আজঃ মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

চিনির দাম কমানোর বিষয়ে যা বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, আপাতত চিনির দাম কমানোর কোনো সুযোগ নেই। কারণ, চিনি আমদানি কর কমাতে এনবিআরকে চিঠি দেওয়া হলেও ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে তা সম্ভব হয়নি। তাছাড়া দেশি চিনির উৎপাদন নেই এবং ভারতীয় চিনি আমদানিও বন্ধ রয়েছে।

তবে শীতকালীন শাকসবজি, চাল, তেল, ডাল, আলু, মুরগিসহ অনেক খাদ্য পণ্যের দাম আগের চেয়ে অনেকটাই কমেছে বলে দাবি করেন তিনি। বুধবার (২৯ নভেম্বর) সকালে রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল রোডের নিজ বাসভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। 

আরও পড়ুন>> ঢালাওভাবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া যাবে না : কাদের

টিপু মনুশি বলেন, এই নির্বাচন শুধু নিজের জন্য নয়, নৌকার জন্য ও উন্নয়নের জন্য নির্বাচন। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এই আসনে যাকে মননোয়ন দিতেন, তিনি তার পক্ষ হয়ে কাজ করতেন। রংপুরের উন্নয়নের দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই। সুতরাং উন্নয়ন নিয়ে কোনো সংশয় নেই।

এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, উত্তরে গ্যাস এসেছে। অর্থনৈতিক জোন তৈরি হচ্ছে। এখানকার মানুষের কর্মসংস্থানের জন্য রংপুরের নামে একটি ইপিজেড বাস্তবায়নে চিঠি চালাচালি চলছে। নির্বাচন শেষে আগামী বছর প্রধানমন্ত্রী সদয় হয়ে এই ঘোষণা নিজেই দেবেন বলে আশা করি।

সেই সঙ্গে আগামী ৫ বছরের মধ্যে শিক্ষা, চাকরি, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও ভারী শিল্প স্থাপনের মধ্য দিয়ে অন্যান্য স্থানে জায়গা করে নেবে রংপুর বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।


আরও খবর



বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরী লিমিটেডের সম্মাননা লাভ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরী লিমিটেড প্রথমবারের মতো ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০২৪ এ অংশগ্রহণ করে জেনারেল প্যাভিলিয়ন ক্যাটাগরীতে ২য় স্থান অর্জনসহ প্রশংসাপত্র অর্জন করে। এই সম্মাননা বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরী লিমিটেড এর ভবিষ্যৎ পথ চলাকে আরও বেগবান করবে।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০০ সালে বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরী (বিএমটিএফ) লিমিটেডকে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিকট হস্তান্তর করেন। বিএমটিএফ লিমিটেড এর পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, এসবিপি (বার), ওএসপি, এনডিইউ, পিএসসি, পিএইচডি এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলম, এনডিইউ, পিএসসি, পিএইচডি দায়িত্বরত রয়েছেন। 

বিএমটিএফ দেশের অন্যতম বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে শিল্পোন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রেখে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে বদ্ধ পরিকর। বিএমটিএফ কর্তৃক উৎপাদিত পণ্যসমূহ নিয়ে ক্রেতাগণের মাঝে অগ্রহ সৃষ্টি এবং পণ্যসমূহ ক্রেতাদের দোর গোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো ঢাকা আন্তজার্তিক বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে বিএমটিএফ লিমিটেড কর্তৃক উৎপাদিত পণ্যসমূহের প্রতি ক্রেতাগণের ব্যাপক আগ্রহ ও চাহিদা পরিলক্ষিত হয়েছে।


আরও খবর



বাণিজ্য মেলায় ৪০০ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

এবারের বাণিজ্য মেলায় ৪০০ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি হয়েছে, যা গতবছরের চেয়ে ১৫ শতাংশ বেশি। মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক মেলার সমাপনীতে ৩৯২ কোটি টাকার রপ্তানি আদেশও পাওয়া গেছে জানিয়েছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বাণিজ্য মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে বণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল আলম টিটু বলেন, আগামী বছরের পরিকল্পনা হল হস্তশিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। একটি গ্রাম ও একটি পণ্য প্রকল্পকের হস্তশিল্প বর্ষ সফল করা হবে। এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। হস্তশিল্প বিদেশে রপ্তানির ও ব্যবস্থা করা হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, কৃত্রিম সংকট কেউ সৃষ্টি করতে চাইলে তাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স থাকতে হবে।

এসময় বিদেশী পণ্য আমদানী আরও কমানোর আহ্বান জানান তিনি।


আরও খবর



বাংলাদেশকে পাহাড়সম লক্ষ্য দিলো শ্রীলঙ্কা

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

জাতীয় দলের নতুন অধিনায়ক নাজমুল শান্তর পক্ষে আসে টস। বোলিং নেন তিনি। পাওয়ার প্লেতে দুই উইকেটও নেয় বাংলাদেশ। কিন্তু ওপেনার কুশল মেন্ডিস এবং মিডলে সাদেরা সামারাবিক্রমা ও আশালঙ্কার ব্যাটে ৩ উইকেট হারিয়ে ২০৬ রান তুলেছে শ্রীলঙ্কা।

