আজঃ মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

চুয়াডাঙ্গায় ১৬ কেজি সোনার বারসহ আটক ১

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

Image

চুয়াডাঙ্গার ৬ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের সদস্যরা জেলার সুলতানপুর সীমান্ত এলাকা থেকে ১৬ কেজি ১৪ গ্রাম ওজনের ছোটবড় ৯৬টি স্বর্ণের বারসহ এক ব্যাক্তিকে আটক করেছে। মঙ্গলবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি সদস্যরা সীমান্তবর্তি এলাকা সুলতানপুর গ্রাম থেকে একটি মোটরসাইকেলে যাওয়া নাজমুল ইসলাম (৩১) নামের এক পাচারকারিকে আটক করে। তার কাছ থেকে ওই সোনার বার জব্দ করা হয়। আটক নাজমুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানার অধিন শ্যামপুর গ্রামের আসাদুল হকের ছেলে।

চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল সাঈদ মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান জানান, গোপন সংবাদ পেয়ে বিজিবি সদস্যরা দর্শনা থানার অধিন সুলতানপুর গ্রামের সীমান্ত এলাকার দিকে ওৎ পেতে ছিলেন। এসময় মোটরসাইকেলে এক যুবককে যেতে দেখে বিজিবি সদস্যরা তার গতিরোধ করে। এসময় মোটরসাইকেলে থাকা যুবক মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ধাওয়া করে বিজিবি সদস্যরা তাকে আটক করে। পরে মোটরসাইকেলের এয়ার ফিল্টার বক্সের ভেতর থেকে স্কচ টেপ দিয়ে মোড়ানো সাতটি প্যাকেটে ৯৬টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। আটক করা সোনার বারের ওজন ১৬ কেজি ১৪ গ্রাম। যার আনুমানিক মূল্য ১৪ কোটি টাকা বলে বিজিবি জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে দর্শনা থানায় মামলা দায়ের ও স্বর্ণের বারগুলো ট্রেজারিতে জমা দেওয়া কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে বিজিবি অধিনায়ক জানিয়েছেন।


আরও খবর



বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন, কোন গ্রাহকের কত বাড়ল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সরকারের নির্বাহী আদেশে এক বছরের মাথায় গ্রাহক পর্যায়ে আবারও বাড়ল বিদ্যুতের দাম। গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম গড়ে সাড়ে ৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। নতুন দর অনুসারে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম গড়ে বেড়েছে ৭০ পয়সা।

চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের বিল থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর করা হবে। নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের নতুন দাম নির্ধারণ করে বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

দাম বৃদ্ধির ফলে ইউনিটপ্রতি খুচরা বিদ্যুতের দাম গড়ে ৮ টাকা ২৫ পয়সা থেকে বেড়ে ৮ টাকা ৯৫ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। আর পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে গড়ে ৫ শতাংশ। এতে পাইকারি বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিট ৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ৪ পয়সায়।

বাসাবাড়িতে সবচেয়ে কম বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের জন্য বেড়েছে ইউনিটপ্রতি ২৮ পয়সা। আর সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের জন্য বেড়েছে ১ টাকা ৩৫ পয়সা। সেচে ব্যবহৃত বিদ্যুতের দাম বেড়েছে ৪৩ পয়সা। নতুন দর অনুযায়ী সেচে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৪ টাকা ৮২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৫ টাকা ২৫ পয়সা করা হয়েছে।

নিম্ন চাপে (২৩০/৪০০ ভোল্ট) বাণিজ্যিক ও অফিসে গড় দাম ১১ টাকা ৯৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৩ টাকা ১ পয়সা করা হয়েছে। মধ্যম চাপের (১১ কিলো ভোল্ট) ক্ষেত্রে এটি করা হয়েছে গড়ে ১১ টাকা ৬৩ পয়সা। উচ্চ চাপে (৩৩ কিলো ভোল্ট) শিল্পের ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিট গড়ে ৯ টাকা ৯০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা ৭৫ পয়সা করা হয়েছে। আর অতি উচ্চ চাপে (১৩২ ও ২৩০ কিলো ভোল্ট) ৯ টাকা ৬৮ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৬ পয়সা করা হয়েছে। ভারী শিল্পকারখানা মূলত এ শ্রেণির গ্রাহক।

এ ছাড়া হাসপাতাল, শিক্ষা, ধর্মীয় ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানে ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের দাম ৬ টাকা ৯৭ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৫৫ পয়সা করা হয়েছে।

