আজঃ মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

ব্যবসা গতিশীল ও ব্যবসায়ীক সক্ষমতা বাড়াবে এবারের বাজেট : বিজিএমইএ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১০ জুন ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে রপ্তানির জন্য সাব-কন্ট্রাক্টের বিপরীতে ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া ও নগদ সহায়তাগুলো চলমান রাখাসহ ৯ ধরনের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। যা ব্যবসা গতিশীল ও ব্যবসায়ীক সক্ষমতা বাড়াবে বলে মনে করে তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।

বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জাতীয় সংসদের বাজেট পেশ করেন। তার প্রতিক্রিয়ায় বিজিএমইএর পক্ষ থেকে এই মতামত ব্যক্ত করেন সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এস এম মান্নান (কচি)।

তিনি বলেন, আমাদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে রপ্তানির জন্য সাব-কন্ট্রাক্টের বিপরীতে ভ্যাট অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। নগদ সহায়তাগুলো চলমান রাখা হয়েছে। টেক্সটাইল বা বস্ত্র খাতের কর্পোরেট কর হার ১৫ শতাংশ আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

এস এম মান্নান বলেন, ম্যান মেড ফাইবার ও অন্যান্য কৃত্রিম আঁশের তৈরি সুতার ওপর ভ্যাটের পরিমাণ ৬ টাকা থেকে কমিয়ে ৩ টাকা প্রতি কেজি করার প্রস্তাব করা হয়েছে। পলিপ্রপাইলিন স্ট্যাম্পল ফাইবার উৎপাদনের ওপর ভ্যাট অব্যাহতি ও এর প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানির ওপর আগাম কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। টেক্সটাইল গ্রেড পিট চিপস উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় টেরিপ্যাথিলিক অ্যাসিড ও ইথেলিন গ্লাইকোল আমদানির ওপর আগাম কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং এই পণ্যটি তৈরির ক্ষেত্রে ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া এবং সিউএজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে।

এছাড়াও মোবাইল ফাইন্যানসিয়াল সার্ভিসের সার্ভিস চার্জসমূহ আয়করের বাইরে রাখার প্রস্তাব করা প্রতিবন্ধী বা তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের নিয়োগ প্রদান করা হলে কর রেয়াতের ব্যবস্থা পূর্বে ১০ শতাংশ বা ১০০ জনের অধিক ছিল, এটি আরও সহজ করে ১০ শতাংশ বা ২৫ জন করা হয়েছে।

এগুলো নিঃসন্দেহে আমাদের ব্যবসাকে গতিশীল করবে, আমাদের ব্যবসায়ীক সক্ষমতা বাড়াবে। তবে প্রস্তাবিত বাজেটে পোশাক রপ্তানির ওপর উৎসে কর শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ১ করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে শিল্পের জন্য অত্যন্ত কঠিন হবে।

কারণ হিসেবে বলা হয়, এই বাজেটের লক্ষণীয় দিক হলো, ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা, মূল্যস্ফীতি ও স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সমস্যা এসব কিছু সামাল দিয়ে সরকার দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সচেষ্ট, যা প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতিফলিত হয়েছে। বাজেটের মূল বিষয়ই হলো উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় পরিবর্তন এনে দেশকে আরও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধশালী করা। আর এটি করতে হলে অর্থনীতিতে অবদান রাখা শিল্পগুলোর প্রতি, বিশেষ করে পোশাক শিল্পের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি।

টালমাটাল বিশ্ব বাণিজ্য পরিস্থিতি আমাদের পোশাক শিল্পের জন্যও বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে একদিকে যেমন জ্বালানি তেলসহ খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে, অন্যদিকে ইউরোপসহ বিশ্বের বেশ কিছু দেশে অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা বাড়ছে। ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি তীব্র আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য দেশগুলো সুদের হার বাড়াচ্ছে। এটি আন্তর্জাতিক বাজারে আমাদের পণ্যের চাহিদা ও ক্রয় ক্ষমতা কমিয়ে দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।


