আজঃ শনিবার ১৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
Image

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষ্যে গতকাল (১৭ মে) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা প্লাজায় প্রকৃতি ও পরিবেশ প্রতিপাদ্যের ওপর শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিবেশ অধিদপ্তর এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ক গ্রুপে অনুর্ধ্ব ৮ বছর; খ গ্রুপে ৮ থেকে অনুর্ধ্ব ১২ বছর; গ গ্রুপে ১২ থেকে অনুর্ধ্ব ১৬ বছর এবং বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন গ্রুপে অনূর্ধ্ব ১৮ বছরের শিশু কিশোররা অংশগ্রহণ করে।

৪ টি গ্রুপের প্রতি গ্রুপে ৩ (তিন) জন করে বিজয়ীকে পুরস্কার প্রদান করা হবে। বিজয়ী প্রতিযোগিদের নাম ২১ মে শিল্পকলা একাডেমির নোটিশ বোর্ড, পরিবেশ অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট www.doe.gov.bd- এ প্রকাশ এবং টেলিফোনে জানানো হবে।

অনুষ্ঠানে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবদুল হামিদ বলেন, পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে তরুণেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

তিনি বলেন, শিল্পকর্মগুলো প্রকৃতির গুরুত্ব এবং আমাদের পরিবেশ রক্ষার জরুরি প্রয়োজন তুলে ধরেছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবদুল হামিদ। চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় শিশু-কিশোর কর্তৃক আঁকা ছবি মূল্যায়ন করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান, শিল্পী সৈয়দ আবুল বারক আলভী, শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক সৈয়দা মাহবুবা করিম, উপপরিচালক খন্দকার রেজাউল হাশেম প্রমুখ।


আরও খবর



সাংবাদিকের কার্ড ঝুলিয়ে ভোটকেন্দ্রে ছাত্রলীগ নেতা

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রবিউল বাশার খান, কুমিল্লা

Image

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সাংবাদিকের কার্ড বুকে ঝুলিয়ে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের কক্ষে ঘুরে বেড়াচ্ছেন উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আবদুল জলিল। বুধবার (৫ জুন) নাঙ্গলকোটের মৌকরা ইউনিয়নের চাঁনগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ওই ছাত্রলীগ নেতাকে দেখা গেছে।

আবদুল জলিল নাঙ্গলকোট উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। বুকে লাগানো সেই কার্ডে লেখা রয়েছে, নাম - মো. আবদুল জলিল। পত্রিকার নাম- দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র।

সাংবাদিক কার্ড লাগিয়ে কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ করেছেন দোয়াত-কলম প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজমুল হাসান ভূঁইয়া বাছির। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ছাত্রলীগ নেতা আবদুল জলিল সাংবাদিক কার্ড লাগিয়ে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ঘুরছেন। তিনি আনারস প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে প্রভাব বিস্তার করছেন। প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।

একই অভিযোগ করেন পালকী প্রতীকের ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী বাপ্পা সোহাগ। তিনি বলেন, এ ছাত্রলীগ নেতা কেন্দ্রে অবস্থান করে আমার ভোটে বাধা দিচ্ছেন। তিনি কখনো সাংবাদিক ছিলেন না। নির্বাচন উপলক্ষে সাংবাদিক কার্ড নিয়ে আধিপত্য বিস্তার করছেন।

অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রলীগের নাঙ্গলকোট উপজেলার সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিলকে ফোন দিলে তিনি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পরিচয় দেন। তিনি সাংবাদিক কি না এমন প্রশ্নের পর নেটওয়ার্ক সমস্যা বলে ফোন কেটে দেন।

কুমিল্লা জেলা অতিরিক্ত নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, সে ছাত্রলীগ নেতা কি না সেটা জানি না। সে কোনো একটি পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দেখিয়ে আবেদন করায় আমরা কার্ড ইস্যু করেছি।

সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুনীর হোসাইন খান গণমাধ্যমকে বলেন, এমন খবর পাইনি। দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজেস্ট্রেটকে বলেছি তাকে পেলে যেন ধরে ফেলে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছি।


আরও খবর



অবহেলায় পরিত্যক্ত ভবনে পরিণত হয়েছে মহেশপুর নীলকুঠি

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
উপজেলা প্রতিনিধি

Image

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য। কিন্তু এগুলোর বেশির ভাগই অবহেলিত। ফলে কালের বিবর্তনে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য গুলো। এমনই এক প্রচীন স্থাপত্য নীলকরদের স্মৃতি বিজড়িত 'নীলকুঠি'। ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার খালিশপুর গ্রামের কপোতাক্ষ নদের ধারে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। স্থানীয় মানুষের কাছে কাচারী বাড়ি হিসাবে পরিচিত এই নীলকুঠি। খালিশপুর বাজারের পশ্চিমপাশে ৯ একরের ও বেশি যায়গা নিয়ে নীলকুঠি বাড়ি অবস্থিত।

দালানটি আঠারো শতকে নির্মিত হয়েছিল অনেকের এমনটিই ধারনা করে। এ কুঠি বাড়ি নির্মাণের মূল উদ্যেশ্য ছিল পূর্ব বাংলার কৃষকদের নীল উৎপাদনে উৎসাহী করা ও নীলচাষ দেখাশোনা করা। ইংরেজ মি. ডেভরেল এ কুটিবাড়ি থেকে এই অঞ্চলের নীলচাষ পরিচালনা করতো।

শিল্প বিপ্লবের পথিকৃৎ ছিল ইংল্যান্ড। ঐ সময় ইংল্যান্ডে সাদা কাপড়ের চাহিদা ছিল অত্যাধিক। কাপুড়ের সাদা রং বজায় রাখার জন্য নীলছিল একটি অত্যাবশকীয় উপাদান। ভারতবর্ষ বৃটিশদের উপনিবেশ হওয়ায় বল পূর্বক ইংরেজরা ভারতবর্ষকে নীলচাষের কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলে। নীলচাষের ফলে জমির উর্বরতা হারাতো তাই চাষিদের নীলচাষে অনীহা ছিল, অধিকাংশ চাষিরা ইংরেজদের কাছ থেকে ন্যায্য মূল্যও পেতনা। যারা নীলচাষ করতোনা তাদের নানা ভাবে নির্যাতন করা হত। এই কুঠিরেই কিছু কক্ষ নির্যাতনের জন্য ব্যবহার করা হত।

পরবর্তীতে ইংরেজরা উপমহাদেশে থেকে বিতাড়িত হলে কুঠির ভবনটি সিও অফিস হিসাবে ১৯৫৬-৫৭ ও ১৯৮৩-৮৪ সালে ব্যবহৃত হয়েছিল। ১৯৮৪ সালের পর থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত এটি ইউনিয়ন ভূমি অফিস ছিল।বর্তমানে কুঠিরটি জরাজীর্ণ, সংস্কারের অভাবে কুঠি বাড়িটি ধ্বংসের দাঁড়প্রান্তে অবস্থান করছে।

৬৫ বছর বয়স্ক স্থানীয় বাসিন্দা হোসেন আলী জানান বেশ কয়েক বছর আগে সংস্কারের উদ্যোগ নিলেও তা আর আলোর মুখ দেখিনি। কুঠি বাড়ির চার পাশে রয়েছে শত বছরের বড় বড় আম গাছ। পাশে আরো অনেক বাড়ি ঘর ছিল যা বৃটিশদেও গাড়ি রাখাসহ নানা কাজে ব্যবহৃত হত। এছাড়াও ছিল বৈকালীন অবকাশ যাপনের জন্য যায়গা যা ধ্বংস হয়ে গেছে। এখনই যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে নীলকুটি বাড়িটিও অচিরেই ধ্বংস হয়ে যাবে।

