আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

বিশ্ববাজারে রেকর্ড দামে সোনা

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বিশ্ববাজারে হঠাৎ করে সোনার দামে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ ধাতুটির দাম। এতে সৃষ্টি হয়েছে নতুন রেকর্ড। অতীতের রেকর্ড ভেঙে বিশ্ববাজারে সোনার দাম নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। সামনে সোনার দাম আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

বিশ্ববাজারে সোনার দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ার মধ্যে দেশের বাজারেও এ ধাতুটির দামে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) থেকে হুটহাট সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা আসছে। এতে একের পর এক রেকর্ড ভেঙে দেশের বাজারে বর্তমানে সর্বোচ্চ দামে বক্রি হচ্ছে সোনা।

অবশ্য এ রেকর্ডও যে কোনো সময় ভেঙে যেতে পারে। কারণ বিশ্ববাজারে সোনার দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। তারা ধারণা করছেন, নতুন সপ্তাহে প্রতি আউন্স সোনার দাম প্রথমবারের মতো দুই হাজার একশ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। সেটি হলে দেশের বাজারেও সোনার দাম নতুন করে বাড়ানোর ঘোষণা আসবে।

হঠাৎ সোনার দামে অস্থিরতা দেখা দেওয়ার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। এর সঙ্গে সামনে বিভিন্ন দেশে নির্বাচন আসছে। সবকিছু মিলে এক ধরনের অনিশ্চিত অবস্থার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এসব কারণে বৈশ্বিক এক ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে হঠাৎ সোনার চাহিদা বেড়ে গেছে। আর চাহিদা বাড়ার কারণে দামও বেড়েছে।

বিশ্ববাজারে সোনার লেনদেনের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহের শুরুতে প্রতি আউন্স সোনার দাম ছিল ২ হাজার ১ দশমিক ২৩ ডলার। সপ্তাহ শেষে তা বেড়ে ২ হাজার ৭১ দশমিক ৯৭ ডলারে চলে এসেছে। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে সোনার দাম বেড়েছে ৭০ দশমিক ৭৪ ডলার বা ৩ দশমিক ৩০ শতাংশ। এর মধ্যে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসেই দাম বেড়েছে ৩৬ দশমিক ২১ ডলার বা ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

বিশ্ববাজারে সোনার এমন দাম বাড়ার মধ্যে দেশের বাজারেও দফায় দফায় সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। এমনকি ১০ দিনের মধ্যে তিন দফা সোনার দাম বাড়ানোর ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ গত ৩০ নভেম্বর দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়। এতে সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম রেকর্ড ১ লাখ ৯ হাজার ৮৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশের বাজারে এখনো পর্যন্ত এটি সোনার সর্বোচ্চ দাম।

বাজুস থেকে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয় গত ২৯ নভেম্বর। এরপর বিশ্ববাজারে আরও দুই কার্যদিবস লেনদেন হয়েছে। এ দুই কার্যদিবসে প্রতি আউন্স সোনার দাম প্রায় ৪০ ডলার বেড়ে গেছে। এতে বিশ্বাবাজারে সোনার দামে নতুন রেকর্ডও সৃষ্টি হয়েছে। গত সপ্তাহের শেষে কার্যদিবসের লেনদেনে প্রতি আউন্স সোনার দাম ২ হাজার ৭২ ডলার পর্যন্ত উঠে। এর আগে ২০২০ সালের আগস্টে প্রতি আউন্স সোনার দাম ২ হাজার ৫১ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল।

যোগাযোগ করা হলে বাজুসের সাবেক সভাপতি ওয়াদুদ ভূইয়া বলেন, বিশ্ববাজারে সোনার এত দাম আমি আগে কখনো দেখিনি। সামনে সোনার দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ধারণ করা হচ্ছে এবার প্রতি আউন্স সোনার দাম ২ হাজার একশ ডলার হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, যখন অনিশ্চয়তা দেখা দেয় তখন সোনাসহ বিভিন্ন ধাতুর চাহিদা বেড়ে যায়। এখন ইসরায়েল-ফিলিস্তিন এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে এক ধরনের বৈশ্বিক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। তাছাড়া সামনে বিভিন্ন দেশে নির্বচন আসছে। ফলে এক ধরনের অনিশ্চিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে হার্ড কারেন্সির (ডলার, ইউরোসহ বিভিন্ন মুদ্রা) পরিবর্তে সোনাসহ বিভিন্ন ধাতুর চাহিদা বেড়ে গেছে। ফলে দাম বেড়েছে।

বাজুসের সাবেক আরেক সভাপতি এনামুল হক বলেন, দাম বাড়ার কারণ-সোনার যে পরিমাণ চাহিদা, সেই পরিমাণ সরবরাহ নেই। এ চাহিদা বাড়ার কারণ মানুষ সোনাকে নিরাপদ মনে করে।

