আজঃ বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

চাচীর সঙ্গে আ.লীগ নেতার পরকীয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বীরগাঁও ইউনিয়ন শাখা আওয়ামী লীগের সভাপতি হোসেন সরকার তার প্রতিবেশী চাচীর সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

হোসেন সরকারের চাচা একই ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. আব্দুল কুদ্দুছ আজ শুক্রবার (৫ মে) তার বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযুক্ত হোসেন সরকার (৪২) একই গ্রামের মৃত আব্দুল হাজিদ মিয়ার ছেলে। এছাড়াও তিনি জোড়া খুন, গরু চুরি ও দ্রুত বিচার আইনের মামলাসহ ডজন খানেক মামলার চার্জশীটভূক্ত আসামি।

অভিযোগকারী মো. আব্দুল কুদ্দুছ তার স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করে বলেন, হোসেন সরকার অভিযোগকারী মো. আব্দুল কুদ্দুছের স্ত্রী সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত। ভুক্তভুগী পাঁচ ছেলে ও এক মেয়ের জননী।

আরও পড়ুন >> রাজবাড়ীতে শিক্ষক হত্যা মামলায় অস্ত্রসহ গ্রেফতার ৫

হোসেন সরকার ও ভুক্তভুগী অসামাজিক কাজে লিপ্ত উল্লেখ করে আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, এই ব্যাপারে হোসেন সরকারকে সতর্ক করা হলে তিনি উল্টো তাকে হুমকি-ধামকি দেন। গত ৩০ এপ্রিল তারা উভয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত হন বলেও অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়। তারা দুজনে ব্যভিচারের লিপ্ত হওয়ার প্রমাণস্বরূপ মুঠোফোন কল রেকর্ড আব্দুল কুদ্দুছের কাছে সংরক্ষিত আছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগ পত্রে আরো বলা হয়, এই আওয়ামী লীগ নেতা হোসেন সরকারের লাম্পট্যের শিকার হয়ে তার প্রতিবন্ধী ছোট বোন অন্তঃসত্তা হয়েছিল।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হোসেন সরকার স্থানীয় সংসদ সদস্য এবাদুল করিম বুলবুলের নাম ভাঙ্গিয়ে বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেনের সহায়তায় মেঘনা নদী থেকে রাতের অন্ধকারে চুরি করে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত। এছাড়া স্থানীয় বাইশমৌজা গরুর হাটের জাল খাজনা রশিদ তৈরির মাধ্যমে ব্যাপক দুর্নীতি ও ভূমি দস্যুতাসহ স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কার্যালয় দখল করে বিক্রি করারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে হোসেন সরকার বলেন, 'প্রতিবেশী আব্দুল কুদ্দুছ চাচার স্ত্রীর সঙ্গে আমার কোন বিশেষ সম্পর্ক নেই।'

তিনি প্রতিবেদককে আরও বলেন, ওনার ছেলে এবং মেয়ের ফোন নাম্বার আপনাকে পাঠাই, আপনি ইচ্ছা করলে তাদের সাথে কথা বলে যাচাই করে দেখতে পারেন।

এই ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



শেরপুরে বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায়ে হিমশিম খাচ্ছে বিদ্যুৎ বিভাগ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মো. নাজমুল হোসাইন, শেরপুর

Image

শেরপুর জেলার বিভিন্ন সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও দপ্তর গুলোর অনীহার কারণে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা বিল আদায়ের সামগ্রিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারছেনা। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান ও দপ্তর দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রাখছে। বকেয়া বিল আদায়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে বিদ্যুৎ বিভাগকে।

ফলে বিদ্যুৎ বিতরণে নিয়োজিত বোর্ড-কোম্পানিগুলো গ্রাহক সেবার মান বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে নতুন ভাবে গতি সৃষ্টি করতে পারছে না, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে গতি হারাচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভাগ সংশ্লিষ্ট সূত্রে এমন তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বর্তমানে দেশে ৬টি সরকারি প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎ বিতরণ করছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি), বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি), ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি), ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো), ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) এবং নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো)। এসব কোম্পানির মধ্যে শেরপুর জেলার সকল উপজেলায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি), বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।

