আজঃ বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

চায়ের সঙ্গে ধূমপান করলে যে ক্ষতি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

কিছু অভ্যাস রয়েছে যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই বিপজ্জনক। এর মধ্যে একটি হলো চায়ের সঙ্গে  সিগারেট খাওয়া। এটা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। গবেষণা অনুসারে, ধূমপায়ী এবং মদ্যপানকারীরা যদি একসঙ্গে চা পান করেন, তাহলে এটি খাদ্যনালীর ক্যানসারের ঝুঁকি ৩০% বাড়িয়ে দেয়।

জার্নাল অ্যানালস অব ইন্টারনাল মেডিসিন-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গরম চা খাদ্য নালীর কোষের ক্ষতি করে এবং চা ও সিগারেট একসঙ্গে সেবন করলে কোষের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি ২ গুণ বেড়ে যায়। যা ক্যানসারের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চায়ে ক্যাফেইন পাওয়া যায়, যার কারণে পাকস্থলীতে এক ধরনের বিশেষ এসিড তৈরি হয়, যা হজমে সহায়ক, তবে অতিরিক্ত পরিমাণে ক্যাফেইন পাকস্থলীতে প্রবেশ করলে ক্ষতি হতে পারে। অন্যদিকে, সিগারেট বা বিড়িতে নিকোটিন পাওয়া যায়। যদি খালি পেটে চা এবং সিগারেট একসঙ্গে পান করলে মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

সিগারেট খাওয়াও ক্ষতিকর। কারণ ধূমপায়ীর ব্রেইন স্ট্রোক বা হার্ট স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এমন কিছু গবেষণা রয়েছে, যা অনুযায়ী সাধারণ মানুষের তুলনায় যারা দিনে একটি সিগারেট খান তাদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ৭% বেশি। এছাড়াও, যদি কেউ চেইনস্মোকার হন তাহলে এটি তার আয়ু ১৭ বছর কমিয়ে দিতে পারে।

নিউজ ট্যাগ: ধূমপান

আরও খবর



কোটাবিরোধী আন্দোলন: জাবি শিক্ষার্থীদের ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

২০১৮ সালে ঘোষিত সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহাল রাখাসহ চার দাবিতে আবারও ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীরা।

রোববার (৭ জুলাই) সকাল সোয়া ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক (ডেইরি গেইট) সংলগ্ন ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেন তারা। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী দুপুর ১টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করবেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের অবরোধে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে।

এর আগে সকাল ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকে এসে শেষ হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তৌহিদ সিয়াম বলেন, ২০১৮ সালে জারি করা সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহাল রাখাসহ চার দফা দাবিতে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেছি। অনতিবিলম্বে সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি যৌক্তিক সংস্কার করতে হবে। অন্যথায় আমরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো।

এর আগে শিক্ষার্থীরা একই দাবিতে গত ১, ২, ৩ ও ৪ জুলাই টানা চার দিন যথাক্রমে ১০ মিনিট, ২০ মিনিট, ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট ও ৩৫ মিনিট মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হচ্ছে- ২০১৮ সালের পরিপত্র বহাল সাপেক্ষে কমিশন গঠন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি চাকরিতে (সকল গ্রেডে) অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাদ দিতে হবে এবং সংবিধান অনুযায়ী কেবল অনগ্রসর ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কথা বিবেচনা করতে হবে; সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে না এবং কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্য পদগুলোতে মেধা অনুযায়ী নিয়োগ দিতে হবে; দুর্নীতিমুক্ত, নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক আমলাতন্ত্র নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।


আরও খবর
যে কারণে চাকরি ছাড়লেন জাবি শিক্ষক

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




সহিংসতার ঘটনা বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত করা উচিত: জাতিসংঘ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সহিংসতার সব ঘটনার স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে তদন্ত করা উচিত বলে মনে করে জাতিসংঘ। গতকাল বুধবার নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে এমনটাই জানান সংস্থাটির মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক।

ব্রিফিংয়ে স্টিফেন ডুজাররিকের কাছে ওই সাংবাদিক জানতে চান- শিক্ষার্থীদের চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে পরিত্যক্ত একটি রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ- যাদের কোনো সমর্থনই নেই, তারা স্যাবোটাজে জড়িয়েছে...?

