আজঃ বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪
শিরোনাম

বিশ্ব নেতাদের সামনে গাজা ইস্যুতে যা বললেন সৌদি যুবরাজ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

গতবছরের অক্টোবরে শুরু হওয়া হামাস-ইসরাইলের যুদ্ধের পর থেকে খুব কম সময়েই কথা বলেছেন সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। তার নিরবতা নিয়ে মুসলিম দেশগুলোতে চলে নানা আলোচনা সমালোচনা। এবার ফিলিস্তিনের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সির (ইরনা) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোহাম্মদ বিন সালমান গাজা উপত্যকায় ইহুদিদের আগ্রাসন বন্ধ করতে এবং ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

সৌদির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ-এর বরাত দিয়ে ইরনা জানায়, সোমবার মিনা প্রাসাদে রাষ্ট্রীয় অতিথি বিভিন্ন  ইসলামি দেশের রাজনৈতিক নেতা ও প্রতিনিধি দলের প্রধানদের বার্ষিক হজ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিন সালমান এই আহ্বান জানান।

এ সময় সৌদি ক্রাউন প্রিন্স গাজা উপত্যকায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদের সাম্প্রতিক রেজুলেশনগুলো বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেন।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকা ওয়াসা’র ‘বার্ষিক উন্নয়ন প্রতিবেদন’ হস্তান্তর করলেন এমডি

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী তাকসিম এ খান।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) গণভবনে সাক্ষাতকালে ওয়াসা এমডি প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকা ওয়াসাবার্ষিক উন্নয়ন প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন।

ঢাকা ওয়াসার উপ প্রধান জনতথ্য কর্মকর্তা এ এম মোস্তফা তারেক জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঢাকা ওয়াসার চলমান কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নিকট থেকে বিস্তারিত অবহিত হন এবং সন্তোষ প্রকাশ করেন।

জানা যায়, রাজধানীতে সবার জন্য নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিবেশ বান্ধব টেকসই ও গণমুখী পানি ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সে লক্ষ্যে ঢাকা ওয়াসা গত দেড় দশকে রাজধানীবাসীর জন্য সুপেয় পানি ও পয়ঃ সেবা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। এ সময় ঢাকা ওয়াসার অর্জনসমূহ এবং উত্তম চর্চাগুলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঢাকা ওয়াসার অর্জন ধরে রাখার এবং উত্তম চর্চাগুলো সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার আহবান জানান বলেও জানান উপ প্রধান জনতথ্য কর্মকর্তা।


আরও খবর



কোটাবিরোধীদের বঙ্গভবন অভিমুখে গণপদযাত্রা

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সরকারি চাকরিতে কোটার যৌক্তিক সংস্কারের এক দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বঙ্গভবন অভিমুখে গণপদযাত্রা শুরু করেছেন কোটাবিরোধী আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। গণপদযাত্রা শেষে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি প্রদান করবেন তারা।

রোববার (১৪ জুলাই) দুপুর ১২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে এ পদযাত্রা শুরু হয়। একইসঙ্গে আন্দোলনে থাকা ঢাকার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও এই গণপদযাত্রায় অংশ নিচ্ছেন।

গণপদযাত্রা শেষে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি প্রদান তাছাড়াও সারা দেশে প্রায় ৫০টি জেলা থেকে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদানের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

এ সময় গণপদযাত্রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজ, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

গণপদযাত্রায় শিক্ষার্থীরা- কোটা না মেধা, মেধা মেধা, দফা এক দাবি এক, কোটা নট কাম ব্যাক, সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে, মেধাবীদের ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই, দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ, আঠারোর হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার, জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে, লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে, কোটা প্রথা, বাতিল চাই বাতিল চাই, কোটা প্রথার বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন, কোটা না মেধা, মেধা মেধা, আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধের বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।

এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনে গ্রন্থাগারের সামনে বেলা ১১টার আগে থেকেই ছোট ছোট দলে জড়ো হতে শুরু করেন তারা।

সরকারি চাকরিতে সব গ্রেডে কোটার যৌক্তিক সংস্কারের জন্য জাতীয় সংসদে জরুরি অধিবেশন ডেকে আইন পাসের দাবিতে এই স্মারকলিপি দেবেন তারা।


আরও খবর
আরও ৩ দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




বাংলাদেশকে ৬৫ কোটি ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশের জন্য ৬৫ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৭ হাজার ৬৩৮ কোটি ১৫ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১১৭.৫১ টাকা ধরে)।

আজ শনিবার বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস এ তথ্য জানায়। শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক বোর্ড এই অর্থ অনুমোদন করে।

সংস্থাটি জানায়, চট্টগ্রামের বে-টার্মিনাল গভীর সমুদ্রবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে বিনিয়োগ ও উন্নয়নের জন্য ৬৫ কোটি অর্থ সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। এটি বিশ্ববাণিজ্য প্রতিযোগিতায় উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন করবে বাংলাদেশকে। পাশাপাশি বন্দরের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আমদানি-রফতানি ব্যয় কমিয়ে আনবে বলে মনে করে সংস্থাটি।

