের সমস্যা। শহরটি হাইকার ও সুউচ্চ ধর্মীয় স্থানগুলোতে যাওয়া তীর্থযাত্রীদের জন্য একটি জাম্পিং-অফ পয়েন্ট (নতুন যাত্রা শুরুর জায়গা)।

ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) বরাবরই নিজেদের ধর্মভীরু দেখাতে চায়। কিন্তু তীর্থযাত্রীদের কাছে গুরুত্ব এবং সাম্প্রতিক দাবতে থাকার ঘটনার কারণে জোশীমঠ এখন দলটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ মাসের শুরুর দিকে শহরটির বাড়িঘরে দৃশ্যমান ফাটল কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ার পর অবশেষে বিষয়টিতে মনযোগ দিতে শুরু করে কর্তৃপক্ষ। স্যাটেলাইটের তথ্য-চিত্র বলছে, নতুন বছরের মাত্র ১২ দিনে এলাকাটি পাঁচ সেন্টিমিটারের বেশি দেবে গেছে। এর আগে গত বছরের এপ্রিল ও নভেম্বরের মধ্যে দেবেছিল আরও নয় সেন্টিমিটার।

এ অবস্থায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ওই এলাকায় সব ধরনের নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছে। শত শত বাড়িকে অনিরাপদ ঘোষণা করা হয়েছে এবং দুর্গা প্রসাদ সাকলানি ও তার পরিবারসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের অস্থায়ী বাসস্থানে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। সাকলানি পরিবারের পাঁচজন এখন একটি হোটেলে বসবাস করছেন। সরকার তাদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেড় লাখ রুপি দিয়েছে। সাকলানি জানিয়েছেন, বিষয়টিতে কর্মকর্তারা এখন অন্তত খেয়াল করছেন

জোশীমঠ দেবে যাওয়ার সাম্প্রতিক কারণ হতে পারে ভূগর্ভস্থ জলাশয় ফেটে যাওয়া। এটি কী কারণে ঘটেছে তা নিয়ে তদন্ত চলছে। কিন্তু ১৯৭০-এর দশকেই অঞ্চলটি দেবে যাওয়ার উচ্চ ঝুঁকিতে থাকার কথা জানানো হয়েছিল। সেসময় একটি সরকারি কমিশন জানিয়েছিল, অতীতে ভূমিধসে জমা বালি ও পাথরের ওপর গড়ে ওঠার কারণে জোশীমঠ বৃহৎ উন্নয়নকাজের উপযোগী নয়। এছাড়া, গলে যাওয়া হিমবাহগুলো ভূপৃষ্ঠকে আরও আলগা করে দেওয়ায় বিপদ বেড়েছে বলে মনে করছেন উত্তরাখণ্ডের ভূতাত্ত্বিক সরস্বতী প্রকাশ সাতি। তিনি বলেন, আশপাশের শহর-গ্রামগুলোও একই সমস্যায় আক্রান্ত। এরপরও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পর্যটকদের আকৃষ্ট করার জন্য পরিকল্পিত বড় বড় নির্মাণ প্রকল্পগুলোর বিরোধিতা হয়েছে সামান্যই। এ নিয়ে সাতির প্রশ্ন, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও প্রতিবেদনগুলো যদি কখনো কার্যকর করাই না হয়, তাহলে সেগুলো দিয়ে কাজ কী?

