আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

বায়ুদূষণে আজ দ্বিতীয় স্থানে ঢাকা

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বিশ্বজুড়ে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউ এয়ারের তথ্য অনুযায়ী বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বাতাসের মান অস্বাস্থ্যকর। এদিন বেলা ৮টার দিকে ১৫৮ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা।

এদিন ২৬৪ স্কোর নিয়ে দূষিত বায়ুর শহরের তালিকার শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের করাচি। ১৫৬ স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে কুয়েতের কুয়েত সিটি। ১৫৩ স্কোর নিয়ে তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার কুচিং। ১৫৩ স্কোর নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর।

এ ছাড়া একইসময়ে একিউআই স্কোর ১৫৩ স্কোর নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। ১৫৩ স্কোর নিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা। ১৪৯ স্কোর নিয়ে অষ্টম স্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি। ১১৬ স্কোর নিয়ে নবম স্থানে রয়েছে চীনের বেইজিং। ১১৪ স্কোর নিয়ে দশম স্থানে রয়েছে চীনের সাংহাই।

এর আগে ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে ঢাকার বায়ু ছিল অস্বাস্থ্যকর বা খুবই অস্বাস্থ্যকর অবস্থায়। প্রায় প্রতিদিনই দূষিত বায়ুর তালিকায় শীর্ষে ছিল ঢাকা। 

আরও পড়ুন>> ইরাকে বিয়ের অনুষ্ঠানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ১১৩

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার দূষিত বাতাসের শহরের এ তালিকা প্রকাশ করে। প্রতিদিনের বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা একিউআই স্কোর একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটুকু নির্মল বা দূষিত, সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় এবং তাদের কোনো ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে কি না, তা জানায়।

তথ্যমতে, একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ সহনীয় হিসেবে গণ্য করা হয়। আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়।

একইভাবে একিউআই স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে থাকলে খুব অস্বাস্থ্যকর এবং স্কোর ৩০১ থেকে ৪০০ এর মধ্যে থাকলে বিপজ্জনক বলে বিবেচিত হয়। বায়ুদূষণ গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। এটা সব বয়সী মানুষের জন্য ক্ষতিকর। তবে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বায়ুদূষণ খুবই ক্ষতিকর।

ঢাকায় বায়ু দূষণের জন্য ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলোকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। বায়ুদূষণের ফলে বাড়ছে শ্বাসকষ্ট, কাশি, নিম্ন শ্বাসনালির সংক্রমণ এবং বিষণ্ণতার ঝুঁকি।


আরও খবর
বেইলি রোডে আগুনে নিহত বেড়ে ৪৫

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




সর্বোচ্চ বেতন পেতে যে আট দক্ষতার দরকার

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

কর্মজীবনকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আয় বাড়ানোর দিকেও নজর দিতে হবে। কিন্তু চলতি বছর আয় বাড়ানোর চিন্তা করতে হলে নতুন নতুন দক্ষতা অর্জন করতে হবে। কারণ, চাকরির বাজার ও শিল্প নিয়মিত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পূরণের জন্য নতুন নতুন কাজের সৃষ্টি হচ্ছে। এ জন্য দরকার নতুন দক্ষতা অর্জন করা।

২০২৪ সালে প্রতিযোগিতামূলক অগ্রগতির জন্য অন্তত আটটি দক্ষতা অর্জন করতে হবে। মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস’–এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, অন্তত আটটি দক্ষতা অর্জন করতে পারলে এই বছর সর্বোচ্চ বেতন ও নিরাপদ পদোন্নতির সম্ভাবনা অনেক।

১. ডেটা অ্যানালাইসিস : তথ্য বিশ্লেষণের দক্ষতা নেতৃত্বের ভূমিকাসহ বিভিন্ন পরিস্থিতিতে কর্মজীবনে কাজে আসে। চলতি বছর আপনি তথ্য বিশ্লেষণের দক্ষতা বাড়িয়ে ডেটা বিশ্লেষক হতে পারেন। এই দক্ষতা মূল সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী হতে সহায়তা করে।

২. প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট : বিশ্বব্যাপী একাধিক শিল্পের চাহিদাসম্পন্ন আরেকটি দক্ষতা হলো প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট। প্রকল্প পরিচালকদের চাহিদা ২০৩২ সাল পর্যন্ত আগামী আট বছরের জন্য ৬ শতাংশ বাড়ছে। এর মধ্যে পুঙ্খানুপুঙ্খ সাংগঠনিক ও পদ্ধতিগত দক্ষতা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, সম্পর্কনির্মাণ দক্ষতা ও শক্তিশালী দল ব্যবস্থাপনা, সহযোগিতা এবং যোগাযোগের দক্ষতা অন্তর্ভুক্ত।

