আজঃ বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

বিজয়নগরে আসামী ছিনতাইকালে পুলিশের গুলিতে নিহত এক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুলাই ২০23 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুলাই ২০23 | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ রাসেল আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে মাদক মামলার আসামী ছিনিয়ে নেয়ার সময় পুলিশের গুলিতে একজন নিহত এবং ১০ পুলিশসহ ১৩ জন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের আদমপুরে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম আইয়ুব নূর। তার বিরুদ্ধে ৫টি মাদক মামলা রয়েছে। সে ওই গ্রামের মস্তু ভুইয়ার ছেলে।

বিজয়নগর থানার ওসি রাজু আহমেদ জানান, আইয়ুব নূরের ছেলে আরিফ মিয়াকে একটি মাদক মামলায় ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী। ভোরে তাকে গ্রেফতারের পর থানায় নিয়ে আসার সময় তার স্বজনরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে পুলিশের কাছ থেকে হ্যান্ডকাফ তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এতে পুলিশের ১০ সদস্য আহত হয়। এসময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশ ৮ রাউন্ড গুলি ছুঁড়লে আরিফের পিতা আইয়ুব নূরসহ আরো কয়েকজন আহত হন। গুলিবিদ্ধ আইয়ুব নূরকে প্রথমে জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। আহত পুলিশ সদস্যসহ অন্যদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে।

পুলিশ জানায়, আরিফের বিরুদ্ধে মাদক মামলাসহ ৫ টি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া আসামীকে উদ্ধারে অভিযান চলছে।

নিউজ ট্যাগ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আরও খবর



কুমিল্লায় জোড়া খুনের মামলায় ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রবিউল বাশার খান, কুমিল্লা

Image

কুমিল্লা সদর দক্ষিণে জমিজমা বিরোধের জের ধরে মোঃ গিয়াস উদ্দিন ও মোঃ জামাল হোসেন নামের দুই চাচাতো জ্যেঠাতো ভাইকে ধারালো দা, ছেনী ও হকিস্টিক দ্বারা কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৭ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।

সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন।

মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন ধনাইতরী গ্রামের মোঃ হাজী আতর আলীর ছেলে তোফায়েল আহমেদ তোতা (৩৮), মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে কামাল হোসেন (৪৮), হাজী আব্দুর রহিমের ছেলে আলমগীর হোসেন (৩৮), মোঃ ফরিদ উদ্দিনের ছেলে মোঃ মামুন (২৮), মৃত আনোয়ার আলীর ছেলে মোঃ বাবুল (৩৫) ও মৃত আনোয়ার আলীর হারুনুর রশিদ (৪৫)।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন ধনাইতরীর মৃত জুনাব আলীর ছেলে হায়দার আলী (৬৫), হাজী আব্দুর রহিমের ছেলে আঃ মান্নান (৩২), মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে জামাল হোসেন (৪৫), মৃত আঃ খালেক এর ছেলে আবুল বাশার (২৮), মৃত আঃ রশিদ এর ছেলে জাকির হোসেন, মৃত আঃ খালেক এর ছেলে আঃ কাদের (৩২) ও এজহার বর্হিভুত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি হলেন একই গ্রামের মৃত ইউসুফ মিয়া'র ছেলে আব্দুল কুদ্দুস (৪৫)।

খালাস প্রাপ্ত আসামিরা হলেন - একই গ্রামের মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে মোঃ আমান (৪০) ও একই উপজেলার গ্রাম চৌয়ারা'র জুনাব আলী মোঃ সেলিম মিয়া (৫০)। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিজ্ঞ জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম।

