আজঃ মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

বসুন্ধরা টয়লেট্রিজ লিমিটেডের লোগো উন্মোচন

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

আজ বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) বসুন্ধরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল হেডকোয়ার্টার-এ আনুষ্ঠানিকভাবে বসুন্ধরা টয়লেট্রিজ এর লোগো উন্মোচন করা হয়। লোগো উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর, বসুন্ধরা গ্রুপ।

তিনি বলেন, আমাদের চারপাশের পরিবেশ আমাদেরকে যে অফুরন্ত সম্পদ দান করেছে তার প্রতি আমাদের সকলের সবসময় কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। সেজন্যই আমরা পণ্যগুলোকে পরিবেশবান্ধব করার পাশাপাশি প্রতিটি পণ্য উৎপাদনে পানি ও সোলার এনার্জির সঠিক ব্যবহার করেছি। আমাদের লোগোতেও তাই প্রকৃতির শক্তিশালী উপাদানগুলোকে নিয়ে আসার চেষ্টা করেছি। লোগোতে আপনারা তিনটি রঙ এর আধিপত্য দেখবেন। নীল যা পানি, সবুজ যা প্রকৃতি এবং হলুদ যা সুর্যকে মাথায় রেখে ব্যবহার করা হয়েছে।

বসুন্ধরা টয়লেট্রিজ লিমিটেড উন্নতমানের কাঁচামাল এবং আধুনিক মেশিনারিজ ব্যবহার করে হোম কেয়ার, পারসোনাল কেয়ার, হেয়ার কেয়ার ও ওরাল কেয়ার ক্যাটাগরিতে বসুন্ধরা পাওয়ার ওয়াশ ডিটারজেন্ট পাউডার, বসুন্ধরা এক্সট্রিম টয়লেট ক্লিনার, বসুন্ধরা লিট ডিশ ওয়াশ লিকুইড ও বার, বসুন্ধরা এয়ার ফ্রেশনার, বসুন্ধরা এক্সট্রিম প্ল্যান্ট ফাইবার কয়েল, বসুন্ধরা স্মাইলজি টুথপেস্ট নিয়ে এসেছে এবং সামনে আরো বিভিন্ন ধরনের পণ্য বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমান যুগের চাহিদার কথা মাথায় রেখে, এই টয়লেট্রিজ পণ্যগুলোতে ব্যবহার করা হয়েছে মন মাতানো সুগন্ধি যা ভোক্তাদেরকে সতেজ অনুভূতি দিয়ে তাদের প্রতিদিনের কর্মস্পৃহাকে বাড়িয়ে তোলে।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, চিফ সেলস অফিসার (বিপিএমএল), মোহাম্মদ কামরুল হাসান, চিফ ফিনান্সিয়াল অফিসার (বিপিএমএল); মোহাম্মদ মাজেদুল ইসলাম, কোম্পানি সেক্রেটারি, সেক্টর সি; মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, হেড অব মার্কেটিং (সেক্টর সি, বসুন্ধরা গ্রুপ); মোহাম্মদ আনোয়ারুল হোসেন, ডিজিএম -সেলস, টয়লেট্রিজ, শোয়েব মাহমুদ, ডেপুটি ম্যানেজার, মার্কেটিং, বসুন্ধরা টয়লেট্রিজ সহ আরো অনেকে।

আরও খবর



স্বাদে ঘ্রাণে অনন্য গুঠিয়ার সন্দেশ

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ মোছাদ্দেক হাওলাদার, বরিশাল প্রতিনিধি

Image

সেই ষাটের দশকের কথা। নদীয়ায় আত্মীয়র বাসায় বেড়াতে গিয়ে প্রথম পরিচয় হয়েছিল সাদা ধবধবে এক ধরনের মিষ্টান্নের সাথে। কিছুটা নরম, আকৃতিগত দিক থেকে এবড়ো-থেবড়ো। সেই মিষ্টান্নে মন ভরছিল না সতীশ চন্দ্র দাসের। বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া গ্রামের নিজ এলাকায় ফিরে এসে নদীয়ার মিষ্টান্ন আর নিজের মিষ্টি তৈরির অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করেন সন্দেশ। নামকরণ করা হয় গুঠিয়ার সন্দেশ। দূর থেকে দেখতে শিউলি ফুলের মত। নতুন এই মিষ্টান্ন বাজারজাতকরণে তিনি সাথে নিয়েছিলেন ব্যবসায়ী বন্ধু বাদশা হাওলাদারকে। তারা দুইজনে নতুনভাবে উৎপন্ন সন্দেশ বিক্রি করে সারাফেলে দেন।

