আজঃ মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

বিএনপি-জামায়াত নব্য হানাদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে : তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বিএনপি-জামায়াত দেশে নব্য হানাদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত বিজয় র‍্যালির উদ্বোধনের পরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাংলাদেশের নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করেছে, গ্রামে গ্রামে ঘর-বাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে। এখন বাংলাদেশে নব্য হানাদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে বিএনপি। কারণ তারা আজকে নিরীহ মানুষের ওপর বোমা নিক্ষেপ করছে, সাধারণ মানুষকে পুড়িয়ে মারছে, গাড়ি-ঘোড়ায় আগুন দিচ্ছে, এমনকি ট্রেন লাইন উপড়ে ফেলছে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যেভাবে বাংলাদেশের ব্রিজ কালভার্ট উড়িয়ে দিয়েছিল পরাজয়ের আগে, ঠিক একইভাবে নব হানাদার হিসেবে বিএনপি-জামায়াত আজ আবির্ভূত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আজকে দুঃখজনক হলেও সত্য জামায়াত ইসলাম যে দল দেশের স্বাধীনতা চায়নি এবং সেটি না চাওয়ার জন্য এখনও ক্ষমা চায়নি। সেই দল এখনও রাজনীতি করে এবং তাদের সঙ্গে জোট গঠন করে বিএনপি ও তার মিত্ররা।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, আজকে পাকিস্তান আমাদের দেখে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে। যখন আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম, তখন পাকিস্তানের অনেকে আত্মতৃপ্তির জন্য বলেছে, বাঙালিরা চলে গেছে ভালো হয়েছে। আজকে পাকিস্তানিরা বলে, দয়া করে আমাদের বাংলাদেশ বানিয়ে দাও। এখানেই বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দেশ গঠন ও জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ পরিচালনার সার্থকতা। আমরা অর্থনৈতিক সূচক, মানব উন্নয়ন সূচক, সামজিক সূচক, স্বাস্থ্য সূচকসহ সমস্ত সূচকে আমরা পাকিস্তানকে পেছনে ফেলেছি। আমরা ভারতকেও সামজিক সূচক, মানব উন্নয়ন সূচকে, স্বাস্থ্য সূচকে পেছনে ফেলেছি। জিডিপিতে ২০২১ সালে আমরা ভারতকে পেছনে ফেলেছিলাম।

বাংলাদেশ আজকে উন্নয়নের রোল মডেল উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা পৃথিবীর ৯১তম দেশ। কিন্তু আমরা ধান উৎপাদনে পৃথিবীতে তৃতীয়, মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে পৃথিবীতে তৃতীয়, সবজি উৎপাদনে পৃথিবীতে চতুর্থ, আলু উৎপাদনে পৃথিবীতে সপ্তম। এগুলো কোনো জাদুর কারণে হয়নি। এগুলো হয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনার জাদুকরী নেতৃত্বের কারণে।

তিনি বলেন, আজকে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ। আমাদের এ অগ্রযাত্রা আরও অনেক দূর হতে পারতো যদি বাংলাদেশে নেতিবাচক রাজনীতি, ধ্বংসাত্মক রাজনীতি না থাকতো। এই দুটি বিষয় না থাকলে আজকে বাংলাদেশ বহুদূর এগিয়ে যেতে পারতো। গত ২৮ অক্টোবর সাংবাদিকদের যেভাবে পেটানো হয়েছে আমি তার ধিক্কার জানাই। আপনারা (সাংবাদিক) বিচারের কথা বলেছেন, প্রত্যেকের বিচার হবে। আপনারা দেখতে পাচ্ছে প্রত্যেকের বিচার হচ্ছে, রায় হচ্ছে।

এ সময় সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সোহেল হায়দার চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন, সহ-সভাপতি এম এ কুদ্দুস, মানিক লাল ঘোষ, দপ্তর সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান প্রমুখ।


