আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

চাকরি দেওয়ার কথা বলে বন্ধুকে ডেকে নিয়ে হত্যা!

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি:

গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পরে শিবচরের মাদবরচর ইউনিয়নের কালাইহাজীর কান্দি গ্রামে একটি পরিত্যক্ত টিনশেডের ঘর থেকে অর্ধগলিত এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। 

ওইদিন বিকেলে ঘরের ভেতর থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। বিকেলে খেলতে থাকা ছোট ছেলেরা ঘরে উঁকি দিয়ে একটি মরদেহ দেখলে স্থানীয়দের জানায়। পরে পুলিশে খবর দিলে তারা এসে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল দাহ্য কোন পদার্থ দ্বারা ঝলসানো ছিল।

অজ্ঞাতনামা হিসেবে মরদেহটি মাদারীপুর মর্গে পাঠানো হলে খবর পেয়ে পরের দিন বগুড়া থেকে নিহতের স্বজনরা মরদেহটি রেজাউলের বলে শনাক্ত করে।

সেসময় নিহতের স্বজনেরা জানান, রেজাউল করিম বগুড়া থেকে শিবচরে তার এক বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে আসে। সবশেষ শিমুলিয়া থেকে লঞ্চে ওঠার পর ফোনে কথা হয় তার সঙ্গে। এরপর থেকে নিখোঁজ ছিল সে। ওই ঘটনায় নিহতের ভাই আজিজুল হক শিবচর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ ১ মাস ২৬ দিন পর সোমবার (১৫ নভেম্বর) ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত এমদাদুল মুন্সী (২৩) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে শিবচর থানা পুলিশ। রেজাউল করিম হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন তিনি। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে মাদারীপুর আদালতে পাঠানো হয়। গ্রেফতার এমদাদুল মুন্সী শিবচরের মাদবচর ইউনিয়নের কালাইহাজীর কা‌ন্দি গ্রা‌মের তোতা মুন্সীর ছে‌লে।

গ্রেফতার এমদাদুলের দেওয়া তথ্যমতে শিবচর থানা পুলিশ জানায়, বগুড়ার সদর উপজেলার চকসূত্রাপুর গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. রেজাউল করিম (৪০) ও কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার চর আমলা গ্রামের সরোয়ার হোসেনের ছেলে রোলাস মালিথা রনি (৪০) কর্মসূত্রে কয়েক বছর আগে নেপাল ছিল। সেখান থেকে তাদের দুইজনের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। আড়াই বছর আগে দেশে আসার পরও তাদের মধ্যে যোগাযোগ ছিল। ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে রেজাউলকে পদ্মা সেতুর প্রকল্পে কাজ দেওয়ার কথা বলে রনি শিবচরের মাদবরচরে তার শ্বশুরবাড়িতে আসতে বলে। গত ১০ সেপ্টেম্বর রেজাউল ৩ হাজার টাকা নিয়ে শিবচরের মাদবরচর আসে। তখন রনি তার সহযোগী এমদাদ মুন্সীকে (২৩) প্রকল্পের কর্মকর্তা সাজিয়ে রেজাউলকে নিয়ে রাতে শিবচরের মাদবরচরের কালাই হাজীকান্দি একটি নির্জন এলাকার পরিত্যক্ত ঘরের কাছে নিয়ে যায়। রাত গভীর হলে মোবাইলে কথা বলার অভিনয় করে সরে গিয়ে রেজাউলকে পেছন থেকে গলায় ফাঁস দেয়। রেজাউল বাঁচার জন্য ছুটতে চাইলে দুইজনে মিলে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে। এরপর এমদাদ রেজাউলের ছবি তুলে তার পরিবারের কাছে পাঠিয়ে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। কিন্তু দরিদ্র পরিবারটি টাকা দিতে ব্যর্থ হয়। পরে পরিচয় গোপন করতে মরদেহটির মুখ পুড়িয়ে পালিয়ে যায় দুই ঘাতক।