সতীশ ও বাদশা দুইজনের কেহই এখন আর বেঁচে নেই। কিন্তু তাদের অভিজ্ঞতালব্ধ মিষ্টান্ন গুঠিয়ার সন্দেশ বরিশাল অঞ্চলে বিখ্যাত হয়ে গেছে। গুঠিয়ার গ্রাম্য হাটের জৌলুস কমেছে, পাশের বিশাল খালটি তার নাব্যতা হারিয়েছে। কিন্তু সন্দেশের বাজার আজও জমজমাট। প্রতিদিন দেশ ও দেশের বাহিরের ভোজনরসিকরা এই মিষ্টান্নের স্বাদ পেতে ছুটে আসেন গুঠিয়ায়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজার পেলে সেখানেও বাজিমাত করবে গুঠিয়ার সন্দেশ। যদিও বাঙালির খাদ্যপণ্যের তালিকায় সন্দেশ নতুন নয়। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য কৃত্তিবাসী রামায়ণ এবং চৈতন্যের কবিতায় সন্দেশের উল্লেখ রয়েছে। ১৯৬২ সালের দিকে গুঠিয়ার সন্দেশের পথচলা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সন্দেশ সাধারণত নরম ও লঘুপাকের হয় কিন্তু গুঠিয়ার সন্দেশ ঠিক তার উল্টো, কড়াপাকের। এজন্য গুঠিয়ার সন্দেশ হয় কিছুটা শক্ত ও শুস্ক। অন্যসব জায়গায় ক্ষীর সন্দেশ, সরপুরি, সাদা সন্দেশ, গুড়ের সন্দেশ, পোড়া সন্দেশের মত হরেক নামে সন্দেশ পেলেও গুঠিয়ার সন্দেশ প্রধানত এক পল্লার ও দুই পল্লার। দুই পল্লার সন্দেশকে ডাকা হয় জোড়া সন্দেশ নামে।

গুঠিয়া বাজারে এখন মাত্র সাতটি সন্দেশের দোকান চালু রয়েছে। এরমধ্যে মাহিয়া মিষ্টান্ন ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী টিটুল হাওলাদার জানান, প্রতিদিন যত মানুষ এই বাজারে মিষ্টান্ন নিতে আসেন তার আশি ভাগই সন্দেশ নিতে আসেন। সন্দেশ শুধু নিজে খান এমন না, স্বজনদের জন্যও নিয়ে যান। দেশের বাইরেও অনেকে নিয়ে যান।

এই দোকানের কর্মচারী মিন্টু হাওলাদার বলেন, গুঠিয়ার সন্দেশ তৈরিতে কোনো ধরনের ভেজাল দ্রব্য দেওয়ার সুযোগ নেই। আমরা গুণগত মান ঠিক রেখেই সন্দেশ বিক্রি করি। তিনি আরও বলেন, গুঠিয়ার সন্দেশের চাহিদা দেশ ও দেশের বাইরে অনেক। কিন্তু দুধ ও চিনির দাম যেভাবে বাড়ছে তাতে আর আগের দামে সন্দেশ বিক্রি করতে পারছি না। তার উপর আয়কর অফিস আমাদের ওপর বিনা কারণেই বাড়তি কর ধার্য করছেন।

আরেক কারিগর শ্যামল চন্দ্র বলেন, আমার পূর্বপুরুষ ছিলেন সতীশ চন্দ্র দাস। তিনি যে পদ্ধতিতে সন্দেশ তৈরি করতেন আমরা এখনো সেভাবেই তৈরি করে থাকি। এজন্যই গুঠিয়ার সন্দেশের সাথে দেশের আর কোনো জায়গার সন্দেশ মিলবে না। আমরা খাঁটি দুধ ও চিনি ব্যবহার করি। তিনি আরও বলেন, খাঁটি পণ্য বিক্রি করায় সম্প্রতি ঢাকার চিন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সরকার আমাকে পুরস্কৃত করেছেন। সরকার আশ্বস্ত করেছে ঐতিহ্যবাহী খাদ্যপণ্য তারা আন্তর্জাতিকভাবে বাজারজাত করবে। সেই সুযোগ পেলে গুঠিয়ার সন্দেশ নিঃসন্দেহে বিশ্ব বাজারও জয় করবে।

