আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

চট্টগ্রামে উদ্ধার হওয়া খাল রক্ষায় নৌকা চালানোর পরিকল্পনা চসিকের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রামের চলমান ৪টি প্রকল্প শেষ হলে উদ্ধার হওয়া খালে নৌকা চালানোর পরিকল্পনা ব্যক্ত করেছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী।

আজ মঙ্গলবার বিকালে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শনে রাজাখালী খাল-২ থেকে কল্পলোক আবাসিক এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মেয়র বলেন, চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে সিডিএ দুটি, সিটি করপোরেশন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড একটি করে ১১ হাজার ৩৪৪ কোটি টাকার মোট চারটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

মেয়র বলেন, উদ্ধার হওয়া খালগুলোকে রক্ষার্থে প্রকল্প শেষ হলে সেখানে নৌকা চালুর পরিকল্পনা আছে আমার। কারণ প্রকল্প শেষ হলে খালগুলো রক্ষা করা হবে বড় চ্যালেঞ্জ। এজন্য প্রকল্প শেষ হলে খালগুলোতে বিনোদনের ক্ষেত্র তৈরির জন্য বারইপাড়া খালসহ উদ্ধার হওয়া সবগুলো খালে নৌকা ও স্পিডবোট চালু করা হবে। খালে যখন মানুষ ময়লা দেখবে না বরং স্বচ্ছ জলপ্রবাহে বিনোদনের উৎস খুঁজে পাবে তখন মানুষ আর খালে ময়লা ফেলবে না। এ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে এবং যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও রুটিন ওয়ার্ক পরিচালনা করলে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা কমবে। পাশাপাশি, এ প্রকল্পগুলোর আওতায় খালপাড়ে নির্মিত সড়ক ও কালভার্টের কারণে নগরীর যোগাযোগ সক্ষমতা বাড়বে।

প্রকল্পগুলোর সুফল পেতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বাড়ানো হবে মন্তব্য করে মেয়র বলেন, আমরা প্রকল্প এলাকাগুলোতে  ময়লার ভাগাড়ও নির্মাণ করব, যাতে খালপাড়ের মানুষ বর্জ্য ফেলে খাল ময়লা দিয়ে ভরিয়ে না ফেলে। প্রকল্প এলাকায় উদ্ধার হওয়া খালসংলগ্ন ভূমি রক্ষায় সীমানা নির্ধারণী খুঁটি বসানো হবে। কারণ এ খালগুলোকে রক্ষার সাথে কর্ণফুলী এবং চট্টগ্রামের অস্তিত্বের প্রশ্ন জড়িত।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামের ভৌগলিক অবস্থানের কারণে ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল আর জোয়ারে নগরীতে পানিপ্রবাহ বেড়ে যায়। বৈশ্বিক জলবায়ুগত পরিবর্তনে আগামী কয়েক দশকে ভাটির দেশগুলোতে এই প্রবণতা আরো বাড়বে। আমাদের লক্ষ্য, এই পানি যাতে জমে দীর্ঘমেয়াদী জলাবদ্ধতা তৈরি করতে না পারে সেজন্য যতদ্রুত সম্ভব পানি নগরী থেকে সমুদ্রপথে নিষ্কাশিত হওয়ার ব্যবস্থা করা।

প্রকল্প পরিচালক লে. কর্নেল শাহ আলী জানান, সিডিএর জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় নগরীর বাকলিয়া এলাকার প্রায় ৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের পরস্পর সংযুক্ত ৩০-৩২ ফুট প্রস্থের রাজাখালী-১, রাজাখালী-২ এবং রাজাখালী-৩ খাল তিনটির খনন কাজের পাশাপাশি দুই পাড়ে রিটেইনিং ওয়াল, রেলিং নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া খাল দখল ঠেকাতে দুই পাশে নির্মাণ করা হয়েছে সড়কও। খালে এত বেশি পলিথিন ছিল যে, অনেক স্থানে ৪ মিটার পর্যন্ত মাটি তুলে ফেলতে হয়েছে। এরপর বালু ফেলে ভরাট করে বিটুমিনের পরিবর্তে আরসিসি রোড নির্মাণ করা হচ্ছে যাতে সড়কগুলো দীর্ঘমেয়াদে খালের পানিতেও নষ্ট না হয়।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন প্যানেল মেয়র গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, কাউন্সিলর আবদুস সালাম মাসুম, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কমান্ডার লতিফুল হক কাজমী, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোর্শেদুল আলম, মশক ও ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি প্রমুখ।


