আজঃ মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২
শিরোনাম

বরফের নীচে লুকনো দুনিয়া

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | ৩৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অ্যান্টার্কটিকায় বরফের নীচে সন্ধান মিলেছে নতুন এক মেরিন দুনিয়ার। সেখানে অদ্ভুত সব প্রাণী রয়েছে বলে দাবি করেছেন নিউজিল্যান্ডের একদল বিজ্ঞানী। তারা জানিয়েছেন, অ্যান্টার্কটিকায় বরফের নীচে একটি মেরিন লাইফের সন্ধান পাওয়া গেছে। সম্প্রতি তাদের বক্তব্য তুলে ধরে সংবাদ প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান ও টেকভিত্তিক সংবাদ মাধ্যমে লাইফ সায়েন্স।

বিজ্ঞানীরা অ্যান্টার্কটিকার রস আইস শেল্ফ থেকে কয়েকশো কিলোমিটার দূরে অবস্থিত একটি মোহনা পর্যবেক্ষণ করতে গিয়ে এই নতুন দুনিয়ার সন্ধান পেয়েছেন। মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বরফ গলার ফলে এর ভূমিকা কী হতে পারে, তা দেখাই ছিল বিজ্ঞানীদের মূল উদ্দেশ্য।  এ লক্ষ্যে বিজ্ঞানীরা বরফের মধ্যে ঢোকেন। আর সেখানেই তাদের ক্যামেরায় অস্বাভাবিক কিছু মুভিং অবজেক্ট ধরা পরে। ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও পর্যালোচনা করে বিজ্ঞানীরা জানান, বরফের নীচে ক্ষুদ্র প্রাণীদের বিরাট একটি দল রয়েছে।

এ বিষয়ে গবেষক দলের সদস্য ক্রেগ স্টিফেন্স বলেন, কিছুক্ষণের জন্য আমরা ভেবেছিলাম আমাদের ক্যামেরার হয়তো কোনও সমস্যা দেখা দিয়েছে। কিন্তু যখন আমরা আরও খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে লক্ষ্য করলাম, তখন দেখতে পাই ৫ মিমি আকারের আর্থ্রোপডের একটি ঝাঁক। আমরা ওই আইস শেল্ফের অন্যান্য অংশেও পরীক্ষা করে দেখেছি এবং ভেবেছিলাম যে, আমাদের চারপাশের জিনিসগুলো আয়ত্তের মধ্যেই রয়েছে। কিন্তু সেখানে গিয়ে যা দেখলাম, চমকে গেলাম।

গবেষক দলটির নেতৃত্ব দিয়েছেন হুও হর্গ্যান। তিনি গণমাধ্যমকে বলছেন, ওই মোহনা অধ্যয়ন ছিল আমাদের কাছে একটি লুকিয়ে থাকা বিশ্বে প্রবেশ করার মতো। তার এক সহকর্মী স্টিভেন্স করলেন, এই আশ্চর্যজনক আবিষ্কারে আমাদের দল খুবই আনন্দিত হয়।


আরও খবর



‘পশ্চিমাদের অস্ত্র অকার্যকর’

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | ৩৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইউক্রেনকে আরও অস্ত্র দেওয়ার ক্ষেত্রে পশ্চিমাদের সতর্কতা দিয়েছে রাশিয়া। তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে এসব অস্ত্র যুদ্ধক্ষেত্রে পুরোপুরি অকার্যকর হবে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) ইউক্রেন সফরে যান ইউরোপের শক্তিশালী তিন দেশ জার্মানি, ফ্রান্স এবং ইতালির রাষ্ট্রপ্রধান। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন রোমানিয়ার প্রেসিডেন্টও।  আর এ চার রাষ্ট্রপ্রধানের ইউক্রেন সফরের মাঝেই নতুন করে অস্ত্র দেওয়ার ব্যাপারে সতর্কতা দিয়ে রাশিয়া বলেছে, পশ্চিমাদের পাঠানো সব অস্ত্র ধ্বংস করে দেবেন তারা।

