আজঃ বুধবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২৩
শিরোনাম

চেহারা বদলের বিষয়ে মুখ খুললেন এমি জ্যাকসন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

চেহারায় নতুন লুক এনে সম্প্রতি বেশ সমালোচিত হয়েছেন ব্রিটিশ মডেল-অভিনেত্রী এমি জ্যাকসন। যুক্তরাজ্যের পারফেক্ট ম্যাগাজিনের পার্টিতে নতুন লুকে অংশগ্রহণ করেছিলেন এমি।

নেটিজেনদের অনেকে মনে করছেন সার্জারি করেই এই হাল হয়েছে এমির। কেউ ভাবছেন এটা ডায়েটের ফল। নতুন লুকে এমিকে অনেকে আইরিশ অভিনেতা কিলিয়ান মারফির সঙ্গে তুলনা করছেন। কারও কারও ধারণা, অ্যাঞ্জেলিনা জোলির লুক নিতে গিয়েই এমন দশা হয়েছে এমির। নেটিজেনদের কাছে তিনি যেন এখন লেডি কিলিয়ান মারফি। এই বিষয়ে এবার মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী। 

আরও পড়ুন>> ক্যারিয়ারে ব্যর্থতা, আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন কমল হাসান

এমি বলেন, আমি একজন অভিনেত্রী, আমি আমার কাজ বুঝেই করি। গত এক মাস ধরে যুক্তরাজ্যে নতুন একটি প্রজেক্টের শুটিং করছি। যেই চরিত্রটিতে অভিনয় করছি, সেটার জন্য আমাকে ওজন কমাতে হয়েছে। সেই চরিত্রের প্রতি আমি সম্পূর্ণ দায়বদ্ধ। তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার বিষয়টি দুঃখজনক। আমার পুরুষ সহকর্মীরা সিনেমার জন্য নিজেদের লুক বদলে প্রশংসিত হয়েছেন। যখন কোনো নারী কাজটি করেন, তখন তাকে সৌন্দর্যের মাপকাঠিতে বিচার করা হয়। তারা মনে করেন আপনাকে নিয়ে ট্রোল করার অধিকার তাদের আছে।


আরও খবর



অবরোধে বেড়েছে ভোমরা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৭ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

Image

গত ২৯ অক্টোবর থেকে বিএনপি-জামায়াতের ডাকা অবরোধের কোনো প্রভাব পড়েনি সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে। সাতক্ষীরা থেকে এক্সপ্রেসওয়ে ও পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা পর্যন্ত নিরাপদ রুট হওয়ায় এ বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। এছাড়া আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ভোমরা স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ খান বলেন, ভোমরা বন্দরে অবরোধের কোনো প্রভাব না থাকায় আমদানি-রপ্তানি বেড়েছে। অন্য রুটে কিছু সমস্যা থাকায় ব্যবসায়ীরা নিরাপদ রুট হিসেবে ভোমরা বন্দরকে বেছে নিয়েছেন। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১৫০ থেকে ২০০টি পণ্যবাহী ভারতীয় ট্রাক ভোমরা বন্দরে প্রবেশ করছে। আগের চেয়ে রপ্তানিও বেড়েছে।

তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজন হলে পুলিশ ও বিজিবির টহলের মাধ্যমে পণ্য পরিবহনের জন্য বলা হয়েছে। তবে বন্দরে বা সড়কের কোথাও এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা না হওয়ায় আমরা টহল ছাড়াই পণ্য পাঠাচ্ছি।