আরও খবর



ইজতেমার বাসে মুসল্লি সেজে মাদক পাচারের চেষ্টা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ মাসুদ রানা, কুড়িগ্রাম

Image

কুড়িগ্রামে বিশ্ব ইজতেমার উদ্দেশে মুসুল্লিদের নিয়ে ছেড়ে যাওয়া একটি রিজার্ভ বাসে মাদক পাচারের সময় গাঁজাসহ আঙুর হোসেন নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাগেশ্বরী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুপ কুমার সরকার। এর আগে গতকাল বুধবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার আঙুর গতকাল রাতে নাগেশ্বরী বাসস্ট্যান্ড থেকে বিশ্ব ইজতেমার রিজার্ভ বাসে মুসল্লির ছদ্মবেশে মাদক নিয়ে ঢাকা যাচ্ছিলেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে নাগেশ্বরী থানা পুলিশের একটি দল ওই বাসের মুসল্লিদের সহায়তায় সাড়ে ১০ কেজি গাঁজাসহ তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে।

কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো: রুহুল আমীন বলেন, গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারি ছদ্মবেশে বিশ্ব ইজতেমার বাস ব্যবহার করে মাদক পরিবহনের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু মুসল্লিদের সহায়তায় নাগেশ্বরী থানা পুলিশের একটি টিমের অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।


আরও খবর



বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর আন্তঃ ব্যাটালিয়ন, মহানগর আন্তঃ জোন, আন্তঃ ক্লাব ফুটবল, ভলিবল ও কাবাডি টুর্ণামেন্ট প্রতিযোগিতা-২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী একাডেমি, সফিপুর, গাজীপুরে শীতের পড়ন্ত বিকেলে আন্তঃ ব্যাটালিয়ন ফুটবল প্রতিযোগিতায় ৮ আনসার ব্যাটালিয়নকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে ৫ আনসার ব্যাটালিয়ন। ভলিবল প্রতিযোগিতায় ৫ আনসার ব্যাটালিয়নকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ১৬ আনসার ব্যাটালিয়ন এবং কাবাডি প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ১৯ আনসার ব্যাটালিয়ন ও রানার্স আপ হয় ৫ আনসার ব্যাটালিয়ন।

মহানগর আন্তঃ জোন ফুটবল প্রতিযোগিতায় ঢাকা মহানগর আনসার উত্তর জোনকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে ঢাকা মহানগর আনসার পশ্চিম জোন। ভলিবল প্রতিযোগিতায় ঢাকা মহানগর আনসার দক্ষিণ জোনকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ঢাকা বিমান বন্দর জোন। এবং কাবাডি প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ডিএমপি জোন, ঢাকা ও রানার্স আপ হয় ঢাকা মহানগর আনসার পশ্চিম জোন।

আন্তঃ ক্লাব ফুটবল প্রতিযোগিতায় জয়নগর আনসার ও ভিডিপি ক্লাব ও সমিতি, লালমাই, কুমিল্লাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে সিংহেরকাঠি আনসার ও ভিডিপি ক্লাব, সদর, বরিশাল। ভলিবল প্রতিযোগিতায় বানুরিয়া আনসার ও ভিডিপি ক্লাব, কালিগঞ্জ, ঝিনাইদহকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আচমিতা আনসার ও ভিডিপি ক্লাব, কটিয়াদি, কিশোরগঞ্জ। এবং কাবাডি প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে খনজনপুর উত্তরপাড়া আনসার ও ভিডিপি ক্লাব ও সমিতি, জয়পুরহাট ও রানার্স আপ হয় তারাজি ইটাখোলা আনসার ও ভিডিপি ক্লাব, সদর, নীলফামারী।

