আজঃ শনিবার ১৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

বেনাপোল-মোংলা রুটে ট্রেন চলাচল শুরু ১ জুন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | পত্রিকায় প্রকাশিত
এম এ রহিম, বেনাপোল (যশোর)

Image

বেনাপোল বন্দর থেকে মোংলায় রেল চলাচল আগামী ১ জুন থেকে চালু হচ্ছে । এর ফলে উপকৃত হবে যাত্রীরা। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল রেল স্টেশন মাস্টার সাইদুর রহমান।

স্টেশন মাস্টার বলেন, আগামী ১ জুন (শনিবার) সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বেনাপোল থেকে মোংলার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে কমিউটার ট্রেনটি। এ ট্রেনটি খুলনা ফুলতলা হয়ে যাবে মোংলায়।

এর আগে গত ১ নভেম্বর খুলনা টু মোংলা পর্যন্ত নতুন রেল লাইনের পরীক্ষামূলক উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনের প্রায় ৭ মাস পর এ রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হচ্ছে।

রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের সহকারী চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট মো. আব্দুল আওয়াল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ১ জুন সকাল সোয়া ৯টায় বেনাপোল থেকে ট্রেন ছেড়ে যাবে মোংলার উদ্দেশে। ট্রেনটি পৌঁছাবে দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে। এরপর মোংলা থেকে ট্রেনটি ছাড়বে দুপুর ১টায় এবং বেনাপোলে পৌঁছাবে বিকেল সাড়ে ৪টায়। মঙ্গলবার ছাড়া সপ্তাহের অন্যান্য দিন এই রুটে একই সময়ে ট্রেন চলাচল করবে। এই রুটের দূরত্ব ১৩৮ দশমিক ৬৪ কিলোমিটার।

বেনাপোল থেকে ট্রেন ছাড়ার পর নাভারণ, ঝিকরগাছা, যশোর জংশন, রূপদিয়া, সিঙ্গিয়া, চেঙ্গুটিয়া, নওয়াপাড়া, বেজেরডাঙ্গা, ফুলতলা, আড়ংঘাটা, মোহাম্মদনগর, কাটাখালি, চুলকাটি বাজার, ভাগা ও দিগরাজ স্টেশনে যাত্রাবিরতির পর মোংলায় যাবে।

খুলনা-মোংলা রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প পরিচালক মো. আরিফুজ্জামান জানান, খুলনা থেকে মোংলা পর্যন্ত রেল লাইন ট্রেন চলাচলের জন্য পুরোপুরি উপযোগী রয়েছে। ৮ স্টেশনে আসবাবপত্রসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য সরঞ্জামও পৌঁছে গেছে।

রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার অসীম কুমার তালুকদার জানান, খুলনা-মোংলা রুটের জন্য এখনও জনবল নিয়োগ সম্পন্ন হয়নি। রেলওয়ের বিভিন্ন জায়গা থেকে জনবল এনে আপাতত ন্যূনতম জনবল দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। তবে এই রুটে ট্রেন চলাচলের কোনো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে না।


আরও খবর



ডয়চে ভেলের তথ্যচিত্র বিভ্রান্তিমূলক: আইএসপিআর

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

জাতিসংঘে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের নিয়ে ডয়চে ভেলে (ডিডব্লিউ) বিভ্রান্তিমূলক তথ্যচিত্র প্রচার করেছে বলে দাবি করেছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)।

শনিবার (২৫ মে) এক গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদলিপিতে এমন দাবি করা হয়।

প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, অতি সম্প্রতি ডয়েচে ভেলে (ডিডব্লিউ) কর্তৃক প্রচারিত টরচারার্স ডেপলয়েড এজ ইউএন পিসকিপার্স শিরোনামে প্রচারিত তথ্যচিত্রে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সেনাসদস্যদের নিয়ে একটি বিভ্রান্তিমূলক প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।

উল্লেখ্য, শান্তিরক্ষী নির্বাচনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতিসংঘের কঠোর নির্বাচন এবং যাচাইকরণ প্রক্রিয়া অনুসরণপূর্বক সব সময়ে সবচেয়ে যোগ্য এবং পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাইকৃত সেনাসদস্যদের মোতায়েন নিশ্চিত করে। সর্বদা এই প্রক্রিয়া অনুসরণের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী  শান্তিরক্ষী নির্বাচনে উচ্চমানের আচরণবিধি এবং পেশাগত দক্ষতার দায়বদ্ধতা প্রমাণ করেছে।

