আজঃ বুধবার ১৯ জুন ২০২৪
শিরোনাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা জজের অপসারণ দাবিতে আইনজীবীদের বিক্ষোভ

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ০৪ জানুয়ারী ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ রাসেল আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জজ বেগম শারমিন নিগারের অপসারণ দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যরা। একই সঙ্গে তারা আদালতের দুর্নীতিবাজ নাজির মোমিনুল ইসলামের অপসারণ দাবি করেন।

আজ বুধবার দুপুরে তাদের অপসারণ দাবি করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালত চত্বরে মিছিল-সমাবেশ করেছেন আইনজীবীরা। এতে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোঃ তানবীর ভূঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বাবুলের নেতৃত্বে সাত শতাধিক আইনজীবী অংশগ্রহন করেন।

সমাবেশে আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. তানবীর ভূঁইয়া বলেন, আদালত চত্বরে জাল স্ট্যাম্প ও কোর্ট ফি বিক্রি বন্ধে উদ্যোগ নেওয়ার কারণে জেলা জজ বেগম শারমিন নিগার আইনজীবীদের প্রতি নাখোশ হন। জাল স্ট্যাম্প ও কোর্ট ফি বিক্রির সঙ্গে আদালতের দুর্নীতিবাজ নাজির মোমিমুল ইসলাম জড়িত। এজন্য মোমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে জেলা জজের কাছে এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। কিন্তু জেলা জজ এই ব্যাপারে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে উল্টো দুর্নীতিবাজ নাজির মোমনিুল ইসলামের পক্ষাবলম্বন করেন।

এর আগে সকালে আদালতের কর্মচারিরা আইনজীবী কর্তৃক বিচারকের সঙ্গে অসদাচরণ ও কর্মচারীদের মারধরের প্রতিবাদে কর্মবিরতি পালন করেছে। এতে দুর-দুরান্ত থেকে আসা বিচারপ্রার্থী লোকজন বিচারকাজ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

নিউজ ট্যাগ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আরও খবর



আনার হত্যাকাণ্ড : ডিবি কার্যালয়ে ঝিনাইদহ আ. লীগ সম্পাদক মিন্টু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ জুন) বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

ডিবি সূত্র জানায়, আক্তারুজ্জামান শাহীনের সঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের যোগাযোগ ছিল। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম অপু জানান, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জেলা আওয়ামী লীগের একটি অনুষ্ঠান ছিল আজ। সেই অনুষ্ঠানে মিন্টুর উপস্থিত থাকার কথা ছিল, কিন্তু তিনি অনুষ্ঠানে আসেননি। তাকে আটকের বিষয়টি বিভিন্ন মাধ্যমে শুনছি, তবে আমি এখনও নিশ্চিত না।

এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ঝিনাইদহের অনেক আওয়ামী লীগ নেতা নজরদারিতে থাকার কথা জানিয়েছে ডিবি প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, এমপি আনার হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষ হলে অনেকেই গ্রেপ্তার হতে পারেন। সেই সঙ্গে এমপি আনারের মরদেহ শনাক্ত হলে অনেক কিছুই প্রকাশ করা সম্ভব হবে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে।


আরও খবর



নরেন্দ্র মোদি আর মাত্র ৭-৮ দিনের প্রধানমন্ত্রী: মমতা

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

নরেন্দ্র মোদি আর ক্ষমতায় ফিরবেন না উল্লেখ করে তৃণমূল প্রধান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, তাকে আর হয়ত ৭-৮ দিন প্রধানমন্ত্রী বলতে পারব। মঙ্গলবার (২৮ মে) এক সভায় এ কথা বলেন তিনি।

মমতা বলেন, এবার আর কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসছে না বিজেপি। নরেন্দ্র মোদিকে হয়ত আর ৭-৮ দিন প্রধানমন্ত্রী বলতে পারব। তীব্র হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, বাংলার উন্নয়ন দেখতে পায় না হিংসুটেরা।

একইদিন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার অশোকনগরে এক সভা নরেন্দ্র মোদি বলেন, বাংলাতেই সবচেয়ে ভালো ফল করবে বিজেপি। তিনি বলেন, তুষ্ট করার রাজনীতি করতে সিএএর বিরোধিতা করছে তৃণমূল। সিএএ নিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে তারা।

মোদি বলেন, ভারতে বহু মানুষ নাগরিকত্ব পেয়ে গেছেন। কারো কাছ থেকে কিছু ছিনিয়ে নেওয়া হয়নি। নাগরিকত্ব দিয়ে তাদের ভারত মায়ের সন্তান বানানো হয়েছে। এই নাগরিকত্ব দিচ্ছে দেশের সংবিধান। পৃথিবীর কোনো শক্তি মোদির সংকল্পকে আটকাতে পারবে না।

