আজঃ মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ভাষণ’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

প্রকাশিত:সোমবার ২০ নভেম্বর ২০23 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ নভেম্বর ২০23 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও সাবেক সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন সম্পাদিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ভাষণ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ (সোমবার) দুপুরে গণভবনে মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জানা গেছে, গ্রন্থটিতে জাতির পিতার মোট ৫৮টি ভাষণ রয়েছে। প্রতিটি ভাষণের পূর্ণাঙ্গ অডিও ভার্সনের কিউআর কোড সন্নিবেশিত রয়েছে। কিউআর কোডগুলো স্ক্যান করলে প্রতিটি ভাষণ পুরোপুরি শোনা যাবে। গ্রন্থটির ভূমিকা লিখেছেন শেখ হাসিনা। প্রকাশক মাওলা ব্রাদার্স। গণভবনে বইয়ের মোড়ক উন্মোচনে সম্পাদক মো. আকরাম-আল-হোসেন এবং মাওলা ব্রাদার্সের স্বত্বাধিকারী আহমেদ মাহমুদুল হক উপস্থিত ছিলেন।

গ্রন্থটির প্রকাশক জানান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ ইতিহাসের অমূল্য উপাদান। বাঙালি জাতির দুই সহস্রাব্দ প্রাচীন সংগ্রামী রাজনৈতিক ইতিহাসের ভেতর বঙ্গবন্ধু জ্যোতির্ময় প্রতিভায় উজ্জ্বল হয়ে আছেন তার অসামান্য সব ভাষণ গুণে। তার ভাষণসমূহ একদিকে সংগ্রামী জীবনের পরিচয়কে উদ্ভাসিত করে অন্যদিকে বাঙালির আত্মত্যাগের মহিমা এবং স্বাধীনতা প্রাপ্তির স্বার্থক অভিপ্সাকে তুলে ধরেছে। বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাঙালির অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তির দীপ্ত সনদ।

প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ঐতিহাসিক বজ্রকণ্ঠ ভাষণের ফলশ্রুতিতে দীর্ঘ ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় হয়েছে। ঐতিহাসিক সেই ভাষণ সূত্রে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে বঙ্গবন্ধু অর্জন করেছিলেন পোয়েট অব পলিটিক্স অভিধা। শুধু তাই নয়, সেই ভাষণটিকে ইউনেস্কো মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে (এমওডব্লিউ) অন্তর্ভুক্ত করে ডকুমেন্টারি হেরিটেজ (বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য) হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

সার্বিক বিচারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ভাষণে বাংলাদেশের মানুষের আত্ম-পরিচয়ের ইতিহাস দ্যুতিময় আলোক রেখায় গ্রন্থিত হয়েছে।

এই গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত তার ভাষণসমূহ শুধু বাংলাদেশের মানুষের নয় সারা পৃথিবীর মানুষের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তির দিশারী হিসেবে পথ দেখাবে বলে বিশ্বাস করা যায়।


আরও খবর
শেষ ছুটির দিনে জমজমাট বইমেলা

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




২০২৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রেকর্ড পরিমাণ অস্ত্র বিক্রি

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

২০২৩ সালে রেকর্ড পরিমাণ অস্ত্র বিক্রি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিদেশে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রি ব্যাপকভাবে বেড়েছে।

গত বছর সর্বমোট ২৩ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে বিশেষ করে পূর্ব ইউরোপের আশপাশের দেশগুলো নিজেদের সুরক্ষা জোরদার করতে নতুন অস্ত্র কিনছে। সাথে পশ্চিমা মিত্রদের অনেকেই ইউক্রেনকে অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করছে। আর সে অস্ত্র জোগাড় করতে তারা যুক্তরাষ্ট্রের দ্বারস্থ হচ্ছে। এ কারণেই মার্কিন অস্ত্র ব্যবসায় জোয়ার এসেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার (২৯ জানুয়ারি) জানায়, আট হাজার ১০০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকার প্রত্যক্ষভাবে ভূমিকা রেখেছে। এই অস্ত্র বিক্রির মাত্রা ২০২২ সালের তুলনায় ৫৬ শতাংশ বেশি। বাকি অস্ত্র যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর কাছে সরাসরি বিক্রি করেছে।

