আজঃ মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

বিশ দিন পর রোববার বিদ্যুৎ উৎপাদনে ফিরছে পায়রা

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুন ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

টানা ২০ দিন বন্ধ থাকার পর রোববার (২৫ জুন) ভোর ৫টা থেকে সাড়ে ৫টার মধ্যে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট আবারও উৎপাদন শুরু করবে। আর সেই লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কোল স্টোরে কয়লা মজুত করা হচ্ছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২২ জুন) রাতে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য ৪১ হাজার ২০৭ টন কয়লা আনা হয়। বাংলাদেশ চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিপিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক খোরশেদ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

কয়লা না থাকায় গত ২৫ মে বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট এবং ৫ জুন কেন্দ্রটির দ্বিতীয় ইউনিটও বন্ধ হয়ে যায়। পায়রার দুটি ইউনিট পুরোপুরি চালু রাখতে প্রতিদিন প্রায় ১২ হাজার টন কয়লার প্রয়োজন হয়।

সব থেকে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র পটুয়াখালীর কলাপাড়ার পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তিতে চীন ও বাংলাদেশের যৌথ মালিকানায় নির্মিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম। কেন্দ্রের দুটি ইউনিট থেকে ৬৬০ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। তবে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদনের সক্ষমতা থাকার পরও পারিপার্শ্বিক নানা কারণে প্রায়ই একে সংকটের মুখে পড়তে হয়।

বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মাণকাজ শেষ হলেও সঞ্চালন লাইন নির্মাণ শেষ না হওয়ায় শুরুর দিকে দীর্ঘদিন প্ল্যান্টের একটি ইউনিটকে অলস বসিয়ে রাখতে হয়। তবে ঋণের টাকায় তৈরি বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বসিয়ে রাখলেও নিয়মিত এর ক্যাপাসিটি চার্জ ও ঋণের কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। তবে এবারই প্রথমবারের মতো পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিট পুরোপুরি ২০ দিন বন্ধ ছিল।

বৃহস্পতিবার রাতে মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী জাহাজ এমভি এথেনা ৪১ হাজার ২০৭ টন কয়লা নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার বালিকপাপান কোল টার্মিনাল থেকে পায়রা বন্দরের ইনার অ্যাঙ্করে অবস্থান করে। পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটি সংলগ্ন এলাকা পর্যাপ্ত গভীরতা না থাকায় বেশ কিছু কয়লা লাইটারেজের মাধ্যমে খালাস করা হয়। শুক্রবার রাতে কয়লা পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটিতে নিয়ে আসা হয়। এখন চলছে কয়লা খালাসের কাজ।

২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিন পিং পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। তবে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উৎপাদনে যাওয়ার পর এবারই প্রথমবারের মতো কয়লা সংকটের কারণে ২০ দিন পুরোপুরি বন্ধ ছিল।


আরও খবর



পাঁচ বিভাগে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রকৃতিতে তাপমাত্রা বাড়ার পাশাপাশি বৃষ্টিপাতের প্রবণতাও বাড়ছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে পাঁচ বিভাগে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হলেও রাতের তাপমাত্রা ২ ডিগ্রির মতো বাড়তে পারে।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দেয়া আবহাওয়ার ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া দফতর বলছে পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

শনিবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা (১-২) ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে, তবে দিনের তাপমাত্রা (১-২) ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে।

এদিকে রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময়ে রাতের তাপমাত্রা (১-২) ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

তৃতীয় দিনেও প্রায় একই রকম আবহাওয়া থাকার পূর্বাভাস মিলেছে।

আর বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে শেষের দিকে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে।


আরও খবর



স্মার্ট শিক্ষা কারিকুলাম গড়ে তোলা হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে স্মার্ট কারিকুলাম গড়ে তোলা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।

শুক্রবার নগরীর প্যারেড মাঠে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত আন্তঃস্কুল-কলেজ বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০২৪ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন বাংলাদেশের একটি অনন্য সিটি কর্পোরেশন যেটি শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় ব্যাপক বিনিয়োগ করে৷ এক্ষেত্রে চসিক একটি মডেল সিটি কর্পোরেশন৷