নতুন বল হাতে নিয়ে প্রথম ওভারেই উইকেট নেন শরিফুল। আভিস্কা ফার্নান্দোকে ফেরান তিনি। পঞ্চম ওভারে কামিন্দু মেন্ডিসকে (১৯ রান) আউট করেন তাসকিন আহমেদ। শ্রীলঙ্কার রান তখন ৩৭। সেখান থেকে ৯৬ রানের জুটি দেন কুশল মেন্ডিস ও সামারাবিক্রমা।

কুশল মেন্ডিস খেলেন ৩৬ বলে ৫৯ রানের ইনিংস। তার ব্যাট থেকে ছয়টি চার ও তিনটি ছক্কার শট আসে। এছাড়া সামারাবিক্রমা ৪৮ বলে ৬১ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন। সবচেয়ে বড় ঝড়টা দেখান অধিনায়কের দায়িত্ব পাওয়া আশালঙ্কা। তিনি ২১ বলে ছয়টি ছক্কার শটে ৪৪ রান করেন।

বাংলাদেশ দলের বোলাররা ছিলেন খরুচে। প্রথম ২ ওভার ভালো বোলিং করলেও শরিফুল শেষ পর্যন্ত ৪ ওভারে ৪৭ রান দেন। প্রথম দুই ওভারে ৯ রান দেওয়া মুস্তাফিজ বোলিং কোটা পূরণ করেন ৪২ রান দিয়ে। তাসকিন তার ৪ ওভারে ৪০ রান খেয়েছেন। স্পিনার রিশাদ হোসেন ৪ ওভারে ৩২ রান দিয়ে নেন এক উইকেট। শেখ মাহেদি ৩ ওভারে দেন ৩০ রান।


আরও খবর



বিশ্ব নেতাদের প্রতি অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ব নেতাদের সামনে ছয়টি প্রস্তাব পেশ করে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলির জন্য জলবায়ু অর্থায়ন ছাড় করার এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার জন্য তহবিলকে সরিয়ে আনার লক্ষ্যে অর্থহীন অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, অর্থহীন অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করতে হবে এবং এর পরিবর্তে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহের জন্য সম্পদের সংস্থান করা দরকার। আমাদের মনে রাখতে হবে যে, মানবতার অস্তিত্ব যখন হুমকির মুখে পড়বে, তখন সংকীর্ণ স্বার্থ রক্ষার পথ অনুসরণ করলে তা কোনো সুফল বয়ে আনবে না।

শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জার্মানিতে মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্স ২০২৪-এ ফ্রম পকেট টু প্ল্যানেট: স্কেলিং আপ ক্লাইমেট ফাইন্যান্স শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় তিনি তার প্রস্তাবিত পরামর্শে এই মন্তব্য করেন।

ছয়টি পরামর্শ তুলে ধরার সময় তার প্রথম পরামর্শ উপস্থাপন করে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সঠিক পথে রাখতে জলবায়ু অর্থায়নের বরাদ্দ ছাড় করার সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।

তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, উন্নত দেশগুলিকে পরিকল্পনার ভিত্তিতে ২০২৫ সাল পর্যন্ত দুই বছরে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের প্রতিশ্রুতি মেনে চলতে হবে।

তিনি বলেন, এই বছরের শেষ নাগাদ, আমাদের সকলকে অবশ্যই বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ভিত্তিতে বিশেষ করে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ওপরে ২০২৫-পরবর্তী একটি নতুন জলবায়ু অর্থায়ন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে একমত হতে হবে।

তার দ্বিতীয় প্রস্তাবে শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বকে যুদ্ধ ও সংঘাত, অবৈধ দখলদারিত্ব এবং নিরস্ত্র বেসামরিক নাগরিকদের বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নির্মম হত্যাকাণ্ড থেকে পরিত্রাণ পেতে হবে যা গাজা ও অন্যত্র বিশ্ববাসী প্রত্যক্ষ করছে।

তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞার প্রভাব সংঘাতের অনুভূতির বোধ থেকেও অনেক দূরে অনুভূত হয়।

তার তৃতীয় পরামর্শে, তিনি বলেন, জলাযায়ু প্রভাব প্রশমন ও অভিযোজনের জন্য অর্থায়নের তীব্র ভারসাম্যহীনতা দূর করার জন্য অভিযোজন অর্থায়নের বর্তমান পর্যায় অন্তত দ্বিগুণ করা প্রয়োজন।

এ লক্ষ্যে, অভিযোজনে সহায়তার জন্য বাংলাদেশকে ১ বিলিয়ন ইউরো প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেয়ার জন্য তিনি ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁকে ধন্যবাদ জানান।

