আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

বরগুনায় সাত বছর পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ জানুয়ারী ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
অলিউল্লাহ্ ইমরান, বরগুনা

Image

বরগুনার বেতাগীতে সাত বছর পর যৌতুক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার। গত ১৭ জানুয়ারি মঙ্গলবার দিবাগত রাত দশটায় কালিকাবাড়ী প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে মোঃ রাহাত মিয়া ওরফে ইবরাহীম (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়।

থানা সূত্রে জানা যায়, CR ৯১০/১৫ ঢাকা আদালতে যৌতুক নিরোধ আইনের ৪ধারা এই মামলার ২০১৫ সালে রায় হয়। দুই বছর তিন মাস সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা।

সাত বছর পলাতক থাকার পরে ১৭ জানুয়ারি রাত ১০ ঘটিকায় কালিকাবাড় প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেতাগী থানার এসআই নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে কাজিরাবাদ ইউনিয়নের কালিকাবাড়ী এলাকার মুমিন উদ্দীন হাওলাদারের ছেলে মোঃ রাহাত মিয়া ওরফে ইবরাহীম(৪৫) তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বেতাগী থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ারা হোসেন বলেন, তার বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে তার প্রথম স্ত্রী মামলা করেছিলেন, মামলার রায় হলে তিনি এতদিন পলাতক ছিলেন গতকাল রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই নজরুল তাকে গ্রেফতার করে। তাকে আদালতে প্রেরণ করার প্রস্তুতি চলছে।

নিউজ ট্যাগ: বরগুনা

আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




কুয়াকাটায় পিকাপ ভ্যানসহ সেতু ভেঙ্গে পড়ল খালে

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সাইফুল ইসলাম, কলাপাড়া(পটুয়াখালী)

Image

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পারাপারের সময় পিকাপ ভ্যানসহ সেতু ভেঙ্গে খালে পড়েছে। এসময় আচমকা শব্দে স্থানীয় সহ দর্শনার্থীরা চমকে ওঠেন।

রোববার উপজেলার লতাচাপলী ইউপির বড়হরপাড়া খালের উপর নির্মিত সাধুর ব্রীজ নামের এই সেতুটি ভেঙ্গে পড়ে। তবে এ ঘটনায় কোন হতাহত হয়নি।

এলাকার বাসীন্দারা জানান, স্থানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক নির্মিত সেতুটি দীর্ঘদিন যাবৎ ঝুকিপূর্ণ ছিল। তবে পথচারী পারাপারে কাঠ দিয়ে মেরামত করে ওই সেতু দিয়েই সাধারণের যাতায়াত ছিল। কিন্তু আজ সেতুটি পিকাপসহ খালে ভেঙ্গে পড়েছে। ফলে কয়েক গ্রামের মানুষসহ পর্যটক পারাপারে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে।

এলাকার বাসীন্দা আলমগীর জানান, এখন কুয়াকাটা মহাসড়ক থেকে বঙ্গবন্ধু স্কুল সড়ক হয়ে আজিমপুর দিয়ে প্রবেশ অথবা আলীপুর বাজার দিয়ে লক্ষী হয়ে মিশ্রিপাড়া বৈদ্য মন্দির পরিদর্শনে যেতে হবে পর্যটকদের। তবে এতোদিন বিকল্প সড়ক হিসেবে খুব সহজেই এই সেতু পাড় হয়ে মম্বিপাড়া ও পৌরঘোজা এলাকার সড়ক দিয়ে মন্দিরে পৌঁছাতে পারতো পর্যটকরা।

কলাপাড়া স্থানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাদিকুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমাদের কেউ অবহিত করেনি। তবে আমরা খোঁজ নিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

নিউজ ট্যাগ: পটুয়াখালী

আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নদীতে মাছ ধরার সময় বিএসএফের গুলিতে যুবক আহত

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাজশাহী প্রতিনিধি

Image

নদীতে মাছ ধরার সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে এক যুবক আহত হয়েছেন। তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ভারতীয় সীমান্তবর্তী ভোলাহাট থানার পোল্লা ডাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত যুবক জাহাঙ্গীর আলম (২৪) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট থানার কলনি পাড়া এলাকার আ. কুদ্দুসের ছেলে।

ভোলাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, শনিবার ভোরে ভারতীয় সীমান্তবর্তী ভোলাহাট থানার পোল্লা ডাঙ্গা এলাকায় নদীতে মাছ ধরার সময় বিএসএফের গুলি তার হাতে লাগে। স্থানীয়রা তাকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জেনেছি।