শেরপুর পিডিবি অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলা প্রশাসকের দপ্তরের প্রায় ১০ লক্ষ, জেলা হাসপাতালের কাছে ২৪ লক্ষ, শেরপুর পৌরসভার ৪৪ লক্ষ, শেরপুর স্টেডিয়ামের ১০ লক্ষ, শেরপুর সদর মডেল মসজিদে সাড়ে ৩ লক্ষাধিক, নালিতাবাড়ী পৌরসভার কাছে ৫৪ লক্ষ,  যুগানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রায় এক লক্ষ, নালিতাবাড়ী মডেল মসজিদে আড়াই লক্ষাধিক, গোসাইপুর ইউনিয়ন ও নন্নী ইউনিয়ন পরিষদে দেড় লক্ষাধিক করে, ঝিনাইগতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দেড় লক্ষ, নকলা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে ৩ লক্ষাধিক, উপজেলা কৃষি অফিসের ৩ লক্ষাধিক, উপজেলা ভূমি অফিস তথা সহকারী কমিশনার এর কার্যালয়ের কাছে লক্ষাধিক টাকা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের  প্রায় এক লক্ষা টাকা এবং বানেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের কাছে ৪২ হাজার টাকা বকেয়া রয়েছে।

এবষিয়ে বানেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাজহারুল আনোয়ার মহব্বত বলেন, আমার দপ্তরের কাছে বিদ্যুৎ বিভাগের কোন বকেয়া নেই। আমি গত বছর কয়েক ধাপে প্রায় পৌণে একলক্ষ টাকা বিল পরিশোধ করে প্রিপেইড মিটার লাগিয়েছি। আমার দপ্তরের কাছে বিদ্যুৎ বিভাগের বকেয়ার বিষয়টি সঠিক নয়। বরং সরকার কর্তৃক সরবরাহ করা আমার পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনে ব্রডব্যান্ড লাইনের সেফটিনেট কক্ষে সবসময় চলমান বৈদিুতিক পাখা, আইপিএস ও শক্তিশালী মেশিন থাকায় বিদ্যুৎ বিল বেশি হয়। তাদের বিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা অফিস পরিশোধ করার কথা থাকলেও তারা পরিশোধ করছেনা। তাই বাধ্য হয়ে নিজের ইউপির সুনাম রক্ষায় আমার দপ্তর থেকেই পরিশোধ করে আসছি। তিনি আরো জানান, উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে একমাত্র বানেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা এবং প্রথম প্রিপেইড মিটার লাগানো হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শাহরিয়ার মোরসালিন মেহেদী বলেন, আমি নকলায় যোগদানের আগে উপজেলা কৃষি অফিসসহ উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনের সকল দপ্তরের বিদ্যুৎ লাইন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ের লাইন থেকে নেওয়া ছিলো। ফলে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে সকল দপ্তরের মধ্যে যথাসময়ে আলোচনা না হওয়ায় হয়তোবা বকেয়া হয়েছিলো। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া উম্মুল বানিনের একান্ত প্রচেষ্ঠায় সকল দপ্তরের বিদ্যুৎ লাইন আলাদা করা হয়েছে। বর্তমানে কোন দপ্তরের নতুন করে বকেয়া হচ্ছে না বলে তিনি জানান।

নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, আমার তত্বাবধানের নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছে কোন বিল বকেয়া নেই। তবে কিছু বিল বাকি ছিলো তা আবাসিক ভবনের বসবাসকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে। ওইসব আবাসিক ভবনের বকেয়াও পরিশোধ করানো হয়েছে।

জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মানিক দত্ত জানান, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ হতে ৫ লক্ষ ৮০০ টাকা জেলা ক্রীড়া সংস্থার জন্য বার্ষিক আর্থিক বরাদ্দ দেওয়া হয় যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। এই টাকা দিয়ে খেলার আয়োজন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে জেলা, বিভাগ ও জাতীয় পর্যায়ে খেলায় অংশ গ্রহন করা, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতাদি, বিদ্যুৎ বিল, পৌরকর, ভুমি উন্নয়ন কর, ক্রীড়া সামগ্রী ক্রয় ও রক্ষনাবেক্ষণসহ সবকিছু মিটাতে হয়। কাঁচাবাজারের ইজারা ও বাসের আয় ছাড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার অন্যকোন আয়ের উৎস নেই বললেই চলে। কাঁচাবাজারের জায়গা পৌরসভায় ইজারা দেয়া হয়েছে। গত বছর ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা ছিলো, তবে চলতি বছর প্রায় ৩ লক্ষ টাকার মত পাওয়া যাবে। এসব দিয়ে জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যয় বহন করা খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রায় পৌণে ৫ লাখ টাকার মত পরিশোধ করেছেন।

তিনি আরো জানান, গত মাসে তথা জুন মাসেও এক লক্ষ টাকা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা হয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ বা সরকারি ভাবে বরাদ্দ বাড়ানো বা জেলা ক্রীড়া সংস্থার নিজস্ব আয়ের পথ না হলে বকেয়াগুলো পরিশোধ করা কঠিন। তবুও বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তাগন সদা তৎপর রয়েছেন বলে তিনি জানান।

এবিষয়ে নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া উম্মুল বানিন বলেন, আমি নকলায় যোগদানের আগে থেকেই বিদ্যুতের এই তিন লক্ষ টাকা বকেয়া রয়েছে। নতুন উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনে আমার কার্যালয়সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর রয়েছে। সেকল দপ্তরের বিদ্যুৎ সংযোগ আমার অফিস থেকে নেওয়া হয়েছে। এজন্যই হয়তোবা সকল দপ্তরের সাথে বিল সমন্বয়ের সময়ের অভাবে বিল বেশি বকেয়া রয়েছে। নতুবা এতো বিল বকেয়া থাকার কথা নয়।

তিনি জানান, উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনের সকল দপ্তর প্রধানের সাথে বসে আলোচনা করে বকেয়া পরিশোধের প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে প্রায় একলক্ষ্য টাকা বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা হয়েছে। সম্প্রতি সকল দপ্তরকে নিজস্ব মিটার দিয়ে আলাদা করে দেওয়া হয়েছে এবং সেসকল দপ্তর সমূহ নিয়মিত বিল পরিশোধ করে আসেছে বলেও ইউএনও সাদিয়া উম্মুল বানিন জানান।

সূত্র জানায়, ব্যক্তি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গুলোর মোট বকেয়ার পরিমাণ বেশি হলেও তারা অপেক্ষাকৃত কম সময়ের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ করে। ফলে তা বিতরণ কোম্পানিগুলোর ওপর বেশি চাপ তৈরি করছে না। কিন্তু অনেক সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান কয়েক বছর ধরে বিল দিচ্ছে না। ফলে কোম্পানিগুলোর ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে। বকেয়া বিল দেশের বিদ্যুৎ খাতের অগ্রগতির পথে একটি বড় বাধা। স্মার্ট ও প্রিপেইড মিটার পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা গেলে বকেয়া নিয়ে অস্বস্থিকর চাপ দূর হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগন। বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও প্রিপেইড মিটার স্থাপনে অনেকগুলো প্রকল্প চলমান রয়েছে। তাছাড়া সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো যেন দ্রুত বিল পরিশোধ করে সেজন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা হয়েছে এবং হচ্ছে। ফলশ্রুতিতে বর্তমান পরিস্থিতি আগের চেয়ে বেশ ভালো হয়েছে। তবে আরো ভালো হওয়া প্রয়োজন বলে তারা মনে করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শেরপুর জেলার অনেক গ্রাহক জানান, ক্ষমতাধর ব্যক্তি ও বিভিন্ন সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও দপ্তর গুলোর গাফলতির কারণে সাধারণ জনগণকে সেবা প্রাপ্তিতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। কারণ হিসেবে জানান, তাদের বিল বকেয়া থাকায় স্বাভাবিক কারণেই বিদ্যুৎ বিভাগ সেবার মান বাড়াতে পারছেনা। তাছাড়া সাধারণ গ্রহকদের বিল ২/৩ মাস বকেয় হলেই লাইন কেটে দিয়ে বিভিন্ন ভাবে হয়রানিতে ফেলা হয়। অথচ, ক্ষমতাধর ব্যক্তি ও বিভিন্ন সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও দপ্তরগুলোর বিদ্যুৎ বিল বছরের পর বছর বাকি! এটা দেখার যেন কেউ নেই। এমন অনেক অভিযোগ রয়েছে তাদের।