অধিকন্তু, তথ্যচিত্রে উপস্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে ডয়েচে ভেলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছ থেকে কোনো মন্তব্য গ্রহণ করেনি। পক্ষপাতমূলক ও একপেশে এই প্রতিবেদনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য প্রশ্নবিদ্ধ।

তথ্যচিত্রে অপ্রাসঙ্গিকভাবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভিডিও ফুটেজ ব্যবহার করে অপর একটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মানহানি করাই এর মূল অভিপ্রায় ছিল বলে প্রতীয়মান। এটি সম্পূর্ণরূপে একটি পক্ষপাতদুষ্ট অভিপ্রয়াস, যা তথ্যচিত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা বিনষ্ট করেছে।

প্রতিবাদলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা ও মানবতার কল্যাণে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৩১ জন বীর সেনানী সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ স্বীকার করেছেন এবং ২৩৯ জন আহত হন; জাতিসংঘের পতাকা সমুন্নত রাখার চেষ্টায় এটি একটি বিরল উদাহরণ। এছাড়াও, বিগত তিন দশকে জাতিসংঘের অধীনে দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষীরা কোনো রূপ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ মুক্ত, যা একটি দৃষ্টান্তমূলক অর্জন।

উপরোক্ত বক্তব্যের প্রেক্ষিতে, আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে গণমাধ্যমসমূহের ন্যায্য এবং ভারসাম্যপূর্ণ প্রতিবেদনের নীতি মেনে চলা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এছাড়া, বিভ্রান্তিমূলক প্রতিবেদন উপস্থাপন এবং সংবাদ প্রচার বিশ্বব্যাপী শান্তিরক্ষী বাহিনীর বিশ্বাসযোগ্যতা ও কার্যকারিতা বহুলাংশে ক্ষুন্ন করবে।


আরও খবর



পরিস্কার হল জামালপুরে ঐতিহ্যবাহী গবাখাল

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জামালপুর প্রতিনিধি

Image

"আমরাই পারি, আমরাই পারবো আমার শহর, আমিই গড়বো" এই স্লোগান নিয়ে শহরের জলাবদ্ধতার দূর করার জন্য জামালপুরে ৬৫ বছর আগের খননকৃত ঐতিহ্যবাহী গবাখাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, দূষণ ও দখলমুক্ত করতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সদর আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আবুল কালাম আজাদ এর আহ্বানে প্রশাসন ও হাজারো স্থানীয় জনগণ এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

শুক্রবার (৩১ মে) সকালে শেখেরভিটা থেকে শুরু করে মনিরাজপুর, ছুটগড়, সিংড়িবিল, পলিশা, ধোপাকুড়ি, নাকাটি ও দামেশ্বর হয়ে কেন্দুয়া কালবাড়ি বাজার সংলগ্ন ঝিনাই নদীতে সংযোগ হওয়া খালটির এসব পয়েন্টে এ অভিযান করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ শফিউর রহমান, পুলিশ সুপার মোঃ কামরুজ্জামান বিপিএম, পৌর মেয়র মো: ছানুয়ার হোসেন ছানু, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও নবনির্বাচিত সদর উপজেলা চেয়ারম্যান  বিজন কুমার চন্দ, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ব ম জাফর ইকবাল জাফু, ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাসুম রেজা রহিম, বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী ও জামালপুর অনলাইন জার্নালিস্ট নেটওয়ার্কের সভাপতি জাহাঙ্গীর সেলিম সহ আরও অনেকে।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলার সকল সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, পৌরসভার কাউন্সিলবৃন্দ, জেলা আওয়ামী লীগ, পৌর আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যবৃন্দ।

এসময় স্থানীয়রাও খাল পরিষ্কারে অংশ নিয়ে পানিতে নামেন। এ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান যেন অব্যাহত রাখা হয় এ দাবি জানান তারা।