জবাবে তিনি বলেন, নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নে এসব কথা বলেন, বাংলাদেশ পরিস্থিতি জানে জাতিসংঘ। বাংলাদেশে যা ঘটছে, যে গণগ্রেপ্তার ও হত্যাকাণ্ড আমরা দেখেছি- সে সম্পর্কে আমাদের উদ্বেগ প্রকাশ করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত স্পষ্ট ছিলাম।

তিনি আরও বলেন, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে, জনগণ শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ বিক্ষোভ করবে এবং তাদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকারে গ্যারান্টি দেবে কর্তৃপক্ষ। এই অধিকার আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের চুক্তিতে (কোভেন্যান্টস) নিহিত আছে।

ডুজারিক বলেন, সমস্ত সহিংস কর্মকাণ্ডের তদন্ত হওয়া উচিত স্বচ্ছ এবং বিশ্বাসযোগ্যভাবে। এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করা উচিত, যা হবে সংলাপের উপযোগী। খোলামেলাভাবে যদি আমি পিছনে ফিরে তাকাই তাহলে বিভিন্ন দেশে, বিশ্বের বিভিন্ন অংশে সম্প্রতি প্রতিবাদ বিক্ষোভ দেখেছি। তরুণরা সেখানে বিশ্বের অবস্থা, তাদের ভবিষ্যত, প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি তাদের হতাশা প্রকাশ করেছেন। প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিক্রিয়া নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। এর একটি অংশ হলো সরকারের শাসন (গভর্ন্যান্স) ইস্যু। আমি মনে করি এর একটি অংশ হলো আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা যেভাবে অন্যায় (আনজাস্ট) করে যাচ্ছে, তার প্রভাব। তারা পরিস্থিতিকে এমন উপায়ে মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়নি, যাতে তরুণরা আহত না হন। বিশ্বজুড়ে সব জায়গায়ই এমন কিছু আমরা প্রত্যক্ষ করছি। কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- যেখানেই প্রতিবাদ বিক্ষোভ হোক, জনগণকে গ্রেপ্তারের আতঙ্ক, আহত হওয়ার আতঙ্ক অথবা তারচেয়েও খারাপ কোনো অবস্থার আতঙ্ক ছাড়াই শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ বিক্ষোভ করতে দেওয়া উচিত।

ব্রিফিংয়ে আরেক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, দেখামাত্র গুলির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীকে। এতে শিক্ষার্থীরা নিহত হয়েছেন। এ বিষয়টি কি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ভূমিকায় প্রভাব ফেলবে?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র বলেন, নিরাপত্তা বাহিনীর সরাসরি গুলি করাসহ বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো নিয়ে তারা যে খুবই উদ্বিগ্ন, সে কথা ইতিমধ্যে বলা হয়েছে। তারা এই উদ্বেগের কথা প্রকাশ্য বিবৃতির মাধ্যমে জানিয়েছেন। আবার সরাসরি বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে।


আরও খবর



পদ্মা সেতু নির্মাণ নিয়ে আমাকেও কথা শুনতে হয়েছে: কাদের

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

পদ্মা সেতু নির্মাণের পেছনে নানা ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্তে পর অনেকেই বিরোধিতা করেছিলেন৷ আমাকেও কথা শুনতে হয়েছে৷ কিন্তু আমি কিছু বলিনি৷

শুক্রবার (৫ জুলাই) বিকেলে মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতু প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

কাদের বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা বলেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু নির্মাণের সাহস দেখাতে পেরেছেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নেত্রী যখন নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু করার ঘোষণা দিলেন, তখন সবার মধ্যেই শোরগোল কেউ কেউ বলছেন পাগল নাকি! বিশ্বব্যাংক ছাড়া পদ্মা সেতু সম্ভব নাকি! তখন আমি পাশেই ছিলাম। আমাকে উদ্দেশ্য করেও কতজন কত কথা বলেছেন। আজকে আমরা পদ্মা সেতুর সব কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংক আমাদের হতাশ করে চলে গেলো। পদ্মা সেতু থেকে অপবাদ নিয়ে সরে গেলো। ২০১২ সালের জুলাই মাসে জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ঘোষণা দিলেন, আমরা আমাদের টাকায় পদ্মা সেতু করবো। তখন আমাদের আশপাশে প্রথম ও দ্বিতীয় সাড়িতে অনেকে বসা ছিল। তারাও এটা নিয়ে নানান কথা বলেছেন। কিন্তু আমরা করে দেখিয়ে দিয়েছি।