ভোমরা বন্দরের রাজস্ব কর্মকর্তা রাজীব আহমেদ বলেন, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে বন্দরটিতে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ২৬১ কোটি ৭০ লাখ টাকা, যা গত অর্থবছরের প্রথম চার মাসের তুলনায় ৬৬ কোটি টাকা বেশি। যার প্রবৃদ্ধির হার ৩৪ দশমিক ২১ শতাংশ। অক্টোবরে রাজস্ব আয় হয়েছে ৬৫ কোটি দুই লাখ টাকা, যা গত অর্থ বছরের অক্টোবরে ছিল ৪০ কোটি ৯৪ লাখ ৮৭ হাজার ৫০২ টাকা। গত বছরের তুলনায় চলতি অক্টোবরে রাজস্ব বেড়েছে ২৪ কোটি ৭ লাখ ১২ হাজার ৪৯৮ টাকা। এছাড়া নভেম্বরের ৬ তারিখ পর্যন্ত রাজস্ব আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৫০লাখ টাকা।

ভোমরা শুল্ক স্টেশনের ডেপুটি কমিশনার মো. এনামুল হক বলেন, অবরোধে দেশের অন্যান্য বন্দর দিয়ে মালামাল আনা নেওয়া করতে ব্যবসায়ীদের অনেক ঝুঁকি নিতে হচ্ছে। কিন্তু এ বন্দরে তেমন কোনো ঝুঁকি না থাকায় অন্য বন্দরের ব্যবসায়ীরাও এখন এ বন্দর দিয়ে মালামাল আমদানি-রপ্তানি করছেন। এটি অব্যাহত থাকলে এই বন্দরের রাজস্ব আদায় আরও বাড়বে।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ (সদর সার্কেল) মীর আসাদুজ্জামান বলেন, ভোমরা বন্দর ও জেলায় যেন কোনো নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড না ঘটে সেজন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল দিচ্ছে। অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের আটকের জন্য জেলার বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের নিয়মিত অভিযান চলছে। এছাড়া গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। ভোমরা বন্দর এলাকায় টহলের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স রাখা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা আবেদন করলে, ভোমরা বন্দর থেকে পণ্য পরিবহনের জন্য পুলিশের টহল টিম দিয়ে পণ্য পাঠানোর জন্য প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।


আরও খবর
চার মাসে রাজস্ব আয় বেড়েছে ১৪.৩৬ শতাংশ

মঙ্গলবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩




সিঙ্গাপুরকে ৮ গোলে উড়িয়ে দিলেন সাবিনারা

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

শেষ ভালো যার, সব ভালো তার’—আপামর বাংলার প্রবাদকে সত্যি প্রমাণ করেছেন বাংলাদেশের নারী ফুটবলাররা। র‌্যাংকিংয়ে ১২ ধাপ এগিয়ে থাকা সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ঘরের মাঠে দুটি প্রীতি ম্যাচই জিতেছেন সাবিনা খাতুনরা। প্রথম ম্যাচে ৩-০ আর আজ দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে ৮-০ গোলের বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। বিপরীতে গোল হজম করেনি একটিও।

২০২৩ সালে বাংলাদেশ ফুটবল দলের আজই শেষ ম্যাচ ছিল। বছরব্যাপী নানা ঘটনায় থাকা নারী ফুটবলের সমাপ্তিটা হয়েছে অসাধারণ। সফরকারী সিঙ্গাপুরের জালে দুই ম্যাচে ১১ বার বল পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। আজ সাত গোলের মধ্যে জোড়া গোল করেন তহুরা খাতুন ও ঋতুপর্ণা চাকমা। একটি করে গোল করেছেন অধিনায়ক সাবিনা খাতুন, সানজিদা আক্তার, বাংলাদেশি বংশোদ্ভত সুমায়া মাতসুমি ও জুনিয়র শামসুন্নাহার।