যেভাবে তৈরি হয় গুঠিয়ার সন্দেশ

সাধারণত সাত কেজি দুধে এক কেজি ছানা পাওয়া যায়। সেই ছানার সাথে পরিমাণ মত চিনি মিশিয়ে অল্প আগুনে উত্তপ্ত করে নিতে হয়। প্রায় ৩০ মিনিট পর পাকিয়ে অল্প আঁচে পাঁচ মিনিট রাখলেই কাঁচামাল তৈরি। দুধ থেকে ছানা তৈরির পর তা দিয়ে সন্দেশ তৈরি হয়। ছানা বেশি সময় রেখে দিলে ভালো সন্দেশ হয়না। এজন্য দুধ থেকে ছানা কাটার পর পরই তা একটি বড় লোহার কড়াইতে জ্বাল দেওয়া হয়। কাঁচা ছানার সাথে কিছু ময়দা মেশানো হয়। জ্বাল হওয়ার পর তা কিছুটা চিকন করা হয়। জ্বালের কম-বেশির ওপরেই সন্দেশের স্বাদ ও গুণগত মান নির্ভর করে। পাকের পর তা চুলা থেকে নামিয়ে ছোট গোল্লা করে চ্যাপ্টা করা হয়। এরপর তার ওপরে মাঝখানে একটি পরিস্কার কিশমিশ দানা বসিয়ে দেওয়া হয়। এতে সন্দেশের সৌন্দর্য বাড়ে। সন্দেশ তৈরিতে পরিমাণমতো আঁচ ও পাকই হলো প্রধান কাজ। 

নিউজ ট্যাগ: গুঠিয়ার সন্দেশ

আরও খবর



জ্বালানি খাতে আরও চীনা বিনিয়োগ চান প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
Image

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, আগামী ৫ বছরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন। এতে বন্ধুরাষ্ট্র চীন আরও বৃহৎ পর্যায়ে পাশে থাকতে পারে।

সোমবার (৪ মার্চ) বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সচিবালয়ে সৌজন্য সাক্ষাতের পর সংবাদমাধ্যমে পাঠান এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, প্রতিমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সহযোগিতা উত্তরোত্তর বাড়ছে। সহযোগিতার ক্ষেত্র বাড়াতে একসঙ্গে বসা জরুরি ছিল। আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ আরও সমৃদ্ধ, শক্তিশালী ও উন্নত হবে।

এ সময় চীনের অর্থায়নে নেওয়া প্রকল্প, লিথিয়াম ব্যাটারি ফ্যাক্টরি স্থাপন, সেমি কন্ডাক্টর ফ্যাক্টরি স্থাপন, ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল, ব্যাটারি স্টোরেজ সিস্টেম, স্মার্ট মিটার, সোলার বিদ্যুৎ প্রকল্প, বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, গ্যাস উত্তোলন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু চীন। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের প্রসারে চীনের প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।


আরও খবর



মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের জন্য প্রস্তুত দশ গাড়ি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ হতে যাচ্ছে। শুক্রবার (১ মার্চ) সন্ধ্যায় নতুন সদস্যরা বঙ্গভবনে শপথ নেবেন। প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি থেকে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সরকারপ্রধানের যে কর্মসূচি তৈরি করা হয়েছে তাতে বলা হয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় মন্ত্রিসভার নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন শেখ হাসিনা।

নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, মন্ত্রিসভার পরিধি বাড়বে কি না এটি প্রধানমন্ত্রী বলতে পারবেন। তবে সময়মতো কিছু, যেমন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়; এগুলোয় কোনো-না কোনো সময় মন্ত্রী আসবেন। সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচনের পর নির্বাচিতদের মধ্য থেকে কেউ কেউ মন্ত্রী হতে পারেন এমন ইঙ্গিতও দিয়েছেন সেতুমন্ত্রী।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ নিয়ে আমি এখনই কিছু বলতে পারছি না। আমি যা বলি একবারেই বলব।

তবে সূত্র জানায়, নতুন করে শপথ নিতে যাওয়া মন্ত্রীদের জন্য ১০টি গাড়ি প্রস্তুত করা হচ্ছে।

৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর টানা চতুর্থ মেয়াদে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ৩৭ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় ১১ জানুয়ারি। নতুন মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ও ১১ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান। মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করা হলেও শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে কোনো মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী না দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অধীনে রাখা হয়। এ ছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতো বড় ও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে শুধু মন্ত্রী দেওয়া হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সম্প্রসারণ হলে ফাঁকা থাকা মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি এই মন্ত্রণালয়গুলোতেও নতুন মুখ দেখা যেতে পারে। ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর গঠিত সরকারের মন্ত্রিসভায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে মন্ত্রী থাকলেও নতুন মন্ত্রিসভায় সেটা এখনও ফাঁকা রাখা হয়েছে। এজন্য অনেকেই মনে করছে, এখানেও নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।


আরও খবর



প্রবাসীদের জন্য হজের খরচ কমাল সৌদি আরব

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ধর্ম ও জীবন

Image

নিজ দেশের নাগরিক ও প্রবাসীদের জন্য হজ প্যাকেজের খরচ কমানোর ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব। রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) থেকে নতুন প্যাকেজে নিবন্ধন শুরু হয়েছে।

জানা গেছে, সৌদিতে অবস্থানকারী ব্যক্তি, নাগরিক এবং প্রবাসীদের জন্য দেশটির হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় ইলেকট্রনিক পদ্ধতি ব্যবহার করছে।

হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় হজের নিবন্ধন প্রক্রিয়া নিজেদের ওয়েবসাইট ও নুসুক অ্যাপের মাধ্যমে চূড়ান্ত করেছে। এর মাধ্যমে খুব সহজেই হজের নিবন্ধন করা যাবে। এ ছাড়া এবার অভ্যন্তরীণ হাজি, নিজ নাগরিক ও প্রবাসীদের জন্য হজের খরচ কমানো হয়েছে।

এবার অভ্যন্তরীণ হাজিদের জন্য চারটি প্যাকেজ থাকবে। যার মধ্যে একটি হলো কম খরচের প্যাকেজ। এবার এই প্যাকেজটির মূল্য কমিয়ে করা হয়েছে ৩ হাজার ১৪৫ সৌদি রিয়াল, যা বাংলাদেশি অর্থে ৯২ হাজার টাকা।

এর বাহিরে পবিত্র স্থানগুলোতে আল মাসেয়ার ট্রেন সার্ভিসের ভাড়া ৪০০ রিয়াল থেকে ৩০০ রিয়াল করা হয়েছে বলেও জানা গেছে। তবে এ বিষয়টি এখনও নিশ্চিত করেনি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়।

আগামী জুন থেকে হজের নতুন মৌসুম শুরু হবে। তবে এবার আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু করেছে সৌদি আরব।


আরও খবর
শবে বরাত সম্পর্কে হাদিসে যা বলা হয়েছে

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নাফ নদে সর্বোচ্চ সতর্ক পাহারায় বিজিবি

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

মিয়ানমারের রাখাইনে গোলাগুলি ও সংঘর্ষ বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে যাতে রোহিঙ্গারা ঢুকতে না পারে, সে ব্যাপারে নাফ নদে সর্বোচ্চ সতর্ক পাহারায় রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ লক্ষ্যে সোমবার সকালে টেকনাফের দমদমিয়ায় নাফ নদ সীমান্তে স্পিড বোট দিয়ে জালিয়ার দ্বীপে টহল বাড়িয়েছে বিজিবি।

রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ ঠেকানো হচ্ছে জানিয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (বিজিবি-২) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, নাফ নদ অতিক্রম করে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকদের পাশাপাশি কোনো লোকজন যাতে টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। সকাল থেকে দমদমিয়ার নাফ নদ সীমান্তে বিজিবির তিনটি স্পিড বোটের টহল অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে মিয়ানমারের মংডু থেকে ছোট ছোট ট্রলারে টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে কয়েকদিন ধরে সীমান্তে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে অনেক রোহিঙ্গা। তবে একজন রোহিঙ্গাও যাতে সীমান্ত ডিঙাতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে বিজিবি। 

আরও পড়ুন>> শিবগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারে ৪০ ককটেল বিস্ফোরণ

কর্নেল মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে লোকজন অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে কিন্তু আমরা নতুন করে কাউকে ঢুকতে দিচ্ছি না। আজকে পর্যন্ত ১৩৭ জনকে প্রতিহত করা হয়েছে। অন্য দিনের তুলনায় এ দিন সীমান্ত শান্ত ছিল।

অন্যদিকে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে আরাকান আর্মির চলমান তুমুল লড়াই ও গোলাগুলির শব্দে ৪ থেকে ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সেনাসহ ৩৩০ জন বিজিপি সদস্য বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। তাদের ফেরত যাওয়ার বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।


আরও খবর