আরও খবর



মৌলভীবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

Image

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশা ভাড়া করে নিহতদের পরিবারের সদস্যরা এক অসুস্থ আত্মীয়কে দেখতে তাদের বাড়িতে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে তাদের বহনকারী অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে পরিবারের তিন সদস্য মারা যান। আহত হন আরও তিনজন।

রবিবার (২ মে) সন্ধ্যায় মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার আছুরিঘাট এলাকায় মৌলভীবাজার-বড়লেখা আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- জুড়ী উপজেলার কুচাই ফাঁড়ি চা-বাগানের বাসিন্দা দীনবন্ধু মুন্ডা (৫৫) ও তার ছেলে পূজন মুন্ডা (৩৫) এবং দীনবন্ধুর বড় ভাই রবীন্দ্র মুন্ডা (৬০)। এ দুর্ঘটনায় গাড়ির চালক ও ওই পরিবারের দুই সদস্য আহত হন।

আহতরা জানান, দীনবন্ধু মুন্ডার এক মেয়ের বিয়ে হয় শ্রীমঙ্গলের রাধানগর চা-বাগান এলাকায়। মেয়ের শাশুড়ি পক্ষাঘাতগ্রস্ত। তাকে দেখতেই দীনবন্ধু অটোরিকশা ভাড়া করে তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রোববার সকালে শ্রীমঙ্গলে রওনা দেন। বিকেলের দিকে তারা সেখান থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। সন্ধ্যা সাতটার দিকে আছুরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে তারা ঝড়বৃষ্টির কবলে পড়েন। এ সময় বিপরীতমুখী একটি কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে তাদের বহনকারী অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে গাড়িটি দুমড়েমুচড়ে গিয়ে পূজন মুন্ডা ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

পরে স্থানীয় লোকজন গাড়ির ভেতরে আটকা পড়া হতাহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় দীনবন্ধু, দীনবন্ধুর স্ত্রী কবিতা মুন্ডা, বড় ভাই গোপাল মুন্ডা, রবীন্দ্র মুন্ডা ও অটোরিকশাচালক আমির উদ্দিনকে মৌলভীবাজার সদর এবং সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে কুলাউড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন জানান, হাসপাতালে আসার আগেই পূজন মুন্ডার মৃত্যু হয়। মৌলভীবাজারের হাসপাতালে নেওয়ার পথে রবীন্দ্র মুন্ডা এবং সিলেটে নেওয়ার পথে দীনবন্ধু মুন্ডা মারা যান।

কুলাউড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ক্যশৈনু মারমা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে নিহতদের পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। দুর্ঘটনার পর ঘাতক কাভার্ড ভ্যানের চালক পালিয়ে গেছে। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি জব্দ করা হয়েছে।


আরও খবর



হবিগঞ্জে খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙন

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

হবিগঞ্জে খোয়াই নদীর বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। বুধবার (১৯ জুন) দুপুরে শহরতলীর জালালাবাদে নদীর বাঁধে হঠাৎ ভাঙন দেখা দেয়। ফলে প্রবল বেগে নদীর পানি জালালাবাদসহ আশপাশের এলাকায় প্রবেশ করছে। এদিকে সকাল থেকেই খোয়াই, কুশিয়ারা, কালনী নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শামীম হাসনাইন মাহমুদ জানান, দুপুর ১টার দিকে খোয়াই নদীর বাল্লা পয়েন্টে পানি কমতে শুরু করেছে। খুব দ্রুতই পানি নিচে নেমে যাবে।