পদ্মা সেতু নিয়ে স্মৃতিচারণ করে মন্ত্রী বলেন, ওয়াশিংটনে মাইনর অপারেশন করাচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী৷ এদিকে পদ্মায় প্রথম স্প্যান বসবে৷ আমরা ওনাকে জানালাম, আপনি ফিরলে স্প্যান বসবে৷ তিনি বললেন, শেখ হাসিনার কারণে পদ্মা সেতুর কাজ যেন এক মিনিটের জন্যও থেমে না থাকে৷ যতদিন পদ্মা সেতু থাকবে, ততদিন শেখ হাসিনার নাম উচ্চারিত হবে৷ মানুষের হৃদয়ে যে নাম লিখিয়েছেন শেখ হাসিনা, সেখানেই বেঁচে থাকবেন৷

ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আরও বক্তব্য দেন সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সেতু বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মনজুর হোসেন ও পদ্মা বহুমুখী সেতুর প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই পদ্মা সেতু থিমসং প্রচার করা হয়। এছাড়া পদ্মা সেতুর ওপর একটি প্রামাণ্য চিত্র দেখানো হয়। সুধী সমাবেশে সেতুমন্ত্রীর ও সেতু মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা স্মারক দেওয়া হয়।


আরও খবর
বিএনপির নেতা এ্যানি আটক

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় উত্থান

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

কিছুটা কমার পর গত সপ্তাহে বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় উত্থান হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম এরই মধ্যে প্রায় ১০০ ডলার বেড়ে গেছে। এক সপ্তাহেই প্রতি আউন্স সোনার দাম বেড়েছে ৬৪ ডলারের ওপরে। শেষ কার্যদিবস শুক্রবারই বেড়েছে ৩৪ ডলার। এর ফলে দেশের বাজারেও যেকোনো মুহূর্তে সোনার দাম বাড়তে পারে।

গত সপ্তাহে বিশ্ববাজারে লেনদেনের শুরুতে প্রতি আউন্স সোনার দাম ছিল ২ হাজার ৩২৪ ডলারে। শেষ সপ্তাহে ২ হাজার ৩৯০ দশমিক ৭৭ ডলারে দাড়ায়। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে সোনার দাম বেড়েছে ৬৪ দশমিক ৪৩ ডলার।

সোনার পাশাপাশি গত সপ্তাহে বিশ্ববাজারে রুপার দামও বেড়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স রুপার দাম দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ২১ ডলারে। এর মধ্যে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসেই বেড়েছে ২ দশমিক ৭৯ শতাংশ বা দশমিক ৮৪ ডলার।

বিশ্ববাজারের এ পরিস্থিতিতে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠক করে দেশের বাজারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

বাজুসের এক সদস্য বলেন, বিশ্ববাজারে সোনার দাম যে হারে বেড়েছে, তাতে দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করা প্রয়োজন। স্বাভাবিকভাবেই সোনার দাম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

দেশের বাজারে এর আগে সোনার দাম কমানো হয়। বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বর্তমানে সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৭৩ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ১৭ হাজার ২৮৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ২৭ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ১১ হাজার ৯৫১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৮৭৫ টাকা কমিয়ে ৯৫ হাজার ৯৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ৭৭৩ টাকা কমিয়ে ৭৯ হাজার ৩৩৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: সোনার দাম

আরও খবর



ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
এস এ শফি, সিলেট

Image

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে বাংলাদেশি দুই যুবক নিহত হয়েছেন। রবিবার বিকেলে উপজেলার উত্তর রণিখাই ইউনিয়নের কালাইরাগ সীমান্তের নাজিরেরগাঁও (১২৫২ নং পিলার) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

নিহতরা হলেন- উপজেলার উত্তর রণিখাই ইউনিয়নের কালাইরাগ গ্রামের মৃত ফজর আলীর ছেলে আলী হোসেন (৩২) ও মৃত সুন্দর আলীর ছেলে কাওসার আহমদ (৩০)।

উপজেলার উত্তর রণিখাই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. ফয়জুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে আলী হোসেন ও কাওসার নামে দুজন মারা গেছেন। আরও কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পেয়েছি। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে নিহতের ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক আসাদুল ইসলাম জানান, সীমান্ত এলাকায় ২ জন নিহত হওয়ার খবর পুলিশ পেয়েছে। কিন্তু বিজিবির পক্ষ থেকে নিহতের খবর নিশ্চিত করা হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে ৪৮ বিজিবির কালাইরাগ ক্যাম্পের কমান্ডারের সরকারি মোবাইল নম্বরে কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি।


আরও খবর