পরে শিবচর থানা পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে হত্যার রহস্য উদঘাটনে নামে। শিবচর থানার উপ-পরিদর্শক সঞ্জীব জোয়াদ্দারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সোমবার (১৫ নভেম্বর) ঢাকার কেরানীগঞ্জের কবুতরপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে এমদাদুল হক মুন্সিকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার এমদাদুল পুলিশের কাছে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। 

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিরাজ হোসেন বলেন, আমরা বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় খুনের রহস্য উদঘাটন করি এবং খুনের সঙ্গে জড়িত এমদাদুলকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করি। এমদাদুলের স্বীকারোক্তি মোতাবেক ঘটনাস্থলের পাশের একটি পাটক্ষেত থেকে নিহত রেজাউলের ব্যাগ ও জামাকাপড় উদ্ধার করা হয়। রেজাউল করিম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে গ্রেফতার এমদাদুল সরাসরি জড়িত ছিল বলে স্বীকার করেছে। অপর আসামি রোলাস মালিথা রনিকে ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আরও খবর



ঘুমের মধ্যে দম আটকে যাওয়া কীসের লক্ষণ

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে রাতে একটু ঘুমাতে গেলেন, কিন্তু দম আটকে যাওয়ার কারণে আচমকাই জেগে উঠতে হয়। এই সমস্যা অনেকের হয়ে থাকে। কিংবা রাতে লম্বা ঘুম দেয়ার পর বিকেল নামতেই ঝিমুনি। এই সমস্যাগুলো দেখা দিলে হেলাফেলা করা যাবে না। এগুলো স্লিপ অ্যাপনিয়ার লক্ষণ। স্লিপ অ্যাপনিয়ার প্রভাবে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বিস্তারিত বিভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে স্লিপ অ্যাপনিয়া নিয়ে।

স্লিপ অ্যাপনিয়া: স্লিপ অ্যাপনিয়ায় হচ্ছে ঘুমানোর সময় শ্বাসনালি কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়া। শ্বাসনালি যতক্ষণ বন্ধ থাকে, রোগী নিশ্বাস নিতে পারেন না। এতে বাইরে থেকে বাতাসের মাধ্যমে অক্সিজেন শরীরে প্রবেশ করতে পারে না। এতে মস্তিষ্ক, হার্ট বা অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গ দিনের পর দিন কিছু সময়ের জন্য অক্সিজেনের ঘাটতির ফলে ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে। যার প্রভাবে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ সচল রাখতে অক্সিজেন খাদ্যের মতো কাজ করে। যখন অক্সিজেনের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, তখন মস্তিষ্ক সিগন্যাল দিয়ে রোগীকে জাগিয়ে তোলে, যেন তিনি নিশ্বাস নেন এবং তখন সংকুচিত শ্বাসনালি খুলে যায়। এভাবে স্লিপ অ্যাপনিয়ায় আক্রান্ত রোগী বার বার জেগে ওঠেন। বার বার ঘুম ভাঙার কারণে তারা ক্লান্ত থাকেন, ফলে দিনের বেলায় ঝিমুতে থাকেন।

লক্ষণ: জাতীয় নাক কান গলা ইন্সটিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ স্লিপ অ্যাপনিয়ার এমন কিছু লক্ষণের কথা জানিয়েছেন।

স্লিপ অ্যাপনিয়ার কারণে আক্রান্ত ব্যক্তি অস্বাভাবিক নাক ডাকেন। দেখা যায়, তারা কখনো খুব জোড়ে ডাকছেন, আবার থেমে যাচ্ছে, তারপর আবার ভিন্ন স্বরে নাক ডাকছেন।

প্রায় সময় ঘুমের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার অনুভূতি হয়। বিশেষ করে চিত হয়ে ঘুমানোর সময় শ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। ঘুমের মধ্যে ঝাঁকুনি দিয়ে জেগে ওঠেন এবং কিছু সময়ের জন্য হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায়।

অনেক সময় ঘুমানোর পরও ক্লান্ত লাগে, কাজ করতে গিয়ে বা গাড়ি চালাতে গিয়ে হুট করে ঘুমিয়ে পড়েন।