মামলার বিবরণে জানাযায়- পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পরষ্পর যোগসাজশে ২০১৬ সালের ১২ আগস্ট রাত অনুমান সোয়া ৮টার সময় ধনাইতরী জামতলা খোরশেদ আলম এর মালিকানাধীন "ভাই ভাই ষ্টোর" নামক দোকানে প্রবেশ করিয়া আসামীদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সজ্জিত হয়ে হায়দার আলীর নির্দেশে আসামি মোঃ তোফায়েল আহমেদ তোতা মিয়া বাদীর বাবা ভিকটিম মোঃ গিয়াসউদ্দিন ও জেঠা জামাল হোসেনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথারিভাবে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে পালিয়ে যায়। তাদের অবস্থা আশংকাজনক জনক দেখিয়া নিহতের স্বজনরা কুমেক হসপিটাল নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রথমে মোঃ গিয়াসউদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করেন এবং পরে জামাল হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহত মোঃ গিয়াস উদ্দিন এর ছেলে মেহেদী হাসান (২৫) বাদী হয়ে আসামি মোঃ তোফায়েল আহমেদ তোতাসহ ১২জনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১২জনকে আসামি করে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করিলে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আব্দুল্লাহ আল মামুন ও মঃ সহিদুর রহমান ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করিয়া আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি মোঃ তোফায়েল আহমেদ তোতাসহ এজহার নামী ১২জন এবং এজহার বর্হিভুত আঃ কুদ্দুসসহ ৩জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

তৎপর মামলাটি বিচারে আসিলে রাষ্ট্রপক্ষে ১১জন এবং আসামি পক্ষে দুজন সাফাই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামি মোঃ হারুনুর রশীদ ও আঃ কুদ্দুস এর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনাক্রমে আসামি মোঃ তোফায়েল আহমেদ তোতাসহ ৬জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং আসামি হায়দার আলীসহ ৭জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড; সেই সাথে প্রত্যককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামী প্রত্যেককে অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। এছাড়াও আসামি আমান ও মোঃ সেলিম এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন আদালত।

এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্র পক্ষে নিযুক্তীয় বিজ্ঞ কৌশলী জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম ও অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট মোঃ মজিবুর রহমান বাহার এবং বাদীপক্ষে এড. মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন আমরা আশা করছি উচ্চ আদালত রায় বহাল রেখে দ্রুত কার্যকর করবেন।

নিউজ ট্যাগ: কুমিল্লা

আরও খবর



নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বৃদ্ধকে জবাই করে হত্যা

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নোয়াখালী প্রতিনিধি

Image

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক বৃদ্ধকে জবাই করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। পুলিশ ও নিহতের স্বজনেরা তাৎক্ষণিক হত্যাকাণ্ডের কোনো কারণ জানাতে পারেনি।

নিহত আব্দুল খালেক ওরফে খাজা মিয়া উপজেলার চরজব্বর ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের চর রশিদ গ্রামের খালেক মিয়ার বাড়ির মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। তিনি পাঁচ সন্তানের জনক ছিলেন। 

রোববার (৭ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার চরজব্বর ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের চর রশিদ গ্রামের নিহতের নিজ বাড়ির সামনে থেকে পুলিশ এ মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃদ্ধ খাজা মিয়া এক সময়ে স্থানীয় বাজারের চা দোকানদার ছিল। স্ত্রী কমলা বেগম কাঞ্চনসহ নিজ বাড়িতে একা বসবাস করেন। শনিবার (৬ জুলাই) রাত ৯টার দিকে তিনি স্থানীয় কাঞ্চন বাজার গিয়ে আর ঘরে আসেননি। রোববার সকালে তার স্ত্রী ফজর নামাজ পড়তে উঠে স্বামীকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুজি শুরু করেন। একপর্যায়ে সকাল ৬টার দিকে নিজ বাড়ির সামনে স্বামী খাজা মিয়ার গলা কাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

নিহতের মেজো ছেলে মো.ছিদ্দিক উল্যাহ বলেন, বাবা খুবই সহজ সরল লোক ছিলেন। তার সাথে কারো বিরোধ ছিলনা। কে বা কাহারা তাকে নৃসংশ ভাবে হত্যা করেছে, এখন পর্যন্ত হত্যার কোনো কারণ তাদের জানা নেই। 

চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কাওসার আলম ভূঁইয়া বলেন, বৃদ্ধকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। তবে শরীর থেকে মাথা আলাদা হয়নি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। তবে হত্যার কারণ সম্পর্কে কিছুই জানা যায়নি। পুলিশ ক্লু-লেস এ হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে চেষ্টা চালাচ্ছে।


