আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম

বেতাগীতে ভিজিএফের চাল জব্দের তদন্ত নিয়ে ধোঁয়াশা

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ এপ্রিল ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ এপ্রিল ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
Image

বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

বরগুনার বেতাগীতে ভিজিএফের ১শ বস্তা চাল জব্দের ঘটনায় চলছে নানা চালবাজী। এতে ফেঁসে গেছেন চাল জমা রাখা ঘর মালিক কবির হাওলাদার। মিথ্যা মামলায় হয়রানি করার প্রতিবাদে গত ১৪ এপ্রিল তিনি বরগুনায় সংবাদ সম্মেলন করেন আর এনিয়ে থানায় লোক দেখানো মামলা হলেও এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে পাচারচেষ্টাকারী মুল হোতারা।

উপজেলা মৎস্য অর্গানাইজার সঞ্জয় বাদি হয়ে ৪ মার্চ মোকামিয়া ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ফারুক হোসেন খোকনের চাচাত ভাই বেতাগী সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কবির হাওলাদারের নামে ২৫/গ দ্বারায় মামলা করেন, যার নম্বর- ০২।

বেতাগী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আনোয়ার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মামলা হয়েছে। এখন আইনানুগ তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: মোটরসাইকেল চলাচলে প্রস্তুত পদ্মা সেতুর নির্দিষ্ট লেন

জানা গেছে, জাটকা নিষিদ্ধকালীন সময়ের মোকামিয়া ইউনিয়নের জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফের চাল একটি ঘরে মজুদ রাখা হয়েছে। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার ২ মার্চ রাত সারে ১১ টায় মোকামিয়া ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ফারুক হোসেন খোকনের চাচাত ভাই বেতাগী সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কবির হাওলাদারের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে ১শ বস্তাচাল জব্দ করে বেতাগী মৎস্য কর্মকর্তা সমাপ্তি সাহা।

এ নিয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির ৩ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নিদের্শনা থাকলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন প্রতিবেদন পেশ করা হয়নি এমনটাই সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। তাছাড়া তদন্ত কমিটি নিয়েও রয়েছে ধোঁয়াশে। যাকে তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে। তিনিই তদন্ত কমিটির সংবাদ সম্মেলনে কবির হাওলাদার অভিযোগ করেন, আমার অনুপস্থিতিতে আমার স্ত্রী মলিনা বেগমের উপর প্রভাব খাটিয়ে ঘরের বারান্দায় মোকামিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী জালাল আহম্মেদের নেতৃত্বে সাময়িক চাল জমা রেখে যায়।

এ ঘটনায় ওই রাতেই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে ছিলো উপজেলা প্রশাসন। সেই তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যকে বাঁচানোর জন্য উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমাকে ফাঁসাতে মামলা করা হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, যারা চাল রেখে গেলো, তারা প্রশাসনের সামনে স্বীকার করলো যে তারাই আমার বাড়িতে চাল রেখে গেছে। কিন্ত তারা আসামী হলোনা কেন? আমি অসুস্থ মানুষ, আমি জানতে চাই কোন অপরাধে আমার নামে মামলা হলো? আমি এই দেশের নাগরিক, আমার জানার অধিাকার রয়েছে, কিন্ত আমাকে তারা জানাচ্ছেনা আমি কি দোষ করেছি। আমি মামলা থেকে পরিত্রান চাই। 

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, চালের সাথে প্রকৃত অপরাধী কারা তা এখন স্থানীযদের মুখে মুখে এবং পাচারচেষ্টাকারী সংশ্লিষ্টরা জনপ্রতিনিধিরাও একাধিক গণমাধ্যমে এক ইউনিয়নের চাল অন্য ইউনিয়নে মওজুদ করার ঘটনা স্বীকার করলেও (যার একাধিক অডিও- ভিডিও রয়েছে) স্বাভাবিকভাবেই তাদের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার কথা কিন্ত তা না করে ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য প্রশাসন চাল জমা রাখা ঘর মালিককে আসামী করে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

এমনকি মোকামিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মোকামিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গাজী জালাল আহমেদও এ প্রতিবেদককে বলেন, জনগণের কথা বিবেচনা করে অতিরিক্ত পরিবহন খরচ বাঁচাতে ওই চাল এখানে রাখা হয়েছে। সকলের সুযোগ সুবিধার কথা বিবেচনা করে আমি চেয়ারম্যান হিসেবে এই চাল এখানে রেখেছি। যদি বিতরণের উদ্দেশ্যেও জমা রাখা হয় তবুও এক ইউনিয়নের চাল অন্য ইউনিয়নে মওজুত রাখা কতটা যৌক্তিক? তার পরেও প্রশাসনের এহোনো পদক্ষেপে জনমনে নানা প্রশ্নও রহস্যের তৈরি করেছে। তাদের ধারনা ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এমনটিই করা হয়েছে।