৩. ইউএক্স বা ইউআই : প্রযুক্তির এই যুগে প্রযুক্তি ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা, মোবাইল ও ওয়েব অ্যাপস এবং এসব পণ্যের ব্যবহারকারী ইন্টারফেস ডিজাইন করা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কাজের জন্য ইউএক্স বা ইউআইয়ের দক্ষতা বাড়াতে হবে। স্ট্যাটিস্টার তথ্য অনুসারে, ২০২৩ সালের অক্টোবর প্রায় ৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেছেন। তাই এই দক্ষতা অর্জন করলে গ্রাহক, সরকারিবেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ নানা খাতে উচ্চ বেতনের সম্ভাবনা বাড়বে।

৪. ডিজিটাল মার্কেটিং : ডিজিটাল মার্কেটিংও ইউএক্স বা ইউআই দক্ষতার মতোই। এই দক্ষতা অনলাইন অভিজ্ঞতার ওপর ফোকাস করে এবং সম্ভাব্য গ্রাহকদের মনোযোগ আকর্ষণ করে, যাতে তাঁরা পণ্য বা পরিষেবার সঙ্গে জড়িত থাকেন। যদি ভিডিও সম্পাদনা, গ্রাফিক ডিজাইন, সোশ্যাল মিডিয়া, প্রভাবশালী বিপণন পছন্দ করেন বা ব্লগের জন্য কনটেন্ট লেখার অভিজ্ঞতা থাকে, তাহলে বুঝতে হবে আপনার ডিজিটাল বিপণন দক্ষতা রয়েছে। ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স করে নিজের দক্ষতা আরও বাড়িয়ে তুলতে হবে।

৫. এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) : বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই বিষয়ে দক্ষতা ছাড়া কর্মক্ষেত্রে উন্নতি করা কষ্টসাধ্য হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা একটি শক্তিশালী প্রযুক্তি, যা প্রায় সারা বিশ্বের প্রতিটি শিল্প বা সংস্থায় সংযোজন করা হচ্ছে। ম্যাককিনসে অ্যান্ড কোম্পানির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই খাতে ২ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন থেকে ৪ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত পূর্বাভাস করা অর্থনৈতিক উন্নতিসহ অনেক সম্ভাবনা রয়েছে।

এআই দক্ষতা শেখার অর্থ এই নয় যে মেশিন লার্নিং ইঞ্জিনিয়ার বা এআই বিজ্ঞানী হওয়ার জন্য বছরের পর বছর পড়াশোনা করতে হবে; বরং নির্দিষ্ট কাজের প্রেক্ষাপটে নিজেকে এবং এআইয়ের আধুনিক ব্যবহারগুলো জেনে রাখতে হবে। এতে নিজের কাজের গুণমান ও আউটপুট বাড়বে এবং কাজের সময় কমবে। এই দক্ষতা ব্যবসায়িকভাবে সফল করতে পারে এবং ক্যারিয়ারের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করতে পারে।

৬. নেতৃত্ব : নেতৃত্বের দক্ষতা একটি বিস্তৃত বিষয়, যা অন্যান্য দক্ষতার সঙ্গে বিশ্লেষণাত্মক চিন্তা, কৌতূহল, আজীবন শিক্ষা, পিপল ম্যানেজমেন্ট, স্থিতিস্থাপকতা, প্রেরণা ও আত্মসচেতনতার মতো বিভিন্ন দক্ষতাকে অন্তর্ভুক্ত করে। এসব দক্ষতাকে গত বছর ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের চাকরির ভবিষ্যৎ প্রতিবেদনে উচ্চ স্থান দেওয়া হয়েছে। এই দক্ষতাগুলোকে উত্থানশীল দক্ষতা হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এ কারণে চলতি বছর এসব দক্ষতার ওপর বেশ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তাই এ বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করলে কর্মজীবনকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি আয় বাড়ারও অনেক সম্ভাবনা আছে।

৭. ওয়েব ডেভেলপমেন্ট : অন্যান্য অনলাইন দক্ষতার পাশাপাশি নিয়োগকর্তাদের ওয়েব ডেভেলপমেন্টের দক্ষতাও প্রয়োজন। ইউএস ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিকস আগামী কয়েক বছরে এই কাজের চাহিদা ১৬ শতাংশ বাড়ানোর প্রকল্প হাতে নিয়েছে। অনলাইন কোর্স, বুটক্যাম্প ও কম্পিউটার সায়েন্সে ডিগ্রি নেওয়ার মাধ্যমে ওয়েব ডেভেলপমেন্টের দক্ষতা অর্জন করা সম্ভব।