ওসি আরও জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আমার খবর নিচ্ছি।

নিউজ ট্যাগ: বিএসএফ রামেক

আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মিয়ানমার সীমান্তে থেমে থেমে বিকট শব্দ, হেলিকপ্টারের চক্কর

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোহাম্মদ ফারুক, কক্সবাজার

Image

মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ঠিক কী হচ্ছে পরিষ্কার জানে না বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারীরা। তবে সংঘাত ক্রমাগত তীব্র হয়ে উঠেছে তা বোঝা যাচ্ছে। থেমে থেমে বিকট শব্দ শোনা যাচ্ছে। মর্টার শেল ও বুলেট এসে আঘাত করছে বাংলাদেশের ভেতরে। এমনকি বাংলাদেশে বাড়িঘরেও আঘাত করছে সেসব গোলাগুলি। এতে সীমান্তবাসীর মনে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে রবিবার (২৮ জানুয়ারি) সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল একেএম নাজমুল হাসান।

টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নংর আহমেদ আনোয়ারী বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ঠিক কী হচ্ছে বলা মুশকিল। তবে কয়েক দিন ধরে বিকট শব্দ শোনা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে মিয়ানমার থেকে ছোড়া মর্টার শেল ও বুলেট বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এসেছে। উলুবনিয়ার সীমান্তের কাছাকাছি রবিবার বেশ কয়েকবার হেলিকপ্টার চক্কর দিতে দেখা গেছে। এতে সীমান্তের মানুষ উদ্বিগ্ন রয়েছে।

একইভাবে ঘুমধুম সীমান্তে হেলিকপ্টারের চক্কর ও বিকট শব্দ শোনা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য শফিকুল ইসলাম।

বিজিবি-৩৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক কর্নেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বিজিবিপ্রধান যখন সীমান্তের হোয়াইক্যং এলাকায় অবস্থান করছেন তখন বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের আকাশে চক্কর দিচ্ছিল হেলিকপ্টার। একই সঙ্গে থেমে থেমে গোলাবারুদের বিকট শব্দও শোনা গেছে। বিজিবি মহাপরিচালক হেলিকপ্টার চক্কর দেওয়ার দৃশ্য দেখতে পেয়েছেন একাধিকবার। একই সঙ্গে তিনি শুনেছেন বিকট শব্দও।

অধিনায়ক জানিয়েছেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে মিয়ানমার আর্মি ও বিজিপির সঙ্গে আরাকান আর্মির সংঘর্ষ চলমান রয়েছে। এ পরিস্থিতি শনিবার থেকে এ পর্যন্ত মিয়ানমার থেকে ফায়ার করা অন্তত ১৩টি মর্টার শেল ও একটি বুলেট বাংলাদেশে এসে পড়েছে। এ নিয়ে বিজিবির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে মিয়ানমারের বিজিপিকে প্রতিবাদলিপি পাঠানো হয়েছে।

মিয়ানমারের মংডু এলাকার সোজাপাড়া গ্রামের একজন রোহিঙ্গা বলেছেন, মিয়ানমারের রাখাইন ও চিন রাজ্যের অধিকাংশ এলাকা এখন আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। পুনঃনিয়ন্ত্রণের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। ফলে কয়েক দিন ধরে রোহিঙ্গা গ্রামে গোলাবারুদ বর্ষণ, আগুন ধরিয়ে দেওয়া শুরু করেছে। এতে রোহিঙ্গারা নিরাপদ স্থানের আশায় গ্রাম ছাড়ছে। ইতোমধ্যে মংডু শহরের দলিয়াপাড়া, সোজাপাড়া এলাকায় আগুন দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

এই বক্তব্য কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাসকারী মাস্টার মোহাম্মদ রফিক। বার্মিজ ভাষায় পারদর্শী তিনি। রফিক বলেন, আরাকান আর্মির নিজস্ব বিবৃতি, ছবি ও রাখাইন অঞ্চলে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের দেওয়া তথ্যমতে বিদ্রোহীদের সশস্ত্র লড়াই ক্রমাগত তীব্র হয়ে উঠেছে। বিদ্রোহীরা একে একে সেনাবাহিনীর ঘাঁটি দখল করে নিচ্ছে। আত্মসমর্পণ করছে সেনাবাহিনীর অনেক সদস্য। ফলে তাদের সেনাবাহিনী ক্রমাগত দুর্বল হয়ে গেছে।