স্থানীয় একাধিক জেলেরা জানান, মোকামিয়া ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ডের জেলেদের চাল বিতরণ ৩১ মার্চ সম্পন্ন হয়েছে অথচ আমাদের এই দুই নম্বর ওয়ার্ডের অনেক জেলেকে ৮০ কেজির পরিবর্তে মাত্র ৩০ কেজি চাল দেয়া হয়েছে। আমারা আমাদের প্রাপ্য চাল পেতে চাই এবং এই চাল নিয়ে চালবাজি কারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবী করছি।

বেতাগী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সমাপ্তি সাহা বলেন, আমি উপস্থিত থেকে যেহেতু চাল জব্দ করেছি, সেখানে আমি কি করে আবার সেই তদন্ত কমিটিতে থাকি। তবে আমার দপ্তরের পক্ষ থেকে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা এবং ইউএনও স্যারের নির্দেশে চাল জমা রাখা ব্যক্তি কবির হাওলাদারের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

বেতাগী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: সুহৃদ সালেহীন জানান, এখনো তদন্ত প্রতিবেদন আমার হাতে পৌঁছেনি। প্রতিবেদন হাতে পেলে সব কিছু বলতে পারবো।


আরও খবর



২৭ জেলায় ছড়িয়েছে বিষধর সাপ রাসেলস ভাইপার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাসেলস ভাইপার বা চন্দ্রবোড়া। সবচেয়ে বিষধর সাপগুলোর অন্যতম। বহু বছর দেখা না গেলেও ২০১২ সালের পর বরেন্দ্র এলাকায় চোখে পড়ে রাসেলস ভাইপার। গত বছর ছড়িয়ে পড়ে অনেক এলাকায়।

দেশের ২৭ জেলায় ছড়িয়েছে বিষধর সাপ রাসেলস ভাইপার। বেশি ছড়াচ্ছে পদ্মা নদীর তীরবর্তী জেলাগুলোতে। এই তথ্য সরকারের ভেনম রিসার্চ সেন্টারের। গবেষকেরা বলছেন, অনুকূল আবহাওয়ার কারণেই ছড়াচ্ছে রাসেলস ভাইপার। এই সাপের কামড়ে দেড় বছরে শুধু রাজশাহী মেডিকেলেই মারা গেছেন অন্তত ১৮ জন।

রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা, জয়পুরহাট, ঝিনাইদহ, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, রাজবাড়ী ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, ঢাকা, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, বরগুনা, ঝালকাঠিএসব জেলায় ছড়িয়ে রাসেলস ভাইপার।

রাসেলস ভাইপার সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীতে। দেড় বছরে এ সাপের কামড়ে শুধু রাজশাহী মেডিকেলেই ভর্তি হয়েছেন ৬৮ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের।

গবেষকেরা বলছেন, মূলত পদ্মা অববাহিকায় চাঁদপুর, মাদারীপুর, মানিকগঞ্জ এমনকি ঢাকাতেও দেখা মিলছে রাসেলস ভাইপারের। এটিই একমাত্র বিষধর সাপ, যে বাচ্চা দেয়। প্রতিবারে জন্ম নেয় ৪০ থেকে ৫০টি বাচ্চা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এনসিডিসির লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক রোবেদ আমিন বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অতিরিক্ত আদ্রতা ও অতিরিক্ত গরম অনুভূত হচ্ছে। আর নদীর পানির পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। লবণাক্ত এলাকা বাড়ছে। এমন পরিবেশ রাসেলস ভাইপারের জন্য উপযুক্ত। শুধু এদের বেঁচে থাকার জন্য নয়, তাদের বংশবৃদ্ধির জন্যও।

ভেনোম রিসার্চ সেন্টারের প্রধান গবেষক অধ্যাপক অনিরুদ্ধ ঘোষ বলেন, ভারতবর্ষের যে অংশটা আমাদের রাজশাহী এলাকার সঙ্গে লাগোয়া, ওই অঞ্চল হয়ে পানির সঙ্গে স্রোতের মাধ্যমে গঙ্গা পদ্মা হয়ে সেটা এখানে চলে এসেছে। দেখা গেছে যে এই নদীর মাধ্যমেই ছড়িয়ে গেছে। এগুলো পদ্মার নিচের দিকের এলাকায় যেমন রয়েছে, তেমনই রয়েছে উপরের এলাকাতেও।