সদর আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ বলেন, বঙ্গবন্ধু যা শিখিয়েছেন যে সেটা হচ্ছে নিজে কাজ করে উদাহরণ সৃষ্টি করা। প্রধানমন্ত্রীও তাই করেন। প্যান্ট শার্ট পড়ে দাঁড়িয়ে না থেকে আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে আমরাও নিজেরা কাজ করে সাধারণ মানুষদের উবুদ্ধ করা। সেই সাথে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে খালের পাড়ে বসবাসকারী স্থানীয়দের সচেতন হতে হবে ও সকলের সচেতনতা সৃষ্টির  লক্ষ্যে আজকের এই অভিযান।

জানা যায়, পরিবেশ ও মানবকল্যাণের কথা চিন্তা করে আজ থেকে প্রায় ৬৫ বছর আগে গবাখাল খনন করা হয়। জামালপুর শহরের জলাবদ্ধতা, বন্যার কবল থেকে রক্ষার পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন ও মৎস্য আহরণের লক্ষ্যে ১৯৬০ প্রায় ৬৫ বছর আগে এই খাল খনন করা হয়। শেখেরভিটা থেকে শুরু করে মনিরাজপুর, ছুটগড়, সিংড়িবিল, পলিশা, ধোপাকুড়ি, নাকাটি ও দামেশ্বর হয়ে কেন্দুয়া কালবাড়ি বাজার সংলগ্ন ঝিনাই নদীতে সংযোগ করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: জামালপুর

আরও খবর



চেয়ারম্যান প্রার্থীর টাকা না নেওয়ায় পোলিং অফিসারকে মারধর

প্রকাশিত:সোমবার ২০ মে ২০24 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ মে ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
শাওন মিয়া (জাজিরা) শরীয়তপুর

Image

৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীর টাকা নিতে অস্বীকৃতি প্রকাশ করায় এক পোলিং অফিসারকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের মোটরসাইকেল প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ ইদ্রিস ফরাজির সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

রোববার (১৯ মে) রাতে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিকে নগর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগামীকাল ২১ মে ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত হবে জাজিরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। নির্বাচনে ২৫ নং বিকে নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মীর আবু সাইদ পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। পোলিং অফিসার হিসেবে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ নিয়ে রোববার রাতে মীর আবু সাইদ বাড়ির পার্শ্ববর্তী বিকে নগর বাজারে গিয়েছিলেন। রাত আনুমানিক ১০ টার দিকে। পরে অজ্ঞাত এক যুবককে দিয়ে মীর আবু সাইদকে বাজারের এক পাশে ডেকে নিয়ে যায় বিকে নগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান সরদার, আব্দুল আলী সরদার ও মজিবুর বানিয়া। এ সময় সাইদুর রহমান সরদারসহ অন্যান্যরা মীর ইমরান আলীকে নির্বাচনের দিন মোটরসাইকেল প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ ইদ্রিস ফরাজির পক্ষে কাজ করার জন্য অনুরোধ করেন। বিনিময়ে তাকে মোটা অঙ্কের টাকাসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হবে বলে জানানো হয়। সরকারি কাজে নিয়োজিত একজন ব্যক্তি হিসেবে মীর আবু সাইদ এমন প্রস্তাবে রাজি হননি। এরপর সাইদুর রহমান সরদার, আব্দুল আলী সরদারসহ অন্যান্যরা মীর আবু সাইদকে মারধর করেন। খবর পেয়ে মীর আবু সাইদের স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে বর্তমানে তিনি নিজ বাড়িতে অবস্থান করছেন মীর আবু সাইদ। এ ঘটনায় জাজিরা উপজেলার শিক্ষকসহ অন্যান্যদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

পোলিং অফিসার ও শিক্ষক মীর আবু সাইদ বলেন, আসছে ২১ তারিখের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব আমাকে দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে আমি বাড়িতে অবস্থান করছিলাম। এসময় ব্যক্তিগত কাজে বাজারে গেলে একজন লোক আমাকে ডেকে নিয়ে যায় সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমানসহ অন্যান্যদের কাছে। তারা আমাকে টাকার বিনিময়ে মোটরসাইকেল প্রতীকের পক্ষে কাজ করার জন্য প্রস্তাব দিলে আমি অস্বীকৃতি জানাই। এরপর তারা আমাকে মারধর করেছে। বিষয়টি নিয়ে আমি চিন্তিত হয়ে পড়েছি। বিষয়টি নিয়ে আমি আমার সিনিয়র শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের নিকট অভিযোগ দেব।