প্রথমার্ধেই বাংলাদেশ তিন গোলে এগিয়ে ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে আরো পাঁচটি গোল করে স্বাগতিকরা। আজকের ৮ গোলের মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছিল পঞ্চমটি। ফরোয়ার্ড ঋতুপর্ণা চাকমা ৬২ মিনিটে বক্সের মধ্যে বাঁ পায়ে অসাধারণ শটে বল জালে পাঠান। এর পাঁচ মিনিট আগে হওয়া গোলে অবদান ছিল ঋতুপর্ণার। বাম প্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণা চাকমার মাইনাস তহুরা দৌড়ে গিয়ে পা ছোয়াতে ব্যর্থ হন। একই লাইনে পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা সানজিদা শট নিয়ে গোল করেন। অধিনায়ক সাবিনা খাতুন ম্যাচজুড়ে বেশ কয়েকটি গোল মিস করেন। পরে তিনি অবশ্য ৭৪ মিনিটে গোলের দেখা পেয়েছেন।

গত ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও হ্যাটট্রিক মিস করেছেন তহুরা। ৭০ মিনিটে ঋতুপর্ণার পাসে তহুরা গোল করলেও অফ সাইডে বাতিল হয়। ৭৫ মিনিটে স্কোরলাইন ৬-০ হওয়ার পর বাংলাদেশের কোচ সাইফুল বারী টিটু বেশ কয়েকটি পরিবর্তন করেন। গোলরক্ষক রুপ্না, ফরোয়ার্ড তহুরা, মারিয়া ও শামসুন্নাহারকে উঠিয়ে নেন। খেলোয়াড় বদল হলেও বাংলাদেশের গোল থামেনি। ৮৬ মিনিটে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জাপানি ফুটবলার সুমাইয়া মাতসুমি বাংলাদেশের হয়ে প্রথম গোল করেন। ইনজুরি সময়ে শামসুন্নাহার একটি গোল করলে স্কোরলাইন ৮-০ হয়।

প্রথম ম্যাচে জোড়া গোল করে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক ছিলেন ফরোয়ার্ড তহুরা খাতুন। আজ দ্বিতীয় ম্যাচের প্রথমার্ধেই জোড়া গোল করেন এই ফরোয়ার্ড। ১৬-১৮ মিনিটের মধ্যে বাংলাদেশ দুই গোল পায়। ১৬ মিনিটে  সাবিনার ফ্রি কিক বক্সের মধ্যে আফিদার ভলিতে মাসুরা পারভীন হেড করেন। তহুরা আরেক হেডে বল জালে পাঠান। এক মিনিট পরেই অধিনায়ক সাবিনার নেয়া কর্ণার সিঙ্গাপুরের ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে বল পোস্টের সামনে পড়ে। ফাঁকা দাঁড়িয়ে থাকা ঋতুপর্ণা চাকমা প্লেসিংয়ে ২-০ করেন। ২৪ মিনিটে বক্সের মধ্য থেকে সানজিদার শট সিঙ্গাপুরের গোলরক্ষক গ্রিপে নিতে পারেননি। সামনে থাকা তহুরা বল জালে পাঠান।

সিঙ্গাপুর ম্যাচজুড়ে তেমন আক্রমণ করতে পারেননি। প্রথমার্ধে ১৪ মিনিটে নুর সাওয়াজিনির শট রুপ্না ভালোমতোই সেভ করেন। দ্বিতীয়ার্ধে তেমন কিছুই করতে পারেনি সফরকারী দল। আজকের ম্যাচের অন্যতম আকর্ষণ ছিল সিঙ্গাপুরের জার্মান লিগে খেলা ফুটবলার ডানেলে। সতীর্থরা তাকে সেভাবে বল যোগান দিতে পারেননি। পাশাপাশি বাংলাদেশের ডিফেন্ডার আফিদা তাকে ভালোমতোই আটকে রাখতে সক্ষম ছিলেন। সিঙ্গাপুর আজ একাদশে চারটি পরিবর্তন নিয়ে খেলতে নেমেছিল।


আরও খবর



আজ ঢাকার বায়ু ‘অস্বাস্থ্যকর’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