মিয়ানমারে সংঘাতের একটি চিত্র পাওয়া যায় আমদানি-রপ্তানির তথ্যেও। টেকনাফ স্থলবন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (হিসাব) মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, টানা ৪২ দিন বন্ধ থাকার পর গত ২৬ ডিসেম্বর সকালে টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ ও শুকনা সুপারি নিয়ে একটি ট্রলার এসেছিল। আকিয়াব বন্দর থেকে আসা ট্রলারটিতে ১২০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ ও ৮০ মেট্রিক টন শুকনা সুপারি ছিল। এর পর থেকে নতুন করে আর কোনো পণ্যবাহী ট্রলার মিয়ানমার থেকে টেকনাফ আসেনি।

বিজিবিকে সতর্ক থাকার নির্দেশ

পরিস্থিতি বিবেচনা করে মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় বিজিবিকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সীমান্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে বিজিবি মহাপরিচালক এ নির্দেশনা দেন। এ সময় তিনি ৩৪ বিজিবির বিওপি এলাকায় দায়িত্ব পালনকারী বিজিবি সদস্য ও কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন বলে বিজিবি সূত্র জানিয়েছে।

বিজিবি মহাপরিচালক বিজিবি-৩৪ ব্যাটালিয়নের পালংখালী বিওপি ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু বিওপি, ঘুমধুম সীমান্ত এলাকা ও বিজিবি-২ ব্যাটালিয়নের হোয়াইক্যং বিওপিসহ তৎসংলগ্ন সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। সে সময় তিনি সীমান্তে দায়িত্বরত সকল পর্যায়ের বিজিবি সদস্যের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি সবাইকে সর্বোচ্চ পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সীমান্তে উদ্ভূত যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন। পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে বিজিবি সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কক্সবাজার রিজিওন কমান্ডার, রামু সেক্টর কমান্ডার ও সংশ্লিষ্ট ব্যাটালিয়নসমূহের অধিনায়কসহ বিজিবির অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ ট্যাগ: কক্সবাজার

আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বাড়ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভার কলেবর

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের নতুন সদস্যদের শপথ গ্রহণ শেষ হয়েছে। শেষ হয়েছে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনও। সংসদের প্রথম অধিবেশন এখন চলছে। বাকি আছে সংরক্ষিত নারী ৫০ আসনের নির্বাচন। চলতি সপ্তাহে হতে পারে তফসিল। এরপর দলীয়ভাবে চূড়ান্ত হবে, কারা হচ্ছেন সংরক্ষিত এমপি। তবে, নতুন করে গুঞ্জন শুরু হয়েছে, বাড়ছে মন্ত্রিসভার কলেবর।

দ্বিতীয় দফায় কারা মন্ত্রিসভায় স্থান পাচ্ছেন, নতুন নাকি পুরাতন সদস্যরা সব মহলে চলছে এমন আলোচনা। তাদের সঙ্গে সুর মিলিয়েছেন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারাও। তাদের মন্তব্য, শিগগিরই বাড়তে পারে মন্ত্রিসভার আকার।

গত ১১ জানুয়ারি টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীসহ মোট ৩৭ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীও শপথ নিয়েছেন। এর মধ্যে ২৫ জন মন্ত্রী ও ১১ জন প্রতিমন্ত্রী। আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা মনে করছেন, চলতি মাসের (ফেব্রুয়ারি) শেষের দিকে বাড়তে পারে মন্ত্রিসভার আকার। আসন্ন সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের পর মন্ত্রিসভার সদস্য বাড়ানো হতে পারে। এমনকি সংরক্ষিত নারী আসন থেকে টেকনোক্র্যাট কোটায় (সংসদ সদস্য নন এমন) মন্ত্রীও হতে পারেন এমন গুঞ্জনও চলছে। তবে, এটা নিশ্চিত যে দ্বিতীয় দফায় কারা মন্ত্রিসভায় স্থান পাবেন, সেটা দলের হাইকমান্ড ছাড়া কেউ-ই জানেন না।

মন্ত্রিসভার কলেবর বড় হচ্ছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা একটু বাড়তে পারে। কারণ, এখানে রিজার্ভ সিটগুলো, নারীদের জন্য সংরক্ষিত যেসব আসন, সেসব আসনের নির্বাচন শেষ হলে সেখান থেকেও যুক্ত হতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী ইচ্ছা করলে তিনি যুক্ত করতে পারেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার টিকিট পেয়েও ভোটের মাঠে নেমে হেরেছেন তিন মন্ত্রী। তারা হলেন- বিমান প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী, ত্রাণ ও দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য। মাহবুব আলী ও এনামুর রহমান দুবারের সংসদ সদস্য ছিলেন। স্বপন ভট্টাচার্য তিনবার জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। নির্বাচনের মাঠে তারা এবার পরাজিত হয়েছেন।