মেজাজ খিটখিটে থাকে। কারও সাথে কথা বলতে ভালো লাগে না, অবসাদগ্রস্ত লাগে। কাজে মনোযোগ দিতে পারেন না।

ওষুধ খেয়েও রক্তচাপ বা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকছে না।

করণীয়: প্রাথমিক পর্যায়ের স্লিপ অ্যাপনিয়া ধরা পড়লে সেটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। কিন্তু দীর্ঘদিনেও চিকিৎসা না করলে সমস্যা জটিল আকার নিতে পারে। এতে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি জটিলতা ও ডিপ্রেশনের ঝুঁকি বেড়ে যাবে; যার প্রভাবে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

স্লিপ অ্যাপনিয়ার সমস্যা খুব বেশি হলে চিকিৎসক রোগীকে কন্টিনিউয়াস পজিটিভ এয়ারওয়ে প্রেশার বা সি প্যাপ নামে একটি যন্ত্রের সাহায্য নিতে বলেন। এই যন্ত্রটি অনেকটা বক্সের মতো এবং এর সঙ্গে মোটা পাইপের সংযোগ দিয়ে একটি মাস্ক বসানো থাকে। রোগীকে প্রতিবার ঘুমের সময় এই মাস্কটি পরতে হয়। এই যন্ত্রটি মূলত ঘুমের মধ্যে রোগীর শ্বাসনালি খোলা রাখতে সাহায্য করে এবং অক্সিজেনের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখে। ফলে শরীরের অঙ্গগুলোকে আর অক্সিজেনের ঘাটতিতে ভুগতে হয় না। এতে অনেক জটিল রোগের নিরাময় সম্ভব হয়।

তবে যারা সি-প্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন না, তাদেরকে বিকল্প চিকিৎসা নিতে হয়। যেমন, গলার টনসিল বা নাকের পেশি বড় হয়ে গেলে তা অপারেশন করা। ম্যান্ডিবুলার অ্যাডভান্সমেন্ট ডিভাইস-ম্যাড ব্যবহার। এটি মুখের নীচের চোয়ালকে সামনে এগিয়ে রাখতে দাঁতের চারপাশে বসানো এক ধরনের যন্ত্র, যা শ্বাসনালি খোলা রাখতে সাহায্য করে।

লেজার অপারেশনের মাধ্যমে শ্বাসনালীর পরিধি বড় করাও একটি প্রক্রিয়া। এছাড়া জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনলেও স্লিপ অ্যাপনিয়া অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। যেমন, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, নিয়মিত ব্যায়াম করা, সুষম খাদ্যাভ্যাস, ডায়াবেটিস/রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা, ধূমপান ও মদপান পরিহার, কাত হয়ে ঘুমানো।

নিউজ ট্যাগ: স্লিপ অ্যাপনিয়া

আরও খবর



বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হয়েও একজন গর্বিত কৃষক ড. আবু বকর সিদ্দিক প্রিন্স

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

Image

ড. আবু বকর সিদ্দিক প্রিন্স। বরিশাল ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ও মার্কেটিং বিভাগের প্রধান তিনি। তার রয়েছে আরও একটি পরিচয়, কৃষক। সাত একর জায়গায় তার একটি খামারও রয়েছে। বাগানটিতে রয়েছে দেশি বিদেশি ৩৬ জাতের ফলদ, বনজ ও ঔষধি মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার গাছ। এছাড়াও রয়েছে, গরুর খামার, মাছের খামার এবং জৈব সারের প্লান্ট।

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের বাবুলের বাজারে নিজের বাগানে চাষ করা ১৬ কেজি কচুর লতি বিক্রি করছিলেন ড. আবু বকর সিদ্দিক প্রিন্স। বাজারে একটি প্লাস্টিকের টুলের ওপর বসে কচুর লতি বিক্রি করার সময় স্থানীয় এক ব্যক্তি ছবিসহ ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেন। বিষয়টি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর থেকেই প্রশংসায় ভাসছেন ড. আবু বকর সিদ্দিক প্রিন্স।