নিউজ ট্যাগ: শেরপুর

আরও খবর



বসুন্ধরা চা ক্যাম্পেইনে বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
Image

বসুন্ধরা চা মন কী যে চায় ক্যাম্পেইনে বাকি ১১ জন বিজয়ীর মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার বসুন্ধরা ফুড অ্যান্ড বেভারেজ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের করপোরেট অফিসে এ পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

বসুন্ধরা চা মন কী যে চায় ক্যাম্পেইন বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানের সমাপনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেনচিফ হিউম্যান রিসোর্স অফিসার ক্যাপ্টেন শেখ এহসান রেজা, ব্র্যান্ড অ্যান্ড মার্কেটিং সি ও ও এম. এম. জসীম উদ্দীন, হেড অব সেলস মো. রেদোয়ানুর রহমান, অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স এজিএম সুমন কুমার কণ্ডু। এ ছাড়া বসুন্ধরা ফুড অ্যান্ড বেভারেজের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, ২২ মে ঢাকার বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সে শুরু হওয়া ২৫ দিনব্যাপী এই ক্যাম্পেইনে অংশ নেয় ১৫ হাজারেরও বেশি চা প্রেমিক। বসুন্ধরা চা মন কী যে চায় ক্যাম্পেইন স্টলে বসুন্ধরা চা উপভোগ করে মতামত প্রকাশ করে সবাই। এ সময় চা প্রেমীরা শেয়ার করেছেন মন কী যে চায় অর্থাৎ তাদের একান্ত ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।

ভাবনার গুরুত্ব ও বলার ভঙ্গির ওপর মূল্যায়ন করে তাদের মধ্য থেকে বাছাইকৃত ২৫ জন পেয়েছেন বসুন্ধরা চা এর পক্ষ থেকে আকর্ষণীয় পুরস্কার। প্রথম ধাপে গত ১২ জুন ১৪ জন বিজয়ীকে পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।


আরও খবর



যে কারণে চাকরি ছাড়লেন জাবি শিক্ষক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জাহিদুল করিম।

আজ বৃহস্পতিবার ই-মেইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে উপাচার্যের কাছে অব্যাহতিপত্র পাঠান তিনি।

এতে তিনি লেখেন, শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কারের একটি ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলনের বিরুদ্ধে সরকারের আগ্রাসী মনোভাবের কারণে অনেক সাধারণ শিক্ষার্থীর মূল্যবান জীবন দিতে হয়েছে।

রাজনৈতিক দলীয়করণের কারণে শিক্ষক সমাজের বিবেক লোপ পেয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের শিক্ষক-সমাজের মূল্যবোধ এবং নৈতিকতা বোধকে জাগ্রত করতে আমি সহযোগী অধ্যাপক, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় চাকরি হতে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি ঘোষণা করছি।

এ বিষয়ে জাবি উপাচার্য মো. নূরুল আলম বলেন, সহযোগী অধ্যাপক জাহিদুল করিমের অব্যাহতিপত্র পেয়েছি।