নিউজ ট্যাগ: সোনার দাম

আরও খবর
২৪ দিনে প্রবাসী আয় ১৮ হাজার কোটি টাকা

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সরকারি হাসপাতালে ওষুধ পান না ৬৯ শতাংশ রোগী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
স্বাস্থ্য ডেস্ক

Image

সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ৬৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ রোগীকে বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হয়। জন্মের পরপরই মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত হয় দেশের ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু। ৫০টির বেশি নীতিমালা, আইন থাকার পরেও এখনো নিশ্চিত হয়নি দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য। এমন সব তথ্য উঠে এসেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন গবেষণায়।

আজ সোমবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্ল্যানিং মনিটরিং অ্যান্ড রিসার্চ (পিএমআর) আয়োজিত গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনটি সেশনে প্রকাশ করা হয় বিষয়ভিত্তিক ১৪টি গবেষণা প্রতিবেদন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রশ্নপত্রের ভিত্তিতে এই গবেষণাগুলো করা হয়।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতির বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম। স্বাগত বক্তব্য দেন পিএমআরের লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. মাজহারুল ইসলাম।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির এবং জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের (নিপসম) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

দেশের হাসপাতালগুলোয় সংক্রমণ রোধ ও নিয়ন্ত্রণের (আইপিসি) অবস্থাবিষয়ক এক গবেষণায় বলা হয়, বেশির ভাগ হাসপাতালে আইপিসি কমিটি আছে। কিন্তু অধিকাংশ কমিটি কার্যকর নয়। অধিকাংশ হাসপাতালেই নেই আইপিসির জন্য নির্দিষ্ট জনবল। সরকারি ৬০ শতাংশ হাসপাতালে আইপিসি ব্যবস্থাপনা নেই। আর বেসরকারি হাসপাতালের ৫০ শতাংশে এই ব্যবস্থাপনা নেই। ফলে হাসপাতাল থেকে যেসব রোগের সংক্রমণ হয়, সেটি বাড়বে। এই সংক্রমণ মারাত্মক ও অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়।

এই গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যান্টিবায়োটিক কীভাবে ব্যবহার করা হবে, এর একটি গাইডলাইন থাকলেও হাসপাতালগুলোয় তা মানা হয় না। এক-চতুর্থাংশ হাসপাতালে হ্যান্ড হাইজেনিং স্টেশন অর্থাৎ যেখানে হাত ধোয়ার জন্য কার্যকরী ব্যবস্থা নেই। প্রতি বেডে একজন রোগী থাকার কথা থাকলেও হাসপাতালগুলোয় বেডের চেয়ে বহুগুণ বেশি রোগী থাকছে। উন্নত দেশে আইপিসি হার ৩ থেকে ৫ শতাংশ হলেও এশিয়ার দেশগুলোয় এই হার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ।

নিরাপদ খাদ্য ও জনস্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষণায় দেখা গেছে, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে দেশে আইন, নীতিমালা ও বিধিমালা রয়েছে ১৫২টির মতো। আইনের অভাব না থাকলেও সেগুলোর বাস্তবায়ন খুব একটা নেই। যে কারণে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

তথ্যের ঘাটতি-সম্পর্কিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে স্বাস্থ্য খাতের যে ৪০টি সূচক রয়েছে, এসব ক্ষেত্রে সরকার কাজ করলেও পরিপূর্ণ তথ্য নেই। এ ৪০টি সূচকের মধ্যে চারটির কোনো সঠিক তথ্যই নেই। অন্যদিকে, ১০ সূচকের আংশিক তথ্য রয়েছে। আর বাকি ২৬টি সূচকের যাচাই করার মতো তথ্য আছে, তবে তা পরিপূর্ণ নয়। যে চারটি সূচকের কোনো তথ্য নেই, তা হলো জন্মহার, অনিরাপদ পানি ও অনিরাপদ স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধির অভাবে মৃত্যুহার, স্বাস্থ্য সুযোগ-সুবিধার অনুপাত (যেখানে সাশ্রয়ী মূল্যের প্রাসঙ্গিক প্রয়োজনীয় ওষুধের সুবিধা রয়েছে) এবং নির্বাচিত অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার কারণে রক্তপ্রবাহের সংক্রমণের তথ্য।

জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহ গোলাম নবীর নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, জন্মের পরপরই মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত হয় দেশের ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু। জন্মের প্রথম ছয় মাস (এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং) মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত হয় ৬ শতাংশ শিশু। জন্মের প্রথম দুই বছর মায়ের দুধ পায় না ৭ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু। এ ছাড়া ছয় মাস বয়সের পরেও মায়ের দুধের পাশাপাশি ৮ দশমিক ২ শতাংশ শিশু বাড়তি খাবার পায় না।