স্থানীয় অনেকেই কেন্দ্রীয় সরকারের সমর্থনে হিন্দু তীর্থস্থানগুলোর মধ্যে নির্মিত একটি রাস্তা ও একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পকে জোশীমঠের সাম্প্রতিক বিপদের জন্য দায়ী করেছেন৷ অতুল সাতি নামে স্থানীয় এক অধিকারকর্মী বলেন, বছরের পর বছর শহরটিকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে সরকার। এমনকি দুই বছর আগে ভূমিধসে ২০০ জন নিহত হওয়ার পরেও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। স্থানীয় একটি হিন্দু মঠের প্রধান সাংবাদিকদের বলেছেন, উন্নয়নকাজের মাধ্যমে হিমালয় অঞ্চলের পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে জোশীমঠের টিকে থাকাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে।

সরকার অবশ্য এই বিপদের জন্য তার উন্নয়ন প্রকল্পগুলো দায়ী বলে স্বীকার করে না। তবে তারা জনমত নিয়ে চিন্তিত। চলতি মাসের মাঝামাঝি দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ উত্তরাখণ্ডের কর্মকর্তা ও বিজ্ঞানীদের গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করতে বলেছে। যে ওয়েবসাইটে জোশীমঠ দেবে যাওয়ার গবেষণা তথ্য প্রকাশ করা হয়েছিল, সেখান থেকে তা অদৃশ্য হয়ে গেছে। এ কারণে কারও কারও আশঙ্কা, সরকার হয়তো বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।

নিউজ ট্যাগ: জোশীমঠ শহর

আরও খবর



এভারেস্টে অনেক মরদেহ দেখেছি মনোবল হারাইনি: বাবর আলী

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ এভারেস্ট ও লোৎসে জয় করে ঘরে ফিরেছেন চট্টগ্রামের হালদা পাড়ের সন্তান চিকিৎসক বাবর আলী। তিনি এই অভিযানে বাংলাদেশ থেকে প্রথমবার হিমালয়ের দুটি আট হাজার মিটার উচ্চতার পর্বত শৃঙ্গ জয়ের কীর্তি গড়েছেন।

বুধবার (২৯ মে) নগরের আলিয়স ফ্রঁসেজ দ্য চট্টগ্রাম মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলন ও পতাকা-প্রত্যার্পন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। গত ১৯ মে পৃথিবীর শীর্ষ পর্বত এভারেস্ট এবং ২১ মে লোৎসে আরোহণ করে দেশেরর উড়িয়েছেন লাল-সবুজের পতাকা।

পর্বত জয়ের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, এভারেস্ট এবং লোৎসে উপর থেকে দেখা নিচের পৃথিবীর দৃশ্য এই জীবদ্দশায় ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়। এভারেস্টের শীর্ষে প্রায় দেড় ঘণ্টার মতো অবস্থান করি। বেস ক্যাম্প থেকে কাঠমান্ডু ফিরেন মাত্র ৩ দিনে। নেমে আসার সময় এক আহত পর্বতারোহীর জন্য সৃষ্ট মানবজটে পড়ে প্রায় দেড় ঘণ্টা আটকে ছিলাম। এসব উন্মুক্ত এলাকায় শুরু হয় তুষারঝড়। সৌভাগ্যক্রমে বড় কোনো দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে যাই। সুস্থ শরীরে ফিরে এসেছি এটা আমাকে আনন্দ দিয়েছে। এ অভিযানে ওজন কমেছে চার কেজি। এভারেস্টে অনেক মরদেহ দেখেছি। কিন্তু আমি মনোবল হারাইনি। ওখানে যারা মারা গেছেন বেশিদিন হয়নি, নতুন ইকুইপমেন্ট ছিল। এভারেস্ট সামিট করার ক্ষেত্রে আবহাওয়া বড় ফ্যাক্টর। বাংলাদেশের একজন আবহাওয়াবিদ আমাকে দারুণ সহযোগিতা করেছেন।'

বাবর আলী বলেন, 'এভারেস্টের উচ্চতা বেশি হলেও লোৎসে আরোহণ তুলনামূলকভাবে কঠিন। ক্যাম্প-৪ এবং এর উপরের এলাকায় পর্বতারোহীরা অক্সিজেন সিলিন্ডার ব্যবহার করলেও চেষ্টা করেছি অভিযানে যতটা সম্ভব কম কৃত্রিম অক্সিজেন নিতে। আগামীতে অক্সিজেন সহায়তা ছাড়াই আটহাজারী শৃঙ্গ আরোহণ করবো। দুই পর্বতে তার সাথী ছিলেন নেপালের গাইড বাইরে তামাং।'

তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের কারণে এই পর্বতারোহী অভিযান সফল হতে পেরেছি। এছাড়া তিনি কৃতজ্ঞতা জানান নিজের ক্লাব ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স, সকল পৃষ্ঠপোষক সংগঠন এবং ক্রাউড ফান্ডিংয়ে অংশ নেওয়া শুভাকাঙ্খীদের।

 অভিযানের প্রধান সমন্বয়ক ফরহান জামান অভিযানের পিছনের গল্প সাংবাদিকদের তুলে ধরে বলেন, আর্থিক সহায়তা পেলে এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলে বাংলাদেশের পর্বতারোহীরা আরও অনেক দুর্দান্ত কীর্তি বয়ে আনতে পারবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ভার্টিক্যাল ড্রিমার্সের সভাপতি দেবাশীষ বল, প্রধান উপদেষ্টা শিহাব উদ্দিন এবং সহযোগী প্রতিষ্ঠান ভিজ্যুয়াল নিটওয়্যার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ.এন. ফয়সাল

তার এই সফলতা উদযাপনে আগামী ২ জুন বিকেল ৫টায় চট্টগ্রাম নগরীতে শোভাযাত্রা করার ঘোষণা দিয়েছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ।


আরও খবর



বাউফলে রেমালের তাণ্ডবে ২০০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দূর্জয় দাস, বাউফল (পটুয়াখালী)

Image

পটুয়াখালীর বাউফলে ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে মৎস্য, কৃষি, সড়ক, বিদ্যুৎ, বনজ ও গ্রামীণ অবকাঠামোগুলো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেসরকারী হিসেব অনুযায়ী ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২শ কোটি টাকা।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মাহাবুব আলম তালুকদার জানান, রেমালের প্রভাবে উপজেলা ৪ হাজার পুকুর, ৫০টি মাছের ঘের প্লাবিত হয়েছে। ৭০ লাখ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা পানিতে ভেসে গেছে। অবকাঠামোসহ মোট ৪ কোটি ২০ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অনিরুদ্ধ দাস জানান, ২ হেক্টর আউশ বীজতলা ২.৫ হেক্টর তিল, কাচা মরিচ ৩ হেক্টর, শাকসবজি ৮০ হেক্টর,পান ২ হেক্টর, পেঁপে ২ হেক্টর, কলা ৩ হেক্টর ও ৩ হেক্টর জমির আমসহ মোট ৪ কোটি ২৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ বদিউজ্জামান খান জানান, একটি ম্যানগ্রাপ, নার্সারিসহ ৬ লাখ ১৩ হাজার ৩শ চারা, রাস্তায় বাগানের ৮১ হাজার চারা ও ৪১ হাজার নার্সারি চারাসহ মোট ৪৪ লাখ ৪৭ হাজার ৮শ ৬৪ টাকা ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও ১৫ ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ৮-১০ হাজার ব্যক্তি মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রজাতির গাছগাছালি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বাউফল জোনাল অফিসের ডিজিএম মজিবুর রহমান জানান, উপজেলার  বিভিন্ন এলাকায় তাদের ১৫টি খুটি ভেঙ্গে গেছে এবং ২শ পয়েন্টে তার ছিড়ে গেছে। এ ছাড়াও ২শর বেশি ইনসোলেটর বিনষ্ট হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রাজিব বিশ্বাস জানান, উপজেলায় ১৮ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আধাপাকা ও টিনসেট ভবন সম্পূর্ণ বিধস্ত হয়েছে। আংশিক বিধস্ত হয়েছে ১ হাজার ১শ ৩৪টি ভবন। গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের আওতায় ধুলিয়া, চন্দ্রদ্বিপ ও নাজিরপুর ইউনিয়নে ৮ কিলোমিটার কাঁচা সড়কসহ মোট ৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