আরও খবর
২৪ দিনে প্রবাসী আয় ১৮ হাজার কোটি টাকা

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে নতুন সংসদের এমপিদের নিয়ে নতুন সরকার গঠন করেছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় শুরু হয়েছে প্রথম সংসদ অধিবেশন। ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো. শামসুল হক টুকু অধিবেশনের সভাপতিত্ব করছেন।

অধিবেশনের শুরুতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরপর শোক প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে। দ্বাদশ সংসদে নতুন এমপিদের প্রথম অধিবেশনের আগে রেওয়াজ অনুযায়ী ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি সরকারের সফলতা ও আগামীতে করণীয় বিষয়ে অধিবেশনে দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখবেন। পরে ওই ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে পুরো অধিবেশনে সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যরা আলোচনা করবেন। এই অধিবেশনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস হতে পারে বলে জানা গেছে। এর আগে, রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৭২(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ২০২৪ সালের প্রথম সংসদ অধিবেশন আহ্বান করেন।

এই সংসদের ২২৩টি আসন নিয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া আওয়ামী লীগ সরকারি দল ও মাত্র ১১টি আসন নিয়ে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করছে জাতীয় পার্টি। তবে আসন সংখ্যা কম হলেও জাতীয় পার্টির সদস্যরা সংসদে কার্যকর বিরোধী দলের ভূমিকা পালনের কথা বলেছেন দলটির এমপিরা। অবশ্য পাশে থাকছে তাদের থেকে প্রায় ৬ গুণ বেশি ৬২টি আসনে বিজয়ী স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা।

সংসদ সচিবালয় জানায়, সোমবার (২৯ জানুয়ারি) একাদশ সংসদের মেয়াদ শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে অধিবেশনের মাধ্যমে দ্বাদশ সংসদের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো।

এর আগে চিফ হুইপ নুর-ই-আলম চৌধুরী জানিয়েছিলেন, ড. শিরীন শারমিনকে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় প্রথমদিন ডেপুটি স্পিকারের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হবে।

একাদশ সংসদের মতো দ্বাদশ সংসদে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করছেন মাত্র ১১টি আসনে বিজয়ী জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্যরা। ইতোমধ্যে জাপা চেয়ারম্যান জিএম কাদের বিরোধী দলীয় নেতা, জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বিরোধী দলীয় উপনেতা ও জাপা মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্ন বিরোধী দলীয় প্রধান হুইপ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় দ্বাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণ ইতোমধ্যে মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডসহ সাফল্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তার বক্তব্যে প্রাধান্য পাবে।

গত ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোটের নেতা শেখ হাসিনা এই সংসদে পঞ্চমবারের মতো সংসদ নেতার দায়িত্ব পালন করছেন। গত ১০ জানুয়ারি শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন সরকার ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।

জানা গেছে, সংসদ নেতার নির্দেশ ও স্পিকারের পরামর্শ অনুযায়ী চিফ হুইপ নুর-ই-আলম চৌধুরী আসনবিন্যাস চূড়ান্ত করেছেন। আসন বিন্যাসে একাধিকবার নির্বাচিত, রাজনৈতিক দলে অবস্থান, ভোটের ব্যবধান, জনপ্রিয়তাসহ কয়েকটি বিষয় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বারবার নির্বাচিতদের তুলনামূলক সামনের দিকে আসন দেওয়া হলেও প্রথমবার নির্বাচিত হয়েও সামনের সারিতে আসন পেয়েছেন কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম।

সর্বোচ্চ ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার রেকর্ড : সবচেয়ে বেশি নবমবার সংসদ সদস্য হওয়ার রেকর্ড গড়েছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমেদ ও প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। আর ৮ বার সংসদ সদস্য হয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান খান, সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান।