সিএএর বিরোধিতা করে মমতা সম্প্রতি বলেছিলেন, আমি মোদিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে যাচ্ছি, অমিত শাহকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে যাচ্ছি, চোর বিজেপিকে, সঙ্গে ওদের বন্ধু সিপিএমকে বলে যাচ্ছি এনআরসি হবে না, সিএএ করতে দেব না, ইউনিফর্ম সিভিল কোড করতে দেব না, ওবিসিদের রিজার্ভেশন কাড়তে দেব না। আমরা আইন অনুযায়ী করেছি, আইন অনুযায়ী চলব।


আরও খবর



খুলে দেওয়া হচ্ছে বেনজীরের রিসোর্ট: আয় যাবে সরকারি কোষাগারে

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

গোপালগঞ্জ সদরে অবস্থিত আলোচিত সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের মালিকানাধীন সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্ক জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় আগামীকাল শনিবার (১৫ জুন) সকাল ৮টা থেকে দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে। দর্শনার্থীরা আগামীকাল থেকে ওই পার্কে প্রবেশ করতে পারবেন। তবে দর্শনার্থীদের বিনোদনের জন্য বিভিন্ন রাইড চালু থাকলেও বন্ধ থাকবে কটেজ। ফলে অবকাশযাপন করতে পারবেন না কোনো দর্শনার্থী।

এদিকে পুলিশ, আনসার ও সাভানা ইকো রিসোর্টের নিরাপত্তা কর্মীরা রিসোর্টের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন। ইতোমধ্যে আনসার ভিডিপি ও রিসোর্টের নিরাপত্তা কর্মীরা সেখানে নিয়োজিত রয়েছেন। আগামীকাল সকাল থেকে পুলিশ মোতায়েন করবে জেলা প্রশাসন।

পর্যবেক্ষণ ও তদারকি কমিটির সদস্য সচিব এবং গোপালগঞ্জ জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান জানান, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় আগামীকাল শনিবার সকাল ৮টা থেকে সর্বসাধারণের জন্য পার্কটি খুলে দেওয়া হবে। এতে দর্শনার্থীরা আগের মতো ১০০ টাকা টিকিট কেটে পার্কে প্রবেশ করতে পারবেন। দর্শনার্থীদের বিনোদনের জন্য পার্কের বিভিন্ন রাইড খুলে দেওয়া হলেও কটেজ বন্ধ থাকবে। আর এ পার্ক থেকে সকল আয় রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে জমা হবে। পার্কের নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে পুলিশ সদস্য মোতায়েনের জন্য আবেদন জানানো হবে। আশা করি সকাল থেকেই  পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। ইতোমধ্যে রিসোর্টের নিরাপত্তার জন্য আনসার ও সাভানার নিরাপত্তা কর্মীরা দায়িত্বে আছেন।

ক্রোক আদেশের পর পার্কটি চালু থাকলেও গত ৪ জুন সার্ভার জটিলতা দেখিয়ে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছিল পার্ক কর্তৃপক্ষ। এরপর থেকে পার্কটি বন্ধ ছিল। গত ৭ জুন রাতে আদালতের নির্দেশে রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে পার্কটি নিয়ন্ত্রণে নেয় জেলা প্রশাসন।

গতকাল বৃহস্পতিবার পার্কটি রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সার্বিক তদারকির লক্ষ্যে জেলা প্রশাসককে আহ্বায়ক ও গোপালগঞ্জ দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালককে সদস্য সচিব করে ৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দুদক।

অন্যদিকে ১২ জুন রাতে সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্কের তিনটি কম্পিউটারের সিপিইউ ও একটি মনিটর চুরি হয়। পরদিন ১৩ জুন ৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন পার্কের ম্যানেজার মো. সারোয়ার হোসেন।

এছাড়া গত ৭ জুন রাতে গোপনে পার্ক থেকে ধরা ৫৯০ কেজি মাছ বিক্রি করার সময় হাতেহাতে জব্দ করে দুদক। পরে মাছ বিক্রি করে ৮৩ হাজার টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় ৮ জুন দুপুরে গোপনে মাছ বিক্রির দায়ে পার্কের মৎস্য কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের নামে গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেন দুদকের গোপালগঞ্জে উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান।


আরও খবর



ঝড়ের রাতে ঘরে ঢুকে দাদি-নাতিকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চাঁদপুর প্রতিনিধি

Image

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে বসতঘরে ঢুকে দাদি ও নাতিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে আরেক নাতনি।