কুটি বাড়ির পশ্চিম পাশে সরকারি হামিদুর রহমান কলেজ ও স্মৃতি জাদুঘর অবস্থিত এবং পূর্ব পাশে ইউনিয়ন ভূমি অফিস। এই কুটি বাড়ির যায়গা খাস জমির তালিকাভুক্ত।

স্থানীয়রা জানান ২০১৮-১৯ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশাফুর রহমান এখানে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ইকোপার্ক তৈরি উদ্যোগ নিয়ে ছিলো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এাঁও আলোর মুখ দেখিনি।

স্থানীয়দের দাবী কুঠি বাড়িটি এলাকার মানুষের উপর অত্যাচার ও নির্যাতনের সাক্ষ্য দিচ্ছে,ফলে এটি এখন ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করছে। তাই এটি সংরক্ষণ করার দাবি তাদের।

ঝিনাইদহ ৩ আসনের সংসদ সদস্য মেজর জেনারেল (অবঃ) সালাউদ্দিন মিয়াজী বলেন, প্রাচীন ঐতিয্যে বহনকারী নীলকুঠিটি সংস্কার করে এখানে একটি ইকোপার্ক করার জন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

শামীম খান জনী, মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি


আরও খবর



কানাডায় বাংলাদেশের নতুন হাই-কমিশনার নাহিদা সোবহান

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
কূটনৈতিক প্রতিবেদক

Image

কানাডায় বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার নিয়োগ পেয়েছেন নাহিদা সোবহান। তিনি বর্তমানে জর্ডানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন। কানাডায় ড. খলিলুর রহমানের স্থলাভিষিক্ত হবেন নাহিদা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

চাকরিজীবনে নাহিদা সোবহান রোম, জেনেভা ও কলকাতা মিশনে কাজ করেছেন। তিনি জাতিসংঘ ও মানবাধিকার উইংয়ের মহাপরিচালকের পাশাপাশি বহুপাক্ষিক অর্থনীতিবিষয়ক শাখার মতো বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী নাহিদা নেদারল্যান্ডসে পাবলিক ইন্টারন্যাশনাল আইন ও ফ্রান্সে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ওপর পড়াশোনা করেছেন। তিনি দেশে এবং বিদেশে বেশ কয়েকটি পেশাদার প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করেছেন ও বহু দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। নাহিদা সোবহান ইংরেজি ও ফরাসি ভাষায় পারদর্শী। তিনি আরবি ভাষাও শিখছেন।

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত ড. খলিলুর রহমান ২০২০ সাল থেকে কানাডায় বাংলাদেশের হাইকমিশনারের দায়িত্ব পালন করেছেন। দায়িত্ব নেওয়ার এক বছরের মাথায় অর্থাৎ ২০২১ সালে তার চাকরির পূর্বনির্ধারিত মেয়াদ শেষ হলে সরকার দুই বছরের চুক্তিতে আবার তাকেই হাইকমিশনারের পদে বহাল রাখে।

পরে দ্বিতীয় দফার চুক্তিতে অর্থাৎ গত ৩১ অক্টোবর থেকে ছয় মাসের জন্য তার চুক্তি নবায়ন করা হয়। সেই হিসেবে চলতি বছরের এপ্রিলে মাসে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয় ড. হাছান মাহমুদকে। নতুন মন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার পর সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি পোস্ট করেন খলিলুর রহমান। তিনি পোস্টে কারও নাম উল্লেখ না করে গুরুতর কিছু অভিযোগ উত্থাপন করেন।

পরে ২৫ ফ্রেব্রুয়ারি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডি এম সালাহ উদ্দিন মাহমুদের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে, খলিলুর রহমানকে অটোয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনের দায়িত্বভার ত্যাগ করে অবিলম্বে ঢাকা সদর দপ্তরে প্রত্যাবর্তন করতে বলা হয়।