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমরা স্মার্ট কারিকুলাম গড়ে তুলছি। নতুন শিক্ষাক্রমে আমরা সফট স্কিল গড়ায় জোর দিচ্ছি৷ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, সময়মতো কাজ করার মানসিকতা, দলগত কাজ করার, নেতৃত্ব দেয়ার দক্ষতা গড়তে পুঁথিগত শিক্ষার পরিবর্তে আধুনিক এ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে।

মেয়রকে মাঠ রক্ষার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, খেলার মাঠ দখল করে আমাদের মেলার প্রয়োজন নাই, খেলার প্রয়োজন৷ মাঠগুলোতে শিক্ষার্থীরা যাতে খেলতে পারে এজন্য চট্টগ্রামের মাঠগুলো রক্ষায় মেয়র মহোদয়কে এগিয়ে আসতে হবে৷ ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরাও যাতে খেলার সুযোগ পায় সে বিষয়ে সচেষ্ট হতে হবে। আমাদের একটা সুষম উন্নয়নের জন্য তাদেরও মানসিক এবং শারীরিক বিকাশ সবচেয়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং তারাও এগিয়ে যাবে ছেলেদের সাথে মিলে এজন্য আমরা কাজ করছি৷

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, চসিকের ৮২ টি স্কুলে ৬৫ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে৷ আমি চাই শিক্ষার্থীরা ক্রীড়া, বিতর্ক ও সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে এগিয়ে যাক৷ এজন্য চসিকের ইতিহাসে শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে বড় এ আয়োজন করেছি।

মেয়র আরও বলেন, আমি চাই চট্টগ্রামের কোন শিশু শিক্ষা বঞ্চিত না থাকুক৷ এজন্য শিক্ষামন্ত্রীর কাছে আমার অনুরোধ যদি সম্ভব হয় চসিকের স্কুলগুলোকে এমপিওভুক্ত করুন৷ তাহলে আমরা আরো স্বল্প বেতনে আরো বেশি শিক্ষার্থীকে পড়াতে পারব৷

অনুষ্ঠানে চসিকের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের পাশাপাশি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয় শিক্ষার্থীরা৷

অনুষ্ঠানে চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, প্যানেল মেয়র গিয়াস উদ্দিন, আফরোজা কালাম, চসিকের শিক্ষা স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর ড. নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জুসহ কাউন্সিলরবৃন্দ, সচিব খালেদ মাহমুদ, মেয়রের একান্ত সচিব ও প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবুল হাশেমসহ বিভাগ ও শাখা প্রধানবৃন্দ, চট্টগ্রাম কলেজের অধ্যক্ষ মো. মোজাহিদুল ইসলাম চৌধুরী এবং চসিকের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।


আরও খবর



‘যৌন নিপীড়ক’ শিক্ষকের বিচার চান ঢাবি শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীর তোলা যৌন নিপীড়নের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও শাস্তির দাবিতে ক্লাস বর্জন করেছেন শিক্ষার্থীরা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সব অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা সারাদিন ক্লাস-পরীক্ষাসহ সব ধরনের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বর্জন করেন।

এসময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড, পোস্টার ও ব্যানার হাতে বিভাগের সামনে অবস্থান নেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন জায়গায় অধ্যাপক নাদির জুনাইদকে বয়কট করার আহ্বান জানিয়ে পোস্টারিং করেন। পরে শিক্ষার্থীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে উপাচার্যের কার্যালয় হয়ে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে গিয়ে মানববন্ধনের মাধ্যমে শেষ হয়।

বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা অধ্যাপক নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং তার শাস্তির দাবি জানান। এরপর তারা সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যানের অফিস কক্ষের সামনে অবস্থান নেন।

বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি জানান। দাবিগুলো হলো অধ্যাপক নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে আনা যৌন নিপীড়নের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে; যৌন নিপীড়ককে দ্রুততম সময়ের মধ্যে শাস্তির আওতায় আনতে হবে; তদন্ত চলাকালে বা অভিযোগ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সব অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে বিরত রাখতে হবে।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া সাংবাদিকতা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রাহি নায়াব বলেন, নাদির জুনাইদের যৌন হয়রানির বিষয়টি সম্প্রতি সামনে এলেও এসব অপকর্ম তিনি আগে থেকেই করে আসছিলেন। প্রতিটি ব্যাচের ২-৩ জন নারী শিক্ষার্থীকে তিনি টার্গেট করে রাখতেন এবং পরে বিভিন্নভাবে হয়রানি করতেন। গত ২৩-২৪ বছরের শিক্ষকতা জীবনে তিনি কত নারী শিক্ষার্থীকে হয়রানি করে এসেছেন সেটা এখন খতিয়ে দেখা দরকার। আমাদের বোনদের সঙ্গে যে যৌন নিপীড়ন হয়েছে, আমরা তার বিচার চাই। তদন্ত কমিটি করার আশ্বাসে এবার আর কাজ হবে না। আমরা চাই সঠিক তদন্তের পর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি।

দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নাওয়ার সালসাবিল দুর্দানা বলেন, এ পর্যন্ত তিনটি সেমিস্টারের কোর্স টিচার হিসেবে আমরা নাদির জুনাইদকে পেয়েছি। আমরা কতটা মানসিক ট্রমায় ছিলাম সেটা বলে বোঝানোর মতো নয়। তিনি প্রত্যেকটা ব্যাচ থেকেই কয়েকজনকে টার্গেট করেন। তিনি নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে মেধা যাচাই করেন না, যাচাই করেন হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাট এবং ফোনের আলাপ দিয়ে। যেকোনো টার্ম পেপার জমা দিতে হলে সেটা তার পছন্দ হবে কি হবে না সেটা নিয়ে ১/২ ঘণ্টা ফোনে কথা বলতে হয়। পরে তিনি বলবেন আমার কথা বলা কম হয়েছে, তাই আমাকে তিনি ১০এ ২/৩ দেবেন। আর ফোনে বলা কথা তার মনঃপূত হলে তাকে বেশি নম্বর দেওয়া হয়।

চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সামদানি প্রত্যয় বলেন, তার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগের বিষয়টি সবাই জানত। ভীতির সংস্কৃতি চর্চার কারণে এতদিন কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি। একজন ভিকটিম যখন সাহস করে প্রতিবাদ করেছে তখন আমরা চুপ থাকতে পারি না। শুধু সাফাই গেয়ে আমাদের দমিয়ে রাখা যাবে না। আমাদের দাবি স্পষ্ট, এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অতি দ্রুত খতিয়ে দেখতে হবে। তদন্তকালে সব ধরনের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম থেকে তাকে অব্যাহতি দিতে হবে এবং অপরাধ নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে চাকরি থেকে বহিষ্কার করতে হবে।

শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ করেন বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী। ওই শিক্ষার্থী প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল মনসুর আহমেদ বলেন, আমরা এ ব্যাপারে সবসময় জিরো টলারেন্স। কিছু অভিযোগ আমরা পেয়েছি, সেগুলো উপাচার্য মহোদয়ের কাছে পেশ করা হবে। তাকে বলব যেন জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।


আরও খবর



পুলিশের হাতে মাদক দেখলেই চাকরি থাকবে না: আইজিপি

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পুলিশ সদস্যদের মাদক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের প্যারেড গ্র্যাউন্ডে আইজিপিস এক্সেমপ্ল্যারি গুড সার্ভিসেস ব্যাজ (আইজিস ব্যাজ) ও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী ইউনিটের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এমন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

