আজঃ শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪
শিরোনাম

বেইলি রোডে আগুন : দুইজনের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর বেইলি রোডে যে ভবনটিতে আগুন লেগেছে সেখান থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া অচেতন অবস্থায় কয়েকজন শিশু ও নারীকে উদ্ধার করা হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে ১২ জনকে। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে অন্তত ৬০ জনকে। ভবনটিতে আরও অনেকে আটকা পড়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

বেইলি রোডের ওই ভবনের কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টে আগুনের সূত্রপাত। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট কাজ করছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক পৌনে ১০টার দিকে আগুনের সূত্রপাত বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিস মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম আগুনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ৯টা ৫০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। ৯টা ৫৬ মিনিটে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। এখন ১২টি ইউনিট কাজ করছে। গুরুতর আহত ৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে অন্তত ৬০ জনকে। ভবনে আটকা পড়েছেন অনেকে। তাদের মধ্যে স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. আহমেদ কামরুজ্জামান পরিবারসহ আটকে আছেন বলে সামাজিকমাধ্যমে পোস্ট করা হয়েছে। জাহিদুর রহমান নামে একজনের ওই পোস্টে বলা হয়েছে, কামরুজ্জামান তাকে ফোন করে জানিয়েছেন তিনিসহ অন্তত একশজন ওই ভবনে আটকা পড়েছেন।  

ঘটনাস্থলে আছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। পুলিশ সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের সহায়তা করছেন।

উদ্ধার কার্যক্রমে আনসার মোতায়েন : রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৩ প্লাটুন সাধারণ আনসার ও এক প্লাটুন আনসার গার্ড ব্যাটালিয়ন (এজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে তারা আগুন নিয়ন্ত্রণ ও আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধার করতে কাজ করছে।


আরও খবর
ঈদের পরে নতুন সময়ে চলবে মেট্রোরেল

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪

ঈদের দিন বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




জব্দের আগেই অ্যাকাউন্ট ফাঁকা করেছেন বেনজীর!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

জব্দের আগেই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা সরিয়ে নিয়েছেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবার। দুদকের তথ্যের ভিত্তিতে ২৩ মে তাদের অ্যাকাউন্ট জব্দের আদেশ দেন আদালত। তবে এসব অ্যাকাউন্টে কী পরিমাণ টাকা ছিল, তা জানা যায়নি।

তিনি দেশে আছেন কি না, তা নিয়েও ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। একটি সূত্র জানিয়েছে, পরিবার নিয়ে বেনজীর দুবাইয়ে অবস্থান করছেন।

বেনজীরের সম্পদের বিষয়ে যেসব সরকারি সংস্থা খোঁজ রাখছে, তাদের মধ্যে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা একটি জাতীয় দৈনিককে বলেন, গত সপ্তাহে তার অ্যাকাউন্টগুলো ফাঁকা করা হয়েছে। তিনি বলেন, এর আগের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে, যখনই কেউ বুঝতে পারেন তাকে ধরার চেষ্টা চলছে, তখনই তিনি টাকা সরিয়ে ফেলেন।

অবশ্য টাকা তুললেও নগদে রেখেছেন, নাকি অন্য কারও অ্যাকাউন্টে জমা করেছেন তা বের করা সম্ভব।

বেসরকারি একটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পুরো বিষয়টি আরও পরিষ্কার করে বলেন, ডকুমেন্টের ভিত্তিতে কাজ করে ব্যাংক। ফলে সুনির্দিষ্ট আদেশের কপি ছাড়া মৌখিক কোনো তথ্য কিংবা গণমাধ্যমের খবরের ভিত্তিতে কারও অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলতে বা স্থানান্তর না করতে দেওয়ার সুযোগ নেই। কেননা, আদালত কারো অ্যাকাউন্ট ফ্রিজের আদেশ দিলে পরে স্থগিতাদেশ দিতে পারেন।

তিনি বলেন, সাধারণভাবে এ ধরনের ব্যক্তির বিভিন্ন পর্যায়ে নিজস্ব লোক থাকে। ফলে গোপনে জানিয়ে দেওয়া হতে পারে। আবার পত্রিকায় লেখালেখি এবং দুদকের কার্যক্রমের ফলে এমনিতেই তিনি টাকা সরিয়ে ফেলতে পারেন। সাধারণত এসব ক্ষেত্রে নগদে তুলে বিশ্বস্ত কারো কাছে রাখা হয়।