এ ব্যাপারে রাশিয়ার মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, আমি আশা করি এই তিন দেশের নেতা এবং রোমানিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউক্রেনকে শুধুমাত্র আরও অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করবে না। এগুলো (যুদ্ধক্ষেত্রে) পুরোপুরি অকার্যকর হবে এবং এই দেশের (ইউক্রেনের) আরও ক্ষতি করবে।

এদিকে গত কয়েকদিন ধরেই ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ সফরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট, জার্মানির চ্যান্সেলর এবং ইতালির প্রধানমন্ত্রী। ইউক্রেনে গিয়ে জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ বলেছেন, ইউক্রেনের যতদিন সাহায্য প্রয়োজন ততদিন তাদের সহায়তা করে যাবেন। অন্যদিকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ইউক্রেনীয়দের প্রশংসা করেছেন।


আরও খবর



কুমিল্লা সিটি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৫ জুন ২০২২ | ৩৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) ভোটগ্রহণ আজ বুধবার সকাল ৮টায় শুরু হয়েছে। বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)।

বহুলপ্রত্যাশিত এ ভোট কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রথম পরীক্ষা। কুমিল্লা সিটির ভোটকে কেন্দ্র করে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ইসি। বেশ কঠোর মনোভাব পোষণ করতেও দেখা গেছে ইসিকে। এটিকে ইসির সক্ষমতা ও গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণের বড় সুযোগ বলে মনে করছেন নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা। ফলে, ইসির জন্য এ নির্বাচন একটি চ্যালেঞ্জ।

যদিও স্থানীয় সংসদ সসদ্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারকে নির্বাচনি এলাকা ছাড়তে বলার পরও তিনি এলাকা ছাড়েননি। বাহারের এলাকা ছাড়া নিয়ে অসহায়ত্ব প্রকাশ করতে দেখা গেছে ইসিকে। বাহার ইস্যুকে কেন্দ্র করে কেউ কেউ বলার চেষ্টা করছেন, বাহারই ইসির প্রথম ধাক্কা।

কুমিল্লা সিটি ভোটকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত। চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও ভোট সুষ্ঠু করতে ইসিও তৎপর। এদিকে, কুমিল্লার ভোটে সাধারণ ছুটি ঘোষণা না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রার্থীরা।

কুমিল্লা সিটির ভোট নিয়ে প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ-বিএনপির ভোটারেরা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছেন। এ পরিস্থিতিতে সদ্য সাবেক মেয়র বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত মনিরুল ইসলাম সাক্কুর হ্যাটট্রিক বিজয় না কি প্রথম বার জয়ের মুকুট আওয়ামী লীগের প্রার্থী আরফানুল হক রিফাতের নিশ্চিত হবে, তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আজ রাতে ভোটের ফলাফল পাওয়া পর্যন্ত।

কুমিল্লা সিটির ভোটের সঙ্গে আজ পাঁচটি পৌরসভা, চারটি উপজেলা পরিষদ এবং দেড়শতাধিক ইউনিয়ন পরিষদের ভোটও অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইসির জনসংযোগ পরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান।

এবারের কুমিল্লায় চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার নির্বাচনকে ঘিরে কেন্দ্র দখল কিংবা পেশি শক্তির ব্যবহারসহ কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা সহিংসতা যাতে ঘটতে না পারে, সেজন্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চার সহস্রাধিক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পুরো সিটিকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে।

১৪৪০ সিসি ক্যামেরা

ইসি সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে (কুসিক), পাঁচটি (গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর ও গোপালগঞ্জ, রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি, সিলেটের বিয়ানীবাজার এবং মেহেরপুর পৌরসভা) পৌরসভা এবং ১৩২টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে কুসিক ও পাঁচ পৌরসভার ভোটকেন্দ্রে ও ভোটকক্ষের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য এক হাজার ৪৪০টি সিসি ক্যামেরা ব্যবহার করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসি জানিয়েছে, কুমিল্লা সিটি, পাঁচটি পৌরসভা এবং ১২৫টি ইউপিতে ইভিএম-এর মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আর সাতটি ইউপিতে প্রচলিত ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