এ ছাড়া, এবার নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন আগের মন্ত্রিসভার ১৪ মন্ত্রী, নয়জন প্রতিমন্ত্রী ও দুজন উপমন্ত্রী। আলোচিত মন্ত্রীদের মধ্যে বাদ পড়েছেন- কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদ।

প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে বাদ পড়েছেন- শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, স্থানীয় সরকার, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বেগম ফজিলাতুন নেছা। এ ছাড়া, গতবারের তিন উপমন্ত্রীর মধ্যে দুজনই এবার বাদ পড়েছেন। তারা হলেন- পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার এবং পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম। টেকনোক্র্যাট পদ থেকে পদত্যাগ করা ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলমও এবারের মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।

আওয়ামী লীগ ও সরকারের একাধিক সূত্র জানায়, বর্তমান মন্ত্রিসভার বেশিরভাগ সদস্য নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন। বিভিন্ন কারণে বাদ পড়েছেন অনেক পুরাতন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। মন্ত্রিসভার কলেবর বাড়লে স্থান পেতে পারেন আওয়ামী লীগের ত্যাগী, অভিজ্ঞ ও তৃণমূলের জনপ্রিয় সংসদ সদস্যরা। সরকারের কাজের পরিধি বেড়ে যাওয়ায় মন্ত্রিসভার আকার বড় করার চিন্তাভাবনা চলছে। এক্ষেত্রে তরুণদের প্রাধান্য দেওয়া হতে পারে।

আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের পর চলতি মাসের শেষের দিকে মন্ত্রিসভার আকার বাড়তে পারে। দ্বিতীয় দফায় সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে থেকেও একজন মন্ত্রিসভায় সদস্য হতে পারেন। ১৪ দলীয় জোটেরও কেউ এখানে স্থান পেতে পারেন।

গত সংসদে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ছিলেন ৪৭ জন। তাদের মধ্যে প্রথমে শপথ নেন ২৫ মন্ত্রী এবং ১৯ প্রতিমন্ত্রী এবং তিনজন উপমন্ত্রী। দ্বিতীয় দফায় মন্ত্রিপরিষদের সদস্য সংখ্যা বাড়ানো হয়।


আরও খবর



কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে ইমরান খানের আপিল

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

আলাদা তিনটি মামলায় পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে কিছুদিন আগে ৩১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এসব কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন ইমরান।

গতকাল শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ইমরানের আইনজীবী লতিফ খোসা সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

এরপর পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) এক্স অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। সেখানে লতিফ খোসা বলেন, গোপন তারবার্তা ফাঁস (সাইফার) এবং তোশাখানা দুর্নীতি মামলার কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট এবং অনৈসলামিক বিয়ের কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে একটি বিচারিক আদালতে আপিল করা হয়েছে।

২০২৩ সালের আগস্টে তোশাখানা দুর্নীতি মামলায় ইমরানকে অভিযুক্ত করা হয়। ওই মামলায় অভিযোগ করা হয়, রাষ্ট্রীয় কোষাগার তোশাখানায় থাকা উপহার নিয়ে সেগুলো বিক্রি করে দিয়েছেন ইমরান খান। এরপর জানুয়ারিতে এই তোশাখানা মামলায় তাকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এরপর গোপন তারবার্তা ফাঁসের মামলায় ইমরানকে আরও ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এই মামলায় অভিযোগ করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের কাছ থেকে পাঠানো সরকারি গোপন নথি ফাঁস করেছেন ইমরান। এরমাধ্যমে দেশের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছেন তিনি।

এই দুই মামলার রেশ কাটতে না কাটতেই বর্তমান স্ত্রী বুশরা বিবিরি সঙ্গে অনৈসলামিক বিয়ের অভিযোগ তুলে ইমরান ও তার স্ত্রীকে আরও সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

ইমরান খানের বিরুদ্ধে বর্তমানে আরও ১৫০টির বেশি মামলা চলমান রয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম হলো সহিংসতা উস্কে দেওয়া। ইমরানকে গ্রেপ্তারের জেরে গত বছরের ৯ মে পাকিস্তান জুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। ওই সময় সেনাবাহিনীর সদর দপ্তরসহ বিভিন্ন জায়গায় ভাঙচুর চালান পিটিআইয়ের নেতাকর্মীরা। এসব হামলায় উস্কানিদাতা হিসেবে ইমরানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: ইমরান খান

আরও খবর
সৌদি আরবে এক দিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