চতুর্থ পরামর্শে তিনি বলেন, বিদ্যমান আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিল থেকে উন্নয়নশীল দেশগুলির অর্থ প্রাপ্তি সুগম করার জন্য দীর্ঘকালের অমীমাংসিত সমস্যাটি তাদের সক্ষমতায় বিনিয়োগ করার সুযোগসহ সমাধান করতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে, গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড থেকে অর্থায়ন পাওয়ার জন্য আমাদের শুধুমাত্র দুটি যোগ্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং আরও দুটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তার পঞ্চম পরামর্শে শেখ হাসিনা বলেন, বৈশ্বিক অর্থায়নের ব্যবস্থাপনায় সংস্কারের ক্ষেত্রে বিশেষ করে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর ঋণের বোঝা দূর করতে তাদের জন্য অনুদান ও সুবিধাজনক ঋণ লাভের সুযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে অর্থপূর্ণ ফলাফল দেখাতে হবে।

সর্বশেষ ও ষষ্ঠ পরামর্শে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু কর্মসূচি জন্য বেসরকারি পুঁজি প্রবাহের জন্য সরকারগুলোকে সঠিক পরিকল্পনা, নীতি ও ব্যবস্থার ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে হবে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে প্রকল্পগুলির জন্য বেসরকারি পুঁজি আকৃষ্ট করার জন্য উদ্ভাবনী, মিশ্র অর্থায়নের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, এটি সুস্পষ্ট যে, বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ ছাড়া জলবায়ু অর্থায়নের বিপুল পরিমাণ ঘাটতির কার্যকর সমাধান করা যাবে না।

শেখ হাসিনা বলেন, সকলেই জলবায়ু প্রভাব প্রশমন ও অভিযোজনে বিনিয়োগের জন্য আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নের বর্তমান মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে।

তিনি বলেন, দুঃখের বিষয়, প্রতিশ্রুত জলবায়ু অর্থায়ন এখনও গুরুতরভাবে অপর্যাপ্ত। 'জলবায়ু অর্থায়ন' এবং এর অ্যাকাউন্টিং পদ্ধতির বিষয়ে আন্তর্জাতিকভাবে সম্মত সংজ্ঞার অনুপস্থিতির কারণে এটি আরও জটিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি ২০০৯ সালে কোপেনহেগেনে কপ-১৫ চলাকালে শেষ মুহূর্তের সমাধান খুঁজে বের করার লক্ষ্যে নেতাদের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন এবং বুঝতে পেরেছিলেন যে, আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করা বেশ কঠিন হবে।


আরও খবর



অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকিপূর্ণ সব ভবনে সাইনবোর্ড টানানোর নির্দেশ

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর যেসব ভবনকে অগ্নিকাণ্ডের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে ফায়ার সার্ভিস থেকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে সেসব ভবনের দৃশ্যমান স্থানে ঝুঁকিপূর্ণের নোটিশ টানানোর নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রাজউক, ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষকে এই আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে রাজধানীর বেইলি রোডে একটি ভবনে ভয়াবহ আগুন লেগে ৪৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় স্বরাষ্ট্র সুরক্ষা সচিবের নেতৃত্বে কমিটি গঠন করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

কমিটিতে পুলিশ, রাজউক, ফায়ার সার্ভিস, বুয়েটের বিশেষজ্ঞ, ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধিদের রাখতে বলা হয়েছে। এই কমিটি চার মাসের মধ্যে বেইলি রোডের গ্রিন কোটি কটেজ ভবনে ভয়াবহ আগুন লাগার ঘটনার কারণ অনুসন্ধান, কারা দায়ী তা খুঁজে বের করবে। এছাড়া রাজধানীর ভবনগুলোতে অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কেমন হবে তার সুপারিশ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবে কমিটি।

পৃথক দুটি রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার (৪ মার্চ) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

একইসঙ্গে আইন অনুযায়ী স্কুল, কলেজ, শপিংমলসহ রাজধানীর ভবনগুলোতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না রাখা কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউনূছ আলী আকন্দ ও অ্যাডভোকেট ইসরাত জাহান সান্ত্বনা।

এর আগে বেইলি রোডের আগুনে ৪৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইসরাত জাহান সান্ত্বনা।

রিটে প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বের করার নির্দেশনা চাওয়া হয়। একইসঙ্গে রিটে সরকারের গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট আদালতে দাখিল করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আরেক আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ বেইলি রোডসহ রাজধানীর সব আবাসিক স্থাপনায় রেস্টুরেন্ট বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।

রিটে বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডে প্রকৃত দায়ীদের গ্রেপ্তার ও আহত-নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়। এছাড়া বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডের তদন্তের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রী পরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের আইজি, রাজউকের চেয়ারম্যান, ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়।


আরও খবর