আজঃ মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

চাঁদ দেখা গেছে, কাল থেকে রোজা শুরু

প্রকাশিত:শনিবার ০২ এপ্রিল 2০২2 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ এপ্রিল 2০২2 | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামীকাল রোববার থেকে মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা শুরু হচ্ছে। কিছুক্ষণের মধ্যে বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির পক্ষ থেকে রমজানের চাঁদ দেখার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়া হবে। ইসলামী বিধান অনুযায়ী, রমজানের চাঁদ দেখা যাওয়ায় শনিবার রাতে সেহরি খেয়ে আগামীকাল রোজা রাখবেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। রোববার হবে প্রথম রোজা।

এদিকে শনিবার রাতের এশার নামাজের পর তারাবির নামাজ শুরু হবে। এ উপলক্ষে মসজিদে মসজিদে তারাবি নামাজ আদায়ে বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক কাজ এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে রমজান সংযম, আত্মশুদ্ধি ও ত্যাগের মাস। রহমত (আল্লাহর অনুগ্রহ), মাগফেরাত (ক্ষমা) ও নাজাত (দোজখের আগুন থেকে মুক্তি)- এ তিন অংশে বিভক্ত এ মাস।

এ মাসে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার, স্ত্রী-সহবাস ও যে কোনো ধরনের পাপ কাজ থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে রোজা পালন করেন মুসলমানরা। এ মাসের শেষ অংশে রয়েছে হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম কদরের রাত। ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, এ মাসে প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব আল্লাহতায়ালা ৭০ গুণ বাড়িয়ে দেন। রমজান শেষেই দেখা মিলবে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরের।


আরও খবর
শবে বরাত সম্পর্কে হাদিসে যা বলা হয়েছে

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




স্বাদে ঘ্রাণে অনন্য গুঠিয়ার সন্দেশ

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ মোছাদ্দেক হাওলাদার, বরিশাল প্রতিনিধি

Image

সেই ষাটের দশকের কথা। নদীয়ায় আত্মীয়র বাসায় বেড়াতে গিয়ে প্রথম পরিচয় হয়েছিল সাদা ধবধবে এক ধরনের মিষ্টান্নের সাথে। কিছুটা নরম, আকৃতিগত দিক থেকে এবড়ো-থেবড়ো। সেই মিষ্টান্নে মন ভরছিল না সতীশ চন্দ্র দাসের। বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া গ্রামের নিজ এলাকায় ফিরে এসে নদীয়ার মিষ্টান্ন আর নিজের মিষ্টি তৈরির অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করেন সন্দেশ। নামকরণ করা হয় গুঠিয়ার সন্দেশ। দূর থেকে দেখতে শিউলি ফুলের মত। নতুন এই মিষ্টান্ন বাজারজাতকরণে তিনি সাথে নিয়েছিলেন ব্যবসায়ী বন্ধু বাদশা হাওলাদারকে। তারা দুইজনে নতুনভাবে উৎপন্ন সন্দেশ বিক্রি করে সারাফেলে দেন।

সতীশ ও বাদশা দুইজনের কেহই এখন আর বেঁচে নেই। কিন্তু তাদের অভিজ্ঞতালব্ধ মিষ্টান্ন গুঠিয়ার সন্দেশ বরিশাল অঞ্চলে বিখ্যাত হয়ে গেছে। গুঠিয়ার গ্রাম্য হাটের জৌলুস কমেছে, পাশের বিশাল খালটি তার নাব্যতা হারিয়েছে। কিন্তু সন্দেশের বাজার আজও জমজমাট। প্রতিদিন দেশ ও দেশের বাহিরের ভোজনরসিকরা এই মিষ্টান্নের স্বাদ পেতে ছুটে আসেন গুঠিয়ায়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজার পেলে সেখানেও বাজিমাত করবে গুঠিয়ার সন্দেশ। যদিও বাঙালির খাদ্যপণ্যের তালিকায় সন্দেশ নতুন নয়। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য কৃত্তিবাসী রামায়ণ এবং চৈতন্যের কবিতায় সন্দেশের উল্লেখ রয়েছে। ১৯৬২ সালের দিকে গুঠিয়ার সন্দেশের পথচলা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সন্দেশ সাধারণত নরম ও লঘুপাকের হয় কিন্তু গুঠিয়ার সন্দেশ ঠিক তার উল্টো, কড়াপাকের। এজন্য গুঠিয়ার সন্দেশ হয় কিছুটা শক্ত ও শুস্ক। অন্যসব জায়গায় ক্ষীর সন্দেশ, সরপুরি, সাদা সন্দেশ, গুড়ের সন্দেশ, পোড়া সন্দেশের মত হরেক নামে সন্দেশ পেলেও গুঠিয়ার সন্দেশ প্রধানত এক পল্লার ও দুই পল্লার। দুই পল্লার সন্দেশকে ডাকা হয় জোড়া সন্দেশ নামে।