শীতকাল মানেই শুষ্ক আবহাওয়া। আর শুষ্ক আবহাওয়া মানেই ধূলা-বালির পরিমাণ বেড়ে যাওয়া। এতে করে প্রতিনিয়তই বাড়ছে বায়ুদূষণের মাত্রা। এ অবস্থায় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার বায়ু জনগণের জন্য অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় রয়েছে। তার থেকে ভারতের রাজধানীর দিল্লির অবস্থা আরও ভয়াবহ।

মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) সকাল ৮টার দিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) বায়ুদূষণের তালিকা প্রকাশ করেছে।

তালিকায় দেখা গেছে, ঢাকার স্কোর ১৭৯, যা অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত। আর একিউআই স্কোর ৩৭৬ নিয়ে এ তালিকায় শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর।

এ ছাড়া ভারতের দিল্লি ৩৩৭ স্কোর নিয়ে রয়েছে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে। তৃতীয় স্থানে থাকা পাকিস্তানের করাচি শহরের স্কোর ১৮১ এবং ১৮১ স্কোর নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে আছে ভারতের আরেক শহর কলকাতা। আবার একই স্কোর নিয়ে রয়েছে ইরাকের বাগদাদ।

একিউআই স্কোর ১০১ থেকে ১৫০ হলে সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর ধরা হয় এবং ১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে অস্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হয়। 

আরও পড়ুন>> দেশের প্রথম ১২ লেনের নান্দনিক ৩০০ ফিট সড়ক উদ্বোধন আজ

এ ছাড়া, ২০১ থেকে ৩০০ একিউআই স্কোরকে খুব অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০১ থেকে ৪০০ একিউআই স্কোরকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।

দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণে ভুগছে ঢাকা। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায় এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো- ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলো।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএইচও) অনুসারে, বায়ুদূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যানসার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।


আরও খবর
বায়ুদূষণের শীর্ষে আজ ঢাকা

মঙ্গলবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩

বায়ুদূষণে আজ শীর্ষ চারে ঢাকা

সোমবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২৩




মাদারীপুরে ছাত্রের মেরুদণ্ড ভেঙে দিলেন মাদ্রাসাশিক্ষক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৯ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
মাদারীপুর প্রতিনিধি

Image

মাদারীপুরে কথা না শোনায় মাদ্রাসাছাত্রকে বেদম মারধর করার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এক পর্যায়ে ৮ বছরের ছাত্রকে তুলে দেয়া হয় আছাড়। এতে ওই শিক্ষার্থীর মেরুদণ্ড ভেঙে যাওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (৬ নভেম্বর) ঘটনা ঘটলেও বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) সকালে বিষয়টি জানাজানি হয়। আহত ফায়েজ হাওলাদার মাদারীপুর সদর উপজেলার নয়াচর গ্রামের সবুজ হাওলাদারের ছেলে। অভিযুক্ত মাহাদী হাসান চরমুগরিয়া এলাকার জামিয়া কাসেমিয়া রওতুল উলুম ক্যারেট কেয়ার মাদ্রাসার নুরানী শিক্ষক।

স্বজন ও এলাকাবাসী জানান, গত সোমবার ভোরে মাদারীপুর সদর উপজেলার চরমুগরিয়া এলাকার জামিয়া কাসেমিয়া রওতুল উলুম ক্যারেট কেয়ার মাদ্রাসার নাযেরা বিভাগের শিক্ষার্থী ফায়েজকে ঘুম থেকে শ্রেণিকক্ষে ডেকে নেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মাহাদী হাসান। এ সময় ফায়েজকে শ্রেণিকক্ষে উঠে দাঁড়াতে বলেন তিনি। শিক্ষকের কথা মতো না দাঁড়িয়ে, শ্রেণিকক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে শিশুটি। পরে রাগান্বিত হয়ে ফায়েজকে বেত্রাঘাত করে মাহাদী হাসান। একপর্যায়ে রাগান্বিত হয়ে তুলে আছাড় দেয়া হয় ফায়েজকে। বিষয়টি কাউকে বললে মেরে ফেলার হুমকিও দেন অভিযুক্ত শিক্ষক। মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) অসুস্থ হয়ে পড়লে ফায়েজকে ভর্তি করা হয় জেলা সদর হাসপাতালে। পরে জানানো হয় স্বজনদের। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ধরা পড়ে শিশুটির মেরুদণ্ড ভেঙে গেছে। বুধবার রাতে তাকে রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে পাঠায় চিকিৎসকরা।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, আহত শিক্ষার্থী ফায়েজ হাওলাদার তার বাড়ির বিছানায় শুয়ে আছে। রাজধানীতে চিকিৎসার জন্য নেয়ার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। শিক্ষকের আঘাতে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছে না কোমলমতি শিশুটি।