আরও খবর



বিকেলে কোটা আন্দোলনকারীদের দেশব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঢাকার বাইরে বিভিন্ন স্থানে বৃহস্পতিবার কোটাবিরোধী আন্দোলনের কর্মসূচিতে পুলিশি অভিযানের প্রতিবাদে আজ শুক্রবার দেশব্যাপী ক্যাম্পাসে-ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ সমাবেশ করবেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রাতে শাহবাগে সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম।

সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল এবং ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালে কয়েকদিন ধরে সড়কে নেমে আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা।

এ আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ হাসান বলেন, আমরা সব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাবো, নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব কিন্তু আপনাদের। আপনারা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। আমাদের ওপর হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনুন। আমাদের ওপর যে হামলা হয়েছে তার প্রতিবাদে শুক্রবার আমরা সারাদেশের সব ক্যাম্পাসে বিকেল ৪টায় বিক্ষোভ মিছিল করবো।

আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, হাইকোর্টের আংশিক রায়ে একটি বিষয় পরিষ্কার হয়েছে। রায়ে বলা হয়েছে, সরকার চাইলে কোটার সংস্কার করতে পারে। এ বিষয়টিই আজ স্পষ্ট হয়েছে। যদি তাই হয়, তাহলে শেকৃবিতে কেন লাঠিচার্জ করা হলো? শাবিপ্রবিতে হামলা করা হয়েছে, চবিতে নারী শিক্ষার্থীদের ওপর নারী পুলিশ হামলা করেছে, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা হয়েছে, রাবিতে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। মাভাবিপ্রবিসহ অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা করা হয়েছে। যারা হামলা করেছে তারা অতি উৎসাহী। সেই পুলিশদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।

হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, আমরা মনে করি, এতে সরকারেরই ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। আপনারা এতদিন আমাদের বলেছেন, আদালতের প্রতি ভরসা রাখতে। এখন আদালত আপনাদের দায়িত্ব দিয়েছে সেটি আপনারা পালন করুন।

এর আগে, বিকেলে শাহবাগ মোড়ে দখল করেন তারা। এ সময় আন্দোলনকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ভুয়া ভুয়া স্লোগান দিতে থাকেন। কোটা বাতিলের দাবিতে পূর্বঘোষিত বাংলা ব্লকেড কর্মসূচি পালনের জন্য বিকেল ৩টা থেকে বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থীরা।

এরপর সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে তারা কলা ভবন, ভিসি চত্বর হয়ে শাহবাগে আসেন। শিক্ষার্থীরা আসার আগেই পুলিশ শাহবাগে ব্যারিকেড দিয়ে রাখে। এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা ব্যারিকেড ভেঙে সেখানে অবস্থান নেন। এ সময় কিছু শিক্ষার্থীকে পুলিশের সাঁজোয়া যানের ওপর উঠে উল্লাস করতে দেখা যায়।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটা প্রচলিত ছিল। এর মধ্যে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা, ১০ শতাংশ নারী কোটা, অনগ্রসর জেলার বাসিন্দাদের জন্য ১০ শতাংশ কোটা, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষদের জন্য ৫ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ আসন সংরক্ষিত ছিল।

ওই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোটা সংস্কারের দাবিতে বড় বিক্ষোভ হয়। কোটাব্যবস্থার সংস্কার করে ৫৬ শতাংশ কোটা থেকে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি জানিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। পরে ওই বছরের ৪ অক্টোবর কোটাপদ্ধতি বাতিলবিষয়ক পরিপত্র জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এর মাধ্যমে ৪৬ বছর ধরে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে যে কোটাব্যবস্থা ছিল, তা বাতিল হয়ে যায়। পরে ২০২১ সালে সেই পরিপত্রের মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের অংশটিকে চ্যালেঞ্জ করে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান উচ্চ আদালতে রিট করেন। সেই রিটের রায়ে চলতি বছরের ৫ জুন পরিপত্রের ওই অংশ অবৈধ ঘোষণা করা হয়। এরপর চাকরিপ্রত্যাশী সাধারণ শিক্ষার্থীরা মাঠে নামেন।