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের হাতিলেইট গ্রামে তার শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করেন। এই সুবাধে গত ৯ বছর ধরে তিনি কৃষিকে ভালোবেসে এই গ্রামেই বাণিজ্যিকভাবে ৭ একর জমিতে কৃষাণ সমন্বিত কৃষি উদ্যোগ নামে গড়ে তুলছেন বিশাল কৃষি খামার।

জানা যায় খামারে রয়েছে, ড্রাগন ফল, মাহালিশা, কিউজাই, ব্রুনাই কিং, বাউ-৪, কাঁচামিঠা, তাইওয়া গ্রিন, কাটিমন, পালমার, মল্লিকাসহ ১০ প্রজাতির আম, চায়না থ্রি, মঙ্গলবারিসহ তিন প্রজাতের লিচু, মিসরীয় শরিফা, স্ট্রবেরি, চেরি, থাই পেয়ারা, আম, লেবু, জাম্বুরা, লটকন, মাল্টা, সফেদা, আতাফল, কদবেল, আমলকী, ডেউয়া, ডুমুর, কাঠবাদাম, জামরুল, থাই জাম্বুরা, লটকন, মল্টা ও কলা ইত্যাদি ফলগাছ।

এছাড়াও মাছের খামারও রয়েছে। পুকুরে দেশি প্রজাতির মাছের চাষ করা হয়। পুকুর পাড়ে রাজহাঁস আর চীনা হাঁসের ছোট্ট একটি খামারও আছে। মাছের জন্য বাজার থেকে আলাদা খাদ্য কিনতে হয় না। পুকুরপারে একটি শেডে কিছু গবাদি পশুও লালন-পালন করছেন।

দেশের তরুণদের কৃষিকাজে উৎসাহিত করতে তাঁর এ প্রচেষ্টা অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে বলে দাবি সুশীল সমাজের।

উল্লেখ্য যে, ড. আবু বকর সিদ্দিক প্রিন্স বরিশালের ঝালকাঠির রাজাপুরের অবসরপ্রাপ্ত একজন সেনা কর্মকর্তার ছেলে। বাবার সেনাবাহীতে চাকরির সুবাদে পরিবারসহ ঢাকায় সেনা নিবাসে বসবাস করতেন তিনি। ২০০২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করে ২০০৮ সালে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এআইইউবি থেকে কৃষি ব্যবসায় এমবিএ ডিগ্রি নেন। এরপর ২০১৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল এবং ২০১৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডিও করেন তিনি।

বর্তমানে তিনি বরিশাল ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ও মার্কেটিং বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।


আরও খবর



বাজেট: উৎপাদন খরচ বাড়ছে ইটের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ইটের বিদ্যমান সুনির্দিষ্ট কর ১০ থেকে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে বাড়বে নির্মাণ খরচ। যন্ত্রের সাহায্য ছাড়া তৈরি সাধারণ ইট ও ফেসিংয়ে ব্যবহৃত ইট ছাড়া এ খাতে বিদ্যমান কর ৪৫০ টাকার (প্রতি হাজার) পরিবর্তে ৫০০ টাকা, যন্ত্রের সাহায্যে তৈরি সাধারণ ইট ও ফেসিংয়ে ব্যবহৃত ইট ছাড়া এই খাতে বিদ্যমান কর ৫০০ টাকার (প্রতি হাজার) পরিবর্তে ৬০০ টাকা, যন্ত্রের সাহায্যে তৈরি প্রথম গ্রেডের ইটে ৭০০ টাকার (প্রতি হাজার) পরিবর্তে ৮০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

দ্বিতীয় গ্রেডের ইটেও একই হার। ব্রিকস চিপসে ৭০০ টাকার (প্রতি ১০০ সিএফটি) পরিবর্তে ৮০০ টাকা এবং মিকাড ব্যাটসের ক্ষেত্রে ৫০০ টাকার (প্রতি ১০০ সিএফটি) পরিবর্তে ৬০০ টাকা। ট্যুর অপারেটর সেবার উপর মূসক অব্যাহতি প্রত্যাহার হচ্ছে।