এরই মধ্যে ৫০টি রাসেলস ভাইপার সংগ্রহ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। চলছে এন্টি ভেনম তৈরির গবেষণা। বর্তমানে এই সাপে কাটলে দেওয়া হয় ভারতে তৈরি এন্টি ভেনম।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এনসিডিসির লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক রোবেদ আমিন বলেন, নিজস্ব সাপের বিরুদ্ধে যখন নিজস্ব অ্যান্টি ভেনম তৈরি হবে, তখন আমরা বলতে পারব আমরা এই সাপে কাটা রোগীদের সঠিক সেবা দিতে পারছি। এর আগ পর্যন্ত আমাদের ভারতের অ্যান্টিভেনমের ওপর ভরসা করে থাকতে হবে।

কিছুটা অলস প্রকৃতির রাসেলস ভাইপারের প্রধান খাবার ইঁদুর, ব্যাঙ, পোকামাকড়। তাই ফসলি জমিতে দেখা যায় একে। ফলে, আতঙ্কে অনেক এলাকার কৃষক।


আরও খবর



হত্যা মামলার প্রধান আসামি দাগনভূঞা ইউপি চেয়ারম্যান

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও রাজাপুর ইউপি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন মামুন। দাগনভূঞায় পৌর এলাকার ভূঞা ম্যানশন দখলের চেষ্টা ও হামলায় গৃহকর্তা আবদুল গফুর ভূঞার মৃত্যুর ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যানকে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা রুজুর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২ জুন) গৃহকর্তার বড় ছেলে রিয়াদ হোসেন রাজু বাদী হয়ে আদালতে মামলা করলে দাগনভূঞা আমলী আদালতের বিচারক ও সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারহানা লোকমান এ আদেশ দেন।

এ মামলায় অন্য আসামিরা হলেন- নির্মল সাহা (৫০), চয়ন সাহা (৩৫), দহন সাহা (৩০), আইয়ুব আলী (৪৫), ছেরাজুল হক প্রকাশ হকসাব (৫০) এবং ইকবাল।

জানা গেছে, কাতার প্রবাসী আবদুল গফুর ভূঞা প্রায় ১৫ বছর আগে দাগনভূঞা পৌর এলাকার হাসপাতাল রোডের পলাশ চন্দ্র সাহার কাছ থেকে ছয় শতক জায়গা ক্রয় করেন। ওই জায়গায় ২০১৩ সালে পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করেন। ২০২৩ সালে কাতার থেকে দেশে ফেরার পর পলাশ চন্দ্র সাহার ভাগ্নে সয়েল সাহা নিজেকে ওই জায়গার মালিক বলে দাবি করেন। তার কাছ থেকে জায়গাটির আমমোক্তারনামা নেন দাগনভূঞা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন মামুনের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত ইকবাল নামে এক ব্যক্তি।

বুধবার (২৯ মে) দাগনভূঞা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সময়ে আবদুল গফুর ভূঞার বাসা ভূঞা ম্যানশনে ৪০-৫০ জন যুবক হামলা চালিয়ে জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। এ সময় তারা নিচতলায় দরজার বাইরে থেকে আটকিয়ে দ্বিতীয় তলায় গফুর ভূঞার বাসায় ঢুকে তার স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে, পুত্রবধূ ও দেড় বছর বয়সী নাতনিকে মারধর করে। পরে ভবনের বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।

নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ প্রবাসজীবন শেষে দেশে ফেরার পর ক্যান্সার আক্রান্ত হন আবদুল গফুর ভূঞা। হামলার ঘটনার একদিন আগেও ভারতের চেন্নাই থেকে চিকিৎসা নিয়ে দেশে ফেরেন তিনি।

মামলার বাদী রিয়াদ হোসেন রাজু বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে ভবন ও জায়গা দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। রাজাপুর ইউপি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন মামুন বাড়ি ছেড়ে দিতে বারবার হুমকি দিয়েছেন। তার নির্দেশে এ হামলা হয়েছে। হামলাকারীরা বাবাকে এলোপাথাড়ি কিলঘুষি মারে। এ সময় তার শরীরের অস্ত্রোপচারের স্থানে আঘাত লাগে। এতে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে বাবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শনিবার (১ জুন) সকালে ঢাকায় নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়। এদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় দাগনভূঞা সদর ইউনিয়নের জগতপুর এলাকায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে বাবাকে দাফন করা হয়েছে। আমি এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের ও মদদদাতাদের বিচার চাই।