৮. সেলস : আপনার যদি দৃঢ় আন্তব্যক্তিক, সম্পর্ক-নির্মাণের দক্ষতা ও বহির্গামী ব্যক্তিত্ব থাকে, তাহলে সেলস ক্যারিয়ারের জন্য দক্ষতা অর্জন করা আপনার জন্য সহজ হবে। এই দক্ষতা বিকাশের মাধ্যমে আয় বাড়ার সম্ভাবনা সীমাহীন। কারণ, এই পেশাদাররা কেবল কমিশনই অর্জন করেন না, এ ক্ষেত্রে নেতৃত্ব ও বিভাগের পরিচালনার মাধ্যমে উচ্চ বেতনের পদের দিকে এগিয়ে যান।

অনেক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এ ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জনের কোর্স করায়। এসব কোর্স করে নিজের দক্ষতাকে আরও তীক্ষ্ণ করে তুলতে পারেন।

নিউজ ট্যাগ: কর্মজীবন

আরও খবর
২৯ ফেব্রুয়ারি: ইতিহাসের এই দিনে

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

আজকের রাশিফল: বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




করোনার কিছু টিকায় সমস্যা বেড়েছে: গবেষণা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনা মহামারি মোকাবিলায় সারা বিশ্বে ১ হাজার ৩৫০ কোটি ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে মানুষকে। জীবন রক্ষায় এসব টিকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। শুধুমাত্র ইউরোপেই ১০ লাখের বেশি মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে করোনার এ টিকা। তবে এ টিকা নেওয়াদের কিছুটা সমস্যা দেখা দিয়েছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছ বিজ্ঞানীরা। ৮টি দেশে করোনার টিকা গ্রহণ করা ৯ কোটি ৯০ লাখ মানুষের ওপর একটি জরিপ পরিচালনা করে এমন মন্তব্য করেছেন তারা।

গ্লোবাল ভ্যাকসিন ডেটা নেটওয়ার্ক-এর নতুন এই গবেষণাটি গত সপ্তাহে ভ্যাকসিন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

হৃদ্‌যন্ত্রে প্রদাহের বিষয়ে ব্লুমবার্গ ও ফোর্বসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গবেষণার আওতায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে যারা ফাইজার ও মডার্নার মতো এমআরএনএ টিকা নিয়েছেন তাদের হৃদ্‌যন্ত্রে প্রদাহের মাত্রা সামান্য বেশি দেখা গেছে। অন্যদিকে যারা ভাইরাল ভেক্টর নামে পরিচিত অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকা নিয়েছেন তাদের মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বাঁধার মতো একটি বিরল ব্যাধির সম্পর্ক পাওয়া গেছে। বিশেষ করে, মডার্নার দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণের পর এই প্রবণতা সামান্য বেশি দেখা গেছে। প্রাথমিক ও বুস্টার ডোজ নেওয়ার পর পেরিকার্ডাইটিস বা হৃৎপিণ্ডের চারপাশের টিস্যুগুলোতে ফোলাভাব প্রবণতারও প্রমাণ পাওয়া গেছে।

অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকা গুলেন-ব্যারি সিনড্রোমের উচ্চ ঝুঁকির সঙ্গেও যুক্ত বলে দাবি করে গবেষকরা বলেন, গুলেন ব্যারি সিনড্রোম বা জিবিএস হচ্ছে এমন স্নায়বিক ব্যাধিযা মাংসপেশিকে দুর্বল করে ধীরে ধীরে শরীরের শক্তি কমিয়ে দেয়। একপর্যায়ে নড়াচড়ার সামর্থ্যও হারিয়ে ফেলতে পারেন আক্রান্ত ব্যক্তিরা।

গবেষণায় ৯ কোটি ৯০ লাখ টিকা গ্রহণকারী ব্যক্তির স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ধারাবাহিক তথ্যগুলো পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীরা ভ্যাকসিনের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য প্রাথমিকভাবে ১৩টি নির্দিষ্ট অবস্থার ওপর নজর রাখেন।

তাদের মতে, অ্যাস্ট্রাজেনেকার প্রাথমিক ডোজ গ্রহণের ৪২ দিনের মধ্যে গুলেন-ব্যারি সিনড্রোমের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। এ ক্ষেত্রে স্বাভাবিক অবস্থায় যেখানে ৬৬টি নজির প্রত্যাশিত ছিল, সেখানে ১৯০টি নজির দেখা গেছে। এই টিকা সেরিব্রাল ভেনাস সাইনাস থ্রম্বোসিসের তিনগুণ বৃদ্ধির সঙ্গেও যুক্ত ছিল।

এ সিনড্রোম মূলত মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বাঁধার একটি ব্যাধি। এই ব্যাধির প্রত্যাশিত ২১টি নজিরের বিপরীতে টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে ৬৯টি নজির শনাক্ত করা হয়েছে।

এই অভিযোগে ডেনমার্কসহ একাধিক দেশ অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকা প্রত্যাহার বা সীমাবদ্ধ করেছে।