এছাড়া বর্তমান কৃষিমন্ত্রী উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ, মো. দবিরুল ইসলাম, মির্জা আজম ও বীর বাহাদুর উশৈ সিং সাতবার নির্বাচিত হয়েছেন। তারা সবাই সামনের সারিতে আসন পেয়েছেন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ভোট হওয়া ২৯৯টি সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ পেয়েছে ২২৩টি। বিরোধী দল জাতীয় পার্টি পেয়েছে ১১টি আসন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৬২টি আসনে জয়ী হয়েছেন। এছাড়া ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ ও কল্যাণ পার্টি পেয়েছে ১টি করে আসন। স্থগিত হওয়া নওগাঁ-২ আসনে ভোটগ্রহণ হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি।


আরও খবর



রওশনপন্থিদের কমিটিকে আমলে নিতে সিইসিকে চিঠি

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

জাতীয় পার্টির (জাপা) কমিটি পরিবর্তন করে রওশনপন্থিদের কমিটিকে আমলে নিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালকে চিঠি দিয়েছে দলটির একাংশ। সোমবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনে গিয়ে এ চিঠি দেন রওশন এরশাদের ঘোষিত কমিটির মহাসচিব কাজী মো. মামুনূর রশিদ।

এতে বলা হয়, রোববার (২৮ জানুয়ারি) জাপার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং সাবেক বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদের গুলশানের বাসভবনে জাতীয় পার্টির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সভায় সর্বসম্মতিতে পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের ও মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুকে তাদের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, বর্তমানে নিবন্ধন নং-১২ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বেগম রওশন এরশাদ ও মহাসচিব কাজী মো. মামুনূর রশিদ জাতীয় পার্টির দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে জাতীয় সম্মেলন আহ্বান করা হবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়েছে।


আরও খবর



বিদেশে কারাগারে আটক ৯৩৭০ বাংলাদেশি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কারাগারে ৯ হাজার ৩৭০ বাংলাদেশি প্রবাসী-শ্রমিক আটক রয়েছে। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি বন্দি সৌদি আরবের কারাগারে।

সোমবার জাতীয় সংসদে মোহাম্মদ হুছামুদ্দীন চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী এ প্রসঙ্গে আরও বলেন, বহির্বিশ্বের কারাগারে আটকদের বিষয়ে মিশনগুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী পর্তুগালে একজন, মিশরে ছয়জন, ইতালিতে ৮১ জন, দক্ষিণ আফ্রিকায় ৩৮৫ জন, কোরিয়ায় ছয়জন, শ্রীলঙ্কায় তিনজন, কাতারে ৪১৫ জন, লিবিয়ায় নয়জন, স্পেনে ১৯ জন, হংকংয়ে ১২২ জন, সিঙ্গাপুরে ৬৬ জন, ব্রুনাইয়ে ১৬ জন, চীনের বেইজিংয়ে ১৮৪ জন, কুনমিংয়ে সাতজন, আবুধাবিতে ৪০৪ জন, ইন্দোনেশিয়ায় ৪৯ জন, সৌদি আরবে ৫ হাজার ৭৪৬ জন, মালয়েশিয়ায় ২১৯ জন, আলজেরিয়ায় একজন, থাইল্যান্ডে চারজন, লেবাননে ২৮ জন, গ্রিসে ৪১৪ জন, ইরাকে ২১৭ জন, তুর্কিতে ৫০৮ জন, মিয়ানমারে ৩৫৮ জন, জাপানে দুজন, জর্ডানে ১০০ জন আটক রয়েছেন।

বিদেশের কারাগারে আটক প্রবাসীদের মুক্তির ব্যাপারে সরকারের পদক্ষেপ ও তা বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত বছরের জুলাই থেকে চলতি মাস পর্যন্ত মোট এক হাজার ২২৬ বাংলাদেশিকে লিবিয়া থেকে, ফ্রান্স ও ইউরোপের অন্য দেশের জেলখানা থেকে ৫১ জনকে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।

এছাড়া ভারত, মিয়ানমার ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের জেলখানা থেকে আরও এক হাজার ৯৫০ জনকে ফেরত আনা হয়েছে।