এখন দেখার বিষয় বেনজীর ও তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্ট থেকে লেনদেন প্রোফাইলের নিয়ম মেনে টাকা উত্তোলন হয়েছে কি না। আবার টাকা উত্তোলন বা স্থানান্তরের পর ব্যাংকগুলো নিয়ম মেনে সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্ট (এসটিআর) এবং নগদ লেনদেন রিপোর্ট (সিটিআর) করেছে কি না।

এদিকে বেনজীর আহমেদের দুই মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর ও তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের নামে বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল সিটিজেন টিভির মালিকানার তথ্য পাওয়া গেছে। ২০১৭ সালে এ টিভির অনুমোদনের সময় তারা দুজনই ছিলেন শিক্ষার্থী।

দেশের সম্পদ অনুসন্ধান চলার মধ্যেই পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে বিদেশে থাকা সম্পদ অনুসন্ধানেও নেমেছে দুদক। বিশেষ করে সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়াসহ অন্যান্য দেশে তাদের কী পরিমাণ সম্পদ রয়েছে, সেসবের খোঁজও নেওয়া হচ্ছে। দুদকের তিন সদস্যবিশিষ্ট অনুসন্ধান কমিটির প্রধান হাফিজুল ইসলামের সই করা চিঠি বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

দুদকের পক্ষ থেকে বিদেশে সম্পদের খোঁজ নিতে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে (বিএফআইইউ) চিঠি দেওয়া হয়েছে। দেশ থেকে অর্থ পাচার ঠেকাতে নীতিমালা প্রণয়ন ও সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে বিএফআইইউ। সংস্থাটি এগমন্ট গ্রুপ নামের একটি ফোরামের সদস্য। এই ফোরাম বিশ্বের ১৭০টি দেশের সংশ্লিষ্ট সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত, যারা অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়নসংক্রান্ত তথ্য নিয়ে কাজ করে। ২০১৩ সালে এগমন্ট গ্রুপের সদস্যপদ পায় বিএফআইইউ।

জানতে চাইলে দুদক কমিশনার (তদন্ত) মো. জহুরুল হক বলেন, শুধু দেশের সম্পদই নয়, আমরা বিদেশে থাকা সম্পদের বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করছি।

তিনি আরও বলেন, যদি সম্পদ অবৈধ হয় তাহলে আদালত রাষ্ট্রের অনুকূলে তা বাজেয়াপ্ত করতে পারবেন। এ জন্য অনুসন্ধান পর্যায়ে তার (বেনজীর) সম্পদ ফ্রিজ (জব্দ) করা হয়েছে। কারণ ফ্রিজ না করলে এসব সম্পদ হস্তান্তর হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।এরই মধ্যে আদালতের আদেশে বেনজীর পরিবারের মালিকানাধীন রাজধানীর গুলশানে বিশালাকৃতির বিলাসবহুল ফ্ল্যাট, গোপালগঞ্জে ৩৪৫ বিঘা ও মাদারীপুরে ২৭৩ বিঘা জমি জব্দ এবং অসংখ্য ব্যাংক ও বিও অ্যাকাউন্ট অবরুদ্ধ করেছে দুদক। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় যে বিপুল সম্পদ গড়েছেন বেনজীর, তার বেশির ভাগই তিনি কেনেন আইজিপি পদে আধিষ্ঠিত হওয়ার পর।

তিনি আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। নথিপত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়, চাকরিজীবনের শেষ দুই বছরে অর্থাৎ আইজিপি থাকাকালেই পরিবারের সদস্যদের নামে ৪৬৬ বিঘা জমি কেনেন বেনজীর। ১৯টি প্রতিষ্ঠানে শত শত কোটি টাকা বিনিয়োগ করে তার পরিবার হয়ে যায় পুরোদস্তুর ব্যবসায়ী পরিবার। আইজিপি পদটি যেন তার কাছে হয়ে উঠে আলাদীনের চেরাগ


আরও খবর



লিটনের ব্যাটে জয়ের হাতছানি বাংলাদেশের

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

শ্রীলঙ্কার ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাওয়ারপ্লেতে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। সেই চাপ সামলে বাংলাদেশকে চালকের আসনে বসিয়েছেন লিটন দাস এবং তাওহীদ হৃদয়। ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার পরপর ৩ বলে ৩ ছক্কা মেরে হৃদয় আউট হলেও লিটনের ব্যাটে জয়ের পথে এগিয়ে আছে টাইগাররা।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ১২ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৯২ রান। জয়ের জন্য ৪৮ বলে টাইগারদের প্রয়োজন ৩৩ রান, হাতে আছে ৬ উইকেট।

ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই সৌম্য সরকারের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ধনঞ্জয়া ডি সিলভার বলে লেগ সাইডে শট খেলতে গিয়ে মিড অনে ক্যাচ তুলে দেন সৌম্য। দলীয় ১ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওভারে নুয়ান থুসারা বোল্ড করেন তানজিম তামিমকে।

৬ রানে ২ উইকেট হারানোর পর দেখেশুনে খেলতে শুরু করেন অধিনায়ক নাজমুল শান্ত এবং লিটন দাস। দুজনে মিলে ২২ রানের জুটিও গড়েন। তবে ষষ্ঠ ওভারে থুসারার বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে সহজ ক্যাচ তুলে দেন শান্ত। ১৩ বলে ৭ রান করে ফেরেন অধিনায়ক।

এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে পাথুম নিসাঙ্কার ব্যাটে ভালো শুরু পেয়েছিল শ্রীলঙ্কা। তবে মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ এবং রিশাদ হোসেনের জাদুতে লঙ্কানদের অল্প রানেই আটকে দিয়েছে টাইগাররা।

২৮ বলে ৪৭ রান করেছেন নিসাঙ্কা। বাংলাদেশের হয়ে ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান এবং রিশাদ হোসেন। তাসকিন আহমেদ নিয়েছেন ২ উইকেট।


আরও খবর



সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে ‘অল আয়েস অন রাফা’

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

বিরাট এলাকাজুড়ে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের তাঁবু, আর সেগুলো দিয়ে লেখা একটি স্লোগান অল আয়েস অন রাফা বা সব চোখ রাফার দিকে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে তৈরি এই ছবিটি কয়েকদিন ধরে ব্যাপকভাবে শেয়ার হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

ছবিটি প্রথমবার শেয়ার হয়েছিল মালয়েশিয়া থেকে। এরপর দ্রুতই প্রায় সাড়ে চার কোটি ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারী তা শেয়ার করেন, যাদের মধ্যে ভারত, পাকিস্তান, মধ্যপ্রাচ্যের বহু তারকাও রয়েছেন।

মূলত দক্ষিণ গাজার রাফা শহরে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের একটি শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বিমান হামলার পর ছবিটি ভাইরাল হয়। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, ওই হামলায় অন্তত ৪৫ জন নিহত হয়েছেন। আরও শত শত মানুষ পুড়ে যাওয়া ও শরীরে বোমার আঘাতের চিকিৎসা নিচ্ছেন। বেশ কয়েকজন বিশ্বনেতা, রাষ্ট্রপ্রধান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং প্রাণহানির ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন।

রাফার শরণার্থী শিবিরে এই হামলার পরপরই ছবিটি ভাইরাল হয়। বিবিসি অ্যারাবিকের তথ্য অনুযায়ী, ছবিটি প্রথমে মালয়েশিয়ার এক যুবক তার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেছিলেন।

স্লোগানটি নেওয়া হয় মূলত দখলকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি রিচার্ড পিপারকর্নের একটি উক্তি থেকে। গত ফেব্রুয়ারিতে তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, অল আয়েস অন রাফা বা আমাদের সবার চোখ এখন রাফার দিকে। তিনি এর মাধ্যমে রাফায় হামলার পরিকল্পনা করা ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে একটি সতর্কবার্তা দেন।

জেনেভায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের সামনে পিপারকর্ন জানান, তার শঙ্কা, ইসরায়েলি সেনারা যদি রাফায় ব্যাপক অভিযান চালায়, তাহলে অকল্পনীয় দুর্ভোগ নেমে আসবে।

এরপর থেকে পিপারকর্নের বলা ওই কথাটি অন্য কর্মকর্তা ও অ্যাক্টিভিস্টরা বারবার ব্যবহার করে আসছিলেন রাফায় ইসরায়েলি অভিযানের বিরোধিতা করতে ও তাদের উদ্বেগ জানাতে।

ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় এত ছড়ালো কেন?