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল একেএম আমিনুল হক, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএইচডি, পিএসসি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী দল এবং রানার্স আপ অর্জনকারী দলের হাতে ট্রফি, মেডেল এবং নীতিমালা মোতাবেক প্রাইজমানি তুলে দেন।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ নাজিম উদ্দিন, বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও সভাপতি আনসার ও ভিডিপি ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ড, মোঃ নূরুল হাসান ফরিদী, ভারপ্রাপ্ত কমান্ড্যান্ট আনসার ও ভিডিপি একাডেমি, উপমহাপরিচালকবৃন্দ, পরিচালকবৃন্দ, কর্মকর্তা, কর্মচারী, টিম প্রতিনিধিবৃন্দ, কোচ ও খেলোয়াড়বৃন্দসহ খেলা উপভোগকারী দর্শকগণ।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাফল্যের ধারাকে অব্যাহত রাখতে বিভিন্ন ব্যাটালিয়ন, জেলা এবং মহানগর আনসার জোন হতে ২৬টি ফুটবল, ২৬টি ভলিবল, ও ২৬টি কাবাডি টিম এই টুর্ণামেন্টে অংশগ্রহণ করে। এবারই প্রথম ফুটবল, ভলিবল এবং কাবাডি ইভেন্টে আন্তঃ বাহিনী প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

পরে প্রধান অতিথি তিনটি ইভেন্টে অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। নিজেদের উপর দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি শারীরিক, মানসিক ও সুস্থ জীবন যাপনে খেলাধুলা অপরিহার্য। তিনটি ইভেন্টে অংশগ্রহণকারী তরুণ খেলোয়াড়দের আরো কঠোর অনুশীলনের মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ক্রীড়াঙ্গনে সাফল্যের এ ধারাবাহিকতাকে অব্যাহত রাখার আহবান জানান।


আরও খবর



মন্ত্রীর সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনে যা বললেন অনন্যা

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

টালিগঞ্জের অভিনেত্রী অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের জন্য কিছু করার তাগিদ থেকেই রাজনীতিতে যোগ দেন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আর্শীবাদে ২০১৫ সাল থেকে কলকাতা পৌরসভার ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এই অভিনেত্রী। অভিনয় আর রাজনীতি- এ নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন অনন্যা।

সম্প্রতি ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে একাধিকবার খবরের শিরোনাম হয়েছেন তিনি। কথা রটেছে- রাজ্যের এক মন্ত্রীর সঙ্গে অনন্যার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে। শোবিজের মানুষজনের সঙ্গে নাকি সেই মন্ত্রীর নিত্য ওঠা-বসাও। সেই সুবাদেই এমন গুঞ্জন।

ভারতের একটি সংবাদমাধ্যমে এ নিয়ে কথা বলেছেন অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার কথা, আসলে কেউ কাউকে সাহায্য করলে মানুষ তাদের সম্পর্কে জড়িয়ে দিতে আগ্রহী হয়ে ওঠে। সম্পর্ক আছে কি নেই, সেই ব্যাপারে আমি কিছু বলব না কারণ মানুষ বিষয়টা খোলা মনে নিতে পারে না।

অনন্যা জানান, আপনি যার কথা বলছেন তিনি আমাকে রাজনীতিতে নানাভাবে গাইড করেন। সেটা নিয়ে নানা মহলে গুঞ্জন। উনি মাথার উপর আছেন বলে অনেক কাজ সহজ হয়ে যায়। আবার এমনও হয়েছে সেই ধারণার ফলে আমার করা কাজগুলো ঢাকা পড়ে গেছে।

প্রয়োজনে সবসময় সেই মন্ত্রীর সাহায্য নেন বলেও জানান অনন্যা।

এদিকে, ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা দেবের সবশেষ সিনেমা প্রধান-এ সবার নজর করেছেন এই অভিনেত্রী। আর শিগগিরই রাজর্ষি দেসাদা রঙের পৃথিবীতে দেখা যাবে তাকে। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে সিনেমার ট্রেলার।


আরও খবর
ফের বিয়ে করছেন অনুপম রায়, পাত্রী কে?

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে উত্তর কোরিয়া

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

উত্তর কোরিয়া পূর্ব উপকূলে বেশ কয়েকটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী। গত কয়েক মাসে পারমাণবিক অস্ত্রধারী কমিউনিস্ট দেশটি বারবার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে যার ফলে আঞ্চলিক উত্তেজনা বেড়ে গেছে। রোববার সিনপো বন্দরের কাছে ওই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়। ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা বা ধরন এখনও স্পষ্ট নয়।

এর আগে গত বুধবার উত্তর কোরিয়া পুলহওয়াসল-৩-৩১ নামে একটি নতুন কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়োনহাপ বার্তা সংস্থা জানায়, বুধবার সকালের দিকে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।

এছাড়া কয়েকদিন আগেই ডুবো পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবস্থার পরীক্ষা চালানোর দাবি করেছে উত্তর কোরিয়া। দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের যৌথ সামরিক মহড়ার প্রতিক্রিয়ায় এই অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে কিম জং উনের দেশ।