চন্দ্রদ্বিপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলকাস মোল্লা জানান, তেঁতুলিয়ার মধ্যবর্তী তার ইউনিয়নের ১৪ কিলোমিটার বেড়ি বাধের খানকা বাজার থেকে দক্ষিণে ছালাম হাওলাদার বাড়ি পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার, দিয়ারা কচুয়া খেয়া ঘাট থেকে উত্তরে স্লুইজ গেট পর্যন্ত ১ কিলোমিটার চর নিমদি খেয়াঘাট থেকে দক্ষিণে ৩ কিলোমিটার বেড়ি বাধ সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়াও চরব্যারেট ফারুক খানের বাড়ি থেকে পশ্চিমে সেকান্দার দর্জির বাড়ি পর্যন্ত একটি কাঁচা রাস্তা সম্পূর্ণ ভেঙ্গে গেছে।

বাউফল প্রকৌশলী মানিক হোসেন জানান, উপজেলায় মোট পাকা ও কাঁচা মিলিয়ে ১শ ৬৬ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সড়কগুলো পুনঃনির্মাণ ও মেরামত করতে মোট ১শ ৭ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় রিমেলে তেঁতুালিয়া নদীর তীরবর্তী কালাইয়া টু মমিনপুর জিসিআর সড়ক কাম বেড়ি বাধটি ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ সড়কের ৮টি পয়েন্টে ভেঙ্গে গেছে।

এ ছাড়াও রেমালের প্রভাবে চন্দ্রদ্বিপ, কালাইয়া, নাজিরপুর, কেশবপুর, ধুলিয়া, কাছিপাড়া, আদাবাড়িয়া, দাশপাড়া, বাউফল পৌর এলাকায় প্রায় ২০ হাজার মানুষ এখনো পানিবন্দি হয়ে আছে। অধিকাংশ পানিবন্দি মানুষের কাছে এখনো পর্যাপ্ত পরিমাণ ত্রাণ পৌঁছায়নি। বেড়িবাধের বাইরে এলাকাগুলোর পানি নেমে গেলে ভিতরের এলাকগুলোর পানি বেড় হতে না পারায় মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বশির গাজী বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার তিন হাজার পরিবারের মধ্যে ইতিমধ্যে সরকারি ভাবে শুকনো খাবার, ১০ কেজি করে চাল, ডাল, তেল, আলু, পেঁয়াজসহ ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়েছে। সরকারের কাছে আরও চাহিদা দেয়া হয়েছে।

উপজেলা চেয়ারম্যান মোসারেফ হোসেন খান বলেন, ঝড়ের দিন সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয়কৃত মানুষের মাঝে স্থানীয় এমপি আসম ফিরোজের নির্দেশে সুকনো খাবার পৌঁছে দেয়া হয়।

জাতীয় সংসদের সাবেক চীফ হুইপ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি আসম ফিরোজ এমপি বলেন, বাউফল উপজেলা সাগর উপকূলীয় হওয়ায় এখানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সরকার অধিক ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলায় এলাকায় যে ধরণের সাহায্যে প্রদান করবেন আশা করি আমার উপজেলায়ও একই ধরণের সাহায্য প্রদান করবেন। যাদের ঘর বিধস্ত হয়েছে তাদের মাঝে টিন বিতরণের জন্য তালিকা তৈরির নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আমাদের কাছে প্রায় ৯শ ব্যান্ডেল ঢেউটিন মওজুদ রয়েছে। সেখান থেকে অধিক ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ করা হবে।


আরও খবর



এক ঘণ্টা পর ফের চালু মেট্রোরেল

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর মেট্রোরেল আবার চালু হয়েছে। আজ রাত সোয়া আটটার দিকে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান মেট্রোরেল চলাচলকারী কর্তৃপক্ষ ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন সিদ্দিক। তিনি বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ১৫ মিনিট মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ থাকে। পরে আবার চালু হয়।