অভিযুক্ত মোটরসাইকেল প্রতীকের সমর্থক ও বিকে নগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান সরদার বলেন, আপনি কোথা থেকে বিষয়টি জেনেছেন, তা আমি জানিনা। মীর আবু সাইদ এমন কোনো বংশের ছেলে নয় যে, তাকে ম্যানেজ করতে পারলে একশ ভোট পাওয়া যাবে। তার সঙ্গে আমাদের কারও এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি৷ বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

বিষয়টি নিয়ে জানার জন্য মোটরসাইকেল প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ ইদ্রিস ফরাজির সাথে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন ধরেননি।

জাজিরা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমাজের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আফরোজা আক্তার সুমি বলেন, আমরা সরকারি চাকুরি করি। সরকারের দেওয়া দায়িত্ব পালন করাই আমাদের কাজ। নির্বাচন একটি রাজনৈতিক ইস্যু। কারও পক্ষ নিয়ে কাউকে রাজনৈতিক ভাবে সুযোগ সুবিধা প্রদান করা সম্পূর্ণ অনৈতিক ও আইনগত ভাবে অন্যায়। আমাদের শিক্ষক মীর আবু সাইদ এমন একটি প্রস্তাবে সম্মতি না দেওয়ায় তাকে মারধর করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ ভাবে অন্যায়। বিষয়টি নিয়ে আমরা উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ দায়ের করব।

বিষয়টি নিয়ে জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সাদিয়া ইসলাম লুনা বলেন, বিষয়টি নিয়ে এখনো কেউ অভিযোগ দেয়নি। যদি লিখিত অভিযোগ পাই, তাহলে আইনগতভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর



অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন পি কে হালদার

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
কূটনৈতিক প্রতিবেদক

Image

মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে ১৪ দিনের জন্য অন্তর্বর্তী জামিন পেয়েছেন বাংলাদেশ থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারে অভিযুক্ত প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদার। প্যারোলে (অন্তর্বর্তী জামিন) মুক্তি পাচ্ছেন তার ভাই এবং এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত প্রাণেশ হালদারও।

এই মুহূর্তে তারা কলকাতার প্রেসিডেন্সি কারাগারে বন্দি। সূত্র জানিয়েছে, আজ বুধবার (৫ জুন) সন্ধ্যার দিকে তারা ছাড়া পেতে পারেন।

মায়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার জন্য মানবিক কারণে পি কে হালদার ও প্রাণেশ হালদারের পক্ষে গত সোমবার (৩ জুন) ১৫ দিনের জন্য অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন করেন তাদের আইনজীবী বিশ্বজিৎ মান্না। এর বিরোধিতা করে মাত্র চারদিনের প্যারোলের দাবি জানান ইডির আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী। মঙ্গলবার ফের তার শুনানি ছিল।

এদিন দুপক্ষের আইনজীবীদের কথা শোনার পর কলকাতার নগর দায়রা আদালতের বিশেষ ইডি কোর্ট-১র বিচারক প্রসন্ন মুখোপাধ্যায় তাদের দুই ভাইকে ১৪ দিনের অন্তর্বর্তী জামিন দেন।

এ প্রসঙ্গে ইডির আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী জানান, আদালত জানিয়ে দিয়েছেন, অভিযুক্তরা প্যারোলে মুক্তি পেলেও কলকাতা পুলিশ কমিশনারেট এবং বিধান নগর পুলিশ কমিশনারেটের এখতিয়ারের বাইরে বেরোতে পারবেন না। তারা সারাক্ষণ জেল কর্তৃপক্ষের নজরদারিতে থাকবেন। ১৪ দিনের প্যারোলের মেয়াদ শেষে আগামী ১৮ জুন আদালতে এসে তাদের আত্মসমর্পণ করতে হবে।

পি কে হালদারের মা প্রয়াত লীলাবতী হালদারের বিরুদ্ধেও দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন রোগে ভোগার পর গত ২৮ মে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় লীলাবতী দেবীর। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট থেকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। আপাতত লীলাবতীর মরদেহ সংরকক্ষণ করা রয়েছে কলকাতার পিস ওয়ার্ল্ডে।