আরও খবর



উত্তর রাখাইনে সেনা প্রত্যাহার করছে জান্তা, দাবি আরাকান আর্মির

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

রাখাইনের উত্তর অঞ্চল থেকে জান্তা সৈন্য প্রত্যাহার করছে এবং রাজ্যের দক্ষিণে বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে আক্রমণ বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে আরাকান আর্মি (এএ) । বিদ্রোহী গ্রুপটি বলছে, কারণ তারা জানে যে মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্যে যুদ্ধে হেরে যাচ্ছে।’

রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাখাইন রাজ্যের মায়বন টাউনশিপের দুটি পাহাড়ের চূড়া থেকে জান্তা তাদের সৈন্যদের বিমান দিয়ে সরিয়ে নিরাপত্তার জন্য দক্ষিণে পাঠানোর পর আরাকান আর্মি (এএ) বিবৃতি দেয়। খবর ইরাবতির।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জান্তার সামরিক বাহিনী নিশ্চিতভাবে হেরে যাবে যদি তারা আমাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধ করে। তাই আমরা যে শহরগুলো দখল করার চেষ্টা করছি সেখানে সামরিক ফাঁড়ি এবং পাহাড়ের চূড়া [ঘাঁটি] পুড়িয়ে দিয়ে তারা সেনা প্রত্যাহার করছে।

এএ জানিয়েছে, শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে মায়বনের পয়েন্ট ৪০২ এবং ৪০৮ পাহাড়ের চূড়ায় জান্তা সেনারা ফাঁড়ির ভেতরে অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং কামান ধ্বংস করে।

হিন খা কাঁচা গ্রামের প্রায় ৩ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত ফাঁড়িগুলি থেকে তারা কেবলমাত্র অস্ত্রগুলি নিয়ে গেছে, যা তারা সঙ্গে বহন করতে পারে।

উত্তর রাখাইনের দুটি ফাঁড়ি থেকে সৈন্যদের দক্ষিণ রাখাইনের অ্যান টাউনশিপে জান্তার ওয়েস্টার্ন কমান্ডে নিয়ে যাওয়ার জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়। এএ বলেছে, জান্তা সৈন্যদের দুটি ঘাঁটি থেকে নিরাপদে নিয়ে যেতে চারটি ট্রিপ লেগেছে।

শাসক সেনারা রাখাইনের দক্ষিণে রামরিতে বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে। স্থল, সমুদ্র এবং আকাশ থেকে জনপদে আঘাত হানছে।

শনিবার জান্তার গোলাবর্ষণ এবং বিমান হামলায় ৪ নং কিং টেই ওয়ার্ডের অন্তত ১৫০টি বাড়ি পুড়ে গেছে। থিম তাউং প্যাগোডা পাহাড়ে অবস্থানরত জান্তা সেনারাও রবিবার রামরি টাউনে আর্টিলারি শেল নিক্ষেপ করে। সপ্তাহান্তে রাজ্যের অন্যান্য শহরে সংঘর্ষ চলতে থাকে, তবে সেগুলি গত সপ্তাহের মতো ভারী ছিল না। এএ রাজ্যের সব জান্তা ঘাঁটি এবং আউটপোস্টগুলোতে আক্রমণ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যতক্ষণ না ভিতরে যারা রয়েছে তারা আত্মসমর্পণ করে।

আরাকান আর্মি রবিবারের দেওয়া বিবৃতিতে বলেছে, জান্তার সামরিক বাহিনী এখনও রাখাইন রাজ্যে তার ব্যর্থতার বাস্তবতাকে মেনে নিতে পারে না এবং এটি বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী সন্ত্রাস করার এবং পরিবহন, তথ্য ও পণ্যের প্রবেশাধিকার বন্ধ করে পশ্চিম রাজ্যকে বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগ করেছে।

ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স বেসামরিক নাগরিকদের রাখাইন রাজ্যে ল্যান্ডমাইনের ক্রমবর্ধমান বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করে বলেছে, জান্তার সামরিক বাহিনী সেখানে তাদের ফাঁড়ি এবং ঘাঁটির চারপাশে ল্যান্ডমাইন স্থাপন করছে।

রাজ্যের বাসিন্দারা জান্তার সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিদিন মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুরছে।

১৭ ফেব্রুয়ারি জান্তার সৈন্যরা কিয়াউকফিউ শহরে চারজন বেসামরিক নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছিল, যখন তারা মিন তাত তাউং গ্রামে তাদের বাড়িতে ফিরে যাচ্ছিল। তাদের মুখ ঢেকে একটি সামরিক ঘাঁটিতে নিয়ে যাওয়া হয়।

এএ হল ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের তিনটি জাতিগত সেনাবাহিনীর মধ্যে একটি, যেটি গত বছরের ২৭ অক্টোবর উত্তরাঞ্চলীয় শান রাজ্যে অপারেশন ১০২৭ চালু করেছিল।

১৩ নভেম্বর এএ উত্তর রাখাইন রাজ্যজুড়ে এবং প্রতিবেশী চিন রাজ্যের পালেতওয়া টাউনশিপে শাসকদের লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে একটি বড় আকারের আক্রমণ শুরু করে।

উত্তরাঞ্চলীয় শান রাজ্যে জান্তার সামরিক বাহিনীকে অপমানিত করার পর এএ রাখাইন রাজ্যে একই কাজ করেছে। তারা ১৩ নভেম্বর থেকে ১৭০টিরও বেশি জান্তা ঘাঁটি এবং ফাঁড়ি দখল করেছে। সেইসঙ্গে রাখাইন রাজ্যের ছয়টি শহর- পাউকতাও, কিউকতাও, মিনবিয়া, ম্রাউক-উ, তাংপিওলেটওয়ে ও মাইবোন এবং চিন রাজ্যের একটি পালেতোয়া দখল করে।


আরও খবর



কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে পণ্যের দাম বাড়ালে প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হবে: খাদ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

Image

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন অবৈধভাবে খাদ্য পণ্য মজুদ করে খাদ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে পণ্যের দাম বাড়ালে প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হবে। ভরা মৌসুমেও খাদ্যপণ্যের দাম কেন বৃদ্ধি পেল সেটি খতিয়ে দেখতেই মাঠে মাঠে ঘুরে বেড়াচ্ছি।

আজ রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫ টায় বগুড়ার শেরপুরের শেরুয়া বটতলা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার সময় তিনি এই সব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের কল্যাণে সব সময় কাজ করে যাচ্ছেন। এ দেশের মানুষ যেন সব সময় সঠিক দামে খাদ্যপণ্য পায় সে বিষয়ে তিনি বদ্ধ পরিকর। 

এ সময় অবৈধভাবে পণ্য মজুদ ও নিবন্ধন না থাকায় তুষি সেমি অটো রাইস মিল সিলগালা করার নির্দেশ দেন খাদ্যমন্ত্রী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার দাস, প্রশাসন-২ অধিশাখার(অতিরিক্ত দায়িত্ব) যুগ্ম সচিব কে এম মামুনুর রশিদ, খাদ্য অধিদপ্তরের মহা পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত মহা পরিচালক মোহাম্মদ ইমদাদুল হক, বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোছা. আফসানা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেরপুর সার্কেল মো. সজিব শাহরিন, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী সাইফুদ্দিন, শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সুমন জিহাদী, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম রেজাউল করিম, শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রেজাউল করিম রেজা, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. মামুন এ কাইয়ুম। এছাড়াও ভ্রাম্যমাণ আদালতকে র‌্যাব বগুড়া ও শেরপুর থানা পুলিশের সদস্য সহযোগিতা করেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সুমন জিহাদী বলেন, কেউ অবৈধভাবে খাদ্যপণ্য মজুদ করতে পারবে না। নিবন্ধন না থাকলেতো নয়ই। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