গত বছর যেসব দেশের কাছে যুক্তরাষ্ট্র অস্ত্র বিক্রি করেছে, সেগুলোর মধ্যে পোল্যান্ড অন্যতম। রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত ইউক্রেনের সঙ্গে পোল্যান্ডের সীমান্ত রয়েছে। এই পরিস্থিতি দেশটিকে নিজেদের সামরিক শক্তি বাড়াতে তৎপর হতে বাধ্য করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে পোল্যান্ড বেশ বড় অংকের অস্ত্র কিনেছে। অ্যাপাচি হেলিকপ্টারের জন্য এক হাজার ২০০ কোটি ডলার, অত্যাধুনিক হাইমার্স রকেট ব্যবস্থার জন্য এক হাজার কোটি ডলার, এম১এ১ অ্যাব্রামস ট্যাংকের জন্য ৩৭০ কোটি ডলার, আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনতে ৪০০ কোটি ডলার ব্যয় করেছে পোল্যান্ড।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক তার দেশের সামরিক বাহিনীর আধুনিকায়ন কার্যক্রম চালাচ্ছেন। নিজেদের বাহিনীকে ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী স্থলসেনা হিসেবে তুলে ধরতে চায় পাশ্চাত্যের দিকে ঝুঁকে পড়া সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মিত্র পোল্যান্ড।

যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে চিনুক হেলিকপ্টার কিনতে জার্মানিও ৮৫০ কোটি ডলার খরচ করেছে।

স্ট্রাইকার সামরিক যান কিনতে বুলগেরিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে ১৫০  কোটি ডলার দিয়েছে। নরওয়ে বহুমুখী কাজে ব্যবহৃত মার্কিন হেলিকপ্টার নিতে ১০০ কোটি ডলার ব্যয় করেছে। চেক প্রজাতন্ত্র ৫৬০ কোটি ডলারের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ও গোলাবারুদ কিনেছে। ইউরোপের বাইরে দক্ষিণ কোরিয়া এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের জন্য ৫০০ কোটি ডলার ও অস্ট্রেলিয়া সি১৩০জে-৩০ সুপার হারকিউলিস বিমানের জন্য ৬৩০ কোটি ডলার ব্যয় করেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অস্ত্র ব্যবসাবিষয়ক দফতরের তথ্যানুযায়ী, কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের পরই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অস্ত্র বিক্রেতা দেশ রাশিয়া। তবে অনেক ক্রেতা দেশ রাশিয়া থেকে মুখ ঘুরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অস্ত্র কিনতে চাইছে। রাশিয়ার ওপর ইউক্রেন যুদ্ধজনিত পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এর একটি কারণ। এ জন্য মার্কিন অস্ত্র বিক্রি বেড়েছে।

যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন বলছে, ইউক্রেনকে সমর্থন দেওয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রি বেড়েছে। এটি মার্কিন অর্থনীতিতে অবদান রাখছে।

তবে বাইডেন প্রশাসনের এমন যুক্তির পরও অনেক মার্কিন আইনপ্রণেতা ইউক্রেনকে প্রত্যক্ষ সমর্থন বন্ধ করতে চান। এর চেয়ে নিজ দেশের অভিবাসন নীতির সংস্কার ও সীমান্ত সুরক্ষার বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন।


আরও খবর
বিশ্ববাজারে আবারো কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




পুলিশ ও ইমরান খানের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, নিহত ৩

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের শাংলা জেলায় সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। সেখানে পুলিশ ও পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে বলে বিবিসির লাইভ প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এতে এখন পর্যন্ত তিনজনের নিহত হয়েছে। স্থানীয় এক সাংবাদিকের পাঠানো কিছু ভিডিওতে অনেক লোকের সমাগম দেখা যাচ্ছে। তাদের চিৎকার করতে শোনা যাচ্ছে। সেইসাথে সেখানে গুলির শব্দও শোনা যাচ্ছে।

পাকিস্তানের ১৬তম সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ গতকাল বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় ৫টায় সম্পন্ন হয়। এরপরেই শুরু হয় ভোট গণনা। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ফলাফল জানানোর কথা ছিল। কিন্তু ১২ ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার পর আজ সকাল থেকে ফলাফল আসতে শুরু করে। তবে এতেও অনেক ধীরগতি।

পাকিস্তানের জিও নিউজের প্রতিবেদনে যে ফলাফল দেখানো হয়েছে তাতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখা যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত ২৬৫ আসনের মধ্যে স্বতন্ত্র পার্থীরা ৭৯টি আসন পেয়েছেন। এসব প্রার্থীরা বেশিরভাগই পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) সমর্থিত প্রার্থী।


আরও খবর
বিশ্ববাজারে আবারো কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




গাজায় নিহত বেড়ে ২৮ হাজার ৬৬৩

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় নিহতের সংখ্যা ২৮ হাজার ৬৬৩ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৮ হাজার ৩৯৫ জন। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ডেইলি সাবাহ।

ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজায় ইসরায়েলি হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। একই সময়ে আহত হয়েছেন ১০৪ জন। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকে আছেন এবং উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।

ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় গাজার ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। উপত্যকাটিতে হাজার হাজার মানুষ কোনো ধরনের আশ্রয় ছাড়াই বসবাস করছে এবং প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম ত্রাণবাহী ট্রাক সেখানে প্রবেশ করছে। গত মাসে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত গাজায় হামলা বন্ধ করতে ইসরায়েলকে নির্দেশ দিলেও তারা সেটি মানছেন না। 

আরও পড়ুন>> বিশ্বের শীর্ষ ১০ ধনী দেশের তালিকা জানাল আইএমএফ

জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের হামলায় গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আর খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজার সকলেই এখন খাদ্য নিরাপত্তাহীন অবস্থার মধ্যে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন রকেট হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। মাঝে এক সপ্তাহ মানবিক বিরতির পর গত ডিসেম্বরের শুরু থেকে ফের হামলা শুরু করে ইসরায়েল।


আরও খবর
বিশ্ববাজারে আবারো কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




অনলাইন গণমাধ্যমের জন্য বিজ্ঞাপন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে : আরাফাত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

অনলাইনভিত্তিক গণমাধ্যমের জন্য বিজ্ঞাপন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সার্কিট হাউজ রোডের তথ্য ভবনে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনলাইন পত্রিকা ও নিউজ পোর্টালের জন্য সরকারি বিজ্ঞাপন হার নির্ধারণে নীতিমালা থাকা দরকার। এ সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এসময় চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স. ম. গোলাম কিবরিয়া, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. নিজামূল কবীর, বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান খালেদা বেগমসহ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমান সরকারের সময়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার উন্নয়ন হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় বর্তমান সরকারের সদিচ্ছা রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিগত দিনে যখন সামরিক শাসন ছিল ও সামরিক শাসন থেকে উদ্ভূত দল যখন এ দেশ শাসন করেছে এবং তাদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় যখন মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তি ছিল সে সময়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার যে বাস্তবতা ছিল, সে জায়গা থেকে এখন আমরা কতটুকু এগিয়েছি, কতটুকু উন্নয়ন হয়েছে, সংখ্যাগত এবং গুণগত দিক থেকে এ তুলনামূলক বিষয়গুলো নিয়ে প্রকাশনা বের করতে হবে।

মতবিনিময়কালে মোহাম্মদ আলী আরাফাত আরও বলেন, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম দেশের মানুষ এবং বিশ্ববাসীর কাছে আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। এখন প্রযুক্তি অনেক অগ্রসর হয়ে গেছে। মানুষের চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন এসেছে। এ বিষয়গুলো মাথায় রেখে অধিদপ্তরের কাজে নতুন নতুন বিষয় সংযোজন করতে হবে।

ছাপাখানা প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন ১৯৭৩ প্রয়োজনবোধে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

এর আগে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের প্রদর্শনী ও বিক্রয় কেন্দ্র, জাদুঘর ও গ্রন্থাগার পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী।


আরও খবর



বাংলাদেশে উৎপাদিত ওষুধ রপ্তানি হয় বিশ্বের ১৫৭ দেশে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন জানিয়েছেন, বিশ্বের ১৫৭টি দেশে বাংলাদেশের উৎপাদিত ওষুধ রপ্তানি করা হয়। মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা-১৯ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলামের করা প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ওষুধশিল্পে উত্তরোত্তর উন্নতি করেছে। দেশের মোট চাহিদার ৯৮ শতাংশ ওষুধ এখন দেশেই উৎপাদিত হয়। বাংলাদেশে উৎপাদিত প্রায় সব ওষুধই রপ্তানি হচ্ছে। দেশে উৎপাদিত ওষুধ বিদেশে রপ্তানিতে উৎসাহিত করতে সরকারিভাবে প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে চলতি বছর ১০ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে।

লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সরকারদলীয় সাংসদ আনোয়ার হোসেন খানের করা এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬ মাসে প্রায় ৫ হাজার ৯০০ কোটি ৫৪ লাখ ৫৬ হাজার ৯০৩ টাকার ওষুধ রপ্তানি করা হয়েছে।

স্বতন্ত্র সাংসদ মো. আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে সামন্ত লাল সেন বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রায় ৩২ প্রকারের ওষুধ ও সরকারি হাসপাতালে ১০৫ প্রকারের ওষুধ বিনা মূল্য সরবরাহ করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম-১১ আসনের সাংসদ এম আবদুল লতিফের করা প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৭২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

তিনি বলেন, ঢাকা শহরে এডিস মশার প্রাক্‌-মৌসুম, মৌসুম ও মৌসুমপরবর্তী জরিপ চলমান রয়েছে। জরিপের ফল সংশ্লিষ্ট সব সিটি করপোরেশনকে অবহিত করা হচ্ছে। এ ছাড়া ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই মাস পরপর এডিস মশার জরিপ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে।


আরও খবর