এটি স্বাধীন বাংলাদেশের ৫৩তম বাজেট এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের টানা চতুর্থ মেয়াদের ও অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর প্রথম বাজেট। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। এটি দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ বাজেট। বিশাল এ প্রস্তাবিত বাজেটের ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। প্রস্তাবিত এ বাজেটে অনুদান ছাড়া ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। এটি মোট জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। সরকার অভ্যন্তরীণ ঋণ নেবে এক লাখ ৬০ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। প্রস্তাবিত এই বাজেট বক্তব্যের শিরোনাম 'সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার'। আগামী ৩০ জুন বাজেট পাস হওয়ার কথা রয়েছে।


আরও খবর



রাশিয়ায় চার ভারতীয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

লেখাপড়ার উদ্দেশ্যে রাশিয়াতে পাড়ি জমিয়েছিলেন ভারতের মহারাষ্ট্রের চার শিক্ষার্থী। রাশিয়ার নভগোরোদ স্টেট ইউনিভার্সিটিতে লেখাপড়া করতেন তারা।

রাশিয়ায় মহারাষ্ট্রের এই চার তরুণেরই মৃত্যু হলো একসাথে। নদীতে তলিয়ে যাওয়া বন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে বাকিদের। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি দুজনের মরদেহ এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

ঘটনার বিবরণে জানা যাচ্ছে ভলখভ নদীর ধারে হাঁটতে বেরিয়েছিলেন এই তরুণেরা। হঠাৎই নদীতে পড়ে যান তাদের একজন। তাকে বাঁচাতে নদীতে লাফ দেন বাকিরা। সেই বন্ধুকে তো বাঁচানো গেলই না, উল্টো বাকিরাও তলিয়ে গেল স্রোতে।

ঘটনাটি নজরে আসতেই স্থানীয় উদ্ধারকারী দল নদীতে নামে। একজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তবে বাকি চার জন তলিয়ে যান। তাদের মধ্যে দু’জনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।


আরও খবর



প্রথমবার ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মনোনয়ন ফরম তুললেন নারী প্রার্থী

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়তে প্রথমবারের মতো কোন নারী প্রার্থী মনোনয়ন ফরম তুলেছেন। তার নাম জোহরা ইলাহিয়ান। ৫৭ বছর বয়সী এই নারী ইরানের সাবেক আইনপ্রণেতা এবং পেশায় চিকিৎসক। তিনি ইরানের পার্লামেন্টের সদস্য ছিলেন।

হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুর পর দেশটির নির্বাহীর পদ শূন্য হয়। আর সেই পদ পূরণ করতেই ২৮ জুন দেশটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই নির্বাচনে লড়তে মনোনয়ন ফরম তুলেছেন জোহরা ইলাহিয়ান। খবর ইরান ইন্টারন্যাশনালের

দুবার ইরানের পার্লামেন্ট সদস্য নির্বাচিত হওয়া এই নারী রাজনীতিবিদও কট্টরপন্থী ঘরানার। মনোনয়ন ফরম তোলার পর তার সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেন, সুস্থ সরকার, সুস্থ অর্থনীতি এবং সুস্থ সমাজ- হলো আমার নির্বাচনী লক্ষ্য। এ সময় তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধেও লড়াইয়ের ঘোষণা দেন।

অন্য কট্টরপন্থীদের মতো ইলাহিয়ান বাধ্যতামূলক হিজাবের নিয়ম সমর্থন করেন। বাধ্যতামূলক হিজাব অমান্যকারী নারীদের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর নীতি ও পদক্ষেপ গ্রহণের পর মাত্র কয়েক মাস পরই ইলাহিয়ান তার প্রার্থিতা ঘোষণা করলেন।

এদিকে, আসন্ন নির্বাচনে লড়তে নিজের প্রার্থিতার জন্য রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণ করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ।


আরও খবর