এ ছাড়া একই দিনে বগুড়ার গাবতলী পৌরসভার ৯ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে উপনির্বাচন; একটি উপজেলা পরিষদে সাধারণ এবং তিনটিতে বিভিন্ন শূন্য পদের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এবার কুমিল্লা নির্বাচনে মেয়র পদে নির্বাচন করছেন পাঁচ জন। মেয়রপ্রার্থীরা হলেনকুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত (নৌকা), টানা দুবারের সদ্য সাবেক মেয়র এবং বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মনিরুল হক সাক্কু (টেবিল ঘড়ি), স্বেচ্ছাসেবক দল থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী নিজাম উদ্দিন কায়সার (ঘোড়া), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী রাশেদুল ইসলাম (হাতপাখা) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল আহসান বাবুল (হরিণ)। তাঁদের মধ্যে প্রথম তিন প্রার্থী বেশ আলোচিত। এ ছাড়া সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৩৬ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করছেন ১০৮ জন প্রার্থী।

এখন পর্যন্ত কোনো নির্বাচনে হারেননি মনিরুল হক সাকু। হ্যাটট্রিক বিজয়ের প্রত্যাশা করছেন তিনি। ২০০৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা পৌরসভার চেয়ারম্যান পদে প্রথম বার নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়ী হন। এরপর ২০১২ সালের ৫ জানুয়ারি এবং ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে দ্বিতীয় বারের মতো তিনি মেয়র হিসেবে বিজয়ী হন। এবার তিনি স্বতন্ত্রভাবে সিটি নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হন। সুষ্ঠু ভোট হলে এবারও জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী মনিরুল হক সাক্কু।

আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত এবারই প্রথমবারের এমন পদে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। ১৯৮১ সালে তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের বহিঃক্রীড়া সম্পাদক পদে ছাত্রলীগ থেকে নির্বাচন করে জয়ী হন। তিনি কুমিল্লা ক্লাবে সাধারণ সম্পাদক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করে একাধিক বার জয়ী হন। তবে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এটি তাঁর প্রথম নির্বাচন।

রিফাত বলেন, প্রথমবার নির্বাচন করছি। জনগণ আমার পক্ষে রায় দেবেন। জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী।

তৃতীয় বারের মতো এবার হচ্ছে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ভোট। ২৭টি ওয়ার্ডে বিভক্ত এ সিটির মোট ভোটার সংখ্যা দুই লাখ ২৯ হাজার ৯২০। নারী ভোটার এক লাখ ১৭ হাজার ৯২ এবং পুরুষ ভোটার এক লাখ ১২ হাজার ৮২৬ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার দুজন। মোট ১০৫টি ভোটকেন্দ্রের ৬৪০টি কক্ষে ভোট হবে। ভোটকেন্দ্রগুলোর মধ্যে ৮৯টি অতিঝুঁকিপূর্ণ, নয়টি ঝুঁকিপূর্ণ ও সাতটি সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