কিন্তু তার দুই সন্তান এই মামলার অন্যতম দুই অভিযুক্ত পি কে হালদার এবং প্রাণেশ কুমার হালদার কারাগারে বন্দি থাকায় এখন পর্যন্ত মায়ের সৎকার সম্ভব হয়নি। ফলে হিন্দু ধর্মমতে প্রয়াত মায়ের অন্ত্যেক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আদালতের কাছে অন্তর্বর্তী জামিনের আর্জি জানিয়েছিলেন অভিযুক্তদের আইনজীবী।


আরও খবর



শঙ্কা উড়িয়ে ২ উইকেটের জয়ে বিশ্বকাপে শুভসূচনা বাংলাদেশের

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

শ্রীলঙ্কাকে অল্পতেই আটকে রেখে কাজটা আগেই সহজ করে দিয়েছিলেন বাংলাদেশের বোলাররা। ছোট এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও বেশ চাপে ছিলেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। তবে সব শঙ্কা উড়িয়ে শেষ পর্যন্ত ২ উইকেটের জয়ে বিশ্বকাপে শূভসূচনা করলো লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

শনিবার (৮ জুন) ডালাসের গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৪ রানের সংগ্রহ করে শ্রীলঙ্কা। জবাবে ২ উইকেট এবং ১ ওভার হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় টাইগাররা।

এর আগে, ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম দুই ওভারে ১৩ রান তুলে নেয় শ্রীলঙ্কা। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে আক্রমণে আসেন তাসকিন। তার ওভারের প্রথম দুই বলেই চার হাঁকান কুশল মেন্ডিস। তবে টাইগার এই পেসারের লেংথ ডেলিভারিতে ফাঁদে পড়েন তিনি। ইনসাইড-এজে শেষ পর্যন্ত প্যাভিলিয়নে ফেরেন এই ওপেনার। এতে প্রথম উইকেটের দেখা পায় বাংলাদেশ।

ইনিংসের পঞ্চম ওভারে সাকিবের ওপর চড়াও হয়েছিলেন নিশাঙ্কা। চারটি বাউন্ডারি হাঁকান তিনি। পাঁচ ওভার শেষে ৮ বাউন্ডারির বিপরীতে একটি ছক্কা হাঁকায় লঙ্কানরা।

এরপর আক্রমণে এসেই কামিন্দু মেন্ডিস ফেরান মোস্তাফিজ। মিড-অফে তানজিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই ব্যাটার।

বাউন্ডারি-ওভার বাউন্ডারিতে বাংলাদেশকে রীতিমত দুশ্চিন্তায় রেখেছিলেন নিশাঙ্কা। তবে মোস্তাফিজ ঝলকে শেষ পর্যন্ত তাকে ফেরায় বাংলাদেশ। ১ ছক্কা ও ৭ চারে ফিফটির কাছাকাছি গিয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন তিনি।

এরপর দলীয় ১০০ পেরোনোর পরই রিশাদকে স্লগ সুইপ করতে চেয়েছিলেন আসালাঙ্কা। তবে যুতসই ছিল না। এতে স্কয়ার লেগে সাকিবের হাতে ধরা পড়েন তিনি। বিশ্বমঞ্চে এটিই রিশাদের প্রথম উইকেট।

ঠিক পরের বলেই নিজের দ্বিতীয় শিকার পেয়েছেন রিশাদ। এবার আউটসাইড-এজড হন শ্রীলঙ্কা অধিনায়ক ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। তবে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগালেও শেষ পর্যন্ত তা আর হয়নি।

এক ওভার পরেই রিশাদের ফ্লাইট আর টার্নে পরাস্ত হন ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা। এতে ১৭তম ওভারে এসে ষষ্ঠ উইকেট হারায় লঙ্কানরা।

এরপর তাসকিনের বলে জায়গায় দাঁড়িয়ে কাট করতে চেয়েছিলে দাসুন শানাকা। তবে ঠিকঠাক মতো টাইমিং না হওয়ায় প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয় তাকে।

শেষ দিকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বমঞ্চে তানজিম সাকিবের অভিষেক উইকেটে ১২৪ রানেই থামে লঙ্কানরা।


আরও খবর