আইজিপি বলেন, আমাদের কোনো সদস্য যদি মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকে তাহলে সাধারণ মানুষের চেয়েও বেশি ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সাধারণ মানুষের সঙ্গে মাদকের সংশ্লিষ্টতা থাকলে শুধু মামলা দেওয়া হয়। আর পুলিশ সদস্যদের মাদক সেবনের প্রমাণ পেলেই চাকরি থাকবে না। চাকরিও যাবে মামলাও হবে। পুলিশ সদস্যদের হাতে মাদক থাকলেই চাকরি থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, নিয়োগের সময় আমরা প্রতিটি সদস্যকে ডোপ টেস্টের মাধ্যমে নিয়োগ দিয়ে থাকি। যারা মাদকাসক্ত তাদের সতর্ক করে দিচ্ছি, মাদকাসক্ত হলে কেউ চাকরি পাবে না। 

আরও পড়ুন>> টেলিটকের এমডিসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা

পুলিশপ্রধান বলেন, মাদক ও দুর্নীতি সমাজের নীরব ঘাতক। মাদকবিরোধী অভিযানে বাংলাদেশ পুলিশ জয়ী হবে। জঙ্গি-সন্ত্রাস যেভাবে নিয়ন্ত্রণে এসেছে, সেভাবে মাদক নিয়ন্ত্রণেও সফল হতে হবে। সকলকে এ বিষয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। জঙ্গি-মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের শূন্য সহিষ্ণুতা নীতি রয়েছে। যে কোনো ঘটনা ঘটলে দ্রুততম সময়ে আমরা অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসছি।

স্মার্ট বাংলাদেশের উপযুক্ত পুলিশ গড়ে তুলতে কাজ করার কথা জানিয়ে আইজিপি বলেন, পুলিশকে জনবান্ধব বাহিনী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে আমরা কাজ করছি। থানাকে প্রতিটি মানুষের আস্থা ও ভরসার কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। যাতে সবাই নির্ভয়ে থানায় আসতে পারেন সেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং প্রতিনিয়ত মনিটরিং করা হচ্ছে। বেশির ভাগ থানাতেই সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে, যা রেঞ্জ ডিআইজি অফিস থেকে মনিটরিং করা হচ্ছে। পুলিশের প্রত্যেকটি সদস্য সেবা দিতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। যে কোনো পরিস্থিতিতে নিজের জীবন দিয়ে পুলিশ সদস্যরা সেটি প্রমাণ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, পুলিশের নিয়োগ ও পদোন্নতিতে স্বচ্ছতা সর্বক্ষেত্রে প্রশংশিত হচ্ছে। আমরা নিয়োগ প্রক্রিয়ার অধিকাংশ কাজ স্মার্ট পদ্ধতিতে সম্পন্ন করছি। ঘরে বসে আবেদন করতে পারছে, কোথায় পরীক্ষা সেটা জানতে পারছে, ফলাফলও ঘরে বসে পেয়ে যাচ্ছে। এরমধ্যে কোনো দালাল বা ফড়িয়া নেই। ইতোমধ্যে দেশবাসী এর সুফল ভোগ করছে।

চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা তথা প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশে মাদক, জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদের কোনো স্থান নেই।

পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনাদের প্রযুক্তিনির্ভর, গণমুখী, সেবামুখী, জনবান্ধব তথা নারী ও শিশুবান্ধব বাহিনী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে।


আরও খবর



শীত বাড়তে পারে, আগামী সপ্তাহে ফের বৃষ্টির আভাস

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

আজ থেকে আগামী কয়েক দিন রাতের তাপমাত্রা ক্রমে কমে শীত বাড়তে পারে। একই সঙ্গে আগামী সপ্তাহে ফের বৃষ্টি শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা বেড়ে শীত কমেছে। বৃহস্পতিবার সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। একদিন আগে সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বেড়ে হয়েছে ১৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

বুধবার সকাল ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি হয়েছে। এসময়ে নওগাঁর বদলগাছীতে ৩ মিলিমিটার, রাজশাহী ও সৈয়দপুরে সামান্য বৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

এসময়ে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও জানান হাফিজুর রহমান।

শুক্রবার আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

শনিবার সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পরবর্তী পাঁচ দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা রয়েছে বলেও পূর্বাভাসে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।


আরও খবর