নগরীর ১০৫টি কেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের জন্য সোমবার থেকে নগরীতে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৪ হাজার ২৬০ জন সদস্যকে মোতায়েন রয়েছে। এদের মধ্যে ২২৯টি টিমে পুলিশ সদস্য দুই হাজার ৪৬০ জন, ১২ প্লাটুন বিজিবির ২৪০ জন সদস্য, র‌্যাবের ৩০টি টিমে ২৫০ জন, ১০৫ কেন্দ্রে এক হাজার ২৬০ জন আনসার, এপিবিএন-এর নয়টি গ্রুপে ৫০ সদস্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করবেন বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে। স্ট্রাইকিং ফোর্স ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য ৫০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকবেন। এ ছাড়া নগরীর প্রবেশপথে থাকবে ৭৫টি চেকপোস্ট। পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের পাশাপাশি মাঠ তদারকিতে নিয়োজিত থাকবেন ছয় জন এডিসি ও ডিডিএলজি। ভোটের দিন কিংবা এর আগে-পরে সন্ত্রাসীরা যাতে কোনো ধরনের সহিংস ঘটনা না ঘটাতে পারে সেজন্য কুমিল্লা আদর্শ সদরের ৯০ জন ও সদর দক্ষিণের ২০ জনসহ ১১০ জন তালিকাভুক্ত চিহ্নিত সন্ত্রাসীকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে পলিটিক্যাল ক্যাডার, অস্ত্রধারীসহ নানান অপরাধে অভিযুক্তরা এ তালিকায় রয়েছেন।


আরও খবর



দেশের ১৮ রুটে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট

প্রকাশিত:সোমবার ৩০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ৩০ মে ২০২২ | ৭৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

খুলনাসহ দেশের ১৮টি রুটে বুধবার (১ জুন) থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক-শ্রমিকরা। সড়ক-মহাসড়কে নসিমন, করিমনসহ বিভিন্ন অবৈধ যানবাহন বন্ধের দাবিতে খুলনা জেলা বাস-মিনিবাস কোচ মালিক সমিতি ও বাস-মিনিবাস কোচ মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ অনির্দিষ্টকালের এ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। খুলনা জেলা বাস-মিনিবাস কোচ মালিক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন সোনা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, মহাসড়কে নসিমন-করিমনসহ অবৈধ যানবাহন চলাচলের কারণে সড়ক দুর্ঘটনা যেমন বাড়ছে, তেমনই বাসের যাত্রী কমেছে। এ অঞ্চলের পরিবহন মালিকদের ক্ষতির মধ্যে পড়তে হচ্ছে। 

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মহাসড়কে ইজিবাইক, মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমনসহ অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবি করে আসছি। মহাসড়কে অবৈধ যান চলাচল বন্ধে এ অঞ্চলের পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা অনেকদিন ধরে সাংগঠনিকভাবে প্রতিবাদ ও আন্দোলন করে আসছে।

সড়ক-মহাসড়কে অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধের জন্য আজ সোমবার (৩০ মে) পর্যন্ত প্রশাসনকে সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দাবি আদায় না হওয়ায় ১ জুন থেকে খুলনা-ঢাকা, খুলনা-মাওয়া, খুলনা-বাগেরহাট, খুলনা-যশোর, খুলনা-কুষ্টিয়া, খুলনা-সাতক্ষীরা, খুলনা-পাইকগাছা, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুরসহ ১৮টি রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

নিউজ ট্যাগ: পরিবহন ধর্মঘট

আরও খবর



অপসাংবাদিকতায় জরিমানা করতে পারবে প্রেস কাউন্সিল

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ জুন ২০22 | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অপসাংবাদিকতার জন্য সংবাদ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করতে পারবে প্রেস কাউন্সিল। এমন বিধান রেখে প্রেস কাউন্সিল (সংশোধন) আইন ২০২২ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার (২০ জুন) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপস্থাপন করা এ আইনের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, খসড়া আইনে অপসাংবাদিকতার জন্য সংবাদ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ডের কথা রাখা হয়েছে। আগে প্রেস কাউন্সিল শুধু তিরস্কার করতে পারতো।

এটা প্রিন্ট ও ডিজিটাল সব সংবাদ মাধ্যমের জন্য বলবৎ হবে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।