আরও খবর



কোটা আন্দোলনকারী জবি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। তবে কারো নাম না উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারীদের আসামি করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর কোতয়ালী থানায় এ মামলা করেন থানার এসআই সঞ্জয় কুমার দাস। এদিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শান্ত ইসলাম মল্লিক মামলার এহজার গ্রহণ করে প্রতিবেদন গ্রহণ করে প্রতিবেদন দাখিরের জন্য আগামী ১৪ আগস্ট দিন ধার্য করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সিএমএম কোর্টের মেইন গেইটের সামনে পাকা রাস্তা উপর অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতিকারীরা ঘটনাস্থলে বে-আইনীভাবে দলবদ্ধ হয়ে দেশী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দাংঙ্গা করে পথচারীসহ কতিপয় ব্যক্তিকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট করে রক্তাক্ত জখমসহ গুলি করে। এসময় পলাতক অজ্ঞাতনামা দৃষ্কৃতিকারীরা পার্কিং করা কতিপয় গাড়ি ভাংচুর ও ক্ষতিসাধন করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি আইনের  ১৪৩, ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ৪২৭, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৬, ৩০৭ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

এবিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের ১৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী রাকিব বলেন, যুগ এখন উল্টো হয়ে গেছে। সত্য মিথ্যা হয়েছে গেছে, আর মিথ্যা সত্য হয়ে গেছে। যৌক্তিক আন্দোলনে আমার ভাই বোনেরা গুলি খেল। আবার এ ঘটনায় উল্টো আমরা শিক্ষার্থীরাই মামলা খেলাম। এ ঘটনা জাতি দেখেছে। কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা।

এদিকে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জবি থেকে কয়েক হাজার আন্দোলনকারী লাঠিসোঁটা নিয়ে রায়সাহেব বাজার অতিক্রম করার সময় শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি ও হামলার ঘটনা ঘটে। এতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন ও কবি নজরুল সরকারি কলেজের একজন শিক্ষার্থী মারাত্মকভাবে গুলিবিদ্ধ হন।

শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা যায়, গুলিবিদ্ধ হওয়া ৪ জন হলেন- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ ব্যচের মার্কেটিং বিভাগের এর শিক্ষার্থী অনিক, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ১৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী ফেরদৌস জামান, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ১৬ ব্যাচের এইচ এম নাসিম, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ১৮ ব্যাচের মেহেদী হাসান প্রোভা ও কবি নজরুল কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী হাসিব।


আরও খবর
যে কারণে চাকরি ছাড়লেন জাবি শিক্ষক

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




যুক্তরাজ্যের নগরমন্ত্রী হলেন টিউলিপ, গড়লেন ইতিহাস

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রবাসে বাংলা

Image

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারের মন্ত্রিসভায় স্থান করে নিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক। তাকে নগরমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গতকাল লন্ডনের স্থানীয় সময় বিকাল ৪টায় টিউলিপ এ সংবাদ পান। এর মাধ্যমে যুক্তরাজ্যের মন্ত্রিসভায় প্রথম কোনো ব্রিটিশ বাংলাদেশি হিসেবে নাম লিখিয়ে ইতিহাস গড়লেন ৪১ বছর বয়সী লেবার পার্টির এই নেতা।

যুক্তরাজ্যে ১৪ বছর ধরে ক্ষমতায় আসীন কনজারভেটিভ পার্টিকে সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে বিশাল ব্যবধানে হারায় লেবার পার্টি। এ নির্বাচনে টানা চতুর্থবারের মতো জয় পান টিউলিপ। লন্ডনের মিচামে জন্মগ্রহণ করেছেন শেখ রেহানা ও শফিক সিদ্দিকীর মেয়ে টিউলিপ। তার শৈশব কেটেছে বাংলাদেশ, ভারত ও সিঙ্গাপুরে। লন্ডনের কিংস কলেজ থেকে পলিটিক্স, পলিসি ও গভর্মেন্ট বিষয়ে তিনি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়েছেন। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল গ্রেটার লন্ডন এবং সেভ দ্য চিলড্রেনের সঙ্গে যুক্ত টিউলিপ মাত্র ১৬ বছর বয়সে লেবার পার্টির সদস্য হন। ২০১০ সালে ক্যামডেন কাউন্সিলে প্রথম বাঙালি নারী কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি। ২০১৫ সালে প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হন।


আরও খবর