গুঠিয়া বাজারে এখন মাত্র সাতটি সন্দেশের দোকান চালু রয়েছে। এরমধ্যে মাহিয়া মিষ্টান্ন ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী টিটুল হাওলাদার জানান, প্রতিদিন যত মানুষ এই বাজারে মিষ্টান্ন নিতে আসেন তার আশি ভাগই সন্দেশ নিতে আসেন। সন্দেশ শুধু নিজে খান এমন না, স্বজনদের জন্যও নিয়ে যান। দেশের বাইরেও অনেকে নিয়ে যান।

এই দোকানের কর্মচারী মিন্টু হাওলাদার বলেন, গুঠিয়ার সন্দেশ তৈরিতে কোনো ধরনের ভেজাল দ্রব্য দেওয়ার সুযোগ নেই। আমরা গুণগত মান ঠিক রেখেই সন্দেশ বিক্রি করি। তিনি আরও বলেন, গুঠিয়ার সন্দেশের চাহিদা দেশ ও দেশের বাইরে অনেক। কিন্তু দুধ ও চিনির দাম যেভাবে বাড়ছে তাতে আর আগের দামে সন্দেশ বিক্রি করতে পারছি না। তার উপর আয়কর অফিস আমাদের ওপর বিনা কারণেই বাড়তি কর ধার্য করছেন।

আরেক কারিগর শ্যামল চন্দ্র বলেন, আমার পূর্বপুরুষ ছিলেন সতীশ চন্দ্র দাস। তিনি যে পদ্ধতিতে সন্দেশ তৈরি করতেন আমরা এখনো সেভাবেই তৈরি করে থাকি। এজন্যই গুঠিয়ার সন্দেশের সাথে দেশের আর কোনো জায়গার সন্দেশ মিলবে না। আমরা খাঁটি দুধ ও চিনি ব্যবহার করি। তিনি আরও বলেন, খাঁটি পণ্য বিক্রি করায় সম্প্রতি ঢাকার চিন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সরকার আমাকে পুরস্কৃত করেছেন। সরকার আশ্বস্ত করেছে ঐতিহ্যবাহী খাদ্যপণ্য তারা আন্তর্জাতিকভাবে বাজারজাত করবে। সেই সুযোগ পেলে গুঠিয়ার সন্দেশ নিঃসন্দেহে বিশ্ব বাজারও জয় করবে।

যেভাবে তৈরি হয় গুঠিয়ার সন্দেশ

সাধারণত সাত কেজি দুধে এক কেজি ছানা পাওয়া যায়। সেই ছানার সাথে পরিমাণ মত চিনি মিশিয়ে অল্প আগুনে উত্তপ্ত করে নিতে হয়। প্রায় ৩০ মিনিট পর পাকিয়ে অল্প আঁচে পাঁচ মিনিট রাখলেই কাঁচামাল তৈরি। দুধ থেকে ছানা তৈরির পর তা দিয়ে সন্দেশ তৈরি হয়। ছানা বেশি সময় রেখে দিলে ভালো সন্দেশ হয়না। এজন্য দুধ থেকে ছানা কাটার পর পরই তা একটি বড় লোহার কড়াইতে জ্বাল দেওয়া হয়। কাঁচা ছানার সাথে কিছু ময়দা মেশানো হয়। জ্বাল হওয়ার পর তা কিছুটা চিকন করা হয়। জ্বালের কম-বেশির ওপরেই সন্দেশের স্বাদ ও গুণগত মান নির্ভর করে। পাকের পর তা চুলা থেকে নামিয়ে ছোট গোল্লা করে চ্যাপ্টা করা হয়। এরপর তার ওপরে মাঝখানে একটি পরিস্কার কিশমিশ দানা বসিয়ে দেওয়া হয়। এতে সন্দেশের সৌন্দর্য বাড়ে। সন্দেশ তৈরিতে পরিমাণমতো আঁচ ও পাকই হলো প্রধান কাজ। 