স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, মিটফোর্ড হাসপাতালের পরিচালক ব্রি. জে. কাজী মো. রাশিদ উন নবীসহ ১৩ জন চিকিৎসক একটি গবেষণা পরিচালনা করেন। সেখানে দেশের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাব্যবস্থা সম্পর্কে নেওয়া রোগীদের সুস্পষ্ট মতামত উঠে এসেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ৬৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ রোগীকে ওষুধ কিনে খেতে হয়। যদিও তাদের হাসপাতাল থেকে বিনা মূল্যে ওষুধ পাওয়ার কথা ছিল। এ ছাড়া ১৮ শতাংশ রোগীকে সরকারি হাসপাতালের সেবা পাওয়ার জন্য টাকা দিতে হয়। হাসপাতালে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে অসন্তুষ্ট ৭৮ দশমিক ৪৩ শতাংশ রোগী।


আরও খবর
করোনার কিছু টিকায় সমস্যা বেড়েছে: গবেষণা

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জেল থেকে জ্যাকলিনকে হুমকি দিচ্ছেন তার প্রেমিক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

নিজের নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ। প্রেমিক সুকেশ চন্দ্রশেখরই নাকি এর জন্য দায়ী।

গেলো দুবছর ধরে আর্থিক তছরুপের কেসে জেলবন্দি জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের প্রেমিক সুকেশ চন্দ্রশেখর। এ মুহূর্তে দিল্লির ম্যান্ডোলি জেলে বন্দি রয়েছেন তিনি। জেলে বসেই নাকি প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছেন জ্যাকলিনকে। আর তাতেই ভয় রয়েছেন জ্যাকলিন।

এবার সুকেশের বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিশ কমিশনর সঞ্জয় অরোরার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিলেন তিনি। তার অভিযোগের ভিত্তিকে দিল্লি পুলিশের একটি বিশেষ দল প্রাথমিক তদন্ত শুরুও করেছেন।

শোনা যায়, এক সময় নাকি কনম্যান সুকেশের প্রেমে পড়েছিলেন কিক খ্যাত অভিনেত্রী। সম্পর্কে থাকাকালীন সুকেশের কাছ থেকে একাধিক দামি উপহারও পেয়েছেন তিনি। সুকেশের সঙ্গে নাম জড়ানোর জেরে একাধিক বার বিতর্কের মুখে পড়েছেন জ্যাকলিন। প্রতারণাকাণ্ডের তদন্ত চলাকালীন একাধিক বার আদালতে হাজিরা দিতে হয়েছে অভিনেত্রীকে।

শুধু তাই-ই নয়, অভিনেত্রীর বিদেশযাত্রাতেও জারি করা হয়েছিল নিষেধাজ্ঞা। সেই নিষেধাজ্ঞা তোলা হয় গেলো বছর। সম্পর্কের কথা জ্যাকলিন যতই অস্বীকার করুন না কেন সুকেশে ছাড়ার পাত্র নয়। তিনি জেলে বসেই ক্রমাগত প্রেমপত্র লিখে গিয়েছেন অভিনেত্রীকে। তাতেই বিব্রত হয়েছেন জ্যাকলিন। সুকেশের প্রেমপত্র কখনও রয়েছে ভালবাসার কথা, কখনও ছিল প্রচ্ছন্ন হুমকি। অবশেষে দিল্লি পুলিশের দ্বারস্থ হয়ে অভিনেত্রী জানান, দ্রুত সুকেশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে, এবং তার নিরাপত্তার দিকটা সুনিশ্চিত করতে।


আরও খবর
বাবা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

জন্মদিনে স্বর্ণের কেক কাটলেন উর্বশী

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সিলেটে একসাথে চার সন্তানের জন্ম

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সিলেট প্রতিনিধি

Image

সিলেটে একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এক মা। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে সিলেট উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অপারেশনের মাধ্যমে এই চার শিশুর জন্ম হয়।

তারা চারজনই মেয়ে শিশু। বাবার নাম রুহুল আমিন ও মা ফৌজিয়া বেগম। তাদের বাড়ি সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার রাজাগঞ্জে।

সিলেট উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মিনহাজ ফয়সাল বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে ফৌজিয়া বেগমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিন রাত আটটায় হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক লুবনা ইয়াসমিনের তত্ত্বাবধানে তার অপারেশন করা হলে চার সন্তানের জন্ম হয়। পরে শিশু চারটিকে নবজাতক নিবিড় যত্ন ইউনিটে (এনআইসিইউ) রাখা হয়। বর্তমানে তারা অনেকটা শংকামুক্ত রয়েছে। এ ছাড়া প্রসূতি মা ফৌজিয়া বেগমও সুস্থ আছেন।