আগে গণশুনানির মাধ্যমে বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করত এ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে আইন সংশোধন করে বিইআরসির পাশাপাশি দাম বাড়ানোর ক্ষমতা হাতে নেয় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। এরপর থেকে নির্বাহী আদেশে দাম বাড়াচ্ছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির চাপ সামলাতে বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এ নিয়ে গত দেড় দশকে পাইকারি পর্যায়ে ১২ বার ও খুচরা পর্যায়ে ১৪ বার বাড়ানো হলো বিদ্যুতের দাম। সবশেষ গত বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত তিন দফায় প্রতি মাসে গড়ে ৫ শতাংশ করে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। এ ছাড়া গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে গড়ে ৮ শতাংশ বাড়ানো হয় পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম।


আরও খবর



ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৯ জন দগ্ধ

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় রোহিঙ্গা নারী, শিশুসহ অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন ৯ জন। শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সোয়া ৮টার দিকে ৮১ নং ক্লাস্টারে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন ওই ক্লাস্টারের সফি আলমের মেয়ে মোবাশ্বেরা (৩), আবদুল হাকিমের ছেলে বশির উল্যাহ (১৫), আবদুর শুক্কুরের মেয়ে রশিদা (৩), আজিজুল হকের মেয়ে জোবায়েদা (১১), আমেনা খাতুন (২৪), মোহাম্মদ তৈয়বের ছেলে সফি (১২), সফি আলমের ছেলে রবিউল (৫), আজিজুল হকের ছেলে সোহেল (৫) ও তার ছেলে রাসেল (৩)। 

আরও পড়ুন>> সম্পর্ক এগিয়ে নিতে ঢাকায় মার্কিন প্রতিনিধিদল

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সকালে ক্যাম্পের ৮১ নং ক্লাস্টারের আব্দুর শুকুরের কক্ষের বারান্দায় থাকা গ্যাসের সিলিন্ডার লিকেজ হয়। একপর্যায়ে গ্যাসের সিলিন্ডারটি বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ৫ শিশুসহ ৯ জন আহত হয়। পরে অন্য রোহিঙ্গারা এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করায় কোনো অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেনি। অগ্নিদগ্ধদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৭ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।

ভাসানচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাওসার আলম ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আহতদের সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। ৭ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর



মিয়ানমার থেকে কেউ অস্ত্র নিয়ে ঢুকতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

মিয়ানমার থেকে সশস্ত্র অবস্থায় কারও বাংলাদেশে ঢোকার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন। তিনি বলেন, মিয়ানমার সীমান্তে বিজিবির ফোর্স বাড়ানো হয়েছে, কোস্টগার্ড সজাগ রয়েছে, আমাদের নৌবাহিনীও সেখানে কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করছে। কাজেই ওখান থেকে কেউ অস্ত্র নিয়ে ঢুকবে সেই অবস্থা আর নেই। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নগরের দুই নম্বর গেটে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, শুধু আরাকান আর্মি নয়, তাদের অনেক গ্রুপ তৈরি হয়েছে, যারা যুদ্ধে লিপ্ত আছে। আরাকান আর্মি বেশ কিছু দিন ধরেই এই অঞ্চলে যুদ্ধ করছে। এই অঞ্চলে যুদ্ধ করলে আমাদের এখানে কিছু গোলাগুলির শব্দ আসছে সেটি যেমন সত্য, তেমনি সরকারি বাহিনী বিজিপি এবং অন্যান্য সরকারি লোকজন ভয়ে আত্মরক্ষার্থে আমাদের দেশে পালিয়ে এসেছে, সেটিও আপনারা দেখেছেন। আমরা বঙ্গবন্ধুর পররাষ্ট্রনীতি অবলম্বন করছি। তারা যতই গোলাগুলি করুক, আমরা প্রতিবাদ করছি। আমরা তাদের ঢুকতে দিচ্ছি না। 

আরও পড়ুন>> বৈদেশিক লেনদেনে ডলারের বিকল্প চিন্তার সময় এসেছে: মোমেন

এ সময় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি নুরে আলম মিনা, এস এম শফিউল্লাহ, সিএমপি কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রাম আসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিকেলে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক অভ্যন্তরীণ মতবিনিময় সভা করেন। সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