অল আয়েস অন রাফা স্লোগানটি ব্যানারে লিখে দেশে দেশে বড় শহরগুলোতে প্রতিবাদ করতে দেখা গেছে।

যেসব তারকা এই স্লোগানসহ ছবিটি শেয়ার করেছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন পপ তারকা রিকি মার্টিন, তুরস্কের অভিনেত্রী তুবা বায়ুকুস্তান, ভারতের প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, আলিয়া ভাট, বরুণ ধাওয়ান, সিরিয়ার অভিনেত্রী কিনদা আলুশ প্রমুখ।

ই-মার্কেটিং এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) কনসালট্যান্ট মাহের নামারি জানান, ছবিটি যখন ব্যাপক আকারে শেয়ার হতে থাকে, তখন ইনস্টাগ্রামের একটি ফিচার অ্যাড ইয়োরস এতে ব্যবহার করা হয়। ফলে মাত্র দুটি ক্লিকেই ব্যবহারকারীরা এতে অংশ নিতে পারে, যা এই প্রচারণায় মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষকে খুব সহজে যুক্ত করে নেয়।

কিন্তু নামারি মনে করিয়ে দেন, ঘটনাটি এতটাই হৃদয়বিদারক, যার ফলে অনলাইনে এর সহজলভ্যতা ছবিটিকে দ্রুত ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করেছে। তার কথায়, রাফায় হামলা সারাবিশ্বের মানুষকে দুঃখভারাক্রান্ত করেছে।

নামারি বলেন, আরও একটি কারণেও ছবিটি এত বেশি ছড়িয়েছে। তা হলো- এতে কোনো রক্ত, সত্যিকার মানুষ, কোনো নাম বা মর্মান্তিক দৃশ্য নেই। ইনস্টাগ্রামের নিয়ম অনুযায়ী, তাহলে এটি নিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়তো।


আরও খবর



অর্থ আত্মসাৎ মামলায় আলেশা মার্টের কর্মকর্তা রিমান্ডে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

৪২১ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্টের কর্মকর্তা আল মামুনকে একদিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফারহা দিবা ছন্দা এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ৭ জানুয়ারি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান হিসেবে আলেশা মার্ট লিমিটেড আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে। যাত্রার পর থেকে আকর্ষণীয় বা লোভনীয় ছাড়ে বিভিন্ন পণ্য বিক্রির অফার দিয়ে বহু গ্রাহকের কাছ থেকে মোটরসাইকেল ও ইলেক্ট্রনিক বিভিন্ন পণ্য সরবরাহের জন্য অগ্রিম অর্থ নেয়।

কিন্তু গ্রাহককে পণ্য বা টাকা ফেরত না দিয়ে ই-কমার্স ব্যবসার আড়ালে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করেন আসামিরা। এ বিষয়ে গত বছরের ১ মে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সিআইডিতে মামলা করে।

নিউজ ট্যাগ: আলেশা মার্ট

আরও খবর



প্রতারণার মামলায় ইভ্যালির রাসেল-শামীমা খালাস

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

প্রতারণার অভিযোগের মামলায় খালাস পেয়েছেন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন। বৃহস্পতিবার (২৩ মে) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতাউল্লাহ এই রায় ঘোষণা করেন।

 এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবু তাহের রনি বলেন, এ মামলায় দুইজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত। গত ২৪ এপ্রিল যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রায়ের জন্য আজ (২৩ মে) ধার্য করেন। সাজার ভয়ে আসামিপক্ষ আপোসের প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি হন বাদী। তাকে রি-কল করা হয়। আজ আসামিপক্ষ বাদীকে আদালতের সামনে পাওনা টাকা ফেরত দেয়। পরে আদালত তাদের খালাস দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বাদী আলী রেজা ফারুক ২০২১ সালের ২৯ নভেম্বর একটি বাইক কেনা বাবদ দুই লাখ ৯৬ হাজার ৩৪৮ টাকা নগদ ও বিকাশে ইভ্যালিকে পরিশোধ করেন। নির্ধারিত সময় বাইক দিতে না পারায় আলী রেজা ফারুককে একটি চেক দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

পরে ২০২২ সালের ১৬ জানুয়ারি চেকটি ব্যাংকে জমা দিলে চেক ডিজঅনার হয়। বাদী পরে আসামিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা টাকা ফেরত দেবেন বলে জানান। পরে আজ-কাল বলে গড়িমসি করে টাকা আর ফেরত দেননি। এরপর তাদের লিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হলেও তারা টাকা ফেরত দেননি। এরপর বাদী সংশ্লিষ্ট আদালতে দণ্ডবিধির ৪০৬ ও ৪২০ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন।


আরও খবর