সোমবার (২৭ মে) রাত ১টার দিকে বাকিলা ইউনিয়নের রাধাসা গ্রামের এ ঘটনা ঘটে। 

নিহতরা হলেন দাদি হামিদুন্নেছা ও নাতি আরাফাত হোসেন। আহত নাতনি হালিমা আক্তার মিম শ্রীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ও তার ভাই আরাফাত একই বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল।

হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রশিদ হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সোমবার রাত ১টার দিকে বোরকা পড়া এক যুবক দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। দাদি হামিদুন্নেছা ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আর নাতি আরাফাত হোসেনকে উদ্ধার করে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অপরদিকে নাতনি হালিমা আক্তার মিমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।

ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মো. অরুণ জানান, ওই পরিবারের তিনজন পুরুষ সদস্য প্রবাসে থাকেন। দাদিকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। আর নাতি-নাতনিকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। 

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ কুমার দে বলেন, এটি ডাকাতির ঘটনা হতে পারে না। হত্যার পেছনে তিনটি কারণ থাকতে পারে। সেই সব সূত্র ধরে তদন্ত কাজ চলছে। ইভটিজিং, পরকীয়া ও এক নাতনির দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্বের আঁচ  পাওয়া গেছে।


আরও খবর



নির্বাচনকে ঘিরে চায়ের দোকানে বইছে নির্বাচনী হওয়া

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জুয়েল রানা, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

Image

আসন্ন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে উপজেলার সর্বত্রই এখন নির্বাচনী হাওয়া বইছে। আগামী ২৯ মে অনুষ্ঠিত হবে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। এই নির্বাচনকে ঘিরে প্রতিদিনই কাক ডাকা ভোর হতে গভীর রাত পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে প্রচার প্রচারণা চালাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। আর নির্বাচনকে ঘিরে উপজেলার হাট-বাজার ও গ্রাম-গঞ্জের প্রতিটি চায়ের দোকান গুলোতে শুরু হয়েছে নির্বাচনী হাওয়া।

সরেজমিনে এ উপজেলার বিভিন্ন চায়ের দোকানে দেখা যায় ভোটাররা নির্বাচনী আলাপে মশগুল। একজন ভোটার এলাকার এক প্রার্থীর পক্ষে কথা বললেন, তার প্রশংসা করলেন তো আরেক ভোটার আরেক প্রার্থীর প্রশংসা করে তাকেই এগিয়ে রাখছেন। এ নিয়ে খানিকটা তর্কও হচ্ছে ভোটারদের মধ্যে। আর সারা উপজেলা ব্যাপী এখন একই চিত্র। শুধু ভোটের আলাপ। তীব্র গরমের সাথে গরম চায়ের চুমুকে চুমুকে চলছে ভোটের আড্ডা। সেই আড্ডা কোনো শেষ নেই। ভোর থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত শুধু ভোটের আলোচনার হাওয়াই বইছে।

নির্বাচনে ৯জন চেয়ারম্যান প্রার্থী, ৫ জন নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং ১০ জন পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখন পর্যন্ত কাউকে দুর্বল প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা যাচ্ছে না। স্ব-স্ব অবস্থান থেকে প্রার্থীগণ সকলে নির্বাচিত হওয়ার দাবি রাখছে। চেয়ারম্যান পথে একাধিক আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পাটির প্রার্থী থাকলেও নেতা-কর্মীগণ ব্যক্তি বিশেষ ভোট প্রদানের আশাবাদ ব্যক্ত করছেন।

এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা হচ্ছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম সরকার লেবু,  উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বর্তমান উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সফিউল ইসলাম আলম, (যদিও তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন), উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ আখতারুজ্জামান আকন্দ শাকিল, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য মোঃ খয়বর হোসেন সরকার মওলা, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, গোলাম কবির মুকুল। জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, জেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা মহসিন সরদার, জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ ওয়াহেদুজ্জামান সরকার বাদশা, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন লিখন মিয়া এবং মো. এরশাদ আলী।

উপজেলা নির্বাচন অফিসসূত্রে জানা গেছে, ভোটারদের সুবিধার্থে ২৮টি ভোট কেন্দ্র বাড়ানো হয়েছে। গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ১১১টি। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা দাড়িয়েছে ১৩৯টি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ১১৪টি। ভোট কক্ষের সংখ্যা রয়েছে ১ হাজার ২২টি। উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৫৭৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৯৭ হাজার ৪১৯ জন ও নারী ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ১ হাজার ১৫৯  জন এবং হিজড়া ভোটার ১ জন। তুলনামুলকভাবে নারী ভোটারের সংখ্যা বেশি।

উপজেলা নির্বাচন অফিসার মনোয়ার হোসেন জানান, ভোটারদের সুবিধার্থে উপজেলা কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এতে করে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবে। নির্বাচন উপলক্ষে সকল প্রস্তুতি প্রায় শেষের দিকে।


আরও খবর