এদিকে মিয়ানমারের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী অঞ্চল ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এবার টেকনাফের নাফ নদের ওপার থেকে থেমে থেমে ভারী গোলাগুলির শব্দ ভেসে আসছে। এ সময় মিয়ানমারের আকাশে হেলিকপ্টার চক্কর দিতে দেখা গেছে। সব মিলিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে আতঙ্কে আছেন সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা।


আরও খবর



রাজাপুরে প্রবেশপত্র পেতে পরীক্ষার্থীদের দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
মো. নাঈম, রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি

Image

ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর সরকারি কলেজে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৭০০ করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২০২৪ সালে ডিগ্রি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণে পরীক্ষা কেন্দ্রে খরচের নামে অবৈধ চাঁদা আদায় করা হচ্ছে বলে দাবি শিক্ষার্থীদের।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় কলেজের প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৩৫০০ করে টাকা নেয়া হয়েছে। আবার পরীক্ষার প্রবেশপত্র দেয়ার সময় নেয়া হয় ৭০০ করে। বোর্ডের কোনো নির্ধারিত ফি না থাকার পরেও কলেজ কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৭০০ টাকা করে নিচ্ছে। এতে বিপাকে পড়েছে অনেক পরীক্ষার্থী। টাকা না থাকায় প্রবেশপত্র নিতে পারছে না বলেও অভিযোগ করেছে কয়েকজন পরীক্ষার্থী।

জানা যায়, আগামী বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ডিগ্রি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। এরই মধ্যে গত রবিবার থেকে কলেজ কর্তৃপক্ষ ডিগ্রি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু করে। কলেজে গিয়ে প্রবেশপত্র চাইলে তাদের কাছে ৭০০ টাকা চায় কলেজ কর্তৃপক্ষ। তাদের কাছে থাকা ৫০০ টাকা দিলে কর্তৃপক্ষ তাদের ৭০০ টাকার নিচে দিলে হবে না বলে ফিরিয়ে দেয়। তবে কলেজ নোটিশ বোর্ডে লেখা ৪৫০ টাকা করে দিতে হবে। এরপরে কলেজ অধ্যক্ষর কাছে গেলেও তিনি জানান ৭০০ টাকার কমে হবে না। কলেজের অফিস সহকারী মো. চুন্নু প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ৭০০ টাকা করে নিয়ে রসিদ ছাড়া খাতায় লিখে প্রবেশপত্র দিচ্ছে। প্রবেশপত্র সংগ্রহ করছে পরীক্ষার্থীরা। এমন অভিযোগ একাধিক শিক্ষার্থীর।

বিনামূল্যে পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর সরকারি কলেজে পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে ৭০০ টাকা করে ফি নেওয়া হচ্ছে। তবে কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কেন্দ্র পরিচালনার জন্য তাদের খরচ বহন করতে হয়। এ জন্য প্রবেশপত্র নিতে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে সামান্য কিছু টাকা নেওয়া হয়।

পরীক্ষার্থীরা জানায়, গতকাল থেকে কলেজ কর্তৃপক্ষ ডিগ্রি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু করে। কলেজে গিয়ে পরীক্ষার্থীরা জানতে পারে প্রতি প্রবেশপত্রের জন্য ৭০০ টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে প্রবেশপত্র দেওয়া হবে না বলে শিক্ষার্থীদের জানায় কলেজ কর্তৃপক্ষ। গত বছর ডিগ্রি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রবেশপত্র দেওয়ার বিনিময়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ অল্প টাকা নিয়েছিল। এ বছর বেশি টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। অন্য কলেজে গুলোতে অল্প টাকা নিচ্ছে শুধু এই কলেজে বেশি টাকা নেওয়া হচ্ছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রবেশপত্রের বিনিময়ে ৭০০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে। আমরা এত টাকা দিতে পারছি না বলে প্রবেশপত্রও দিচ্ছে না কলেজ থেকে। রাজাপুর সরকারি কলেজ থেকে প্রবেশপত্রের বিনিময়ে ফি নেওয়ার ঘটনায় সংক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। ওই কলেজের  ডিগ্রি পরীক্ষার্থীরা বাড়িতে গিয়ে অভিভাবকদের বিষয়টি জানায়।