টানা কয়েক দিন আন্দোলনের পর গত ৯ জুলাই কোটা পুনর্বহাল নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী। পরদিন হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের ওপর এক মাসের স্থিতাবস্থা জারি করেন আপিল বিভাগ। এ আদেশের ফলে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে ২০১৮ সালে সরকারের জারি করা পরিপত্র বহাল থাকছে। তবে শিক্ষার্থীরা আপিল বিভাগের এই আদেশ প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।


আরও খবর
ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




ময়মনসিংহে সাড়ে ২২ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

Image

ময়মনসিংহে সাড়ে ২২ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক র‌্যাব-১৪ সিপিএসপি। জেলার গৌরীপুর উপজেলার ময়মনসিংহ- কিশোরগঞ্জ রাস্তার উপর একটি প্রাইভেটকার থেকে গাঁজাসহ এই দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।

আজ শনিবার দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞতিতে র‌্যাব-১৪ এ তথ্য জানায়।

বিজ্ঞতিতে জানানো হয় শুক্রবার র‌্যাব-১৪, সিপিএসসি এর একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, কিশোরগঞ্জ থেকে দুইজন মাদক ব্যবসায়ী প্রাইভেটকার যোগে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে যাচ্ছে। উক্ত সংবাদ পাওয়ার পর র‌্যাব-১৪ এর অধিনায়কের নির্দেশক্রমে একটি আভিযানিক দল শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে জেলার গৌরীপুর থানাধীন রামগোপালপুর ইউনিয়নের শিবপুর নামক এলাকায় চেকপোস্ট পরিচালনা করে। এ সময় কিশোরগঞ্জ থেকে আসা সাদা রংয়ের একটি প্রাইভেটকারকে থামার সংকেত দিলে প্রাইভেটকারের চালক মোঃ জাফর হোসেন (৫৪) ও পাশের সিটে বসে থাকা সহযোগী মোঃ জলিল মিয়া(৪৫) প্রাইভেটকার থামিয়ে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করলে তাদেরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তারা প্রাইভেটকারে  মাদকদ্রব্য গাঁজা রাখার কথা স্বীকার করে। পরবর্তীতে আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীদের দেখানো মতে প্রাইভেটকারের পিছনের সিটের পিছনে সু-কৌশলে রাখা ২২ কেজি ৫শত গ্রাম মাদকদ্রব্য গাঁজা ও নগদ ১৪শত পঞ্চাশ টাকা এবং আমেরিকান মুদ্রার ২০ ডলারের একটি নোট, মাদক ব্যবসায় ব্যবহৃত ৩টি মোবাইল ফোন ও মাদক বহনের কাজে ব্যবহৃত সাদা রংয়ের একটি প্রাইভেটকার উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মাদকদ্রব্য গাঁজার আনুমানিক মূল্য ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৫শত টাকা। বিজ্ঞতিতে আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে গৌরীপুর থানায় মামলা দায়ের ও আসামী হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন।


আরও খবর



আসছে নতুন মুদ্রানীতি, ঘোষণা ১৮ জুলাই

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

নতুন অর্থবছরের জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী ১৮ জুলাই মুদ্রানীতি ঘোষণার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ভরযোগ্য সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধের ষাণ্মাসিক মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হবে আগামী বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই)। এটি ১৬ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্ষদ সভায় পাস হবে। তার আগে ১৪ জুলাই মুদ্রানীতি ঘোষণা সংক্রান্ত মূল কমিটি সভা করবে।

আগামীকাল বুধবার অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, গবেষণা সংস্থা এবং সাংবাদিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এর আগে গত ১৭ জানুয়ারি ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের দ্বিতীয় ষান্মাসিকের (জানুয়ারি-জুন) মুদ্রানীতি ঘোষণাকালে নীতি সুদহার দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৮ শতাংশ করা হয়েছিল। এর আগে নীতি সুদহার ৭.৭৫ শতাংশ ছিল। এ মুদ্রানীতির মাধ্যমে টাকার সরবরাহ কমানোর কথা ছিল। কিন্তু কিছুটা নগদ টাকা কমলেও মূল্যস্ফীতি না কমে বরং বেড়েছে।


আরও খবর