নিউজ ট্যাগ: গুঠিয়ার সন্দেশ

আরও খবর



ভারত থেকে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ আসবে এ সপ্তাহে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

চল‌তি সপ্তাহ থে‌কে ভারত থে‌কে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ আসা শুরু হ‌বে ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। শ‌নিবার (২ মার্চ) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কনফারেন্স সেন্টারে অ্যাসোসিয়েশন অব গ্রাসরুট উইম্যান অন্ট্রাপ্রেনারস বাংলাদেশ (এ‌জিউ‌ব্লিউই‌বি) আয়োজিত অনুষ্ঠা‌ন শে‌ষে সাংবা‌দিক‌দের মু‌খোমু‌খি হ‌য়ে তিনি এ তথ‌্য জান‌ান।

আবুধাবিতে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ১৩তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে ভার‌তের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযুষ গয়ালের স‌ঙ্গে বৈঠক ক‌রে‌ছেন প্রতিমন্ত্রী। বৈঠ‌কের প্রসঙ্গ তু‌লে ধ‌রে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডব্লিউটিওতে ভার‌তের বা‌ণিজ‌্যমন্ত্রীর স‌ঙ্গে একটা মি‌টিং ছিল। সেখা‌নে উনি (পীযুষ গয়াল) ব‌সে চি‌ঠি ইস‌্যু করার নি‌র্দেশ দি‌য়ে‌ছেন। চি‌ঠি ইস‌্যু হ‌য়ে গেছে। আমা‌দের হা‌তে চি‌ঠির ক‌পি এসে গে‌ছে। কাল‌ আমরা চি‌ঠি পে‌য়ে‌ছি।

আহসানুল ইসলাম টিটু ব‌লেন, এ সপ্তাহ থে‌কে ৫০ হাজার মে‌ট্রিক টন পেঁয়াজ ভারত থে‌কে আসা শুরু হ‌বে। আমা‌দের লক্ষ‌্য হ‌লো রমজা‌নের আগে যেন ভোক্তাদের বে‌শি দামে নিত‌্য প্রয়োজনীয় জি‌নিস কিন‌তে না হয়।

গত ৭ থে‌কে ৯ ফ্রেবুয়া‌রির দি‌ল্লি সফর ক‌রেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ওই সফ‌রে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভার‌তের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযুষ গয়ালের স‌ঙ্গে বৈঠক ক‌রেন। সেই বৈঠ‌কে ভারত‌ থেকে রমজানের আগে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ এবং এক লাখ টন চিনি আমদানির বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি।


আরও খবর



১৬ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এলো সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

চলতি মাসের প্রথম ১৬ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১১৫ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১২ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১১০ টাকা ধরে)। দৈনিক গড়ে পৌঁছেছে ৭ কোটি ১৯ লাখ ডলার। তবে এসময়ে দেশে কার্যরত ১২টি ব্যাংকে কোনো প্রবাসী আয় আসেনি। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকও রয়েছে। অর্থাৎ এগুলোতে ১ টাকাও পৌঁছেনি।

রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে। এতে বলা হয়, আলোচ্য সময়ে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৩ কোটি ৮৪ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৫ কোটি ২৫ লাখ ২০ হাজার ডলার। এছাড়া বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ৯৫ কোটি ৬৫ লাখ ৩০ হাজার ডলার এবং বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে পৌঁছেছে ২৪ লাখ ৯০ হাজার ডলার।

তবে এসময়ে ১২টি ব্যাংকে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এর মধ্যে ১টি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংক, ১টি বিশেষায়িত ব্যাংক, ৬টি বেসরকারি ব্যাংক এবং ৪টি বিদেশি ব্যাংক রয়েছে।