তিনি বলেন, আসলে শহরের গরুর বাজারের পরের অংশটিকে আমরা বলি ফসলরক্ষা বাঁধ। যদি বর্ষা মৌসুমে এসব বাঁধ না ভাঙে, তাহলে শহররক্ষা বাঁধের দুর্বল অংশ ভেঙে পানি শহরে প্রবেশ করতে পারে। তাই শহরকে রক্ষার স্বার্থেই আসলে এসব অংশের ভাঙন দিয়ে পানি ছাড়তে হয়। আর তাছাড়া এখন আসলে হাওরে পানি প্রয়োজনও। নদীর পানি ভাটিতে হাওরে প্রবেশ করবে এটিই স্বাভাবিক। এসব ভাঙন আবার ফসল রক্ষার জন্য বর্ষার পর সংস্কার করা হবে। এটি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যে জানা গেছে, দুদিনের টানা বর্ষণ এবং উজানে ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বুধবার সকাল থেকে খোয়াই নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে চলে যায়। সকাল ১০টায় নদীর চুনারুঘাট উপজেলার বাল্লা সীমান্তে খোয়াই নদীর পানি বিপৎসীমার ১৩১ সেন্টিমিটার এবং শহরের মাছুলিয়া পয়েন্টে ৭৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

কুশিয়ারা নদীর পানি বানিয়াচং উপজেলার মার্কুলী পয়েন্টে ২১ সেন্টিমিটার এবং কালনী নদীর পানি আজমিরীগঞ্জ পয়েন্টে ৩১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। দুপুর ১টার পর থেকে খোয়াই নদীর পানি বাল্লা পয়েন্টে কমতে শুরু করেছে।


আরও খবর



২০২৪-২৫ অর্থবছরে স্বাস্থ্য বাজেট কেমন হওয়া উচিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ

Image

আমরা জানি, স্বাস্থ্য খাতে পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ না করলে স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান অবস্থার উন্নয়ন করা সম্ভব নয়। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা দুর্নীতিমুক্ত করে চিকিৎসক, নার্স ও চিকিৎসা সহায়কদের গুণগত মান উন্নয়ন করে স্বাস্থ্য সেবায় আমূল পরিবর্তন করা সম্ভব।

দ্যা শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ জাতিসংঘে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধিতে যথাসাধ্য অবদান রেখেছে। কমিউনিটি স্বাস্থ্য সেবার শক্ত ভিত গড়ে তুলতে পারলেই এই খাতে পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব। বাংলাদেশে গত দুই দশকে বাজেটে স্বাস্থ্য খাতের জন্য বরাদ্দ রয়েছে মোট জিডিপির ১ শতাংশেরও কম। যা মালদ্বীপে ৯.১৪% , ভারতে ১.১% , কিন্তু বাংলাদেশে ০.৪৭% । স্বাস্থ্য সেবা উন্নয়নে সরকার জিডিপি ২% বরাদ্দ রাখলে ভালো হয়, তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সুপারিশ করেছে মোট জিডিপির ৫% -এ উন্নিত করা। অবশ্যই পাঁচটি মৌলিক অধিকারের একটি হচ্ছে স্বাস্থ্য। সরকারের কাছে এই স্বাস্থ্য যদি অগ্রাধিকার প্রাপ্ত হয়, তাহলে স্বাস্থ্য খাতে অবশ্যই বাজে বৃদ্ধি করা উচিত বলে আমি মনে করি।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৪০০ বিলিয়ন টাকা বাজেট বরাদ্দ করা হলেও তা অপ্রতূল। কারণ মূল বাজেট ৮ লাখ কোটি টাকা - এর ১০% এর থেকেও ৪০০ বিলিয়ন টাকা অনেক কম। বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন বাজেটে জনগণের স্বাস্থ্য উন্নয়নে ১০% বরাদ্দ রাখার দাবি করে আসছে দীর্ঘদিন যাবৎ। এমতাবস্থায় গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে ২৯ হাজার কোটি টাকা স্বাস্থ্যক্ষেত্রে ছিল এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাজেট এর পরিমাণ ছিল ৩৮ হাজার কোটি টাকা।

দেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ইকুইপমেন্ট দেখাশোনার জন্য বায়ো মেডিকেল টেকনোলজিস্ট প্রয়োজন। এ ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিৎ। চিকিৎসা সেবা, মেডিকেল শিক্ষা ও গবেষণার জন্য আলাদা অতিরিক্ত বাজেট দেয়া প্রয়োজন। ব্যাসিক সাবজেক্টে শিক্ষক-স্বল্পতা কাটিয়ে উঠতে হবে। এক্ষেত্রে অবসরপ্রাপ্তদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা যেতে পারে।

দ্যা শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ কমিউনিটি ক্লিনিক এর ধারণা জাতিসংঘের প্রশংসা অর্জন করেছে। ৭০টি দেশে এই কমিউনিটি ক্লিনিকের ধ্যান-ধারণা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বাংলাদেশে ৩০টি ওষুধ কমিউনিটি ক্লিনিকে বিনামূল্যে দেওয়া হয়। কমিউনিটি ক্লিনিকের এই স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহায়তা প্রদান করতে হবে। এছাড়া উপজেলা ও জেলা স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে গড়ে তুলতে হবে। হেলথ কার্ড এবং স্বাস্থ্য বীমা প্রবর্তনের মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতকে আরো উন্নত করা সম্ভব। এক্ষেত্রে অটোমেশনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরি করা প্রয়োজন।

বাজেট বাড়ানো এবং তার ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য পরিকল্পনা করে এবং বাজেট সমন্বয়ের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। অর্থাভাবে ইমার্জেন্সি সেবা দেওয়া না গেলেও স্বায়ত্তশাসন দেয়া প্রয়োজন। সীমিত বাজেট থাকা সত্ত্বেও, অপচয় ও দুর্নীতি রোধ করে দক্ষতা বাড়িয়ে বাজেটের অর্থ সর্বোচ্চ ব্যবহার করা সম্ভব - এ ব্যাপারে সামগ্রিক কৌশলগত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

আরও বেশি শক্তিশালী এবং গতিশীল নেতৃত্বের মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাতকে সুদৃঢ়করণ করে বাংলাদেশেই যেন সকল রোগীর চিকিৎসা প্রদান করা সম্ভব হয় তার ব্যবস্থা করতে হবে। সহজে যেন কেউ বিদেশে চিকিৎসা করার ব্যাপারে আগ্রহী না হয়, এ বিষয়টি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আর্থিক অসচ্ছলতার জন্য কেউ যেন চিকিৎসা বঞ্চিত না হয় তার জন্য বিশেষ স্কিম চালু করা প্রয়োজন। এই বাজেটেই  এ সম্পর্কে নতুন নির্দেশনা আসলে ভালো হয়।

বারবার পাঁচবার নির্বাচিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সারা বিশ্বে এখন উন্নয়নের রোল মডেল। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, সমুদ্র বিজয়, মহাকাশ বিজয়, কর্ণফুলী টানেল, এক্সপ্রেসওয়ে, বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল এর ফলাফল পুরো জাতির কাছে দৃশ্যমান। তবে মানুষের চোখের আড়ালে রয়ে গেছে স্বাস্থ্য খাতে মানুষের গড় আয়ু ৭৩ বছরে উন্নিতকরণ। মাতৃমৃত্যু - শিশুমৃত্যুর হার কমেছে, MDG Award, Women Empowerment Award, South South Award সহ ১৬ টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার স্বাস্থ্যখাতে অর্জন করা গেছে, যা বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম সফলতা।  কমিনিটি ক্লিনিক "দ্যা শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ" হিসেবে জাতিসংঘে সমাদৃত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় সহ ৫টি মেডিকেল স্থাপন করা হয়েছে, যাতে করে দেশের সকল রোগী দেশেই চিকিৎসা নিতে পারে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে লিভার, কিডনি, হৃদরোগ, ক্যান্সার, চক্ষু ও অন্যান্য সকল চিকিৎসা কম খরচে দেওয়া হয়। গ্রামাঞ্চলে ভিশন সেন্টার চক্ষু চিকিৎসায় অবদান রাখছে। কম খরচে মৌলিক চাহিদা পূরণ ও অসংক্রমুখ রোগ সমূহ নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। পুষ্টি উন্নয়ন ও স্বাস্থ্যসূচক সমূহ ব্যাপক অগ্রগতি করা গেলে ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের পূর্বশর্ত স্মার্ট স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এক্ষেত্রে হাসপাতালে কনসাল্টেন্ট নিয়োগ, উপজেলা ও জেলা হাসপাতালে পর্যাপ্ত কন্সাল্টেন্ট নিয়োগের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা প্রান্তিক পর্যায়ে উন্নত করা প্রয়োজন।