তবে মেট্রোরেলের একাধিক যাত্রী জানিয়েছেন, ট্রেন চলাচল এক ঘণ্টার বেশি বন্ধ ছিল।

আজ সন্ধ্যা সাতটার দিকে মেট্রোরেল চলাচল হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। এতে সন্ধ্যা সাতটার দিক থেকে বিভিন্ন স্টেশনে হাজারো যাত্রীকে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।

সাড়ে সাতটার দিকে বিভিন্ন স্টেশনে ঘোষণা দিয়ে বলা হয়, যাত্রীদের তাড়া থাকলে বিকল্প পথে যেতে। এ সময় যাত্রীদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার ঘোষণাও দেওয়া হয়।

এর আগে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের ঘোষণার পর বিভিন্ন স্টেশন থেকে হাজারো যাত্রী বের হয়ে যান।


আরও খবর



ভারতের যেখানেই যাই অমিতাভ বচ্চনের মতো সম্মান পাই: কঙ্গনা

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৬ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

ভারতের হিমাচল প্রদেশের মান্ডি লোকসভা আসন থেকে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) হয়ে নির্বাচন করছেন কঙ্গনা রানাউত। প্রচার অনুষ্ঠানে তার একেকটা বিতর্কিত মন্তব্য যেন টক অব দ্য টাউন।

সম্প্রতি এক প্রচার অনুষ্ঠানে ভারতের বর্ষীয়ান অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে করেছেন নিজেকে তুলনা। আর সেখানেই নতুন বিতর্কে জড়ালেন অভিনেত্রী।

অমিতাভের সঙ্গে নিজেকে তুলনা করে কঙ্গনা রানাউতের মন্তব্য, ভারতের যে প্রান্তে যাই, অমিতাভ বচ্চনের মতো সম্মান পাই। আমি ছাড়া তার পর ইন্ডাস্ট্রিতে আর কেউ এতটা সম্মান পাননি।

ভোট প্রচারের অনুষ্ঠানে কঙ্গনা বলেন, গোটা দেশ হয়রান, কঙ্গনা রাজস্থান যাক কিংবা পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি যাক বা মণিপুর এত সম্মান পাই মানুষের কাছ থেকে যে নিঃসন্দেহে বাজি ধরে বলতে পারি, অমিতাভ বচ্চনের পর ইন্ডাস্ট্রিতে কেউ এত সম্মান পাননি।

বিজেপির তারকা প্রার্থীর এমন মন্তব্যে বিনোদন দুনিয়া তো বটেই, এমনকি বিরোধী শিবিরগুলোর মধ্যেও শোরগোল পড়ে গেছে। গেরুয়া শিবির সমর্থকেরা যদিও অভিনেত্রীর বুকের পাটার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। কিন্তু তাই বলে মেগাস্টার অমিতাভ বচ্চনের পরই নিজেকে দেখছেন! দিনদুপুরে স্বপ্ন দেখছেন নাকি কঙ্গনা? উঠেছে প্রশ্ন।

ক্যারিয়ারের ভাটার মাঝেই রাজনীতির ময়দানে নেমে প্রথম থেকেই লাইমলাইটে কঙ্গনা রানাউত। হিমাচল প্রদেশের মান্ডি লোকসভা কেন্দ্রে প্রচারের মাঠে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন অভিনেত্রী।


আরও খবর



রিমান্ড শেষে কারাগারে মিল্টন সমাদ্দার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

মানবপাচারের মামলায় চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এজ কেয়ার আশ্রমের চেয়ারম্যান মিল্টন সমাদ্দারকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা শাকিলা সুমু চৌধুরীর আদালত শুনানি শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

চার দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার মিল্টন সমাদ্দারকে আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন।

মিল্টন সমাদ্দারের পক্ষে আব্দুস ছালাম শিকদার জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মিরপুর মডেল থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার উপ-পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম এসব তথ্য জানিয়েছেন।


আরও খবর