অভিভাবকরা জানান, কলেজ কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফরম পূরণের সময় অতিরিক্ত টাকা নিয়েছে। এখন আবার প্রবেশপত্রের জন্য টাকা নিচ্ছে। সব অভিভাবকদের তো এক রকম আয় নেই। অনেকেই দুমুঠো ভাত খেয়ে কোনরকম জীবনযাপন করে তারপর আবার ছেলে-মেয়েদের লেখা পড়ার জন্য কত খরচ করতে হয়। এরপরে এভাবে অভিভাবকদের ওপর বাড়তি চাপ দিচ্ছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে রাজাপুর সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এটি পরীক্ষা কেন্দ্র খরচের জন্য নেয়া হচ্ছে, তবে কেউ অসচ্ছল হলে বা অনুরোধ করলে তাঁদের কাছ থেকে কমিয়ে নেয়া হচ্ছে। এই চাঁদা গোপন ভাবে নেওয়া হচ্ছে না। সবাই জানে এতে বেআইনি কিছু নেই। পরীক্ষা কেন্দ্রে ইউএনও এবং প্রশাসনের লোক আসবে তারপর শিক্ষকরা থাকবে তাদের সবাইকে নাস্তা পানি খাওয়াতে হবে। এরপর অনেক পরীক্ষা রমজান মাসে হবে তখন শিক্ষকদের ইফতারি খাওয়াতে হবে এতো খরচ পাবো কোথায়। তাই পরীক্ষার্থীদের থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছে।

সরকারি কলেজে পরীক্ষা কেন্দ্রে সরকারের বরাদ্দ থাকে এরপর আবার কেন্দ্র খরচের জন্য পরীক্ষার্থীরা কীসের টাকা দিবে এমন প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি অধ্যক্ষ।

রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)  ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, এবিষয়ে আমি কিছু জানি না। তবে শিক্ষার্থীদের থেকে কেনো নাস্তার খরচ নিবে। উপজেলা প্রশাসন তো নাস্তা খাওয়ার জন্য কেন্দ্রে যায় না। কেউ যদি অভিযোগ করে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। তারপরও কলেজের অধ্যক্ষর সাথে কথা বলে বিষয়টি দেখবো।

নিউজ ট্যাগ: ঝালকাঠি

আরও খবর



প্রস্মিতার সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করলেন অনুপম

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

বিয়ে করলেন কলকাতার গায়ক অনুপম রায় ও গায়িকা প্রস্মিতা পাল। ১ মার্চ দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে রেজিস্ট্রি বিয়ে সম্পন্ন করেন তারা।

ঘনিষ্ঠ বন্ধু বান্ধব ও আত্মীয় পরিজনদের উপস্থিতিতেই নতুন অধ্যায় শুরু করলেন অনুপম-প্রস্মিতা।

অনুপম রায় রিসেপশন অনুষ্ঠানে তোলা ছবি নিজের ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন। তাতে দেখা যায়, অনুপম রায় পরেছেন ঘিয়ে রঙের পাঞ্জাবি। তাতে গোলাপি সুতার কাজ করা। অন্যদিকে প্রস্মিতা পরেছেন গোলাপি রঙের বেনারসি এবং সোনার গহনা। আর এ ছবির ক্যাপশনে অনুপম রায় লেখেন-নতুন করে।

রিসেপশন অনুষ্ঠানে শোবিজের অনেকে উপস্থিত ছিলেন। এ তালিকায় রয়েছেন-জয় সরকার, লোপামুদ্রা মিত্র, ব্যান্ড চন্দ্রবিন্দুর উপল সেনগুপ্ত, অনিন্দ্য চ্যাটার্জি, চন্দ্রিল ভট্টাচার্য। তা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রবুদ্ধ রাহা, উজ্জয়িনী, সোমলতা প্রমুখ।

প্রথম সংসার ভাঙার পর পিয়া চক্রবর্তীর সঙ্গে ঘর বেঁধেছিলেন অনুপম রায়। পিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর কেটে গেছে কয়েক বছর। পিয়া ফের বিয়ে করেছেন অভিনেতা পরমব্রত চ্যাটার্জিকে। এবার তৃতীয়বার বিয়ে করলেন অনুপম রায়। তবে প্রস্মিতার এটি দ্বিতীয় বিয়ে।

অনুপম ও প্রস্মিতার আলাপ পরিচয় বহু বছরের। যদিও এতদিন ছিল কেবলই পেশাগত আলাপ। তারপর বন্ধুত্ব এবং সেখান থেকেই প্রেম। এবার স্বামী-স্ত্রী হলেন তারা। প্রস্মিতা-অনুপমের প্রেমের জল্পনাটা অনেক দিন ধরেই চলছিল। অবশেষে ফেব্রুয়ারির শেষে সেটা স্বীকার করে নেন অনুপম।


আরও খবর