১৯৮৫ ব্যাচের কর্মকর্তা খলিলুর রহমান দিল্লি ও জেনেভা মিশনে বিভিন্ন পদে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া তিনি ছুটি নিয়ে দীর্ঘদিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় কাজ করেছেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) থেকে এমবিবিএস পাস করা খলিলুর রহমান প্যারিস থেকে এমফিল ও জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাবলিক হেলথের ওপর পিএইচডি করেন।


আরও খবর



ব্যালট বাক্স ছিনতাই, ভৈরবের একটি কেন্দ্রের ভোট বাতিল

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

Image

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ব্যালট বই ও বাক্স ছিনতাইয়ের ঘটনায় একটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার (৫ জুন) পৌনে ৩টার দিকে উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের ৬৩ নং কেন্দ্র মৌটুপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোটগ্রহণ বাতিল করেন রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. আবুল কালাম আজাদ।

জানা যায়, ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের লোকজন কেন্দ্রে প্রবেশ করে ব্যালট বই ও বাক্স ছিনতাই করে। এসময় পুলিশ তাদের ধাওয়া করলে ব্যালট বই ও বাক্স ফেলে তারা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ সেগুলো উদ্ধার করে। খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিক ওই কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ বাতিল করেন।

ইসির তথ্যানুযায়ী, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ১ হাজার ৯৭০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ইসিতে নিবন্ধিত ৪৪টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে এই নির্বাচনে ২৮টি রাজনৈতিক দলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১ হাজার ৫৩৪ জন প্রার্থী। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন ৪৩৬ জন। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ২৬৬ জন, জাতীয় পার্টির ২৬৫, তৃণমূল বিএনপির ১৩৫ জন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) ৬৬ জন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ১২২ জন, জাতীয় পার্টির (জেপি) ১৩ জন, বিকল্পধারা বাংলাদেশের ১০ জন প্রার্থী রয়েছেন।


আরও খবর



নরেন্দ্র মোদি আর মাত্র ৭-৮ দিনের প্রধানমন্ত্রী: মমতা

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

নরেন্দ্র মোদি আর ক্ষমতায় ফিরবেন না উল্লেখ করে তৃণমূল প্রধান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, তাকে আর হয়ত ৭-৮ দিন প্রধানমন্ত্রী বলতে পারব। মঙ্গলবার (২৮ মে) এক সভায় এ কথা বলেন তিনি।

মমতা বলেন, এবার আর কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসছে না বিজেপি। নরেন্দ্র মোদিকে হয়ত আর ৭-৮ দিন প্রধানমন্ত্রী বলতে পারব। তীব্র হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, বাংলার উন্নয়ন দেখতে পায় না হিংসুটেরা।

একইদিন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার অশোকনগরে এক সভা নরেন্দ্র মোদি বলেন, বাংলাতেই সবচেয়ে ভালো ফল করবে বিজেপি। তিনি বলেন, তুষ্ট করার রাজনীতি করতে সিএএর বিরোধিতা করছে তৃণমূল। সিএএ নিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে তারা।

মোদি বলেন, ভারতে বহু মানুষ নাগরিকত্ব পেয়ে গেছেন। কারো কাছ থেকে কিছু ছিনিয়ে নেওয়া হয়নি। নাগরিকত্ব দিয়ে তাদের ভারত মায়ের সন্তান বানানো হয়েছে। এই নাগরিকত্ব দিচ্ছে দেশের সংবিধান। পৃথিবীর কোনো শক্তি মোদির সংকল্পকে আটকাতে পারবে না।

সিএএর বিরোধিতা করে মমতা সম্প্রতি বলেছিলেন, আমি মোদিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে যাচ্ছি, অমিত শাহকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে যাচ্ছি, চোর বিজেপিকে, সঙ্গে ওদের বন্ধু সিপিএমকে বলে যাচ্ছি এনআরসি হবে না, সিএএ করতে দেব না, ইউনিফর্ম সিভিল কোড করতে দেব না, ওবিসিদের রিজার্ভেশন কাড়তে দেব না। আমরা আইন অনুযায়ী করেছি, আইন অনুযায়ী চলব।


আরও খবর