এ ব্যাপারে জানতে অভিযুক্ত উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও রাজাপুর ইউপি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন মামুনকে একাধিকবার কল করা হলেও সাড়া মেলেনি।

দাগনভূঞা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসিম বলেন, এ ঘটনায় থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। তবে আদালতে একটি মামলা হয়েছে। আদালতের আদেশ পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজ ট্যাগ: দাগনভূঞা ফেনী

আরও খবর



আনার হত্যা: আ. লীগ নেতা ‘গ্যাস বাবু’ আটক

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

কলকাতায় সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার শিমুল ভূঁইয়ার এক নিকটাত্মীয় আটক হয়েছেন। তার নাম কাজী কামাল আহম্মেদ বাবু ওরফে গ্যাস বাবু

বৃহস্পতিবার (০৬ জুন) রাতে ঝিনাইদহ শহরের আদর্শপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আটক বাবু ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক।

স্থানীয়রা জানান, এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যা মামলার অন্যতম আসামি শিমুল ভুঁইয়ার নিকটাত্বীয় কাজী কামাল আহম্মেদ বাবু। আনার হত্যার ঘটনায় তার কাছ থেকে তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন উদ্দিন আটকের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, রাতে ডিএমপি (ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ) থেকে ডিবি (গোয়েন্দা) পুলিশের সদস্যরা ঝিনাইদহে এসেছিলেন। তারা বাবুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে নিয়ে গেছেন। তবে কোন মামলায়, কোন বিষয়ে নিয়ে তা আমি নিশ্চিত বলতে পারছি না।


আরও খবর



পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদপানে গৃহবধূর মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গাজীপুর প্রতিনিধি

Image

পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদপান করে অসুস্থ হয়ে ঈশিতা রানী মন্ডল (২৪) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। গত বুধবার (২০ জুন) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গুলশানের এভার কেয়ার হাসপাতালে তিনি মারা যান।

মৃত ঈশিতা রানী মণ্ডল গাজীপুর সিটি করপোরেশনের গাছা থানার বাসিন্দা বিপ্লব মল্লিকের স্ত্রী। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে গাছা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

ডিএমপির গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রোজিনা আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনাটি গাজীপুরের গাছা থানা এলাকার। তিনি মারা গেছেন এভার কেয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে। ওই থানার নারী পুলিশ কর্মকর্তা ছুটিতে থাকায় আমরা ডিসি স্যারের কথা মতো থানাটির পুলিশের সহযোগিতায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করি।

পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে পুরো বিষয়টি গাজীপুরের গাছা থানা তদন্ত করছে বলে জানান এসআই।

গাছা থানা সূত্রে জানা গেছে, ১৭ জুন পরিবারিক গেট-টুগেদার অনুষ্ঠানে মদপান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন ঈশিতা। স্বজনরা ১৮ জুন বিকালে তাকে উত্তরার ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে রাত ৯টার দিকে তাকে ভাটারা এলাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

ঈশিতার স্বামী বিপ্লব মল্লিক স্টেশনারি ব্যবসায়ী। তার বাড়ি গাজীপুরের গাছা উপজেলার জামর মল্লিক গ্রামে। তার দুটি মেয়ে রয়েছে।


আরও খবর



সেন্টমার্টিন নিয়ে সরকারের নীরবতা দাসসুলভ আচরণ: ফখরুল

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সেন্টমার্টিন ইস্যুতে সরকারের নীরবতা দাসসুলভ মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (১৫ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপে যাওয়ার পথে মিয়ানমার থেকে গুলি করা হচ্ছে, সেখানে খাদ্য সংকট দেখা দিচ্ছে কিন্তু সরকার এখনো নীরব। সরকারের নতজানু নীতির কারণেই এমন হচ্ছে। বাংলাদেশকে পরনির্ভরশীল রাষ্ট্র বানিয়ে ফেলেছে সরকার। সীমান্তে হত্যা করলেও পানি না দিলে সরকার কথা বলে না।

ফখরুল বলেন, বেনজীর, আজিজ ও আনারের ভয়াবহ অনিয়ম দুর্নীতির তথ্য গণমাধ্যমে উঠে আসতে শুরু করেছে। ভাইদের পাসপোর্ট জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ওঠা সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজের বিচার দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, সাবেক পুলিশপ্রধান ডাকাতের মতো সম্পদ অর্জন করেছেন। বর্তমান সরকারের থলের বিড়াল বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। ডান-বাম সব রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।

সরকার পতনের আন্দোলনে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ারও আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।


আরও খবর