বিশ্বব্যাংক জানায়, বে টার্মিনাল সামুদ্রিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে ৬ কিলোমিটার জলবায়ু-স্থিতিস্থাপক ব্রেকওয়াটার নির্মাণ করা হবে। নতুন এই আধুনিক বে টার্মিনাল আন্তর্জাতিক টার্মিনাল অপারেটরদের দ্বারা পরিচালিত হবে। এই টার্মিনালে প্যানাম্যাক্স জাহাজের মতো বড় আকারের জাহাজগুলোর জন্য সুযোগ বাড়াবে এবং জাহাজের টার্নঅ্যারাউন্ড সময়কে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করবে। এর মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় এক মিলিয়ন মার্কিন ডলার সাশ্রয় হবে।

বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ৯০ শতাংশ এবং এর ৯৮ শতাংশ কনটেইনার প্রবেশ করে। তবে এই বন্দর দিয়ে ছোট ফিডার জাহাজগুলো প্রবেশ করতে পারে।

বাংলাদেশ ও ভুটানের বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদৌলায়ে সেক বলেন, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর অনেক বেশি নির্ভর করে। যা উল্লেখযোগ্য সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন হয়। বে টার্মিনাল একটি গেম চেঞ্জার হবে। এটি বর্ধিত বন্দর সক্ষমতা এবং পরিবহন খরচ ও সময় হ্রাসের মাধ্যমে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রতিযোগিতার উন্নতি ঘটাবে। এর মাধ্যমে মূল বৈশ্বিক বাজারে নতুন সুযোগ উন্মোচন করবে।

তিনি বলেন, প্রকল্পটি কন্টেইনার টার্মিনালগুলোর উন্নয়নের জন্য বেসরকারি বিনিয়োগকে একত্রিত করবে। সরকারি অর্থায়নের সাথে বিশ্বব্যাংকের বিনিয়োগ বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি করবে এবং সামগ্রিক বে টার্মিনাল উন্নয়নের সাথে যুক্ত ঝুঁকি কমাতে অবদান রাখবে।

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ট্রান্সপোর্ট স্পেশালিস্ট এবং প্রকল্পের দলনেতা হুয়া টান বলেছেন, বে টার্মিনাল দেশের সমুদ্রবন্দর অবকাঠামোর আধুনিকীকরণ এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বাজারের সংযোগ উন্নত করতে অবদান রাখবে। বে টার্মিনাল, চট্টগ্রাম বন্দরের পশ্চিমে আনন্দনগর/সন্দ্বীপ চ্যানেলে অবস্থিত এবং ঢাকার সাথে বিদ্যমান সড়ক ও রেল যোগাযোগের কাছাকাছি, বাংলাদেশের কন্টেইনারের পরিমাণের ৩৬ শতাংশ পরিচালনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। শিপিং কোম্পানি, ব্যবসায়ী সম্প্রদায়, আমদানিকারক, রপ্তানিকারক এবং মালবাহী ফরওয়ার্ডারসহ টেকসই পরিবহন পরিষেবাগুলোতে উন্নত অ্যাক্সেসের মাধ্যমে এক মিলিয়নেরও বেশি মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিশ্বব্যাংক এই প্রকল্পসহ বাংলাদেশকে ৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলে জানানো হয় এক বিজ্ঞপ্তিতে।


আরও খবর



জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে দুই বাসে আগুন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে দুটি বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ৮টা ২৫ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে আগুনের ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

সরেজমিন দেখা গেছে, হাইকোর্ট থেকে পল্টনের দিকে যাওয়ার পথে সচিবালয় এলাকায় মেট্রোরেল স্টেশনের সামনে বাস দুটিতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় বাসের ভেতরে কাউকে দেখা যায়নি। আগুন লাগার কিছুক্ষণ পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি তারা।

পথচারীরা জানান, কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



৬ষ্ঠ দিনের মত কর্মবিরতি পালন করছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মচারীরা

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বাগেরহাট প্রতিনিধি

Image

সারা দেশের মত বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা কর্মচারীরা ৬ষ্ঠ দিনের মত কর্মবিরতি পালন করছে। শনিবার (৬ জুলাই) তারা পোলঘাট এলাকার বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে কর্মবিরতি পালন করেন।

এ সময় অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম শহিদুল ইসলাম, এজিএম সিফাতুল্লাহ, পারভেজ আলম, মোঃ রিপন বিশ্বাস, আরিফুর রহমান, লাইন টেকনিশয়ান রাজীব রায়, রাজু আহম্মেদ, শারমিন কেয়া, প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বৈষম্য দূরীকরণ ও অভিন্ন সার্ভিস কোড সময়ের দাবী। গতকাল শুক্রবার বিদ্যুৎ ভবনে তাদের সাথে বসে বিষয়টি সমাধান হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওই বৈঠকে তাদের কথা ঠিকমত শোনা হয়নি। তাই তারা আন্দোলন অব্যহত রেখেছেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানান আন্দোলনরতরা।

বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রধান কার্যালয়সহ ১০টি জোনাল ও একটি সাব-জোনাল অফিসের কয়েকশ কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মবিরতিতে যোগ দেন।

উল্লেখ, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে একীভূত করে অভিন্ন চাকরিবিধি বাস্তবায়ন ও চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের নিয়মিতকরণের দুই দফা দাবিতে গত ১ জুলাই থেকে কর্মবিরতি পালন করছেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একই দাবিতে গত মে মাসেও তারা কর্মবিরতিতে যান।


আরও খবর