আলোচিত সময়ে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল), বিশেষায়িত খাতের রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) এবং বেসরকারি খাতের কমিউনিটি ব্যাংক, সিটিজেন্স ব্যাংক, আইসিবি ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক ও সীমান্ত ব্যাংকে কোনো প্রবাসী আয় আসেনি। তাছাড়া বিদেশি খাতের হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া এবং উরি ব্যাংকেও কোনো অর্থ আসেনি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, ১০- ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ৫১ কোটি ৮২ লাখ ১০ হাজার ডলার, ৩-৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ৫৬ কোটি ৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার, ১- ২ ফেব্রুয়ারি ৭ কোটি ১১ লাখ ৪০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বিদায়ী জানুয়ারিতে দেশে প্রবাসী আয় এসেছিল ২১০ কোটি ৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার। বিগত ৭ মাসের মধ্যে যা ছিল সর্বোচ্চ।

নিউজ ট্যাগ: রেমিট্যান্স

আরও খবর



বাংলাদেশিদের এনআইডি দিয়ে পাসপোর্ট বানাচ্ছে রোহিঙ্গারা

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশিদের এনআইডি ও নাম ব্যবহার করে পাসপোর্ট বানাচ্ছে রোহিঙ্গারা। এ কাজে কয়েকটি দালাল চক্র সক্রিয়। এই চক্রের ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এরমধ্যে পাসপোর্ট অফিসের আনসার সদস্যও রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ জানান, এই চক্র এরইমধ্যে অনেক রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট বানিয়ে দিয়ে বিদেশে পাঠিয়েছে।

১৪ বছরের এই রোহিঙ্গা কিশোরী সৌদিআরব যাবার উদ্দেশ্যে দেড় লাখ টাকা দেয় এক দালালকে। পাসপোর্ট ভিসা সবই এই দালাল চক্রের করে দেয়ার কথা।

দালালরা বাংলাদেশি এক নারীর জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে ওই রোহিঙ্গার জন্ম নিবন্ধন সনদ বানায়। পরে সেই জন্মনিবন্ধন দেখিয়ে বানানো হয় পাসপোর্ট। তারা ঢাকার আশেপাশের বিভিন্ন জেলার নাম দিয়ে জন্ম নিবন্ধন করে, তা দিয়ে এনআইডি ও পাসপোর্ট বানায়।

এসব তথ্যের ভিত্তিতে প্রায় ২ মাস দেশের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের লালবাগ বিভাগ। তারা জানায়, পাসপার্ট অফিসের দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরাও রয়েছে এই অপরাধী চক্রের সাথে।

এই চক্র ২০১৯ সাল থেকে কয়েক হাজার জাল পাসপোর্ট বানিয়েছেন। গ্রেফতার হওয়া ২৩ জনের মধ্যে দালাল রোহিঙ্গা ও আনসার সদস্য আছে বলে জানান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান হারুন অর রশিদ।

সরকারি এমন স্পর্শকাতর অধিদফতরগুলোতে নজরদারি আরও বাড়ানোর পাশাপাশি সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্ত করার আহ্বান জানান গোয়েন্দা বিভাগের এ কর্মকর্তা। অসাধু এই চক্রের সঙ্গে আরও অনেকেই জড়িত। তাদের ধরতে অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



বেইলি রোডে আগুন: ভবন মালিকের ম্যানেজার গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজে আগুন লাগার ঘটনায় আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের নাম হামিমুল হক বিপুল। তিনি ভবন মালিকের ম্যানেজার।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. আক্তারুল ইসলাম। তিনি বলেন, ভবন মালিকের ম্যানেজারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রমনা থানা পুলিশ জানিয়েছে, বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে আগুনের ঘটনায় এ নিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হলো। অন্যরা হলেন ওই ভবনে চুমুক রেস্তোরাঁ দোকানের দুই মালিক আনোয়ারুল হক ও শফিকুর রহমান এবং কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর ম্যানেজার জয়নুদ্দিন জিসান। তাদেরকে শুক্রবার বিভিন্ন সময়ে গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে।


আরও খবর