আরও খবর



কারো সঙ্গে আমরা যুদ্ধে জড়াতে চাই না : কাদের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। রোহিঙ্গা ইস্যুতে যে সমস্যা সেটা আন্তর্জাতিকভাবে সমাধানের চেষ্টা চলছে। তাদের সঙ্গে যুদ্ধের কোনো কারণ নেই। মিয়ানমার নয় শুধু, কারো সঙ্গে আমরা যুদ্ধে জড়াতে চাই না।

মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। এর আগে তিনি সংরক্ষিত আসনের মনোনয়ন ফরম বিক্রির বুথ পরিদর্শন করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা একে অন্যের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত না। তাদের ইন্টারনাল কনফ্লিক্ট এসে সীমান্তে গড়াচ্ছে। ছিটকে এসে পড়ছে আমাদের সীমান্তে। একজন নারী ও পুরুষ মারা গেছে। এসব ব্যাপারে আমাদের ফরেন মিনিস্ট্রি মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকেছে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, মিয়ানমারের সংঘাতের সঙ্গে সেন্টমার্টিন বা বঙ্গোপসাগরের ভূরাজনৈতিক কোনো সম্পর্ক আছে, সেটা আমি মনে করছি না। এই সংঘাত তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তাদের ৫৪টির মতো এথনিক কমিউনিটি আছে। এই এথনিক কমিউনিটিগুলো ইতোমধ্যে বিভিন্ন জায়গা দখলে নিয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাদের অভ্যন্তরীণ সংঘাত। আমাদের সঙ্গে তাদের কোনো বিরোধ নেই।

এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জানান, আগামী শনিবার আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি আরো বলেন, জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের আমাদের দলের প্রার্থী বাছাই একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে হয়। এখন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ চলছে। সময় তিনদিন। কেউ চাইলে ফরমটি পূরণ করে সঙ্গে সঙ্গে জমা দিতে পারবেন। আমরা আশা করছি নির্বাচন কমিশন এর ভেতরেই দিন ঘোষণা করবে। তারপর আমরা আমাদের মনোনয়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করব।

উপজেলা নির্বাচনে নৌকার প্রতীক থাকবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সামনে উপজেলা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন রয়েছে। পৌরসভা নির্বাচনও আছে। এসব নির্বাচনে প্রতীক থাকছে কি থাকছে না এই ব্যাপারে আমাদের ওয়ার্কিং কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে। আমাদের বর্ধিত সভায় যারা থাকবে তাদের মতামতও গ্রহণ করা হবে। এটা মৌলিক একটি সিদ্ধান্ত। তাই এই ব্যাপারে সবার মতামত নিয়ে আমাদের নেত্রী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চান।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান।


আরও খবর



রাফাহ শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি হামলা, নিহত ৩৭

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফাহ শহরে ইসরায়েলি হামলায় ৩৭ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েক ডজন মানুষ। সোমবার (১২) জানুয়ারি স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এই তথ্য জানিয়েছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে।

হামলার ঘটনাটি এমন সময় ঘটলো যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষকে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় একটি বিশ্বাসযোগ্য পরিকল্পনা ছাড়া রাফাহ আক্রমণ করতে নিষেধ করেছিলেন।

একটি চ্যাট অ্যাপ ব্যবহার করে রাফাহ শহরের বাসিন্দাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে রয়টার্স। তারা বার্তা সংস্থাটিকে জানিয়েছেন, হামলা যখন শুরু হয় তখন অনেক মানুষ ঘুমিয়ে ছিলেন। ফলে শহরটিতে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে কিছু মানুষের আশঙ্কা ছিল ইসরায়েল রাফাতে স্থল হামলা শুরু করেছে।

ইসরায়েলি বিমান, ট্যাংক এবং জাহাজ ব্যবহার করে এই হামলাটি চালানো হয়েছে। বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দুটি মসজিদ এবং বেশ কয়েকটি বাড়িতে বোমা হামলা হয়েছে।

সোমবার দক্ষিণ গাজায় একটি সিরিজ হামলা পরিচালনা করার কথা জানিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। যেটি এখন সমাপ্ত হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে আরও বিস্তারিত কিছু জানায়নি তারা।

গাজা শহরগুলোতে পূর্ববর্তী হামলার আগে, বেসামরিক নাগরিকদের উচ্ছেদে কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা না করেই তাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী।

নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানিয়েছে, সেনাবাহিনীকে তারা রাফাহ খালি করার এবং সেখানে মোতায়েন করা চারটি হামাস ব্যাটালিয়ন ধ্বংস করার পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দিয়েছে।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের মতে, ফিলিস্তিনের সশস্ত্রে গোষ্ঠী হামাসের যোদ্ধারা ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে এক হাজার ২০০ ইসরায়েলিকে হত্যা করেছে। এসময় কমপক্ষে ২৫০ জনকে জিম্মি করে নিয়ে যায় সশস্ত্র যোদ্ধারা।

হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ২৮ হাজারেরও বেশি  ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।


আরও খবর