ফায়েজের মামা সাহাবুদ্দিন বেপারী বলেন, মাদ্রাসায় মানুষ তার ছেলে বা মেয়েকে কিছু শেখানোর জন্য দেয়। কিন্তু মাহাদী হাসান যে কাজটি করেছে এর বিচার হওয়া দরকার। ৮ বছরের শিশুর সাথে এমন অত্যাচার কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না।

শান্ত ইসলাম নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, শিক্ষক মাহাদী ইসলাম নরপশুর মতো কাজ করেছে। আমার এই মাদ্রাসা বন্ধের পাশাপাশি তার বিচার চাই।

মাদ্রাসার শিক্ষার্থী তাজিম, ইমরান খান, রফিকুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন জানায়, হঠাৎ রেগে গিয়ে ফায়েজের ওপর এমন অত্যাচার করে শিক্ষক মাহাদী ইসলাম। ফায়েজকে তুলে আছাড় দেয়ার পাশাপাশি লাথিও দেয়া হয়। আমাদের বন্ধুকে ভয়ও দেখানো হয়েছে।

শিশুটির মা শ্যামলী আক্তার বলেন, আমার ছেলেকে অত্যাচার করে ক্ষান্ত হয়নি শিক্ষক। কাউকে বিষয়টি জানালে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়। এ ঘটনার বিচার বিচার চাই।

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মাসুদ আলম খান জানান, বিষয়টি এরইমধ্যে জেলা পুলিশের নজরে এসেছে। ঘটনা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ব্যাপারে জানতে মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে পাওয়া যায়নি। আর প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাফেজ মাওলানা ইমরুল কায়েম গণমাধ্যমে পরে কথা বলবেন বলে জানান।

নিউজ ট্যাগ: মাদারীপুর

আরও খবর



ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ১৩ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ রাসেল আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

Image

পূর্ব বিরোধের জেরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার দুপুরে সদর উপজেলার নাটাই দক্ষিণ ইউনিয়নে কালিসীমা পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদেরকে জেলা সদর হাসপাতাল ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

উভয় পক্ষের আহতরা হলেন, হারিছ মিয়া, বাবু, শাকিব, ফিরোজ মিয়া, সোহাগ মিয়া, হানিফ মিয়া, বিল্লাল মিয়া, রোজিনা আক্তার, সিরাজ মিয়া ও নোয়াব মিয়া। 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, পূর্ব বিরোধের জের ধরে রোববার সন্ধ্যায় সাবেক ইউপি সদস্য আরজু মেম্বার গ্রুপের দোলা গোষ্ঠীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আলী ও তার ছেলেকে মারধর করে জেলা পরিষদের সদস্য বাবুল মিয়ার পক্ষের খানে বাড়ি সিরাজ আলীর গোষ্ঠীর লোকজন। এ ঘটনার জের ধরে সোমবার দুপুরের দিকে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ইট পাটকেল নিক্ষেপ ও হামলায় উভয় পক্ষের দশজন আহতসহ বেশকিছু বাড়িঘর ভাংচুরের শিকার হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার পরিদর্শক ওসি অপারেশন মো: সোহেল জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পরবর্তী সংঘর্ষ এড়াতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ঘটনা প্রক্রিয়াধীন।


আরও খবর