সুস্থ জাতি শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তোলার মূল চালিকাশক্তি। আগামী ২০২৪-২৫ বাজেটে মূল বাজেটের ১০% স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ রাখা প্রয়োজন। যা চিকিৎসা সেবায়, স্বাস্থ্য শিক্ষায় ও গবেষণা উন্নয়ন করা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে উপজেলায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্য প্রদান করা সম্ভব হবে। দেশের অগ্রগতি উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে, স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বৃদ্ধির বিকল্প নাই।

লেখক: সদ্য সাবেক উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়; ও সাবেক মহাসচিব, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন।


আরও খবর



বয়স্ক ভাতার আওতায় আসছেন আরও ২ লাখ মানুষ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

নতুন অর্থবছরে বয়স্ক ভাতাভোগীর সংখ্যা দুই লাখ বৃদ্ধি করে ৬০ লাখ এক হাজার জনে উন্নীত করা হবে এবং এ বাবদ চার হাজার ৩৫১ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। এছাড়া, ভাতাপ্রাপ্ত বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারীর সংখ্যা বিদ্যমান ২৫ লাখ ৭৫ হাজার জন থেকে বৃদ্ধি করে ২৭ লাখ ৭৫ হাজার জনে উন্নীত করারও প্রস্তাব দেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এ প্রস্তাব দেন।

তিনি বলেন, সামাজিক নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১ লাখ ৩৬ হাজার ২৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করছি, যা ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১ লাখ ২৬ হাজার ২৭২ কোটি টাকা ছিল।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ ও জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে তাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থা বিবেচনায় সকল শ্রেণির বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানি ভাতা ২০২১-২২ অর্থবছরে ন্যূনতম ২০ হাজার টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। এছাড়া, তাদের আবাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিনামূল্যে ৩০ হাজার বীর নিবাস নির্মাণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ১১ হাজার ৫৭টি বীর নিবাস নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে সাত লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। এবার বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ কমছে। চলতি অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের তুলনায় আগামী অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতি কম ধরা হয়েছে পাঁচ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। অনুদান ছাড়া বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে দুই লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। তবে, অনুদানসহ সামগ্রিক ঘাটতি দাঁড়াবে দুই লাখ ৫১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ আগামী অর্থবছর চার হাজার ৪০০ কোটি টাকা অনুদান পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।


আরও খবর



বাড্ডায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, নিহত ১

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঢামেক প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর বাড্ডা এলাকার একটি ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন নিহত হয়েছেন। প্রাথমিকভাবে ওই ব্যক্তির নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) ভোরের দিকে বিস্ফোরণ ঘটে বাড্ডা ডিআইটি রোডের তিনতলা একটি ভবনের নিচতলায়। ঘটনার পরপরই বারিধারা ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালায়।

ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার (সদর) তালহা বিন জসিম জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় একজন পুরুষ নিহত হয়েছেন ও একজন আহত হয়েছেন।

প্রাথমিকভাবে নিহত ব্যক্তির নাম পরিচয় জানা যায়নি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনার বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

নিউজ ট্যাগ: গ্যাস লিকেজ

আরও খবর