আরও খবর



গাইবান্ধায় শিল্পকলা একাডেমির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি

Image

জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা, জন্মদিনের কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সোমবার গাইবান্ধায় শিল্পকলা একাডেমির ৫০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়।

এ উপলক্ষে সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

পরে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সংগঠনের সহ-সভাপতি শাহ মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাধারণ) মো. আব্দুল আউয়াল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইব্রাহিম হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদুল হক শাহজাদা, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক প্রমতোষ সাহা, জেলা কালচারাল অফিসার মো. আলমগীর কবির প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক অমিতাভ দাশ হিমুন। শেষে সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করে শিল্পকলা একাডেমির শিশু শিল্পীরা।


আরও খবর
৯ ছাত্রীর চুল কাটার ঘটনায় শিক্ষিকা বরখাস্ত

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




পেট্রোল রপ্তানি নিষিদ্ধ করল রাশিয়া

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পেট্রোল রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে রাশিয়া। আগামী সপ্তাহ থেকে দেশটির এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। অভ্যন্তরীণ চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ৬ মাসের জন্য এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর প্রকাশ করেছে। 

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাশিয়ার বার্তা সংস্থা তাসের বরাত দিয়ে রয়টার্সের ওই খবরে বলা হয়েছে, বিদেশে রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞায় অনুমোদন দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্টিন। আগামী ১ মার্চ থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবার কথা রয়েছে। গেল বছরের শুরুর দিকেও একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিল রাশিয়া।

রয়টার্স বলছে, ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী অ্যালেকজান্ডার নোভাক এক চিঠির মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব করেন। ওই চিঠিতে তিনি অভ্যন্তরীণ বাজারের চাহিদার কথা উল্লেখ করে রপ্তানী বন্ধের প্রস্তাবনা উত্থাপন করেন।

তার দাবি, পেট্রলিয়াম পণ্যের চাহিদার কথা মাথায় রেখে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।


আরও খবর



রাজধানীতে পরিত্যক্ত বাড়ির সংখ্যা জানালেন গৃহায়ণমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীতে ৬ হাজার ৩৭২টি পরিত্যক্ত বাড়ি রয়েছে। পরিত্যক্ত বাড়ি সবচেয়ে বেশি মিরপুর এলাকায়। বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা-১৯ আসনের মুহম্মদ সাইফুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী র. আ. ম. ওবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

মন্ত্রী জানান, পরিত্যক্ত বাড়ি সবচেয়ে বেশি মিরপুর এলাকায়। মিরপুরে ‍তিন হাজার ৫৮২টি পরিত্যক্ত বাড়ি রয়েছে। সংখ্যার দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে মোহাম্মপুর। এখানে রয়েছে এক হাজার ৫৪২টি পরিত্যক্ত বাড়ি। এ ছাড়া অন্য পরিত্যক্ত বাড়িগুলোর মধ্যে গুলশানে ১২৮টি, বনানীতে ৯টি, মগবাজারে ৬২টি, তেজগাঁওয়ে ৩৬, নাখালপাড়ায় ১৯টি, ক্যান্টনমেন্টে ২৬টি, বাসাবো ৩৮টি, শাহাজানপুরে ১০টি, খিলগাঁওয়ে ১২টি, জুরাইনে ২টি, মতিঝিলে ৭২টি, রমনায় ১৫৮টি, সূত্রাপুরে ৩২০টি, লালবাগে ১৭৪টি, কোতোয়ালীতে ৪৬টি, ধানমন্ডিতে ৮৮টি, লালমাটিয়ায় ২৫টি, যাত্রাবাড়ীতে ৪টি ও মানিকনগরে রয়েছে ১টি।

এদিকে পরিত্যক্ত বাড়ির মধ্যে নির্মাণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে চারটি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে ২০টি ব্যবহৃত হচ্ছে জানিয়ে গৃহায়ণমন্ত্রী বলেন, সংরক্ষিত পরিত্যক্ত বাড়িতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণকাজে ব্যবহার হচ্ছে এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ভাড়াভিত্তিক বরাদ্দ করা হচ্ছে। বিক্রয়যোগ্য পরিত্যক্ত বাড়িগুলো প্রধানমন্ত্রীর অনুমতিতে বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান, শহীদ পরিবার, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বরাদ্দপ্রাপ্তদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, গত তিন অর্থবছরে ঢাকা শহরের পরিত্যক্ত বাড়ি হতে ১২ কোটি ৬৮ লাখ ১৬ হাজার ৪২৯ টাকা ভাড়া আদায় হয়েছে। এ সময় বিক্রি থেকে মূল্য আদায় হয়েছে ২ কোটি ৩১ লাখ ২ হাজার ৭৩৭ টাকা।


আরও খবর