২০২৩ সালের মার্চে প্রথম নতুন ড্রোন ব্যবস্থাটির পরীক্ষা চালানো হয়। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বলেছে যে, পানিতে থাকা শত্রুর ওপর লুকিয়ে আক্রমণ করা ও ডুবো বিস্ফোরণের মাধ্যমে বড় তেজস্ক্রিয় তরঙ্গ তৈরি করে নৌদল ও প্রধান আভিযানিক বন্দরগুলোকে ধ্বংস করার লক্ষ্যেই এটি তৈরি।

এদিকে নতুন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণের বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (জেসিএস) বলেন, আমাদের সামরিক বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গভীরভাবে এ বিষয়ে কাজ করছে। উত্তর কোরিয়ার উস্কানিমূলক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন সাম্প্রতিক সময়ে আক্রমনাত্মক হয়ে উঠেছেন। দেশটিতে একের পর এক বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হচ্ছে।


আরও খবর



বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় বিমান হামলা

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

মিয়ানমারে চলছে উত্তেজনা। তীব্র আন্দোলনের মুখে পড়েছে জান্তা সরকার। একে একে হারাচ্ছে সেনাঘাঁটি ও শহর। বিদ্রোহীদের লাগাম টানতে নাজেহাল জান্তা প্রশাসন। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে বাংলাদেশের সীমান্ত ঘেষা মিয়ানমারের অভ্যান্তরে বিমান হামলা চালিয়েছে জান্তা বাহিনী। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) মিয়ানমারের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম নারিনজারার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাখাইন রাজ্যের মংডুর বাও ডি কনে সীমান্ত বাহিনীর চৌকিতে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সেনারা হামলা চালায়। এরপর ওই অঞ্চলে তীব্র লড়াই শুরু হয়। একপর্যায়ে সেখানে বিমান হামলা চালায় মিয়ানমারের বিমানবাহিনী।

স্থানীয় এক বৌদ্ধ যাজক নারিনজারা নিউজকে বলেন, আমরা কামানের গোলা ও গুলির শব্দ শুনতে পেয়েছি। দুপুর পর্যন্ত তীব্র লড়াই হয়েছে। সেনারা অসংখ্য গুলি ছুড়েছে। সকালে একটি যুদ্ধবিমান থেকে দুটি বোমা ফেলা হয়েছে। এটির শব্দ আমার বাড়ি থেকেও শোনা গিয়েছে। স্থানীয় আরেক বাসিন্দাও বিমান হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

আরও পড়ুন>> ইসরাইলি হামলায় গাজায় নিহত বেড়ে প্রায় ২৯ হাজার

নারিনজারা নিউজ জানিয়েছে, মংডুর অনেক গ্রামের বাসিন্দারা বিদ্রোহী ও সেনাদের মধ্যকার লড়াইয়ের কারণে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে।

এর আগে গত ৭ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের আরেক সংবাদমাধ্যম ইরাবতীর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় মিয়ানমারের একটি সামরিক হেলিকপ্টার ভূপাতিত করেছে বিদ্রোহীরা।

আরাকান আর্মি (এএ) জানিয়েছে, চীন রাজ্যের পালেতোয়া শহরে সংঘর্ষের সময় হেলিকপ্টারটি ভূপাতিত করা হয়। বিদ্রোহী এ গোষ্ঠীটি এমন দাবি করার পর হেলিকপ্টারটির ছবিও প্রকাশ করেছে।

আরাকান আর্মির ‍মুখপাত্র খাইং তুখা ইরাবতীকে বলেন, আমরা পালেতোয়ায় যুদ্ধ চলাকালে একটি সামরিক হেলিকপ্টার গুলি করে ভূপাতিত করেছি। হেলিকপ্টারটি পিআই পর্বতমালায় জান্তার সামরিক ঘাঁটির কাছাকাছি গভীর বনে পড়েছে। কানখা পাহাড়ে গত ১৩ জানুয়ারি ঘাঁটিটি দখলের পর হেলিকপ্টারটির ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পেয়েছি।

সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, পালতোয়া শহরের উত্তরাঞ্চলের এ দুই পর্বতমালা বাংলাদেশ মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত। আরাকান আর্মি এ এলাকাটি দুই মাসের সংঘর্ষের পর জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে দখলে নেয়।


আরও খবর