আরও খবর



নতুন সেনা প্রকল্প ‘অগ্নিপথ’ চালু করল ভারত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ জুন ২০২২ | ৩৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সামরিক ব্যয় কমানো ও প্রতিরক্ষা শক্তিকে আরও কার্যকর করে তুলতে অগ্নিপথ প্রকল্পের আওতায় সেনাবাহিনী ঢেলে সাজানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। এখন থেকে স্থল, নৌ ও বিমানবাহিনীতে এই প্রকল্প অনুসারেই সেনা সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) রাজধানী দিল্লিতে অগ্নিপথ প্রকল্প ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী। সেখানে তিনি জানান, এই প্রকল্পের আওতায় চার বছরের জন্য সেনা সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া হবে; এবং নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে ক্ষুদ্র একটি অংশকে স্থায়ীভাবে রেখে দেওয়া হবে সামরিক বাহিনীতে। বাকিদের চার বছর পর বিদায় জানানো হবে। এ সময় তাদের প্রত্যেককে দেওয়া হবে এককালীন অর্থ। তবে বিদায়ী সেনা সদস্যরা পেনশন সুবিধা পাবেন না। যাদেরকে স্থায়ীভাবে সেনাবাহিনীতে রেখে দেওয়া হবে, কেবল তারাই পাবেন এ সুবিধা।

রাজনাথ সিং বলেন, চলতি বছর মোট ৪৫ হাজার সেনা নিয়োগ দেবে সরকার। ১৭ বছর ৫ মাস থেকে ২১ বছর বয়সী আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন সেন্ট্রালাইজড সিস্টেমের ভিত্তিতে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে এই সেনা নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হবে। প্রাথমিক নিয়োগে যারা টিকে যাবেন, তাদেরকে নাম হবে অগ্নিবীর। বর্তমানে ভারতের সেনাবাহিনীতে নিয়োগপ্রাপ্তির জন্য যে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন, অগ্নিবীরদের ক্ষেত্রেও সেই একই যোগ্যতা রাখা হয়েছে।

প্রাথমিক নিয়োগপ্রাপ্তির পর সেনাদের নিতে হবে ৬ মাসের প্রশিক্ষণ। এসময় প্রত্যেক সেনার মাসিক বেতন হবে ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার রুপির মধ্যে। সেই সঙ্গে চিকিৎসাভাতা ও অন্যান্য ভাতা ও বীমার সুবিধাও ভোগ করবেন তারা। চার বছর পর কমিশনপ্রাপ্ত সেনা সদস্যদের মধ্যে ২৫ শতাংশ ও নন কমিশন্ড সেনা সদস্যদের মধ্যে ১৫ শতাংশকে রেখে বাকিদের বিদায় জানানো হবে। বিদায়ের সময় সরকারের পক্ষ থেকে এককালীণ ১১ লাখ থেকে ১২ লাখ রুপি দেওয়া হবে প্রত্যেককে। বিদায়ী সেনা সদস্যরা পেনশন পাবেন না;  তবে যুদ্ধক্ষেত্রে কোনো সেনা সদস্য যদি মৃত্যু ও পঙ্গুত্বের শিকার হন, সেক্ষেত্রে এককালীন অর্থের পরিমাণ বাড়বে।

মঙ্গলবারের ঘোষণায় অগ্নিপথ প্রকল্পকে ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, চলতি বছর নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ শেষে আগামী ২০২৩ সালে জুলাইয়ে নিয়মিত চাকরিতে প্রবেশ করবে অগ্নিবীরদের প্রথম ব্যাচ। ভারতের নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, যদি এই প্রকল্প সফল হয় তাহলে সামরিক খাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় করতে সক্ষম হবে ভারত; কারণ প্রতি বছর দেশটির সামরিক খাতে যে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়, তার একটি বড় অংশই চলে যায় দেশটির কমিশনপ্রাপ্ত ও নন কমিশন্ড সেনা সদস্যদের বেতন, অবসরকালীন ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা বাবদ ব্যায়ে। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানিয়েছে, গত অর্থবছরে সামরিক বাহিনী খাতে ৫ দশমিক ২ লাখ কোটি রুপি বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছিল। এই বাজেটের অর্ধেকই ব্যয় হয়েছে সেনা সদস্যদের বেতন-ভাতা ও অবসরকালীন ভাতার পেছনে।

 

নিউজ ট্যাগ: অগ্নিপথ

আরও খবর